

এ বছর মুক্তিপ্রাপ্ত শাহরুখ খান অভিনীত ‘পাঠান’ ছবিটি দেশ ও বিদেশে বেশ মোটা অঙ্কের ব্যবসা করেছে। আয়ে হাজার কোটির মাইলফলক স্পর্শ করেছে সিনেমাটি। এবার শোনা যাচ্ছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দাবি করা হচ্ছে শাহরুখ খানের ব্লকবাস্টার ‘পাঠান’কেও নাকি পেছনে ফেলে দিয়েছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’।
নানা বিতর্ক সঙ্গী হলেও বেশ রমরমিয়ে চলছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। বক্স অফিসে ছবির আয় ভালোই। মাত্র ৯ দিনে ১০০ কোটির ক্লাবে পৌঁছল পরিচালক সুদীপ্ত সেনের ‘বিতর্কিত’ সিনেমা।
‘পাঠান’কে পেছনে ফেলে দেওয়ার এমন দাবির যুক্তি কী? লভ্যাংশ। হ্যাঁ, শতকরা লাভের পরিমাণ দেখেই এমনটা বলা হচ্ছে। ‘জুম টিভি ডিজিটাল’-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ভারতে ‘পাঠান’ সিনেমার আয় ৫৪৩.২২ কোটি টাকা। আর তাতে ছবির লাভ ২৯৩.২২ টাকা। অর্থাৎ শতকরা হিসেবে ধরলে বক্স অফিস থেকে শাহরুখের ছবি আয় ১১৭.২৮%।
এদিকে মাত্র নয় দিনে এক শ কোটি পার করে ফেলেছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। ছবির আয় ১১২.৯২ কোটি টাকা। ছবির বাজেট ছিল মাত্র ৩০ কোটি টাকা। ফলে বিপুল শাহ প্রযোজিত ছবির লভ্যাংশের পরিমাণ এখনই ২৭৬.৪%।
বাংলা, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে নিষিদ্ধ হলেও সারা দেশের ২০০টি স্ক্রিনে চলছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে ছবিকে করমুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
যদিও এখনো ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে নানা মত রয়েছে। এক পক্ষের বক্তব্য, এ ছবি সম্পূর্ণভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৈরি করা হয়েছে। আরেক পক্ষের দাবি, ছবির মাধ্যমে বাস্তব তুলে ধরা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে বলিউড অভিনেত্রী মনীষা কৈরালার নতুন ওয়েব সিরিজ ‘হীরামান্ডি দ্য ডায়মন্ড বাজার’। সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত এই সিরিজে মল্লিকা জান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।
সম্প্রতি এই ছবির প্রচারে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব এই অভিনেত্রী।
মনীষা কৈরালা জানান, প্রেমের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। নেপালি ব্যবসায়ী, স্বামী সম্রাট দাহালের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে আগেই। আবার নতুন প্রেমের অপেক্ষায় এখন মনীষা।
অভিনেত্রী স্বীকার করেছেন, তিনি একজন জীবনসঙ্গী চান এবং প্রেমে থাকতে চান।
তিনি আরও বলেন, তিনি আবার প্রেম খুঁজতে প্রস্তুত।
মনীষা বলেন, ‘আমি অবশ্যই অনুভব করি যে আমার জীবনে যদি একজন মানুষ থাকত, আমার জীবনে যদি আমার একজন সঙ্গী থাকত, তা হলে হয়তো তাকে পেয়ে ভালো লাগত, কিন্তু তাকে খুব সৎ হতে হবে। আমার ভাগ্যে লেখা থাকলে পাবই। যদি না হয়, এটাও ঠিক আছে। আমি অনুভব করি, আমি একটি পূর্ণ জীবনযাপন করছি। আমি তার জন্য অপেক্ষা করছি না বা তার জন্য আমার সময় নষ্ট করছি না। যদি এটা বুঝতে হবে, অন্যথায় আমি আমার জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি খুব শান্তিপূর্ণ এবং প্রেমময় পরিবারের সমর্থন পেয়েছি। আমি একজন ভালো ভাই, ভগ্নিপতি, ভালো বাবা-মা এবং ভালো ও স্নেহময় বন্ধু পেয়েছি। এ ছাড়া কাজ খুব ভালো চলছে। আমি ঘুরতে খুব পছন্দ করি। এটা করতে মজা পাই। তাই আমি খুব ভালো আছি। আমি মানসিক এবং শারীরিকভাবে প্রতিটি উপায়ে সম্পূর্ণ অনুভব করি। তবে হ্যাঁ, যদি আমার একজন সঙ্গী থাকত, তবে আমি এটি উপভোগ করতাম।’
উল্লেখ্য, এই সিরিজের মধ্য দিয়ে ২৮ বছর পর বানসালির সঙ্গে কাজ করছেন মনীষা। সিরিজটিতে মনীষা ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন রিচা চাড্ডা, সোনাক্ষী সিনহা এবং অদিতি রাও হায়দারি প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


নোরা ফাতেহি বলিউডে আইটেম গানের জন্য বেশি পরিচিত। তার অসাধারণ নাচের দক্ষতা সবসময়ই দর্শকদের মুগ্ধ করে। তবে তিনি বারবার জানিয়েছেন, নাচের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করারও আগ্রহ রয়েছে তার। তবুও বলিউডে তাকে উপযুক্ত সুযোগ বা মূল্যায়ন দেওয়া হয়নি বলে একাধিক সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেছেন।
সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছে, নোরা বলিউড ছেড়ে হলিউডের দিকে পা বাড়াচ্ছেন। হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বলিউডের পাশাপাশি হলিউডেও কাজ শুরু করেছেন নোরা ফাতেহি। সেখানে তিনি তার মিউজিক অ্যালবামের যাত্রা শুরু করেছেন। তবে তিনি চিরতরে বলিউড ছাড়ছেন কিনা, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।
এই প্রসঙ্গে নোরা এক সাক্ষাৎকারে বলেন, "আমার ব্যক্তিগত কোনো জীবন নেই। যদি কেউ মনে করে আমি অন্য কারো জন্য নিজের জায়গা ছেড়ে দেব, তাহলে সেটা ভুল ভাবনা। আমি এখানেও থাকব, ওখানেও থাকব, সর্বত্র থাকব। যেমন সিনেমায় অভিনয় করেছি, তেমনি সংগীত জগতেও কাজ করব।"
তিনি আরও বলেন, "আমার তিনটি জগৎ রয়েছে। কানাডায় জন্ম নেওয়ার কারণে সেটি আমার প্রথম জগৎ। মরক্কোয় বহুদিন থাকার কারণে সেখানে আমার শিকড় রয়েছে। আর ভারত এমন একটি দেশ, যেখানে আমি আমার পরিচয় গঠন করেছি। এই দেশের প্রতি আমার ভালোবাসা গভীর।"
নোরা ফাতেহি সম্প্রতি আমেরিকান গায়ক জেসন ডেরুলোর সঙ্গে "স্নেক" নামের একটি মিউজিক অ্যালবামে কাজ করেছেন। ডেরুলোর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি বলেন, "প্রথমদিকে আমি ভীষণ লজ্জিত ছিলাম। গানটি প্রথমে আমি নিজেই রেকর্ড করি এবং তখন তার সঙ্গে কোনো সাক্ষাৎ হয়নি। তবে ভিডিও শুটিংয়ের সময় আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি এবং অনেক গল্প করেছি।"
নোরা ফাতেহি একজন নৃত্যশিল্পী, মডেল, অভিনেত্রী এবং গায়িকা। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেকে "হৃদয়ে ভারতীয়" বলে অভিহিত করেন। বলিউডে তার অভিষেক ঘটে "রোয়ার: টাইগার্স অব দ্য সুন্দরবনস" সিনেমার মাধ্যমে।
তিনি তেলুগু সিনেমা "টেম্পার," "বাহুবলী: দ্য বিগিনিং" এবং "কিক ২"-এ আইটেম গানের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০১৫ সালে তিনি "বিগ বস" রিয়ালিটি শোতে প্রতিযোগী ছিলেন এবং ৮৪তম দিনে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
‘অ্যানিমেল’ সিনেমায় অভিনয় করে রাতারাতি ভারতের ন্যাশনাল ক্রাশের খেতাব পেয়েছিলেন তৃপ্তি দিমরি। কিন্তু সে খ্যাতি যেন জৌলুস হারাচ্ছে।
বলিউডের অন্দরমহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, ‘আশিকি থ্রি’ থেকে কাদ দেওয়া হয়েছে তৃপ্তিকে। যার নেপথ্যে রয়েছেন পরিচালক অনুরাগ বসু।
সোমবার থেকেই এমন খবরে সয়লার ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম। তবে এই গুঞ্জনের ২৪ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই মুখ খুললেন অনুরাগ। এই নির্মাতা বললেন, তৃপ্তি সিনেমাতে থাকছেন না, এমন কথা আমি একবারও বলিনি। সে কথা তৃপ্তিও জানেন।
তা হলে কি তৃপ্তি ‘আশিকী থ্রি’তে থাকছেন? সে বিষয়ে অবশ্য কোন পাকা কথা দেননি পরিচালক। মুখ বন্ধ রেখেছেন ‘ভুলভুলাইয়া থ্রি’র নায়িকাও। ফলে ধোঁয়াশা বেড়েই চলেছে। অনুরাগের এই জবাব ইতোমধ্যেই সমাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাইতো নতুন করে চর্চা শুরু।
‘ভুলভুলাইয়া থ্রি’ সিনেমায় কার্তিক-তৃপ্তির রসায়ন ভালো লেগেছিল দর্শকদের। তাই তাদের আশা, আবারও এই জুটির দেখা মিলবে পর্দায়। এদিকে সিনেমার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সময় থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে ‘আশিকী থ্রি’।
একাধিক নায়ক-নায়িকার নাম সেসময় প্রকাশ্যে এসেছিল। তাদের মধ্যে পরিচালক বেছে নিয়েছিলেন কার্তিক-তৃপ্তিকে। তার আগে ‘অ্যানিমেল’ মুক্তি পেয়েছে। এতে রণবীর কাপুরের বিপরীতে সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন তৃপ্তি। ফলে তাকে পছন্দ হয়েছিল প্রযোজনা সংস্থারও।
তবে এখন গুঞ্জন উঠেছে অতি সাহসই নাকি কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তৃপ্তির জন্য। অত্যধিক শরীর দেখানোর ফলে সারল্য হারিয়ে ফেলেছেন নায়িকা। তাই নাকি ‘আশিকী থ্রি’ থেকে বাদ পড়তে পারেন তৃপ্তি!
‘
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাবিনা ট্যান্ডন। বিতর্কে জড়াতে খুব একটা দেখা যায় না তাকে। তবে এই অভিনেত্রী এবার নিজেকে বিতর্কে জড়ালেন। পথচারীদের হামলার শিকার হয়েছেন এ অভিনেত্রী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, মুম্বাইয়ের রাস্তায় মধ্যরাতে রাবিনার চালক বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে মুম্বাইয়ের কার্টার রোডে রিজভি কলেজের সামনে একই পরিবারের তিনজন আহত হয়েছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয়রা যখন তার গাড়ি ঘিরে ধরেন তখন অভিনেত্রী নেমে আসেন।
এই ঘটনায় ক্ষমা চেয়ে বিষয়টা মেটানোর বদলে নাকি অভিনেত্রী তাদের উপর পাল্টা চড়াও হয়ে তর্ক করেন। তাতে তারা ক্ষেপে যান।
যারা এই দুর্ঘটনায় পড়েছিলেন তাদের মধ্যে বয়স্ক মানুষও ছিলেন। তারা অভিনেত্রীকে মারতে এলে তখন তিনি ক্ষমা চাইতে শুরু করেন এবং অনুরোধ করেন তাকে যেন মারা না হয়। আর সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এছাড়া জানা গিয়েছে এদিন অভিনেত্রী মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। তিনি, তার স্বামী এবং যাদের তিনি হেনস্থা করেছিলেন সকলেই থানায় গিয়েছিলেন। তবে পুলিশ অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে দেয়নি, এমনটাই জানিয়েছেন আহতদের স্বজন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
অভিনয় ও নাচের জন্য বলিউডে বেশ জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত। তিনি এবার খবরের শিরোনামে হয়েছেন তার নতুন গাড়ির জন্য।
মাধুরী এবং তার স্বামী ডা. শ্রীরাম নেনে সম্প্রতি একটি অত্যন্ত দামি গাড়ি কিনেছেন, যা ইতোমধ্যেই তাদের ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তাদের লাল রঙের ফেরারি 296 GTS গাড়িটির মূল্য ৬.২৪ কোটি টাকা। এই গাড়িতে 2992 cc ইঞ্জিন রয়েছে এবং এটি একটি ভেরিয়েন্টে পাওয়া যায়।
গাড়িটির পেছনের মিড-ইঞ্জিন এবং রিয়ার-হুইল ড্রাইভ সিস্টেম রয়েছে। মাধুরীর নতুন গাড়ি সংগ্রহে ফেরারি 296 GTS ছাড়াও আরও কিছু বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে।
মাধুরী দীক্ষিতের সংগ্রহে বেশ কিছু গাড়ি রয়েছে। তার সংগ্রহে রয়েছে একটি Mercedes-Maybach S560, Range Rover Vogue, এবং Porsche 911 Turbo S। এই গাড়িগুলোর দাম প্রায় ৩.০৮ কোটি টাকা। মাধুরী দীক্ষিতের গাড়ি সংগ্রহের মধ্যে এসব গাড়ি তাদের বিলাসিতা এবং দাম দিয়ে অনেকেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
মাধুরী দীক্ষিত শেষ দেখা গিয়েছিল আনিস বাজমীর পরিচালিত ‘ভুল ভুলাইয়া 3’-তে। এই ছবিতে মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে অভিনয় করেছেন বিদ্যা বালান, তৃপ্তি দিমরি, রাজপাল যাদব, বিজয় রাজ, সঞ্জয় মিশ্র, অশ্বিনী কালসেকর এবং রাজেশ শর্মা।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
জনপ্রিয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান সম্প্রতি ভক্তদের প্রতি একটি আবেদন জানিয়েছেন। সেটা হলো- তারা যেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের সঙ্গে তার কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে আর প্রশ্ন না করেন।
শনিবার করাচিতে অনুষ্ঠিত ১৭তম উর্দু সম্মেলনে কথা বলতে গিয়ে এই অনুরোধ জানান লাস্যময়ী অভিনেত্রী।
মাহিরা খান বলেন, ‘আমি নিজে থেকে কখনোই শাহরুখ খানের প্রসঙ্গ তুলিনা। কেউ জিজ্ঞেস করলে আমি শুধু তার প্রশ্নের উত্তর দিই’।
৩৯ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘সমস্যা হয় তখন, যখন আমি এ বিষয়ে উত্তর দেওয়ার পর লোকজন মন্তব্য করে যে আমি বারবার শাহরুখ খানকে নিয়ে কথা বলি। কিন্তু বিষয়টি মোটেই তেমন নয়’।
তিনি এ সময় জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি চাই না কেউ আর এই বিষয়ে প্রশ্ন করুক। যাতে আমাকে কোনো উত্তর দিতে না হয়’।
মাহিরা খান ২০১৬ সালে বলিউডের ব্লকবাস্টার সিনেমা রইস-এ শাহরুখ খানের বিপরীতে অভিনয় করেন। বেশ কয়েক বছর ধরেই তিনি তার সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।
তবে বারবার এ বিষয়ে আলোচনা হওয়ায় এ নিয়ে এখন বিরক্তি প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


গত ৫ মে মুক্তি পায় বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেন নির্মিত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। ট্রেলার প্রকাশের পরপরই এই নিয়ে বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ছবি মুক্তির পর দ্বিগুণ হয় বিতর্ক। যার জেরেই মুক্তির চার দিনের মাথায় এই ছবিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অভিযোগ, এই ছবি সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কানি দিচ্ছে।
অশান্তি এড়াতে তাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবিটিকে এ রাজ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি জানান, রাজ্যের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মমতার নির্দেশের পরের দিনই ছবিটিতে নিষেধাজ্ঞা তোলার আর্জিতে শীর্ষ আদালতে যান নির্মাতারা। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র থাকা সত্ত্বেও বাংলায় কেন দেখানো হবে না এই ছবি? কারণ জানতে চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় টিম ‘দ্য কেরালা স্টোরি’।
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ এই প্রসঙ্গে গত সপ্তাহে নোটিশ দেয় রাজ্য সরকারকে। বুধবার পরবর্তী শুনানি। তার আগে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই ছবি পক্ষপাতদুষ্ট। এখানে তথ্য বিকৃত করা হয়েছে যা বিশেষ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত আনতে পারে। রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ নষ্টের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
এই ছবির ওপর পশ্চিমবঙ্গে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্ট। শুনানি চলাকালীন দেশের প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘ভারতের অন্যান্য অংশে এই ছবি মুক্তি পেতে পারলে পশ্চিমবঙ্গে নয় কেন?’ পাল্টা রাজ্য সরকারের যুক্তি, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্ব। রাজ্য সরকার প্রযোজক বিপুল শাহকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও খারিজ করে দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ হলেও ভারতজুড়ে রমরমিয়ে ব্যবসা করছে ছবিটি। ইতোমধ্যে দেড় শ কোটি রুপির আয় ছাড়িয়েছে। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আদা শর্মা, যোগিতা বিহানি, সোনিয়া বালানি, সিদ্ধি ইদনানি, দেবদর্শিনী, বিজয় কৃষ্ণ, প্রণয় পাচৌরি, প্রণব মিশ্র প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
এবার একটি কনসার্টে ভারতের জনপ্রিয় গায়িকা সুনিধি চৌহানের দিকে ছুড়ে মারা হলো পানির বোতল। লাইভ কনসার্টে উন্মাদনার তুঙ্গে ঘটে গেল এ অনভিপ্রেত ঘটনা।
মঞ্চে পারফর্ম করার সময় গায়ক-অভিনেতাদের ওপর হামলা এর আগেও হয়েছে। গত বছর অরিজিৎ সিং-কে হাত ধরে এত জোরে টান দেওয়া হয়েছিল যে, গায়ককে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল।
গায়িকা ভারতের উত্তরাখন্ডের দেরাদুনের এসজিআরআর বিশ্ববিদ্যালয়ে পারফর্ম করেছিলেন। এদিন অনুষ্ঠানে ‘শিলা কি জওয়ানি’, ‘ধুম মচালে’, ‘ক্রেজি কিয়া রে’, ‘দেশি গার্ল’, ‘কমলি’, ‘শাকি শাকি’-র মতো গান তিনি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। তিনি যখন শ্রোতাদের তার গানে মাতিয়ে রাখছিলেন, তখন মেতে উঠেছিল গোটা স্টেডিয়াম। ঠিক সেই সময়, সামনের সারিতে বসা এক ব্যক্তি তার দিকে পানির বোতল ছুড়ে মারেন।
এ ঘটনা রীতিমতো হতবাক করে দেয় সুনিধি চৌহানকে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে নিজেকে সামলে নেন তিনি। তারপর সেই ভক্তের দিকে তাকিয়ে ভর্ৎসনা করেন। যদিও সেই ভর্ৎসনার জন্য বেছে নেন সংগীতের পথ।
সুরে-সুরেই তিনি বলে ওঠেন- ‘আপনি আমার দিকে বোতল নিক্ষেপ করলে কী হবে? অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। আপনি কি এটি চান?’
সুনিধি চৌহান এই কনসার্ট থেকে কিছু ছবিও শেয়ার করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। গ্লিটারি টপ, কালো শর্টস গায়ে ছিল গায়িকার। টপে ছাপানো ছিল 'ঝঈ ০১'। খোলা চুল, পায়ে লং বুট। একেবারে রকস্টার লুক।
ক্যাপশনে তিনি লিখলেন- ‘তুমি কি কখনো ছিলে আমার পার্টিতে? দেখো সেটা কেমন হয়।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
স্কুলজীবন থেকে পরিচিত সারা আলি খান এবং অনন্যা পাণ্ডে। বলিউডে তাদের বন্ধুত্ব নিয়ে বেশ আলোচনা হয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই গল্প শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। যদিও বন্ধুত্ব রয়েছে, অনন্যা নাকি সারাকে ভয় পেতেন, যেন যমের মতো। সারার নাম শুনলেই তিনি সতর্ক হয়ে থাকতেন।
অনন্যার থেকে তিন বছরের বড় সারা। ছোট থেকেই বেশ ডাকাবুকো স্বভাবের ছিলেন তিনি। মুখের ওপর কথা বলতেন। অনন্যা বলেছেন, "সারা খুব ঠোঁটকাটা স্বভাবের ছিল, এখনও তাই রয়েছে। তবে স্কুলে আরও সাংঘাতিক ছিল। মুখে যা আসত, তাই বলে দিত। আমি ভয়ে ভয়ে থাকতাম, ভাবতাম এই বুঝি আমার সম্পর্কে কিছু বলল।"
এই কারণে সারাকে কিছুটা এড়িয়েই চলতেন অনন্যা। অভিনেত্রীর কথায়, "আমি যদি দেখতাম, সারা কোনো একটা সিঁড়ি থেকে নেমে আসছে, ওই পথ দিয়ে আমি যেতাম না।"
প্রথম দিকে অনন্যার নাম জানতেন না সারা। তাকে 'এই' বলে ডাকতেন সাইফ আলি খানের কন্যা।
অনন্যা স্মৃতিচারণ করে বলেন, "আমার মনে আছে, একসঙ্গে স্কুলে একটা নাটক করেছিলাম। সারাই মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছিল। আমি বোধহয় ওর মাথায় ছাতা ধরেছিলাম, পেছনে ছিলাম সারার।"
এ সময় সারা নাকি অনন্যাকে 'এই এই' বলে ডাকতেন এবং খুব রূঢ় ব্যবহার করতেন। যদিও এখন নাকি অনন্যার কাছে সেই কথা স্বীকার করেন না সারা। সারার দাবি, অনন্যার সঙ্গে তিনি নাকি খুব ভালই ব্যবহার করতেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্কঃ
দেশের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোকসহ আটটি দিবস বাতিল করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বুধবার প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এমন খবরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নির্মাতা ও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন।
এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস হিসাবে বাতিল করা হলো আজ! আমি মেহের আফরোজ শাওন, বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে অন্তবর্তীকালীন সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ করলাম। ’
শাওন তার স্ট্যাটাসে আরও উল্লেখ করেন, ‘কিছুদিন পর দেখা যাবে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস বাদ, নতুন স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ৩৬ জুলাই পালিত হবে হয়তো!’
এরপর নিজেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দালাল উল্লেখ করে শাওন লেখেন, ৭ মার্চের পক্ষে বলার জন্য যদি আমাকে ‘দালাল’ উপাধি পেতে হয় তবে আমি দালাল। আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের দালাল, স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দালাল।
প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে জানানো হয়– ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট শেখ হাসিনার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল দিবস, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস ও ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস বাতিল হচ্ছে।
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে উপদেষ্টা পরিষদ এসব জাতীয় দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। গত ৭ অক্টোবর তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন