

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তেলকুপি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি কৃষক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
এ ঘটনা ঘটেছে শনিবার ভোর ৫টায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ১৮০ সাব পিলার ৭এর তেলকুপি মুড়িয়া মাঠ এলাকায়। গুলিবিদ্ধ কৃষকের নাম হাবিল উদ্দীন (৩০), তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের তেলকুপি মোল্লাটোলা গ্রামের বেলাল উদ্দীনের ছেলে।
স্থানীয় জনগণ ও জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ভোরে আন্তর্জাতিক মেইন পিলার ১৮০ সাব পিলার ৭এর কাছের তেলকুপি মুড়িয়া মাঠে গমের জমিতে কাজ করছিলেন হাবিল। ওই সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ১১৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোপালনগর ক্যাম্পের জওয়ানরা হাবিলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলির আঘাতে গুরুতর আহত হলে তাকে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে, পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গুলিবিদ্ধ হাবিল জানিয়েছেন, তিনি জমিতে পানি দিতে গিয়েছিলেন। ভোরে ঘন কুয়াশার মধ্যে কাজ করার সময় বিএসএফ তাকে গুলি করে। হাবিলের ভাবি সুলেখা বেগম জানান, তাদের জমিতে সেচের মর্টার রয়েছে, যেখানে তার দেবর পানি দিচ্ছিলেন, এ সময় বিএসএফ তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। তিনি দাবি করেছেন, হাবিল একজন কৃষক, মাদক চোরাকারবারি নয়।
শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য কাশেদ আলী জানিয়েছেন, বিজিবি ও স্থানীয়দের নিয়ে তিনি কয়েক দিন ধরে সন্ধ্যার পর সীমান্তে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন। আজ ভোরে হাবিল গুলিবিদ্ধ হন।
ইউপি চেয়ারম্যান নিজামুল হক রানা জানান, তিনি মেম্বারের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং পরিবারের সদস্যরাও বলেছেন যে, হাবিল গমের জমিতে পানি দিতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে বিএসএফ তাকে গুলি করেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৯ বিজাটির অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া জানান, তেলকুপি সীমান্তে আনুমানিক ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে কয়েকজন চোরাচালানকারী সীমান্ত অতিক্রম করলে বিএসএফ টহলদল তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে চোরাকারবারিরা পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
পরে জানা যায়, হাবিল নামে এক চিহ্নিত চোরাকারবারি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়েছেন এবং তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে, বিজিবির দাবি অনুযায়ী তেলকুপি সীমান্ত এলাকায় কোনো কৃষক অবস্থান করছিল না।
এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে এবং বিএসএফকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীতে ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণ করা যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ সুমনকে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। শুক্রবার বিকেল ৩ টায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যুবলীগ নেতা সুমনের ঘরের পাশে ঝোপে বস্তার নিচে লুকানো এলজি টি উদ্ধার করে সেনাবাহিনী।
গ্রেফতার হওয়া সুমন নগরীর ৫ নং ওয়ার্ডের মোগলটুলি উত্তর গাংচর এলাকার মৃত আলাউদ্দিন আহাম্মদের বড় ছেলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া যুবলীগ নেতা সুমনের অস্ত্রটি বাড়ির পাশের ঝোপঝাড়ের আড়ালে বস্তার নিচে লুকানো রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়ে সেনাবাহিনীর আদর্শ সদর ক্যাম্প শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় মোগলটুলির গাংচর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রটি উদ্ধার করে।
সদর ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন তৌহিদের নেতৃত্বে একটি পেট্রোল ঘটনাস্থলে গিয়ে দেশীয় অস্ত্রটি উদ্ধার করে কোতয়ালী থানায় জমা দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র আরো জানায়, যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ সুমন বৃহস্পতিবার সকালে ছাত্রলীগের মিছিলে অংশ নেন। পরে পরে পুলিশের অভিযানে সুমন গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার সহযোগীরা আতঙ্কে তার অস্ত্রটি তার বাড়ির পাশে ফেলে যায়।
যৌথ গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, সুমন ও তার অনুসারীরা আরও অস্ত্রশস্ত্রের মালিক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও তৎপরতা সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন প্রভাবশালী বিএনপি নেতার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
উল্লেখ্য যে, যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ সুমন সদরের সাবেক এমপি হাজী আ কম বাহাউদ্দিন বাহারের অন্যতম অনুসারী ছিলেন। ৫ আগস্টের পরে তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীদের সাথে চলাফেরা শুরু করেন। এমনকি মোগলটুলী মোড়ে কুসিকের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুকে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্টার ব্যানার করেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার যুবলীগ নেতা সুমন গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে ছাড়িয়ে নিতে এমনকি দুর্বল মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করার জন্য বিএনপি'র একটি অংশ জোর তদবির করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
মন্তব্য করুন


ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত এবং আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।
শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা দেওয়ান আজাদ জানান, এক্সপ্রেসওয়েতে টোল পরিশোধের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারকে পিছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয় ঢাকা-কুয়াকাটা রুটের ব্যাপারী পরিবহনের একটি বাস। এতে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলো দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
প্রাইভেটকারের ভেতরে আটকা পড়ে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। আহতদের দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হলেও পথেই আরও চারজনের মৃত্যু হয়। আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানি জানান, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনগুলো সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের পেকুয়ায় ডাম্পট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত এবং দুইজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে পেকুয়ার ধনিয়াকাটা এলাকায় এবিসি আঞ্চলিক মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- অটোরিকশাচালক মনিরুল মান্নান, যিনি পেকুয়ার ধনিয়াকাটার ছৈয়দ আলমের ছেলে; চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ফিরোজ, তার স্ত্রী শারমিন এবং তাদের শিশু সন্তান। নিহত আরেকজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, সকাল ৭টার দিকে পেকুয়া এবিসি এলাকায় মিনি ট্রাক (ডাম্পট্রাক) ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয় এবং দুইজন আহত হন। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী কক্সবাজারের সীমান্ত পরিদর্শনকালে টেকনাফে হ্নীলা জাদিমুড়া পশ্চিম পাহাড় থেকে ১৭ শ্রমিকসহ ১৯ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। বন বিভাগের জায়গায় কাজ করতে গেলে তাদেরকে অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা।
আজ সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন।
অপহৃতরা হলেন বন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম (২২), সৈয়দ (৫০), রফিক, শ্রমিক আইয়ুব খান (১৮), আইয়ুব আলী (৫০), আনসার উল্ল্যাহ (১৮), আয়াত উল্ল্যাহ (২২), সামছু (৪৫), ইসলাম (২১),সামছু (৪০), ইসমাইল (৩৫), মোহাম্মদ হাসিম (৪০), নূর মোহাম্মদ (২১), সৈয়দ আমিন (৩০),সফি উল্ল্যাহ (৩০), আইয়ুব (৫০), মাহাতা আমিন (১৮)। এছাড়া আরও দুজনের নাম পাওয়া যায়নি। তাদের মধ্যে অনেকে রোহিঙ্গা বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, হ্নীলা জাদিমুড়া এলাকা থেকে ফরেস্টসহ ১৯ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। তাদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
টেকনাফ বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘প্রতিদিনের ন্যায় বাগানে কাজ করতে গেলে ১৯ জনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), উপজেলা প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’
এদিকে অপহরণের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথ ট্রান্সফোর্স গঠন করে পাহাড়ে চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে। এ ঘটনায় টেকনাফে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ শনিবার কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন। সম্মেলনকে ঘিরে জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। কুমিল্লা টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে ভার্চুয়ালের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। সম্মেলনের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা (বুলু)।
আজ সম্মেলনে কোন ভোট হচ্ছে না। কাউন্সিলর তালিকা চূড়ান্ত না হওয়ায় তা প্রকাশও করা সম্ভব হয়নি। এদিকে সমঝোতার মাধ্যমে শীর্ষ ৫ পদ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
শীর্ষ ৫ পদ ঘোষণা করা হবে সম্মেলনে:
সভাপতি পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী না থাকায় বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন সভাপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এদিকে গত প্রায় একমাস ধরে জেলা বিএনপির লাখ লাখ কর্মী তাদের পছন্দের নেতাকে নেতৃত্বে দেখতে অপেক্ষায় ছিলেন। সাধারণ সম্পাদক পদে জনপ্রিয় দুই নেতা প্রতিদ্বন্দ্বী করায় পুরো জেলাজুড়ে ব্যানার পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছিল। প্রতিদিনই জেলার সর্বত্র নেতাকর্মীদের আলোচনায় ছিল সাধারণ সম্পাদক দুই প্রার্থীর নাম। কিন্তু হঠাৎ সম্মেলনের ৩ দিন আগে প্রতিদ্বন্দ্বি দুই প্রার্থীর মধ্যে সমঝোতা কিংবা ছাড় দেয়ার ফলে আমীরুজ্জামান আমীর সরে গেলে বা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলে সম্মেলনের আগেই আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। সিনিয়র সহ সভাপতি পদে ৩ জন মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। তারা হলেন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীতা থেকে সরে আসা আমীরুজ্জামান আমীর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হাজী জসিম উদ্দিন ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিক মিয়া। তবে এখানে সমঝোতার মাধ্যমে আমীরুজ্জামান আমীর সিনিয়র সহ-সভাপতি হতে যাচ্ছেন। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ৪ জন মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। তারা হলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদা, বরুড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক স্বপন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম চৌধুরী ও সদর দক্ষিণের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আমান । এ পদে কামরুল হুদা সমঝোতার মাধ্যমে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হতে যাচ্ছেন।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৩ জন মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। তারা হলেন- দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা জামান , দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম চৌধুরী ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হক ভূইয়া স্বপন। এ পদে সমঝোতার মাধ্যমে নজরুল হক ভূইয়া স্বপন নির্বাচিত হচ্ছেন।
যে কারনে কাউন্সিলর ( ভোটার) চূড়ান্ত করতে পারেনি আহ্বায়ক কমিটি:
দক্ষিণ জেলা বিএনপির আওতাধীন উপজেলা ও পৌরসভা মিলিয়ে মোট ১৪টি ইউনিট আছে। প্রতিটি ইউনিট থেকে ১০১ জন কাউন্সিলর (ভোটার) আছেন। সে ক্ষেত্রে কোনো পদে ভোট হলে মোট ১ হাজার ৪১৪ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তবে ৫টি ইউনিট ছাড়া বাকি ৯টি ইউনিটের কমিটি জেলাতে জমা না হওয়ায় কাউন্সিলর ( ভোটার) চূড়ান্ত হয়নি। ফলে প্রার্থী থাকলেও ভোট সম্পন্ন করা সম্ভব হতো না। তাই সমঝোতার মাধ্যমে সেরা ৫ পদ চূড়ান্ত করা হয়েছে। বাকি পদগুলো পরে ঘোষণা করা হবে।
এছাড়া প্রচার সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো: মোজাহিদ চৌধুরী।
মো: মোজাহিদ চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন ধরে যারা ছাত্রদল করে আসছে, যারা জেলা ও মহানগরে স্থান পায়নি, তাদের জেলা কমিটিতে অর্ন্তভুক্ত করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
সহ-সভাপতি পদে আলোচনায় থাকা কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডা: গোলাম কাদের চৌধুরী নোবেল জানান, প্রথমত আমি চাই জেলা দক্ষিণ বিএনপির এই সম্মেলন সফল হোক। সাংগঠনিক যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই পদ পাবে এই প্রত্যাশা করছি। জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে নতুন কমিটি সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিবে, তাতে কোন সন্দেহ নেই।
সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে আলোচনায় আমীরুজ্জামান আমীর জানান, সকলের প্রচেষ্টায় একটি সফল ও সার্থক সম্মেলন হতে যাচ্ছে। আশা করি যোগ্য ব্যক্তিরা পদে আসবে।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম জানান, আমরা একটি জাকঁজমকপূর্ণ, সার্থক ও সফল সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই ভূঁইয়া কানুকে জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্চিতের একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ইতোমধ্যেই এ ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুছ সরকার অভিযুক্তদের গ্রেফতারে বিবৃতি দিয়েছেন। পাশাপাশি বলেছেন কানুর বিরুদ্ধে ৮-৯টি মামলা রয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম থানা সূত্রেও জানা যায়, আব্দুল হাই কানুর বিরুদ্ধে ১টি হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, রবিবার দুপুরে স্থানীয় বাতিসা ইউনিয়নের কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মুক্তিযোদ্ধা ও কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ নেতা আব্দুল হাই কানুকে জুতার মালা পড়ায় স্থানীয় প্রবাসী আবুল হাশেমসহ এলাকাবাসী।
এসময় স্থানীয়দের বলতে শোনা যায়, আব্দুল হাই কানুর কারণে তারা গত ১৫ বছর এলাকায় থাকতে পারেনি।
২০১৬ সালের আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ রানা হত্যার প্রতিবাদে এবং কানু ও তার ছেলে বিপ্লবকে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে স্থানীয় আ’লীগ সমাবেশ করে।
সমাবেশে উপজেলা আ’লীগের প্রচার সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বলেন, আব্দুল হাই কানুর কারণে স্থানীয় আ’লীগ নেতাকর্মীরাও এলাকাছাড়া।
সোমবার সকালে সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে স্থানীয় জসিম উদ্দিন বলেন, আবদুল হাই কানুর সাথে আ’লীগ ব্যতিত আর কোন রাজনৈতিক দ্বন্ধ নেই।
ভাইরাল ভিডিওটি রাজনৈতিক নয়। এলাকার ভুক্তভোগীরা ঘটনা করেছে। এসময় আমিও সাথে ছিলাম। হত্যাকান্ডের শিকার রানা হত্যা মামলায় ১নং আসামী কানু। আওয়ামী লীগ নেতা শাহীন হত্যার ঘটনাও অন্যতম নির্দেশদাতা কানু মেম্বার। কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধী এক প্রার্থী আবদুল হালিম মজুমদারকে লাথি মেরে পুকুরে ফেলে দেয়। ঐ নির্বাচনে আমাকেও লাঞ্চিত করে।
স্থানীয় ট্রাক্টর চালক আনোয়ার হোসেন বলেন, পারিবারিক দ্বন্ধে এ ঘটনা ঘটেছে। এর সাথে রাজনীতির সম্পৃক্ততা নাই। গত ২০১৬ সালের ৩ই সেপ্টেম্বর যুবলীগ নেতা আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ রানাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে কানু মেম্বার। ঐদিন আমি নিজেও গুলির শব্দে ব্রীজ থেকে লাফ দিয়ে আহত হই। কানু মেম্বার আমার চাচা নুরুল ইসলাম মিনারকে রাতের আধাঁরে মারধর করে।
আবদুল হালিম মজুমদারের ভাই আবদুর রহমান (৮০) বলেন, কানু আমার ভাইকে বিদ্যালয়ের নির্বাচনের সময়ে লাথি মেরে পুকুরে ফেলে দেয়। আ’লীগ সরকারের সময়ে আমার ভাইয়ের থেকে ২৬লাখ টাকা চাঁদাবাজী করে। এমনকি আমার ঘর নির্মাণের সময় আমার থেকেও ৭ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। এসময় তিনি সাংবাদিকদের আরও বলেন, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনের দ্বন্ধেই রবিবার দুপুরে কানুকে আটক করে এলাকাবাসী।
সাবেক ইউপি মেম্বার ও অবঃ সেনাসদস্য আবদুল হক বলেন, কানু এই এলাকায় গত ১৭ বছরে সন্ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করেছে। একাধিক হত্যা, বাড়িঘর ভাংচুর এবং চাঁদাবাজীর সাথেও সে জড়িত। স্থানীয়রা পূর্বের ক্ষোভ থেকে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন বলেন, আ’লীগ নেতা আব্দুল হাই কানু হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামী। পূর্বের বিভিন্ন বিরোধ থেকে এলাকাবাসী এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এর সাথে রাজনৈতিক কোন সম্পৃক্ততা নাই। এমনটি ভাইরাল ভিডিওকে উল্লেখিত ব্যক্তিগত জামায়াতের কোন পদ-পদবীতে নাই।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আক্তারুজ্জামান সোমবার দুপুরে বলেন, আব্দুল হাই কানুর বিরুদ্ধে ৮-৯টি মামলার বিষয়ে পুরনো অপারেটরের মাধ্যমে জেনেছি। তবে আমার কাছে একটি হত্যা মামলা এবং একটি ভাংচুরের মামলার তথ্য রয়েছে। ভাইরাল ভিডিওতে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ বলেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানুকে লাঞ্ছিতের ঘটনা অপ্রত্যাশিত। মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছি আমরা। পরিবার থেকে এখনো লিখিত কোন অভিযোগ দেয়া হয়নি। এ ঘটনায় একটা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আরাফাতুল ইসলাম বলেন, সকলের সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। তিনি যদি কোন অপরাধ করে থাকেন আইন অনুযায়ী বিচার হবে। অপরাধীকে জুতার মালা পড়ানো সম্মানহানীর কোন সুযোগ আইনে নাই।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে ক্রীড়া পরিদপ্তর, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে প্রীতি কারাতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার ( ১৬ ডিসেম্বর) বিকাল ৩ টায় কুমিল্লা জেলা স্টেডিয়াম জিমনেসিয়ামে কুমিল্লা নগরীর বালক-বালিকাদের অংশগ্রহণে প্রীতি কারাতে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে ।
এ প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা সুমন কুমার মিত্রের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) মো: মঈন উদ্দিন।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেব উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও সংগঠক বদরুল হুদা জেনু, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল আলম চপলসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ভারত থেকে মাদক ও বিদেশী অস্ত্র নিয়ে এসে বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করার অপরাধে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃত রিয়াদ হোসেন (২৯) কুমিল্লা সদর উপজেলার ভাটকেশ্বর গ্রামের জসিমের ছেলে। অপর যুবক মামুন মিয়া (২৯) একই গ্রামের মৃত মঞ্জিল মিয়ার ছেলে।
মঙ্গলবার সকালে কুমিল্লা র্যাব ১১ এর অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
মেজর সাদমান জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ভাটকেশ্বর গ্রামে অভিযান চালিয়ে দুই যুবককে একটি বিদেশী পিস্তল,৩ রাউন্ড গুলি একটি ম্যাগজিন, বিপুল পরিমান মাদকসহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত দুই যুবকের মধ্যে অস্ত্র ও মাদক আইনে রিয়াদের বিরুদ্ধে ১৮ টি ও মামুনের বিরুদ্ধে ৫ টি রয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গুণাইঘর উত্তর ইউনিয়নে ঘোড়া প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহিদা আক্তারের মতবিনিময় সভায় যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষরা ঘোড়া প্রতিকের দুই কর্মীকে পিস্তল ঠেকিয়ে রড ও লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করে ।
শুক্রবার (১৭ মে) রাতে ইউনিয়নের বনকুট এলাকায় এ হামলা-মারধরের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন, দেবিদ্বার উপজেলার গুণাইঘর উত্তর ইউনিয়নের ছেপাড়া গ্রামের মৃত. তাজুল ইসলামের ছেলে মো: দুলাল মিয়া (৩৫) ও একই গ্রামের আব্দুল আলীমের ছেলে মো: আজিজ (৩০)। আহতদের দেবিদ্বার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বাদি হয়ে দুলাল মিয়া ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে দেবিদ্বার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তারা হলেন, গুনাইঘর এলাকার মৃত. ইসমাইলের ছেলে মাকবুল হোসেন (৮৮), মৃত. ফরিদ উদ্দিনের ছেলে মো: রাসেল (৪২), মৃত. লতিফ সরকারের ছেলে গাজী আসিফ বিন লতিফ((২৮), গজারিয়া এলাকার সফর আলীর ছেলে মো: কাউসার মেম্বার(৩৬), বাকসার পাঠান বাড়ির মো: শাহানুর (৩০), মৃত. সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে শফিউল্লাহ (৪৫)।
আহত দুলাল মিয়া ও মোঃ আজিজ জানান, আমরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঘোড়া প্রতীকের কর্মী ও সমর্থক ৷ সাবেক এমপি রাজী মোহাম্মদ ফখরুল মহোদয়ের বাড়িতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঘোড়া প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহিদা আক্তারের মতবিনিময় সভায় যাওয়ার পথে আসামিরা পিস্তল, ছুরি, রামদা, রড ও লাঠিসোটা আমাদের উপর আক্রমণ করে। তারা আমাদের পথরোধ করে আমাদের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে মতবিনিময় সভায় যেতে নিষেধ করে। আমরা তাদের কথা শুনব না বলাতে তারা এলোপাথারীভাবে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে আমাদের আহত করে। আমাদের গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে । তারা আমাদের মারধর করে আমাদের সঙ্গে থাকা নগদ সাড়ে ৩ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং পরনের কাপড় চোপড় ছিড়ে ফেলে ৷ ভবিষ্যতে যাতে ঘোড়া প্রতিকের কোন মিছিল-মিটিংয়ে না যাই, সে নির্দেশনা দিয়ে তারা চলে যায়।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন মিয়া জানান, এ ঘটনায় দুই পক্ষ দুটি অভিযোগ করেছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য যে, আগামী ২৯ মে দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মূল দুই প্রতিদ্বন্দ্বি হলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রোশন আলী মাষ্টারের স্ত্রী শাহিদা আক্তার ও স্থানীয় এমপি আবুল কালাম আজাদের ছোট ভাই মামুন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা, বাবা ও মেয়েসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার কদমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তারা হলেন, ওই এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে মো. সালাম (৪০), তার স্ত্রী রুপা খাতুন (৩৫) ও মেয়ে সাবা খাতুন (১৩)। এ ঘটনায় তার ভাতিজা সিয়াম (১৩) আহত হয়েছেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সজীব উদ্দিন স্বাধীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রুপা খাতুন বিকেল ৪টার দিকে ঘরঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় ঘরে ঝুলে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান স্বামী মো. সালাম ও তার মেয়ে সাবা। এ সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তারা ৩ জন ঘটনাস্থলে মারা যান। এ সময় ঘটনাস্থলের পাশে থাকা সালামের ভাতিজাও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুতর আহত হন।
মৃত সালামের চাচাতো ভাই সাইদুল ইসলাম জানান, সালামের শহরের জেলখানা মোড়ে ফটোকপির দোকান রয়েছে। দুপুরে খাবার খাওয়ার জন্য বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ওই সময় ঘরের ভেতর পরিবারের সবাই অবস্থান করছিলেন। একদিন আগে বাড়িতে ইলেকট্রিকের কাজ করিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সজীব উদ্দিন স্বাধীন বলেন, তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত আরেকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য সোহেল জানান, তিনজনের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক জানে আলম জানান, তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছেন কিনা প্রাথমিকভাবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারণ খুঁজে দেখা হচ্ছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার (ওসি) তদন্ত দিপেন্দ্রনাথ জানান, মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন