

দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক দেশ রূপান্তর, দৈনিক আজকের কুমিল্লা পত্রিকার দাউদকান্দি প্রতিনিধি জাকির হোসেন হাজারীকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে হওয়া দু'টি মামলায় আসামি করা হয়েছে। এঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দাউদকান্দি তিতাসের সাংবাদিক নেতারা।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের আদালতে বি-বাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার আরিফ মিয়া ১৪৫ জনের নামে মামলা করেন। প্রধান আসামী করা হয় শামীম ওসমান কে। ২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ছাত্রদের উপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হাজারীকে ৩৫ নম্বর আসামি করা হয়।
চলতি বছরের ২০ জানুয়ারী ডিএমপির যাত্রাবাড়ী থানায় হওয়া নাশকতা মামলায় সাংবাদিক জাকির হাজারীকে আসামী করা হয়েছে।
সাংবাদিক জাকির হাজারী জানান, মামলার বিষয়ে আমি দু'দিন আগে জেনেছি। বাদি কারা তা জানিনা। তবে বাদি আমাকে চিনে কিনা সন্দেহ। মামলায় যে ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ওই তারিখে আমি কোথায় ছিলাম মোবাইল নেটওয়ার্ক যাচাই করলেই বেরিয়ে আসবে।
আর আমি দীর্ঘদিন সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকতা পেশায় কাজ করছি। এজন্য বিগত আওয়ামী শাসন আমলে একাধিক হামলা এবং হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার সম্মুখীন হয়েছি।
মামলায় উল্লেখ আওয়ামী লীগের পদের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৫ সালের পর থেকে দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের পাল্টাপাল্টি কয়েকটি কমিটি হয়েছছিল। ওইসময় কোন কমিটিতে কোথায় আমার নাম তা জানি না।
এবিষয়ে দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, সাংবাদিক জাকির হাজারী একজন পেশাদার সাংবাদিক, ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন আমি আহত হয়েছিলাম। তখন সেসহ কয়েকজন আমাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসে। আর দাউদকান্দির সাংবাদিকের নামে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে মামলা হওয়া মানে তাকে হয়রানি করার ষড়যন্ত্র বলে মনে করছি। তাই তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির দাবী জানাচ্ছি।
বৃহত্তর দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ আলী শাহীন বলেন, সাংবাদিক জাকির হাজারী বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের মধ্যে একজন। পেশাগত কাজে কখনোই কোন অন্যায়ের সাথে আপোষ করেনি। স্বার্থান্বেষী একটি মহল হয়রানি করার উদ্দেশ্যে সুকৌশলে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জের মামলায় পেশাদার সাংবাদিক জাকির হোসেন হাজারীর নাম আসামি তালিকায় ঢুকিয়ে দিয়েছে।আমরা ওই মামলা থেকে সাংবাদিক জাকির হাজারীকে অব্যাহতি বা নাম বাদ দেয়ার দাবী জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৫ ( বুড়িচং-ব্রাহ্মণ পাড়া) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাবেক সহ-সভাপতি ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি'র সাবেক সহ-সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ এস এম আলাউদ্দিন অংশগ্রহণ করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন।
স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনুরোধে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এস এম আলাউদ্দিন জানান, বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার সাধারণ মানুষ যদি আমাকে চায়, তাদের ভালোবাসা ও আস্থা যদি পাই, তবে আমি আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেব। জনগণের ইচ্ছাই হবে আমার সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তি। জনগণ চাইলে আমি তাদের শাসক হিসেবে নয়, সেবক হিসেবে পাশে থাকতে চাই।
তিনি আরো বলেন, মানুষের সেবা করা এবং এলাকার উন্নয়নে কাজ করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবত রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত এবং বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষের সেবা করে আসছি। তাদের পাশে থেকে আমৃত্যু সেবা করে যাবো। আমি ২০০৭ ও ২০০৮ সালে কুমিল্লা-৫ থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা পেয়েছি। ১৯৯১ সাল থেকে আমি বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে রাজনীতি করছি। এলাকার মানুষ যদি আমাকে সুযোগ দেয়, তবে আমি প্রমাণ করতে চাই একজন সৎ ও আদর্শ এমপি চাইলে কীভাবে এলাকার আমূল পরিবর্তন আনা সম্ভব। বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তবর্তী হওয়ায় এখানে মাদকের অনুপ্রবেশ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আমি নির্বাচিত হলে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করব। পাশাপাশি বেকারত্ব দূরীকরণ, রাস্তাঘাট ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন আমার অগ্রাধিকার হবে।
তিনি আরও বলেন,আগামী দিনে আমি এমন একটি বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার স্বপ্ন দেখি যেখানে মানুষ রাতে নিশ্চিন্তে দরজা খুলে ঘুমাতে পারবে।
উল্লেখ্য যে, এসএম আলাউদ্দিন স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ে বিএনপির রাজনীতিতে তিনি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ীও বটে।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ রানা (৩০) নামে এক কাভার্ডভ্যান চালক নিহত ও অপর দুর্ঘটনায় শরীফ নামে এক কাভার্ডভ্যান চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ভোর বেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাতিসা ইউনিয়নের আমজাদের বাজার এলাকায় পানসী হোটেল ও গাংরা রাস্তার মাথায় পৃথক দু’টি দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোহাম্মদ রানা চট্টগ্রাম শহরের হালিশহর থানার সবুজবাগ এলাকার মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার ছেলে। আহত শরিফ ভোলা জেলার চকমারিয়া গ্রামের বলে জানা গেছে। তথ্যটি নিশ্চিত করেন মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক মো: গিয়াস উদ্দিন।
চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে ঢাকামুখী কাভার্ডভ্যান (চট্ট মেট্রো-ট-১১-৬১৬২) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তার সামনে থাকা অপর অজ্ঞাতনামা গাড়িকে স্বজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই কাভার্ডভ্যানের চালক মোহাম্মদ রানা নিহত হন।
অপর ঘটনায় মহাসড়কের আলকরা ইউনিয়নের গাংরা রাস্তার মাথায় ভোর বেলায় দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ডভ্যান (ঢাকা মেট্রো-ট-১১-৬১৪৩) কে অপর একটি কাভার্ডভ্যান (চট্ট মেট্রো-ঢ-১১-৫৩৪১) স্বজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ধাক্কা দেয়া কাভার্ডভ্যানের চালক শরীফ গুরুতর আহত হন। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিস এর কর্মীরা। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় প্রেরণ করা হয়েছে।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার মো: নজরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে নিহত মোহাম্মদ রানার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরে আইনী প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে নিহতের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের উনকোট গ্রামে বিশেষ অভিযানে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী।
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোর প্রায় ৪ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ রাকিব হোসেন চৌদ্দগ্রামের উনকুট গ্রামের তাজুল ইসলামের পুত্র।
অভিযানের সময় আসামির কাছ থেকে দুটি ওয়াকিটকি সেট, দুটি ওয়াকিটকি চার্জার, একটি লাঠি ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
মন্তব্য করুন


চাঁদাবাজির অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজিসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সোমবার (১৫ মে) এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। তবে এদিন ওয়ারী থানার ওসি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুলতান সোহাগ উদ্দিনের আদালত নতুন দিন ধার্য করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী জহির কামাল বিষয়টি জানিয়েছেন।
এর আগে গত ১৫ মার্চ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক মশিউর রহমান বাদী হয়ে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে ওয়ারী থানার ওসিকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ফরহাদ ব্যাপারী, আরশাদ আকাশ, রাসেল চাকলাদার ও টুটুল বিশ্বাস।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ২৫ আগস্ট আসামি ফরহাদ ব্যাপারী বাদীর কাছ থেকে ব্যবসার কথা বলে ৪ লাখ টাকা ধার নেয় এবং ব্যবসায় লাভ হলে লভ্যাংশ দেবে বলে জানায়।
কিছু দিন পর বাদী আসামির কাছে টাকা চাইলে সে জানায় ব্যবসায় লস হয়েছে এবং শিগগিরই টাকা ফেরত দেবে বল জানায়। এরপর ৫ অক্টোবর পাওনা টাকা চাইলে বাদীকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। আসামি ইব্রাহিম ফরাজি বাদীকে তাদের সমস্যার সমাধান করে দেবে বলে জানায় এবং তাকে দেখা করতে বলে। ১৮ নভেম্বর ইব্রাহিম ফরাজির কথা মতো তার ঠিকানায় পৌঁছালে আসামিরা তাকে রুমের ভেতর নিয়ে গিয়ে চর থাপ্পড় মারতে থাকে। এর মধ্যে আসামি আরশাদ আকাশ পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাদীকে পিস্তল ঠেকিয়ে একটি আইফোন এবং এগারো হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তার হাতে পিস্তল দিয়ে ছবি তুলে তার বিরুদ্ধে মামলা দেবে বলে হুমকি দেয়। তার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে আরও দুই লাখ টাকা দাবি করে এবং এই সব বিষয়ে কাওকে কিছু জানলে মিথ্যা মালমা দিয়ে বাদীকে ক্রসফায়ারের মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকায় আবারও অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। বন বিভাগের কাজে নিয়োজিত ৩ কর্মীসহ ১৯ শ্রমিক এখনো উদ্ধার হয়নি। এর মধ্যেই নতুন করে আরও ৭ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন।
অপহৃতদের মধ্যে একজন সিএনজি চালক, একজন অটোরিকশা চালক এবং বাকিরা যাত্রী বলে জানা গেছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
মঙ্গলবার সকালে হোয়াইক্যং থেকে বাহারছড়া শামলাপুর বাজারে যাওয়ার পথে পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পাহাড়ি অপহরণ চক্রের সদস্যরা পথ আটকে তাদের তুলে নিয়ে যায়।
হ্নীলা সিএনজি কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিক বলেন, "হোয়াইক্যং থেকে বাহারছড়া যাওয়ার পথে ৭ জন অপহৃত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন সিএনজি চালক এবং একজন অটোরিকশা চালক রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।"
অপহৃতদের উদ্ধারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে। র্যাব-১৫ এর সিপিসি-১ টেকনাফ ও হোয়াইক্যং সিপিসি-২, টেকনাফ মডেল থানা পুলিশ, বন বিভাগের শতাধিক কর্মী যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছেন।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, "অপহৃতদের উদ্ধারে একাধিক টিম গঠন করা হয়েছে। পাহাড়সহ বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান চলছে।"
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের বাবুটিপাড়া (ভৈষখোলা) গ্রামে দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে করে অন্তত সাত থেকে আটটি পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী বাবুটিপাড়া (ভৈষখোলা) গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার ছেলে আবুল হাশেম জানান, একই গ্রামের ইসমত আলীর ছেলে আলী আহাম্মদ আলামিন এবং শামসুল হকের ছেলে সুমন, সোহাগ ও সাইফুলের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এরই মধ্যে কিছুদিন আগে অভিযুক্তরা আবুল হাশেম ও তার পরিবারের লোকজনকে মারধর করে। এ ঘটনায় তিনি মুরাদনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্তরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আবুল হাশেম গংদের বিভিন্নভাবে হুমকি ও ধমকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে মামলা তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানালে সম্প্রতি আলী আহাম্মদ আলামিন, সুমন, সোহাগ ও সাইফুল মিলে আবুল হাশেমদের দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তায় কাটা দিয়ে বন্ধ করে দেন।
এতে করে আবুল হাশেম ও তার পরিবারের সদস্যসহ আশপাশের সাত থেকে আটটি পরিবার তাদের ফসলি জমিতে যেতে পারছেন না। ফলে কৃষি কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় চরম অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।
এ বিষয়ে সরেজমিনে গিয়ে অভিযুক্ত আলী আহাম্মদ আলামিন, সুমন, সোহাগ ও সাইফুলকে পাওয়া যায়নি। তবে তাদের বক্তব্য জানতে চাইলে সুমন, সোহাগ ও সাইফুলের মা, শামসুল হকের স্ত্রী ছাফিয়া বেগম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমাদের বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ থাকেন না। আমরা শুধু মহিলারা থাকি। আবুল হাশেম যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। বরং আমাদের অনুমতি না নিয়ে তারা আমাদের জায়গা থেকে মাটি কেটে ড্রেন নির্মাণ করেছেন।”
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং চলাচলের রাস্তা পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেছেন, সামনে নতুন নির্বাচিত সরকার আসবে। তাই ভোট টাকার বিনিময়ে না দিয়ে যোগ্য এবং সৎ প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে।
বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, "নতুন বাংলাদেশ, নতুন সরকার। সামনে নতুন নির্বাচিত সরকার আসবে। সেই সঙ্গে নতুন মেম্বার, চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে এমপি-মন্ত্রীর নির্বাচন হবে। ভোটের দিন আমরা টাকার বিনিময়ে ভোট না দিয়ে যোগ্য এবং সৎ প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে।"
সারজিস আলম আরও বলেন, "পাঁচ বছরের জন্য একজন প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করার সুযোগ আমাদের কাছে মাত্র একবার আসে। যদি আমরা সেই সুযোগ কয়েকশ টাকার বিনিময়ে নষ্ট করি, তাহলে আগামী পাঁচ বছর সেই প্রতিনিধি আমাদের উপর জুলুম করবে। এ দায়ভার আমরা এড়াতে পারব না। তাই ব্যক্তিগতভাবে আমাদের সচেতন হতে হবে এবং দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।"
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা, বাবা ও মেয়েসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার কদমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তারা হলেন, ওই এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে মো. সালাম (৪০), তার স্ত্রী রুপা খাতুন (৩৫) ও মেয়ে সাবা খাতুন (১৩)। এ ঘটনায় তার ভাতিজা সিয়াম (১৩) আহত হয়েছেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সজীব উদ্দিন স্বাধীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রুপা খাতুন বিকেল ৪টার দিকে ঘরঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় ঘরে ঝুলে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান স্বামী মো. সালাম ও তার মেয়ে সাবা। এ সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তারা ৩ জন ঘটনাস্থলে মারা যান। এ সময় ঘটনাস্থলের পাশে থাকা সালামের ভাতিজাও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুতর আহত হন।
মৃত সালামের চাচাতো ভাই সাইদুল ইসলাম জানান, সালামের শহরের জেলখানা মোড়ে ফটোকপির দোকান রয়েছে। দুপুরে খাবার খাওয়ার জন্য বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ওই সময় ঘরের ভেতর পরিবারের সবাই অবস্থান করছিলেন। একদিন আগে বাড়িতে ইলেকট্রিকের কাজ করিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সজীব উদ্দিন স্বাধীন বলেন, তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত আরেকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য সোহেল জানান, তিনজনের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক জানে আলম জানান, তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছেন কিনা প্রাথমিকভাবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারণ খুঁজে দেখা হচ্ছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার (ওসি) তদন্ত দিপেন্দ্রনাথ জানান, মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর অশোকতলায় আদর্শ সদর আর্মি ক্যাম্প অভিযান পরিচালনা করে এস এ পরিবহনের শাখায় কার্গোতে লোডিং অবস্থায় অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ করে।
বুধবার (১২ নভেম্বর) ভোররাত ৩ টায় সেনাবাহিনী এ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ৭ হাজার ৮৪৮ পিস মোবাইল ডিসপ্লে, ৩৩১ পিস বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শাড়ি , ৩৩৭ কেজি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চকলেট , ৬৯০ পিস ফেসওয়াশ, ১১৮০ পিস জনসন তেল, ৬০০ পিস নিভিয়া ক্রিম (ছোট), ৩৮০ পিস নিভিয়া ক্রিম (বড় ), ২৫৫০ পিস জনসন বেবি লোশন, ৩০০ পিস অলিভ অয়েল (ছোট ), ১০৮ পিস অলিভ অয়েল (বড় ), ৫৬৫ পিস শাইন ক্রিম, ডাব সাবান ২৬৪ পিস, ঝান্ডু বাম -১০০ পিস, মেহেদী -৩১২০ পিস, জনসন বেবি ক্রিম -৩৮৪ পিস, জনসন বেবি অয়েল -৭২ পিস, নবরত্ন তেল -৩০০ পিস, অমল কুল জুস -৯৬ পিস, হিমালিয়া ফেসওয়াশ -৭৬০ পিস, জিলেট রেজার -১৩১ কেজি, বারুদ বাজি -১৮৪৬ কেজি, মারবো সাবান -৮৭৫ পিস, ক্লপ জি ক্রিম -২১৮৪ পিস, বিস্কুট - ১৩ কেজি জব্দ করা হয়। উল্লেখিত জব্দকৃত সামগ্রী কোতোয়ালি থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীতে ৫ আগস্ট আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ হত্যা মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক আহবায়ক ইশতিয়াক সরকার বিপুকে জড়ানো হয়েছে।
রবিবার ( ১০ আগষ্ট) সকালে কুমিল্লা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইমতিয়াজ সরকার নিপু।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমার ছোট ভাই ইসতিয়াক সরকার বিপু ছাত্রজীবন থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিতে সক্রিয়। ১৯৮৯ সাল থেকে সে ছাত্রদলের একজন সক্রিয় কর্মী। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদল কর্মী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ২০১৭ সালে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের সময় বেশ কয়েকবার তাদের দ্বারা হামলা ও মামলার শিকার হয়। ২০১৮ সালের আওয়ামী লীগের দেয়া দুইটি মিথ্যা মামলায় কারাবরণ করে। দুঃখের বিষয় গণঅভ্যুথানের পরেও বর্তমান সময়ে সেই মামলাগুলো এখনো চলমান রয়েছে।
ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিদায়ের পর ইসতিয়াক সরকার বিপু ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়। সাথে সাথে শুরু হয় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। এরপরের ঘটনা আপনারা সকলেই অবগত আছেন। সম্ভাব্য কাউন্সিলর নির্বাচন ও ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপিতে নিজেকে উপস্থাপন করার সাথে সাথেই নানামুখী ষড়যন্ত্র চলতে থাকে। এতে আওয়ামীলীগের পতিত নেতাকর্মীরাও নিজেদের শত্রুদের সাথে সখ্যতা ও হাত মেলায়। তাদের প্রতিপক্ষতা ও হিংসা এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, ৫ আগস্ট আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ হত্যায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে জড়াতে নানাহ আইনী জটিলতা চালায়। ইতিমধ্যে আমরা জানতে পেরেছি এমন কূটকৌশল ও আইনি জটিলতা তারা চূড়ান্ত করে ফেলেছে। নিজেদের দলের একজন ত্যাগী কর্মীকে ফাঁসাতে এমন জঘন্য অপকর্ম করতেও তারা পিছপা হয়নি।
অথচ ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর দুপুরে ইসতিয়াক সরকার বিপু মোগলটুলি এলাকা থেকে বিজয় মিছিল নিয়ে পূবালী চত্বরে যায়। এরপর পুলিশের ফোনে খবর পায় কুমিল্লা কোতয়ালি থানায় হামলা হতে পারে। তখন বিকেল বেলা সে তার নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় উপস্থিত হয় এবং অবস্থান নেয়। ওই সময়ে থানায় উপস্থিত পুলিশ সদস্যগণ তাঁদের নিরাপত্তার জন্য অনুরোধ জানায়। এসময় কোতয়ালী থানায় আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার ও সাবেক কাউন্সিলর গোলাম কিবরিয়াসহ মহানগর ও ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও ছাত্র জনতা । উপস্থিত নেতৃবৃন্দ থানায় মাইকে বক্তব্য রাখেন, যার ভিডিও ফুটেজ কোতয়ালি থানার সিসিটিভি ক্যামেরায় ও বিভিন্ন কর্মীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখনো রয়েছে। রাতে যখন বিপু এলাকায় ফিরে আসেন তখন জানতে পারেন আইনজীবী আবুল কালাম গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। একই ব্যক্তি একই সময়ে পৃথক দুইটি ঘটনায় উপস্থিত থাকতে পারেন না।
আইনজীবি আবুল কালাম আজাদ হত্যার ঘটনাটি জঘন্যতম অপরাধ। তিনি বিএনপি ঘরানার আইনজীবী ছিলেন। আমরা তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং এই হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানাচ্ছি। যারা এই হত্যা কান্ডটি সংঘটিত করে তারা আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। হত্যার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মোবাইলে ধারণকৃত ফুটেজ অবশ্যই পুলিশের কাছে আছে, পুলিশ তা জানেও। ওই ফুটেজ সমূহ যাচাই-বাছাই করলে হত্যার সময় বিপু এই ঘটনায় ছিল না বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরও ষড়যন্ত্র থেমে নেই ।
মামলায় ইসতিয়াক সরকার বিপু স্বাভাবিকভাবেই আসামির তালিকায় ছিল না, থাকবার কথাও নয়। কিন্তু পরে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে বিপুকে জড়িত করতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। যে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে বিপুর নামটি জড়ায় সেও আইনজীবী হত্যা মামলার এজাহার নামীয় আসামি নয়। পরবর্তীতে অন্য মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হলে তাকে এবং তার পরিবারকে বুঝানো হয় তার গ্রেফতারের সাথে বিপুর সম্পর্ক রয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে বিপুকে জড়িয়ে বক্তব্য দেয়। ওই ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে বিপু তাকে গ্রেপ্তার করিয়ে দিয়েছে বলেও বক্তব্য দেয়। শুধু তাই নয় এই মামলায় ৫নং ওয়ার্ডের আরো কয়েকজন নিরপরাধ মানুষকে জড়ানোর চেষ্টা চূড়ান্ত করা হয়েছে ।
পরবর্তীতে এই ষড়যন্ত্র আরো শক্তিশালী করতে আরও আইনী জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে বলেও আমরা জানতে পেরেছি। আমরা এই কুচক্র, অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
আমরা গত কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হতে দেখেছি। যেখানে “ফেইস দ্যা পিপল”এর সাংবাদিক সাইফুর রহমান সাগর এই হত্যা মামলার বাদীকে প্রশ্ন করেন ইসতিয়াক সরকার বিপু নামে কাউকে চিনেন কিনা! এবং বাদী সঙ্গে সঙ্গেই উত্তর দেন “না আমি ওই নামের কাউকে চিনি না তদুপরি নামটি আমি এই প্রথম আপনার মুখেই শুনলাম”।
পরিশেষে আমরা বলতে চাই, আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ হত্যার ঘটনাটি একটি জঘন্যতম অপরাধ। ওই হত্যার সুষ্ঠু বিচার হোক আমরাও চাই। তবে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে ইসতিয়াক সরকার বিপুকে জড়ানো হচ্ছে, শুধুমাত্র ফাঁসাতে। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পুলিশ ও এলাকার মানুষ সব সত্য জানে। তাই সাংবাদিকদের মাধ্যমে আমরা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সত্য জানাতে ও হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে এবং সুবিচার দাবি করছি।
মন্তব্য করুন