

সংবিধান সংশোধন করতে হলে তা অবশ্যই সংসদে করতে হবে। এর বাইরে সংবিধান সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর নীলক্ষেতের আইসিএমএবি মিলনায়তনে বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের ব্যাপারগুলো এখনও আলোচনা হচ্ছে। সংবিধানের যদি কোনো সংশোধন করতে হয় তাহলে সেটা সংসদের মধ্য থেকে করতে হবে। সেটার জন্য ম্যন্ডেট জনগণের থেকে নিতে হবে প্রত্যেকটি দলকে। সেটি হতে হবে সংসদের মধ্যে।
তিনি আরও বলেন, স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যদি কোনো পরিবর্তন আনতে হয়, সংসদের বাইরে সেটা করার কোনো সুযোগ নেই। যারা বাংলাদেশের আগামীর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছে, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছে, তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তারা সংসদীয় পদ্ধতিতেও বিশ্বাস করে না। তারা কোন পদ্ধতিতে যাবে তারা নিজেরাও জানে না।
রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন জরুরি উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা যতই সংস্কার করি, কোনো লাভ হবে না। যদি রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলাতে না পারি, কোনো সংস্কার কাজে আসবে না। অপরের মতকে আমাদের সম্মান জানাতে হবে। সহনশীল হতে হবে। এর মাধ্যমেই দেশকে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থে যেখানে ঐক্য দরকার, সেখানে ঐক্য করতে হবে।
ঐক্য এখনও অটুট আছে জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, অনেকেই বলছেন, দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য ছিল ৫ আগস্টের পরে তা অনৈক্য হয়ে গেছে। আমি তো কোনো অনৈক্য দেখতে পাচ্ছি না। প্রত্যেকটি দলের নিজস্ব দর্শন, চিন্তাভাবনা থাকবে। যেখানে আমরা একমত হতে পারবো সেখানে একমত হবো। বাকিটা জনগণের কাছে নিয়ে যেতে হবে। জনগণ হচ্ছে মালিক। তাদের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে সংসদে পাস করতে হবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকারের কিছু লোক বলছেন যে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করা কঠিন। কিন্তু কেনো কঠিন হবে? নির্বাচন করতে এতো সময় কেনো লাগবে? যদি নির্বাচন কমিশন সঠিকভাবে কাজ করে, তাহলে জুন-জুলাই মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব।
শুক্রবার (৭ মার্চ) রাজশাহীতে চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে আহত ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহিদ পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দোয়া কামনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে আমরা বিএনপি পরিবার।
রিজভী বলেন, নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি হলে অন্তবর্তী সরকারের বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হবে। আমাদের একটি সংবিধান আছে, তারপরও গণপরিষদ নির্বাচন কেনো? এ ধরনের কথাগুলো মানুষের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি কারও কাছে মাথা নত করে না, এটাই বিএনপির অপরাধ, এটাই খালেদা জিয়ার অপরাধ। শেখ হাসিনা তার ব্যক্তিগত আক্রোশ আদালতের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে শাস্তি দিয়ে মিটিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা একটি লুটেরা দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি হবু চন্দ্র রাজা ও গবু চন্দ্র মন্ত্রীর মতো একটি শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছিলেন। শিক্ষার্থীদের হত্যা করে রক্তাক্ত হাত নিয়ে তিনি বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছেন। শহিদদের রক্তের সঙ্গে তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।
বাংলাদেশ বিষয়ে ভারতের আগ্রহ নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের এত মাথাব্যথা কেনো? যারা লুটেরা, যারা খুনি, তাদেরকে ভারত আশ্রয় দেয়। শেখ হাসিনার মাধ্যমে ভারত বাংলাদেশকে একটি তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।
অনুষ্ঠানে গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া আহত ও নিহত ১৫ জনকে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। এসময় আমরা বিএনপি পরিবারের আহবায়ক ও উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য এহসানুল হক সমাজী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নস্যাৎ করতে পরিকল্পিত প্রচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। এখনো প্রশাসেন বিভিন্ন স্তরে আওয়ামী লীগের দোসররা অবস্থান করছে বলেও জানান তিনি।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ছাত্রদলের সাবেক নেতাকে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদান শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বিগত সময় চারজনের পরামর্শে শেখ হাসিনা সব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন।
তাদের পরামর্শে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র জনতাকে গুলি করে, বোমা মেরে হত্যা করা হয়েছে।’ এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থাকা সত্ত্বেও অপরাধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ প্রতিনিধিদল আহত ভূলতা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি দোলন ভূঁইয়ার স্বাস্থ্যের সার্বিক খোঁজ খবর নেয়। পরে তার হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন, সদস্য সচিব মোমিন মিথুনসহ সংগঠনের সদস্যরা। এছাড়া জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনিসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ভোট দেওয়ার বয়স ১৬ বছর এবং নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বয়স ২৩ বছর করার প্রস্তাব দেবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে।
শনিবার (২২ মার্চ) সকালে রাজধানীর রূপায়ণ সেন্টারে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।
তিনি বলেন, ‘আগামীকাল (রোববার) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে সংস্কার সুপারিশমালা জমা দেওয়া হবে। সেখানে ভোট দেওয়ার বয়স ১৬ বছর এবং নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বয়স ২৩ বছর করার প্রস্তাব করবে এনসিপি।’
গণ-অভ্যুত্থানের পর সংবিধান আর কার্যকর নেই উল্লেখ করে নতুন সংবিধান রচনা করার দাবি জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির এই নেতা।
সারোয়ার বলেন, ‘এনসিপি মনে করে আগামী নির্বাচন গণপরিষদ হওয়া উচিত। সংবিধান সংস্কার কাজ শেষ করে একটা নির্দিষ্ট সময় পর এই গণপরিষদই আইন সভায় রূপান্তরিত হবে।’
বর্তমানে ভোটার হওয়ার জন্য একজনকে ১৮ বছর বয়স পূর্ণ করতে হয়। আর নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে ২৫ বছর বয়স পূর্ণ করতে হয়। এবার এই বয়সসীমা কমিয়ে আনার প্রস্তাব রাখতে যাচ্ছে তরুণদের নিয়ে গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি।
মন্তব্য করুন


ঋণ বা টাকা ছাপিয়ে অর্থনীতি চালানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও উচ্চপর্যায়ে নিতে হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই। বিনিয়োগই অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার একমাত্র টেকসই সমাধান।
আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বিদেশি বিনিয়োগকারী সম্মেলন ২০২৫ এর ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট: বিকাশ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেশনে তিনি এসব কথা বলেন। ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড এ সম্মেলন আয়োজন করে।
আমীর খসরু বলেন, নির্বাচনের খবর দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ায় উদ্যোক্তারা নতুন প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দেশি উদ্যোক্তার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। আজ আমরা তার প্রমাণ দেখতে পাচ্ছি—জাপান থেকে বিশাল একটি ডেলিগেশন বাংলাদেশে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে এসেছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করা জরুরি। কারণ, পুঁজিবাজার ছাড়া অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমাদের বিনিয়োগকারীদের পণ্য ব্র্যান্ডিং করতে হবে, টেকনিক্যাল ও অর্থনৈতিক সহায়তা দিতে হবে এবং বিশ্ববাজারে সরাসরি পৌঁছে দিতে হবে। বিনিয়োগই অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার একমাত্র টেকসই সমাধান। ঋণ নেওয়া বা টাকা ছাপিয়ে অর্থনীতি চালানো স্থায়ী সমাধান নয়। এজন্য পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে হবে, কারণ দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের জন্য এর বিকল্প নেই।
এই বিএনপি নেতা বলেন, বাংলাদেশে যে সম্ভাবনা রয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে বিদেশি অংশীদারত্ব অত্যন্ত জরুরি। সামাজিক খাত ও অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের ব্যয় বাড়ানোর পাশাপাশি বিদেশি মূলধন প্রবাহ অর্থনীতিকে নতুন গতি দেবে। আগামীদিনের বাংলাদেশের জন্য বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারকে উচ্চপর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে।
সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা অংশ নিয়েছেন।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ইপিএল জানিয়েছে, এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিশ্ব বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরবে এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা ড. এম মাসরুর রিয়াজ। প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার মো. সাইফউদ্দিন, কনটেক্সচুয়াল ইনভেস্টমেন্ট এলএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকাও হিরোসে এবং এশিয়া ফ্রন্টিয়ার ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের ফান্ড ম্যানেজার রুচির দেশাই। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার পর প্রথমবারের মতো বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে গেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রোববার দুপুরে তিনি গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যান। এর আগে বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়।
গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবারই প্রথম তিনি সরাসরি দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।
এদিকে রোববার সকালে বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবেন।
তার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। রোববার বেলা ১১ টায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী অফিস সেগুনবাগিচা থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, গত দেড় দশকে শেখ হাসিনা নিজে ও তার পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে দেশে একটি গোষ্ঠীতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। এখন তিনি পাশের দেশ থেকে রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করছেন। আর যারা কারাগারে আটক রয়েছেন, তাদের মধ্যে একজন দরবেশ (সালমান এফ রহমান) কারাগার থেকে ঝাড়ফুঁক দিচ্ছেন। তিনি মাঝেমধ্যে জেলখানা থেকে বার্তা পাঠাচ্ছেন যে, এতগুলো শ্রমিক নেমে গেলেই তো হয়।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর রমনার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর সেমিনার হলে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকৌশলীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (অ্যাব) এই আলোচনাসভার আয়োজন করে।
রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘আমি জানি না তাদের বিচার প্রক্রিয়া কিভাবে চলছে। কিভাবে তারা সেখান থেকে বেরিয়ে এসে এই কথাগুলো বলছে। নিশ্চয়ই তাদের নানাভাবে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তারা সেই সুযোগ নিয়ে কথাবার্তা বলছে।’
কারাগারে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘আমাদেরকে কারাগারে নিয়ে মাদকসেবী ও ফাঁসির আসামিদের সঙ্গে রাখা হতো। আমাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে নির্যাতন-নিপীড়ন করা হয়েছে। শেখ হাসিনার নির্দেশে গুম-খুন করা হয়েছে, যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার কার্যক্রম প্রসঙ্গে রিজভী আরো বলেন, ‘সরকার সংস্কারের কথা বলছে, যা ভালো। কিন্তু সংস্কারের নামে আপনারা সময়ক্ষেপণ করবেন না। এমন সংস্কার আনুন যাতে ফ্যাসিবাদ পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে। এমন সংস্কার নিয়ে আসুন যাতে মানুষ ন্যায়বিচার পায়। এমন সংস্কার আনুন যাতে ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হয় এবং ভবিষ্যতে কোনো ফ্যাসিবাদের জন্ম না হয়। তা না হলে মানুষ ভালোভাবে নেবে না।’
অ্যাবের সভাপতি ও আইইবির প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজুর সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী এ কে এম আসাদুজ্জামান চুন্নুর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন অ্যাবের মহাসচিব প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


কিছু করতে হলে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও চিন্তার দরকার মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৫২ বছরে আমরা ক্ষমতার পরিবর্তনের বিধানই আমরা পরিবর্তন করতে পারিনি। হঠাৎ করে এসে আজ সব পরিবর্তন করে ফেলবো, এমনটি মনে করি না। কিছু করতে হলে সুনির্দিষ্টি লক্ষ্য ও চিন্তা দরকার। বিচ্ছিন্নভাবে জোড়াতালি দিয়ে কিছু করা যায় না।
আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ফখরুল আরো বলেন, আমাদের কাঠামোটা সংস্কার করা দরকার। কাঠামোটা বদলাতে হবে। গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আমরা লাগাব বেগুন গাছ, আসা করব কমলালেবু তা তো হবে না। আমাদের সিস্টেমটা পরিবর্তন করতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের সংকটের অন্যতম কারণ হলো দুর্নীতি। প্রতিটি ক্ষেত্রে দুর্নীতি।
ধীরে ধীরে এটা আরও খারাপের দিকে গেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে সংসদ সদস্যদের আইন প্রণয়ন করার কথা। সেই জায়গায় তিনি কোথায় কি ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে তা নিয়ে পড়ে থাকেন।
তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে এবার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের সমাজে যে বৈষম্য, শোসন—এগুলো ঠিক করার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে।
রাজনৈতিক দলের আন্তরিকতা প্রয়োজন। এই সুযোগটা ব্যবহার করে আমরা আমাদের যেন লক্ষ্যের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারি।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনের পর নির্বাচন বিলম্বিত করার কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জনগণ এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে স্পষ্ট বক্তব্য আশা করে।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এই কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত শেষ করে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।
বুধবার অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভার প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন নিয়ে ড. ইউনূসের বক্তব্য অস্পষ্ট ছিল এবং তাতে কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, বিজয় দিবসে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ২০২৫ সালের ডিসেম্বর বা ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছেন, যা অস্পষ্ট ও বিভ্রান্তিকর। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ২০২৬ সালের জুনের কথা বলেছেন, যা পরস্পরবিরোধী এবং জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যেহেতু বিএনপি আগামী দিনে সরকার গঠন করবে তাই আমাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মিথ্যাচার হচ্ছে। এ বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে যুব সমাজের প্রত্যাশা ও বিএনপির পরিকল্পনায় আগামীর বাংলাদেশ শীর্ষক ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের নেতা (তারেক রহমান) তার নিজস্ব সংগ্রাম দিয়ে নির্বাচনকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিয়ে এসেছেন। আমাদের দায়িত্ব একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, অবাধ নির্বাচন আয়োজনের। সকল সহযোগী সংগঠনকে এ বিষয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শেখ হাসিনা সরকারের সময় বিদ্যুৎ খাতে ভয়াবহ দুর্নীতি হয়েছে। ক্ষমতায় গেল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হাওয়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সব চুক্তি পুনর্বিবেচনা করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বিএনপি।
বুধবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ খাতের ব্যাপক দুর্নীতি নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ বিষয়ে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্কের কারণে আওয়ামী লীগ এক ধরণের সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের যে দুর্বৃত্তায়ন, আওয়ামী লীগ যে দেশটা ধ্বংস করে দিয়েছে এসব কথা না বলতে থাকলে মানুষ আস্তে আস্তে সব ভুলে যাবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিদ্যুৎ খাতে ম্যাজিক দেখাতে গিয়ে আওয়ামী লীগ মানুষকে সর্বস্বান্ত করেছে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সব জায়গায় দুর্নীতি হয়েছে। কোনো জায়গা বাদ নেই।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, গত ১৫ বছরে বিদ্যুৎ খাতটা তারা (আওয়ামী লীগ) ব্যবসার খাত বানিয়েছিল। তাদের দুর্নীতির বোঝা এখন জনগণকে বহন করতে হচ্ছে। এই বিদ্যুৎ উন্নয়ন টেকসই নয় এবং যে কোনো সময় মুখ থুবড়ে পড়বে।
এ সময় বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সব চুক্তি উন্মুক্ত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান নজরুল ইসলাম খান।
মন্তব্য করুন