

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা আল্লু অর্জুনের গ্রেফতারির ঘটনায় শুরু থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অবশেষে তেলেঙ্গানা হাইকোর্ট তাকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছেন। তবে এই ঘটনায় বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তিনি বলেছেন, “বড় মাপের মানুষ হলেই দায় এড়ানো যায় না। যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে এই ঘটনায় প্রত্যেকেরই দায়বদ্ধতা রয়েছে।”
আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল্লু অর্জুনকে তার শয়নকক্ষ থেকে গ্রেফতার করা হয়। হায়দরাবাদের সন্ধ্যা প্রেক্ষাগৃহে ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’-এর প্রিমিয়ার চলাকালীন উপচে পড়া ভিড়ের কারণে পদপিষ্ট হয়ে একজন নারীর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর অভিনেতাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। গতকাল, ১৩ ডিসেম্বর, পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যেই হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পান তিনি।
কঙ্গনা রানাউত বলেছেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি নিজেও আল্লু অর্জুনজির বড় ভক্ত। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের দৃষ্টান্ত তৈরি করা উচিত। তিনি জামিন পেয়েছেন, কিন্তু শুধু উচ্চস্তরের মানুষ বলেই যেন কোনো ফল ভোগ করতে না হয়— এটি ঠিক নয়। মানুষের জীবনের মূল্য অপরিসীম।”
তিনি আরও বলেন, “সমাজে যাদের প্রভাব রয়েছে, তাদের চলার পথে আরও সচেতন থাকা উচিত। ধূমপানের বিজ্ঞাপন হোক বা প্রেক্ষাগৃহে এমন অনিয়ন্ত্রিত ভিড়— কোনোভাবেই দায়িত্ব এড়ানো যায় না। প্রেক্ষাগৃহে তারা উপস্থিত ছিলেন, তাই প্রত্যেকেরই দায়িত্ববোধ থাকা উচিত।”
উল্লেখ্য, ১৩ ডিসেম্বর সকালে হায়দরাবাদ পুলিশ আল্লু অর্জুনকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় সন্ধ্যা প্রেক্ষাগৃহের মালিকসহ আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এফআইআরে নাম থাকা বাকি অভিযুক্তরাও অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন মানেই ভক্তদের কাছে এক দারুণ উন্মাদনার নাম। তার সে যে কোনো সংবাদই সবার কাছে ভীষণ আগ্রহের।
সেপ্টেম্বরে দীপিকার ঘরে নতুন অতিথি আসতে যাচ্ছে। গর্ভবতী হওয়া সত্ত্বেও সিনেমার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সামনে ‘সিংহাম’ সিনেমার সিক্যুয়ালে দেখা যাবে দীপিকাকে।
অন্যান্য অনেক নায়িকার মতোই দীপিকার একটি অদ্ভূত অভ্যাস রয়েছে। সবসময়েই, নিজের ব্যাগে একটি পেনসিল নিয়ে ঘোরেন দীপিকা।
এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে দীপিকা জানান, সবসময়ে তিনি ব্যাগে একটি খাতা আর পেনসিল রাখতে পছন্দ করেন। দীপিকা টেকনোলজি পছন্দ করলেও, বিভিন্ন বিষয় তিনি মোবাইলে না টাইপ করে, খাতায় লিখে রাখতে পছন্দ করেন।
তাই এ কারণে যেখানেই যান না কেন, দীপিকার ব্যাগে থাকে একটি খাতা ও একটি পেনসিল। কলম রেখে পেনসিল কেন- সেই কথাও খোলসা করেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন।
অভিনেত্রী বলেন তিনি পেনসিল ছোলা, আর ভুল হলে ইরেজার দিয়ে সেটা মুছে ফেলার বিষয়টা খুব পছন্দ করেন। শুধু এই একটা কারণ নয়, দীপিকা পেনসিল ব্যবহার করেন আরও একটি কাজেও।
দীপিকা যে জিনিসটি সবসময় ব্যাগে রাখেন
দীপিকা জানিয়েছেন, যদি কোনো সংলাপ বলতে গিয়ে তিনি বারে বারে আটকে যান, তাহলে বিশেষ একটি ব্যায়াম করেন তিনি। দাঁতের মধ্যে পেনসিল চেপে ধরে সেই সংলাপটি বলতে থাকেন কয়েকবার।
এরপরে দাঁত থেকে পেনসিল বের করে নিলেও, সেই সংলাপটি ঝরঝরে হয়ে যায়। এই কাজটিই নাকি আর ও একটি কারণ, যার জন্য কলম নয়, ব্যাগে পেনসিল রাখতেই পছন্দ করেন দীপিকা।
এছাড়া দীপিকা নিজের ব্যাগে মাউথ ফ্রেশনার, ফেস মিস্ট, পারফিউম, মোবাইল স্ট্যান্ডের মতো ছোট ছোট জিনিস নিয়ে ঘুরতে পছন্দ করেন। সঙ্গে থাকে দীপিকার বাড়ির চাবি ও চুল বাঁধার জিনিসও।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গত মে মাসে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন নুসরাত ফারিয়া। সে সময় তাকে গ্রেপ্তার করায় শিল্পাঙ্গনের অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন, সেই সঙ্গে ক্ষোভও। এর দুই দিন পর কারামুক্ত হন ফারিয়া।
কারাগার থেকে বেরিয়ে তার পাশে থাকার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।
সেই সঙ্গে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, গত কয়েক দিন ছিল তার জীবনের সবচেয়ে দুঃসহ ও সংবেদনশীল সময়।
এর মধ্যে কেটে গেছে প্রায় চার মাস। সে বিষয় নিয়ে আর কোনো কথা বলেননি ফারিয়া। হত্যা মামলায় জামিনের দীর্ঘদিন পর গ্রেপ্তার ইস্যুতে অবশেষে মুখ খুললেন অভিনেত্রী।
নিউইয়র্ক থেকে প্রচারিত বাংলা ভাষাভাষীদের গণমাধ্যম ‘ঠিকানা’র বিশেষ শো ‘ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’-এ বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেন তিনি।
গ্রেপ্তার ইস্যুতে নুসরাত ফারিয়া বলেন, এ রকম কিছু হবে আশা করিনি। কখনো দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি। যার জীবন স্কিন কেয়ার, মেকআপ, একটু ঘোরাফেরা, শপিং করা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ভালো খেতে যাওয়া, এই ছোট ছোট জিনিস নিয়ে যে খুশি তার জীবনে এত জটিলতা! কী করব না করব এগুলো নিয়ে যখন চিন্তা করতে হয় তখন ভীষণ হতাশ হই।
এরপর ফারিয়া বলেন, আমি মনে করি, এটাকেই বড় হওয়া বলে। পরিস্থিতি মানুষকে বড় করে। আমার মনে হয় পুরো ঘটনাতে আমি অবশ্যই মানসিকভাবে বড় হয়েছি। এবং ওইটার (গ্রেপ্তার) পর এটা আমার প্রথম সাক্ষাৎকার। আমি কোথাও কথা বলিনি। এমন না যে আমি কথা বলতে চাইনি। আমি এখনো কথার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত নই।
অভিনেত্রী আরো বলেন, আমি মনে করি, আমার সঙ্গে যেটা হয়েছে, সেটা অন্য কারো সঙ্গে হতে পারত। অনেকের সঙ্গেই হয়তো বা হচ্ছে, হবে। আমি এ বিষয়ে জানি না। তবে আমি ভাগ্যবান। আমার কাজের মাধ্যমে গোটা দেশের মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। যাদের দোয়া ভালোবাসার কারণে আমি আজকে আপনার (জায়েদ খান) সামনে দাঁড়িয়ে আছি। আমার পরিবার, বাবা-মা, ভাই-বোন তাদের সবার দোয়া এবং ভালোবাসার কারণে কঠিন সময় পার করতে পেরেছি।
হত্যা মামলায় জামিনের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই লাইট ক্যামেরা, অ্যাকশনের জগতে নুসরাত। অভিনেত্রীর কথায়, তার (গ্রেপ্তার) ঠিক ১০-১৫ দিন পর থেকে আমি আবার কাজ করা শুরু করেছি। তবে পুরো ঘটনাটা আমাকে একটা জিনিস শিখিয়ে দিয়েছে, কোনো কিছুই স্থায়ী নয়। জীবন খুবই অস্থায়ী, অনিশ্চয়তা ভরা। যেকোনো সময় যেকোনো কিছু হতে পারে। এ জন্য নিজেকে মানসিকভাবে তৈরি থাকতে হবে। তুমি যদি সৎ থাকো তাহলে পৃথিবীর কোনো খারাপ শক্তি তোমাকে আটকে রাখতে পারবে না। তোমাকে বিপদের সম্মুখীন করবে কিন্তু সেই বিপদ থেকে সৃষ্টিকর্তা নিজেই তোমাকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসবেন। এটা আমার জীবন থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় শিক্ষা।
সব শেষে দর্শক, সংবাদিক এবং শোবিজের সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। নুসরাতের কথায়, আমি আমার দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞ কারণ, তারা যেভাবে একসাথে হয়ে আমার জন্য কথা বলেছেন। আমার মিডিয়ার সহকর্মীরা, সাংবাদিক ভাই-বোনেরা, জন্মের পর থেকে এখন অবধি যাদের চিনি প্রত্যেকটা মানুষ আমার জন্য কথা বলেছেন, কেঁদেছেন। শিল্পী নুসরাত ফারিয়া হিসেবে আমার মনে হয় না এর থেকে বড় অর্জন পাওয়ার আছে।
মন্তব্য করুন


বলিউড অন্যতম তারকা দম্পতি ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ। সম্প্রতি ভিকি কৌশলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ভাল মেয়ে পেলে ক্যাটরিনাকে ডিভোর্স দেবেন কিনা। তবে স্মার্ট ভিকি কিন্তু জুতসই জবাব দিয়েছেন।
ভিকি কৌশল ও সারা আলি খানের নতুন ছবি ‘জারা হাটকে জারা বাঁচকে’র ট্রেলেরে এ প্রশ্ন করা হয়। সাংবাদিকের মুখে এমন প্রশ্ন শুনে একেবারে হতবাক ভিকি। তবে উত্তর দিতে বেশি সময় নিলেন না।
ভিকি বলেন, ‘আমাকে রাতে বাড়ি ফিরতে হবে। তবে এটুকু বলতে পারি, আমার আর ক্যাটরিনার সম্পর্ক শুধু এই জন্মের নয়, আগামী সাত জন্মের।’
এই প্রথমবার এক সিনেমায় জুটি বেঁধেছেন ভিকি-সারা। লক্ষ্মণ উটেকর পরিচালিত ‘জারা হাটকে জারা বাঁচকে’ সিনেমায় কপিল ও সোমিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন দু’জন। ইন্দোরের মধ্যবিত্ত পরিবারের এই কাহিনীর সূত্রধর পঙ্কজ ত্রিপাঠী। তার কণ্ঠস্বরেই ট্রেলার শুরু হয়। দু’ভাগে বিভক্ত কাহিনী।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
লায়লা আক্তার ফারহাদের করা ধর্ষণ মামলায় আলোচিত টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের রিমান্ড ও জামিন দুটোই নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আজ প্রিন্স মামুনকে আদালতে হাজির করে তার সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ শাহাজাহান। অপরদিকে প্রিন্সের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষে শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে ৯ জুন প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় ধর্ষণ মামলা করেন লায়লা আক্তার। মামলার পর গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার অভিযোগে লায়লা বলেন, ‘প্রিন্স মামুনের সঙ্গে গত তিন বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে আমার পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন আমাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি আমাকে জানান, তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাসা নেই। যেহেতু প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয় এবং মামুন আমাকে বিয়ে করবে বলে জানান, তাই তার কথা সরল মনে বিশ্বাস করে তাকে আমার বাসায় থাকার অনুমতি দেই।’
মামলার অভিযোগে আরও লায়লা আরও বলেন, ‘২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাসায় এসে বসবাস করতে থাকেন। ওইদিন থেকে তিনি আমার বাসায় আমার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন। মামুন আমার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝেমধ্যেই সেখানে এসে অবস্থান করতেন। আমি মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার আমাকে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে বিয়ের বিষয়ে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সেইসঙ্গে আমাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন।’
