

ডেস্ক রিপোর্টঃ
কক্সবাজারে উত্তাল সমুদ্র সৈকতে নেমে প্রাণ গেল এক শিক্ষার্থীর। শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া মাহমুদুর রহমান (১৬) কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার দিদারুল আলমের ছেলে। স্থানীয় জুমছড়ি দাখিল মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্র সে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও লাইফ গার্ড সদস্যদের বরাতে জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানভীর হোসেন বলেন, সকালে মাহমুদুর রহমান ছয় বন্ধুকে নিয়ে সৈকতে ঘুরতে যায়। তারা সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে পৌঁছার পর কিছু সময় ফুটবল খেলে। পরে সাগরে গিয়ে গোসলে নামে।
মাহমুদুরের বন্ধুরা জানিয়েছে, গোসলের এক পর্যায়ে পানিতে তলিয়ে যায় সে। এতে ভেসে যেতে থাকলে বন্ধুদের চিৎকারে লাইফ গার্ড ও বিচ কর্মীরা এগিয়ে এসে মুমূর্ষু অবস্থায় মাহমুদুরকে উদ্ধার করে।
পরে তাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সৈকতে বিপদাপন্ন পর্যটকদের উদ্ধারে কাজ করা সি সেইফ লাইফ গার্ডের কর্মী মো. ওসমান গণি বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’ চলে গেলেও সাগর এখনো উত্তাল। অন্য সময়ের চেয়ে ঢেউয়ের সাইজ বড় হয়ে আঁচড়ে পড়ছে। এসময় হাঁটুপানির নিচে গিয়ে গোসল করা অনিরাপদ। আমরা মাইকিং করে তা বলছি, তবে সৈকতে নামা পর্যটক বা দর্শনার্থীরা কর্ণপাত করছেন না।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থী মাহমুদরাও সেভাবে বুকসমান পানিতে নেমে দুর্ঘটনায় পড়েছে। আমরা তৎক্ষণাৎ উদ্ধারে নামলেও অস্বাভাবিক ঢেউয়ের কারণে তাকে উদ্ধারে বেগ পেতে হয়েছে।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আশিকুর রহমান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। মরদেহটি মর্গে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


১ কোটি টাকা অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে আওয়ামী দোসরদের নিয়ে কুমিল্লা কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি কমিটি কেন্দ্র থেকে ঘোষণা করা হয়েছে।আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা, মাদক ব্যবসায়ী, আওয়ামী রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িতরা কমিটিতে স্থান পেয়েছে।
কেন্দ্রীয় কমিটিতে এখনো আওয়ামী দোসররা বসে আছে। তাই এ কমিটিও দোসরমুক্ত হয়নি।
শনিবার (৩১ মে) দুপুরে কুমিল্লা সদরের আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকার মেডিসিন কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন সদ্য ঘোষিত কমিটির সহ-সভাপতি মোরশেদুল হক খোকন।
লিখিত বক্তব্যে খোকন আরো বলেন, সম্প্রতি আওয়ামী দোসরদের একটি অংশ তাদের অপকর্ম ঢাকার জন্য মিথ্যে তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেছেন- কুমিল্লায় দুই ব্যক্তির কাছে ঔষধ ব্যবসায়ীরা জিম্মি ।
প্রকৃতপক্ষে চিত্রটা ভিন্ন। সদ্য ঘোষিত কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের পরিবার। তারা যাচাই-বাছাই করে মামলা দায়ের করেছেন। এতে আমাদের কোন হাত নেই। কারণ এখানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা রয়েছে, রয়েছে প্রশাসন। তাই এখানে অন্য কেউ চাইলেও কাউকে আসামি করতে পারবে না। ফলে তাদের এই অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আওয়ামী দোসররা মেডিসিন ব্যবসায়ী শিল্পী ও রুবেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে। প্রকৃতপক্ষে তারাই অবৈধ মেডিসিন ব্যবসার সাথে জড়িত। ব্যবসার আড়ালে মাদক ব্যবসাও করছেন। বিভিন্ন সময় অবৈধ মেডিসিন ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। মূলত সদ্য ঘোষিত কমিটিতে আটজন আওয়ামী লীগের দোসর রয়েছে, যারা প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে আওয়ামী লীগে রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তারা আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা, সভা- সমাবেশে উপস্থিত থাকতেন। বিভিন্ন এমপি সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামে তাদের ছবি রয়েছে। সেই অপবাদ ঢাকার জন্য তারা এখন শিল্পী ও রুবেলের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ এনেছেন। যা নিন্দনীয়। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
সদ্য ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি পদে থাকা মো: আব্দুল আলীম ভূইয়ার সাথে কুমিল্লা সদরের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী বাহার ও চান্দিনা সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রাণ গোপালের জনসভা এবং স্থানীয় সাবেক কুসিক কাউন্সিলর সরকার মাহমুদ জাবেদের সুসম্পর্ক ছিল। তাদের সাথে মো: আব্দুল আলীম ভূইয়ার উপস্থিতির ছবি রয়েছে। ১৯৯৬ সালে রেইসকোর্সে অবস্থিত গ্লাক্সো ফার্মাসিটিক্যালস এর ২০ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের মূল পরিকল্পনাকারী ও ১৭ বছর আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা ও আওয়ামী লীগের পৃষ্ঠপোষকতাকারি আব্দুল আলীম।”
