

ডেস্ক রিপোর্টঃ
কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা, বাবা ও মেয়েসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার কদমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তারা হলেন, ওই এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে মো. সালাম (৪০), তার স্ত্রী রুপা খাতুন (৩৫) ও মেয়ে সাবা খাতুন (১৩)। এ ঘটনায় তার ভাতিজা সিয়াম (১৩) আহত হয়েছেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সজীব উদ্দিন স্বাধীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রুপা খাতুন বিকেল ৪টার দিকে ঘরঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় ঘরে ঝুলে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান স্বামী মো. সালাম ও তার মেয়ে সাবা। এ সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তারা ৩ জন ঘটনাস্থলে মারা যান। এ সময় ঘটনাস্থলের পাশে থাকা সালামের ভাতিজাও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুতর আহত হন।
মৃত সালামের চাচাতো ভাই সাইদুল ইসলাম জানান, সালামের শহরের জেলখানা মোড়ে ফটোকপির দোকান রয়েছে। দুপুরে খাবার খাওয়ার জন্য বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ওই সময় ঘরের ভেতর পরিবারের সবাই অবস্থান করছিলেন। একদিন আগে বাড়িতে ইলেকট্রিকের কাজ করিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সজীব উদ্দিন স্বাধীন বলেন, তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত আরেকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য সোহেল জানান, তিনজনের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক জানে আলম জানান, তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছেন কিনা প্রাথমিকভাবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারণ খুঁজে দেখা হচ্ছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার (ওসি) তদন্ত দিপেন্দ্রনাথ জানান, মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের উনকোট গ্রামে বিশেষ অভিযানে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী।
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোর প্রায় ৪ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ রাকিব হোসেন চৌদ্দগ্রামের উনকুট গ্রামের তাজুল ইসলামের পুত্র।
অভিযানের সময় আসামির কাছ থেকে দুটি ওয়াকিটকি সেট, দুটি ওয়াকিটকি চার্জার, একটি লাঠি ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে দুটি পিস্তল ও বুলেটসহ সোহাগ (৩২) নামের একজনকে আটক করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর ৬ টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কুমিল্লা ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে যৌথবাহিনী হোমনা উপজেলার মাথাভাঙা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ওই এলাকার তারু মিয়ার ছেলে অস্ত্রধারী মোঃ সোহাগকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ০২ টি পিস্তল এবং ১৪ রাউন্ড এ্যামুনেশন উদ্ধার করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়।
আটক হওয়া ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র হোমনা থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার তরুণ ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আলী মাহি স্থানীয় ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে হয়রানি, চাঁদাবাজি এবং মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সোমবার সকালে কুমিল্লা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মাহি।
তিনি জানান, তিনি মুরাদনগর উপজেলার ২১ নং গুটিপাড়া ইউনিয়নের বাইশখোলা গ্রামের বাসিন্দা। ২০১০ সাল থেকে নিজ পরিশ্রমে বিভিন্ন ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমানে গ্রামে প্রায় ২০ একর জমির ওপর মাছের ফিশারি ও বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন। তার উদ্যোগে এলাকার বহু বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পার্শ্ববর্তী গ্রামের মৃত খোরশেদ মিয়ার ছেলে ও মুরাদনগর ছাত্রদলের নেতা জাকির হোসেন তার কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করে আসছেন। সম্প্রতি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে তার ফিশারি ভাঙচুর ও মাছ লুটের ঘটনা ঘটে।
