

করোনার পর বলিউডে বড় ধরনের মন্দা দেখা দিয়েছে। শীর্ষ তারকাদের অনেক সিনেমা বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছে, আবার কিছু স্বল্প বাজেটের সিনেমা বিপুল সাফল্য অর্জন করেছে। সিনেমার হিট-ফ্লপের হিসাব করতে গিয়ে বারবার উঠে এসেছে নামী তারকাদের উচ্চ পারিশ্রমিকের বিষয়টি। এর ফলে সিনেমার বাজেট বেড়ে যায়, অনেক টিকিট বিক্রি হলেও লগ্নির টাকা ওঠে না।
এবার বলিউডের কিংবদন্তি গীতিকার এবং চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার জানালেন, শুধু তারকারাই নন; তাদের হেয়ারস্টাইলিস্টরাও মোটা অঙ্কের অর্থ আয় করেন। সিনেমার বাজেট বহুগুণে বাড়িয়ে দিতে তারকাদের ‘স্টাফ’দের ভূমিকা কম নয়।
সম্প্রতি কৌতুকশিল্পী স্বপন বর্মার কমেডি শো-তে উপস্থিত হয়ে সিনেমার সেটে তারকাদের কাজকর্ম দেখার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন জাভেদ আখতার।
তিনি বলেন, “আজকাল তারকাদের ১৮-১৯ জন কর্মচারী লাগে। জিমের জন্য একটি ভ্যানিটি ভ্যান লাগে এবং খাবার তৈরির জন্যও দুটি ভ্যান দরকার হয়।”
জাভেদ আখতার এ বিষয়টিকে কটাক্ষ করে বলেন, “তাদের (অভিনয়শিল্পীদের) চুল ঠিক করে দেওয়ার জন্যও কেউ দিনে ৭৫ হাজার রুপি চার্জ করে। আগে জানলে আমিও সে কাজই করতাম।”
পুরানো যুগের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা টেনে তিনি যোগ করেন, “আগে তারকারা ই-রেগুলার এবং শৃঙ্খলাহীন ছিলেন। তারা বেশিরভাগ সময়ই সেটে দেরি করতেন, তবে তখন এত সুযোগ সুবিধা ভোগ করার মতো টাকাও ছিল না।”
উল্লেখ্য, সেলিম-জাভেদ হলেন বলিউডের সবচেয়ে সফল চিত্রনাট্যকার জুটি। তারা ‘শোলে’, ‘জাঞ্জির’, ‘দিওয়ার’সহ বহু ব্লকবাস্টার সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন।
মন্তব্য করুন


সাবেক স্ত্রী রিয়ামনির দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাজু গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, গত বুধবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা, মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে সাবেক স্ত্রী রিয়া মনির করা মামলায় হিরো আলম ও তার সহযোগী আহসান হাবিব সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
এ বছরের ২৩ জুন দায়ের করা ওই মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মনোমালিন্য হলে আসামি হিরো আলম তার স্ত্রী রিয়া মনিকে বাসা থেকে বের করে দেন। পরে মীমাংসার জন্য হাতিরঝিল থানা এলাকায় একটি বাসায় রিয়া মনিকে ডেকে নেন তিনি। সেখানে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনসহ উল্লিখিত দুই আসামি হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে আহত করেন রিয়া মনিকে এবং তার গলার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বিশ্বজুড়ে শিশুদের উপর হামলা কেনো? এমন প্রশ্ন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় সিনের মতামত জানিয়ে লিখেছেন ইউনিসেফের শুভেচ্ছা-দূত ও জনপ্রিয় বলিউড-হলিউড নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।
রিয়াসির জঙ্গি হামলার ঘটনায় ভীণষ মর্মাহত এ নায়িকা। প্রিয়াঙ্কা প্রশ্ন তুলছেন কেন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ঘৃণার ঘটনায় বার বার বলি হতে হবে সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের?
বোববার জম্মু-কাশ্মীরে আবারও একবার ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে। ওই দিন রিয়াসির দিক থেকে জম্মুর কাটরায় বৈষ্ণো দেবী মন্দিরের দিকে যাচ্ছিল পুণ্যার্থীদের একটি বাস। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সেই বাসেই হামলা চালায় জঙ্গিরা। এতে মৃত্যু হয় ১০ জনের, ৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে।
এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে পাকিস্তানি মদতপুষ্ট জঙ্গি গোষ্ঠীই এ হামলার পিছনে রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরি শেয়ার করে করেছেন। এতে তিনি লিখেছেন, ‘বিধ্বস্ত আমি। নিরপরাধ তীর্থযাত্রীদের উপর জঘন্য হামলা চালানো হয়েছে। কেনো সাধারণ মানুষ এবং শিশুদের উপর এই হামলা? সারাবিশ্বে যেভাবে ঘৃণা ছড়াচ্ছে, তা আমার বোধগম্যতার বাইরে।’
তবে এ প্রথম নয়। বিশ্বজুড়ে চলা সন্ত্রাসের বিপক্ষে বার বার নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। এরই মধ্যে প্রিয়াঙ্কা ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
রাফায় ইসরায়েলি হামলার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি নিজের মত প্রকাশ করেছিলেন। এর আগে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষের সময়ও প্রিয়াঙ্কাকে দেখা গেঠে পোল্যান্ডে গিয়ে উদ্বাস্তু পরিবারের শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে।
সেবারও শিশুদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এ নায়িকা। সাবেক বিশ্বসুন্দরী এবং অভিনেত্রী দীর্ঘ দিন ধরেই ইউনিসেফের সঙ্গে যুক্ত। ২০১৬ সাল থেকে তিনি শুভেচ্ছা-দূত হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করছেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
‘শেরশাহ’ মুক্তির পর বলিউডি নায়ক সিদ্ধার্থ মালহোত্রা বলেছিলেন, নায়িকা কিয়ারা আদভানির সঙ্গে রোমান্টিক সিনেমা তিনি মিস করতে চান না। যদিও গত কয়েক বছরে এই দম্পতিকে একসঙ্গে পর্দায় না পেয়ে দর্শকরা তাদের মিস করেছেন। এখন কিয়ারা জানালেন, একে অপরের হাত ধরে ফের পর্দায় আসতে চলেছেন তারা।
এবারের ৭৭তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচায় প্রথমবারের মত পা রাখেন কিয়ারা। সেখানে ‘উইমেন ইন সিনেমা গালা’তে অংশ নিয়ে নতুন কাজের খবর দেন এই অভিনেত্রী।
টাইমস অব ইন্ডিয়া লিখেছে, এই আলোচনার সূত্রপাত হয় কিয়ারা-সিদ্ধার্থ অভিনীত ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘শেরশাহ’কে ঘিরে। ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার জীবন আর কার্গিল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত অ্যাকশনধর্মী ওই সিনেমায় প্রেমের অংশ নেহাত কম থাকলেও, এ চলচ্চিত্রই কিয়ারা-সিদ্ধার্থকে ‘রোমান্টিক জুটি’ আখ্যা দিয়েছে। তাদের অনুরাগীরা চান এক পূর্ণাঙ্গ প্রেমের সিনেমায় তাদের জুটি হিসেবে দেখতে।
কানে ‘শেরশাহ’ প্রসঙ্গ উঠলে কিয়ারা বলেন, “আমি জানি, ‘শেরশাহ’ আমাদের প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছে। আমি এবং সিদ্ধার্থ অফুরান ভালোবাসা পেয়েছি। হতাশ করছি না। আমাদের ফের একসঙ্গে শিগগিরই দেখা যাবে। আমরা চাই আবার জুটি হিসেবে সবার ভালোবাসা কুড়াতে। আমরা যেন আমাদের অভিনীত চরিত্রের প্রতি সুবিচার করতে পারি।”
তবে সিনেমা এবং প্রযোজক ও পরিচালকের নাম সামনে আননেনি কিয়ারা। তাদের আগামী কাজ সম্পর্কে জানতে একটু অপেক্ষা করতে অনুরোধ করেছেন সবাইকে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সাত পাকে বাঁধা পড়েন কিয়ারা ও সিদ্ধার্থ। এরপর দুজন আলাদাভাবে কয়েকটি সিনেমায় কাজ করেছেন।
মন্তব্য করুন


গত ৫ মে মুক্তি পায় বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেন নির্মিত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। ট্রেলার প্রকাশের পরপরই এই নিয়ে বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ছবি মুক্তির পর দ্বিগুণ হয় বিতর্ক। যার জেরেই মুক্তির চার দিনের মাথায় এই ছবিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অভিযোগ, এই ছবি সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কানি দিচ্ছে।
অশান্তি এড়াতে তাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবিটিকে এ রাজ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি জানান, রাজ্যের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মমতার নির্দেশের পরের দিনই ছবিটিতে নিষেধাজ্ঞা তোলার আর্জিতে শীর্ষ আদালতে যান নির্মাতারা। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র থাকা সত্ত্বেও বাংলায় কেন দেখানো হবে না এই ছবি? কারণ জানতে চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় টিম ‘দ্য কেরালা স্টোরি’।
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ এই প্রসঙ্গে গত সপ্তাহে নোটিশ দেয় রাজ্য সরকারকে। বুধবার পরবর্তী শুনানি। তার আগে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই ছবি পক্ষপাতদুষ্ট। এখানে তথ্য বিকৃত করা হয়েছে যা বিশেষ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত আনতে পারে। রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ নষ্টের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
এই ছবির ওপর পশ্চিমবঙ্গে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্ট। শুনানি চলাকালীন দেশের প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘ভারতের অন্যান্য অংশে এই ছবি মুক্তি পেতে পারলে পশ্চিমবঙ্গে নয় কেন?’ পাল্টা রাজ্য সরকারের যুক্তি, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্ব। রাজ্য সরকার প্রযোজক বিপুল শাহকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও খারিজ করে দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ হলেও ভারতজুড়ে রমরমিয়ে ব্যবসা করছে ছবিটি। ইতোমধ্যে দেড় শ কোটি রুপির আয় ছাড়িয়েছে। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আদা শর্মা, যোগিতা বিহানি, সোনিয়া বালানি, সিদ্ধি ইদনানি, দেবদর্শিনী, বিজয় কৃষ্ণ, প্রণয় পাচৌরি, প্রণব মিশ্র প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


বলিউড অভিনেতা জায়েদ খান যিনি সিনেমা 'ম্যায় হুঁ না'-এ লক্ষ্মণের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, ব্যক্তিগত জীবনে সুজান খানের ভাই এবং হৃত্বিক রোশনের প্রাক্তন শ্যালক। শাহরুখ খানের ছোট ভাইয়ের চরিত্রে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হলেও বলিউডে তাঁর বাকি সিনেমাগুলো বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থ ছিল। তবে অভিনয়ে ফ্লপ হলেও জায়েদ খান একজন সফল ব্যবসায়ী এবং প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক।
জায়েদ খান পরিচালক সঞ্জয় খানের ছেলে এবং অভিনেতা ফিরোজ খানের ভাগ্নে। ২০০৩ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে তিনি বলিউডে পা রাখেন। তাঁর প্রথম সিনেমা ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’ বক্স অফিসে ব্যর্থ হলেও, ২০০৪ সালের ‘ম্যায় হুঁ না’ সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের নজর কাড়েন। এরপর ‘দশ’ সিনেমাও গড়পড়তা সাফল্য পেয়েছিল।
২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত, জায়েদ আরও ১০টি সিনেমায় অভিনয় করেন, যার মধ্যে ছিল ‘ফাইট ক্লাব’, ‘মিশন ইস্তাম্বুল’ এবং ‘তেজ’। কিন্তু এই সিনেমাগুলোও বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়। সর্বশেষ ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘শরাফত গয়ি তেল লেনে’ সিনেমাটিও কোনো সাফল্য আনতে পারেনি।
২০১৭ সালে তিনি টিভি শো ‘হাসিল’ দিয়ে অভিনয়ে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন। মোট ১৫টি ছবিতে অভিনয়ের মধ্যে জায়েদের হিট সিনেমার সংখ্যা মাত্র ১টি, ১৩টি ফ্লপ, এবং একটি গড়পড়তা সিনেমা।
ব্যবসায়িক সফলতা ও সম্পত্তি
অভিনয়ে ব্যর্থ হলেও জায়েদ খান ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সফল। বিভিন্ন স্টার্টআপ এবং ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করে তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়েছেন। একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালে জায়েদ প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক, যা বলিউডের শীর্ষ তারকা যেমন রণবীর কাপুর (৫৫০ কোটি), প্রভাস (৪০০ কোটি), এবং আল্লু অর্জুন (৩৫০ কোটি)-এর থেকেও বেশি।
এক সাক্ষাৎকারে জায়েদ বলেছিলেন, "মানুষের উচিত নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থাকা। যদি ফেরারি কেনার সামর্থ্য থাকে, তবে মার্সিডিজ কিনো; আর যদি মার্সিডিজ কেনার সামর্থ্য থাকে, তবে ফিয়াট কিনো।" তিনি সামাজিক মিডিয়ার যুগে মানুষের অযথা প্রতিযোগিতাকে দায়ী করেছেন এবং সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।
২০২৪ সালে জায়েদ তাঁর ইনস্টাগ্রামে অভিনয়ে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। তবে তাঁর কামব্যাক প্রজেক্ট নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি। তিনি জানিয়েছেন, নিজের ব্যবসা এবং অভিনয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রেখে এগিয়ে যেতে চান।
অভিনয়ে সফল না হলেও জায়েদ খানের ব্যবসায়িক দক্ষতা এবং বাস্তববাদী জীবনদর্শন তাঁকে তাঁর সমসাময়িকদের থেকে আলাদা করেছে।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
‘অ্যানিমেল’ সিনেমায় অভিনয় করে রাতারাতি ভারতের ন্যাশনাল ক্রাশের খেতাব পেয়েছিলেন তৃপ্তি দিমরি। কিন্তু সে খ্যাতি যেন জৌলুস হারাচ্ছে।
বলিউডের অন্দরমহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, ‘আশিকি থ্রি’ থেকে কাদ দেওয়া হয়েছে তৃপ্তিকে। যার নেপথ্যে রয়েছেন পরিচালক অনুরাগ বসু।
সোমবার থেকেই এমন খবরে সয়লার ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম। তবে এই গুঞ্জনের ২৪ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই মুখ খুললেন অনুরাগ। এই নির্মাতা বললেন, তৃপ্তি সিনেমাতে থাকছেন না, এমন কথা আমি একবারও বলিনি। সে কথা তৃপ্তিও জানেন।
তা হলে কি তৃপ্তি ‘আশিকী থ্রি’তে থাকছেন? সে বিষয়ে অবশ্য কোন পাকা কথা দেননি পরিচালক। মুখ বন্ধ রেখেছেন ‘ভুলভুলাইয়া থ্রি’র নায়িকাও। ফলে ধোঁয়াশা বেড়েই চলেছে। অনুরাগের এই জবাব ইতোমধ্যেই সমাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাইতো নতুন করে চর্চা শুরু।
‘ভুলভুলাইয়া থ্রি’ সিনেমায় কার্তিক-তৃপ্তির রসায়ন ভালো লেগেছিল দর্শকদের। তাই তাদের আশা, আবারও এই জুটির দেখা মিলবে পর্দায়। এদিকে সিনেমার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সময় থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে ‘আশিকী থ্রি’।
একাধিক নায়ক-নায়িকার নাম সেসময় প্রকাশ্যে এসেছিল। তাদের মধ্যে পরিচালক বেছে নিয়েছিলেন কার্তিক-তৃপ্তিকে। তার আগে ‘অ্যানিমেল’ মুক্তি পেয়েছে। এতে রণবীর কাপুরের বিপরীতে সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন তৃপ্তি। ফলে তাকে পছন্দ হয়েছিল প্রযোজনা সংস্থারও।
তবে এখন গুঞ্জন উঠেছে অতি সাহসই নাকি কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তৃপ্তির জন্য। অত্যধিক শরীর দেখানোর ফলে সারল্য হারিয়ে ফেলেছেন নায়িকা। তাই নাকি ‘আশিকী থ্রি’ থেকে বাদ পড়তে পারেন তৃপ্তি!
‘
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ভিকি কৌশল সম্প্রতি জানিয়েছেন, ক্যাটরিনা কাইফকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়ে তিনি দারুণ আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।
ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফের দাম্পত্য জীবন এখন তিন বছরে পা রেখেছে। এই তিন বছরে স্ত্রী ক্যাটরিনাকে নিয়ে তিনি অত্যন্ত সুখী। সম্প্রতি ভিকি তার স্ত্রীর প্রশংসায় ইন্টারনেটে একটি পোস্ট করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
ভিকি কৌশল বলেন, “দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাটালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এক ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হয়, যা খুবই মূল্যবান।”
তিনি আরও বলেন, “প্রকৃত ভালোবাসা মানে একে অপরের ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিকগুলো মেনে নিয়ে চলা। ক্যাটরিনা এমন একজন মানুষ, যিনি আমার বাস্তবতাকে উপলব্ধি করান। তিনি সবসময় আমাকে বলেন, ‘এটা আরও ভালো হতে পারে, ওটা আরও ভালো হতে পারে।’ এমন একজন জীবনসঙ্গীকে পেয়ে আমি ধন্য, যিনি সবসময় আমার সঙ্গে সৎ থাকেন। তার দৃঢ়তা, প্রতিভা এবং অভিনয়ের মাধ্যমে যে পথ তিনি তৈরি করেছেন, তা থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি।”
ক্যাটরিনাকে নিয়ে আরও বলার সময় ভিকি বলেন, “আমি সবসময় ক্যাটরিনাকে সম্মান করব। তিনি কেবল একজন সুপারস্টারই নন, তার মধ্যে এক সুপারস্টারের হৃদয়ও রয়েছে। এ কারণেই আমি তার প্রেমে পড়েছি। আমি মনে করি, এমন একজন মানুষকে পেয়ে আমি ভাগ্যবান, যিনি আমার জীবনের ছোটখাটো সমস্যাগুলোর সমাধান করেন।”
ভিকির এই মন্তব্যগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়েছে। একজন লিখেছেন, “একজন সুপারস্টার এতটা বিনয়ী হতে পারে, সেটা কল্পনাই করা যায় না।” আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “নিজের স্ত্রীর প্রশংসা এভাবে করা সত্যিই সহজ নয়।” তৃতীয় একজন লিখেছেন, “ভিকি, তুমি দারুণ মানুষ। তবে এর কৃতিত্ব তোমার মা-বাবারও প্রাপ্য।”
ভিকি কৌশলকে শীঘ্রই লক্ষ্মণ উতেকারের মহাকাব্যিক অ্যাকশন-ড্রামা ছাওয়া ছবিতে দেখা যাবে। এতে আরও অভিনয় করেছেন রাশমিকা মান্দানা, অক্ষয় খান্না, আশুতোষ রানা, দিব্যা দত্ত, নীল ভূপালম এবং প্রদীপ রাওয়াত। এছাড়া, তিনি সঞ্জয় লীলা বানশালির লাভ অ্যান্ড ওয়ার সিনেমায় রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের সঙ্গে কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহাল ও তার স্ত্রী ধনশ্রী বর্মার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে এবার সেই গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলেছেন ধনশ্রী।
বুধবার ধনশ্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি লেখেন, “গত কয়েকদিন আমার এবং আমার পরিবারের জন্য খুবই কঠিন সময় কেটেছে। সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয় হলো, কিছু মানুষ যাচাই-বাছাই ছাড়াই ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে ভুল মন্তব্য ও ঘৃণা ছড়াচ্ছেন।”
তিনি আরও লেখেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে পরিশ্রম করে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছি। আমার নীরবতা কোনো দুর্বলতার পরিচয় নয়, বরং এটি আমার শক্তি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচকতা খুব সহজে ছড়িয়ে পড়ে। তবে অন্যদের উন্নতির জন্য সহানুভূতি ও সাহসের প্রয়োজন হয়।”
ধনশ্রী আরও বলেন, “আমি সততা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী। এগিয়ে যেতে চাই নিজের আদর্শ মেনে। সত্য একদিন না একদিন প্রকাশ পাবেই। তখন কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজন হবে না।”
এর আগেও চাহাল একটি রহস্যজনক পোস্ট করেছিলেন। তিনি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের একটি উক্তি শেয়ার করেন। উক্তিটিতে লেখা ছিল, “নিস্তব্ধতারও সুর আছে। যারা বিকট শব্দের মধ্যেও তা শুনতে পারে, তারাই সেই সুর উপলব্ধি করতে পারে।”
এরপর থেকে চাহাল ও ধনশ্রীর সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন আরও তীব্র হয়। চাহাল তার ইনস্টাগ্রাম থেকে স্ত্রীর সঙ্গে তোলা সব ছবি মুছে ফেলেছেন। যদিও ধনশ্রীর প্রোফাইলে এখনো তাদের একসঙ্গে তোলা ছবি রয়েছে।
চাহালের আরেকটি পোস্টও এই জল্পনাকে উসকে দিয়েছে। পোস্টটিতে তিনি লেখেন, “কঠোর পরিশ্রম মানুষের চরিত্রকে উজ্জ্বল করে। আপনি জানেন নিজের যাত্রাপথ কেমন ছিল, কীভাবে এই পর্যায়ে পৌঁছেছেন। সেই যাত্রায় যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা আপনিই ভালোভাবে জানেন। নিজের বাবা-মাকে গর্বিত করার জন্য মাথা উঁচু করে সোজা দাঁড়ান।”
এই পোস্টে চাহাল বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেও স্ত্রী ধনশ্রীর নাম উল্লেখ করেননি। যা তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
উল্লেখ্য, যুজবেন্দ্র চাহাল ও ধনশ্রী বর্মার বিয়ে হয়েছিল ২০২০ সালের ২২ ডিসেম্বর। গুরুগ্রামের একটি অনুষ্ঠানে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ধনশ্রী ছিলেন চাহালের নাচের শিক্ষক। করোনার সময় অনলাইনে নাচের ক্লাস করার মাধ্যমে তাদের পরিচয়। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা নিয়মিত একসঙ্গে ছবি শেয়ার করতেন। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী দেখে অনুমান করা যাচ্ছে, তাদের সম্পর্ক এখন আর আগের মতো নেই।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
জনপ্রিয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান সম্প্রতি ভক্তদের প্রতি একটি আবেদন জানিয়েছেন। সেটা হলো- তারা যেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের সঙ্গে তার কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে আর প্রশ্ন না করেন।
শনিবার করাচিতে অনুষ্ঠিত ১৭তম উর্দু সম্মেলনে কথা বলতে গিয়ে এই অনুরোধ জানান লাস্যময়ী অভিনেত্রী।
মাহিরা খান বলেন, ‘আমি নিজে থেকে কখনোই শাহরুখ খানের প্রসঙ্গ তুলিনা। কেউ জিজ্ঞেস করলে আমি শুধু তার প্রশ্নের উত্তর দিই’।
৩৯ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘সমস্যা হয় তখন, যখন আমি এ বিষয়ে উত্তর দেওয়ার পর লোকজন মন্তব্য করে যে আমি বারবার শাহরুখ খানকে নিয়ে কথা বলি। কিন্তু বিষয়টি মোটেই তেমন নয়’।
তিনি এ সময় জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি চাই না কেউ আর এই বিষয়ে প্রশ্ন করুক। যাতে আমাকে কোনো উত্তর দিতে না হয়’।
মাহিরা খান ২০১৬ সালে বলিউডের ব্লকবাস্টার সিনেমা রইস-এ শাহরুখ খানের বিপরীতে অভিনয় করেন। বেশ কয়েক বছর ধরেই তিনি তার সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।
তবে বারবার এ বিষয়ে আলোচনা হওয়ায় এ নিয়ে এখন বিরক্তি প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে বলিউড অভিনেত্রী মনীষা কৈরালার নতুন ওয়েব সিরিজ ‘হীরামান্ডি দ্য ডায়মন্ড বাজার’। সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত এই সিরিজে মল্লিকা জান চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।
সম্প্রতি এই ছবির প্রচারে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব এই অভিনেত্রী।
মনীষা কৈরালা জানান, প্রেমের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। নেপালি ব্যবসায়ী, স্বামী সম্রাট দাহালের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে আগেই। আবার নতুন প্রেমের অপেক্ষায় এখন মনীষা।
অভিনেত্রী স্বীকার করেছেন, তিনি একজন জীবনসঙ্গী চান এবং প্রেমে থাকতে চান।
তিনি আরও বলেন, তিনি আবার প্রেম খুঁজতে প্রস্তুত।
মনীষা বলেন, ‘আমি অবশ্যই অনুভব করি যে আমার জীবনে যদি একজন মানুষ থাকত, আমার জীবনে যদি আমার একজন সঙ্গী থাকত, তা হলে হয়তো তাকে পেয়ে ভালো লাগত, কিন্তু তাকে খুব সৎ হতে হবে। আমার ভাগ্যে লেখা থাকলে পাবই। যদি না হয়, এটাও ঠিক আছে। আমি অনুভব করি, আমি একটি পূর্ণ জীবনযাপন করছি। আমি তার জন্য অপেক্ষা করছি না বা তার জন্য আমার সময় নষ্ট করছি না। যদি এটা বুঝতে হবে, অন্যথায় আমি আমার জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি খুব শান্তিপূর্ণ এবং প্রেমময় পরিবারের সমর্থন পেয়েছি। আমি একজন ভালো ভাই, ভগ্নিপতি, ভালো বাবা-মা এবং ভালো ও স্নেহময় বন্ধু পেয়েছি। এ ছাড়া কাজ খুব ভালো চলছে। আমি ঘুরতে খুব পছন্দ করি। এটা করতে মজা পাই। তাই আমি খুব ভালো আছি। আমি মানসিক এবং শারীরিকভাবে প্রতিটি উপায়ে সম্পূর্ণ অনুভব করি। তবে হ্যাঁ, যদি আমার একজন সঙ্গী থাকত, তবে আমি এটি উপভোগ করতাম।’
উল্লেখ্য, এই সিরিজের মধ্য দিয়ে ২৮ বছর পর বানসালির সঙ্গে কাজ করছেন মনীষা। সিরিজটিতে মনীষা ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন রিচা চাড্ডা, সোনাক্ষী সিনহা এবং অদিতি রাও হায়দারি প্রমুখ।
মন্তব্য করুন