

বিনোদন ডেস্ক:
এবার একটি কনসার্টে ভারতের জনপ্রিয় গায়িকা সুনিধি চৌহানের দিকে ছুড়ে মারা হলো পানির বোতল। লাইভ কনসার্টে উন্মাদনার তুঙ্গে ঘটে গেল এ অনভিপ্রেত ঘটনা।
মঞ্চে পারফর্ম করার সময় গায়ক-অভিনেতাদের ওপর হামলা এর আগেও হয়েছে। গত বছর অরিজিৎ সিং-কে হাত ধরে এত জোরে টান দেওয়া হয়েছিল যে, গায়ককে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল।
গায়িকা ভারতের উত্তরাখন্ডের দেরাদুনের এসজিআরআর বিশ্ববিদ্যালয়ে পারফর্ম করেছিলেন। এদিন অনুষ্ঠানে ‘শিলা কি জওয়ানি’, ‘ধুম মচালে’, ‘ক্রেজি কিয়া রে’, ‘দেশি গার্ল’, ‘কমলি’, ‘শাকি শাকি’-র মতো গান তিনি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। তিনি যখন শ্রোতাদের তার গানে মাতিয়ে রাখছিলেন, তখন মেতে উঠেছিল গোটা স্টেডিয়াম। ঠিক সেই সময়, সামনের সারিতে বসা এক ব্যক্তি তার দিকে পানির বোতল ছুড়ে মারেন।
এ ঘটনা রীতিমতো হতবাক করে দেয় সুনিধি চৌহানকে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে নিজেকে সামলে নেন তিনি। তারপর সেই ভক্তের দিকে তাকিয়ে ভর্ৎসনা করেন। যদিও সেই ভর্ৎসনার জন্য বেছে নেন সংগীতের পথ।
সুরে-সুরেই তিনি বলে ওঠেন- ‘আপনি আমার দিকে বোতল নিক্ষেপ করলে কী হবে? অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। আপনি কি এটি চান?’
সুনিধি চৌহান এই কনসার্ট থেকে কিছু ছবিও শেয়ার করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। গ্লিটারি টপ, কালো শর্টস গায়ে ছিল গায়িকার। টপে ছাপানো ছিল 'ঝঈ ০১'। খোলা চুল, পায়ে লং বুট। একেবারে রকস্টার লুক।
ক্যাপশনে তিনি লিখলেন- ‘তুমি কি কখনো ছিলে আমার পার্টিতে? দেখো সেটা কেমন হয়।
মন্তব্য করুন


বলিউড অন্যতম তারকা দম্পতি ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ। সম্প্রতি ভিকি কৌশলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ভাল মেয়ে পেলে ক্যাটরিনাকে ডিভোর্স দেবেন কিনা। তবে স্মার্ট ভিকি কিন্তু জুতসই জবাব দিয়েছেন।
ভিকি কৌশল ও সারা আলি খানের নতুন ছবি ‘জারা হাটকে জারা বাঁচকে’র ট্রেলেরে এ প্রশ্ন করা হয়। সাংবাদিকের মুখে এমন প্রশ্ন শুনে একেবারে হতবাক ভিকি। তবে উত্তর দিতে বেশি সময় নিলেন না।
ভিকি বলেন, ‘আমাকে রাতে বাড়ি ফিরতে হবে। তবে এটুকু বলতে পারি, আমার আর ক্যাটরিনার সম্পর্ক শুধু এই জন্মের নয়, আগামী সাত জন্মের।’
এই প্রথমবার এক সিনেমায় জুটি বেঁধেছেন ভিকি-সারা। লক্ষ্মণ উটেকর পরিচালিত ‘জারা হাটকে জারা বাঁচকে’ সিনেমায় কপিল ও সোমিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন দু’জন। ইন্দোরের মধ্যবিত্ত পরিবারের এই কাহিনীর সূত্রধর পঙ্কজ ত্রিপাঠী। তার কণ্ঠস্বরেই ট্রেলার শুরু হয়। দু’ভাগে বিভক্ত কাহিনী।
মন্তব্য করুন


নির্মাতা আদনান আল রাজীবের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। শোবিজ জগতে এই খবরটি কারও অজানা নয়। এবার তাদের এই সম্পর্ককে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ করতে চলেছেন এই জুটি।
চলতি মাসেই আদনান আল রাজীবের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন মেহজাবীন ও রাজীব। এর একদিন আগে, অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হবে। ঢাকার অদূরের একটি রিসোর্টে এই বিয়ের আয়োজন চলছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, আদনান আল রাজীবের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে শুরু থেকেই নীরব মেহজাবীন চৌধুরী। বিয়ের খবর নিয়েও কোনো মন্তব্য করেননি এই অভিনেত্রী। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।
২০১৯ সালে আদনান আল রাজীবের সঙ্গে ঢাকার একটি শপিং মলে মেহজাবীনের হাত ধরে হাঁটার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এরপর থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। পরবর্তীতে এই জুটিকে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং বিদেশেও ঘুরতে দেখা গেছে।
মেহজাবীন চৌধুরী ২০০৯ সালে একটি রিয়েলিটি শোয়ের মাধ্যমে মিডিয়া জগতে প্রবেশ করেন। এরপর থেকে তিনি নাটকে নিয়মিত অভিনয় করে আসছেন। তবে এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি। অন্যদিকে, আদনান আল রাজীব দেশের অন্যতম জনপ্রিয় নির্মাতা হিসেবে পরিচিত।
সূত্র: ইত্তেফাক
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্কঃ
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ওপেন কনসার্টের আয়োজন করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। সেখানে গাইবেন বিভিন্ন প্রজন্মের একঝাঁক শিল্পী।
বিজয় দিবসের এই কনসার্টে জেমসসহ গাইবেন খুরশিদ আলম, সৈয়দ আব্দুল হাদী, বেবী নাজনীন, কনক চাঁপা, মনির খান, রাফা, প্রীতম, ইমরান, কনা, মৌসুমী, জেফার ও একদল লোকশিল্পী। এ ছাড়া কনসার্টে অংশ নেবে ডিফারেন্ট টার্চ, সোলস, আর্ক, শিরোনামহীন, আর্টসেল, সোনার বাংলা সার্কাসের মতো বেশ কয়েকটি ব্যান্ড।
আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানের উদয় টাওয়ারে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এই কনসার্টের ঘোষণা দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী।
এ বছর সার্বজনীনভাবে বিজয় দিবস উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। ভিন্নদেশী সাংস্কৃতিক আগ্রাসন থেকে মুক্তি ও নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করাতে ১৬ ডিসেম্বর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের এই কনসার্টে বাংলাদেশের গান ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে বলে জানানো হয়েছে।
১৬ ডিসেম্বর বিকেল ৩টা থেকে শুরু হয়ে কনসার্ট চলবে রাত ১১টা পর্যন্ত। তরুণ প্রজন্মকে এই কনসার্টে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের কালীগঞ্জে বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়া ভাই’ খ্যাত বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন খান দুলু ওরফে চিত্রনায়ক ফারুক। তার বাবা আজগর হোসেন পাঠান উপজেলার তুমুলিয়া ইউনিয়নের সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত আছেন। সেখানেই ফারুকের মরদেহ দাফন করা হবে।
সোমবার (১৫ মে) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিত্রনায়ক ফারুকের ভগ্নিপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে.বি.এম মফিজুর রহমান খান।
তিনি বলেন, ‘তার (ফারুক) স্ত্রী ফারজানা পাঠান মেয়ে ফারিহা তাবাসসুম পাঠান, ছেলে রওশন হোসেনসহ সকল আত্মীয় স্বজনের সাথে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জীবিত অবস্থায় ফারুক সবাইকে (অসিয়ত) বলে গিয়েছেন, যেন মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ সোম গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবা আজগর হোসেন পাঠানের কবরের পাশে শায়িত করা হয়।’
তিনি জানান, চিত্রনায়ক ও সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান দুলু ওরফে ফারুকের প্রথম নামাজে জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ইউএস বাংলার ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ আসবে। পরে সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার উত্তরায় নিজ বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে।
জানাজা শেষে সোমটিওরী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে বাবা আজগর হোসেন পাঠানের পাশে শায়িত হবেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা।
উল্লেখ্য, চিত্রনায়ক ফারুক সোমবার (১৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী ফারজানা পাঠান, কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ রেখে গেছেন। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।
মন্তব্য করুন


বলিউডের প্রথম সারির পরিচালকদের মধ্যে যাঁর নাম দর্শক ও সমালোচকদের কাছে সমাদৃত, তিনি হচ্ছেন অনুরাগ কাশ্যপ। এই মায়ানগরীকে বিদায় জানাচ্ছেন এ স্বনামধন্য পরিচালক। হঠাৎ এ সিদ্ধান্ত নিলেন কেন তিনি? কারণ বলিউড নিয়ে তিনি নাকি মহাবিরক্ত। সন্তোষজনকভাবে কাজ করতে পারছেন না- এমন অভিযোগই করলেন অনুরাগ কাশ্যপ।
তিনি বলেন, বর্তমানে চলচ্চিত্রের মানোন্নয়ন অপেক্ষা ছবির বাণিজ্যিক দিকে বেশি মনোনিবেশ করা হয়। ছবির কাজ শুরুর আগেই স্থির হয়ে যাচ্ছে কীভাবে প্রচার করা হবে, লাভের অঙ্কের পরিমাণ কত হতে পারে ইত্যাদি। এ বিষয়টি নিয়েই তিনি হতাশ। অনুরাগ এমন জায়গায় ছবি বানাতে চান, যেখানে উদ্দীপনা থাকবে। তাই তিনি দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে পাড়ি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানান।
পরিচালক বলেন, যে যে ছবি ইতোমধ্যে তৈরি রয়েছে, সেগুলোর রিমেক করা হচ্ছে। এই মানসিকতাতেই আমার সমস্যা। এ ছাড়া নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের মধ্যে নেতিবাচক প্রবণতা তৈরি করছে ‘কাস্টিং এজেন্সি’। ভালো অভিনেতা হওয়ার প্রচেষ্টা নয়, বরং রাতারাতি তারকা হওয়ার পেছনে ছুটছেন তারা। তাতে আখেরে কারও লাভ হচ্ছে না, বরং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ছবি। তিনি বলেন, অভিনয়ের ওয়ার্কশপে নয়, শুধুই জিমে পাঠানো হচ্ছে তাদের। আদ্যপান্ত গ্ল্যামারকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।
অনুরাগ বলেন, তাদের এমনভাবে মগজ ধোলাই করা হচ্ছে, তারা অভিনয়ে দক্ষতা চেয়ে প্রচারের আলোয় বেশি আকৃষ্ট হচ্ছেন। ছবি নির্মাতাদের সঙ্গে অভিনেতাদের দূরত্ব তৈরি হচ্ছে এবং এর জন্য দায়ী একমাত্র ‘কাস্টিং এজেন্সি’। নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের মাধ্যমে শুধুই অর্থ উপার্জন তাদের লক্ষ্য, নতুন অভিনেতা তৈরির দিকে তাদের নজর নেই বলেও জানান পরিচালক।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ২০১০ সালে সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজ জগতে যাত্রা শুরু করেন। এর পর থেকে তিনি বিজ্ঞাপন, নাটক এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। তবে, বড়পর্দায় নিজেকে দেখার স্বপ্ন ছিল তার অনেক দিনের। ১৪ বছরের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তার স্বপ্ন পূরণ হলো। গতকাল শুক্রবার দেশের ২০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘প্রিয় মালতী’।
শুটিংয়ের হিসাবে এটি মেহজাবীনের দ্বিতীয় সিনেমা হলেও, এটি তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র। তাই বড়পর্দায় নিজেকে দেখার অভিজ্ঞতা তার জন্য ভীষণ আবেগঘন।
মেহজাবীন বলেন, ‘ছোটপর্দায় যারা কাজ করেন, তাদের প্রায় সবারই ইচ্ছা থাকে বড়পর্দায় নিজেকে দেখার। আমার ক্ষেত্রেও একই রকম। ছোটপর্দার কাজ করতে করতেই বড়পর্দার স্বপ্ন দেখতাম। অবশেষে “প্রিয় মালতী” দিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ হলো।’
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি নিজের ফেসবুকে একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আজ আমার জীবনের অন্যতম কাঙ্ক্ষিত দিন। এই দিনটির জন্য আমি ১৪ বছর ধরে অপেক্ষা করেছি এবং সাধনা করেছি।’
মেহজাবীন আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি আমার জীবনের প্রতিটি মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই। ২০১০ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার থেকে যাত্রা শুরু করে আজ পর্যন্ত যারা আমার পাশে থেকেছেন—প্রতিটি মেন্টর, সহশিল্পী, পরিচালক, সহকারী, ক্রু মেম্বার, মেকআপ আর্টিস্ট, কোরিওগ্রাফার এবং ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মীরা—সবাইকে।’
‘প্রিয় মালতী’ সিনেমায় নিজের নামে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। এটি পরিচালনা করেছেন শঙ্খ দাশগুপ্ত। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম, সমু চৌধুরী, নাদের চৌধুরী, শহীদুল আলম সাচ্চু, মোমেনা চৌধুরী, রিজভী রিজু, শাহজাহান সম্রাট, আনিসুল হক বরুণ প্রমুখ। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে ফ্রেম পার সেকেন্ড।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহাল ও তার স্ত্রী ধনশ্রী বর্মার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে এবার সেই গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলেছেন ধনশ্রী।
বুধবার ধনশ্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি লেখেন, “গত কয়েকদিন আমার এবং আমার পরিবারের জন্য খুবই কঠিন সময় কেটেছে। সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয় হলো, কিছু মানুষ যাচাই-বাছাই ছাড়াই ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে ভুল মন্তব্য ও ঘৃণা ছড়াচ্ছেন।”
তিনি আরও লেখেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে পরিশ্রম করে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছি। আমার নীরবতা কোনো দুর্বলতার পরিচয় নয়, বরং এটি আমার শক্তি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচকতা খুব সহজে ছড়িয়ে পড়ে। তবে অন্যদের উন্নতির জন্য সহানুভূতি ও সাহসের প্রয়োজন হয়।”
ধনশ্রী আরও বলেন, “আমি সততা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী। এগিয়ে যেতে চাই নিজের আদর্শ মেনে। সত্য একদিন না একদিন প্রকাশ পাবেই। তখন কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজন হবে না।”
এর আগেও চাহাল একটি রহস্যজনক পোস্ট করেছিলেন। তিনি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের একটি উক্তি শেয়ার করেন। উক্তিটিতে লেখা ছিল, “নিস্তব্ধতারও সুর আছে। যারা বিকট শব্দের মধ্যেও তা শুনতে পারে, তারাই সেই সুর উপলব্ধি করতে পারে।”
এরপর থেকে চাহাল ও ধনশ্রীর সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন আরও তীব্র হয়। চাহাল তার ইনস্টাগ্রাম থেকে স্ত্রীর সঙ্গে তোলা সব ছবি মুছে ফেলেছেন। যদিও ধনশ্রীর প্রোফাইলে এখনো তাদের একসঙ্গে তোলা ছবি রয়েছে।
চাহালের আরেকটি পোস্টও এই জল্পনাকে উসকে দিয়েছে। পোস্টটিতে তিনি লেখেন, “কঠোর পরিশ্রম মানুষের চরিত্রকে উজ্জ্বল করে। আপনি জানেন নিজের যাত্রাপথ কেমন ছিল, কীভাবে এই পর্যায়ে পৌঁছেছেন। সেই যাত্রায় যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা আপনিই ভালোভাবে জানেন। নিজের বাবা-মাকে গর্বিত করার জন্য মাথা উঁচু করে সোজা দাঁড়ান।”
এই পোস্টে চাহাল বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেও স্ত্রী ধনশ্রীর নাম উল্লেখ করেননি। যা তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
উল্লেখ্য, যুজবেন্দ্র চাহাল ও ধনশ্রী বর্মার বিয়ে হয়েছিল ২০২০ সালের ২২ ডিসেম্বর। গুরুগ্রামের একটি অনুষ্ঠানে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ধনশ্রী ছিলেন চাহালের নাচের শিক্ষক। করোনার সময় অনলাইনে নাচের ক্লাস করার মাধ্যমে তাদের পরিচয়। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা নিয়মিত একসঙ্গে ছবি শেয়ার করতেন। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী দেখে অনুমান করা যাচ্ছে, তাদের সম্পর্ক এখন আর আগের মতো নেই।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ভিকি কৌশল সম্প্রতি জানিয়েছেন, ক্যাটরিনা কাইফকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়ে তিনি দারুণ আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।
ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফের দাম্পত্য জীবন এখন তিন বছরে পা রেখেছে। এই তিন বছরে স্ত্রী ক্যাটরিনাকে নিয়ে তিনি অত্যন্ত সুখী। সম্প্রতি ভিকি তার স্ত্রীর প্রশংসায় ইন্টারনেটে একটি পোস্ট করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
ভিকি কৌশল বলেন, “দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাটালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এক ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হয়, যা খুবই মূল্যবান।”
তিনি আরও বলেন, “প্রকৃত ভালোবাসা মানে একে অপরের ইতিবাচক এবং নেতিবাচক দিকগুলো মেনে নিয়ে চলা। ক্যাটরিনা এমন একজন মানুষ, যিনি আমার বাস্তবতাকে উপলব্ধি করান। তিনি সবসময় আমাকে বলেন, ‘এটা আরও ভালো হতে পারে, ওটা আরও ভালো হতে পারে।’ এমন একজন জীবনসঙ্গীকে পেয়ে আমি ধন্য, যিনি সবসময় আমার সঙ্গে সৎ থাকেন। তার দৃঢ়তা, প্রতিভা এবং অভিনয়ের মাধ্যমে যে পথ তিনি তৈরি করেছেন, তা থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি।”
ক্যাটরিনাকে নিয়ে আরও বলার সময় ভিকি বলেন, “আমি সবসময় ক্যাটরিনাকে সম্মান করব। তিনি কেবল একজন সুপারস্টারই নন, তার মধ্যে এক সুপারস্টারের হৃদয়ও রয়েছে। এ কারণেই আমি তার প্রেমে পড়েছি। আমি মনে করি, এমন একজন মানুষকে পেয়ে আমি ভাগ্যবান, যিনি আমার জীবনের ছোটখাটো সমস্যাগুলোর সমাধান করেন।”
ভিকির এই মন্তব্যগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়েছে। একজন লিখেছেন, “একজন সুপারস্টার এতটা বিনয়ী হতে পারে, সেটা কল্পনাই করা যায় না।” আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “নিজের স্ত্রীর প্রশংসা এভাবে করা সত্যিই সহজ নয়।” তৃতীয় একজন লিখেছেন, “ভিকি, তুমি দারুণ মানুষ। তবে এর কৃতিত্ব তোমার মা-বাবারও প্রাপ্য।”
ভিকি কৌশলকে শীঘ্রই লক্ষ্মণ উতেকারের মহাকাব্যিক অ্যাকশন-ড্রামা ছাওয়া ছবিতে দেখা যাবে। এতে আরও অভিনয় করেছেন রাশমিকা মান্দানা, অক্ষয় খান্না, আশুতোষ রানা, দিব্যা দত্ত, নীল ভূপালম এবং প্রদীপ রাওয়াত। এছাড়া, তিনি সঞ্জয় লীলা বানশালির লাভ অ্যান্ড ওয়ার সিনেমায় রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের সঙ্গে কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
‘শেরশাহ’ মুক্তির পর বলিউডি নায়ক সিদ্ধার্থ মালহোত্রা বলেছিলেন, নায়িকা কিয়ারা আদভানির সঙ্গে রোমান্টিক সিনেমা তিনি মিস করতে চান না। যদিও গত কয়েক বছরে এই দম্পতিকে একসঙ্গে পর্দায় না পেয়ে দর্শকরা তাদের মিস করেছেন। এখন কিয়ারা জানালেন, একে অপরের হাত ধরে ফের পর্দায় আসতে চলেছেন তারা।
এবারের ৭৭তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচায় প্রথমবারের মত পা রাখেন কিয়ারা। সেখানে ‘উইমেন ইন সিনেমা গালা’তে অংশ নিয়ে নতুন কাজের খবর দেন এই অভিনেত্রী।
টাইমস অব ইন্ডিয়া লিখেছে, এই আলোচনার সূত্রপাত হয় কিয়ারা-সিদ্ধার্থ অভিনীত ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘শেরশাহ’কে ঘিরে। ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রার জীবন আর কার্গিল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত অ্যাকশনধর্মী ওই সিনেমায় প্রেমের অংশ নেহাত কম থাকলেও, এ চলচ্চিত্রই কিয়ারা-সিদ্ধার্থকে ‘রোমান্টিক জুটি’ আখ্যা দিয়েছে। তাদের অনুরাগীরা চান এক পূর্ণাঙ্গ প্রেমের সিনেমায় তাদের জুটি হিসেবে দেখতে।
কানে ‘শেরশাহ’ প্রসঙ্গ উঠলে কিয়ারা বলেন, “আমি জানি, ‘শেরশাহ’ আমাদের প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছে। আমি এবং সিদ্ধার্থ অফুরান ভালোবাসা পেয়েছি। হতাশ করছি না। আমাদের ফের একসঙ্গে শিগগিরই দেখা যাবে। আমরা চাই আবার জুটি হিসেবে সবার ভালোবাসা কুড়াতে। আমরা যেন আমাদের অভিনীত চরিত্রের প্রতি সুবিচার করতে পারি।”
তবে সিনেমা এবং প্রযোজক ও পরিচালকের নাম সামনে আননেনি কিয়ারা। তাদের আগামী কাজ সম্পর্কে জানতে একটু অপেক্ষা করতে অনুরোধ করেছেন সবাইকে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সাত পাকে বাঁধা পড়েন কিয়ারা ও সিদ্ধার্থ। এরপর দুজন আলাদাভাবে কয়েকটি সিনেমায় কাজ করেছেন।
মন্তব্য করুন


নতুন মা হওয়া বলিউডের তারকা অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন বলেছেন মেয়ের জন্য যখন তাকে রাত জাগতে হয়, তখন কোনো কোনো সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়ে যান তিনি। এর কারণ হল 'ঘুম কম হওয়ার ক্লান্তি'।
হিন্দুস্তান টাইমস লিখেছে, গেল সপ্তাহে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ‘লাইভ লাভ লাফ ফাউন্ডেশন’র অনুষ্ঠানে নতুন মা হওয়ার পর কী ধরনের সমস্যার মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হচ্ছে সে সব বলেছেন দীপিকা। মানসিক চাপ এবং ঘুম না হওয়ার কারণে কী কী ঘটছে সেসব নিয়েও কথা বলেন নায়িকা।
অভিনেত্রী বলেন, “যখন ঠিকমত ঘুম হয় না, অতিরিক্ত স্ট্রেস থাকে তখন আমার সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয়, আবার ভুলভাল সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলি।” চলতি বছর ৮ সেপ্টেম্বর কন্যা সন্তানের মা-বাবা হয়েছেন দীপিকা ও রাণবীর সিং। দীপিকা তার এই সময়ের দুঃখ, কষ্ট, রাগ নিয়েও কথা বলেন।
তিনি জানান, “এটা একদম স্বাভাবিক। মানুষমাত্রই তার রাগ, কষ্ট হবে। আর এই অনুভূতিগুলো আমাদের অনেক কিছুই শেখায়। কিন্তু এগুলো থেকে আমি কী শিখছি, পজেটিভলি কীভাবে তাতে রিঅ্যাক্ট করছি সেটাই আসল। কাজের মধ্যে থাকতে হবে। ধৈর্য ধরতে হবে।”
সন্তান জন্মের পর দীপিকা জানিয়েছিলেন, তিনি তার মেয়ের যতœ ন্যানির হাতে ছাড়তে চাইছেন না। তার এবং রাণবীরের সিদ্ধান্ত হল তারা নিজে হাতে মেয়েকে বড় করবেন। এ কাজে বড়জোর তাদের দুই পরিবারের সদস্যরা সঙ্গে থাকতে পারেন।
এছাড়া এখনই মেয়ের ছবি প্রকাশ করতে রাজি নয় দীপিকা ও রাণবীর। তারা চাইছেন প্রচারের আলো থেকে সন্তানকে দূরে রাখতে। এমনকি সন্তানের বয়স এক মাসের বেশি হলেও তার নাম প্রকাশ করেননি তারকা দম্পতি।
মন্তব্য করুন