এই কমিটির সিনিয়র সভাপতি মো: নুরুল আলম চৌধুরীর ( নোমান) মা নাজমা আক্তার চান্দিনা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান ছিলেন।
কমিটির সহ-সভাপতি মেসার্স লাবোনি মেডিকেল হলের মালিক এ.কে.এম মোস্তাফিজুর রহমান (শাহজাহান) আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা ছিলেন। এছাড়া তিনি সদরের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী বাহার ও চান্দিনার সাবেক সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল , সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ নিয়াজ পাভেলের কাছের মানুষ ছিলেন। এই কমিটির সদস্য মেসার্স নিউ গ্রিণ ফার্মেসীর মালিক এনায়েত উল্লাহ মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালিন কমিটিতে সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটিতে উপদেষ্টা পদ পান তিনি। কমিটির সদস্য মেসার্স নাড়িখান মেডিকেল হলের মালিক মো: শামীম আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা ছিলেন।
সদস্য মেসার্স নিউ মেডিকেল হলের মালিক বাবু ধনঞ্জয় কুমার দত্ত আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিলেন। স্থানীয় কাউন্সিলর সরকার মাহমুদ জাবেদের রাজনীতিতে অর্থ যোগান দিতেন বলে জানা গেছে। সদস্য মেসার্স যমুনা মেডিকেল হলের মালিক নিখীল চন্দ্র দত্ত আওয়ামী সমর্থক ছিলেন এবং সদস্য মেসার্স রিয়া মেডিকেল হলের মালিক প্রহল্লাদ চন্দ্র দত্তের বিরুদ্ধে মেডিসিন ব্যবসায় নানা অনিয়ম করেছে।
আওয়ামী দোসর, অর্থ যোগানদাতা ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যা নিন্দনীয়। এই ঘটনা ২৪ এর আন্দোলন কে কলঙ্কিত করেছে। আমরা চাই অতিসত্বর এই দোসরদের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মেডিসিন ব্যবসায়ী আবু বকর সিদ্দিক শিল্পী ও রুবেল সহ আরো অনেকে।
সংবাদ সম্মেলন শেষে মেডিসিন কমপ্লেক্সের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক জব্দ করেছে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী।
মঙ্গলবার ( ২০ জানুয়ারি) ভোররাতে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মৌটুপি এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নিমিত্তে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে মৌটুপি এলাকা হতে ১টি ৯ মিঃমিঃ পিস্তল, ২ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১টি দেশীয় অস্ত্র এবং ২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক তিতাস থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভ্যুলুশন ঘোষণা করতে হবে। ৩১ ডিসেম্বরের পর এতগুলো দিন পেরিয়ে গেলেও সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখতে পাইনি। এ দেশে অন্য কোনো দেশের দাদাগিরি চলবে না বলেও হুঙ্কার দেন তিনি।
বুধবার বিকালে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে নগরীতে লিফলেট বিতরণ এবং জনসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে কুমিল্লা পুলিশ লাইন থেকে জনসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শুরু করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।
হাসনাত বলেন, কুমিল্লা থেকে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সূচনা শুরু হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। চব্বিশের বাংলাদেশে আগামীর স্বপ্ন কুমিল্লা থেকে যাত্রা শুরু হবে। আর আপনারা জানেন, কুমিল্লা থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী ধ্বনি সব সময় উচ্চারিত হয়েছে। আগামী ৭ দিন পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলায় এ কর্মসূচি পালন করা হবে। দেশটা ফ্যাসিবাদের অষ্টেপৃষ্ঠে শিকলে বাঁধা ছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ফ্যাসিবাদের শিকলমুক্ত করেছে ভয়হীন তরুণ প্রজন্ম। যে প্রজন্মটাকে আমরা অলস ভাবতাম, মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকত, ওই প্রজন্মই দিন শেষে আমাদের কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে। আমরা অতীতের রাজনীতির পুনরাবৃত্তি চাই না। তাই বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনৈতিক ধারা পরিবর্তন করতে হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারকে উদ্দেশ করে হাসনাত বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের আর্তনাদ আমরা এখনো শুনতে পাই। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দোহাই দিয়ে তাদের সুবিধাপ্রাপ্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। চব্বিশ পরবর্তী বাংলাদেশে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দোহাই চলবে না। এ দেশে অন্য কোনো দেশের দাদাগিরি চলবে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলার আহ্বায়ক সাকিব হোসাইন, সদস্য সচিব রুবেল হোসেন, মহানগর সদস্য সচিব রাশেদুল হাসান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকা বাংলা চলচ্চিত্রের নন্দিত চিত্রনায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক)-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু। সোমবার (১৫ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডেপুটি স্পিকারের প্রেসসচিব সোয়াইব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এ সময় ডেপুটি স্পিকার তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এর আগে সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন ফারুক। এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে ঢাকাই সিনেমার তার অভিষেক হয়। এরপর ‘লাঠিয়াল’, ‘সুজন সখী’, ‘নয়নমনি’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সাহেব’, ‘আলোর মিছিল’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘মিয়া ভাই’সহ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
ফারুক ১৯৭৫ সালে ‘লাঠিয়াল’ সিনেমা জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এছাড়া ২০১৬ সালে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরে একটি বিনামূল্যের মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।
এ মেডিকেল ক্যাম্পে নবীনগর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মোট ১,৩৯৩ জন রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন, যার মধ্যে পুরুষ ৩২৪ জন, নারী ৭০৬ জন এবং শিশু ৩৬৩ জন। পাশাপাশি স্থানীয় অ্যানেস্থেশিয়ার মাধ্যমে ৫টি সফল অপারেশন সম্পন্ন করা হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিকেল স্টাফরা বিনামূল্যে চিকিৎসা, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও ওষুধ প্রদান করেন।
এ মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার এএফসি হেল্থ লিমিটেড হাসপাতালের ৪ মালিকের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করেছে বিনিয়োগকারীরা।
বুধবার (১ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালটি পুনরায় চালুর জোর দাবি জানানো হয়। পরে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালটি যখন নানা অব্যবস্থাপনা ও সংকটে বন্ধ হওয়ার পথে ছিল, তখন ২৩ জন বিনিয়োগকারী মিলে প্রায় ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে সেটি সচল করেছিলেন। অথচ মালিকপক্ষ ৪ জন যথাক্রমে মাহবুব আরব মজুমদার, এস এম সাইফুর রহমান, জুয়েল খান ও সাইফুল আমিন এখন চুক্তিভঙ্গ করে নতুনভাবে অন্যদের কাছ থেকে অর্থ নিচ্ছে। এ ধরনের প্রতারণার ফলে বিনিয়োগকারীরা চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
তারা আরও বলেন, “আমরা নিজেরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কুমিল্লাবাসীর স্বাস্থ্যসেবার কথা ভেবে হাসপাতালটি চালু করেছিলাম। অথচ মালিকপক্ষ আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে। আমরা অবিলম্বে হাসপাতাল পুনরায় চালুর ব্যবস্থা চাই।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক খায়রুন্নেসা, হাবিবুর রহমান, মামুনুর রশীদ রিপন, জসিম উদ্দিন, মামুনুর রহমান, আসাদুজ্জামান রাসেল, মোজাম্মেল হকসহ আরও অনেকে।
উল্লেখ্য, এএফসি হেল্থ লিমিটেড হাসপাতালটি কুমিল্লা অঞ্চলে হৃদরোগ চিকিৎসায় আধুনিক সরঞ্জামসহ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কার্যক্রম শুরু করেছিল।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পর্যটক সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর।
উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সেন্টমার্টিনে নভেম্বর মাসে পর্যটক যেতে পারবে, তবে রাত্রিযাপন করতে পারবেন না। ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে সর্বোচ্চ ২ হাজার জন পর্যটক রাত্রিযাপন করতে পারবেন। ফেব্রুয়ারি মাসে সেন্টমার্টিনে পর্যটন পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।
প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর বলেন, সেন্টমার্টিনে পর্যটক সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নভেম্বর মাসে পর্যটকরা যেতে পারবেন, কিন্তু রাতে থাকতে পারবেন না। ডিসেম্বর, জানুয়ারিতে প্রতিদিন ২ হাজারের বেশি পর্যটক সেন্টমার্টিন যেতে পারবে না। আর ফেব্রুয়ারি মাসে পর্যটক যাওয়া বন্ধ রাখা হবে। তখন সেন্টমার্টিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হবে।
এসময় প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, সহকারী প্রেস সচিব নাইম আলী ও সুচিস্মিতা তিথি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানায় একই পরিবারের ৩জন মাদক কারবারীকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার সময় বাঙ্গরা বাজার থানাধীন আকবপুর ইউনিয়নের কড়ইবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতারা হলেন, কড়ইবাড়ি গ্রামের খলিলুর রহমানের স্ত্রী রোকসানা আক্তার রুবি(৫০), তার ছেলে রাসেল মিয়া(৩৫), ও তার মেয়ে জোনাকি আক্তার (২৫),
