

ডেস্ক রিপোর্ট:
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) তিন সদস্য নিহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ রবিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইএসপিআর জানিয়েছে, রুমা উপজেলার গভীর জঙ্গলে কেএনএ-র একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পায় সেনাবাহিনী। এরপর অভিযান চালালে দুই পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়, যার ফলে কেএনএ-র তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়। সেনাবাহিনীর এই অভিযান এখনো চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের এপ্রিলে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) বান্দরবানে আত্মপ্রকাশ করে। জানা যায়, কেএনএফ-এর সামরিক শাখা কেএনএ-এর শতাধিক সদস্য তিন বছর আগে মিয়ানমারের কাচিন প্রদেশে গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।
২০২১ সালে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল ফিরে আসে এবং এই দলটি পাহাড়ি এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নাফ নদীর মোহনায় মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি আটক করে রাখা একটি পণ্যবাহী জাহাজ ১৬ দিন পর মুক্তি পেয়েছে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে জাহাজটি পণ্যসহ টেকনাফ স্থলবন্দরে পৌঁছায়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি জানান, গত ১৬ জানুয়ারি মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন থেকে পণ্যবাহী চারটি জাহাজ টেকনাফ স্থলবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু রাখাইন সীমান্তে নাফ নদীতে আরাকান আর্মি জাহাজগুলো আটকে দেয়। এর দুই দিন পর ধাপে ধাপে তিনটি জাহাজ ছেড়ে দেওয়া হয়। অবশেষে ১৬ দিন পর বাকি একটি জাহাজও ছেড়ে দেওয়া হলে শনিবার দুপুরে সেটি টেকনাফ স্থলবন্দরে পৌঁছায়।
জসিম উদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন, আরাকান আর্মি জাহাজগুলো তল্লাশির জন্য আটকে রেখেছিল বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
এদিকে, স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন থেকে টেকনাফের ব্যবসায়ীদের পণ্য নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেওয়া তিনটি জাহাজ গত ১৬ জানুয়ারি দুপুরে নাফ নদীর মোহনার নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় পৌঁছালে আরাকান আর্মি তল্লাশির নামে সেগুলো আটকে দেয়।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকায় আবারও অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। বন বিভাগের কাজে নিয়োজিত ৩ কর্মীসহ ১৯ শ্রমিক এখনো উদ্ধার হয়নি। এর মধ্যেই নতুন করে আরও ৭ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন।
অপহৃতদের মধ্যে একজন সিএনজি চালক, একজন অটোরিকশা চালক এবং বাকিরা যাত্রী বলে জানা গেছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
মঙ্গলবার সকালে হোয়াইক্যং থেকে বাহারছড়া শামলাপুর বাজারে যাওয়ার পথে পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পাহাড়ি অপহরণ চক্রের সদস্যরা পথ আটকে তাদের তুলে নিয়ে যায়।
হ্নীলা সিএনজি কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিক বলেন, "হোয়াইক্যং থেকে বাহারছড়া যাওয়ার পথে ৭ জন অপহৃত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন সিএনজি চালক এবং একজন অটোরিকশা চালক রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।"
অপহৃতদের উদ্ধারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে। র্যাব-১৫ এর সিপিসি-১ টেকনাফ ও হোয়াইক্যং সিপিসি-২, টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ, বন বিভাগের শতাধিক কর্মী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছেন।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, "অপহৃতদের উদ্ধারে একাধিক টিম গঠন করা হয়েছে। পাহাড়সহ বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান চলছে।"
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণ করে গ্রেফতার হওয়া যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ সুমনকে কম মামলা দিয়ে আদালতের প্রেরণ করার জন্য জোর তদবিদ করছেন বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা। স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কুমিল্লায় ছাত্রলীগের মিছিলে অংশগ্রহণ করায় যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ সুমনকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।
গ্রেফতার হওয়া সুমন নগরীর ৫ নং ওয়ার্ডের মোগলটুলি উত্তর গাংচর এলাকার মৃত আলাউদ্দিন আহাম্মদের বড় ছেলে।
তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা সহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, যুবলীগ নেতা সুমন সম্প্রতি নিজেকে মামলা ও গ্রেপ্তার থেকে বাঁচানোর জন্য বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত এক নেতার অনুসারীদের সাথে চলাফেরা করেন। গতকাল ছাত্রলীগ- যুবলীগের ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। পরে কোতয়ালী থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলে বিএনপির ওই অংশের নেতাকর্মীরা তার জন্য জোর তদবির শুরু করেন, যাতে করে দু একটি মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়, এবং সহজেই জামিনে বের হয়ে আসতে পারে। শোনা যাচ্ছে একটি দুর্বল মামলা দিয়ে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হতে পারে।
এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, সুমনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পূর্বে একাধিক মামলা রয়েছে। নতুন করে আরো হয়তো মামলা হতে পারে। তবে তিনি তদবিরের বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
মন্তব্য করুন


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ধামতী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মিঠু চিকিৎসা ও ব্যবসার জন্য চীনে অবস্থান করেছিলেন। গত ১৮ জুলাই থেকে তিনি চীনে অবস্থান করছেন। এছাড়াও চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের লোকজনের হুমকি-ধমকির জন্য এলাকায় সব সময় অবস্থান করতে পারেননি এই ইউপি চেয়ারম্যান। অথচ তাকে ৫ আগষ্ট সকাল ১০ টায় উপজেলার নিউ মার্কেট চত্ত্বরের মারধরের একটি মামলায় ৮১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। চীনে অবস্থান করে কিভাবে মারধরের মামলার আসামি হলেন , এ বিষয়টি বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছে এলাকায়।
দেবিদ্বার উপজেলার দক্ষিণ ভিংলা বাড়ির মো: নাজমুল হক বাদি হয়ে কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ৪ নং আমলী আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন।
তবে স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দেবিদ্বার উপজেলায় আওয়ামী লীগের মত বিএনপির মধ্যেও গ্রুপিং রয়েছে। আওয়ামী লীগে যেমন রাজী মোহাম্মদ ফখরুল ও আবুল কালাম আজাদের দুই গ্রুপ ছিল, তেমনি বিএনপিতেও সাবেক সংসদ সদস্য মনজুরুল আহসান মুন্সি ও কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব তারেক মুন্সির আলাদা আলাদা গ্রুপ রয়েছে। ফলে আওয়ামী লীগের একটা অংশ অপর অংশকে বিপদে ফেলার জন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে সর্ম্পক উন্নয়ন করে বিভিন্ন মামলায় নাম জড়িয়ে দিচ্ছে। এতে করে কোন প্রকার সংঘর্ষে না থেকেও মামলার আসামি হচ্ছেন অনেকে। ফলে প্রকৃত ভুক্তভোগির ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মহিউদ্দিন আহমেদ মিঠু স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ধামতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বিগত সংসদ নির্বাচনে সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ এবং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এমপি আজাদের ভাই মামুনের পক্ষে কাজ না করায় প্রতিপক্ষের হুমকি-ধমকির ফলে ইউপি কার্যালয়েও যেতে পারতেন না চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠু। চেয়ারম্যান মিঠুর বসতজমিতে হামলা-ভাংচুর হয়েছে। তাঁর জমি দখলের পায়তারাও হচ্ছে। যার ফলে বছরজুড়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এই চেয়ারম্যান। ফলে জুলাই মাসে অসুস্থ্য হয়ে চীনে যান চেয়ারম্যান মিঠু। সেখানেই বর্তমানে অবস্থান করছেন। সেই চীনে থেকে রাজনৈতিক কারনে মামলার আসামি হয়েছেন চেয়ারম্যান মিঠু।
এই বিষয়ে জানতে মামলার বাদি মো: নাজমুল হকের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেন নি।
এই বিষয়ে ধামতী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মিঠু জানান, আমি বেশ কয়েক মাস ধরে অসুস্থ্য। তাই চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থান করছি। আমাকে অন্যায়ভাবেই মামলার আসামি করা হয়েছে। আশা করি প্রশাসন সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এ বিষয়টির সমাধান করবেন।
এই বিষয়ে জানতে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেন নি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীতে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে উজিরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোঃ নাঈমুর রহমান মজুমদার মাছুমকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী।
১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে নগরীর দক্ষিণ চর্থার ইপিজেড এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া মাছুম চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘাসি গ্রামের মৃত. মোখলেসুর রহমান মজুমদাের ছেলে । তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চিহ্নিত আসামি এবং চৌদ্দগ্রামে সংঘটিত এইট মার্ডার হত্যাকাণ্ডের মামলার ৮৮ নং আসামি।
সূত্রে জানা যায়, নাঈমুর রহমানের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নাশকতা পরিকল্পনার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। তার স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে যে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ ঢাকা শহরের ৮/৯টি স্থানে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সকাল ৬ টা থেকে ৭টার মধ্যে ভয়াবহ নাশকতা চালানো হবে।
অভিযুক্ত নাঈমুর রহমান আরও জানায়, এবার শুধু মহাসড়ক অবরোধেই সীমাবদ্ধ নয়, তারা এক্সকাভেটর ব্যবহার করে রাস্তাঘাট কেটে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।এর পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলগুলোতে শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করে দেশের অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করার কৌশলও হাতে নেওয়া হয়েছে।
সেনা অভিযানে গ্রেফতারের পর নাঈমুর রহমানকে ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে কুমিল্লা সিআইডিকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।
এই গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নাশকতার যেকোনো পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরসহ সারাদেশে শুরু হওয়া অপারেশন ‘ডেভিল হান্ট’-এর অংশ হিসেবে গাজীপুর জেলায় ৬৫ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। গাজীপুর জেলা ও মহানগর পুলিশ, সেনাবাহিনী, র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
আটককৃতদের মধ্যে গাজীপুর জেলার ৫টি থানায় ৪০ জন এবং মহানগরীর ৭টি থানায় ২৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেক জানান, শ্রীপুর, কালীগঞ্জ, কাপাসিয়া, কালিয়াকৈর ও জয়দেবপুর থানায় অভিযান চালিয়ে ৪০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের সবাই আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।
অন্যদিকে, গাজীপুর মহানগরীর ৮টি থানার মধ্যে টঙ্গী পূর্ব ও পূবাইল থানায় একজন করে মোট ২ জন, গাছা থানায় ৫ জন, বাসন থানায় ৮ জন, কোনাবাড়ি থানায় ২ জন, সদর থানায় ৪ জন এবং কাশিমপুর থানায় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গাজীপুরের উপ-কমিশনার (উত্তর) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ রোববার আরও ২৫ জনের আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


২০২৫ অর্থ বছরের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার ফলাফল হয়েছে, এবার কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় মাদ্রাসা বোর্ড থেকে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে গোল্ডেন এ প্লাস অর্জন করেন মেধাবী শিক্ষার্থী মোসাম্মৎ খাদিজা আক্তার। সে ১৩০০ নম্বরের মধ্যে ১২৪৮ নম্বর পেয়ে উপজেলার মধ্যে সেরা স্হান রয়েছেন। উপজেলা জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা ঐ শিক্ষার্থী সুলতানপুর ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তাহার এ অর্জনে পরিবার, শিক্ষক এবং এলাকাবাসীর মধ্যে বইছে আনন্দের জোয়ার বইছে। সে দেবিদ্বার উপজেলার ৬নং ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের (মাস্টার বাড়ির) হাজী মোহাম্মদ আবুল হোসেনের কন্যা।
নিজের সাফল্যের পেছনে খাদিজা নিয়মিত পড়াশোনা, আত্মবিশ্বাস এবং পরিবারের দোয়াকে মূল চাবিকাঠি হিসেবে উল্লেখ করেছে। ভবিষ্যতে সে দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
সুলতানপুর ফাযিল ডিগ্রি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক কবির আহমেদ খাদিজার এই কৃতিত্বে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "খাদিজার এই অর্জন পুরো উপজেলার জন্য গর্বের। সে আমাদের প্রতিষ্ঠানের মুখ উজ্জ্বল করেছে।" তিনি আরও জানান, এবারের দাখিল পরীক্ষায় দেবিদ্বার উপজেলার মাদ্রাসা বোর্ড থেকে খাদিজাই একমাত্র শিক্ষার্থী, যিনি সর্বোচ্চ নম্বরসহ গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছেন।
স্থানীয়রা আশা করছেন, খাদিজার এই উজ্জ্বল ফলাফল অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে সে জাতীয় পর্যায়েও আরও বড় সফলতা বয়ে আনবে।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর শুনে অভিমানে রাফিয়া আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
তিনি উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের আতাকরা গ্রামের প্রবাসী ওবায়দুল ইসলামের স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুর বেলায়। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক আবুল হাশেম সবুজ।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল ৩টায় রাফিয়া আক্তারকে তার স্বামী ওবায়দুল ইসলাম ও এক নারী প্রতিবেশি সহ হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ সময় তার গলায় কালো জখমের চিহ্ন দেখা যায়। ডাক্তার পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাফিয়ার স্বামী ওবায়দুল ইসলাম গত ৯ সেপ্টেম্বর স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবরটি প্রথম স্ত্রী রাফিয়া সোমবার দুপুরে জেনে যায়। এতে অভিমানে ও ক্ষোভে তিনি বসত ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁছিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে রাফিয়ার স্বামী ওবায়দুল ইসলাম ও এক নারী প্রতিবেশি সহ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাফিয়ার চাচা শ্বশুর খোকন মিয়া বলেন, ওবায়দুল ইসলাম ১৫ দিনের ছুটিতে ওমান থেকে দেশে আসে। দেশে আসার আগে ওবায়দুল মুঠোফোনে ঢাকার এক মেয়েকে বিয়ে করে। বিষয়টি সোমবার তার প্রথম স্ত্রী জেনে যায়। আমরা তাকে শান্তনা দিয়ে বলি এই বাড়িতে তুমি ছাড়া অন্য কোন নারী আসতে পারবে না। তারপরও সে সকলের অজান্তে স্বামীর উপরে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
কর্তব্যরত চিকিৎসক আবুল হাশেম সবুজ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই রাফিয়ার মৃত্যু হয়। তার গলায় কালো জখমের দাগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গলায় ফাঁস দেওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ এ.টি.এম আক্তার উজ জামান বলেন, গলায় ফাঁস দিয়ে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার সংবাদ পেয়ে পুলিশ গিয়ে হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অবৈধ অস্ত্রসহ কামরুল হাসান (৩২) নামে এক যুবক আটক হয়েছে।
সোমবার ( ১৪ অক্টোবর) ভোররাতে উপজেলার সাজঘর এলাকা হতে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১ টি পিস্তল (চাইনিজ), ১ টি ম্যাগাজিন ও ১ টি পিস্তলের এ্যামোঃ উদ্ধার করা হয়।
আটক হওয়া কামরুল হাসান কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সবুজ পাড়া গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে।
পরবর্তীতে আটক হওয়া ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত অস্ত্রসহ বি-পাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, অস্ত্রধারী যুবকের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় একটি মামলা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অভিযোগে ৩টি ফিশিং ট্রলারসহ ৪৮ ভারতীয় জেলেকে আটক করা হয়েছে।
মোংলা বন্দরের অদূরে ফেয়ারওয়ে-সংলগ্ন গভীর সাগর থেকে বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে এসব ট্রলার ও জেলেদের আটক করে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী। আজ শুক্রবার তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
জানা গেছে, মা ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন নিশ্চিতে ২২ দিন মৎস্য আহরণ বন্ধ। এ অবস্থায় বঙ্গপোসাগরে দেশের জলসীমায় প্রবেশ করে মাছ শিকার করছে ভারতীয় জেলেরা। এমন অপরাধে ভারতীয় পতাকাবাহী ৩টি ফিশিং ট্রলারসহ ৪৮ জেলেকে আটক করেছে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড।
পুলিশ বলছে, গত ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের নিয়মিত প্যাট্রোলিং চলাকালে জাহাজের রাডারে সন্দেহজনক ফিশিং ট্রলারের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে বিদেশি পতাকাবাহী ট্রলার হিসেবে শনাক্ত করা হয়। এ সময় দেশীয় প্রশাসনের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড সদস্যরা ধাওয়া করে ট্রলার তিনটি বাংলাদেশের জলসীমাতেই আটক করতে সক্ষম হয়।
মোংলা থানার ওসি মো. আনিসুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে পৃথক দুটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মামলা দায়ের শেষে শুক্রবার বিকালে আটক জেলেদের আদালতে পাঠানো হবে।
মন্তব্য করুন