

ঢাকাই
সিনেমার চিত্রনায়ক জায়েদ খান দুবাইয়ে এক অনুষ্ঠান মঞ্চে ডিগবাজি দিয়ে আবারও খবরের শিরোনাম
হয়েছেন।
রবিবার
(২৪ ডিসেম্বর) দুবাইয়ের ক্রাউন প্লাজা হোটেল হলরুমে এক অনুষ্ঠানে ডিগবাজি দেন জায়েদ।
অনুষ্ঠানে
অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দুবাই কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন, এশিয়ান টেলিভিশন
ও এশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হারুন উর রশিদ (সিআইপি)। ইভেন্টের উপস্থাপনায়
ছিলেন দেবাশীষ বিশ্বাস ও মডেল প্রিয়াঙ্কা জামান। এ আয়োজনে ঢাকা থেকে গেছেন জায়েদ খান,
বিদ্যা সিনহা মিম, নুসরাত ফারিয়া, তানজিন তিশা, মুশফিক ফারহান, জিয়াউল হক পলাশ।
অনুষ্ঠানের
মাঝে দর্শকদের মধ্যে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। কী কারণে এই হট্টগোল হলো তা জানা যায়নি। তবে
হট্টগোলের সময় জায়েদ খান ডিগবাজি দেন। নায়কের ডিগবাজি দেখে আনন্দে মেতে ওঠেন আগতরা।
দর্শকদের অনুপ্রাণিত করতে একটি মিউজিকের তালে তালে দুহাতে ভর দিয়ে ডিগবাজি দেন জায়েদ
খান।
মন্তব্য করুন


ভারতের
জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি। বাংলাদেশের নতুন একটি সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন
স্বস্তিকা।
শোনা
যায়, চঞ্চল চৌধুরীর বিপরীতে অভিনয় করবেন স্বস্তিকা।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, চঞ্চল চৌধুরীর বিপরীতে সিনেমা করতে রাজি হয়েছেন
স্বস্তিকা মুখার্জি। প্রযোজক নাকি ইতোমধ্যেই অভিনেত্রীকে অগ্রিম সম্মানী দিয়েছেন। তবে
চঞ্চলের ডেট পেতে নাকি অসুবিধা হচ্ছে। তাই এখনও শুটিংয়ের সময় চূড়ান্ত হয়নি।
তবে
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভবত নভেম্বরে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে। সিনেমাটি ভারত-বাংলাদেশ
যৌথ প্রযোজনা কি না, তা জানা যায়নি।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


বিমানে
উড়তে গিয়ে মাঝপথে আকাশে হয়েছিল বিপত্তি। মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলেন ভারতের দক্ষিণী
সিনেমার নায়িকা রাশমিকা মান্দানা। অভিনেত্রী রাশমিকা নিজেই জানিয়েছেন এই চাঞ্চল্যকর
খবর।
নিজের
ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ২টি ছবির কোলাজ পোস্ট করেছেন রাশমিকা মান্দানা। একটিতে তার সঙ্গে
দেখা যাচ্ছে শ্রদ্ধা দাসকে। হাসিমুখেই ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন ২ নায়িকা। এই ছবির
নিচেই আবার আরেকটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ২জনের পা সামনের সিটে ঠেকানো। যেন সেখানে পা
রেখেই নিজেদের ভারসাম্য বজায় রেখেছিলেন তারা।
এমন
ছবিতেই রাশমিকা লেখেন, আপনাদের জানিয়ে রাখি, আজ আমরা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলাম…।
জানা
যায়, মুম্বাই থেকে হায়দরাবাদে যাচ্ছিলেন রাশমিকারা। ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর থেকে সবে মাত্র তাদের বিমান ছেড়েছিল। হঠাৎ ফ্লাইটে কিছু সমস্যা দেখা দেয়।
প্রায় ৩০ মিনিট পরে আবার বিমানবন্দরে ফ্লাইট ফিরিয়ে আনা হয়। পুরো এই সময়টায় বেশ উদ্বিগ্ন
ছিলেন যাত্রীরা। কিন্তু নিরাপদে বিমানবন্দরে ফিরেই হাসি ছড়িয়ে যায় রাশমিকা-শ্রদ্ধার
মুখে।
যে
সংস্থার বিমানে রাশমিকা-শ্রদ্ধা যাচ্ছিলেন সেই সংস্থার মুখপাত্র জানান, বিমান ওড়ার
কিছুক্ষণের মধ্যেই টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দেয়। আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই তা
ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


বলিউড অভিনেতা রণিত রায় ২০তম বিবাহবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে নিজের স্ত্রীকেই ফের বিয়ে করেছেন।
বর সেজে স্ত্রী নীলমকে নববধূ সাজিয়ে গোয়ার একটি মন্দিরে সেরেছেন তাদের বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা।
সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে বিয়ের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা। অভিনেতা রণিত রায় ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমাকে বিয়ে করবে? আবারও?’ আরেকটি ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুধু দ্বিতীয়বার কেন, হাজারবার তোমাকেই বিয়ে করব। ২০তম বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা আমার ভালোবাসা।’
ভিডিওতে বিয়ের সকল নিয়ম-কানুন পালন করতে দেখা গেছে এই দম্পতিকে। যেখানে নতুন করে আবারও সাত পাকে ঘুরেছেন তারা। বিয়েতে রণিত রায় এর পরনে ছিল সাদা শেরওয়ানি ও লাল ওড়না। অন্যদিকে রণিত রায় এর স্ত্রীর পরণে লাল রঙের লেহেঙ্গা।
রণিত রায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন বলিউডে। তবে ‘আদালত’ নামের একটি সিরিয়াল তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয় ভারতজুড়ে। সেখানে ‘কেডি পাঠক’ চরিত্রে পরিচিতি পান তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর অভিনেত্রী-মডেল নীলম সিংয়ের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন রণিত রায়।
মন্তব্য করুন


৭ আগস্ট সোমবার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা হঠাৎ নিজের অসুস্থতার কথা জানান। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
এসময় সামাজিক মাধ্যমে হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা একটি ছবি প্রকাশ করেন তানজিন তিশা।
জানা যায়, হাসপাতালে দুর্বিষহ দিন পার করতে হয়েছে এ অভিনেত্রীকে। চিকিৎসকদের ধারণা, ডায়েটের ও দুশ্চিন্তার কারণেই এমনটা হয়েছে। তবে এখন সুস্থ রয়েছেন অভিনেত্রী, ফিরছেন হাসপাতাল থেকে বাসায়ও।
তানজিন তিশা জানান, গেল কয়েকদিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন। এরপর জ্বর ওঠে ১০৩ ডিগ্রি। অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হন। ডেঙ্গুসহ আরও কিছু পরীক্ষা করিয়েছি। এসব হয়নি। আমি কিছুদিন ধরে ডায়েট করছিলাম। তা ছাড়া দুশ্চিন্তাও করছিলাম। চিকিৎসকের ধারণা, এসব মিলিয়েই এমনটি হয়েছে। আপাতত, আমাকে ডায়েট বন্ধ করতে বলেছেন। প্রচুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বর্তমানে বাসায় বিশ্রামে আছি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। চিকিৎসক এটা দেখার পরে একটা ওষুধ দেন। ওষুধটি নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মনে হলো, পুরো শরীরে আগুন ধরে গেছে। মনে হচ্ছিল, আমি মারা যাব। যেন মৃত্যুযন্ত্রণা কাছ থেকে দেখেছি। ওই সময় আমার মাকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। প্রায় ৩ঘণ্টা পর কিছুটা সুস্থবোধ করি।
সোমবার বিকেলে হাসপাতাল থেকে বাসায় আসেন তিশা।
মন্তব্য করুন


সানি দেওলের ‘গদর ২’
একের পর এক রেকর্ড ভেঙেই চলেছে। ৩য় সপ্তাহে যেখানে সিনেমাটির আয় কমার কথা, সেখানে
শনিবার বেড়েছে ‘গদর ২’ এর আয়। এবার ‘কেজিএফ ২’-এর
রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ‘গদর ২’ সিনেমাটি।
বলিউড মুভি রিভিউজ
বলছে, মুক্তির ১৬তম দিনে ভারতের বক্স অফিসে ১৩.৭৫ কোটি রুপি আয় করেছে ‘গদর ২’।
অর্থাৎ, এখনো পর্যন্ত শুধু ভারতেই সিনেমাটির মোট আয় ৪৩৯.৯৫ কোটি রুপি।
‘কেজিএফ চ্যাপটার ২’
হিন্দি ভার্সনের মোট আয় ছিল ৪৩৪.৭০ কোটি রুপি। ফলে ‘কেজিএফ’র রেকর্ড ভেঙে দিলো
‘গদর ২’।
বলিউডের বাণিজ্য
বিশ্লেষকদের মতে, ২৭ আগস্ট রোববার ‘গদর
২’-এর আয়ের অংকটা আরও বাড়বে। তাদের ধারণা, হিন্দি সিনেমার ইতিহাসের ৩ নম্বর সিনেমা
হিসাবে আজই ৪৫০ কোটির গণ্ডি পার করবে ‘গদর ২’।
এই মুহূর্তে আয়ের
হিসাবে ‘গদর ২’-এর আগে রয়েছে ৫০০ কোটি রুপির ক্লাবে থাকা শাহরুখ খানের ‘পাঠান’
এবং প্রভাসের ‘বাহুবলী ২’ (হিন্দি ভার্সন)।
বক্স অফিস বিশেষজ্ঞদের
মতে, অতি সহজেই ৫০০ কোটি রুপির ক্লাবের তৃতীয় সিনেমা হিসেবে নাম লেখাবে ‘গদর ২’।
২০০১ সালে ‘গদর: এক
প্রেমকথা’ সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল।
মন্তব্য করুন


সোহানা
সাবা নাচের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। কিন্তু নাটক এবং সিনেমায় ভিন্ন
মাত্রার চরিত্রে অভিনয় করে খুব অল্প সময়েই দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন সোহানা সাবা।
বর্তমানে দুই বাংলাতেই সমানতালে কাজ করছেন এই অভিনেত্রী। সামনেই প্রেক্ষাগৃহে
মুক্তি পাবে তার নতুন সিনেমা।
সম্প্রতি
দেশের একটি গণমাধ্যমে নিজের অভিনয়, ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বলার সময় পুরুষদের
ভয় পান বলে মন্তব্য করেন সোহানা সাবা।
বিয়ে
করার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখন পুরুষদের ভয় পাই। পুরো পৃথিবীতে
সত্যিই কি আমার জন্য এরকম কোনো মানুষ আছে, যার সাথে নিশ্চিন্তে বাকিটা জীবন কাটাতে
পারব? যদি এরকম কেউ থেকে থাকে আর তার সঙ্গে আজ দেখা হয়ে যায়, তাহলে কালই তাকে বিয়ে
করে ফেলতাম।
শিগগিরই মুক্তি পাবে সোহানা
সাবা অভিনীত সরকারি অনুদানের সিনেমা ‘অসম্ভব’। এটি নির্মাণ করেছেন চিত্রনায়িকা
অরুণা বিশ্বাস। মূলত যাত্রাশিল্প এবং যাত্রাশিল্পীদের গল্পে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি।
মন্তব্য করুন


