

চিকিৎসকরা যা পারলেন না, করে দেখিয়ে দিলেন একজন মা। এ যেন মাতৃশক্তির জয় । ৫ বছর কোমায় থাকার পর মায়ের মুখে কৌতুক শুনেই জেগে উঠলেন এক মার্কিন নারী।
জেনিফার ফ্লিওয়েলেন ২০১৭ সালে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন । আর এরপরই কোমায় চলে যান। কিন্তু মেয়ের নিস্পন্দ শরীরটাকে আগলে রাখতেন মা পেগি মিন্স। মেয়েকে পিরে পাওয়ার প্রত্যাশায় প্রতিদিন আসতেন হাসপাতালে মা, মেয়ের সঙ্গে কথা বলতেন, হাসির-মজার নানা গল্প বলতেন, কৌতুকও শোনাতেন। হঠাৎ একদিন ঘটল মিরাকল’। কাঁপুনি দিয়ে জেগে উঠলেন মেয়ে। মুখভর্তি একগাল হাসি।
৬০ বছরের পেগি জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ২৫ আগস্টের সেই অবিস্মরণীয় দিনটির কথা। ওইদিনই কোমা-মুক্ত হন জেনিফার। সম্প্রতি এতবছর পর ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে ।
মার কথায় জানা যায়, যখন সে জেগে উঠল, আমি প্রথমে রীতিমতো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। কারণ সে হাসছিল। এতদিন ধরে তাকে হাসপাতালে দেখছি। কখনও আগে এরকম হাসতে দেখিনি। ওর শরীরে কাঁপুনি দিচ্ছিল। কথা বলতে পারছিল না, তবে মাথা নাড়ছিল। তবে এটা সত্যি, তাকে জেগে উঠতে দেখে বুঝেছি, আমার স্বপ্ন সত্যি হল। সেদিন নিজেকে বললাম, আমার স্বপ্ন সত্যি হল। এতদিন যে দরজা আমাদের দুইজনকে আলাদা করে রেখেছিল, তা যেন হঠাৎই খুলে গেল। আবার আমরা এক হয়ে গেলাম।
তবে কোমা মুক্ত হলেও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হননি জেনিফার। এখনও ঠিক করে কথা বলতে পারেন না তিনি, নড়াচড়া করতেও সমস্যা হয়। জেনিফারের চিকিৎসার খরচ জোগাতে সমাজমাধ্যমে একটি ‘গো-ফান্ড-মি’নামে পেজও খোলা হয়েছে। গোটা ঘটনায় বিস্মিত মিশিগানের মেরি ফ্রি বেড রিহ্যাবিলিটেশন হাসপাতালের ডাক্তার র্যালফ ওয়াং।
ডাক্তার বলেন, এটি অলৌকিক ঘটনা, শুধু কোমা থেকে জেগে ওঠাই নয়, জেনিফার সুস্থতার দিকেও এগোচ্ছে। মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই এমনটা দেখা যায়।
এদিকে, মায়ের ফিরে আসায় উচ্ছ্বসিত পুত্র জুলিয়ান। সম্প্রতি তার ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন জেনিফার। জুলিয়ান জানিয়েছেন, মা আমার সবচেয়ে বড় সমর্থক। দর্শকাসনে তাকে ফিরে পাওয়ার অনুভূতি বলে বোঝানো সম্ভব নয়।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ করতে বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ১ হাজার ৬০০ জন যাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এর মধ্যে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও তিন জন নারী। তাদের মধ্যে মক্কায় মারা গেছেন ১৯ জন, মদিনায় ৪ জন।
এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯ হাজার ৭৯৮ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী ৯১ হাজার ৮০২ জন । হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্পডেস্ক।
মন্তব্য করুন


ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বৃষ্টির মধ্যেই রাজধানীর তুরাগ নীদতে নৌকা ভ্রমণে যান। তখন নৌকাবাইচ উপভোগ করেন তিনি।
সেখানে রাস্তার পাশের একজন বিক্রেতা তাকে শিঙাড়া-সমুচা-জিলাপি খাওয়ার অনুরোধ করেন। তখন তিনি ওই দোকানির সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন মাখোঁ।
তার আগে সকালে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। সেখানে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান জাতির পিতার ছোট মেয়ে শেখ রেহানাসহ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের কর্মকর্তারা।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর জাদুঘর পরিদর্শন করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।
ভারতে জি-২০ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর রবিবার রাত সোয়া ৮টায় ঢাকায় পৌঁছান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাখোঁর সফরসঙ্গী হিসেবে ঢাকায় এসেছেন ফ্রান্সের ইউরোপ ও পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী ক্যাথরিন কোলোনা।
সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোমবার দুপুর ২টা ৪৮ মিনেটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বিশেষ ফ্লাইটে প্যারিসের উদ্দেশে রওনা হন মাখোঁ। বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
মন্তব্য করুন


দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরপর ২বার (২০২২ ও ২০২৩) বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) নির্বাচিত হয়েছেন সুইজারল্যান্ড প্রবাসী অধ্যাপক ড. আমিন আহম্মেদ খোন্দকার। দেশে বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী অনিবাসী ক্যাটাগরিতে তাকে সিআইপি হিসেবে মনোনীত করেছে সরকার।
গতকাল শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিশ্ব প্রবাসী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদ তাকে এ সম্মাননা প্রদান করেন।
এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকার ২০২২ ও ২০২৩ সালের জন্য দেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী অনিবাসী বাংলাদেশিদের সিআইপি-এনআরবি ক্যাটাগরিতে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। গত দুই বছরে ১৫০ জন অনাবাসী বাংলাদেশি এই সিআইপি মর্যাদা লাভ করেছেন।
ড. আমিন বলেছেন, আমরা সকলেই অবগত বিগত কয়েক বছর যাবৎ হুন্ডির মাধ্যমে দেশে প্রচুর পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে এতে সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকে। বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকার ইতোমধ্যে প্রণোদনা চালু করেছে। এ প্রণোদনা চালু করার ফলে আমরা দেখতে পারছি বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্সের পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে আমাদের দেশের রিজার্ভ অনেক কমে গেছে। দেশের অর্থনীতিকে পূর্বের ন্যায় ফিরিয়ে নিতে আমরা যারা প্রবাসী আছি তাদেরকেই বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে আমরা দেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে পারি। সেক্ষেত্রে সরকার ও দূতাবাসগুলোকে প্রবাসীদের কল্যাণে আরও যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
ড. আমিন আহম্মেদ খোন্দকার হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ট্রেনিংপ্রাপ্ত মাস্টার্স টিচার্স ট্রেইনার ও ২০১২ সাল সুইস এডুকেশনাল কলেজের সিইও হিসেবে কর্মরত আছেন।
মন্তব্য করুন


গত
৪ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। গভীর রাতে গোটা সিয়ারা লিওন
যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের ব্যবহার।
মানুষের
হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে
আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয়
পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক
সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
শুধু
জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো,
কবরস্থান গুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা
লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার
রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা।
হাজার
হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ
মাদক’ও বলা হয়।সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের
বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন
হাজার হাজার যুবক।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা
ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।
এই
মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের
হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে
তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য।
গভীর
রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা
করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী
সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক
এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
জুলিয়াস
সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।কবর থেকে কঙ্কাল চুরি
আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন
কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।
বর্তমানে
গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বিশেষজ্ঞদের
মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের
হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু
খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে
পা দিচ্ছেন অনেকেই।যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে
থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি।
কুশ
ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী।
তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০
থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির
ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
এই
মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের
হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত
অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
চিকিৎসকদের
মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে
সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত
অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে
জারি করা হল জরুরি অবস্থা। পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন
হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে
দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থানগুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা
বাহিনী।
সিয়েরা
লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের
কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’। হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির
প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।
যে
সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই
এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের
মানুষকে
বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না
বলে দাবি করেছেন বায়ো।
গত ৪ এপ্রিল গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’
কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য। শুধু তা-ই নয়, এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।
মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।
কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।
বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।
পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।
কুশ ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী। তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।এই মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
২০২০
সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।
২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।
চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।
এই
কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে
বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের
কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার
হাজার যুবক।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশি যুবকের প্রেমের টানে সুদূর ল্যাটিন আমেরিকার দেশ পেরু থেকে নোয়াখালীতে এসেছেন আনা কেলি কারাঞ্জা সাওসিডো নামে এক তরুণী। এমনকি ভালোবাসার মানুষ আরমান বিয়েও করেছেন তিনি।
মো. আরমান হোসেন নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ঘাটলাবাগ এলাকার বারাই বাড়ির নুর আলমের ছেলে। বৃহস্পতিবার কারাঞ্জা সাওসিডোরকে চাটখিলে নিয়ে আসেন আরমান। ভিনদেশি এই নববধূকে দেখতে আরমানের বাড়িতে ভিড় করছে আশপাশের মানুষ।
জানা যায়, ২০১৭ সালে ফেসবুকে আরমানের সঙ্গে পরিচয় হয় পেরুর তরুণী কারাঞ্জা সাওসিডোর। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব গড়ায় ভালোবাসার সম্পর্কে। ৬ বছরের ভালোবাসা পূর্ণ হয় বিয়ের মাধ্যমে। গত ২ জুলাই পেরু থেকে বাংলাদেশে আসেন কারাঞ্জা সাওসিডোর। ঢাকায় বিমানবন্দরে তাকে রিসিভ করেন আরমান। ঐদিনই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দুজন। কিছুদিন ঢাকায় থাকার পর বৃহস্পতিবার কারাঞ্জা সাওসিডোরকে চাটখিলে নিয়ে যান আরমান। বর্তমানে তারা নিজ বাড়িতেই বসবাস করছেন। ভিনদেশি পুত্রবধূ পেয়ে খুশি আরমানের পরিবারও।
আরমান হোসেন বলেন, আনা কেলি কারাঞ্জা সাওসিডোর সঙ্গে আমার মোবাইলে পরিচয় এবং বন্ধুত্ব হয়। ৬ বছর আমাদের মোবাইলেই কথা হয়েছে। তাকে কখনো সরাসরি দেখার সুযোগ হয়নি। দুজনে মিলে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেই। সে অনুযায়ী কারাঞ্জা সাওসিডো বাংলাদেশে এলে আমরা বিয়ে করি। নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।
কারাঞ্জা সাওসিডোর ইংরেজিতে বলেন, আমাদের ভালবাসার সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে আমি নিজ ইচ্ছায় আরমানের কাছে ছুটে এসেছি। সবার কাছে দোয়া চাই, আমরা যেন সুখী হতে পারি।
মন্তব্য করুন


দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ গ্রিস ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে। এই আগুন নেভাতে গিয়ে ভেঙে পড়েছে একটি বিমান। এতে ২জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার এথেন্সের কাছে এভিয়া দ্বীপের দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে একটি বিমান পৌঁছায়। দমকল বাহিনীর ওই বিশেষ প্লেনটি আগুন নেভানোর জন্যই সেখানে যায়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি ভেঙে পড়ে। এতে প্লেনের ২ পাইলট মারা গেছেন।
এদিকে দাবানলের কারণে গ্রিসের একাধিক অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বেশকিছু অঞ্চল থেকে স্থানীয় মানুষ এবং পর্যটকদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা রোডস এবং কর্ফুতে। সেখান থেকে পর্যটকদের উদ্ধার করা হয়েছে। তাপপ্রবাহের কারণে সিসিলির বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সোমবার তা আবার খোলা হয়।
গ্রিসে এই নিয়ে গরমের দাপটে তিন জনের মৃত্যু হলো।
সূত্র- ডয়চে ভেলে
মন্তব্য করুন


আজ মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সেনাবাহিনী প্রধানের
সাথে সিঙ্গাপুরের অনাবাসিক হাইকমিশনার ডেরেক লো সেনাসদরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময়
ছাড়াও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও দু'দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা
করেন। বিশেষ করে তাঁরা সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, যৌথভাবে হাসপাতাল নির্মাণ ও
পরিচালনার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগ ও সামরিক
প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রশিক্ষনার্থী বিনিময়ের উপর আলোকপাত করেন।
এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, স্পেশাল ফোর্সেস' অভিযান ইত্যাদি বিষয়ে যৌথ মহড়া পরিচালনার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা খানের এখনো কোনো ছবি মুক্তি পায়নি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক প্রসাধনী সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সুহানা।
এতে প্রথম সাফল্য পেলেন সুহানা খান। কিন্তু প্রথম কাজেই সমালোচনার মুখে সুহানা। লোকে সুহানার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখন্ডেকে।
সম্প্রতি সুহানাকে ওই আন্তর্জাতিক প্রসাধনী সংস্থার লিপস্টিকের বিজ্ঞাপনে দেখা মাত্রই ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ। ঠোঁটে লাল রং, গায়ের রং যেন ফেটে পড়ছে সুহানার। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, চিৎকার করার ভঙ্গি করছেন শাহরুখ-কন্যা। তার গায়ের রঙে এমন বদল দেখে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেউ লিখেছেন, সুহানা খান আসলে কালার কারেক্টেড প্রো ম্যাক্স। কেউ লিখেছেন, ওকে অঙ্কিতা লোখান্ডের মতো দেখতে লাগছে। কেউ কেউ লেখেন, অনায়াসেই সুহানার নিজস্ব স্কিন টোন ব্যবহার করা যেত। অন্য কোনো শেডের লিপস্টিক পরানো যেত তাকে। কোনো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাছ থেকে তো এমনটাই আশা করা উচিত, তাই না? কারও সোজাসাপটা প্রশ্ন, তার গায়ের রং ফর্সা করার কী দরকার? কেউ লিখেছেন, ‘সুহানার মুখে প্যানকেক মেকআপ ব্যবহার করে ওর আসল রংটা নষ্ট করার কোনো দরকার ছিল কি?
এসব সমালোচনার বিষয়ে সুহানা কোনা মন্তব্য করেননি। জানা গেছে, শিগগিরই ‘দি আর্চিজ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে শাহরুখ কন্যা সুহানার।
মন্তব্য করুন


উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে প্রাইভেট কারের সংঘর্ষে অন্তত ৩৪ জন নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন মানুষ।
বুধবার স্থানীয় সময় ভোরের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির ফায়ার সার্ভিস জানায়।
এক বিবৃতিতে দেশটির ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, বুধবার ভোর ৪টার দিকে রাজধানী আলজিয়ার্স থেকে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার দক্ষিণের তামানরাসেত শহরে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
বাসের সাথে প্রাইভেট কারের সংঘর্ষের পর বাসটিতে আগুন ধরে যায়। এতে বাসের ৩৪ যাত্রী পুড়ে মারা গেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা গেছে, দুর্ঘটনার পর আগুন ধরে যাওয়া বাসটি পুড়ে গেছে। তবে দুর্ঘটনায় আহতদের ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন


২১ ফুট পানির নিচে ফটোশুট করেন এক তরুণী। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠেছে মডেল সিয়ারা আন্তোস্কি। শুধু সিয়ারা আন্তোস্কি নয়, একসাথে তার ফটোগ্রাফার স্টিভেন হেইনিং এই রেকর্ড অর্জন করেন। কানাডার অন্টারিওর টোবারমোরির কাছে পৃষ্ঠের ২১ ফুট নিচে একটি শ্যুট সম্পন্ন করেন তারা। এজন্য সময় নেন মাত্র ১৬ মিনিট। যদিও এই পুরো ফটোশুট প্রক্রিয়া শেষ করতে কয়েক মাস লেগেছিল। এমন একটি ফটোশুট করার ধারণা স্টিভেনের মাথায় আসে কোভিড-১৯ এর সময়। ২০২১ সালের ২১ জুন কানাডার অন্টারিওর টোবারমোরিতে ফ্যাথম ফাইভ ন্যাশনাল মেরিন পার্কের লেকের ২১ ফুট বা ৬.৪০ মিটার নিচে ফটোশুট করেন। শুটের আগের দিন পানির নিচে জাহাজের ধ্বংসাবশেষের কাছে গিয়ে কয়েকবার অনুশীলন করেন আন্তোস্কি ও স্টিভেনে। সেদিন আন্তোস্কি ৩০ মিনিট পানির তলায় ছিলেন। পানির এতটা গভীরে ফটোশুট করেছেন এমন ব্যক্তি তারাই প্রথম। স্টিভেন ইচ্ছা পানির ১০০ ফুট নিচে ফটোশুট করার। এজন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অবশ্য এর আগে বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণ নিতে হচ্ছে তাকে।
সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড
মন্তব্য করুন