

কুমিল্লার হোমনায় বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মনোয়ার সরকারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত ১১টার দিকে তিতাস উপজেলার কলাকান্দি ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
কুমিল্লা-২, (হোমনা–তিতাস আসনে) বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ার সরকারের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে।
রাতের অন্ধকারে একদল অজ্ঞাত ব্যক্তি তার নির্বাচনি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত টিনশেড ঘরে ঢুকে আগুন লাগিয়ে দেয়।
অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে, পুড়ে যায় ঘরের ভেতরের টেবিল, চেয়ার, পোস্টার ও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি।
স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
তিতাস থানার সাব ইন্সপেক্টর বিমল দাস বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশে আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে আসি।আইসা কোন লোকজন দেখতে পাই নি। ঘরটি বিএনপি নেতা মনোয়ার সরকারের নির্বাচনি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হতো। তদন্ত চলছে কারা, কী কারণে আগুন দিয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে মনোয়ার সরকার বলেন, কলাকান্দি ইউনিয়নের কর্মী সভা এবং গণ সমাবেশ শেষে গণসংযোগ করি।সেটা শেষ করে আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হই ।পথিমধ্যে জানতে পারি আমার অফিসে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এটি নিঃসন্দেহে পরিকল্পিত হামলা।
তিনি দাবি করেন, তার জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় একটি মহল ঈর্ষা ও প্রতিহিংসা থেকে এ ঘটনার পরিকল্পনা করতে পারে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানায় একই পরিবারের ৩জন মাদক কারবারীকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার সময় বাঙ্গরা বাজার থানাধীন আকবপুর ইউনিয়নের কড়ইবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতারা হলেন, কড়ইবাড়ি গ্রামের খলিলুর রহমানের স্ত্রী রোকসানা আক্তার রুবি(৫০), তার ছেলে রাসেল মিয়া(৩৫), ও তার মেয়ে জোনাকি আক্তার (২৫),
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত রোকসানা আক্তার রুবি নিজে ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকায় রমরমা মাদক ব্যবসা করে আসছিল।
যারাই রুবির মাদক ব্যবসায় বাধা দিত, তাদেরকেই মামলা দিয়ে হয়রানি করত রুবি। বিভিন্ন সময় তাদের বিরুদ্ধে মুরাদনগর, বাঙ্গরা সহ বিভিন্ন থানায় বহু মামলা রয়েছে।
ফলে স্থানীয় গ্রামবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাদক ব্যবসায়ী রুবির বাড়িতে হামলা করে তাদেরকে গণপিটুনি দেয়। এ সময় গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই রোকসানা আক্তার রুবি, তার ছেলে রাসেল মিয়া ও তার মেয়ে জোনাকি আক্তার মৃত্যুবরণ করে।
অপরদিকে রোকসানা আক্তার রুবির আরেক মেয়ে রুমা আক্তার (৩০) এই গণপিটুনির শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি গণপিটুনিতে রুমা আক্তারও নিহত হয়েছে।
তবে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মাহফুজুর রহমান ৩ জনের হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় যৌথ অভিযানে ইয়াবাসহ এক নারীকে আটক করেছে আলেখারচর আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা।
গতকাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলেখারচর আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা নন্দনপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে সালমা আক্তার (৪২) নামে এক নারীকে আটক করা হয়। তিনি নন্দনপুর গ্রামের জালাল উদ্দিনের স্ত্রী।
অভিযানে তার কাছ থেকে ১৫১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং ৪৭ হাজার ১০০ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে আটক নারী ও উদ্ধার হওয়া মালামাল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পন্ন করে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গোপালগঞ্জে চলমান কারফিউয়ের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। শুক্রবার (১৮ জুলাই) বেলা ১১টা পর্যন্ত কারফিউ অব্যাহত থাকবে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির বরাত দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি এ তথ্য জানান।
তিনি জানায়, শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য কারফিউ বন্ধ থাকবে। দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারফিউ চলবে।
মন্তব্য করুন


আজ শনিবার কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন। সম্মেলনকে ঘিরে জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। কুমিল্লা টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে ভার্চুয়ালের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। সম্মেলনের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা (বুলু)।
আজ সম্মেলনে কোন ভোট হচ্ছে না। কাউন্সিলর তালিকা চূড়ান্ত না হওয়ায় তা প্রকাশও করা সম্ভব হয়নি। এদিকে সমঝোতার মাধ্যমে শীর্ষ ৫ পদ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
শীর্ষ ৫ পদ ঘোষণা করা হবে সম্মেলনে:
সভাপতি পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী না থাকায় বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন সভাপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এদিকে গত প্রায় একমাস ধরে জেলা বিএনপির লাখ লাখ কর্মী তাদের পছন্দের নেতাকে নেতৃত্বে দেখতে অপেক্ষায় ছিলেন। সাধারণ সম্পাদক পদে জনপ্রিয় দুই নেতা প্রতিদ্বন্দ্বী করায় পুরো জেলাজুড়ে ব্যানার পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছিল। প্রতিদিনই জেলার সর্বত্র নেতাকর্মীদের আলোচনায় ছিল সাধারণ সম্পাদক দুই প্রার্থীর নাম। কিন্তু হঠাৎ সম্মেলনের ৩ দিন আগে প্রতিদ্বন্দ্বি দুই প্রার্থীর মধ্যে সমঝোতা কিংবা ছাড় দেয়ার ফলে আমীরুজ্জামান আমীর সরে গেলে বা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলে সম্মেলনের আগেই আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। সিনিয়র সহ সভাপতি পদে ৩ জন মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। তারা হলেন সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীতা থেকে সরে আসা আমীরুজ্জামান আমীর, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হাজী জসিম উদ্দিন ও সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিক মিয়া। তবে এখানে সমঝোতার মাধ্যমে আমীরুজ্জামান আমীর সিনিয়র সহ-সভাপতি হতে যাচ্ছেন। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ৪ জন মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। তারা হলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদা, বরুড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক স্বপন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম চৌধুরী ও সদর দক্ষিণের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আমান । এ পদে কামরুল হুদা সমঝোতার মাধ্যমে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হতে যাচ্ছেন।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৩ জন মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। তারা হলেন- দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা জামান , দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম চৌধুরী ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল হক ভূইয়া স্বপন। এ পদে সমঝোতার মাধ্যমে নজরুল হক ভূইয়া স্বপন নির্বাচিত হচ্ছেন।
যে কারনে কাউন্সিলর ( ভোটার) চূড়ান্ত করতে পারেনি আহ্বায়ক কমিটি:
দক্ষিণ জেলা বিএনপির আওতাধীন উপজেলা ও পৌরসভা মিলিয়ে মোট ১৪টি ইউনিট আছে। প্রতিটি ইউনিট থেকে ১০১ জন কাউন্সিলর (ভোটার) আছেন। সে ক্ষেত্রে কোনো পদে ভোট হলে মোট ১ হাজার ৪১৪ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তবে ৫টি ইউনিট ছাড়া বাকি ৯টি ইউনিটের কমিটি জেলাতে জমা না হওয়ায় কাউন্সিলর ( ভোটার) চূড়ান্ত হয়নি। ফলে প্রার্থী থাকলেও ভোট সম্পন্ন করা সম্ভব হতো না। তাই সমঝোতার মাধ্যমে সেরা ৫ পদ চূড়ান্ত করা হয়েছে। বাকি পদগুলো পরে ঘোষণা করা হবে।
এছাড়া প্রচার সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো: মোজাহিদ চৌধুরী।
মো: মোজাহিদ চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন ধরে যারা ছাত্রদল করে আসছে, যারা জেলা ও মহানগরে স্থান পায়নি, তাদের জেলা কমিটিতে অর্ন্তভুক্ত করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
সহ-সভাপতি পদে আলোচনায় থাকা কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডা: গোলাম কাদের চৌধুরী নোবেল জানান, প্রথমত আমি চাই জেলা দক্ষিণ বিএনপির এই সম্মেলন সফল হোক। সাংগঠনিক যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই পদ পাবে এই প্রত্যাশা করছি। জাকারিয়া তাহের সুমনের নেতৃত্বে নতুন কমিটি সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিবে, তাতে কোন সন্দেহ নেই।
সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে আলোচনায় আমীরুজ্জামান আমীর জানান, সকলের প্রচেষ্টায় একটি সফল ও সার্থক সম্মেলন হতে যাচ্ছে। আশা করি যোগ্য ব্যক্তিরা পদে আসবে।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম জানান, আমরা একটি জাকঁজমকপূর্ণ, সার্থক ও সফল সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার হাওলাদার বাজার এলাকা হতে ১১টি দেশীয় অস্ত্র এবং ২টি মোবাইলফোনসহ একজনকে করা হয়।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে চাঁদপুর জেলায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক হওয়া সৈয়দ আহমেদ বেপারী (৪৫) হাইমচর উপজেলার আলগী দক্ষিণ ইউনিয়নের মৃত. নূর মোহাম্মদ বেপারীর ছেলে।
আটক হওয়া ব্যক্তি এবং উদ্ধারকৃত সরঞ্জামাদি হাইমচর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।
মন্তব্য করুন


নাফ নদীর মোহনায় মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি আটক করে রাখা একটি পণ্যবাহী জাহাজ ১৬ দিন পর মুক্তি পেয়েছে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে জাহাজটি পণ্যসহ টেকনাফ স্থলবন্দরে পৌঁছায়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি জানান, গত ১৬ জানুয়ারি মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন থেকে পণ্যবাহী চারটি জাহাজ টেকনাফ স্থলবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু রাখাইন সীমান্তে নাফ নদীতে আরাকান আর্মি জাহাজগুলো আটকে দেয়। এর দুই দিন পর ধাপে ধাপে তিনটি জাহাজ ছেড়ে দেওয়া হয়। অবশেষে ১৬ দিন পর বাকি একটি জাহাজও ছেড়ে দেওয়া হলে শনিবার দুপুরে সেটি টেকনাফ স্থলবন্দরে পৌঁছায়।
জসিম উদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন, আরাকান আর্মি জাহাজগুলো তল্লাশির জন্য আটকে রেখেছিল বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
এদিকে, স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন থেকে টেকনাফের ব্যবসায়ীদের পণ্য নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেওয়া তিনটি জাহাজ গত ১৬ জানুয়ারি দুপুরে নাফ নদীর মোহনার নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় পৌঁছালে আরাকান আর্মি তল্লাশির নামে সেগুলো আটকে দেয়।
মন্তব্য করুন


জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট হৃদরোগ, বাতজ্বর ও ডায়াবেটিকস এর মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মো: রুহুল আমিনকে ফাঁসাতে নানা অপবাদ দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারে নেমেছে কিশোরগঞ্জ জেলার একটি মহল। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে ডাক্তার রুহুল আমিন জানান, কিশোরগঞ্জের নিকলী ও বাজিতপুর এলাকায় আমি ১২ বছর যাবত চেম্বার করি।এ এলাকার হাজার হাজার রোগী আমার চিকিৎসায় উপকৃত হয়েছেন এবং হচ্ছেন। নিকলী হেল্থকেয়ার ডায়াগনস্টিক এর মালিক ওমর ফারুক চৌধুরী ও তার স্ত্রী বিলকিস বিভিন্ন সময় রিপোর্ট জালিয়াতি ও ভুয়া রিপোর্ট করে আমার কাছে ধরা পড়ে। এসব কারনে বিভিন্ন সময় আমি চেম্বার ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেই।তারা আর এসব ভুল করবেনা মর্মে ক্ষমা চায় এবং আমাকে বিভিন্নজনকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে চেম্বার করার অনুরোধ করে। আমি ভুল ও জালিয়াতি না করার প্রতিশ্রুতি পেয়ে চেম্বার অব্যাহত রাখি। উল্লেখ্য আমি নিকলী ও পাশ্ববর্তী সরারচর বাজারে দুইটি চেম্বার করি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সরারচর, শুক্রবার সকালে নিকলী ও শুক্রবার বিকেলে পুনরায় সরারচর চেম্বার করি। বৃহস্পতিবার রাতে আমি নিকলী চেম্বার মালিকের বাসায় একটি রুমে থাকি। আমার পরিবার ২০১৭ সালে বাজিতপুর থেকে ঢাকায় চলে আসার পর থেকে আমি ওদের বাসায় প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে অবস্থান করতে হয়। চলতি বছরের ২৩ মার্চ সেহরির সময় চেম্বার মালিক ওমর ফারুক চৌধুরীর মাদকাসক্ত ছেলে ওমর বেলায়েত (পূণ্য)আমার কক্ষে মাদকাসক্ত অবস্থায় প্রবেশ করে আমার মানিব্যাগ ও মোবাইল নিয়ে যায় এবং আমাকে শারীরিকভাবে আহত করে।
তখন ওর বাবা-মা ৯৯৯ এ কল দিলে মাদকাসক্ত ও উন্মাদ ছেলেকে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগীতায় পুলিশ দেশীয় অস্ত্রসহ ও আমার লুন্ঠিত মালামালসহ আটক করে।ছেলে পুলিশের হাতে আটক অবস্থায় বের হওয়ার পর আমাকে হত্যার হুমকি দেয়।আমি চেম্বার মালিককে জানাই ছেলেকে জেল থেকে বের করলে আমাকে জানাতে এবং জেল থেকে রিহ্যাবে দিতে।কিন্তু তারা তা না করে আমাকে না জানিয়ে ছেলেকে জেল থেকে মুক্ত করে। আমি বিষয়টি জেনে আমার নিরাপত্তা ইস্যুটিতে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে ওদেরকে নিকলী চেম্বার ছেড়ে দেয়ার মৌখিক নোটিশ দেই। তারা আমাকে বিভিন্নভাবে ম্যানেজের চেষ্টা করে।তারপরও আমি ১৮ এপ্রিল চেম্বারে না বসলে আমাকে নারীঘটিত ব্যাপারে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। ঐদিন সন্ধ্যার পর কয়েকজন ব্যাক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে আমার সরারচর চেম্বারে এসে জানায় - নিকলীর ফারুক চৌধুরী ও তার স্ত্রী বিলকিস আমার বিরুদ্ধে তাদের মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছেন।
এর মধ্যে তারা বিভিন্নভাবে আমাকে ও আমার পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিতে থাকে এবং সাংবাদিক পরিচয়ে কিছু ব্যাক্তি আমার কাছে নিউজ করার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করতে থাকে। এতে আমি ১৯ এপ্রিল টঙ্গী থানায় একটি সাধারণ ডায়রি দায়ের করি। আমি কাউকে টাকা না দেয়ায় ২২ এপ্রিল কিছু ব্যাক্তি আমার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর ফেসবুকে পোস্ট করতে থাকে। ২৩ এপ্রিল তারা ঠিক একমাস আগে যে মামলায় তাদের নিজের ছেলের বিরুদ্ধে আমার ও তার নিজের বাবা-মায়ের উপর হামলার করেছিলো সেই ঘটনাকেই ভিন্নখাতে সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে তাদের মেয়েকে শ্লীলতাহানির মামলা করে। আমি মাত্র একটি চেম্বার না করার পরপরই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মামলা করে। অথচ আমি ১২ বছর তাদের চেম্বারে রোগী দেখার পরও তারা কোনদিন আমার বিরুদ্ধে ন্যুনতম অভিযোগ করেনি।
এমতাবস্থায় বিভিন্ন ফেসবুক প্রোফাইল ও সংবাদপত্র আমার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মুখরোচক ভুয়া নিউজ করে আমার ও আমার পরিবারের জীবনকে দূর্বিসহ করে তুলেছে। তাছাড়া আমার বিরুদ্ধে নিকলী থানায় ভুয়া অভিযোগ দায়ের করে আমাকে প্রচন্ড হয়রানি করছে। এমতাবস্থায় দেশের বিবেকবান মানুষ, ছাত্রজনতা, ডাক্তার সমাজ, বিবেকবান সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আমার অনুরোধ একজন ডাক্তারকে ভয়াবহ হয়রানি থেকে রক্ষা করুন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদরের আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে প্রাইভেটকার ভর্তি ৩২ কেজি গাঁজাসহ ৪ জনকে আটক করেছেন র্যাব-১১, সিপিসি -২ সদস্যরা।
আটককৃতরা হলেন, বিলকিছ (২৮), আয়েশা বেগম (৪২), গিয়াস উদ্দীন (২৮) এবং আব্দুল খালেক (২৯)। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে ৩২ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।
আটক হওয়া বিলকিছ (২৮) নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার কাছারকান্দি গ্রামের হযরত মিয়া এর মেয়ে, আয়েশা বেগম (৪২) একই গ্রামের মৃত বাদশা মিয়া এর মেয়ে, গিয়াস উদ্দীন (২৮) নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার দূর্গাপুর গ্রামের মৃত হাফেজ আহমেদ এর ছেলে এবং আব্দুল খালেক (২৯) একই থানার একলাছপুর গ্রামের আব্দুস সোবহান এর ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১, সিপিসি -২ এর কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মহানগর জাসাস কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে স্থান পেলেন ডা: আফসান আনিস ও শহীদুল হক সোহেল এবং সদস্য করা হয়েছে ইফতেখার উদ্দিন রাজেস, মো: মাহবুব হোসেন, মো: মাসুদ, জসিম উদ্দিনকে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য (দফতরের দায়িত্বে) মো: মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিকে এ তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য করা হয়, চলতি বছরের ১ নভেম্বর কুমিল্লা মহানগর জাসাসের আহ্বায়ক/সদস্য সচিবের স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই কমিটিতে তাদের অর্ন্তভুক্ত করা হল।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার এএফসি হেল্থ লিমিটেড হাসপাতালের ৪ মালিকের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করেছে বিনিয়োগকারীরা।
বুধবার (১ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালটি পুনরায় চালুর জোর দাবি জানানো হয়। পরে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালটি যখন নানা অব্যবস্থাপনা ও সংকটে বন্ধ হওয়ার পথে ছিল, তখন ২৩ জন বিনিয়োগকারী মিলে প্রায় ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে সেটি সচল করেছিলেন। অথচ মালিকপক্ষ ৪ জন যথাক্রমে মাহবুব আরব মজুমদার, এস এম সাইফুর রহমান, জুয়েল খান ও সাইফুল আমিন এখন চুক্তিভঙ্গ করে নতুনভাবে অন্যদের কাছ থেকে অর্থ নিচ্ছে। এ ধরনের প্রতারণার ফলে বিনিয়োগকারীরা চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
তারা আরও বলেন, “আমরা নিজেরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কুমিল্লাবাসীর স্বাস্থ্যসেবার কথা ভেবে হাসপাতালটি চালু করেছিলাম। অথচ মালিকপক্ষ আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে। আমরা অবিলম্বে হাসপাতাল পুনরায় চালুর ব্যবস্থা চাই।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক খায়রুন্নেসা, হাবিবুর রহমান, মামুনুর রশীদ রিপন, জসিম উদ্দিন, মামুনুর রহমান, আসাদুজ্জামান রাসেল, মোজাম্মেল হকসহ আরও অনেকে।
উল্লেখ্য, এএফসি হেল্থ লিমিটেড হাসপাতালটি কুমিল্লা অঞ্চলে হৃদরোগ চিকিৎসায় আধুনিক সরঞ্জামসহ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কার্যক্রম শুরু করেছিল।
মন্তব্য করুন