

২১ ফুট পানির নিচে ফটোশুট করেন এক তরুণী। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠেছে মডেল সিয়ারা আন্তোস্কি। শুধু সিয়ারা আন্তোস্কি নয়, একসাথে তার ফটোগ্রাফার স্টিভেন হেইনিং এই রেকর্ড অর্জন করেন। কানাডার অন্টারিওর টোবারমোরির কাছে পৃষ্ঠের ২১ ফুট নিচে একটি শ্যুট সম্পন্ন করেন তারা। এজন্য সময় নেন মাত্র ১৬ মিনিট। যদিও এই পুরো ফটোশুট প্রক্রিয়া শেষ করতে কয়েক মাস লেগেছিল। এমন একটি ফটোশুট করার ধারণা স্টিভেনের মাথায় আসে কোভিড-১৯ এর সময়। ২০২১ সালের ২১ জুন কানাডার অন্টারিওর টোবারমোরিতে ফ্যাথম ফাইভ ন্যাশনাল মেরিন পার্কের লেকের ২১ ফুট বা ৬.৪০ মিটার নিচে ফটোশুট করেন। শুটের আগের দিন পানির নিচে জাহাজের ধ্বংসাবশেষের কাছে গিয়ে কয়েকবার অনুশীলন করেন আন্তোস্কি ও স্টিভেনে। সেদিন আন্তোস্কি ৩০ মিনিট পানির তলায় ছিলেন। পানির এতটা গভীরে ফটোশুট করেছেন এমন ব্যক্তি তারাই প্রথম। স্টিভেন ইচ্ছা পানির ১০০ ফুট নিচে ফটোশুট করার। এজন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অবশ্য এর আগে বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণ নিতে হচ্ছে তাকে।
সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড
মন্তব্য করুন


ঢাকায়
এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম বিষয়ক একটি
প্রতিনিধি দল।
আজ শুক্রবার (২২ নভেম্বর) প্রতিনিধি দল ঢাকায় পৌঁছেছে।
মার্কিন
প্রতিনিধিদল আগামী
২২-২৫
নভেম্বর ঢাকা
সফর করবে।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্তর্জাতিক শ্রম
বিষয়ক বিশেষ
প্রতিনিধি কেলি
এম ফে
রদ্রিগেজ। এছাড়া
রয়েছেন শ্রম
বিভাগের ডেপুটি
আন্ডার সেক্রেটারি থিয়া লি।
ঢাকা
সফরের প্রথম
দিনে বাংলাদেশের শ্রমিক সংগঠন সলিডারিটি সেন্টারের নেতাদের সঙ্গে
বৈঠক করেছেন
তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, সফরকালে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকর্তা, বেসরকারি খাতের পোশাক শ্রমিক এবং
শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে দেখা
করবেন।
প্রতিনিধি দলটি তৈরি পোশাক
খাতে বিনিয়োগ করা আমেরিকান কোম্পানির প্রতিনিধি এবং বৈশ্বিক
শ্রম বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনীতি, গণতন্ত্র এবং শ্রমিকদের কীভাবে সর্বোত্তমভাবে সহায়তা
করা যায়
সে বিষয়ে
আলোচনা করবে।
এ সফর অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত
শ্রমের মান,
সে সঙ্গে
টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং ব্যাপকভাবে ভাগাভাগি করা সমৃদ্ধির উন্নতি-অগ্রগতির জন্য
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতির ওপর জোর
দেয়।
মন্তব্য করুন


সেসনা- ২০৬ বিমান ১ মে ভোরে ইঞ্জিন ত্রুটির কারণে কলম্বিয়ার ক্যাকেটা রাজ্যের সোলানোর জঙ্গলে বিধ্বস্ত হয়।
বিমানটিতে ৭ জন আরোহী ছিল। বিমানটি আমাজোনাস প্রদেশের আরাকুয়ারা এবং গুয়াভিয়ার প্রদেশের শহর সান জোসে দেল গুয়াভিয়ারের একটি রুটে যাচ্ছিল। ওই সময় বিধ্বস্ত হয়।
দুর্ঘটনায় পাইলটসহ তিনজন প্রাপ্তবয়স্ক মারা যান। তাদের মৃতদেহগুলো বিমানের ভেতরেই পাওয়া যায়। ১৩, ৯ এবং ৪ বছর বয়সী শিশু এবং সেইসঙ্গে ১২ মাস বয়সী আরো একটি শিশু দুর্ঘটনায় বেঁচে গিয়েছিল। তারা পরে জঙ্গলে হারিয়ে যায়।
উদ্ধারকারীরা কুকুরের সাহায্যে অনুসন্ধান চালায়। তারা জঙ্গলের মাঝে গাছপালা দিয়ে তৈরি আশ্রয় খুঁজে পেয়েছিল। ফল খেয়ে শিশুগুলো বেঁচে ছিল। কলম্বিয়ার সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর বিমান ও হেলিকপ্টার উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।
দেশটির রাষ্ট্রপতি পেট্রো প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিলেন, ১৭মে টুইটারে এক বার্তায় শিশুদের পাওয়া গেছে। তবে তথ্য নিশ্চিত না থাকায় পোস্টটি পরে মুছে দেওয়া হয়। পেট্রো শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘শিশুরা জঙ্গলের মাঝখানে নিজেরাই নিজেদের রক্ষা করেছে। তারা একসঙ্গেই ছিল এবং তারা বর্তমানে দুর্বল।’
শিশুদের দাদা নার্সিজো মুকুটুই সাংবাদিকদের বলেছেন, তাদের উদ্ধারের খবরে তিনি আনন্দিত। তিনি বলেন, ‘ইয়ারির জঙ্গলে নিখোঁজ হওয়া আমার নাতি-নাতনিদের দাদা হিসাবে এই মুহুর্তে আমি খুব খুশি।’ উদ্ধার হওয়া শিশুরা হুইটোতো সম্প্রদায়ের। কর্মকর্তারা বলেছন, রেইনফরেস্টে কীভাবে বেঁচে থাকতে হয় সে সম্পর্কে বড় ভাইবোনদের কিছুটা জ্ঞান ছিল। কলম্বিয়ার সেনাবাহিনীর প্রকাশ করা ছবিগুলোতে জঙ্গলের মাঝখানে চার শিশুর সঙ্গে একদল সৈন্যকে দেখা গেছে।
সূত্র : আলজাজিরা
মন্তব্য করুন


ভূমধ্যসাগর দিয়ে নৌকাযোগে ইউরোপ যাত্রাকালে তিউনিসীয় উপকূলে অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া নয়জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস।
শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ত্রিপোলিতে থাকা দূতাবাস জানায়, লিবিয়া উপকূল থেকে ৫২ জনের একদল অভিবাসনপ্রত্যাশী সাগরপথে ইউরোপ যাত্রাকালে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তিউনিসিয়া উপকূলে তাদের বহনকারী নৌকাটিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
পরে তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী নৌকাটি থেকে নয়জনের মরদেহ উদ্ধার করে। জীবিত ফিরিয়ে আনে ৪৩ জনকে।
আর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আর মারা যাওয়া নয়জনের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে।
দূতাবাস আরো জানায়, উদ্ধারকৃত বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে দূতাবাস তিউনিসিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং আইওএমের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। এছাড়া স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎপূর্বক তাদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং মারা যাওয়া বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে দূতাবাসের একটি টিমকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিউনিসিয়া পাঠানোর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে।
পাশাপাশি দূতাবাস বলছে, আইওএমের তথ্যমতে বিভিন্ন দেশের উপকূল হতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ গমনের চেষ্টাকালে ২০২৩ সালে তিন হাজারেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন এবং নিখোঁজ হয়েছেন।
সম্প্রতি ইউরোপের বিভিন্ন দেশ অবৈধ অভিবাসনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করায় লিবিয়া ও তিউনিসিয়ার নৌবাহিনী তাদের নজরদারি জোরদার করেছে। ফলে বর্তমানে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপযাত্রা অত্যন্ত বিপদজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ।
ঝুঁকি নিয়ে এভাবে ইউরোপযাত্রা না করতে বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সতর্ক করেছে দূতাবাস।
এছাড়া লিবিয়ায় কর্মরত-বসবাসরত প্রবাসীদের বর্ণিত বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে অবস্থানরত তাদের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতদেরও সতর্ক করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত (শুক্রবার দিবাগত
রাত ২টা ৫৯ মিনিট) ৪৭ হাজার ৪২০ বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এখন পর্যন্ত
সরকারি-বেসরকারি মোট ১১৯টি ফ্লাইটে তারা সৌদিতে পৌঁছান।
আজ শুক্রবার (১৬ মে) হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব
সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্প ডেস্ক।
হেল্প ডেস্কের তথ্য মতে, ১১৯টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের
৫৯টি, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৪০টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২০টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
এসব ফ্লাইটে এখন পর্যন্ত ৪৭ হাজার ৪২০ বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এর মধ্যে
সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৮৩ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪২ হাজার ৮৩৭ হজযাত্রী
রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৮৬ হাজার ৬৭৮টি ভিসা ইস্যু করা হয়েছে।
চলতি বছর হজ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। এর মধ্যে ছয়জন পুরুষ
ও একজন নারী। নিহতরা হলেন, জামালপুর বকশীগঞ্জের হাফেজ উদ্দিন (৭৩), রাজবাড়ীর খলিলুর
রহমান, কিশোরগঞ্জের মো. ফরিদুজ্জামান, পঞ্চগড়ের আল হামিদা বানু, ঢাকার মোহাম্মদপুরের
মো. শাহজাহান কবীর, নীলফামারির ফয়েজ উদ্দীন (৭২) ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার অহিদুর
রহমান (৭২)।
মন্তব্য করুন


আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড.
আসিফ নজরুল জানিয়েছেন তিনি বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের শোষণ, পাসপোর্ট ও এনআইডি প্রাপ্তি
এবং ব্যাংকে টাকা স্থানান্তর ও টাকা তোলার ক্ষেত্রে ভোগান্তি নিরসনে কাজ করছেন।
তিনি বলেন, 'বিদেশে শ্রমিক শোষণ বন্ধের
বিষয়ে আমরা কাজ করছি। কিছুটা অগ্রগতি হোক, তখন জানাবো।'
আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) উপদেষ্টা
তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে একথা বলেন, আমি সরকারী কাজে কাতারে ছিলাম তিনদিন।
আমার হোটেলে যেসব বাংলাদেশী ভাইরা কাজ করেন তাদের থেকে তাদের বঞ্চনার অনেক খবর শুনেছি।
দুতাবাসে আমন্ত্রিত অনেক শ্রমিক ও পেশাজীবী ভাই-বোনের সাথে কথা বলেছি। দূতাবাসের কর্মকর্তাদের
বক্তব্যও শুনেছি। সেখানকার প্রবাসী ভাই-বোনদের মূল অভিযোগ পাসপোর্ট-এনআইডি-পাওয়ার অব
এটর্নি সংক্রান্ত বিষয়ে এবং সেখানে কর্মসংস্থান ও পারিশ্রমিক নিয়ে। এর মধ্যে পাসপোর্টের
বিষয়ে আমি ডিজির সাথে কথা বলেছি। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে
পাসপোর্ট সরবরাহ শুরু হবে।
পাসপোর্ট আর এনআইডি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
বিষয় উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, তবে সেখানে আমি যোগাযোগ অব্যাহত রাখবো। কালকে আমি
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে পাসপোর্ট ফি কমানো বা কমহারে সবার জন্য একরকম করার কথা বলেছি।
এটা নিয়ে আমার যোগোযোগ অব্যাহত থাকবে।
তিনি আটো বলেন, এছাড়া পাসপোর্ট আর এনআইডি
সহজীকরণের বিষয়ে কি কি করা যায় তা আইন মন্ত্রনালয়ের থেকে খতিয়ে দেখবো।
আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, 'আপনারা ভালো
থাকবেন। পবিত্র জুম্মার দিনে আমাদের শহীদ ভাই চট্টগ্রামের আইনজীবী সাইফুল ইসলামের মাগফেরাত
এবং আমাদের সকলের হেদায়েতের জন্য দোয়া করবেন।'
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নামে কুমিল্লা বিভাগ ঘোষণার দাবিতে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাসরত প্রবাসীদের ১০ হাজার গণস্বাক্ষর সম্বলিত দাবী যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম এর নিকট হস্তান্তর করেছেন কুমিল্লা বিভাগ দাবীর প্রবক্তা, কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার।
প্রবাসীদের সংগঠন দ্যা কুমিল্লা কনসোর্টিয়াম এর উদ্যোগে কুমিল্লা নামে কুমিল্লা বিভাগের দাবিতে ১০ হাজার গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাসরত প্রবাসীদের গণস্বাক্ষর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দ্যা কুমিল্লা কনসোর্টিয়াম ইউকের প্রধান উপদেষ্টা রুহুল আমিন, আহবায়ক সাইফুল ইসলাম দুদু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে কুমিল্লার প্রবাসীদের আয়োজনে কুমিল্লা নামে কুমিল্লা বিভাগ ঘোষনার দাবিতে গণস্বাক্ষার সংগ্রহ ও নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার।
মন্তব্য করুন


ভারতে চলন্ত ট্রেনে নিরাপত্তাকর্মীর গুলিতে নিহত হয়েছে ৪ জন। অভিযুক্ত নিরাপত্তাকর্মী ভারতের রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফের কনস্টেবল। তার নাম চেতন সিং। নিহতদের মধ্যে একজন পুলিশ কর্মকর্তা, দুইজন সাধারণ যাত্রী ও ট্রেনটির প্যান্ট্রি কারের এক কর্মী।
এ ঘটনা সোমবার (৩১ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে জয়পুর এক্সপ্রেসে ঘটে। রাজস্থানের জয়পুর থেকে মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ের উদ্দেশে যাচ্ছিল ট্রেনটি।
ভারতীয় রেলের পক্ষ থেকে বলা হয়, সোমবার ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে পালঘর স্টেশন দিয়ে যাচ্ছিল ট্রেনটি। ওই পুলিশকর্মী ওই সময় হঠাৎ করে তার বন্দুক দিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে।
পশ্চিম রেলওয়েকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, চেতন সিং জয়পুর এক্সপ্রেসের বি ফাইভ কোচে যাত্রীদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। গুলি চালিয়ে চার জনকে হত্যার পরই ট্রেনের চেন টেনে পালানোর চেষ্টা করেন ওই নিরাপত্তাকর্মী। তবে চেতন সিং কে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার অস্ত্রটিও জব্দ করা হয়।
ঘটনার পর ট্রেনটি বরিভালি স্টেশনে দাঁড় করানো হয়। সেখান থেকে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় বাবাসাহেব অম্বেডকর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ সূত্র জানায়, চেতন সিং মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তিনি ছুটি চাইছিলেন বেশ কিছুদিন ধরেই। ঘটনার আগের দিন তিনি বলেছিলেন, অসহিষ্ণু লাগছে তার। তখন বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল তাকে।
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
ডোনা গ্রিফিথস টানা ৯৭৬ দিন হাঁচি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করেছেন । ১২ বছর বয়সে এই হাচির
সমস্যা শুরু হয় ডোনা গ্রিফিথস। ডোনার জন্ম ১৯৬৯ সালে। ১৯৮১ সালের ২৬ জুলাই থেকে
শুরু হয় তার হাঁচি। স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি হাঁচি হচ্ছিল ডোনার। প্রথমে তিনি
ভেবেছিলেন ধুলা থেকে বা ঠান্ডা থেকে হাঁচি হচ্ছে।
তবে এই হাঁচি থেমেছিল
দুই বছর পর ১৯৮৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। এই ২বছর তিনি লাখ লাখ হাঁচি দিয়েছেন। তবে
দিনে বেশ কয়েকবার তার হাঁচি হত এবং তারমধ্যে একটি দিনও বাদ যায়নি। ১৯৮৩ সালের ১৭
সেপ্টেম্বর তিনি প্রথম একটি হাঁচি মুক্ত দিন কাটিয়েছিলেন বলে ডোনা তার লেখা বইয়ে
উল্লেখ করেন ডোনা।
২০২০ সালের
জানুয়ারিতে, ডোনার রেকর্ডটি ব্রিটিশ টিভি প্যানেল শো কিউআইতে দেখানো হয়েছিল। তখন
কমেডিয়ান জিমি কার রসিকতা করে বলেছিলেন যে, ডোনা নিশ্চয়ই একটি মরিচ কারখানায় কাজ
করতেন। কিন্তু ডোনা কোনো মরিচ কারখানায় সেসময় কাজ করতেন না। এরপরই গিনেস বুক অব
ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি হাঁচি দেওয়ার জন্য ডোনা গ্রিফিথস এর নাম
ঘোষণা করা হয়।
সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড
রেকর্ড/ আরব নিউজ
মন্তব্য করুন


বিয়ে করতে এসে হবু শ্বশুরবাড়ির আপ্যায়ন পছন্দ হয়নি বরপক্ষের। এতে রাগ করে বিয়ের আসর ছেড়েই পালিয়ে যান বর।এদিকে বিয়ের মধ্যমণি বরকে না পেয়ে বিয়েবাড়িতে শোরগোল পড়ে যায়, কল করা হয় স্থানীয় থানায়।
খবর পেয়ে পুলিশ বরের বাড়ি গিয়ে দেখেন, তিনি নিজ ঘরেই আরাম করছেন। এরপর তাকে একরকম জোরপূর্বক তুলে এনে বিয়ের আসরে নিয়ে আসা হয়। পুলিশের উপস্থিতিতেই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের ফতেপুর জেলার রাধানগর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে কলকাতার গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।
গণমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাধানগর গ্রামের ২২ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে পাশের গ্রামের এক যুবকের বিয়ে হয়ে ঠিক হয়। বিয়ের দিন নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই বরযাত্রী পৌঁছে যায় কনের বাড়িতে। এতে বিপাকে পড়েন কনের পরিবারের সদস্যরা। কারণ তখন সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। এক পর্যায়ে বরপক্ষের মনে হয়, তাদের গুরুত্ব কম দেওয়া হচ্ছে। আলাদাভাবে খাতির করা হচ্ছে না। এতে অভিমান করে কনেপক্ষের সদস্যদের ফাঁকি দিয়ে বিয়েবাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বর। বরযাত্রীরও অনেকে চলে আসেন।
এদিকে বরযাত্রী আর বরের দেখা না পেয়ে চারিদিকে খোঁজাখুজি শুরু করেন কনের পবিবার-স্বজনেরা। বরকে কোথাও না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তারা। পরে পুলিশ বরের বাড়িতে পৌঁছে অভিমান ভাঙাতে না পেরে তাকে ধরেবেঁধে কনেবাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর পুলিশ সদস্যদের তদারকিতেই চার হাত এক হয়।
মন্তব্য করুন


সাঁতার কাটতে নদীতে নেমেছিলেন এক ফুটবলার। ফুটবলার
জানতেন না, পানির মধ্যেই ঘাপটি মেরে আছে বিশালাকার এক হিংস্র কুমির। ঘটনাটি কোস্টারিকার
গুয়ানাকাস্ট প্রদেশে ঘটেছে।
সাঁতরে নদীর মাঝ বরাবর যেতেই কুমিরটি ওই
ফুটবলারের ওপর আক্রমণ করে বসে । কুমির তাকে ছিঁড়ে কামড়ে মেরে ফেলে ।
গত ২৯ জুলাই গুয়ানাকাস্টের
রিও কানাস নদীতে গোসল করতে নেমেছিলেন ২৯ বছর বয়সি ফুটবলার লোপেজ ওর্তিজ চুকো। এ সময়ই
ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।
এই
ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেই
ভিডিওগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ভিডিওগুলোতে
দেখা যাচ্ছে, বিশাল কুমিরটি লোপেজের দেহ মুখে করে পানির মধ্যে সাঁতরাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি দেখতে পেয়ে কুমিরটিকে তাড়া করলে সেটি পালিয়ে যায়।
সংবাদমাধ্যমের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্ত্রী এবং ২ সন্তানকে নিয়ে থাকতেন লোপেজ। স্থানীয় রিও কানাস
দলের হয়ে ফুটবল খেলতেন লোপেজ ওর্তিজ চুকো। গত ৩১ জুলাই, লোপেজের পরিবারের পক্ষ
থেকে তার শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করা হয়। লোপেজের দলের পক্ষ থেকেও শোকবার্তা জ্ঞাপন
করা হয়েছে।
সূত্র: ডেইলি মেইল, দ্য সান, মেট্রো, নিউ ইয়র্ক পোস্ট
মন্তব্য করুন