গত ৫ মে মুক্তি পায় বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেন নির্মিত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। ট্রেলার প্রকাশের পরপরই এই নিয়ে বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ছবি মুক্তির পর দ্বিগুণ হয় বিতর্ক। যার জেরেই মুক্তির চার দিনের মাথায় এই ছবিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অভিযোগ, এই ছবি সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কানি দিচ্ছে।
অশান্তি এড়াতে তাই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবিটিকে এ রাজ্যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। তিনি জানান, রাজ্যের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মমতার নির্দেশের পরের দিনই ছবিটিতে নিষেধাজ্ঞা তোলার আর্জিতে শীর্ষ আদালতে যান নির্মাতারা। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র থাকা সত্ত্বেও বাংলায় কেন দেখানো হবে না এই ছবি? কারণ জানতে চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় টিম ‘দ্য কেরালা স্টোরি’।
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ এই প্রসঙ্গে গত সপ্তাহে নোটিশ দেয় রাজ্য সরকারকে। বুধবার পরবর্তী শুনানি। তার আগে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই ছবি পক্ষপাতদুষ্ট। এখানে তথ্য বিকৃত করা হয়েছে যা বিশেষ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত আনতে পারে। রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ নষ্টের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
এই ছবির ওপর পশ্চিমবঙ্গে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্ট। শুনানি চলাকালীন দেশের প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘ভারতের অন্যান্য অংশে এই ছবি মুক্তি পেতে পারলে পশ্চিমবঙ্গে নয় কেন?’ পাল্টা রাজ্য সরকারের যুক্তি, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা রাজ্য প্রশাসনের দায়িত্ব। রাজ্য সরকার প্রযোজক বিপুল শাহকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও খারিজ করে দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ হলেও ভারতজুড়ে রমরমিয়ে ব্যবসা করছে ছবিটি। ইতোমধ্যে দেড় শ কোটি রুপির আয় ছাড়িয়েছে। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আদা শর্মা, যোগিতা বিহানি, সোনিয়া বালানি, সিদ্ধি ইদনানি, দেবদর্শিনী, বিজয় কৃষ্ণ, প্রণয় পাচৌরি, প্রণব মিশ্র প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা সত্যি। মুম্বাইয়ের যানজট থেকে বাঁচতে অচেনা এক ব্যক্তির বাইকে চেপে বসেন বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। এবং সেটিতে করে সঠিক সময়ে শুটিংয়ে পৌঁছান। পুরো ঘটনায় বেশ কৃতজ্ঞ অভিনেতা। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে ছবি প্রকাশ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অচেনা বন্ধুটিকে।
ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে বিগ বি লিখলেন, ‘এই যাত্রার জন্য ধন্যবাদ বন্ধু। তোমায় চিনি না। কিন্তু তুমি যে দায়িত্ব নিয়ে আমায় পৌঁছে দিলে, প্রশংসনীয়। মুম্বাইয়ের জ্যাম থেকে বাঁচিয়ে তাড়াতাড়ি আমায় পৌঁছে দিলে, ধন্যবাদ! হলুদ জামা এবং সাদা টুপির মালিক।’
এই আপদকালীন যাত্রায় নামও জানেননি সেই আগন্তুকের। কিন্তু তারপরও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি অমিতাভ।
এমন একটি নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে মুগ্ধতা ঝরে পড়েছে নেটাগরিকদের কণ্ঠে। পাশাপাশি সতর্ক করেছেন উভয়কেই। হেলমেট না পরতেই কেউ কেউ বলে বসলেন, ‘দুজনেই হেলমেট ব্যবহার করুন। কখন বিপদ আসে বলা যায় না।’
মন্তব্য করুন


কিছুদিন আগেই দ্বিতীয়বার মা হওয়ার খবর প্রকাশ্য়ে এনেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলি। গেল সপ্তাহেই ছিমছামভাবে সম্পন্ন হয়েছে শুভশ্রীর সাধের অনুষ্ঠান।
কিন্তু তার মাঝে নিয়মিত জিমে যাচ্ছেন শুভশ্রী।
শেয়ার করছেন জিমের এক্সারসাইজের ভিডিও। সেই ভিডিও দেখেই নেটিজেনদের মধ্য়ে হইচই। অভিনেত্রীকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি নেটিজেনরা। সোজা সাপটা শুভশ্রীকে কেউ কেউ লেখেন, এই অবস্থায় জিম করে কি আপনি ঠিক করছেন? অনেকে আবার লেখেন, অন্যকে নকল করা ঠিক নয়।
২০২০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শুভশ্রী-রাজ চক্রবর্তীর প্রথম সন্তান যুবানের জন্ম হয়। তারপর থেকেই বাবা-মায়ের নয়নের মণি একরত্তি। রাজ-শুভশ্রীও ছেলের নানা মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন।
দ্বিতীয়বার মা হওয়ার খবর জানিয়ে যুবানের উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ার একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন রাজ ও শুভশ্রী। ক্যাপশনে লিখেছিলেন, বড় দাদা হিসেবে যুবানের প্রমোশন হয়ে গেল।
নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেম করেছেন শুভশ্রী গাঙ্গুলি। এরপর ২০১৮ সালের ৬ মার্চ বাগদান সারেন শুভশ্রী-রাজ। একই বছরের ১১ মে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন করেন তারা।
মন্তব্য করুন