এছাড়াও পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন মাহি। এ অবস্থায় তিনি দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্ত জাকির হোসেন গং এর বাদী ইব্রাহীম ও হাসেমের বিচার দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন এবং এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার মাধবপুর ও দেবিদ্বারের ইষ্টগ্রাম এলাকায় মেসার্স সজিব ব্রিকস এবং মেসার্স নিউ সজিব ব্রিকস নামের দুইটি ইটভাটায় পুরোদমে চলছে ইট প্রস্তুতের কার্যক্রম। ভাটার গা ঘেঁষে রয়েছে ফসলি জমি। অদূরেই বসতবাড়ি ও কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ অনুসারে এ স্থানটিতে ইটভাটা স্থাপনের কোনো সুযোগ নেই। এছাড়াও এ ইটভাটা দুইটির নেই প্রয়োজনীয় কোন কাগজপত্র। এরপরও কয়েক বছর ধরেই এ ভাটায় ইট পোড়ানো হচ্ছে। ইটভাটা দুইটির মালিক মুরাদনগর উপজেলার সাবেক আওয়ামী লীগের এমপি জাহাঙ্গীর আলম সরকারের আস্থাভাজন ও মুরাদনগর উপজেলা শ্রমিক লীগ নেতা মোঃ জহিরুল ইসলাম খান।
ইটভাটা দুইটির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা জানান, গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ পর্যন্ত ভাটা পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লাইসেন্সের মেয়াদ থাকলেও বর্তমানে ইট ভাটা পরিচালনার জন্য কোন দপ্তর থেকেই কোনো অনুমতি মেলেনি।
দেবিদ্বার ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, দুই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ১৭টি অবৈধ ইটভাটা রয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কয়েকটি অবৈধ ইটভাটা ঘুরে দেখা যায়, ইটভাটাগুলোতে চলছে ইট প্রস্তুতের নানা আয়োজন। কয়েকটি ইটভাটায় ইট পুড়িয়ে সেগুলো বের করা হচ্ছে। আবার কিছু কিছু ভাটার কাঁচা ইট সারিবদ্ধভাবে সাজানো হচ্ছে পোড়ানোর জন্য।
খোঁজ নিয়ে এবং স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অবৈধ ইটভাটাগুলোতে পরিচালনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন ক্ষমতাসীন ও সাবেক রাজনৈতিক দলের নেতা এবং স্থানীয় সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধিরা। ফলে ইচ্ছামতো অবকাঠামো তৈরি করে ইট পোড়ানো হচ্ছে এসব ভাটায়। এতে এই অঞ্চলের পরিবেশ চরমভাবে হুমকির মুখে পড়েছে। আর এই সকল বিষয়ে দেখেও না দেখার ভান করে, নীরব ভূমিকায় আছে জেলা প্রশাসন ও কুমিল্লা আঞ্চলিক পরিবেশ অধিদপ্তর।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবুল হাসনাত খাঁন জানান, কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ১০টি অবৈধ ইটভাটার তালিকা ইতিমধ্যে পাঠিয়েছে। সেখানে মেসার্স নিউ সজিব ব্রিকস এর নামও রয়েছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এসব অবৈধ ইটভাটায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) তিন সদস্য নিহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ রবিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইএসপিআর জানিয়েছে, রুমা উপজেলার গভীর জঙ্গলে কেএনএ-র একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পায় সেনাবাহিনী। এরপর অভিযান চালালে দুই পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়, যার ফলে কেএনএ-র তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়। সেনাবাহিনীর এই অভিযান এখনো চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের এপ্রিলে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) বান্দরবানে আত্মপ্রকাশ করে। জানা যায়, কেএনএফ-এর সামরিক শাখা কেএনএ-এর শতাধিক সদস্য তিন বছর আগে মিয়ানমারের কাচিন প্রদেশে গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।
২০২১ সালে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল ফিরে আসে এবং এই দলটি পাহাড়ি এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লায় ১৫ কেজি গাঁজাসহ ২ জন যুবককে আটক করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।
রবিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে র্যাব। এ সময় মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার খারেরা পূর্ব পাড়া এলাকার মৃত. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সোলেমান আহমেদ (২০) এবং একই এলাকার শরিফুল ইসলামের ছেলে আবু সায়েম (২১)।
কুমিল্লা র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত সিএনজি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম কুমিল্লা ইউনিট গঠিত হয়েছে। শনিবার কুমিল্লা কর আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় নেতারা তিন বছরের জন্য ওই কমিটি অনুমোদন দেন। এতে অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান রাজনকে সভাপতি, অ্যাডভোকেট মোঃ ইফতেখার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক ও অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলামকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২৫ সদস্যদের ওই কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
কমিটির অন্যান্যরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন চৌধুরী শিশু ও অ্যাডভোকেট ইকরাম হোসেন। সহ-সভাপতি আইটিপি আবুল মিয়া। সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আল মাহমুদ সাগর। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাহাউদ্দিন রাজন ও অ্যাডভোকেট আবু সুফিয়ান। দপ্তর সম্পাদক আইটিপি মোঃ আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী মফিজুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বরকতের নেছা পাখি, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহনাজ সুলতানা সুমা, অর্থ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ শাহজাহান ভুইয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট নূরে আলম ও ক্রীড়া সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামাল সরকার। সদস্যরা হলেন- অ্যাডভোকেট সামসুর রহমান ফারুক, অ্যাডভোকেট মোঃ কামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট মোঃ জালাল আহম্মেদ, অ্যাডভোকেট এফ আহম্মেদ শান্ত, অ্যাডভোকেট মোঃ শুকুর আলী সাফী, অ্যাডভোকেট মোঃ নুরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট কাজি মামুনুর রশিদ, আইটিপি রেজাউল খান চৌধুরী ও আইটিপি আবদুল কাদের ভুইয়া। প্রধান উপদেষ্টা পিপি অ্যাডভোকেট কাইমূল হক রিংকু। উপদেষ্টারা হলেন- অ্যাডভোকেট মোঃ শরিফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মাহবুবুল হক খন্দকার ও অ্যাডভোকেট মফিজুল ইসলাম।
মতবিনিময়ঃ
তার আগে শনিবার সকালে কুমিল্লা কর আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে কমিটি গঠনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। কুমিল্লা জেলা কর আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান রাজনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের কমপ্লেইন্ট এন্ড ভিজিলেন্স কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুল মতিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সভাপতি এ এইচ এম মাহবুবুস সালেকিন, ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কুমিল্লার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ শরীফুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম, ঢাকা ট্যাক্সেস বার ইউনিটের সেক্রেটারী মোঃ মনজুর হোসেন পাটোয়ারী, ঢাকা ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাছের মজুমদার মেজবা, জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আশরাফ হোসেন খান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কর আইনজীবী ফোরাম, ঢাকা ট্যাক্সেস বার ইউনিটের জয়েন্ট সেক্রেটারী মোঃ শামীম মনি, কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান খন্দকার, কুমিল্লা কর আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আইটিপি বাবুল মিয়া, কুমিল্লা বার এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইকরাম হোসেন, কর আইনজীবী সমিতির যুগ্ম-আহ্বায়ক আইটিপি আবুল খায়ের ও অ্যাডভোকেট বরকতের নেছা পাখি। এসময় সিনিয়র অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন চৌধুরী শিশু সহ আইনজীবী ও আইটিপিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মাত্র ৯ টাকার একটি ওষুধ ৮০ টাকায় বিক্রির অভিযোগে কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ বাজারে অবস্থিত ‘সাহ মেডিকেল হল’কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রবিবার (১৩ জুলাই) সকালে পরিচালিত অভিযানে একাধিক অনিয়ম উদ্ঘাটিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে এ জরিমানা আরোপ করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া। তিনি বলেন, “সাহা মেডিকেল হলের বিক্রয়কর্মীরা নির্ধারিত খুচরা মূল্য (MRP) অমান্য করে অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রি করছিলেন। এটি সম্পূর্ণভাবে ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণা এবং আইন লঙ্ঘনের শামিল। এ ধরনের অপকর্ম কখনোই বরদাশত করা হবে না।”
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ৯ টাকা মূল্যের একটি ওষুধের প্যাকেট একজন রোগীর কাছে ৮০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এর বাইরে আরও কিছু ওষুধের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রমাণ মেলে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির স্টোর পরিচালনায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, মূল্যতালিকা এবং ভোক্তার অভিযোগ জানাবার সুবিধাজনক ব্যবস্থার অভাব পাওয়া যায়।
মো. কাউছার মিয়া আরও জানান, “জনস্বার্থে এবং রোগীদের অধিকার রক্ষায় আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা নিয়মিত বাজার তদারক করে যাচ্ছি। যারা আইন মানছে না, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযানে সহায়তা করেন কুমিল্লা জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আবুল কালাম আজাদ, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।
এই ঘটনার পর ভোক্তাসাধারণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এমন কঠোর পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। স্থানীয় এক ক্রেতা বলেন, “আমরা তো গরীব মানুষ, ওষুধই যখন এভাবে দাম বাড়িয়ে দেয়, তখন কোথায় যাব? এই রকম নিয়মিত অভিযান দরকার।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের ওষুধখাতের স্বচ্ছতা এবং ভোক্তা সুরক্ষার জন্য নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যাতে প্রতারিত না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে।
প্রসঙ্গত, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী, কোনো পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
সিলেটে পুরোনো গ্যাসকূপ (সিলেট-৭) সংস্কার করতে গিয়ে নতুন করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। দুই দফা পরীক্ষা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেড কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা করা হয়। এতে মাত্র এক হাজার ২০০ মিটার গভীরতায় গ্যাসের সন্ধান মেলে।
সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের (এসজিএফএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, পুরাতন গ্যাসকূপ সিলেট-৭ নম্বরে চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে মেরামতে কাজ করছি। ১৪ অক্টোবর দুই হাজার ১০ মিটার গভীরতায় পরীক্ষা করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। আজ ওই কূপের আরেকটি জোনে এক হাজার ২০০ মিটার গভীরতায় ফের গ্যাসের সন্ধান মেলে।
তিনি আরও বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষা করলে জানা যাবে কী হরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে। গ্যাস পরীক্ষা করতে আরও তিন-চারদিন সময় লাগতে পারে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে, প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যাবে।
মিজানুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাকে সিলেটে আনার প্রস্তুতি চলছে। তিনি এলে আনুষ্ঠানিকভাবে সবকিছু বলা যাবে।
এর আগে ২৪ মে সিলেটের কৈলাশটিলা ৮ নম্বর কূপে গ্যাস পাওয়ার কথা জানায় সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল)। এ নিয়ে গত এক বছরে সিলেটের পাঁচটি কূপে গ্যাসের সন্ধান মিললো।
১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে প্রথম গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। এরপর আবিষ্কার হতে থাকে একের পর এক গ্যাসক্ষেত্র। দেশে বর্তমানে গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা হচ্ছে ২৯টি। তার মধ্যে এসজিএফএল নিয়ন্ত্রণে আছে পাঁচটি। এই গ্যাসক্ষেত্রগুলো হচ্ছে- হরিপুর, রশিদপুর, ছাতক, কৈলাশটিলা ও বিয়ানীবাজার গ্যাসফিল্ড।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকা বাংলা চলচ্চিত্রের নন্দিত চিত্রনায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক)-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু। সোমবার (১৫ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডেপুটি স্পিকারের প্রেসসচিব সোয়াইব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এ সময় ডেপুটি স্পিকার তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এর আগে সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন ফারুক। এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে ঢাকাই সিনেমার তার অভিষেক হয়। এরপর ‘লাঠিয়াল’, ‘সুজন সখী’, ‘নয়নমনি’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সাহেব’, ‘আলোর মিছিল’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘মিয়া ভাই’সহ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
ফারুক ১৯৭৫ সালে ‘লাঠিয়াল’ সিনেমা জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়া ২০১৬ সালে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন।
মন্তব্য করুন