

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তেলকুপি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি কৃষক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
এ ঘটনা ঘটেছে শনিবার ভোর ৫টায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ১৮০ সাব পিলার ৭এর তেলকুপি মুড়িয়া মাঠ এলাকায়। গুলিবিদ্ধ কৃষকের নাম হাবিল উদ্দীন (৩০), তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের তেলকুপি মোল্লাটোলা গ্রামের বেলাল উদ্দীনের ছেলে।
স্থানীয় জনগণ ও জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ভোরে আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ১৮০ সাব পিলার ৭এর কাছের তেলকুপি মুড়িয়া মাঠে গমের জমিতে কাজ করছিলেন হাবিল। ওই সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ১১৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোপালনগর ক্যাম্পের জওয়ানরা হাবিলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলির আঘাতে গুরুতর আহত হলে তাকে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে, পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গুলিবিদ্ধ হাবিল জানিয়েছেন, তিনি জমিতে পানি দিতে গিয়েছিলেন। ভোরে ঘন কুয়াশার মধ্যে কাজ করার সময় বিএসএফ তাকে গুলি করে। হাবিলের ভাবি সুলেখা বেগম জানান, তাদের জমিতে সেচের মর্টার রয়েছে, যেখানে তার দেবর পানি দিচ্ছিলেন, এ সময় বিএসএফ তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। তিনি দাবি করেছেন, হাবিল একজন কৃষক, মাদক চোরাকারবারি নয়।
শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য কাশেদ আলী জানিয়েছেন, বিজিবি ও স্থানীয়দের নিয়ে তিনি কয়েক দিন ধরে সন্ধ্যার পর সীমান্তে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন। আজ ভোরে হাবিল গুলিবিদ্ধ হন।
ইউপি চেয়ারম্যান নিজামুল হক রানা জানান, তিনি মেম্বারের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং পরিবারের সদস্যরাও বলেছেন যে, হাবিল গমের জমিতে পানি দিতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে বিএসএফ তাকে গুলি করেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৯ বিজাটির অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া জানান, তেলকুপি সীমান্তে আনুমানিক ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে কয়েকজন চোরাচালানকারী সীমান্ত অতিক্রম করলে বিএসএফ টহলদল তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে চোরাকারবারিরা পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
পরে জানা যায়, হাবিল নামে এক চিহ্নিত চোরাকারবারি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়েছেন এবং তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে, বিজিবির দাবি অনুযায়ী তেলকুপি সীমান্ত এলাকায় কোনো কৃষক অবস্থান করছিল না।
এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে এবং বিএসএফকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় বেপরোয়া গতির বাসের ধাক্কায় একই পরিবারের ৪ জনসহ মোট ৬ জন নিহত হয়েছে।এই ঘটনায় ঘাতক বাসটির চালক মোহাম্মদ নুরুদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে র্যাব সদরদপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ঘাতক বাসটির চালক মোহাম্মদ নুরুদ্দিনকে শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
লে. কর্নেল মুনীম ফেরদৌস আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর বাসচালক আত্মগোপনে সিদ্ধিরগঞ্জ লুকিয়ে ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় দাঁড়িয়ে থাকা ৩ টি গাড়িতে ধাক্কা দেয় যাত্রীবাহী একটি বাস। এতে একই পরিবারের ৪ জনসহ দুটি গাড়ির ৬ আরোহী নিহত ও ৪ জন আহত হন। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই ৫ জন ও বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান।
নিহতরা হলেন- মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নন্দনকোনা গ্রামের বাসিন্দা ও দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারের মালিক নুর আলমের স্ত্রী আমেনা আক্তার (৪০), তার বড় মেয়ে ইসরাত জাহান (২৪), ছোট মেয়ে রিহা মনি (১১), ইসরাত জাহানের ছেলে আইয়াজ হোসেন (২), মোটরসাইকেলের চালক সুমন মিয়ার স্ত্রী রেশমা আক্তার (২৬) ও তার ছেলে মো. আবদুল্লাহ (৭)।
আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন প্রাইভেটকারের মালিক নুর আলম (৪২), তার বোন ফাহমিদা আক্তার (১৭), প্রাইভেটকারের চালক হাবিবুর রহমান (৩৮) ও মোটরসাইকেলের চালক সুমন মিয়া (৪২)।
শুক্রবার দুর্ঘটনার পর পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় আহত ব্যক্তিদের।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় ১০ জনকে এ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৫ জন হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা যান। আহত ৫ জনের মধ্যে ৩ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩ জনের মধ্যে গুরুতর আহত রেশমাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) পাঠানো হয়েছিল। পরে তারা জানতে পারেন, শুক্রবার বিকেলে সেখানে রেশমার মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন


১ কোটি টাকা অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে আওয়ামী দোসরদের নিয়ে কুমিল্লা কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি কমিটি কেন্দ্র থেকে ঘোষণা করা হয়েছে।আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা, মাদক ব্যবসায়ী, আওয়ামী রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িতরা কমিটিতে স্থান পেয়েছে।
কেন্দ্রীয় কমিটিতে এখনো আওয়ামী দোসররা বসে আছে। তাই এ কমিটিও দোসরমুক্ত হয়নি।
শনিবার (৩১ মে) দুপুরে কুমিল্লা সদরের আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকার মেডিসিন কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন সদ্য ঘোষিত কমিটির সহ-সভাপতি মোরশেদুল হক খোকন।
লিখিত বক্তব্যে খোকন আরো বলেন, সম্প্রতি আওয়ামী দোসরদের একটি অংশ তাদের অপকর্ম ঢাকার জন্য মিথ্যে তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেছেন- কুমিল্লায় দুই ব্যক্তির কাছে ঔষধ ব্যবসায়ীরা জিম্মি ।
প্রকৃতপক্ষে চিত্রটা ভিন্ন। সদ্য ঘোষিত কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের পরিবার। তারা যাচাই-বাছাই করে মামলা দায়ের করেছেন। এতে আমাদের কোন হাত নেই। কারণ এখানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা রয়েছে, রয়েছে প্রশাসন। তাই এখানে অন্য কেউ চাইলেও কাউকে আসামি করতে পারবে না। ফলে তাদের এই অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আওয়ামী দোসররা মেডিসিন ব্যবসায়ী শিল্পী ও রুবেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছে। প্রকৃতপক্ষে তারাই অবৈধ মেডিসিন ব্যবসার সাথে জড়িত। ব্যবসার আড়ালে মাদক ব্যবসাও করছেন। বিভিন্ন সময় অবৈধ মেডিসিন ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। মূলত সদ্য ঘোষিত কমিটিতে আটজন আওয়ামী লীগের দোসর রয়েছে, যারা প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে আওয়ামী লীগে রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তারা আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা, সভা- সমাবেশে উপস্থিত থাকতেন। বিভিন্ন এমপি সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামে তাদের ছবি রয়েছে। সেই অপবাদ ঢাকার জন্য তারা এখন শিল্পী ও রুবেলের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ এনেছেন। যা নিন্দনীয়। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
সদ্য ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি পদে থাকা মো: আব্দুল আলীম ভূইয়ার সাথে কুমিল্লা সদরের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী বাহার ও চান্দিনা সংসদীয় আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রাণ গোপালের জনসভা এবং স্থানীয় সাবেক কুসিক কাউন্সিলর সরকার মাহমুদ জাবেদের সুসম্পর্ক ছিল। তাদের সাথে মো: আব্দুল আলীম ভূইয়ার উপস্থিতির ছবি রয়েছে। ১৯৯৬ সালে রেইসকোর্সে অবস্থিত গ্লাক্সো ফার্মাসিটিক্যালস এর ২০ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের মূল পরিকল্পনাকারী ও ১৭ বছর আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা ও আওয়ামী লীগের পৃষ্ঠপোষকতাকারি আব্দুল আলীম।”
এই কমিটির সিনিয়র সভাপতি মো: নুরুল আলম চৌধুরীর ( নোমান) মা নাজমা আক্তার চান্দিনা উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান ছিলেন।
কমিটির সহ-সভাপতি মেসার্স লাবোনি মেডিকেল হলের মালিক এ.কে.এম মোস্তাফিজুর রহমান (শাহজাহান) আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা ছিলেন। এছাড়া তিনি সদরের সাবেক সংসদ সদস্য হাজী বাহার ও চান্দিনার সাবেক সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল , সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ নিয়াজ পাভেলের কাছের মানুষ ছিলেন। এই কমিটির সদস্য মেসার্স নিউ গ্রিণ ফার্মেসীর মালিক এনায়েত উল্লাহ মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালিন কমিটিতে সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটিতে উপদেষ্টা পদ পান তিনি। কমিটির সদস্য মেসার্স নাড়িখান মেডিকেল হলের মালিক মো: শামীম আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা ছিলেন।
সদস্য মেসার্স নিউ মেডিকেল হলের মালিক বাবু ধনঞ্জয় কুমার দত্ত আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিলেন। স্থানীয় কাউন্সিলর সরকার মাহমুদ জাবেদের রাজনীতিতে অর্থ যোগান দিতেন বলে জানা গেছে। সদস্য মেসার্স যমুনা মেডিকেল হলের মালিক নিখীল চন্দ্র দত্ত আওয়ামী সমর্থক ছিলেন এবং সদস্য মেসার্স রিয়া মেডিকেল হলের মালিক প্রহল্লাদ চন্দ্র দত্তের বিরুদ্ধে মেডিসিন ব্যবসায় নানা অনিয়ম করেছে।
আওয়ামী দোসর, অর্থ যোগানদাতা ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। যা নিন্দনীয়। এই ঘটনা ২৪ এর আন্দোলন কে কলঙ্কিত করেছে। আমরা চাই অতিসত্বর এই দোসরদের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মেডিসিন ব্যবসায়ী আবু বকর সিদ্দিক শিল্পী ও রুবেল সহ আরো অনেকে।
সংবাদ সম্মেলন শেষে মেডিসিন কমপ্লেক্সের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন


মাসজুড়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কর্মসূচি জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ সদরে পুলিশের গাড়িতে আগুন ও ভাঙচুর করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশের ৩ সদস্য আহত হয়েছে।
আজ বুধবার সদর উপজেলার উলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো.মিজানুর রহমান।
আহতরা হলেন—গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (আইসি) আহমেদ বিশ্বাস, কনস্টেবল কাওছার ও মিনহাজ।
আহতদের গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের মার্চ টু গোপালগঞ্জকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে সমাবেত হয়।
পরে গোপালগঞ্জ টহল পুলিশের একটি টিমকে লক্ষ্য করে হামলা করে। এ সময় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে যৌথবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে আনে।
গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপার মো.মিজানুর রহমান জানান, কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে আমরা এখন পর্যন্ত জানিনা। তবে আমাদের পুলিশের তিনজন সদস্য আহত হয়েছে এবং একটি গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। আহত ওই তিন সদস্যকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় যৌথভাবে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করেছে । এ সময় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ২টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এ সময় মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ১টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
সোমবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে এত তদারকি অভিযান পরিচালিত হয়।
যৌথভাবে পরিচালিত এই চেকপোস্টে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। যান চলাচলে শৃঙ্খলা নিশ্চিত ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর এই তৎপরতা স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার তরুণ ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আলী মাহি স্থানীয় ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে হয়রানি, চাঁদাবাজি এবং মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সোমবার সকালে কুমিল্লা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মাহি।
তিনি জানান, তিনি মুরাদনগর উপজেলার ২১ নং গুটিপাড়া ইউনিয়নের বাইশখোলা গ্রামের বাসিন্দা। ২০১০ সাল থেকে নিজ পরিশ্রমে বিভিন্ন ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমানে গ্রামে প্রায় ২০ একর জমির ওপর মাছের ফিশারি ও বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন। তার উদ্যোগে এলাকার বহু বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পার্শ্ববর্তী গ্রামের মৃত খোরশেদ মিয়ার ছেলে ও মুরাদনগর ছাত্রদলের নেতা জাকির হোসেন তার কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করে আসছেন। সম্প্রতি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে তার ফিশারি ভাঙচুর ও মাছ লুটের ঘটনা ঘটে।
এছাড়াও পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন মাহি। এ অবস্থায় তিনি দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং অভিযুক্ত জাকির হোসেন গং এর বাদী ইব্রাহীম ও হাসেমের বিচার দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন এবং এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


মৃত তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও পরিবারের ৪ জন সদস্য সোমবার রাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এর সাথে তার অফিস কক্ষে সাক্ষাত করেন।
এ সময় তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন জিওসি এবং নিহতের পরিবারকে আশ্বস্ত করেন যে, এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত আদালতের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং দোষীসাব্যস্তদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে। তিনি আরো জানান যে, তৌহিদের পরিবার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার বিষয়ে সেনাবাহিনী সব সময় পাশে থাকবে এবং সকল প্রকার সহযোগিতা করবে।
তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও পরিবার এতে আশ্বস্ত হয়েছেন। এছাড়াও প্রতারণার মাধ্যমে যারা সেনা ক্যাম্পে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনার দাবী করেছেন। তবে তারা তৌহিদের মৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষিতে একটি মামলা দায়ের করার সকল প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানান।
মন্তব্য করুন


দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক দেশ রূপান্তর, দৈনিক আজকের কুমিল্লা পত্রিকার দাউদকান্দি প্রতিনিধি জাকির হোসেন হাজারীকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে হওয়া দু'টি মামলায় আসামি করা হয়েছে। এঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দাউদকান্দি তিতাসের সাংবাদিক নেতারা।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের আদালতে বি-বাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার আরিফ মিয়া ১৪৫ জনের নামে মামলা করেন। প্রধান আসামী করা হয় শামীম ওসমান কে। ২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ছাত্রদের উপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হাজারীকে ৩৫ নম্বর আসামি করা হয়।
চলতি বছরের ২০ জানুয়ারী ডিএমপির যাত্রাবাড়ী থানায় হওয়া নাশকতা মামলায় সাংবাদিক জাকির হাজারীকে আসামী করা হয়েছে।
সাংবাদিক জাকির হাজারী জানান, মামলার বিষয়ে আমি দু'দিন আগে জেনেছি। বাদি কারা তা জানিনা। তবে বাদি আমাকে চিনে কিনা সন্দেহ। মামলায় যে ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ওই তারিখে আমি কোথায় ছিলাম মোবাইল নেটওয়ার্ক যাচাই করলেই বেরিয়ে আসবে।
আর আমি দীর্ঘদিন সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকতা পেশায় কাজ করছি। এজন্য বিগত আওয়ামী শাসন আমলে একাধিক হামলা এবং হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার সম্মুখীন হয়েছি।
মামলায় উল্লেখ আওয়ামী লীগের পদের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৫ সালের পর থেকে দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি কয়েকটি কমিটি হয়েছছিল। ওইসময় কোন কমিটিতে কোথায় আমার নাম তা জানি না।
এবিষয়ে দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, সাংবাদিক জাকির হাজারী একজন পেশাদার সাংবাদিক, ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন আমি আহত হয়েছিলাম। তখন সেসহ কয়েকজন আমাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসে। আর দাউদকান্দির সাংবাদিকের নামে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মামলা হওয়া মানে তাকে হয়রানি করার ষড়যন্ত্র বলে মনে করছি। তাই তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির দাবী জানাচ্ছি।
বৃহত্তর দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ আলী শাহীন বলেন, সাংবাদিক জাকির হাজারী বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের মধ্যে একজন। পেশাগত কাজে কখনোই কোন অন্যায়ের সাথে আপোষ করেনি। স্বার্থান্বেষী একটি মহল হয়রানি করার উদ্দেশ্যে সুকৌশলে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জের মামলায় পেশাদার সাংবাদিক জাকির হোসেন হাজারীর নাম আসামি তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়েছে।আমরা ওই মামলা থেকে সাংবাদিক জাকির হাজারীকে অব্যাহতি বা নাম বাদ দেয়ার দাবী জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বজ্রপাতে আনোয়ারুল হক (২৮) নামের একহন মাটি কাটা শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
তিনি লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার বারগরিয়া গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে। দুপুরে উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের খিরনশাল- লনিশ্বর মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন উপজেলার মুন্সীরহাট ইউপি সদস্য সাহাব উদ্দিন মজুমদার রানা। এসময় আহত হয়েছেন আরেক শ্রমিক একই এলাকার মজিবুর রহমান।
আহত মজিবুর রহমান জানান, লনিশ্বর গ্রামের মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের কৃষি জমিতে সকাল থেকে মাটি কাটার কাজ করছিলাম আমরা ১০/১২ জন শ্রমিক। দুপুরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে থেমে থেমে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারুল হকের মৃত্যু হয়। আমাদের শোর চিৎকারে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবুল হাসেম জানান, বজ্রপাতের ঘটনায় দুইজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তার মধ্যে আনোয়ারুল হক নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে৷ মজিবুর রহমান নামের আরেক জনকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নে তিন লবণচাষির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৫ মে) উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন- হোয়ানক ইউনিয়নের কালাগাজীর পাড়া গ্রামের আবুল ফজলের ছেলে রিদোয়ান (৩৫), পানিরছড়া গ্রামের আকতার কবিরের ছেলে মুহাম্মদ নেছার (৩২) ও পানিরছড়া বারঘর পাড়ার মৃত মতনের ছেলে মো. আনছার।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরী জানান, রোববার (১৪ মে) সকাল ১০টায় মাঠে পলিথিন ও লবণ উঠানোর জন্য আনুমানিক ৪০-৫০ জন শ্রমিক মাঠে যায়। বৃষ্টির মধ্যে কাজ করার কারণে ঠান্ডায় ৬/৭ জন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রিদওয়ানকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন আর বাকিদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে লবণ মাঠে পলিথিন উঠাতে গিয়ে মৃত্যু হয় মুহাম্মদ নেছার নামের আরেকজনের। তাকে রাত সাড়ে ১০টায় পানিতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় সোনা মিয়া নামের আরেক কৃষককে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তিনি মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এছাড়া এলাকাবাসী রাত সাড়ে ১১টায় লবণ মাঠ থেকে আনছারের মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, হোয়ানকের বিভিন্ন গ্রামের আরও ১০/১৫ জন লবণচাষি এখনও ঘরে ফিরেননি।
এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, তিনজনের মৃত্যু ও কয়েকজন অসুস্থ হওয়ার কথা শুনেছি। তবে কী কারণে তারা মারা গেছেন সেটা সঠিক জানি না। এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষের হয়েছে। এসময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন চার শিক্ষার্থী।
বোরবার (১৯ অক্টোবর) বেলা ১২ টা দিকে কলেজের কান্দিরপাড়ের উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পর কলেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
আহতরা হলেন, মোস্তাফিজুর রহমান, অনয় দেবনাথ, মো. মাহিন ও মো. রিজভী। তারা কুমিল্লার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, রোববার সকাল ১১টার পর কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক শাখার ব্যবসা শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থী জিসান ও ফাহাদের সঙ্গে বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থী তানভীন সিফাতের সঙ্গে কথাকাটি হয়। এঘটনার সময় সিপাত ফাহাদকে হামলা করে এবং জিসানকে মারধরের হুমকি দেয়। পরে পাহাদ ও সিফাতের মধ্যে মারামারি হয়। একপর্যায়ে সিফাত তার বিভিন্ন কলেজে থাকা বন্ধুদের কল দিলে তারাও সিপাতের সঙ্গে এসে যোগ দেয়। বেলা ১২ টার কিছু সময় পর কলেজের শিক্ষার্থীরা বের হওয়া শুরু হলে সিফাত ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা করে। এঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক তরুণ হাতে ধারলো রামদা নিয়ে অন্য তরুণদের দৌড়াচ্ছে। এসময় এক তরুণদের হাতে পিস্তল দেখা যায়। তবে তার চেহারা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছিলো না। ১২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যাওয়া ঐ তরুণ সিফাত বলে জানা গেছে। এদিকে ঘটনায় আহত ৪ জনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমান নামে এক জনের অবস্থা আশংকাজনক।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ আবুল বাসার ভূঁঞা বলেন, এ ঘটনায় পর কলেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এঘটনায় যতটুকু জেনেছি আহতদের কেউ ভিক্টোরিয়া কলেজের নয়। তবে ভিক্টোরিয়া কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী এঘটনার সঙ্গে জড়িত। আমরা এঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবো। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ইতোমধ্যেই আমরা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি এবং এঘটনার সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জানানোর ব্যবস্থা করছি।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে জেনেই পুলিশ পাঠিয়েছি। এবিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন