

নতুন বছরের শুরুতেই বিয়ে করলেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আরমান মালিক। দীর্ঘদিনের প্রেমিকা আশনা শ্রফের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি।
সামাজিকমাধ্যমে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে নিজেই সুখবরটি জানিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে আরমান লেখেন, ‘তু হি মেরা ঘার (তুমিই আমার ঘর)’।
২০২৩ সালের আগস্ট মাসে বাগদান সেরেছিলেন আরমান মালিক ও আশনা শ্রফ। তাদের বাগদানের ছবিতেও মুগ্ধ হয়েছিলেন অনুরাগীরা। বিয়েতেও সেই ধারা বজায় থাকল। দিনের আলোয় পালিত হলো বিবাহ অনুষ্ঠান।
বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন, দুজনের পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরা।
মন্তব্য করুন


হিমু, কুমিল্লা:
ভালোবাসার আরেক নাম আমাদের সালমান শাহ্ । স্বপ্নের নায়ক "সালমান শাহ্"এর মৃত্যুর ২৭ বছর পূর্ণ হলো আজ ৬ সেপ্টেম্বর। সালমান শাহ্ এর মৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা। দেখতে দেখেতে ২৭ বছর পেরিয়ে গেলো সালমান নেই। ১৯৯৬ সালের আজকের এই দিনে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ্। সালমানের মতো অভিনেতার অকাল মৃত্যু সত্যিই আমাদের জন্য অনেক বেদনার, অনেক কষ্টের।
বাংলাদেশের রোমান্টিক চলচ্চিত্রের ধ্রুবতারা, অমর কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহ্ আমাদের চলচ্চিত্র জগতে নুতন এক স্পন্দন জাগিয়ে তুলতে পেরেছিলেন।
আজও অবধি সিনেমাপ্রেমীদের অন্তরে দীর্ঘশ্বাসের সাথে উচ্চারিত হয় সালমান শাহ্ এর নাম । কেননা সালমান শাহ্ পরবর্তী সময়ে যারা চলচ্চিত্রে নায়ক হওয়ার জন্য এসেছেন তারা প্রত্যেকেই বলেছেন, এখনো - সালমান শাহ্ -ই ছিলেন তাদের অনুপ্রেরণার প্রধান উৎস।
আমাদের চলচ্চিত্র জগতের স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ যুগ যুগ বেঁচে থাকবেন চলচ্চিত্র প্রেমিদের হৃদয়ে। তার প্রকৃত নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। আমাদের রুপালি পর্দায় তিনি সালমান শাহ্ নামেই পরিচিত।
জনপ্রিয় একটি হিন্দি সিনেমার অফিশিয়াল রিমেক ছিল 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত'। সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরে ১৯৯২ সালে 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' সিনেমার মাধ্যমে ধূমকেতুর মতোই নায়ক রূপে ঢালিউড চলচ্চিত্র জগতে উদিত হয়েছেন সালমান শাহ্।
এ সিনেমা মুক্তির পর রাতারাতি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেন সালমান শাহ্ । এরপরে আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক নুতন ছবিতে অভিনয় করে চলচ্চিত্রের জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। সালমানের এই অভিযাত্রা ছিল যেন " এলাম, পা- রাখলাম, জয় করলাম এর মতো।
পর্দায় সালমান শাহ্ এর উপস্থিতি, পোশাক-পরিচ্ছেদ, সংলাপ বলার ধরন, হাঁটা কিংবা অভিনয় দক্ষতা সবকিছু মিলিয়ে দর্শকের মনে স্থান করে নিতে এতোটুকু সময় লাগেনি এ স্বপ্নের নায়কের। সালমান শাহ্ খুব তাড়াতাড়ি হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের তরুণদের ফ্যাশন আইকন।
বাংলা সিনেমার মাধ্যমে সালমান শাহ্ যে স্টাইল তৈরি করে গেছেন, এখন পর্যন্ত সেটা থেকে কেউ বের হতে পারেনি।
সালমান শাহ্ এর মাথায় রুমাল কিংবা চোখে গোল কালো ফ্রেমের চশমা। বড় শার্ট গিট্টু দিয়ে বেধে রাখা, মাথায় গামছা বাঁধা কিংবা তার স্টাইলিশ টুপি। যুগ যুগ দর্শক তা মনে রাখবে। টি শার্ট, সামনের দিকে ইন করে রাখলেও, পিছনের দিকে একটু খুলে রাখা, দাঁত দিয়ে নখ কাঁটা, চারকোণা সানগ্লাসের ট্রেন্ড ভেঙ্গে, গোল বা ওভাল সানগ্লাস পরা শুরু করা, মিলাদে বা, কারও জানাজায় পকেটে টুপি থাকা সত্ত্বেও রুমাল গিট্টু মেরে মাথায় পরা, স্নিকারস বা ক্যানভাস সু , কালো জুতার সাথে সাদা মোজা পরা, প্যান্টের বেল্টের ফুঁটা থেকে দ্বিগুণ তিনগুন সাইজে বড় গলার মেডেলের মত বড় বাকেলসেরওয়ালা বেল্ট পরা, ডায়াল নিচের দিকে দিয়ে হাত ঘড়ি পড়া, মাঝে মাঝে ডান হাতে ঘড়ি পরা, একটু পর পর চশমায় হাত দেয়া, তার এরকম হাজারটা স্টাইল আছে যা বলে শেষ করা যাবে না।
সালমান শাহ্ এই স্টাইল থেকে কি প্রজন্ম এখনো বের হতে পারছে? সেটা হয়তো সময় বলে দেবে। সালমান শাহ্ এর জন্ম হয়েছিল আমাদের চলচ্চিত্র জগতে ইতিহাস সৃষ্টি করার জন্য, তিনি তা করতেও পেরেছিলেন।
সালমান শাহ্ ধুমকেতুর মতো ক্ষণিকের চলচ্চিত্র জগতের অবস্থানে মাত্র ৩ বছরের তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের উপহার দিয়েছেন ২৭ টি ব্যবসা সফল ছবি।
আজও কৌতূহলী মানুষের মনে প্রশ্ন, সালমান শাহ্ এর বিশেষত্ব কী ছিল? কেন তিনি এতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন দর্শক হৃদয়ে? কেন মৃত্যুর দুই যুগ পরেও তাঁর জনপ্রিয়তা আজও ম্লান হয়নি এতোটুকুও কমেনি?
পৃথিবীতে বেঁচে থাকলে সালমান শাহ্ এর বয়স হতো এখন ৫২ বছর। সালমান শাহ্ এখন আর পৃথিবীতে নেই। তাঁর মৃত্যুতে এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি।
হয়তো স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ এর জন্ম হয়েছিল চলচ্চিত্র জগতে ক্ষণিকের বিচরণে উনার কারিশমাটিক অভিনয়ের সৃজনশীলতায় এমনি করে দর্শকের হৃদয়ে বেঁচে থাকার জন্য।
এই দেশের চলচ্চিত্র প্রেমীরা যত দিন বেঁচে থাকবে, সালমান শাহ্ তত দিন বেঁচে থাকবেন তাদের হৃদয়ে। নায়ক হিসেবে মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও এমন অর্জন পৃথিবীর বুকে আর কারোও নেই। আজকের এই দিনে সালমান শাহ্ কে গভীর ভালোবাসা। আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসীব করুন।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব মা দিবসে অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে অঝোরে কাঁদলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।
সন্তানদের কৃতিত্বের জন্য বিশ্ব মা দিবসে শোবিজ ও বিভিন্ন অঙ্গনের ১১ রত্নগর্ভাকে ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
রোববার (১২ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
এদিন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর মা গাজালা চৌধুরীকেও পুরস্কৃত করা হয়।
এসময় নিজের মাকে সম্মানিত হতে দেখে অঝোরে কাঁদতে থাকেন মেহজাবীন। এরপর মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন মেহজাবীন।
অভিনেত্রী মেহজাবীন বলেন, নিজের কাজের জন্য মাকে সম্মানিত হতে দেখার আনন্দটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার মনে হয়, প্রত্যেকটা সন্তানই যখন তার মা সম্পর্কে কথা বলতে যায় তখন সবার চোখেই পানি চলে আসে। আজকে আমার যে অবস্থান তার পেছনে আমার মায়ের অবদান অনেক। আমাকে এখানে আসতে সহযোগিতা করতে গিয়ে মা যে কতটা ত্যাগ করেছেন সেটা হয়ত আমি এখানে বলতে পারব না! সেই ত্যাগের কথা বলে তাকে ছোট করতে চাই না এই মঞ্চে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


দুই
বছর আগেই চিত্রনায়িকা আঁচল আঁখি বিয়ে করেছেন। নায়িকা নিজেই সম্প্রতি সেই খবর প্রকাশ্যে
এনেছেন । তার স্বামী সৈয়দ অমি একজন গায়ক। মিউজিক্যাল ফিল্মে কাজের সুবাদে পরিচয় তাদের।
এরপর ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করেন তারা।
অমির
সঙ্গে পরিচয়ের ফিরিস্তি দিতে গিয়ে আঁচল জানান, ‘ও জান রে’ শিরোনামে একটি গানের ভিডিও
চিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে অমির সঙ্গে পরিচয় তার। গানে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি মডেলও হয়েছিলেন
অমি। অমির সঙ্গে তার অল্প পরিচয়েই হয়েছে বিয়ে। ‘ও জান রে’ গানটি রিলিজের পর সেটির এডিটিং
মুগ্ধ করে আঁচলকে। ধন্যবাদ জানাতে তিনি ফোন করেন অমিকে। তখনই নায়িকাকে ট্রিট দেওয়ার
প্রস্তাব দেন গায়ক।
এক
সপ্তাহ পর একটি রেস্তোরাঁয় আঁচল-আমির দেখা হয়। তখন আঁচলকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দেন
অমি। আঁচল এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অমির বাড়ি কুমিল্লায়। কুমিল্লার ছেলেদের অনেক
সাহস, আমি একটা নায়িকা, আমাকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। আমি শুনে অবাক হয়েছিলাম।
তখন
আঁচল অমিকে বলেছিলেন, ‘প্রেম নয়, বন্ধুত্ব নয় সরাসরি বিয়ে প্রস্তাব, কত বড় সাহস তোমার?
আমরা তো বন্ধু হতে পারি। প্রেম হওয়ার মতো হলে পরে হবে। উত্তরে অমি জানায়, সে আঁচলকে
অনেক আগে থেকেই পছন্দ করে। তার সিনেমার ভক্ত। এ ছাড়াও সব কিছু জেনে বুঝে নিয়ে তার পরিবারের
সঙ্গে কথা বলতে আঁচলকে অনুরোধ করেন অমি।
চিত্রনায়িকা
আঁচল জানান,পরিবারের সদস্যদের সিদ্ধান্তের পরই বিয়েটা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চঞ্চল চৌধুরী আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের তৈরি করা ছবিতে এবার সুপারহিরো হলেন । আজ নিজেই পোস্ট করেছেন নিজের সেই ছবি।
‘এমন যদি হতো…’, কথাটি লিখেই নিজের এই ছবি পোস্ট করেছেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা।
প্রথম ঝলকে কিন্তু অভিনেতাকে চেনাই দায়। তবে একটু ভাল করে দেখলে বোঝা যাবে এ চেহারা চঞ্চল চৌধুরীর। এ আই-এর জাদুকাঠির ছোঁয়ায় যার দুটি ডানা হয়েছে।
অভিনেতার এই ছবি তৈরি করেছেন জনপ্রিয় গায়িকা আঁখি আলমগীর। উপহার হিসেবে পেয়েছেন নিজের এই নতুন রূপ। বিয়ষটি জানিয়েছেন চঞ্চল নিজেই।
চঞ্চল চৌধুরীর এই রূপ দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। ‘দারুণ হতো! হতেই পারে!’, ‘অসম্ভব সুন্দর মানিয়েছে দাদা’- এমন মন্তব্যে ভরা তার কমেন্ট বক্সে। কারও কারও আবার অভিনেতার ন্যাচরাল লুকই পছন্দ। তাদের মতে, ‘আপনি যেমন তেমনি ভালো। ’
একজন আবার গ্লোবাল সিনেমা তৈরি করার পরামর্শও দিয়েছেন। কেউ আবার লেখেন, ‘আপনি যে আয়নাবাজি আমাদের উপহার দিয়েছেন তা আর কম কিসে?’
নির্দিষ্ট কিছু চরিত্রের মধ্যে বন্দী না রেখে ক্রমাগত নিজেকে ছড়িয়ে দেওয়া চঞ্চল চৌধুরীর কাজের জন্য এখন মুখিয়ে থাকেন অনেক দর্শকরা। কারণ, তারা জানেন যে এই অভিনেতা তাদের ।
শিগগিরই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির ‘পদাতিকে’ এ দেখা যাবে তাকে। বরেণ্য নির্মাতা মৃণাল সেনের লুকে চঞ্চল চৌধুরীকে দেখে ইতিমধ্যেই হইচই পড়ে গেছে দুই বাংলায়। নির্মাতা-প্রযোজকের ইচ্ছে- সিনেমাটি একসঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশে মুক্তি দেওয়ার।
মন্তব্য করুন


চাষী
আলম এত দিন ব্যাচেলর দলে থাকলেও এবার ছাদনাতলায় বসতেই হলো। ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নাটকে
অভিনয় করে আলোচনায় আসেন ‘হাবু ভাই’ খ্যাত অভিনেতা চাষী আলম।
শুক্রবার
রাতে রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠান শেষে কনেকে ঘরে তুলেছেন চাষী আলম অর্থাৎ মাহবুবুর
রহমান চাষী । কনের নাম তুলতুল মোহনা।
২৪
আগস্ট বৃহস্পতিবার ছিল তার গায়ে হলুদ। ২৫ আগস্ট শুক্রবার গুলশানের একটি রেস্তোরাঁয়
বসবে তার বিয়ের আসর। পাত্রী তুলতুল ঢাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে পড়ছেন।
এবার
চাষী আলম জানালেন স্ত্রীও তাকে ‘হাবু ভাই’ বলে ডাকেন। শ্বশুর-শাশুড়ি দুজনই আমার অভিনয়ের
ভক্ত। বউ আমাকে “হাবু ভাই” বলে ডাকে। ওপরওয়ালা তুলতুলকে আমাকে মিলিয়ে দিয়েছে। আমার
বউটা লক্ষ্মী। সে খুবই আধুনিক এবং স্টাইলিস্ট। আমার মনে মতো। তুলতুলের চুল ও চোখ বেশি
পছন্দ আমার। ওর চোখে গভীর মায়া আছে।
মন্তব্য করুন


টলিউডের
জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি বড় দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গেলেন। অভিনেত্রীর বাড়িতে
আগুন লেগে গিয়েছিল। তবে তার ও পরিবারের কারো ক্ষতি হয়নি। এই বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে
জানিয়েছেন অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি।
অভিনেত্রী
পূজা ব্যানার্জি জানিয়েছেন, গ্যাস সিলিন্ডার লিক করে আগুন লেগে যায় তার বাড়িতে। তবে
বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন পূজা ও তার পরিবার।
তবে
একাধিক ভারতীয় প্রতিবেদন অনুসারে, বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে।
ইনস্টাগ্রাম
স্টোরিতে পূজা লিখেছেন, একটুর জন্য আজ বেঁচে গেলাম। বাড়িতে আগুন লেগে গিয়েছিল। ভগবানের
অশেষ কৃপা যে আমাকে আর আমার পরিবারকে এই মারাত্মক দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করেছে।
টলিউডের একসময়ের ব্যস্ত
অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি অনেক দিন বড় পর্দা থেকে দূরেই ছিলেন। বাংলার পাশাপাশি হিন্দি
ছবিতেও কাজ করেছেন পূজা।
মন্তব্য করুন


বঙ্গবন্ধুর
জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ এ টিক্কা খানের চরিত্রে অভিনয়
করেছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। এবার সেই টিক্কা খান রূপে জায়েদের লুক প্রকাশ হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের সময়
টিক্কা খান পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান সামরিক শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
তখন তিনি নিরস্ত্র নিরীহ বাঙালিদের ওপর খান সেনাদের নিষ্ঠুর সামরিক হামলা পরিচালনা
করেন। এজন্য তাকে ‘বাংলার কসাই’ বলা হয়ে থাকে।
চিত্রনায়ক জায়েদ খান
বলেন, এটি আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি। আমি একটি ইতিহাসের সঙ্গে নাম লেখালাম। এতে
অভিনয়ের জন্য আমি মুম্বাইতে অডিশন দিতে গিয়েছিলাম। তখনই চূড়ান্ত হয়েছিলাম। কিন্তু
চুক্তি ছাড়া কোনো খবর দেওয়া নিষেধ ছিল। টিক্কা খানের চরিত্রে অভিনয় করছি।
শ্যাম বেনেগালের
পরিচালনায় চলচ্চিত্রটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন আরিফিন
শুভ, নুসরাত ইমরোজ তিশা, দিলারা জামান, তৌকীর আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, নুসরাত ফারিয়া,
সঙ্গীতা চৌধুরী, সাবিলা নূর, খায়রুল আলম সবুজ, ফজলুর রহমান বাবু সহ আরো অনেকে।
১৩ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায়
টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভালে বাণিজ্যিক প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হচ্ছে
‘মুজিব’ চলচ্চিত্রটির। আরিফিন শুভ, নুসরাত ইমরোজ তিশা, নুসরাত ফারিয়াসহ উৎসবে বেশ
কয়েক জন সরকারি কর্মকর্তাদেরও যোগ দেওয়ার কথা।
মন্তব্য করুন


খ্যাতনামা গজল গায়ক পঙ্কজ উদাস মারা গেছেন।
পঙ্কজ উদাসের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে নায়াব উদাস। তিনি বলেছেন, গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি, পদ্মশ্রী শিল্পী পঙ্কজ উদাস ২৬ ফেব্রুয়ারি মারা গেছেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি।
পঙ্কজ উদাস ভারতের গুজরাটে জন্মগ্রহণ করেন। মূলত গজল গায়ক হিসেবে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। ১৯৮০ সালে ‘আহত’ শিরোনামের গজল অ্যালবাম প্রকাশের মাধ্যমে তিনি তার সংগীত দুনিয়ায় পা রাখেন।
পঙ্কজ উদাসের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত কয়েকদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না।
তার সঙ্গীত জীবনের বিস্তার চার দশকেরও বেশি সময়। ৮০'র দশককে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন পঙ্কজ।
চান্দি জ্যায়সা রঙ্গ, না কাজরে কি ধার, দিওয়ারো সে মিল কর রোনা, আহিস্তা,থোড়ি থোড়ি প্যার করো, নিকলো না বেনাকাব— পঙ্কজ উদাসের গাওয়া অসাধারণ সব গজল আজও শ্রোতাদের মনের রসদ। নশা, পয়মানা, হসরত, হামসফর-এর মতো বেশ কয়েকটি বিখ্যাত অ্যালবামও রয়েছে তার ঝুলিতে।
মন্তব্য করুন


আজ
৬ জানুয়ারি, আলিঙ্গন দিবস। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে দিনটি উদযাপন করা হয়। কিন্তু কবে
কীভাবে এই দিবসের শুরু হয়েছিল, তা জানা যায়নি। তবে আলিঙ্গন কেবল প্রেমিক-প্রেমিকা বা
স্বামী-স্ত্রীর রোমান্টিক আলাপে সীমাবদ্ধ নয়। তীব্র শীতে কষ্ট পাওয়া শীতার্ত মানুষের
মধ্যে আলিঙ্গনের উষ্ণতা ছড়িয়ে দিতে এ দিবসের শুরু।
কেবল
রোমান্টিক সম্পর্ক নয় আন্তরিক যেকোনো সম্পর্কে আলিঙ্গন এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জাঁকিয়ে
বসা শীতে আলিঙ্গন যেমন উষ্ণতা জোগায়, তেমন এর ভিন্ন উপকারিতাও আছে।
আলিঙ্গন
মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। গবেষণা বলছে, প্রীতিপূর্ণ
আলিঙ্গন রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। কমায় রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি। নানা রকম শারীরিক
ব্যথাও দূর করে। আলিঙ্গনে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। এর মাধ্যমে নির্গত হয় অক্সিটোসিন
হরমোন, যার ফলে মানসিক অবসাদ কমে গিয়ে সুখানুভূতি তৈরি হয়। কমে দুশ্চিন্তা, আসে স্বস্তি।
শীতের
এই তীব্রতার সময়ে আপনি চাইলে উষ্ণতা নিয়ে দাঁড়াতে পারেন শীতে কাবু হওয়া মানুষদের পাশে।
তাদের জন্য করতে পারেন শীত কাপড়ের ব্যবস্থা।
মন্তব্য করুন