

কুমিল্লা নগরীর উত্তর ঠাকুরপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিালনা করে মোঃ মাসুদ রানা প্রধান (৩৮) নামের একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ১১ সিপিসি ২ সদস্যরা। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ২ টি এলজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মাসুদ রানা প্রধান (৩৮) কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুর গ্রামের মৃত. মতিউর রহমান প্রধানের ছেলে।
আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, সে যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। সে পতিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ রেখে বড় ধরনের নাশকতাসহ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে জনগণের জানমালের ক্ষতিসাধন করার পরিকল্পনা করে আসছিল। এছাড়াও পূর্বে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন শো-ডাউনে তাকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দেখা যায়। বর্তমানে সে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল বলে জানায়।
উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পূর্বে রুজুকৃত হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলাসহ মোট ৭ টি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব ১১,সিপিসি ২ এর কোম্পানি অধিনায়ক লে: কমান্ডার মাহমুদুল হাসান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


ঘন কুয়াশায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাসসহ ১০টি যানবাহনের সংঘর্ষে একজন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. ফরহাদ হোসেন (৪০), যিনি ফরিদপুরের ভাঙা এলাকার বাসিন্দা এবং একটি বাসের চালক ছিলেন।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সগির মিয়া জানান, এক্সপ্রেসওয়ের নিমতলা এলাকার কিছু দূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। যানবাহনগুলো ঢাকা থেকে মাওয়ার দিকে যাচ্ছিল।
জানা যায়, ভোরে প্রথমে দুটি পণ্যবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ ঘটে। এরপর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে একটি বাস পেছন থেকে আরেকটি বাসকে ধাক্কা দেয়, এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। একই সময়ে একটি পিকআপভ্যান একটি প্রাইভেটকারকে চাপা দেয়, যার ফলে আরও কয়েকজন আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, "দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনগুলো সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করি। সকালে ঘন কুয়াশার কারণে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।"
তিনি আরও জানান, আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, ঘন কুয়াশার মধ্যে অতিরিক্ত গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জগতপুর এলাকা থেকে যৌথবাহিনীর একটি দল কামাল হোসেন নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে।
এই যুবদল নেতা বুড়িচং সদর ইউনিয়নের আহ্বায়ক এবং স্থানীয়ভাবে "ফেন্সি কামাল" নামে পরিচিত। শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে, যৌথবাহিনী দেলোয়ার হোসেন ও সারদুল ইসলাম নামে দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করে, যাদের কাছ থেকে ২১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে কামাল হোসেনের নাম উঠে আসে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক জানিয়েছেন, শুক্রবার ভোরে ২১০টি ইয়াবাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করার পর তাদের তথ্যের ভিত্তিতে কামাল হোসেনকে আটক করা হয়।
কামালের বিরুদ্ধে পূর্বে মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়া বাজার ও দক্ষিণ রামপুরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ রাসেল ও মোহাম্মদ শরীফ নামের দুই দুষ্কৃতকারীকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, এয়ারসফট পিস্তল, ওয়াকিটকি সেট এবং মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (২১ জুন) রাতে সেনাবাহিনী নেতৃত্বে এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ধারণা করা হচ্ছে, আটক হওয়া ব্যক্তিরা এই এয়ারসফট পিস্তল ব্যবহার করে মানুষকে ভয় দেখিয়ে ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা সংঘটিত করত।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মামলা রয়েছে । রাসেলের নামে ৩টি এবং শরীফের নামে ২টি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।
তাদেরকে দক্ষিণ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনী সূত্র জানায়।
উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৩ টি দেশীয় তৈরি দা, ২টি বড় ছুরি, ২টি ছোট ছুরি, ২টি এয়ারসফট পিস্তল, ৪টি ওয়াকিটকি সেট ও ৩টি মোবাইল ফোন।
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


গাছে গাছে ঝুলছে পরপক্ক বিভিন্ন জাতের আম। কয়েকদিনের মধ্যেই জমে উঠবে আমের রাজধানীখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বাজারগুলো। ইতোমধ্যে গাছ থেকে পাড়া শুরু হয়েছে গোলাপভোগ ও গুটি জাতের আম। এর মধ্যে কৃষকদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় মোখার তেমন কোনো প্রভাব না থাকায় স্বস্তি পেয়েছেন আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ বা এর আশেপাশে সরাসরি আঘাত না হানলেও কক্সবাজার বা চট্রগ্রাম আঘাত হানলে এর প্রভাবে ঝড় ও টানা বৃষ্টির আশঙ্কা ছিল। এতে গাছ থেকে আম ঝরে ও টানা বৃষ্টিতে ছত্রাকের আক্রমণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের মনে। তবে ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে ঝড় বা বাতাস কিছুই হয়নি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। এতে রক্ষা পেয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার আম।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মধ্যযুগীয় কায়দায় প্রকাশ্যে এক বিএনপি কর্মিকে গুলির পর জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তবে তাৎক্ষণিক নিহতের স্বজন ও পুলিশ এই হত্যাকান্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেনি।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের সুজায়েতপুর গ্রামের সুজায়েতপুর পূর্ব জামে মসজিদের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত কবির হোসেন ওরফে ছালি কবির (৩৫) একই ইউনিয়নের সুজায়েতপুর গ্রামের মৃত নুরনবীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছালি কবির স্থানীয় বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের একজন সক্রিয় কর্মি ছিলেন। গত ৫ আগস্টের পর কবির এলাকায় আসেন। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা ছিল। শুক্রবার দুপুরে তিনি বাড়ির পাশের সুজায়েতপুর পূর্ব জামে মসজিদের জুমার নামাজ পড়তে যান। ইমামের পেছনে জুমার ফরজ নামাজ আদায় করেই তিনি মসজিদ থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হয়ে যান। ওই সময় মুখোশপরা ৫-৬ জন দুর্বৃত্ত সিএনজি চালিত অটোরিকশাযোগে সুজায়েতপুর পূর্ব জামে মসজিদের সামনে আসেন। এক পর্যায়ে ছালি কবির মসজিদ থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে তাকে লক্ষ্য করে তারা গুলি ছোঁড়েন। এতে কবির মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসীরা তার বাম পায়ের রগ কেটে, গলা কেটে জবাই করে হত্যা করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.আব্দুল্লাহ্-আল-ফারুক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চলছে। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যে হত্যার কারণ জানাতে পারব।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকায় আবারও অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। বন বিভাগের কাজে নিয়োজিত ৩ কর্মীসহ ১৯ শ্রমিক এখনো উদ্ধার হয়নি। এর মধ্যেই নতুন করে আরও ৭ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন।
অপহৃতদের মধ্যে একজন সিএনজি চালক, একজন অটোরিকশা চালক এবং বাকিরা যাত্রী বলে জানা গেছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
মঙ্গলবার সকালে হোয়াইক্যং থেকে বাহারছড়া শামলাপুর বাজারে যাওয়ার পথে পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পাহাড়ি অপহরণ চক্রের সদস্যরা পথ আটকে তাদের তুলে নিয়ে যায়।
হ্নীলা সিএনজি কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিক বলেন, "হোয়াইক্যং থেকে বাহারছড়া যাওয়ার পথে ৭ জন অপহৃত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন সিএনজি চালক এবং একজন অটোরিকশা চালক রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।"
অপহৃতদের উদ্ধারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে। র্যাব-১৫ এর সিপিসি-১ টেকনাফ ও হোয়াইক্যং সিপিসি-২, টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ, বন বিভাগের শতাধিক কর্মী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছেন।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, "অপহৃতদের উদ্ধারে একাধিক টিম গঠন করা হয়েছে। পাহাড়সহ বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান চলছে।"
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদরের পাঁচথুবি ইউনিয়নের ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মেম্বার ইয়াসমিন আক্তারের ৯৪ শতক আয়তনের পুকুরটি দখল করে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে স্থানীয় দুর্বৃত্তরা। এমন অভিযোগ এনে কোতয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মেম্বার ইয়াসমিন আক্তারের স্বামী মো: ফিরোজ আহাম্মদ ।
স্থানীয় মিরপুর এলাকার বাসিন্দা মোঃ সোহেল, মনির হোসেন (মনু মিয়া), মো: জাকির হোসেন (৫০),মোঃ সফিক মিয়া (৫৫), রুহুল আমীন (৪৫), রুপ মিয়ার ছেলে মো: সোহেলকে অভিযুক্ত করে থানায় অবহিত করা হয়।
মোঃ ফিরোজ আহমেদ জানান, আমাদের মালিকানাধীন দখলীয় সরকারী রিকুইজসানকৃত ১৯/৫৯ মুলে দখলীয় বাড়ির সামনের পুকুর রয়েছে, যেখানে আমরা মাছ চাষ করি। উপরে উল্লেখিত ৭/৮ জন আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে বিগত বছরের ৬ আগস্ট পুকুরটি দখল করার চেষ্টা করে। কয়েকবার জোরপূর্বক মাছ তুলে নিয়ে যায়। আজ দুপুরে এসে পুকুরের বাশগুলো উঠিয়ে নিয়ে যায় । আজ রাতে তারা সবগুলো মাছ তুলে নিয়ে যাবে বলে আমাদের হুমকি দিয়ে যায়।আমার অজান্তে ইতিপূর্বে বহুবার আমার পুকুরের মাছ রাতের আধারে বিষ দিয়া মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং মাছ ধরে নিয়ে যায়। যাহার দরুন আমার আর্থিক ক্ষতি সাধন হচ্ছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমাকে এলাকার থাকতে দিবে না, হত্যা করে লাশ গুম করবে এবং সন্ত্রাসী দ্বারা মারধর করবে, এমন হুমকি দিয়ে গেছে। এমতাবস্থায় আমরা প্রাণহানির আশঙ্কা করছি, সেই সাথে মাছগুলো আজ রাতে লুট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বজ্রপাতে আনোয়ারুল হক (২৮) নামের একহন মাটি কাটা শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
তিনি লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার বারগরিয়া গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে। দুপুরে উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের খিরনশাল- লনিশ্বর মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন উপজেলার মুন্সীরহাট ইউপি সদস্য সাহাব উদ্দিন মজুমদার রানা। এসময় আহত হয়েছেন আরেক শ্রমিক একই এলাকার মজিবুর রহমান।
আহত মজিবুর রহমান জানান, লনিশ্বর গ্রামের মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের কৃষি জমিতে সকাল থেকে মাটি কাটার কাজ করছিলাম আমরা ১০/১২ জন শ্রমিক। দুপুরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে থেমে থেমে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারুল হকের মৃত্যু হয়। আমাদের শোর চিৎকারে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবুল হাসেম জানান, বজ্রপাতের ঘটনায় দুইজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তার মধ্যে আনোয়ারুল হক নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে৷ মজিবুর রহমান নামের আরেক জনকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদরের রঘুপুরের কার্তিকপুর এলাকায় ২৩ বীর -এর আওতায় সেনাবাহিনী-র্যাবের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র-গোলাবারুদসহ মোঃ আবু ওবায়েদ ওরফে শিমুল আটক হয়েছে।
আটক হওয়া মোঃ আবু ওবায়েদ ওরফে শিমুল কুমিল্লা সদরের চাঁপাপুর কার্তিকপুরের আব্দুল ওয়াহবের ছেলে।
সোমবার ( ১৬ জুন) ভোর ৪ টায় এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় শিমুলের কাছ থেকে ১টি ৭.৬৫ মিমি পিস্তল, ২টি পাইপগান, ৩টি ককটেল, ৬ রাউন্ড শটগান গুলি, ১ রাউন্ড ৭.৬৫ মিমি গুলি, ১টি স্মার্টফোন, ১টি বাটন ফোন উদ্ধার করা হয়।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী শিমুল কুমিল্লার চিহ্নিত সন্ত্রাসী রেজাউলের ডান হাত হিসেবে কাজ করে। এক সময় এই রেজাউল এমপি বাহারের জন্য অস্ত্র আনার দায়িত্বে ছিল। বর্তমানে সে নিজেকে এবং শিমুলকে মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারি আবুর লোক হিসেবে পরিচয় দেয়। তারা অস্ত্র দিয়ে রাজনৈতিক সহিংসতা এবং চাঁদাবাজিতে জড়িত।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নে তিন লবণচাষির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৫ মে) উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন- হোয়ানক ইউনিয়নের কালাগাজীর পাড়া গ্রামের আবুল ফজলের ছেলে রিদোয়ান (৩৫), পানিরছড়া গ্রামের আকতার কবিরের ছেলে মুহাম্মদ নেছার (৩২) ও পানিরছড়া বারঘর পাড়ার মৃত মতনের ছেলে মো. আনছার।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরী জানান, রোববার (১৪ মে) সকাল ১০টায় মাঠে পলিথিন ও লবণ উঠানোর জন্য আনুমানিক ৪০-৫০ জন শ্রমিক মাঠে যায়। বৃষ্টির মধ্যে কাজ করার কারণে ঠান্ডায় ৬/৭ জন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রিদওয়ানকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন আর বাকিদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে লবণ মাঠে পলিথিন উঠাতে গিয়ে মৃত্যু হয় মুহাম্মদ নেছার নামের আরেকজনের। তাকে রাত সাড়ে ১০টায় পানিতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় সোনা মিয়া নামের আরেক কৃষককে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এছাড়া এলাকাবাসী রাত সাড়ে ১১টায় লবণ মাঠ থেকে আনছারের মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, হোয়ানকের বিভিন্ন গ্রামের আরও ১০/১৫ জন লবণচাষি এখনও ঘরে ফিরেননি।
এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, তিনজনের মৃত্যু ও কয়েকজন অসুস্থ হওয়ার কথা শুনেছি। তবে কী কারণে তারা মারা গেছেন সেটা সঠিক জানি না। এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন