

সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের মোঃ বশির শেখ (৩৮) নামে এক সদস্যকে অস্ত্র,গাড়ি সহ আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাত দুইটার দিকে শ্যামনগর -কালিগঞ্জ রোডের জাহাজঘাটা নামক স্থান থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তি খুলনা জেলার রুপসা উপজেলার জাবুসা গ্রামের মোঃ হোসেন আলী শেখের পুত্র।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, তার নেতৃত্বে ৫/৬ জন সদস্যর ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্ততির কালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য মোঃ বশির শেখকে একটি মিনি ট্রাক সহ আটক করা হয়েছে। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
আটককৃত ব্যক্তির নিকট ও নম্বর বিহীন একটি মিনি ট্রাক তল্লাসি করে ২টি বড় হাসুয়া, ১টি বড় কাতারি, ১টি শাবল, ৫টি বাঁশের লাঠি, ১টি লোহার রড, ৩টি হাতুড়ী, ১টি লোহার পাইপ, ৯টি সেলাই রেঞ্জ, ৩টি ছোট-বড় প্লাস, ১টি ছোট কাতারী, ১টি কাঁচি, ৩টি স্ক্রু ড্রাইভার, ৮টি রিং রেঞ্জ, ৩টি টর্চ লাইট, ১৬টি ডাল রেঞ্জ, ৯টি কস টেপ, ৬০ ফিট লম্বা রশি, গাড়ীর নম্বর প্লেট দুটি ও ১টি মিনি ট্রাক জব্দ করা হয়।
জানা যায়, ডাকাত দলের সদস্যকে আটক করার সময় নিজেই ট্রাকের চালক সেজে পুলিশের গাড়ীকে খাদে ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। তার নামে বাংলাদেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, রাহাজানি সহ অন্যান্য ১৪টি মামলা রয়েছে।
শ্যামনগর থানায় এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় চৌদ্দগ্রাম থানা
কর্তৃক ১০ কেজি গাঁজাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
আজ ২৮/০৮/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ
সকালে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ)/মোঃ জাহিদ হোসেন রায়হান, সঙ্গীয় অফিসার ও
ফোর্সসহ থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন ১৩নং জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের গাংরা সাকিনে গাংরা রাস্তার মাথায় চট্টগ্রাম টু
ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর থেকে ১০ কেজি গাঁজাসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা
হলো: চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার চাপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার সাকিম চকলানপুর, পোঃ
রামচন্দ্রপুর হাট গ্রামের মৃত আলা উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে আবুল কালাম আজাদ (৫৪),
কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার কেচকিমুড়া, পোঃ জগন্নাথদিঘী গ্রামের আব্দুল খালেজ
এর ছেলে আব্দুল মালেক (৩৭)।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানা এজাহার
দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-৩৯, তারিখ-২৮/০৮/২০২৩, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য
নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১)সারণির ১৯(খ)/৪১ রুজু হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর
ইউনিয়নের পাঁচোড়া গ্রামে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন পাঁচোড়া গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শাহাজাহান।
নিহত দুই বোন হলো: হাফেজ ঘটক মিয়ার
মেয়ে উম্মে কুলছুম তামান্না (৯) ও খাদিজা আক্তার (৭)। নিহত উম্মে কুলছুম তামান্না পাঁচোড়া
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ও নিহত খাদিজা আক্তার একই বিদ্যালয়ের
৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার
(২২ মে) বিকেলে উপজেলার পাঁচোড়া দক্ষিণ কালেম পাড়া মসজিদ সংলগ্ন পুকুরে গোসল করতে নামে
ওই দুই বোন। এক সময় তারা পানিতে ডুবে যায়। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর
পুকুরে নেমে তাদের দুই বোনকে উদ্ধার করে। পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে
কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন। তাদের মৃত্যুতে মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন,
বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) আবুল হাসানাত খন্দকার জানান, পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি। পরিবারের
পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


কেউ গাড়ির হেলপার-ড্রাইভার, কেউ দোকানের কর্মচারী, নির্মাণ শ্রমিক, কেউবা পুরাতন মালামাল ক্রেতা কিংবা রাজমিস্ত্রী। আছে সবজি বিক্রেতাও। কিন্তু ভিন্ন পেশা হলেও সন্ধ্যা নামতেই বদলে যায় তাদের পেশা-পরিচয়। বেরিয়ে আসে ভয়ঙ্কর রূপ।
এসব ভিন্ন ভিন্ন পেশার আড়ালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় তারা ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিতে জড়িত। প্রত্যেকের নামে রয়েছে একাধিক মামলা। প্রত্যেকেই জেল খেটেছেন। বেরিয়ে আবারো জড়িয়েছেন গ্যাং কালচারে।
পুলিশের এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) রাজধানীর মোহাম্মাদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ এলাকায় কিশোর গ্যাং এর বিভিন্ন গ্রুপের ছিনতাই, চাঁদাবাজি, বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ৩৬ জনকে গ্রেফতারের পর এসব তথ্য জানিয়েছে ।
গ্রেফতারকৃত কিশোর গ্যাং পাটালি গ্রুপের অন্যতম মূলহোতা সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীব এবং লেভেল হাই এর অন্যতম মূলহোতা মো. শরিফ ওরফে মোহন ও চাঁন গ্রুপ,মাউরা ইমরান গ্রুপসহ বিভিন্ন গ্রুপের সদস্য। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র। গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, গ্রেফতারদের মধ্যে ৫ জন পাটালি গ্রুপের, ৬ জন লেভেল হাই, ৬ জন চাঁন গ্রুপ, ৫ জন লও ঠ্যালা গ্রুপ, এবং ৭ জন মাউরা ইমরান গ্রুপের সদস্য। বাকি ৭ জন অন্য গ্রুপের সদস্য। এদের গ্রুপে প্রায় ২০-২৫ জন সদস্য থাকে।
র্যাব-২ অধিনায়ক বলেন, সম্প্রতি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্য ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়। এসব সন্ত্রাসীদের হামলা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক সাধারণ ডায়েরি ও মামলা হয়েছে। সম্প্রতি মোহাম্মদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ ও তার আশপাশের এলাকায় বেশ কয়েকটি ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য পেয়ে র্যাব টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।
র্যাব-২ অধিনায়ক আরও বলেন, পাটালি গ্রুপটি সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীবের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। নিজেদের মধ্যে অন্তঃকোন্দলের কারণে তারা ২/৩টি গ্রুপে বিভক্ত হয়। লেভেল হাই গ্রুপটি গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহনের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসছে। গ্রেফতাররা মোহাম্মদপুর, আদাবর, বেড়িবাঁধ ও ঢাকা উদ্যান এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো। এসব গ্রুপের গ্রেফতাররা একাকী পথচারীদের আকস্মিকভাবে ঘিরে ধরে চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোর করে অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করে দ্রুত পালিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজিসহ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঢাকা উদ্যান, আদাবর, শ্যামলী, মোহাম্মদপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো। মাদক সেবনসহ এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত তারা। মূলত তারা মোহাম্মদপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত।
গ্রেফতারদের পেশা সম্পর্কে র্যাব-২ এর অধিনায়ক বলেন, বিভিন্ন গাড়ির হেলপার ও ড্রাইভার, দোকানের কর্মচারী, নির্মাণ শ্রমিক, পুরাতন মালামাল ক্রেতা, সবজি বিক্রেতা ইত্যাদি পেশার আড়ালে তারা মূলত মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি করতো।
অতিরিক্ত ডিআইজি আনোয়ার হোসেন আরও বলেন, গ্রেফতার সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীব পাটালি গ্রুপ এর মূলহোতা। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে। সে এই সন্ত্রাসী গ্যাং এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরণের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছিল।
গ্রেফতার রানা শিকদার, জুয়েল মিয়া ও সাগর গ্রেফতার ফর্মা সজীবের সহযোগী। তারা গ্রেফতার পাটালি গ্রুপ এর ফর্মা সজীবের নেতৃত্বে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন এলাকায় টাকার বিনিময়ে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতো। সুজন মিয়া ওরফে ফর্মা সজীবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ১১টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এ সকল মামলায় কারাভোগ করেছে।
র্যাব-২ এর সিও আরও বলেন, গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহন লেভেল হাই গ্রুপের মূলহোতা ও সন্ত্রাসী হায়াত ওরফে টাকলা হায়াত অন্যতম প্রধান সহযোগী। আগে সে মোহাম্মদপুর এলাকায় মাদকের ব্যবসা করতো। সে টাকলা হায়াতের অন্যতম সহযোগী হিসেবে মোহাম্মদপুর ও তার আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি ও অপহরণসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে আসছিল।
টাকলা হায়াতের অবর্তমানে সে গ্যাংটি পরিচালনা করে আসছিল। গ্রেফতার দুলাল, সোহাগ ও তারেক তারা লেভেল হাই গ্রুপের সদস্য। তারা গ্রেফতার শরিফ ওরফে মোহনের নেতৃত্বে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতো। শরিফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৮টির বেশি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।
গ্রেফতার সাকিব ওরফে প্রকাশ রিয়াম চাঁন গ্রুপের অন্যতম সহযোগী সদস্য। সে ২০১৮ সালে বরিশাল হতে ঢাকায় এসে ঢাকা উদ্যান এলাকায় বসবাস শুরু করে। সে বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টসে চাকরি করেছে।
২০২১ সালে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে চাকরির সময়ে চাঁন গ্রুপ নামে একটি কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। পরে মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে সে চাঁন গ্রুপের অন্যতম সহযোগী। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৩টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।
ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদকের কারবারে গ্রেফতার ইমরান ওরফে মাউরা ইমরান মাউরা ইমরান গ্রুপের সদস্য। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ডিস ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ তৈরি করে। আগে সে মোহাম্মদপুর এলাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতো।
২০২১ সালে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির সময়ে নিজেই একটি কিশোর গ্যাং মাউরা ইমরান গ্রুপ গঠন করে। মাউরা ইমরান মোহাম্মদপুর এলাকায় চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও অপহরণের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত ৪টির বেশি মামলা রয়েছে এবং এসব মামলায় কারাভোগ করেছে।
মুরগী রাকিব লও ঠ্যালা গ্রুপের সদস্য । র্যাব-২ এর সিও অতিরিক্ত ডিআইজি আনোয়ার হোসেন খান আরও বলেন, রাকিব ওরফে মুরগী রাকিবের জন্ম বরিশাল এলাকায়। সে বিভিন্ন সময়ে গার্মেন্টসে চাকরি ও ডিসের লাইনে চাকরি করতো। ২০২০ সালে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে চাকরির সময় লও ঠ্যালা গ্রুপে যোগ দেয়। সে বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সংগ্রহ ও মাদক পৌঁছে দেয়ার কাজ করতো। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক, ছিনতাই ও মারামারি সংক্রান্ত দুটির অধিক মামলায় কারাভোগ করেছে।
গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


ইরাকে
৩০০ বছরের পুরোনো একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। জানা গেছে, সড়ক
সম্প্রসারণের কাজের জন্য দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বসরা শহরের ওই মসজিদটি স্থানীয়
প্রশাসন গত শুক্রবার বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয় ।
তবে প্রাচীন ওই মসজিদ ভেঙে ফেলায় নিন্দায় সরব হয়েছে দেশটির সাধারণ
মানুষ এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, মসজিদটি ১৭২৭ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল।
এতে ১১ মিটার বা ৩৬ ফুট উঁচু একটি মিনার ছিল,যেটিকে সিরাজি মিনার বলা হত । মসজিদটির
দেওয়াল ছিল লাল মাটির তৈরি ইটের।
স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মসজিদসংলগ্ন সড়কটি বেশ সংকীর্ণ। এতে ওই
এলাকায় ব্যাপক যানজট দেখা দেয়। সড়কটির সম্প্রসারণের জন্য প্রাচীন মসজিদটি ভেঙে
ফেলার সিদ্ধান্ত নেন বসরার গর্ভনর। সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
ইরাকের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আর-বাদরানি বলেন, মসজিদটি ভেঙে
ফেলার বিষয়ে তাদের আপত্তি ছিল। কিন্তু বসরার গভর্নর ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সড়ক
সম্প্রসারণের জন্য মসজিদটি অন্য কোথাও সরিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। এখন ইরাকের সংস্কৃতি
মন্ত্রণালয় বসরার প্রাচীন এই মসজিদের আদলে আরেকটি মসজিদ বানাতে চায়।
বারবার
নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও মসজিদটি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মসজিদ কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নেয়নি
দাবি করেছেন বসরার গভর্নর আসাদ আল এইদানি।
তিনি
বলেন, সড়ক সম্প্রসারণের কাজে এটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এখন প্রতিবাদ না করে নতুন একটি
মসজিদ কীভাবে তৈরি করা যায়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ ও পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়েছেন বসরার
গভর্নর।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের টাইগারপাস এলাকায় টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৪ আগস্ট) সকাল পৌনে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এসময় ওই এলাকায় সড়কে কিছুক্ষণ যানচলাচল বন্ধ থাকে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম এসে সড়ক থেকে মাটি সরিয়ে ফেলে। এরপর সড়কে যানচলাচল আবার স্বাভাবিক হয়।
ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের উপ-সহকারী পরিচালক আবদুর রাজ্জাক বলেন, টাইগারপাস এলাকায় পাহাড় ধসে কেউ হতাহত হননি। তবে সড়কে মাটি পড়ে থাকায় কিছুক্ষণ যানচলাচল বন্ধ ছিল। তা সরিয়ে দেওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এদিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে করে নগরের বাকলিয়া, চকবাজার, কাতালগঞ্জ, শুলকবহর, আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক হাঁটু থেকে কোমর পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে গেছে। সড়কে ভোগান্তিতে পড়েছেন জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া লোকজন। যাতায়াতের ক্ষেত্রেও গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা দপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ উজ্জ্বল কান্তি ধর বলেন, বাংলাদেশের ওপর দিয়ে এখন মৌসুমি বায়ু সক্রিয়। একারণে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। টানা আরও দুই থেকে তিন দিন এভাবে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হতে পারে। সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
এবং সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর ডাকে চলছে ষষ্ঠ দফার অবরোধ কর্মসূচি। অবরোধে আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য রাজধানী ঢাকায় র্যাবের ১৪২ টহল দলসহ সারাদেশে ৪২৮
টহল দল মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৩নভেম্বর) সকালে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান র্যাবের
লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান।
তিনি
বলেছেন, যেকোনো ধরনের নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন
গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে গোয়েন্দারা ছদ্মবেশে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। দেশের বিভিন্ন
স্থানে দূরপাল্লার গণপরিবহন ও পণ্যবাহী পরিবহনকে র্যাবের টহলের মাধ্যমে এস্কর্ট প্রদান
করে নিরাপদে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


১১৫ বছর বয়সী মোয়াজ্জিন চোখে দেখতে পান না। তবুও দড়ি ও বাঁশ ধরে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত মসজিদে গিয়ে নামাজের জন্য ডাকেন সবাইকে।
অন্ধ মোয়াজ্জিন আব্দুর রহমান মোল্লার বাড়ি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর ইউনিয়নের বড়দেহা গ্রামে। ২০ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারান। এর ৬ বছর পর বড় ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে হজ পালন করেন। দেশে ফিরে নিজ গ্রামে তৈরি করেন একটি মসজিদ। এরপর নিজেই সেই মসজিদের মোয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
কিন্তু চোখে দেখতে না পাওয়ায় মসজিদে আসা-যাওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দেয় । সমাধানের জন্য বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত টেনে নিয়েছেন রশি ও বাঁশ।
আব্দুর রহমান মোল্লার ছেলে স্কুল শিক্ষক মো: শফিকুল ইসলাম সাইফুল জানান, বাবার বয়স ১১৫ বছর। হজ থেকে আসার পর বাবা যে মসজিদটি স্থাপন করেছেন সেখানে আজান দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু বাড়ি থেকে মসজিদের দূরত্ব প্রায় ২০০ মিটার। তখনই জটিলতা দেখা দেয় আসা-যাওয়া নিয়ে। পরে বাবা বাড়ি থেকে মসজিদ পর্যন্ত রাস্তায় রশি ও বাঁশ টাঙিয়ে দিতে বলেন।
বাবার দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী রশি ও বাঁশ টাঙিয়ে দেন ছেলেরা। এরপর প্রথম দিকে কয়েকদিন তার ছেলে ও নাতিরা রশি ও বাঁশের সাহায্যে মসজিদ পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে তাকে যাতায়াত ও রাস্তা পার হতে অভ্যস্ত করে তোলেন।
মোয়াজ্জিন আব্দুর রহমান বলেন, ১০ কাঠা জমি বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে মসজিদটি নির্মাণ করেছি। এখন টিউবওয়েলে পানি না ওঠায় অজু করতে সমস্যা হয়। মসজিদের পাশে একটা পানির পাম্পের ব্যবস্থা হলে খুব ভালো হতো।
মন্তব্য করুন


বিএম সাগর, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
"সবার আগে সুশাসন, জনসেবা উদ্ভাবন" এ স্লোগানকে সামনে রেখে বর্ণাট্য র্যালী ও আলোচনার মধ্য দিয়ে লক্ষ্মীপুরে জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস-২০২৩ইং উদযাপন করা হয়েছে।
রোববার (২৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের করা হয়। র্যালীটি ঝুমুর সিনেমা হল ট্রাফিক চত্বর পরিদর্শন করে,জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন।
জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান এর সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি) মেহের নিগারের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সিভিল সার্জন ডাঃ আহাম্মদ কবীর, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) রামগতি-কমলনগর সাইফুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা (উপ-পরিচালক) ডাঃ আশফাকুর রহমান মামুন ও মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন লিকাসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
গত ২৪ ঘন্টায় ১১০ বোতল ফেন্সিডিল, ৪,৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৬০ কেজি গাঁজাসহ ৫
জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।
জেলা
গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একাধিক টিম কুমিল্লা জেলায় বিভিন্ন স্থানে পৃথক পৃথক মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মঙ্গলবার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকা থেকে ১১০বোতল ফেন্সিডিলসহ মোঃ কবির নামে ১জন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ কবির (৩৫), পিতা- মৃত
মোসলেম উদ্দিন, গ্রাম-উত্তর বাগবের, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা। এসআই তুষ্টলাল
বিশ্বাস বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মাদক আইনে এজাহার দায়ের করেন। কোতয়ালী মডেল থানার
মামলা নং-৯০, তারিখ-২৫/০৭/২০২৩খ্রিঃ।
অপর
একটি অভিযানে মঙ্গলবার রাতে সদর দক্ষিন মডেল থানাধীন উলুরচর এলাকায় চৌয়ারা-টু-কুমিল্লা
রোডে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০০০
পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মোঃ জসিম নামে ১জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: মোঃ জসিম (২৪), পিতা-মৃত আইয়ুব আলী, গ্রাম-মুড়াপাড়া (পূর্ব পাড়া), থানা-সদর
দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা। এসআই নাসিম উল হক ইমরান বাদী হয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানায়
মাদক আইনে এজাহার দায়ের করেন। সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা নং-৩৭, তারিখ-২৬/০৭/২০২৩খ্রিঃ।
অপর
একটি অভিযানে মঙ্গলবার রাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন বিজয়পুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা
করে ৫ কেজি গাঁজা এবং ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মোঃ বেলাল হোসেন নামে ১জন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ বেলাল হোসেন (৩৮), পিতা- মৃত আমিনুল ইসলাম,
গ্রাম- খেয়াশ, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা । এসআই তুষ্টলাল বিশ্বাস বাদী হয়ে
সদর দক্ষিণ থানায় মাদক আইনে এজাহার দায়ের করেন। সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা নং-৪০,
তারিখ-২৬/০৭/২০২৩খ্রিঃ।
অপর
একটি অভিযানে অদ্য বুধবার সকালে কোতয়ালী মডেল থানাধীন বজ্রপুর গ্রামের দারোগা বাড়ী
রোডে অভিযান পরিচালনা করে ৩,০০০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ আনোয়ার হোসেন (৭০), পিতা-মৃত আবেদ আলী, সাং-পূর্ব
বাখরী আলাউদ্দিন এর বাড়ী, থানা-সোনারগাঁ, জেলা-নারায়গঞ্জ, এ/পি সাং-গোলাবাড়ীয়া ২। মোঃ
শাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া (৫২), পিতা-মৃত সুরুজ মিয়া, গ্রাম-কেরানীনগর (ভূঁইয়া বাড়ী),
উভয় থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল
থানায় এসআই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন। কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৯৯,
তারিখ-২৬/০৭/২৩ খ্রিঃ।
অপর
একটি অভিযানে অদ্য বুধবার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন আমানগন্ডা (শালুকিয়া) এলাকায় মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৫৫ কেজি গাঁজা
উদ্ধার করা হয়। এ সংক্রান্তে এসআই মোঃ মিজানুর রহমান বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার
দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহ জেলার পুরোহিতপাড়া এলাকা থেকে ১টি পিস্তল, ৩টি রিভলবারসহ বিপুল পরিমান দেশি অস্ত্র উদ্ধার, একই সঙ্গে ৪৭টি ককটেল, ৫টি ফেনসিডিলসহ ২৭৯টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে সংশ্লিষ্ট মামলায় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ আসামিদের ময়মনসিংহের চিফ জুডিসিয়াল আদালতে পাঠিয়েছে ।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: জামিল হোসেন (২৪) ও মো. সেলিম মিয়া (৬৫)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা চিহ্নিত মাদক কারবারি।
এর আগে ১০ জুন রাতে নগরীর পুরোহিতপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন।
জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে আসামিরা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেল ও মাদক কারবারি চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে থানায় ৪টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় ২টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ৭দিনের রিমান্ড এর আবেদর করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন