

ফ্ল্যাটের বাইরে লুঙ্গি ও নাইটি পরে জনসমক্ষে বের হতে মানা করেছে ভারতের রাজধানী দিল্লি সংলগ্ন গ্রেটার নয়ডার হিমসাগর অ্যাপার্টমেন্টে আবাসন কর্তৃপক্ষ। এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর শুরু হয়েছে বিতর্ক।
গত ১০ জুন জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে ফ্ল্যাটের বাইরে লুঙ্গি এবং নাইটির মতো ঢিলেঢালা পোশাক পরার ব্যাপারে
বাসিন্দাদের সতর্ক
করা হয়েছে ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাসিন্দাদের অনুরোধ করা হচ্ছে, আপনারা যখনই আবাসন চত্ত্বরের সাধারণের ব্যবহারের এলাকায় ঘোরাফেরা করবেন, তখন নিজেদের পোশাক-আশাক এবং আচার-আচরণে বিশেষ নজর দিন। যাতে কেউ এ নিয়ে কোনও রকম আপত্তি তুলতে বা প্রতিবাদ জানানোর সুযোগ না পান। আপনার আচরণ থেকেই শিক্ষা পাবে আপনার সন্তান। তাই সবাইকে অনুরোধ, আবাসন চত্ত্বরে লুঙ্গি বা নাইটি জাতীয় পোশাক পরে চলে আসবেন না। কারণ এগুলো ঘরের ভেতরে পরার পোশাক।
এদিকে বাসিন্দাদের একাংশ এই নিয়ম যথাযথ বলেই মেনে নিয়েছে। কিন্তু কেউ কেউ আবার এই বিজ্ঞপ্তিকে সুনজরে দেখেননি।
দেশটির সংবাদ
মাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
মন্তব্য করুন


রাতে রহস্যজনক স্ট্যাটাস আর সকালে অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাটে শাড়ি দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেল ভারতীয় অভিনেত্রী অমৃতা পান্ডের মরদেহ।
অমৃতা পান্ডে ‘অন্নপূর্ণা’ নামে ইন্ডাস্ট্রিতে
পরিচিত ছিলেন। বিহারের ভাগলপুরের জোগসার থানা এলাকার আদমপুর জাহাজ ঘাটে অবস্থিত একটি
অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় অভিনেত্রীর মৃতদেহ পাওয়া যায়। অভিনেত্রীর
মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ
উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তবে কী কারণে অমৃতা আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনো
জানা যায়নি।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে,
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অমৃতা তাঁর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি
নোট শেয়ার করেছিলেন।
পুলিশ রিপোর্ট অনুসারে, হোয়াটসঅ্যাপে
অমৃতার নোটে লেখা ছিল, ‘কেন দুই নৌকায় ভাসছিল জীবন, নৌকা ডুবিয়ে জীবন সহজ করে দিয়েছি।’
রিপোর্ট বলছে, অমৃতা তাঁর স্বামীর সঙ্গে
মুম্বাইয়ে থাকতেন। কিন্তু তিনি সম্প্রতি ভাগলপুরে একটি বিয়ের জন্য তাঁর আত্মীয়দের
সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত জেগে ছিলেন অমৃতা এবং তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ
স্ট্যাটাসে সেই নোটটি পোস্ট করেন।
এর কয়েক ঘণ্টা পর তাঁকে তাঁর ঘরে মৃত
অবস্থায় পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী
তানজিন তিশার সঙ্গে প্রেম অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের। প্রেমের খবর, আত্মহত্যা চেষ্টাকাণ্ডে
দেশের সংবাদকর্মীদের হুমকি দিয়েছিলেন এ অভিনেত্রী। দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন সাংবাদিকের
সঙ্গে ফোনালাপে এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। পরে মুহূর্তেই সেই
অডিও নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তোপের মুখে পড়েন এ অভিনেত্রী। গণমাধ্যমকর্মীরা প্রতিবাদে
সরব হন। নেট দুনিয়ায় অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে নিয়ে নেটিজেনরা নানা ট্রল ও সমালোচনা
করেন।
অভিনেত্রী
তানজিন তিশা হাসপাতাল থেকে ফিরে আজ একটি স্ট্যাটাস দেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তবে
এবারের পোস্টটি সাংবাদিকদের উদ্দেশে দিয়েছেন তিশা। ১৮ নভেম্বর (শনিবার) দুপুর ১টা ৩৩
মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেন এ অভিনেত্রী। ওই স্ট্যাটাসে
তার ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
ঘটনার
একদিন পর নিজের ভুল বুঝতে পারেন অভিনেত্রী তিশা। ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে চাইলেন
ক্ষমা। অভিনেত্রী তিশা লিখেছেন, বিগত কয়েকদিনের অসুস্থতা এবং আমার পারসোনাল লাইফ নিয়ে
নানান ভিত্তিহীন কথা ও সংবাদ এবং পরিচিত-অপরিচিত বিভিন্ন ফোন কলে আমি অনেকটাই মেন্টালি
পাজলড ছিলাম। এমন সময়ে এক সাংবাদিক ভাইয়ের সাথে কথা বলতে গিয়ে আমি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে উত্তেজিত হয়ে কিছু কথা বলে ফেলি, যা আসলে ইনটেনশনালি ছিল না। সাংবাদিক ভাইদের
উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, আমার সফলতার একটা অংশজুড়ে আপনারাও আছেন এবং আপনাদের প্রতি
আমার শ্রদ্ধা ও সন্মান সমসময়ই ছিল এবং থাকবে। আমার অনাকাঙ্ক্ষিত কথায় আপনারা কষ্ট পেয়ে
থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
মন্তব্য করুন


টালিউড
অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জী ২০১২ সালে ‘আওয়ারা’ সিনেমায় নায়ক জিৎয়ের বিপরীতে অভিনয়
করে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। এরপর একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় দেখা গেছে সায়ন্তিকাকে।
সায়ন্তিকা অভিনয়ের বাইরে তার নাচের জন্যও ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পেতে থাকেন। তাকে অভিনয়ের
পাশাপাশি শারীরিক চর্চায়ও বেশ সক্রিয় দেখা যায়।
সম্প্রতি
বাংলাদেশের ২টি সিনেমার প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন সায়ন্তিকা ব্যানার্জী।
বাংলাদেশের
এক সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সায়ন্তিকার বিয়ের বিষয়ে কথা বলেন।
অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জী জানান, ভালো পাত্র পেলেই বিয়ে করবেন তিনি। তবে বিয়ের আগে তো পাত্র প্রয়োজন। তিনি তার মায়ের নম্বর সবাইকে দিয়ে দেবেন, যে ইচ্ছুক সে যোগাযোগ করতে পারেন। বর্তমানে বাংলাদেশের এই দুই সিনেমার চরিত্র নিয়ে ব্যস্ত সায়ন্তিকা ব্যানার্জী।
মন্তব্য করুন


১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন সদ্য প্রয়াত অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। তখন তার নামে ৩৬টি মামলায় হয়। ছাত্র রাজনীতিতে তিনি তখন বেশ সক্রিয়, সিনেমা অভিনয় নিয়ে কোনো ভাবনাই ছিল না তার।
তবে একের পর এক যখন মামলা হতে থাকল তখন তার বন্ধুরাই বলল, ‘সিনেমায় ঢুকে যাও।’ সেই ঘটনার বিবরণ দিয়ে ফারুক বিবিসি বাংলাকে বলেছিলেন, ‘আমার নামে হয়রানিমূলক ৩৬টি মামলা হয়। এগুলো থেকে বাঁচার জন্য আমার কিছু বন্ধুবান্ধব বলে, চলচ্চিত্রে ঢুকে যাও। এরপরই চলচ্চিত্রে আসি।’
ফারুকের প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’। ছবিটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘১৯৬৮ সালে ছবিটির শুটিং শুরু হয় কিন্তু মুক্তি পায় ১৯৭১-এ। মুক্তির তারিখ ২৫-এ মার্চ বা এর দুই কী তিন দিন আগে, ঠিক মনে নেই। ছবিতে আমার সহকর্মী ছিলেন কবরী। বলা যায়, আমার সিনেমাজীবন শুরুই হয় কবরীর সঙ্গে।’
সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পীদের পারিশ্রমিক নিয়েও আক্ষেপ করতে শোনা যায় অভিনেতাকে। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই তিনি জানান প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’র পারিশ্রমিক কত ছিল। ফারুক বলেন, ‘আমাকে যথাযথ সম্মান ও সম্মানী দেওয়া হয়নি। আমাকে প্রথম ছবিতে পাঁচ শ টাকা দেওয়া হয়েছিল।’
বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘আলোর মিছিল’, ‘সুজন সখী’, ‘লাঠিয়াল’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘মাটির মায়া’, ‘নয়নমনি’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপি এখন ট্রেনে’, ‘নাগরদোলা’, ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘কথা দিলাম’, ‘মাটির পুতুল’, ‘সাহেব’, ‘ছোট মা’, ‘এতিম’, ‘ঘরজামাই’, ‘মিয়া ভাই’র মতো অসংখ্য সিনেমায়।
ফারুক তার অভিনয়ের জন্য ১৯বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে মনোনীত হয়েছিলেন। কিন্তু তার হাতে পুরস্কার উঠেছিল কেবলই একবার। অবশ্য ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। অভিনয়ের বাইরে তিনি ঢাকা ১৭ আসনের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।
মন্তব্য করুন


দুই
বছর আগেই চিত্রনায়িকা আঁচল আঁখি বিয়ে করেছেন। নায়িকা নিজেই সম্প্রতি সেই খবর প্রকাশ্যে
এনেছেন । তার স্বামী সৈয়দ অমি একজন গায়ক। মিউজিক্যাল ফিল্মে কাজের সুবাদে পরিচয় তাদের।
এরপর ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করেন তারা।
অমির
সঙ্গে পরিচয়ের ফিরিস্তি দিতে গিয়ে আঁচল জানান, ‘ও জান রে’ শিরোনামে একটি গানের ভিডিও
চিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে অমির সঙ্গে পরিচয় তার। গানে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি মডেলও হয়েছিলেন
অমি। অমির সঙ্গে তার অল্প পরিচয়েই হয়েছে বিয়ে। ‘ও জান রে’ গানটি রিলিজের পর সেটির এডিটিং
মুগ্ধ করে আঁচলকে। ধন্যবাদ জানাতে তিনি ফোন করেন অমিকে। তখনই নায়িকাকে ট্রিট দেওয়ার
প্রস্তাব দেন গায়ক।
এক
সপ্তাহ পর একটি রেস্তোরাঁয় আঁচল-আমির দেখা হয়। তখন আঁচলকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেন
অমি। আঁচল এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অমির বাড়ি কুমিল্লায়। কুমিল্লার ছেলেদের অনেক
সাহস, আমি একটা নায়িকা, আমাকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। আমি শুনে অবাক হয়েছিলাম।
তখন
আঁচল অমিকে বলেছিলেন, ‘প্রেম নয়, বন্ধুত্ব নয় সরাসরি বিয়ে প্রস্তাব, কত বড় সাহস তোমার?
আমরা তো বন্ধু হতে পারি। প্রেম হওয়ার মতো হলে পরে হবে। উত্তরে অমি জানায়, সে আঁচলকে
অনেক আগে থেকেই পছন্দ করে। তার সিনেমার ভক্ত। এ ছাড়াও সব কিছু জেনে বুঝে নিয়ে তার পরিবারের
সঙ্গে কথা বলতে আঁচলকে অনুরোধ করেন অমি।
চিত্রনায়িকা
আঁচল জানান,পরিবারের সদস্যদের সিদ্ধান্তের পরই বিয়েটা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


এই ছবিগুলো প্রকাশের পরই
ভক্তদের নানা
রকমের
মিশ্র
প্রতিক্রিয়া দেখা
যায়। অভিনেত্রীর খোলামেলা রূপের ছবি জন্য
আক্রমণ
করেও
মন্তব্য করেছেন। কিন্তু নুসরাত ফারিয়া
তাদের
কারও
মন্তব্যেরই জবাব
দেননি।
মন্তব্য করুন


রাশিয়ার বেলগোরোডের ইয়ানা বোভরোভা এক নারী উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি শরীরের গড়ন নিয়ে তার স্বামী তাকে বলেছিলেন, ‘তুমি খুব মোটা হয়ে যাচ্ছ। গালের মাংস ঝুলে যাচ্ছে।’ স্বামীর এ কথা ভালো লাগেনি ইয়ানার। ওই মন্তব্য শোনার পর থেকেই নিজের চেহারা নিয়ে সন্দিহান হয়ে ওঠেন তিনি।
রাশিয়ার টিভি চ্যানেলের এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, চেহারা নিয়ে স্বামীর মন্তব্য তার ভালো লাগেনি। ফলে চেহারায় কিভাবে সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেন তিনি। প্রথমেই নিয়মিত জিম করে শরীরের মেদ কমানোর কাজ শুরু করেন ইয়ানা। একই সাথে দিন দিন নিজের খাবারের পরিমাণও কমিয়ে দেয়া শুরু করেন তিনি।
ইয়ানা জানান, তার খাবারের তালিকা থেকে অনেক কিছু বাদ দিয়েছেন। তার খাবারের তালিকায় ছিল বিস্কুট, চা, ক্যান্ডি, এক টুকরো চিজ, অর্ধেক গ্লাস স্যুপ।
এভাবে দিনের পর দিন জিম ও খাবারের তালিকায় অসামঞ্জস্যে দ্রুত ওজন কমতে থাকে ইয়ানার। একটা সময় তার ওজন ২২ কেজিতে পৌঁছায়। এরপরই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
চিকিৎসকেরা জানায়, ইয়ানার শরীর ঠিকমতো খাবার না পাওয়ায় ভেতর থেকে খোকলা হয়েছে। যেন শরীর শরীরকেই খেতে শুরু করেছিল।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
মন্তব্য করুন


হিরো
আলম এখন অভিনয় নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার তাকে দেখা যাবে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য
চলচ্চিত্রে প্রতিবাদী রিকশা চালকের ভূমিকায়। এ চলচ্চিত্রটির নাম ‘আয়না’।
স্বল্পদৈর্ঘ্য
এ চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে হিরো আলম বলেন, এ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের গল্পটি খুব ভালো।
আমি এতে প্রতিবাদী রিকশা চালকের ভূমিকায় অভিনয় করছি। এখন শুটিং চলছে উত্তরায়। আমি এখনো
অভিনয়টা শিখতে চেষ্টা করছি। একদিনে তো সম্ভব নয়, দীর্ঘদিন ধরে অনুশীলনের মাধ্যমে অভিনয়
শিখতে হয়। এর আগে আমি কবিতা আবৃত্তির ওপর প্রশিক্ষণ নিয়েছি। উচ্চারণের সমস্যা কিছুটা
অতিক্রম করেছি।
হিরো
আলম সম্প্রতি ‘বাদশা দ্য কিং’ সিনেমার শুটিং শেষে করছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সোশ্যাল মিডিয়া টিকটকের বার্ষিক আয়োজন ইয়ার অন টিকটক-২০২৩ উদযাপিত হয়েছে।
আয়মান সাদিক ও মুনজেরিন শহীদ দম্পতি ভিডিও তৈরিতে বর্ষসেরা ক্রিয়েটরের পুরস্কার পেয়েছেন । দুই ক্যাটাগরিতে তারা দুজনে বর্ষসেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন ।
শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে এক আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে “ইয়ার অন টিকটক-২০২৩” অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। দেশের অনেক পরিচিত ভিডিও নির্মাতারা উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে।
ভিডিও ক্রিয়েটরদের বিভিন্ন শ্রেণিতে ইয়ার অন টিকটক-২০২৩ পুরস্কার দেয়া হয়। ক্রিয়েটর অব দ্য ইয়ার ২০২৩ পুরস্কার পেয়েছেন টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক আর এডুকেশন বা শিক্ষণীয় ভিডিও শ্রেণিতে পুরস্কার জিতেছেন মুনজেরিন শহীদ।
এছাড়া, স্পোর্টস শ্রেণিতে নিয়ন অন, ফ্যাশন ক্রিয়েটর অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে স্টাইল হাট। ফুড ক্রিয়েশনে ফুডখোর, ব্যতিক্রমধর্মী ভিডিওর জন্য আমার বাংলাদেশ শ্রেণিতে দ্য মাহিম মেইকস, লং ফর্ম কনটেন্ট ক্রিয়েটর শ্রেণিতে রবিন রাফান পুরস্কার পেয়েছেন। বিউটি ক্রিয়েশন অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছে লাইফ ইজ মেও এবং বেস্ট ইউজ অব লোকেশন ট্যাগিং বিভাগে পুরস্কার জিতে নিয়েছেন তানহা ইসলাম।
চলতি বছর এই আয়োজনের জন্য ১২ জানুয়ারি থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত টিকটক অ্যাপের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ চলে।
এখানে টিকটক ক্রিয়েটর অ্যাওয়ার্ডস অপশনে মোট ৮টি ক্যাটাগরিতে ভোট নেয়া হয়। পুরস্কারের জন্য মনোনীতরা এতে প্রায় ১ মিলিয়নেরও বেশি ভোট পেয়েছিলেন।
মন্তব্য করুন


সংসদ সদস্য পদ থেকে ‘পদত্যাগ’ করেছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিধানসভায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছেন তিনি। যদিও মমতা এখনও সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। বিষয়টি জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী নিজেই।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, আজ বিধানসভায় মমতা বক্তব্য দেওয়ার সময় তার কক্ষে ঢোকেন মিমি। কিছুক্ষণ পর ওই কক্ষে ঢোকেন তৃণমূলের দুই তারকা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী এবং জুন মালিয়া। বক্তব্য শেষ হলে নিজের কক্ষে যান মমতা। তারপর তিনি মিমি এবং বাকিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক থেকে বের হয়ে মিমি বলেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে এমপি পদ থেকে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। তবে মমতা এখনো সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলে তিনি ভারতীয় লোকসভার স্পিকারের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র দিয়ে আসবেন।
সম্প্রতি সংসদের দুটি স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছে মিমি। সংসদের শিল্পবিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। ছিলেন কেন্দ্রীয় শক্তি মন্ত্রণালয় এবং নবীন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের যৌথ কমিটির সদস্যও। এই দুটি পদ থেকেই তিনি পদত্যাগ করেন।
এরপর জানা যায়, যাদবপুর লোকসভার অধীন নলমুড়ি এবং জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারপারসন পদও ছেড়ে দিয়েছেন মিমি। তারপর থেকেই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে জল্পনা শুরু হয়।
প্রশ্ন উঠেছে, ২০২৪ সালে যাদবপুর থেকে আবারও কি প্রার্থী হবেন মিমি? নিজের ধারাবাহিক পদত্যাগ প্রসঙ্গে অবশ্য এর আগে তিনি মুখ খোলেননি। আজ জানিয়ে দিলেন, আর এমপি থাকতে চান না তিনি। মিমি বলেন, আমার যা বলার ছিল, দিদিকে (মমতা) বলেছি। অনেকে বলছিলেন, আমি পরবর্তী টিকিট পাকা করার জন্য এটা করছি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতি আমার জন্য নয়।
এর ব্যাখ্যা দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, রাজনীতি করলে আমার মতো মানুষকে গালাগালি দেওয়ার লাইসেন্স পেয়ে যায় লোকে। মিমি চক্রবর্তী যদি খারাপ কিছু করত, সবার আগে শিরোনামে উঠে আসত। আমি জেনে জীবনে কারও কোনো ক্ষতি করিনি। আমি রাজনীতিক নই। কখনো রাজনীতিক হবো না। সবসময় আমি মানুষের জন্য কর্মী হিসাবে কাজ করতে চেয়েছি। আমি অন্য দলের কারও বিরুদ্ধেও কখনো খারাপ কথা বলিনি।
মন্তব্য করুন