

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দেওয়া সুপারিশ একপেশে এবং তা জাতির ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট অযৌক্তিক, অবিবেচনাপ্রসূত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাবিত সুপারিশ নিয়ে প্রয়োজনে বিএনপি প্রধান উপদেষ্টার কাছে যাবে বলেও জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। সেক্ষেত্রে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে প্রস্তাবিত গণভোট অনুষ্ঠান সম্ভব নয়। সময় স্বল্পতা, নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বিপুল অঙ্কের ব্যয় এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ ব্যাপক লোকবল নিয়োগ—এই কারণে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো বিশাল আয়োজনের বিবেচনায় নির্বাচনের পূর্বে গণভোট অনুষ্ঠান অপ্রয়োজনীয়, অযৌক্তিক এবং অবিবেচনা প্রসূত।’
‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দেওয়া সুপারিশ একপেশে এবং তা জাতির ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।’ বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, সালাউদ্দিন আহমদ, নজরুল ইসলাম খানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলা এবং কাকরাইলে সংঘটিত সহিংস ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (৩০ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারেক রহমান জানান, দেশকে অবশ্যই বেআইনি মবের শাসন থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
নুরুল হক নুরের ওপর হামলা এবং কাকরাইলে সংঘটিত সহিংস ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা বর্তমানে একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর গণতান্ত্রিক উত্তরণের সময় অতিক্রম করছি, যার প্রথম ধাপ হলো জাতীয় নির্বাচন। আমাদের সম্মিলিতভাবে নিশ্চিত করতে হবে যে আজ যা ঘটেছে, তেমন অস্থিতিশীলতামূলক ঘটনা যেন আর ছড়িয়ে পড়তে না পারে এবং আমাদের গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত না করে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি এবং মিত্র গণতন্ত্রপন্থি অংশীদারদের অবশ্যই সংযম ও সহনশীলতা বজায় রাখতে হবে। গত বছরের গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত চেতনাকে অবশ্যই জয়ী হতে হবে। দেশকে অবশ্যই বেআইনি মবের শাসন এবং বর্তমান অস্থিরতার শৃঙ্খল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘যদি আমরা বাংলাদেশের অগ্রগতি দেখতে চাই, তাহলে আমাদের মবের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সতর্কতা বজায় রাখা উচিত, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা উচিত এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও স্থিতিশীল দেশ গড়ে তোলা উচিত। কেবলমাত্র গণতান্ত্রিক পথে জনগণকে ক্ষমতাবান করার এবং সবার জন্য ন্যায়বিচার, সাম্য এবং মর্যাদা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই আমরা একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে সফল হতে পারব।’
বিবৃতিতে নুরের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে এবং ঘটনার আইনানুগ তদন্তের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
এদিকে নুরের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের আহ্বায়ক ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ।
মন্তব্য করুন


বর্তমান সরকারে যদি দলীয় লোকজন থেকে যায়, তাহলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী।
বুধবার নয়া পল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, এ দেশের সর্বক্ষেত্রে চরমভাবে দলীয়করণ হয়েছে। ফলে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের অনেককেই দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জুলাই সনদ মোটাদাগে সবাই মেনে নিয়েছে। এতে থাকা প্রতিশ্রুতিগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন দাবি জানান তিনি।
রিজভী অভিযোগ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হয়তো ভেবেছিলেন তাদের জমিদারি চিরস্থায়ী, কিন্তু ৫ আগস্টের পর অনেকের মানসিকতা বদলাতে শুরু করেছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো স্বস্তিদায়ক নয়।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষণার কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিএনপির স্বাভাবিক ও সুস্থ রাজনৈতিক যাত্রাপথে বহু বাধা ও ষড়যন্ত্র চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আশঙ্কা প্রকাশ করে রিজভী বলেন, বর্তমান সরকারে যদি দলীয় লোকজন থেকে যায়, তাহলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়—তাদের সরিয়ে দিতে হবে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বিএনপি সংবিধান সংস্কার কমিশনের কাছে উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদসহ মোট ৬২টি প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজের হাতে লিখিত প্রস্তাবনা তুলে দেয়।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে সূচনা থেকে তফসিল পর্যন্ত মোট ৬২টি প্রস্তাবনা জমা দেওয়া হয়েছে। জুলাই-আগস্টের বিপ্লব এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায়, ভবিষ্যতে যেন একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত না হয়, সেসব বিষয় মাথায় রেখে প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "আমরা বিচার বিভাগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করেছি। উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ সৃষ্টির প্রস্তাব দিয়েছি। নির্বাহী, বিচার বিভাগ এবং আইন বিভাগসহ সব ক্ষেত্রেই এমন প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে, যাতে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় থাকে।"
সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, সংবিধান সংস্কার কমিশন এ প্রস্তাবনাগুলো সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে। কোনো বিষয়ে দ্বিমত থাকলে ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার বিষয়টি দেখবে।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ সাংবাদিকদের জানান, বিএনপির জমা দেওয়া প্রস্তাবনা এখনো পড়ে দেখা হয়নি। তবে সবার সঙ্গে আলোচনা করে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে সুপারিশ প্রণয়ন করা হবে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, কংগ্রেসম্যানদের সই জালকারী, জো বাইডেনের ভুয়া উপদেষ্টা হাজিরকারী বিএনপি একটা জালিয়াত রাজনৈতিক দল।
শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়িতে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত 'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা'য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আপনাদের মনে আছে, বিএনপি গত বছর ২৮ অক্টোবর জো বাইডেনের ভুয়া উপদেষ্টাকে হাজির করেছিল। সে বিএনপি কার্যালয়ে শুধু ইংরেজি বলছিল, পুলিশ যখন ধরে নিয়ে গেল তখন দেখি গড়গড়িয়ে বাংলা বলে। তার আগে বিএনপি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যানদের সই জাল করেছিল উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শুধু তাই নয়, তারা সে সময় বলেছিল ভারতের অমিত শাহ ফোন করেছিল। কিন্তু অমিত শাহ’র অফিস থেকে বলা হলো তিনি কাউকে ফোন করেননি, যে আওয়াজ প্রচার করা হয়েছিল সেটা অমিত শাহ’র নয়। এসব জালিয়াতিই তাদের কাজ।
ড. হাছান বলেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি দেখে বিএনপি ও তাদের দোসরদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। মাঝেমধ্যে দেখি জিএম কাদেরেরও মাথা খারাপ হয়ে যায়। নির্বাচনের আগে আমরা দেখেছি বিএনপি প্রতিদিন বিভিন্ন এম্বেসিতে ঘুরে বেড়াত আর দেন দরবার করতো, নির্বাচনটা যাতে বন্ধ করা যায়। এসবে কোনো লাভ হয় নাই। নির্বাচন হয়েছে, ৪২ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে। যদি নির্বাচনের দিন কুয়াশা এবং প্রচন্ড ঠান্ডা না থাকতো তাহলে আরও বেশি মানুষ ভোট দিতো। আর বিএনপি যদি নির্বাচন প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে মানুষের উপর হামলা, ট্রেনের মধ্যে শিশুসন্তানসহ পুরো পরিবারকে জ্বালিয়ে হত্যা না করতো তাহলে ভোটের হার ৬০ শতাংশের বেশি হতো।
অন্যান্য দেশের পরিসংখ্যান উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, গত দু’তিন বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অনেক দেশে নির্বাচন হয়েছে, সেখানে অনেক দেশে ৪০ শতাংশের কম ভোট পড়েছে। যদিও বা সেখানে নির্বাচনে বর্জন ও প্রতিহতের কোনো হুমকি ছিল না।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অত্যন্ত চমৎকার নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচন যদি চমৎকার না হতো তাহলে পৃথিবীর ৮০টা দেশের সরকার কিংবা রাষ্ট্রপ্রধান আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতেন না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট চিঠি লিখে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, আমরা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। সর্বশেষ দুদিন আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীও আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, এসব কারণে বিএনপির মাথা খারাপ। সম্ভবত সেজন্য বিএনপি নেতা ড. মঈন খান ইদানিং জ্যোতিষীর মতো কথা বলছেন। বয়সে সিনিয়র বিএনপি নেতা ড. মঈন খানের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, তিনি রাজনীতির বাইরে এখন জ্যোতিষীর দায়িত্বও পালন করা শুরু করেছেন।
ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'বঙ্গবন্ধু যখন দেশ পরিচালনা করছিলেন তখন মঈন খানের বাবা আবদুল মোমেন খান খাদ্য সচিব ছিলেন। খাদ্যবাহী জাহাজ ভারত মহাসাগর থেকে ফেরত যাবার পেছনে তার বাবার কারসাজি ছিল, যাতে দেশে খাদ্য সঙ্কট তৈরি হয়।'
হাছান মাহমুদ আরও বলেন, 'খাদ্য সঙ্কট তৈরি করে বঙ্গবন্ধুকে অজনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে আবদুল মোমেন খানের ভূমিকা ছিল। সেটির পুরস্কার স্বরূপ জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করার পর আবদুল মোমেন খানকে মন্ত্রীর মর্যাদায় খাদ্য উপদেষ্টা বানিয়েছিলেন। ৭৯ সালের নির্বাচনের পর আবদুল মোমেন খান সংসদে খাদ্য মন্ত্রী হিসেবে বক্তব্যে বলেছিল খাদ্যের জন্য দরকার হলে দেশ বিক্রি করে দিব। ওনারই সন্তান মঈন খান।'
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, 'আজকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে, বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে হলে, জননেত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প একমাত্র শেখ হাসিনাই, এই দেশে আর কোন বিকল্প নেই। তিনি জাতিকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন ডিজিটাল বাংলাদেশের। এবং সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটেছে। ২০১৮ সালে আমাদের স্লোগান ছিল- আমার গ্রাম আমার শহর। আজকে গ্রামগুলো শহরের মত হয়ে গেছে, গ্রাম আর শহরের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।'
তিনি বলেন, 'এবার আমরা স্লোগান দিয়েছি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’। স্মার্ট বাংলাদেশ বলতে, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নেন্স এবং স্মার্ট পিপল। এই চারটি অনুসঙ্গকে আমরা সাথে নিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা করতে চাই। ইনশাল্লাহ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এই অভিযাত্রায়ও বিজয়ী হবো। কিন্তু আমাদের অভিযাত্রাকে আটকে দিতে চায় বিএনপি এবং তাদের দোসররা। সেই কারণেই নানা ষড়যন্ত্র।'
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, শফিক আদনান প্রমুখ।
দিন অনুষ্ঠান শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ চট্টগ্রাম নগরীর কদম মোবারক এতিমখানায় যান। সেখানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ উপ-কমিটির উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে সুষম খাবার বিতরণ করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাদা মহিউদ্দিন প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ গণতন্ত্র উত্তরণের পথে যাচ্ছে, সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে, কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় ঠাকুরগাঁও জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় জেলার বিভিন্ন স্তরের আইনজীবীরা অংশ নেন। তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইন-আদালতের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সাধারণ সম্পাদক মো. মকদুম সাব্বির মৃদুল সহ সিনিয়র আইনজীবীরা।
মন্তব্য করুন


জুলাই অভ্যুত্থানের পর পালিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। জানা গেছে, গুরুতর অসুস্থ কাদেরকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালের ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।
২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন ওবায়দুল কাদের। ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪-এর আগস্ট পর্যন্ত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন।
বার্ধক্যজনিত একাধিক অসুস্থতার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন ওবায়দুল কাদের। কলকাতার নিউ টাউনের বাড়িতেই চলছিল অক্সিজেন।
পলাতক এ নেতার বিশ্বস্ত সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়।
প্রায় অচেতন অবস্থায় তাকে কলকাতার বাইপাসের ধারে অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে ভর্তির পরেই তাকে দেওয়া হয় ভেন্টিলেশনে।
চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন তিনি। তবে অবস্থা বেশ সংকটজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
মন্তব্য করুন


বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো নির্বাচন পরিচালনা। এই বিষয়টি উপেক্ষা করে যদি অন্তর্বর্তী সরকার অন্যান্য কাজে বেশি মনোযোগ দেয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ‘রোড টু ইলেকশন’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সরকারের দায়িত্ব হলো অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা। তবে নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো স্বেচ্ছায় সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে আগ্রহী হয়ে উঠলে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হয়। তাই সংবিধান প্রদত্ত আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে হবে।
এ সময় তিনি জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণকারী ব্যক্তিদের নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ দেওয়ারও আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রশাসন থেকে ‘আওয়ামী ক্যাডারদের’ অপসারণের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
আজ সোমবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নীলফামারী জেলার বিএনপির নবগঠিত কমিটির উদ্যোগে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ দাবি করেন।
মাঠ পর্যায়ে নিরপেক্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে। কিন্তু আওয়ামী আমলের প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। তাই প্রশাসন থেকে আওয়ামী ক্যাডারদের অপসারণ করতে হবে।
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির জন্য জনগণ প্রস্তুত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য উপযোগী নয়। যারা পিআর দাবি করে তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়।
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সব মতের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হওয়ার আশা প্রকাশ করে রিজভী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র প্রতিনিধিরা থাকলে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, একটা কথা সব সময় মনে রাখতে হবে। বিএনপি হলো সেই রাজনৈতিক দল যে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে ঠাকুরগাঁও বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি হলো সেই রাজনৈতিক দল যে আমাদের মিডিয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ২১ দফাকে কেন্দ্র করে বেগম জিয়া নতুন বাংলাদেশের রুপকল্প দিয়েছিলেন। ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা বাংলাদেশ তছনছ হয়ে গেছে, ভেঙ্গে গেছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ভেঙে গেছে সেগুলোকে আবার নতুন করে গড়ে তোলার জন্য, দেশের সব রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলার জন্য, নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য তারেক জিয়া ৩১ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে।
বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আজকে সম্মেলনের মধ্য দিয়ে এ জেলায় নতুন একটি বিএনপি গঠন করবেন। যে বিএনপি একদিকে নতুন পথ দেখাবে। তেমনি অন্যদিকে গণতান্ত্রিক ঠাকুরগাঁও প্রতিষ্ঠিত করবে।
এ সময় তিনি সম্মেলনের সফলতা কামনা করেন এবং সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এছাড়াও কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাসুজ্জামান দুদুসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘দেশে নির্বাচিত সরকার না থাকায় ফের ফ্যাসিবাদ মাথাচড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করতে হলে এখন দেশে নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন।’
বৃহস্পতিবার সকালে মহান মে দিবস উপলক্ষে বরিশাল জেলা ও মহানগর শ্রমিক দলের আয়োজনে নগরীর সদর রোডে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার হল সম্মুখে শ্রমিক সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি জানান, ‘শেখ হাসিনা ওসামা বিন লাদেনের খালাতো বোন। ২২৭ মামলার আসামি হয়ে ভারতে পলাতক রয়েছেন। সেখানে থেকে ওসামা বিন লাদেনের মতো ভিডিও বার্তা দিচ্ছেন। আর ওই বার্তায় মামলার বাদীদের ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে।
এখন সবচেয়ে বড় যে কাজ তা হচ্ছে শেখ হাসিনার বিচার অনতিবিলম্বে শেষ করা। অন্যথায় দেশে পুনরায় ফ্যাসিবাদ মাথাচড়া দিয়ে উঠতে পারে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিবাদকে প্রতিহত করতে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য লড়াই করতে হবে।’
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনি নির্বাচিত সরকারের প্রধান নন, জনগণের সমর্থিত সরকারপ্রধান আপনি।
তাই সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আপনার নেই। মানবতার করিডর খোলার চিন্তা না করে অনতিবিলম্বে নির্বাচন দিন। জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিন।’
তিনি আরো বলেন, ‘কোনো খোঁড়া অজুহাত না দেখিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিত অনতিবিলম্বে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত সরকারের হাতে দেশের ক্ষমতা হস্তান্তর করা।’
মহানগর শ্রমিক দল আহবায়ক মো. ফয়েজ আহমেদ খানের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, মাহবুবুল হক নান্নু, জেলা বিএনপি আহ্বায়ক আবুল হোসেন খান, বিএনপির জাতীয় কমিটির সদস্য হাসান মামুন, সহ-বন ও পরিবেশ সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, মহানগর শ্রমিক দল সদস্যসচিব শহিদুল ইসলাম, জেলা শ্রমিক দলের সদস্যসচিব সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে টাউন হলের সামনে থেকে একটি র্যালি বের হয়। র্যালিটি নগরীর ফজলুল হক এভিনিউ থেকে চকবাজার হয়ে গির্জা মহল্লা হয়ে টাউন হলের সামনে এসে শেষ হয়।
মন্তব্য করুন