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত রোকসানা আক্তার রুবি নিজে ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকায় রমরমা মাদক ব্যবসা করে আসছিল।
যারাই রুবির মাদক ব্যবসায় বাধা দিত, তাদেরকেই মামলা দিয়ে হয়রানি করত রুবি। বিভিন্ন সময় তাদের বিরুদ্ধে মুরাদনগর, বাঙ্গরা সহ বিভিন্ন থানায় বহু মামলা রয়েছে।
ফলে স্থানীয় গ্রামবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাদক ব্যবসায়ী রুবির বাড়িতে হামলা করে তাদেরকে গণপিটুনি দেয়। এ সময় গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই রোকসানা আক্তার রুবি, তার ছেলে রাসেল মিয়া ও তার মেয়ে জোনাকি আক্তার মৃত্যুবরণ করে।
অপরদিকে রোকসানা আক্তার রুবির আরেক মেয়ে রুমা আক্তার (৩০) এই গণপিটুনির শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি গণপিটুনিতে রুমা আক্তারও নিহত হয়েছে।
তবে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মাহফুজুর রহমান ৩ জনের হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


ঝটিকা মিছিলের মাধমে জন নিরাপত্তা বিঘ্ন ও রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকান্ডের অভিযোগে কুমিল্লা জেলা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫০ জনকে গ্রেফতার করেছে ।
শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতারকৃত কয়েকজনের কাছ জানা যায়, বিদেশে পলাতক আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার,রওশন আলী মাষ্টার সহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কয়েকজন নেতা তাদের নিজ এলাকায় অর্থ পাঠিয়ে সরকার পতনের জন্য ঝটিকা মিছিল করাচ্ছে। ক্ষেত্র বিশেষ জনপ্রতি ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয় ৫০ সেকেন্ড স্থায়ী মিছিলকারীকে। একেবারে সংক্ষিপ্ত সময়ের এই মিছিলের অধিকাংশ সদস্য নিজেকে গোপন করতে রুমাল কিংবা মাস্ক দিয়ে মুখ ঢাকতে দেখা যায় । টাকার বিনিময়ে করা মিছিলে কিছু কিছু নির্দলীয় ভাড়াটে লোকও রয়েছে, যারা মাইক্রোবাস ও সিএনজি যোগে নিজ এলাকার বাইরে গিয়ে এই কাজ করে। আবার সোস্যাল মিডিয়ায় উস্কানি কিংবা প্ররোচনা দিয়ে আত্ম গোপনে থাকা কেউ কেউ মিছিল করতে ইন্দন দিচ্ছে।
রাষ্ট্র বিরোধী অপরাধমুলক কার্যকলাপের মাধ্যমে জননিরাপত্তা বিঘ্ন ও এলাকায় বিশৃংখলা সৃষ্টি করা এসব সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কুমিল্লা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আব্দুল্লাহ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবর শুনে অভিমানে রাফিয়া আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
তিনি উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের আতাকরা গ্রামের প্রবাসী ওবায়দুল ইসলামের স্ত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দুপুর বেলায়। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক আবুল হাশেম সবুজ।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল ৩টায় রাফিয়া আক্তারকে তার স্বামী ওবায়দুল ইসলাম ও এক নারী প্রতিবেশি সহ হাসপাতালে নিয়ে আসে। এ সময় তার গলায় কালো জখমের চিহ্ন দেখা যায়। ডাক্তার পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাফিয়ার স্বামী ওবায়দুল ইসলাম গত ৯ সেপ্টেম্বর স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের খবরটি প্রথম স্ত্রী রাফিয়া সোমবার দুপুরে জেনে যায়। এতে অভিমানে ও ক্ষোভে তিনি বসত ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁছিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে রাফিয়ার স্বামী ওবায়দুল ইসলাম ও এক নারী প্রতিবেশি সহ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাফিয়ার চাচা শ্বশুর খোকন মিয়া বলেন, ওবায়দুল ইসলাম ১৫ দিনের ছুটিতে ওমান থেকে দেশে আসে। দেশে আসার আগে ওবায়দুল মুঠোফোনে ঢাকার এক মেয়েকে বিয়ে করে। বিষয়টি সোমবার তার প্রথম স্ত্রী জেনে যায়। আমরা তাকে শান্তনা দিয়ে বলি এই বাড়িতে তুমি ছাড়া অন্য কোন নারী আসতে পারবে না। তারপরও সে সকলের অজান্তে স্বামীর উপরে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
কর্তব্যরত চিকিৎসক আবুল হাশেম সবুজ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই রাফিয়ার মৃত্যু হয়। তার গলায় কালো জখমের দাগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গলায় ফাঁস দেওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ এ.টি.এম আক্তার উজ জামান বলেন, গলায় ফাঁস দিয়ে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার সংবাদ পেয়ে পুলিশ গিয়ে হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন