

১ কোটি টাকা অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে আওয়ামী দোসরদের নিয়ে কুমিল্লা কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি কমিটি কেন্দ্র থেকে ঘোষণা করা হয়েছে।আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা, মাদক ব্যবসায়ী, আওয়ামী রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িতরা কমিটিতে স্থান পেয়েছে।
কেন্দ্রীয় কমিটিতে এখনো আওয়ামী দোসররা বসে আছে। তাই এ কমিটিও দোসরমুক্ত হয়নি।
শনিবার (৩১ মে) দুপুরে কুমিল্লা সদরের আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকার মেডিসিন কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন সদ্য ঘোষিত কমিটির সহ-সভাপতি মোরশেদুল হক খোকন।
লিখিত বক্তব্যে খোকন আরো বলেন, সম্প্রতি আওয়ামী দোসরদের একটি অংশ তাদের অপকর্ম ঢাকার জন্য মিথ্যে তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেছেন- কুমিল্লায় দুই ব্যক্তির কাছে ঔষধ ব্যবসায়ীরা জিম্মি ।
প্রকৃতপক্ষে চিত্রটা ভিন্ন। সদ্য ঘোষিত কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের পরিবার। তারা যাচাই-বাছাই করে মামলা দায়ের করেছেন। এতে আমাদের কোন হাত নেই। কারণ এখানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা রয়েছে, রয়েছে প্রশাসন। তাই এখানে অন্য কেউ চাইলেও কাউকে আসামি করতে পারবে না। ফলে তাদের এই অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আওয়ামী দোসররা মেডিসিন ব্যবসায়ী শিল্পী ও রুবেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে। প্রকৃতপক্ষে তারাই অবৈধ মেডিসিন ব্যবসার সাথে জড়িত। ব্যবসার আড়ালে মাদক ব্যবসাও করছেন। বিভিন্ন সময় অবৈধ মেডিসিন ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। মূলত সদ্য ঘোষিত কমিটিতে আটজন আওয়ামী লীগের দোসর রয়েছে, যারা প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে আওয়ামী লীগে রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তারা আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা, সভা- সমাবেশে উপস্থিত থাকতেন। বিভিন্ন এমপি সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামে তাদের ছবি রয়েছে। সেই অপবাদ ঢাকার জন্য তারা এখন শিল্পী ও রুবেলের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ এনেছেন। যা নিন্দনীয়। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
সদ্য ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি পদে থাকা মো: আব্দুল আলীম ভূইয়ার সাথে কুমিল্লা সদরের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী বাহার ও চান্দিনা সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রাণ গোপালের জনসভা এবং স্থানীয় সাবেক কুসিক কাউন্সিলর সরকার মাহমুদ জাবেদের সুসম্পর্ক ছিল। তাদের সাথে মো: আব্দুল আলীম ভূইয়ার উপস্থিতির ছবি রয়েছে। ১৯৯৬ সালে রেইসকোর্সে অবস্থিত গ্লাক্সো ফার্মাসিটিক্যালস এর ২০ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের মূল পরিকল্পনাকারী ও ১৭ বছর আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা ও আওয়ামী লীগের পৃষ্ঠপোষকতাকারি আব্দুল আলীম।”
এই কমিটির সিনিয়র সভাপতি মো: নুরুল আলম চৌধুরীর ( নোমান) মা নাজমা আক্তার চান্দিনা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান ছিলেন।
কমিটির সহ-সভাপতি মেসার্স লাবোনি মেডিকেল হলের মালিক এ.কে.এম মোস্তাফিজুর রহমান (শাহজাহান) আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা ছিলেন। এছাড়া তিনি সদরের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী বাহার ও চান্দিনার সাবেক সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল , সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ নিয়াজ পাভেলের কাছের মানুষ ছিলেন। এই কমিটির সদস্য মেসার্স নিউ গ্রিণ ফার্মেসীর মালিক এনায়েত উল্লাহ মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালিন কমিটিতে সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটিতে উপদেষ্টা পদ পান তিনি। কমিটির সদস্য মেসার্স নাড়িখান মেডিকেল হলের মালিক মো: শামীম আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা ছিলেন।
সদস্য মেসার্স নিউ মেডিকেল হলের মালিক বাবু ধনঞ্জয় কুমার দত্ত আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিলেন। স্থানীয় কাউন্সিলর সরকার মাহমুদ জাবেদের রাজনীতিতে অর্থ যোগান দিতেন বলে জানা গেছে। সদস্য মেসার্স যমুনা মেডিকেল হলের মালিক নিখীল চন্দ্র দত্ত আওয়ামী সমর্থক ছিলেন এবং সদস্য মেসার্স রিয়া মেডিকেল হলের মালিক প্রহল্লাদ চন্দ্র দত্তের বিরুদ্ধে মেডিসিন ব্যবসায় নানা অনিয়ম করেছে।
আওয়ামী দোসর, অর্থ যোগানদাতা ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যা নিন্দনীয়। এই ঘটনা ২৪ এর আন্দোলন কে কলঙ্কিত করেছে। আমরা চাই অতিসত্বর এই দোসরদের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মেডিসিন ব্যবসায়ী আবু বকর সিদ্দিক শিল্পী ও রুবেল সহ আরো অনেকে।
সংবাদ সম্মেলন শেষে মেডিসিন কমপ্লেক্সের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন


দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক দেশ রূপান্তর, দৈনিক আজকের কুমিল্লা পত্রিকার দাউদকান্দি প্রতিনিধি জাকির হোসেন হাজারীকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে হওয়া দু'টি মামলায় আসামি করা হয়েছে। এঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দাউদকান্দি তিতাসের সাংবাদিক নেতারা।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের আদালতে বি-বাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার আরিফ মিয়া ১৪৫ জনের নামে মামলা করেন। প্রধান আসামী করা হয় শামীম ওসমান কে। ২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ছাত্রদের উপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হাজারীকে ৩৫ নম্বর আসামি করা হয়।
চলতি বছরের ২০ জানুয়ারী ডিএমপির যাত্রাবাড়ী থানায় হওয়া নাশকতা মামলায় সাংবাদিক জাকির হাজারীকে আসামী করা হয়েছে।
সাংবাদিক জাকির হাজারী জানান, মামলার বিষয়ে আমি দু'দিন আগে জেনেছি। বাদি কারা তা জানিনা। তবে বাদি আমাকে চিনে কিনা সন্দেহ। মামলায় যে ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ওই তারিখে আমি কোথায় ছিলাম মোবাইল নেটওয়ার্ক যাচাই করলেই বেরিয়ে আসবে।
আর আমি দীর্ঘদিন সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকতা পেশায় কাজ করছি। এজন্য বিগত আওয়ামী শাসন আমলে একাধিক হামলা এবং হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার সম্মুখীন হয়েছি।
মামলায় উল্লেখ আওয়ামী লীগের পদের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৫ সালের পর থেকে দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি কয়েকটি কমিটি হয়েছছিল। ওইসময় কোন কমিটিতে কোথায় আমার নাম তা জানি না।
এবিষয়ে দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, সাংবাদিক জাকির হাজারী একজন পেশাদার সাংবাদিক, ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন আমি আহত হয়েছিলাম। তখন সেসহ কয়েকজন আমাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসে। আর দাউদকান্দির সাংবাদিকের নামে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মামলা হওয়া মানে তাকে হয়রানি করার ষড়যন্ত্র বলে মনে করছি। তাই তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির দাবী জানাচ্ছি।
বৃহত্তর দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ আলী শাহীন বলেন, সাংবাদিক জাকির হাজারী বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের মধ্যে একজন। পেশাগত কাজে কখনোই কোন অন্যায়ের সাথে আপোষ করেনি। স্বার্থান্বেষী একটি মহল হয়রানি করার উদ্দেশ্যে সুকৌশলে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জের মামলায় পেশাদার সাংবাদিক জাকির হোসেন হাজারীর নাম আসামি তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়েছে।আমরা ওই মামলা থেকে সাংবাদিক জাকির হাজারীকে অব্যাহতি বা নাম বাদ দেয়ার দাবী জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর মহান সিপাহী জনতা সংগতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের মাজারে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জিয়া পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল লতিফ, মহাসচিব প্রফেসর ড. মোঃ এমতাজ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আবদুল্লাহিল মাসুদ, যুগ্ম মহাসচিব কৃষিবিদ মনোয়ারুল ইসলাম এনাম, যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট মনোয়ার সরকার,ঢাকা মহানগর সভাপতি অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শফিকুল হাসান রতনসহ থানা ও সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সকল নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর উপজেলার ২নং দূর্গাপুর (উঃ) ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোনিয়া আক্তারের প্রতি অনাস্থা প্রদান ও অত্র ইউনিয়নে বিধি মোতাবেক প্রশাসক নিয়োগ প্রদানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্যরা। এরই প্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার (৯ আগষ্ট) সকালে উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া ২ নং দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় পরিদর্শনে যান এবং এবং কার্যালয়ের বিভিন্নজনের সাথে কথা বলেন। তবে অভিযোগকারী ওয়ার্ড সদস্য কেউই ওইদিন ইউনিয়ন পরিষদে যাননি।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সুত্র জানায়, এখানে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী ইউনিয়ন সদস্যদের ঐদিন ইউনিয়ন পরিষদে আসতে বাধা প্রদান করে।
লিখিত অভিযোগে ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল মতিন, আব্দুল জলিল, মোহাম্মদ আবুল হোসাইন, মোঃ আসলাম খান, মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম, মোঃ জাহের, রোছমত আলী, নাজমুল হাসান, খোরশেদ আলমসহ আরো অনেকে উল্লেখ করেছেন, আমরা আদর্শ সদর উপজেলার ২নং দূর্গাপুর (উঃ) ইউনিয়নের নির্বাচিত সদস্য। ৫ আগষ্ট প্রেক্ষাপটে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণে অত্র ইউনিয়নের ৩নং প্যানেল চেয়ারম্যান সোনিয়া আক্তারকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয়। এক্ষেত্রে ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল ও ২নং প্যানেল চেয়ারম্যান নাজমুল হাসানকে উপেক্ষা করা হয়, যাহা বিধি সম্মত নয়। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোনিয়া আক্তার দায়িত্ব পাওয়ার পর হতে বিভিন্ন রকম অনিয়ম ও দূর্নীতির সাথে জড়িয়ে পরেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন রকম ট্যাক্স টোল বৃদ্ধি করে দেয়। বিভিন্ন সরকারি অনুদানের বিষয় আমাদেরকে অবগত না করে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেন নিজের ইচ্ছামত। পরবর্তীতে আমাদেরকে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন। আমাদেরকে বিভিন্ন প্রকার ভয় ভীতি প্রদর্শন করেন। জনগণের সামনে আমাদের কে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। ইউনিয়নের রিলিফ বন্টনে নানা অনিয়ম করেন। নিয়মিত অফিস করেন না, ফলে জনসাধারণ বিভিন্ন রকম ভোগান্তিতে পরেন। উল্লেখ্য যে, ইউনিয়নের হতদরিদ্র চাউলের ডিলারশীপ তার মায়ের নামে নিয়ে নিজে পরিচালনা করেন এবং বিতরণে নানা রকম অনিয়ম করেন। এহেন অবস্থায় আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারীগণ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোনিয়া আক্তারের প্রতি অনাস্থা প্রদান করিলাম এবং বিধি মোতাবেক একজন প্রশাসক নিয়োগ করার জন্য মহোদয়ের নিকট সদয় আবেদন করছি।
সমবায় অফিসার মোঃ শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, যারা অভিযোগ করেছে তারা আমার পরি পরিদর্শনের দিন ইউনিয়ন পরিষদে আসেনি। ফলে আমি কথা বলতে পারিনি তাদের সাথে । তদন্ত চলছে। পরে বিস্তারিত জানাবো।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন ইউপি সদস্য জানান, আমাদেরকে পথে পথে বাঁধা প্রদান করা হয়েছে, হুমকি দেয়া হয়েছে। তাই আমরা আতঙ্কে ঐদিন ইউনিয়ন পরিষদে যেতে পারিনি। বিএনপি'র একটি শক্তিশালী মহল এর যুবলীগ নেত্রী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কে এই পদে বহাল রাখতে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করছে।
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার মুঠো ফোনে কল দিলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার হাওলাদার বাজার এলাকা হতে ১১টি দেশীয় অস্ত্র এবং ২টি মোবাইলফোনসহ একজনকে করা হয়।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে চাঁদপুর জেলায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক হওয়া সৈয়দ আহমেদ বেপারী (৪৫) হাইমচর উপজেলার আলগী দক্ষিণ ইউনিয়নের মৃত. নূর মোহাম্মদ বেপারীর ছেলে।
আটক হওয়া ব্যক্তি এবং উদ্ধারকৃত সরঞ্জামাদি হাইমচর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ২৮ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।
রবিবার (২০ অক্টোবর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে র্যাব।
আটককৃত মাদক কারবারিরা হলেন, স্বপন বিশ্বাস (৩৩) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার কালিপদ বিশ্বাসের ছেলে এবং বেল্লাল হোসেন (৪৫) একই জেলার কসবা উপজেলার আকাপপুর গ্রামের আঃ রাজ্জাকের ছেলে।
কুমিল্লা র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জগতপুর এলাকা থেকে যৌথবাহিনীর একটি দল কামাল হোসেন নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে।
এই যুবদল নেতা বুড়িচং সদর ইউনিয়নের আহ্বায়ক এবং স্থানীয়ভাবে "ফেন্সি কামাল" নামে পরিচিত। শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে, যৌথবাহিনী দেলোয়ার হোসেন ও সারদুল ইসলাম নামে দুই মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করে, যাদের কাছ থেকে ২১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে কামাল হোসেনের নাম উঠে আসে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক জানিয়েছেন, শুক্রবার ভোরে ২১০টি ইয়াবাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করার পর তাদের তথ্যের ভিত্তিতে কামাল হোসেনকে আটক করা হয়।
কামালের বিরুদ্ধে পূর্বে মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেশি-বিদেশী অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) ভোররাতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়, কুমিল্লায় যৌথ বাহিনী কর্তৃক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নিমিত্তে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে স্টেডিয়াম মার্কেট এলাকা হতে ১টি শটগান, ১টি বিদেশী পিস্তল, ৫ রাউন্ড শটগান কার্তুজ এবং ২০ রাউন্ড পিস্তল গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র এবং গোলাবারুদ ব্যাটালিয়ন সদরে সংরক্ষিত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাঙামাটি শহরের রাজবাড়ী এলাকায় মেসার্স এম এম পেট্রোলিয়াম ফিলিং স্টেশনে বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে ডিজেল কেনার সময় গ্রাহকদের মধ্যে মারামারি ঘটে। ঘটনা লাইভ ভিডিওতে ভাইরাল হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, বোতল হাতে ডিজেল নিতে আসা পাঁচ-ছয়জন ক্রেতা প্রথমে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং পরে মারামারিতে লিপ্ত হন। কিছু সময়ের জন্য এ উত্তেজনা অন্যান্য ক্রেতাদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী হাসিবুল ইসলাম জানান, লাইনে দাঁড়ানো নিয়েই বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী রিপন চাকমা বলেন, দুই দিন জ্বালানি না থাকার পর বুধবার স্টেশনে চার হাজার লিটার অকটেন ও চার হাজার লিটার ডিজেল পৌঁছায়। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর গ্রাহকরা ভিড় করেন এবং তারপর মারামারি ঘটে। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ জসিম জানান, এই ঘটনায় কেউ আহত হননি।
বর্তমানে রাঙামাটির চারটি ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রি বন্ধ রয়েছে। শহরের মোটরসাইকেল ও নৌযান চালকরা জ্বালানি সংকটে পড়েছেন। বনরূপা হিলভিউ স্টেশনের কর্মচারী শাকিল খন্দকার জানান, তেলের জন্য চট্টগ্রাম থেকে আরও সরবরাহ আসছে।
তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ব্যবহারের মতো তেল আছে, তাই রাঙামাটিতে জ্বালানি সংকট নেই।
মন্তব্য করুন


দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৮ জানুয়ারি দুপুরে বি-বাড়িয়া জেলায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নিমিত্তে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে আশুগঞ্জ উপজেলার শরিফপুর এলাকা হতে ১টি ৫.৫ মিঃমিঃ এয়ারগান এবং ৩টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্ৰ যথাযথ প্রক্রিয়ায় আশুগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাসে যৌথবাহিনীর পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমানে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িত অভিযোগে একজনকে আটক করেছেন। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
যৌথবাহিনী সূত্রে জানাযায়, উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের মোহনপুর ফেরিঘাট সংলগ্ন ব্রিজের পাশে অস্ত্রের একটি চালান হাতবদলের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। অস্ত্র বহনকারীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়।
অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে ৫টি ইস্টেনগান, থানায় ব্যবহৃত ৪টি লোডার/কার্তুজ, ৩টি তাজা পিস্তলের অ্যামুনিশন, ৮টি পিস্তলের খালি অ্যামুনিশন এবং ১টি পিস্তলের ফায়ারিং পিন উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের চালানটি মেঘনা নদীপথ হয়ে তিতাস নদীতে প্রবেশ করেছে বলে ধারণা পুলিশের ।
একই রাতে দাউদকান্দি আর্মি ক্যাম্পের একটি দল তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রামে অভিযান চালিয়ে এসহাক মোল্লা জুয়েল একজনকে আটক করেছেন। জুয়েল ভিটিকান্দি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবু মোল্লার ছেলে।
অভিযানকালে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড গুলি, একটি চাপাতি, পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র (চাকু), তিনটি লোহার পাইপ, ছয়টি পাসপোর্ট, নগদ ২০ হাজার টাকা এবং একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাবেক যুবলীগ নেতা জুয়েল মোল্লা ২৪ এর ৫আগষ্টের পর গা- ঢাকা দিয়েছিলেন। পরে স্থানীয় বিএনপিতে যোগদানের মাধ্যমে এলাকায় বিচরণ শুরু করেন। তার নামে এলাকায় অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও মারামারিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
তিতাস থানার ওসি মোঃ আরিফ হোসাইন দেশ রূপান্তরকে বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানে মজিদপুর ইউনিয়নের পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র উদ্ধার এবং ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রাম থেকে বিদেশী অস্ত্রসহ এসহাক মোল্লা জুয়েল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। আর অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন