

জীবনে অভাব ছিল না সঙ্গিনীর ।
শাহীন জাফরি থেকে শুরু করে সঙ্গীতা বিজলানি, ঐশ্বরিয়া রাই থেকে শুরু করে ক্যাটরিনা কাইফ — বহু তারকার সঙ্গে বার বার সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলিউডের ভাইজান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনটিই সফল হয়নি।
২০১৬ সালে ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে রোমানিয়ান সঙ্গীতশিল্পী, অভিনেত্রী ইউলিয়া ভন্তুরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান অভিনেতা।
খান-বাড়িতে এক সময় থাকতেন এই বিদেশিনি। প্রায় আট বছরের ধরে নাকি সম্পর্কে ছিলেন তাঁরা। অনেকেই ভেবেছিলেন, ইউলিয়ার সঙ্গে হয়তো থিতু হবেন তিনি। কিন্তু না, এ বার সেই সম্পর্কও নাকি ভাঙল সলমনের! সম্প্রতি সপরিবারে সেলিব্রিটি ক্রিকেট লিগ উপলক্ষে দুবাই গিয়েছেন সলমন। সঙ্গে রয়েছেন ইউলিয়াও। তবে ভাইজান এর হাবভাব দেখে অনেকের ধারণা, ইউলিয়ার সঙ্গেও সম্পর্কে ইতি টেনেছেন তিনি।
সম্প্রতি দুবাইয়ে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়ে অভিনেতা ও তাঁর মায়ের সঙ্গে আদরে ভরা একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়।
তবে এটি ছাড়াও আরও একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, গ্যালারিতে রেলিংয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ইউলিয়া। পিছনে নিরাপত্তারক্ষীদের ঘেরাটোপে সলমন। বার বার পিছনে ফিরে সলমনের দিকে তাকাচ্ছেন ইউলিয়া। কিন্তু খানিক চোখ পাকিয়ে মুখ ফিরিয়ে নেন অভিনেতা। তাতেই নেটপাড়ার একাংশের ধারণা, এই প্রেমটাও টিকল না তাঁর। গত বছর একটি টক শোতে গিয়ে সলমন খান নিজেই স্বীকার করেছেন, প্রেমে গেরো আছে আমার!
যদিও নিজের বার বার প্রেম ভাঙার দায় নিজেই নিয়ে তিনি সেই সময় জানান, প্রেমিকাদের দোষ নয়, বরং দোষ রয়েছে তাঁর নিজের মধ্যেই। প্রায় ৫৮-র কাছাকাছি বয়স। আদৌ কি তাঁর কুমারত্ব ঘুচবে — অনুরাগীদের এ প্রশ্নের জবাব সময়ই ভালো বলতে পারবে ।
মন্তব্য করুন


দক্ষিণি মেগাস্টার রজনীকান্তের ব্লক বাস্টার সিনেমা ‘জেইলার’ শিগগিরই আসবে ওটিটিতে। সিনেমাটি সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ওটিটির পর্দায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গেছে, নির্মাতারা এই ছবির ডিজিটাল রাইটস ১০০ কোটি রুপির বিনিময়ে নেটফ্লিক্সকে বিক্রি করেছেন।
‘জেইলার’ ১১ আগস্ট মুক্তি পেয়েছিল। নেলসন দিলীপ কুমার পরিচালিত এই সিনেমাটি এ বছর সবচেয়ে হিট ছবির তালিকায় নিজের নাম লিখিয়ে নিয়েছে। মুক্তির মাত্র ২ সপ্তাহের মধ্যেই সারা বিশ্বে ৫৫০ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে ছবিটি।
ভারতে প্রায় ৩০০ কোটি রুপি আয় করেছে জেলার। বিশ্বজুড়ে আয়ের ক্ষেত্রে ৬০০ কোটি রুপির পথে এগোচ্ছে সিনেমাটি। এতে রজনীকান্ত ছাড়াও আছেন তামান্না ভাটিয়া, জ্যাকি শ্রফ, শিব রাজকুমার, মোহন লালসহ অনেকে।
মন্তব্য করুন


কেঁদে গিনেস বুকে নাম তুলে কৃতিত্ব
স্থাপন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তা করতে গিয়ে টানা
সাত দিন কেঁদে আংশিক দৃষ্টিশক্তি হারালেন নাইজেরিয়ার এক যুবক।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি নাইজেরিয়ার বাসিন্দা। ওই
যুবকের নাম টেম্বু এবেরে। জোর করে চোখে পানি আনার জন্য নানারকম কলাকৌশলও করেছিলেন
তিনি। আর তা করতে গিয়েই হঠাৎ ওই যুবক টের পান যে, তিনি সব কিছুই অস্পষ্ট দেখছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কে দীর্ঘতম সময় কাঁদতে পারেন, তা নিয়ে
একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা চলছিল। সেই প্রতিযোগিতাতেই অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
ওই যুবক জানান, ৪৫ মিনিটের জন্য তিনি কিছু দেখতে পাননি। চোখ ফুলে
গিয়েছিল। মাথাতেও অসম্ভব যন্ত্রণা হচ্ছিল।
এখন
অবশ্য সুস্থই রয়েছেন। চোখ নিয়েও কোনও সমস্যা নেই।
তারপরেও হাল ছাড়তে রাজি হননি তিনি। জানিয়েছিলেন কৌশল বদলে
প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার চেষ্টা করবেন। কিন্তু প্রতিযোগিতার আয়োজকেরা তার শারীরিক
পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পেরে জানিয়ে দেন যে, তাকে ওই প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া
হচ্ছে।
সূত্র: ডেইলি মেইল, বিবিসি
মন্তব্য করুন


এ বছর মুক্তিপ্রাপ্ত শাহরুখ খান অভিনীত ‘পাঠান’ ছবিটি দেশ ও বিদেশে বেশ মোটা অঙ্কের ব্যবসা করেছে। আয়ে হাজার কোটির মাইলফলক স্পর্শ করেছে সিনেমাটি। এবার শোনা যাচ্ছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দাবি করা হচ্ছে শাহরুখ খানের ব্লকবাস্টার ‘পাঠান’কেও নাকি পেছনে ফেলে দিয়েছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’।
নানা বিতর্ক সঙ্গী হলেও বেশ রমরমিয়ে চলছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। বক্স অফিসে ছবির আয় ভালোই। মাত্র ৯ দিনে ১০০ কোটির ক্লাবে পৌঁছল পরিচালক সুদীপ্ত সেনের ‘বিতর্কিত’ সিনেমা।
‘পাঠান’কে পেছনে ফেলে দেওয়ার এমন দাবির যুক্তি কী? লভ্যাংশ। হ্যাঁ, শতকরা লাভের পরিমাণ দেখেই এমনটা বলা হচ্ছে। ‘জুম টিভি ডিজিটাল’-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ভারতে ‘পাঠান’ সিনেমার আয় ৫৪৩.২২ কোটি টাকা। আর তাতে ছবির লাভ ২৯৩.২২ টাকা। অর্থাৎ শতকরা হিসেবে ধরলে বক্স অফিস থেকে শাহরুখের ছবি আয় ১১৭.২৮%।
এদিকে মাত্র নয় দিনে এক শ কোটি পার করে ফেলেছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। ছবির আয় ১১২.৯২ কোটি টাকা। ছবির বাজেট ছিল মাত্র ৩০ কোটি টাকা। ফলে বিপুল শাহ প্রযোজিত ছবির লভ্যাংশের পরিমাণ এখনই ২৭৬.৪%।
বাংলা, তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যে নিষিদ্ধ হলেও সারা দেশের ২০০টি স্ক্রিনে চলছে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে ছবিকে করমুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
যদিও এখনো ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ নিয়ে নানা মত রয়েছে। এক পক্ষের বক্তব্য, এ ছবি সম্পূর্ণভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৈরি করা হয়েছে। আরেক পক্ষের দাবি, ছবির মাধ্যমে বাস্তব তুলে ধরা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার একটি পুরোনো ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে দেখা যায়,তামান্নার হাতের আঙুলে রয়েছে বড় আকৃতির একটি হীরার আংটি।
গুঞ্জন উড়ছে, এটি বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম হীরা।
ভারতের বিনোদন ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম পিংকভিলা জানিয়েছে, তামান্নার সংগ্রহে নানারকম হীরার আংটি রয়েছে। বিস্ময়কর তথ্য হলো: বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম হীরার মালিকও তামান্না! জমকালো একটি আংটিতে সেটি বসানো হয়েছে। হীরাটির আকার, ওজন এ আংটিতে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। এর মূল্য ২ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বেশি)।
এই হীরাটি কিনেননি তামান্না। এটি উপহার পেয়েছেন অভিনেতা রাম চরণের স্ত্রী উপাসনার কাছ থেকে। ‘সাই রা নরসিমহা রেড্ডি’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন তামান্না। মুক্তির পর এ সিনেমা সুপারহিট হয়। সিনেমাটিতে তামান্নার পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম হীরাটি উপহার দেন উপাসনা।
মন্তব্য করুন


অভিনেত্রী সাবিলা নূরকে দেখে চেনার উপায় নেই! গায়ের রঙ খুব কালো। মুখটা ফ্যাকাশে।
‘বিদিশা’নামের একটি নাটকে কালো মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। নারী দিবসকে সামনে রেখে তৈরি হয়েছে এটি।
‘বিদিশা’র চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন ও পরিচালনা করেছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। তিনি বলেন, সাবিলা নূরকে নতুন আঙ্গিকে দেখে দর্শকেরা চমকে যাবেন। অনেকদিন মনে রাখার মতো অভিনয় করেছেন তিনি। নারী দিবসে নাটকটির মাধ্যমে নারীর সংগ্রাম ও বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলতে চেয়েছি।
সাবিলা নূরের পাশাপাশি নাটকটিতে অভিনয় করেছেন শামীমা নাজনীন, সমু চৌধুরী, এরফান মৃধা শিবলু, অতিথি ইসরাতসহ অনেকে। সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে এর চিত্রায়ন হয়েছে।
‘বিদিশা’ গল্পটি লিখেছেন আবুল বাশার পিয়াস। চিত্রগ্রহণ করেছেন ফুয়াদ বিন আলমগীর। সংগীত পরিচালনায় শাহরিয়ার মার্সেল।
আগামী ৮ মার্চ নারী দিবসে ইউটিউবে সিনেমাওয়ালা চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব মা দিবসে অনুষ্ঠিত এক আয়োজনে অঝোরে কাঁদলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী।
সন্তানদের কৃতিত্বের জন্য বিশ্ব মা দিবসে শোবিজ ও বিভিন্ন অঙ্গনের ১১ রত্নগর্ভাকে ‘গরবিনী মা’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
রোববার (১২ মে) দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে রাওয়া কনভেনশন সেন্টারে ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
এদিন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর মা গাজালা চৌধুরীকেও পুরস্কৃত করা হয়।
এসময় নিজের মাকে সম্মানিত হতে দেখে অঝোরে কাঁদতে থাকেন মেহজাবীন। এরপর মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন মেহজাবীন।
অভিনেত্রী মেহজাবীন বলেন, নিজের কাজের জন্য মাকে সম্মানিত হতে দেখার আনন্দটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আমার মনে হয়, প্রত্যেকটা সন্তানই যখন তার মা সম্পর্কে কথা বলতে যায় তখন সবার চোখেই পানি চলে আসে। আজকে আমার যে অবস্থান তার পেছনে আমার মায়ের অবদান অনেক। আমাকে এখানে আসতে সহযোগিতা করতে গিয়ে মা যে কতটা ত্যাগ করেছেন সেটা হয়ত আমি এখানে বলতে পারব না! সেই ত্যাগের কথা বলে তাকে ছোট করতে চাই না এই মঞ্চে।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


আগামী ৭ সেপ্টেম্বর হিন্দি, তামিল ও তেলুগু ভাষায় একযোগে মুক্তি পাচ্ছে
বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের সিনেমা ‘জওয়ান’।
‘জওয়ান’ এর প্রথম গান ‘জিন্দা বান্দা’ খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে। এ গানটিতে এক হাজারের বেশি নারী নৃত্যশিল্পী পারফর্ম করেছেন। আর এ
গানের জন্য নির্মাতারা ১৫ কোটি রুপি ব্যয় করেছেন।
চেন্নাইয়ে বিশাল সেট নির্মাণ করে গানটির ৫দিন শুটিং
হয়েছে। চেন্নাই, হায়দরাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু ও মুম্বাইয়ের এক হাজারের বেশি নারী নৃত্যশিল্পী
এতে পারফর্ম করেছেন। গানটিতে নারী নৃত্যশিল্পীর সাথে শাহরুখ খানকেও দেখা যাবে।
বক্সঅফিস ওয়ার্ল্ডওয়াইড
এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ‘জওয়ান’ সিনেমার গানের স্বত্ত্ব কেনার জন্য অনেক কোম্পানি
চেষ্টা করেছে। তবে ৩৬ কোটি রুপিতে সিনেমাটির গানের স্বত্ত্ব কিনেছে টি-সিরিজ।
‘জওয়ান’ সিনেমা
পরিচালনা করছেন তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় পরিচালক অ্যাটলি কুমার।
শাহরুখ খানের বিপরীতে
আছেন দক্ষিণী সিনেমার লেডি সুপারস্টার নয়নতারা। এছাড়াও অভিনয় করেছেন সানায়া
মালহোত্রা, যোগী বাবু। একটি বিশেষ চরিত্রে রয়েছেন প্রিয়ামণি। অতিথি চরিত্রে রয়েছেন
দীপিকা পাড়ুকোন ও থালাপতি বিজয়ের মতো তারকা। ২২০ কোটি রুপি বাজেটের এ সিনেমা প্রযোজনা
করছে শাহরুখের প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।
মন্তব্য করুন


শ্বশুরবাড়িতে প্রথম দিন
নামের একটি নাটকের শুটিং সেটে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে রুকাইয়া জাহান চমকের নামে।
এরপর এই অভিনেত্রী উল্টো অভিযোগ তোলেন সহকর্মী অভিনেতা আরশ খানের নামে।
এ ঘটনাটি থানা পুলিশ
পর্যন্ত গড়ায়। অভিনেত্রী চমক বিচার চেয়ে আরশের নামে লিখিত অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি
করেছেন ।
১৩ আগস্ট রোববার সমস্যা
সমাধানে একসঙ্গে আলোচনায় বসে নাটকপাড়ার ৩ অভিভাবক সংগঠন টেলিভিশন প্রোগ্রাম
প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টেলিপ্যাব), ডিরেক্টরস গিল্ড ও অভিনয়
শিল্পী সংঘ।
১৪ আগস্ট সোমবার রাতে
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তের কথা জানায় অভিনয়শিল্পী সংঘ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,
জ্যেষ্ঠ অভিনেতা ফখরুল বাসার মাসুম ও নির্মাতা আদিফ হাসানসহ ইউনিটের সবার সঙ্গে যে
আচরণ করেছেন তা অভিনেত্রী চমকের ভুল ছিল এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ইন্টারভিউতে
অভিনেতা আরশ খানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন হিসেবে
প্রমাণিত হয়।
এখানে আর্থিক ক্ষতির
কথাও উল্লেখ করে চমককে শাস্তি হিসেবে ক্ষমা চাওয়া ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা
বলা হয়। কিন্তু টেলিভিশন নির্মাতাদের সংগঠন ডিরেক্টর গিল্ডস এটা মানতে নারাজ।
এ বিষয়ে ২০ আগস্ট
রোববার একটি বিজ্ঞপ্তিতে পাঠিয়েছে নির্মাতাদের সংগঠনটি। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২১
আগস্ট অভিযোগ প্রমাণিত অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমককে নিয়ে মিডিয়ায় জটিলতা ও চলমান
সংকট নিরসনে সংবাদ সম্মেলন আহবান করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বছর দুয়েক আগে মাদক মামালায় শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানকে গ্রেপ্তার করেন এনসিবি অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ে। সেই ঘটনার নাকি মাসুল দিতে হচ্ছে মামালার ভারপ্রাপ্ত এই অফিসারকে। মুম্বাই থেকে আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করেছিলেন সমীর। সম্প্রতি এ অফিসারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা রুজু করেছে সিবিআই।
মাদক গ্রহণের অভিযোগে গ্রেপ্তার আরিয়ানকে ২২ দিন জেলে থাকতে হয়েছিল। ২০২২-এর মে মাসে সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে এনসিবি আরিয়ানের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয়। তবে সিবিআইয়ের অভিযোগ, এই ঘটনায় নাকি খান পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা।
আরিয়ানকে মুক্ত করতে নাকি প্রায় ২৫ কোটি টাকা চান সমীর। ভিজিল্যান্স রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তদন্তকারীদের প্রাথমিক তদন্তের পর সমীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়।
সমীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি বৃদ্ধি করতে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করল সিবিআই। শুধু তাই নয় সম্প্রতি সমীরের বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। প্রায় ১৩ ঘণ্টা ধরে চলে এই তল্লাশি অভিযান। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন সমীরের স্ত্রী ও পুত্র। তার পরই নিজের প্রতিক্রিয়া জানান সমীর। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হওয়ার মাসুল গুনছি। তবে আমি আমৃত্যু লড়ে যাব। আমার গোটা পরিবার ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছে।’
এমএ
মন্তব্য করুন