মন্তব্য করুন


বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুকের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়।
বিমানবন্দর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ইউএস-বাংলার বিএস-৩০৮ ফ্লাইটটি নায়ক ফারুকের মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন চিত্রনায়ক ফারুক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন।
তার ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, চিত্রনায়কের মরদেহ মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
বেলা ১১টায় জাতীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের জন্য নেওয়া হবে। বাদ জোহর এফডিসিতে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন এবং সেখানে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ সন্ধ্যা ৭টায় গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া দক্ষিণ সোম গ্রামের বাড়িতে চতুর্থ জানাজা সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বর্তমানে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। তার অভিনয় প্রতিভা নিয়ে সবাই প্রশংসায় পঞ্চমুখ। একের পর এক ছবি বক্স অফিসে হিট। পেয়েছেন একাধিক মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। বলিউড পাড়ায় কেউ কেউ তার প্রশংসায় বলে থাকেন ‘বিউটি ইউথ ব্রেইন’।
তবে অসাধারণ প্রতিভাবান এই অভিনেত্রী এক জটিল মানসিক রোগে আক্রান্ত। সে জন্য চিকিৎসাও চলে তার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের রোগের কথা প্রকাশ্যে আনেন অভিনেত্রী নিজেই।
আলিয়া জানান, তিনি ‘এডিএইচডি’ (অ্যাটেনশন ডেফিশিট/হাইপার অ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার) রোগে আক্রান্ত।
এই রোগের অন্যতম লক্ষণ হল মানসিক চাঞ্চল্য, অস্থির ভাব ও অতিরিক্ত উত্তেজনা। কোনো কিছুতে মনযোগ দিতে বেগ পেতে হয়।
আলিয়া জানান, কয়েকটি পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, তিনিও এই রোগের শিকার। শৈশবে এই রোগের জন্য সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তাকে পঠনপাঠনের ক্ষেত্রেও। ক্লাস চলাকালীন প্রায়ই অন্য মনস্ক হয়ে পড়তেন আলিয়া। বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলতে বলতেও মনঃসংযোগ হারিয়ে ফেলতেন। তার বন্ধুরা বিষয়টা লক্ষ করেছিলেন। কিন্তু কেন এমন হয়, বুঝতে পারতেন না আলিয়া।
তবে ক্যামেরার সামনে যখন অভিনয় করেন তখন এই সমস্যাটা তার হয় না। তখন মনযোগ অক্ষত থাকে। মস্তিষ্কও শান্ত থাকে। বর্তমানে একমাত্র কন্যা রাহার সঙ্গে সময় কাটানোর সময়ও কোনো অসুবিধা হয় না। তার মন স্থির থাকে। নিজের অভিনয়ের কাজ ও মেয়ের সঙ্গ —এই দুই সময় মন সবচেয়ে শান্ত থাকে বলে নিজেই জানিয়েছেন আলিয়া।
এমনকি বিয়ের দিন সাজগোজের জন্যও স্থির হয়ে বসে থাকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন আলিয়া। রূপটানশিল্পী পুনীত বি সইনি তার থেকে দু’ঘণ্টা সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু এতটা সময় টানা বসে থাকতে পারবেন না বলে জানান তিনি। তার চেয়ে নিজের মতো বসে বিশ্রাম করতে চেয়েছিলেন আলিয়া।
উল্লেখ্য, বর্তমানে তিনি আলিয়া তার ছবি ‘জিগরা’ নিয়ে ব্যস্ত। বরাবরের মতোই অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি। আলিয়ার ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বেদাঙ্গ রায়না।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বলিউডের চর্চিত জুটির একটি অর্জুন কাপুর এবং মালাইকা আরোরা। তাদের সম্পর্ক নিয়ে নেটিজেনদের সমালোচনা চলতেই থাকে। বয়সের পার্থক্যের কারণেই তাদের সম্পর্ক ভিন্নভাবে দেখে দর্শকরা। তবে সেই সম্পর্কে এসেছে পরিবর্তন।
এবার শোনা যাচ্ছে, বিচ্ছেদ নিয়ে ইতোমধ্যে বোঝাপড়া শেষ করেছে এই তারকা যুগুল। তবে গুঞ্জন নয়, সত্যিই আলাদা হয়ে যাচ্ছেন অর্জুন-মালাইকা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন খবর থেকে জানা যায়, অর্জুন-মালাইকার এক ঘনিষ্ঠ সূত্র তাদের বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে এনেছে। কাগজে-কলমে নাকি তাদের সই-ছাপ্পাও সম্পন্ন। তবে এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে কেউ কারও পক্ষে এখনও মুখ খোলেননি। কারণ, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা আর সম্মান আজও অটুট রয়েছে অর্জুন-মালাইকার।
এদিকে বিচ্ছেদের গুঞ্জন চলতেই তাদের সম্পর্কের মাঝে তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশের কথা উঠেছিল। এমন ধারণার প্রেক্ষিতে অর্জুন-মালাইকার ওই সূত্র জানিয়েছে, তাদের বিচ্ছেদের ব্যাপারে কেউ নাক গলাক, সেটি তারা চান না। তাই বিষয়টি গোপন রেখেই তারা বিচ্ছেদটি সম্পন্ন করেছেন। তবে বিচ্ছেদ হলেও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রয়েছে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
প্রসঙ্গত, বলিউড অভিনেত্রী মালাইকার এটিই প্রথম বিচ্ছেদ নয়। এর আগে ২০১৭ সালে ১৮ বছরের সংসারের ইতি টেনে বিচ্ছেদ ঘটে আরবাজ খান ও মালাইকার। এর কয়েক বছর পর নতুন প্রেমের ছোঁয়া লাগে মালাইকার। বয়সে ১২ বছরের ছোট বলিউড অভিনেতা অর্জুন কাপুরের সঙ্গে শুরু করেন প্রেম। তখন গুঞ্জন ওঠে, অর্জুন কাপুরের জন্যই নাকি বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন আরবাজ-মালাইকা।
গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে অর্জুন-মালাইকার বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়ায়। এ সময় অর্জুনের পরিবারের একাধিক সদস্যকে সামাজিকমাধ্যমে ‘আনফলো’ করে দেন মালাইকা। তাতেই শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। বয়সে অসম, ডিভোর্সি, এক সন্তানের মা মালাইকাকে নিজের পুত্রবধূ করতে মোটেই রাজি নন বনি কাপুর- বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে এমনটিই ধারণা করছেন অনেকে।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
বিয়ে করতে যাচ্ছেন সালমান খানের ভক্ত ‘বিগ বস’ প্রতিযোগী ও অভিনেতা-গায়ক আবদু রোজিক। সম্প্রতি তিনি নিজেই একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করে এই সুখবর ভাগ করে নিয়েছেন।
১৯ বছর বয়সী আমিরাকে বিয়ে করছেন ২০ বছর বয়সী আবদু। আমিরা শারজার মেয়ে।
এক ভিডিও বার্তায় আবদু জানান, তিনি তার জীবনের ভালোবাসা খুঁজে পেয়েছেন এবং গাঁটছড়া বাঁধতে প্রস্তুত। গেল বুধবার নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে বিয়ের আংটির একটি ছবিও পোস্ট করেছেন আবদু। সাদা শার্ট, কালো ব্লেজার ও ম্যাচিং প্যান্টে ক্যামেরার সামনে বসে লাজুক মুখে বিয়ের কথা জানান তিনি।
ভিডিও বার্তায় আবদু বলেন, বন্ধুরা, আপনারা জানেন যে আমার বয়স ২০ বছর এবং আমি এমন একটি মেয়ের প্রেমে পড়ার স্বপ্ন দেখেছি যে আমাকে সম্মান করবে, যে আমাকে খুব ভালোবাসবে। এটা আমার স্বপ্ন ছিল। হঠাৎ খুঁজে পেলাম সেই মেয়েকে যে আমাকে সম্মান করছে, অনেক বেশি ভালোবাসা দিচ্ছে। আমি জানি না কীভাবে এটি বলব কারণ আমি খুব উত্তেজিত। একটা গয়নার বাক্স বের করে আবদু বলল, ‘তোমাদের সবার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে। ’
ক্যাপশনে আবদু লেখেন, আমি জীবনে কখনো ভাবিনি যে আমি এমন একজন ভালোবাসার মানুষ পেয়ে যাব যে আমাকে সম্মান করবে। আমি কতটা খুশি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।
খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দুবাইয়ের শপিং মলের সিপ্রিয়ানি ডলসিতে আমিরার সঙ্গে আবদুর দেখা হয়। আগামী ৭ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান হবে, বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আবদুর ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যানেজমেন্ট (আইএফসিএম)।
আবদু তাজিকিস্তানের একজন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী। তিনি ‘বিগ বস ১৬’-তে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারতে প্রচুর জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তবে পূর্ব পেশাগত বাধ্যবাধকতার কারণে স্বেচ্ছায় ‘বিগ বস ১৬’ ত্যাগ করেন আবদু। ছোটবেলা থেকেই দারিদ্রের মধ্যে দিয়ে বড় হওয়া আবদু সেই সময় থেকেই রিকেট রোগে আক্রান্ত। ফলে থেমে যায় তার শারীরিক বৃদ্ধি।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
গত সাত বছর ধরে সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। গত ২৩ জুন এ তারকা জুটি আইনি মোতাবেক বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এর পর রিসেপশনের আয়োজন হয়। এ তারকা জুটির বিয়েতে ছিল না কোনো ধর্মীয় আচার। বিয়ের পর সোনাক্ষী ধর্ম পরিবর্তন করবেন না বলেও জানিয়েছিলেন জ়াহির ইকবালের বাবা।
এদিকে বিয়ের দিন রিসেপশেন দেখা যায়নি অভিনেত্রীর দুই ভাই লব সিনহা ও কুশ সিনহার। এ নিয়ে চারদিকে সমালোচনা শুরু হয়। বিয়েতে এসেছিলেন শত্রুঘ্ন সিন্হাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে মিশ্র সমালোচনা হয়।
নানা রকম সমালোচনার মাঝে অবশেষে মুখ খুললেন লব সিন্হা। সামাজিকমাধ্যমে একটি পোস্ট করে সোনাক্ষী ও জ়াহিরের বিয়ে নিয়ে কথা বলেন তিনি। লব সিনহা বলেন, এত সমালোচনা সত্ত্বেও পরিবারের প্রতি তার ভালোবাসা কোনোভাবেই কমবে না। পরিবারই তার কাছে প্রাথমিক বিষয়।
কেন তিনি বিয়েতে উপস্থিত থাকেননি জানিয়ে লব সিনহা লিখেছেন— ‘কেন আমি বিয়েতে উপস্থিত থাকিনি, এটিই হলো প্রশ্ন! আমার বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যে কথা প্রচার করে কোনো লাভ নেই। আমার কাছে সব সময় আমার পরিবারই অগ্রাধিকার পাবে।‘
এমন প্রশ্ন সোনাক্ষীর আরেক ভাই কুশ সিনহাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সেই সময় লব বলেছিল— ‘দু’একটা দিন সময় দিন। আমার যদি মনে হয়, তা হলে আমি নিশ্চয়ই এই প্রশ্নের উত্তর দেব।‘
বিয়েতে আসেন শত্রুঘ্ন সিনহা। বাবা হিসেবে মেয়ের বিয়েতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়বেন এটাই স্বাভাবিক। সিনহা পরিবারের নয়নমণি সোনাক্ষী সিনহা। মা-বাবার চোখের মধ্যমণি। তাই বিয়ের দিনে বাবা শত্রুঘ্ন সিনহা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। কন্যার জীবনের নতুন ইনিংসে যেমন তিনি উচ্ছ্বসিত, তেমনি চাপাকান্না বুকে কষ্ট।
নিজস্ব অ্যাপার্টমেন্ট ‘অওরিয়েত’-এ ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনদের সাক্ষী রেখে আইনি বিয়ে সারেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। পরনে নবদম্পতির দুধ সাদা পোশাক। মেয়ের পাশেই হাসিমুখে দাঁড়িয়েছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা।
সেই অনুষ্ঠানে প্রবীণ অভিনেতা বললেন, ‘মেয়েকে পছন্দের পাত্রের হাতে তুলে দেবেন বলে সব বাবাই এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। জাহিরের সঙ্গে আমার মেয়েকে সব থেকে বেশি খুশি থাকতে দেখেছি। তারা সুখে থাকুক, এ প্রার্থনাই করি।‘
জাহির ইকবালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শত্রুঘ্ন সিনহা বলেন, ‘গুড বয়’ জাহির। খুব ভালো ছেলে। আমার মেয়েকে ভালো রাখবে ওৃ।‘ তিনি আরও বলেন, ’৪৪ বছর আগে আমি একজন সফল, সুন্দরী ও ভীষণ ট্যালেন্টেড একটি মেয়েকে নিজের পছন্দে বিয়ে করেছিলাম। সে হচ্ছে পুনম সিনহা। আজ আমার মেয়ে সোনাক্ষীর পালা। ওর পছন্দই আমাদের পছন্দ। ওর নিজের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার এই সিদ্ধান্তকে আমি পূর্ণ সমর্থন করি।‘
উল্লেখ্য, এর আগে সোনাক্ষী-জাহিরের বিয়ের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই শোনা গিয়েছিল শত্রুঘ্ন নাকি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান। তিনি বলেছিলেন— এই প্রজন্মের সন্তান কারও অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না। ওরা শুধু নিজেদের সিদ্ধান্ত জানায়।
সেই থেকেই জল্পনার সূত্রপাত যে, জামাই হিসেবে জাহির ইকবালকে হয়তো পছন্দ নয় শত্রুঘ্ন সিনহার তাই এমন কথা বলেছিলেন! তবে বিয়ের দুদিন আগেই নিন্দুকদের ‘চুপ’ করে দিয়ে জাহির ইকবালকে বুকে টেনে নেন শত্রুঘ্ন সিনহা।
মন্তব্য করুন


মডেল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার একটি আদালত। পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার করার আশ্বাস দিয়ে ২৭ লাখ টাকা নেয়ার পর তা আত্মসাৎ, ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়ার অভিযোগে মামলাটি করা হয়।
রোববার (১৬ নভেম্বর) আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার নির্ধারিত তারিখে আসামিরা হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ঠিক করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাদীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন তাকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার করার কথা বলেন। এ প্রতিশ্রুতিতে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা নেন অভিনেত্রী ও তার ভাই। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তারা কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেননি। পাওনা টাকা চাইতে গেলে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি টাকা ফেরত চাইতে গেলে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশের একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করতে বলা হয়। ওইদিন সেখানে গেলে মেহজাবীন, তার ভাই এবং আরও কয়েকজন তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা হুমকি দিয়ে বলেন, টাকা চাইতে আর বাসার সামনে দেখা গেলে মেরে ফেলব। এতে বাদী চরম আতঙ্কে পড়েন।
ঘটনার পর বাদী ভাটারা থানায় গেলে থানার পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়া হয়। পরে আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন