

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন এবং হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা কিংবদন্তি অ্যাগনেস কেলেতি ১০৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যু খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার প্রেস কর্মকর্তা তামাস রোখ। তিনি সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন কেলেতি। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি ঘটে।
এছাড়া কেলেতির ছেলে রাফায়েল বলেন, 'মায়ের জন্য আমরা প্রার্থনা করি। তার জীবনীশক্তি ছিল অসাধারণ।' হাঙ্গেরির গণমাধ্যম নেমজেতি স্পোর্টের সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৯ জানুয়ারি তাকে সমাহিত করা হবে। কারণ এই দিনটি অ্যাগনেসের জন্য বিশেষ দিন, তার জন্মদিন, বেঁচে থাকলে তিনি এ দিনটিতে ১০৪ বছর বয়সে পা রাখতেন।
এ কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদের মৃত্যুতে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, 'জাতির শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ এবং বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আমাদের গর্বিত করেছেন। তার প্রতি কৃতজ্ঞতা। তিনি শান্তিতে থাকুন।'
এদিকে অ্যাগনেস শুধু ক্রীড়াবিদ হিসেবেই বিখ্যাত নন; বরং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দুঃসময়ে হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা, তারপর অলিম্পিক গৌরব অর্জন করে জীবনে সাফল্যের এক নতুন অধ্যায় রচনা করেন। হেলসিঙ্কি (১৯৫২) এবং মেলবোর্ন (১৯৫৬) অলিম্পিকে তিনি মোট ১০টি পদক জেতেন, যার মধ্যে পাঁচটি ছিল সোনা। তবে ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন গেমসে চারটি স্বর্ণ জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি সর্বকালের সবচেয়ে বয়স্ক নারী জিমন্যাস্ট হিসেবে স্বর্ণ জেতার রেকর্ড গড়েন। এছাড়া বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপেও রয়েছে তার তিনটি পদক। সেই সময় তিনি 'দ্য কুইন অফ জিমনাস্টিকস' অর্থাৎ 'জিমনাস্টিকসের রানী' হিসেবেও খ্যাতি লাভ করেন। তবে খেলোয়াড়ি জীবনে তার সাফল্য যেমন অনন্য, তেমনি তার জীবনসংগ্রামও অনুপ্রেরণাদায়ক।
বুদাপেস্টের একটি ইহুদি পরিবারে ১৯২১ সালের ৯ জানুয়ারি জন্ম হয় অ্যাগনেস কেলেতির। মাত্র চার বছর বয়সে জিমন্যাস্টিকসের সঙ্গে তার শুরু হয় পথচলা। ১৬ বছর বয়সে জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হন এবং ১৯৩৯ সালে জাতীয় দলে সুযোগ পান। কিন্তু ইহুদি হওয়ার কারণে ১৯৪০ সালের পর থেকে তাকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়। পরে ১৯৪৪ সালে হাঙ্গেরি জার্মান নাৎসি বাহিনীর দখলে চলে যায়, ঐ সময় নিজের পরিচয় লুকিয়ে খ্রিষ্টান নারীর ছদ্মবেশে বেঁচে থাকেন অ্যাগনেস। বাঁচার জন্য জাল নথি তৈরি করে একটি গ্রামে লুকিয়ে থেকে কাজ করতেন। তবে গোপনে ঠিকই অনুশীলন চালিয়ে যান। কিন্তু অ্যাগনেস বেঁচে গেলেও তার বাবা এবং পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য হলোকাস্টের নির্মমতার শিকার হন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে সব খারাপ অতীত পেছনে ফেলে ফের খেলাধুলায় ফেরেন অ্যাগনেস। তার পরের গল্পতো সবারই জানা। তার অর্জনের শুরুটা হয় ১৯৪৬ সালে হাঙ্গেরির হয়ে চ্যাম্পিয়নশীপ জেতার মধ্য দিয়ে। ১৯৪৭ সালে তিনি সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান জিমন্যাস্টিকস শিরোপা জয় করেন। ১৯৪৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করলেও, গোড়ালিতে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেননি। ১৯৪৯ সালের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমসে তিনি চারটি স্বর্ণ, একটি রৌপ্য এবং একটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন।
এ দিকে ১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন অলিম্পিক শেষে হাঙ্গেরিতে না ফিরে তিনি ইসরাইলে স্থায়ী হন। সেখানে তিনি জিমন্যাস্টিকস কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেন। যদিও পরে খেলাধুলার জন্য জীবন উৎসর্গ করা কেলেতি জীবনের শেষ পর্যায়ে হাঙ্গেরিতে ফিরে আসেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর সবচেয়ে বয়স্ক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফ্রান্সের সাবেক সাইক্লিস্ট চার্লস কন্তের নাম উঠে এসেছে, যিনি বর্তমানে ১০০ বছর বয়সী।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
অবশেষে বিদায় বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ফ্রান্স ফুটবল দলের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করা কোচ দিদিয়ের দেশম। ২০২৬ সালের পর তিনি আর চুক্তি নবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছে ফ্রান্সের ফুটবল ফেডারেশন। এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
দেশমের বর্তমান চুক্তি আগামী বিশ্বকাপের পর পর্যন্ত। তবে, সেটি ফ্রান্সের কোয়ালিফাই করার ওপর নির্ভর করবে।
২০১২ সালে ফ্রান্সের দায়িত্ব গ্রহণ করেন দেশম। তার অধীনেই ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ জয় করে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও তার সতীর্থরা। তার আগে ২০১৬ সালে ঘরের মাঠে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলেছিল ফ্রান্স। সাবেক অধিনায়কের নেতৃত্বে ফ্রান্স আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছিল ২০২২ সালে। তবে, আর্জেন্টিনার কাছে পেনাল্টি শুটআউটে হেরে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ হারায় তারা।
মঙ্গলবার ফরাসি সংবাদমাধ্যম লেকিপ জানায়, বুধবার এ ব্যাপারে ঘোষণা করবেন দেশম নিজেই।
তার আগে ফরাসি ফুটবল প্রধান ফিলিপে দিয়ালো রয়টার্সকে বলেছেন, বিশ্বকাপের পর আর কোচ হিসেবে থাকতে রাজি নন দেশম। ২০২৬ সালে মেয়াদের পর তিনি সরে যাবেন।
ফ্রান্সের কোচ হওয়ার আগে দেশম যেসব ক্লাবের কোচ ছিলেন, প্রতিটিতেই ট্রফি জিতেছেন তিনি। ফ্রান্সের কোচ হয়ে ২০২১ সালে নেশনস লিগও জিতেছিলেন তিনি। খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ এবং ২০০০ সালে ইউরো জিতেছিলেন দেশম। ওই দুই আসরে তিনি ছিলেন ফ্রান্সের অধিনায়ক।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ধাপে ধাপে আগামী ১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য শুভেচ্ছাদূত ঘোষণা করছে আইসিসি। এর আগে শুভেচ্ছাদূত ঘোষণা করা হয়েছিল সেরা দৌড়বিদ উসাইন বোল্ট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক কিংবদন্তি ক্রিকেটার ক্রিস গেইল ও ভারতের বিশ্বকাপজয়ী তারকা যুবরাজ সিংকে।
এবার তিন কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদদের তালিকায় যুক্ত হলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বকাপে ব্যাট-বল হাতে দারুণ কিছু প্রদর্শনী দেখানোয় তাকে এই সম্মান জানিয়েছে আইসিসি।
২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরে টুর্নামেন্টসেরা হয়েছিলেন আফ্রিদি। সে আসরের ফাইনালে ভারতের কাছে মাত্র ৫ রানে হেরে গিয়েছিল তার দল পাকিস্তান।
তবে পরের আসরে (২০০৯ সালে) ঠিকই শিরোপা জিতে নিয়েছে পাকিস্তান। ওই আসরের সেমিফাইনাল ও ফাইনালে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন আফ্রিদি।
শুভেচ্ছাদূত নির্বাচিকত হওয়ার বিষয়ে আফ্রিদি বলেন, ‘আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এমন একটি ইভেন্ট যা আমার হৃদয়ের খুব কাছের। উদ্বোধনী সংস্করণে প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট হওয়া থেকে শুরু করে ২০০৯ সালে ট্রফি জয় পর্যন্ত এই মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আমার ক্যারিয়ারের কিছু পছন্দের বিষয় এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আরও শক্তিশালী হয়েছে। আমি এই সংস্করণের অংশ হতে পেরে রোমাঞ্চিত। যেখানে আগের চেয়ে আরও বেশি দল, আরও ম্যাচ এবং আরও বেশি আনন্দ দেখতে পাবো। আমি ৯ জুন ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের সাক্ষী হওয়ার জন্য বিশেষভাবে মুখিয়ে আছি। এটি খেলাধুলার অন্যতম সেরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং নিউইয়র্ক হবে দুটি দুর্দান্ত দলের মধ্যকার লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত মঞ্চ।’
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
২০১৫ সালে লিভারপুলের কোচ হয়ে আসেন জার্মানির জার্গেন ক্লপ। ২০১৭ সালে তিনি ইতালিয়ান ক্লাব রোমা থেকে লিভারপুলে উড়িয়ে আনেন মিশরীয় তারকা মোহাম্মদ সালাহকে। ৭ বছর যুগলবন্দী হয়ে ক্লাবকে অনেক সাফল্য এনে দিয়েছেন এই দুজন। এই মৌসুম শেষে লিভারপুল ছাড়ছেন ক্লপ। তাই একসঙ্গে দুজনের পথচলাও শেষ হচ্ছে।
নিজেদের অধ্যায়ের শেষ দিকে এসে ক্লপের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন সালাহ। গত মাসে ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্রয়ের ম্যাচে ডাগআউটে ক্লপের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা গেছে সালাহকে। সেই ঘটনা নিয়ে সালাহ বলেছিলেন, তিনি কথা বললে আগুন লেগে যাবে। তবে সম্প্রতি স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্লপের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্কের গল্পই শোনালেন সালাহ।
সালাহ বলেছেন, ‘আমরা যখন প্রথমবার কথা বলেছিলাম, প্রথম তার যে কথাটি আমার মনে আটকে গিয়েছিল সেটি হলো, তিনি আমাকে এখানে (লিভারপুল) নিয়ে আসতে চান। তিনি আসলে ব্যাখ্যা করেছিলেন, নতুনভাবে একটি দল গঠন করছেন তিনি এবং সেখানে সাদিও (মানে) ও ববি (ফিরমিনো) আছে, আমাকেও সেখানে খেলাতে চান। তিনি (ক্লপ) আমাকে বলেছিলেন, ‘‘ফুটবলে আমি তোমার ধার আরও বাড়াবো এবং তুমি যেভাবে চাও তার স্বাধীনতা দেব।’’ আমার অবস্থা এমন ছিল যে, আচ্ছা আমি আসছি। আমি এসেছি এবং তার পরেরটা তো আপনারাই দেখেছেন।’
লিভারপুলে প্রিয় মুহূর্ত প্রসঙ্গে মিশরীয় এই তারকা আরও বলেছেন, ‘আমরা এখানে একসঙ্গে সাত বা আট বছর ধরে আছি, তাই অনেক প্রিয় মুহূর্তই জড়ো হয়েছে। কিন্তু আমার মনে হয় যেই ম্যাচে চেলসি ম্যানচেস্টার সিটিকে হারালো আর আমাদের প্রিমিয়ার লিগ নিশ্চিত হলো এবং চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় আমার মাথায় আটকে আছে। কারণ সেখানে অনেক আবেগ জড়িত ছিল।’
দুজন দুজনকে ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছেন উল্লেখ করে সালাহ বলেন, ‘একজন ভালো খেলোয়াড় হিসেবে তিনি নিশ্চিতভাবে আমার উন্নতি করেছেন এবং তার ভালো ম্যানেজার হয়ে ওঠার পেছনে আমারও অবদান আছে। আমরা একে অপরকে অনেক সাহায্য করেছি। শিরোপা জয়ের জন্য ক্লাবকে সবকিছু দিয়েছি, সবাই সেটা দেখেছে।’
সালাহ আরও বলেন, ‘ব্যক্তি হিসেবে আমি যদি সমস্যায় পড়ি আমি তার সঙ্গে কথা বলতে পারি এবং যেকোনো কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি। আমার মনে হয়, আমরা অবশ্যই আজীবন আমাদের যোগাযোগ রাখব। কারণ এটা শুধু কাজের ক্ষেত্রের সম্পর্কই নয়, আমরা এটিকে বাইরেও নিয়ে যাই এবং আমাদের চিরকাল যোগাযোগ থাকবে।’
ক্লপের অধীনে লিভারপুলের হয়ে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন সালাহ। ক্লাবের সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ৩৪৮ ম্যাচে ২১১ গোল ও ৮৯টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। ২০১৯ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ২০২০ সালে দীর্ঘদিন পর জিতেছেন প্রিমিয়ার লিগ। ম্যানচেস্টার সিটিকে লিগ শিরোপার লড়াইয়ে বেশ কয়েকবারই টেক্কা দিয়েছে ক্লপ-সালাহর লিভারপুল।
উলভসের বিপক্ষে ম্যাচে শেষবারের মতো লিভারপুলের ডাগআউটে দাঁড়াবেন ক্লপ। সবকিছু ঠিক থাকলে সালাহও এই ম্যাচে খেলতে যাচ্ছেন। ক্লপের সম্মানে এই ম্যাচ শেষে একটি সংবর্ধনারও আয়োজন করা হতে পারে।
মন্তব্য করুন


এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) ও বাংলাদশে ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) আয়োজনে ‘১০ম এএফসি গ্রাসরুটস ফুটবল ডে ২০২৩’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ মে) একযোগে এর আয়োজন করা হয় ঢাকা, নোয়াখালী, নেত্রকোণা, সুনামগঞ্জ ও বরগুনায়।
ঢাকা ও আশপাশের জেলাসমূহের ১৬টি ফুটবল একাডেমির প্রায় ২০০ কিশোর ফুটবলারকে নিয়ে বাফুফে সংলগ্ন আর্টিফিসিয়াল টার্ফ মাঠে গ্রাসরুট ডে পালিত হয়। এই সময় খেলোয়াড়দের মাঝে টি-শার্ট ও সার্টিফিকেট অন্যান্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল থমাস স্মলি, জাতীয় দলের কোচ হ্যাভিয়ের ফার্নান্দেজ ক্যাববেরা, বাফুফের সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, সদস্য আমের খান ও মহিদুর রহমান মিরাজ এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার।
ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে বান্দরবানে গতকাল গ্রাসরুটস ফুটবল ডে পালন করা যায়নি। তার পরিবর্তে ওই জেলায় আজ অনুষ্ঠানটি হবে।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ফিফা বর্ষসেরা কোচের প্রতিযোগিতায় স্থান পেয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি। রিয়াল মাদ্রিদের এই কোচ ছাড়াও সেরা পাঁচে রয়েছেন লিওনেল স্কালোনি, লুইস দে লা ফুয়েন্তে, জাবি আলোন্সো এবং পেপ গুয়ার্দিওলা।
গতকাল শুক্রবার ফিফা বর্ষসেরা কোচ ও খেলোয়াড়ের জন্য মনোনীত প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করেছে। এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে তাদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে।
ফিফার এই পুরস্কারে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে ভক্ত-সমর্থকদেরও। সেরা খেলোয়াড়, সেরা কোচ এবং সেরা গোলকিপারের জন্য দর্শকদের ভোট মোট ভোটের ২৫ শতাংশ দেবে। বাকি ৭৫ শতাংশ ভোট দেবেন ফিফা সদস্যদেশগুলোর অধিনায়ক, কোচ এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা।
আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফিফার ওয়েবসাইটে ভোট দেওয়া যাবে।
মন্তব্য করুন


সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত বাজে ফর্মের কারণে ব্যাপক ট্রল আর সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে সেই বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে ধারবাহিক হওয়ায়র ইঙ্গিত দেন। এরপর শুধুই ধারবাহিকতা নয়, সেই সব ট্রল আর সমালোচনার জবাবও দিচ্ছেন ব্যাট হাতে। গতকালের ম্যাচ শেষে এই ব্যাটারের প্রশংসা শোনা গেছে বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের কন্ঠেও।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে বড় অবদান নাজমুল হোসেন শান্তর। ৬৫.৩৩ গড়ে সিরিজের সর্বোচ্চ ১৯৬ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। যেখানে তিনি ব্যাটিং করেছেন ১০২.৬১ স্ট্রাইকরেটে। এমন পারফরম্যান্সে সিরিজ সেরার পুরস্কার ওঠেছে তার হাতে।
শান্তর জন্য সিরিজটি প্রাপ্তিতে ভরপুর ছিল। প্রথম ম্যাচটি যদিও ছিল অপূর্ণতার। আউট হয়ে যান ৪৪ রান করে। তবে পরের ম্যাচে দলের অসাধারণ রান তাড়ায় নায়ক তিনি ৯৩ বলে ১১৭ রান করে। যেটি তাকে এনে দেয় এই সংস্করণে প্রথমবার ম্যাচ সেরা হওয়ার সম্মান। শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে খেলেন ক্যামিও ইনিংস আর বল হাতে স্বাদ পান প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেটের। তাতে নিশ্চিত হয় দলের সিরিজ জয় আর নিজে পান প্রথমবার ম্যান অব দা সিরিজের স্বীকৃতি।
গত বছর পর্যন্ত ১৫ ওয়ানডে খেলে একবারও ৪০ ছুঁতে পারেননি শান্ত। এ বছর ৭ ওয়ানডেতে ১ সেঞ্চুরি ও ৩ ফিফটি হয়ে গেল। ব্যাটিংয়ে এই ধারাবাহিকতার পাশাপাশি আলাদা করে নিজেকে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি ফিল্ডিংয়ে। এই আয়ারল্যান্ড সিরিজেও অসাধারণ ফিল্ডিং করেছেন মাঠের নানা প্রান্তে। এসবের পাশাপাশি শান্তর দল অন্তপ্রাণ মানসিকতাও তুলে ধরলেন তামিম।
তিনি বলেন, 'সবশেষ ২-৩ সিরিজ ধরেই সে খুব ভালো খেলছে। নিয়মিত রান করছে। আমাদের জন্য যা দারুণ ব্যাপার। তিন নম্বর এমন একটি পজিশন, যেখানে লম্বা সময়ের জন্য কাউকে আমরা নিয়মিত পাইনি। আমার মনে হয়, তিন নম্বরে সে নিজের জায়গা পাকা করেছে।'
'সে রান করছে নিয়মিত। শুধু রানই নয়, যেভাবে সে মাঠে ফিল্ডিং করে, সব জায়গায় নিজের সেরাটা দেয়। গ্রেট টিমম্যান… ওর জন্য আমি খুবই খুশি।'-আরও যোগ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্কঃ
২০১২-১৩ মৌসুমে ভারতের মাটিতে স্বাগতিকদের ৪ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল ইংল্যান্ড। এরপর অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজ; যারাই গিয়েছে, ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জিতে ফিরতে পারেনি। ১২ বছর পর ভারতের মাটিতে তাদের অজেয় যাত্রা ভাঙল নিউজিল্যান্ড। এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিল টম ল্যাথামের দল।
বেঙ্গালুরুতে হওয়া প্রথম টেস্টে কিউই পেসারদের তোপে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ালেও প্রথম ইনিংসের সেই দুর্দশা ঢাকা যায়নি। হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। পুনেতে হওয়া দ্বিতীয় ম্যাচে স্পিন দিয়ে নিউজিল্যান্ডকে আটকাতে চেয়েছিল রোহিত শর্মার দল। তবে নিজেদের পাতা ফাঁদে তারা নিজেরাই পড়ে। ওয়াশিংটন সুন্দরের স্পিনে ভারত লড়াই করলেও দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৩ উইকেট নিয়ে ভারতকে নাস্তানাবুদ করে ছাড়েন কিউেই স্পিনার মিচেল স্যান্টনার।
আজ পুনেতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ভারত হারল ১১৩ রানে। প্রথম ইনিংসে ২৫৯ রান করেছিল নিউজিল্যান্ড। বাবে ব্যাট করতে নেমে ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ১৫৬ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ড তোলে ২৫৫ রান। ভারতের লক্ষ্য ছিল ৩৫৯ রানের বিশাল স্কোর। তবে ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ ২৪৫ রানেই।
পুনেতে ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপ আরও একবার ব্যর্থ। ম্যাচ হারের আগেই সমালোচনায় বিদ্ধ হয়েছেন দলের সবচেয়ে বড় তারকা বিরাট কোহলি। প্রথম ইনিংসে ফুলটস বলে আউট হয়েছিলেন তিনি। ব্যাট হাতে ব্যর্থ ভারতের ক্রিকেটের আরেক স্তম্ভ রোহিত শর্মা। ব্যাট হাতে টানা ব্যর্থ হচ্ছেন তিনি। পুনে টেস্টের প্রথম ইনিংসে ‘শূন্য’ রানে আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেছেন মাত্র ৮ রান।
বেঙ্গালুরুতে প্রথম টেস্টে ভারত হেরেছিল ৮ উইকেটে। দ্বিতীয় টেস্টে হারল ১১৩ রানে। তৃতীয় ম্যাচটি তাই পরিণত হয়েছে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে। যদিও মুম্বাইতে সেই কাজটি সহজ হবে না রোহিত শর্মার দলের। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কিউই স্পিনার এজাজ প্যাটেলের যে ১০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি আছে!
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্কঃ
সাকিব আল হাসানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিয়েছিলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। তাইতো তাকে দলে রেখেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে নিরাপত্তা সঙ্কটে পড়তে হতে পারে, তাই সাকিবকে পরে দেশে না ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়।
আগামী ২১ অক্টোবর শুরু হতে যাওয়া মিরপুর টেস্টে সাকিবের কারণে ফাঁকা হয়ে যাওয়া জায়গায় কে আসবেন, সেটি নিয়ে অনেক কৌতুহল ছিল। ধোঁয়াশায় ছিল দক্ষিণ আফ্রিকাও। অবশেষে সাকিবের বদলি ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করল বিসিবি। এই জায়গায় তরুণ স্পিনার হাসান মুরাদের নাম ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।
বাংলাদেশের হয়ে সাদা পোশাকে এখনো নামা হয়নি হাসান মুরাদের। তবে দুইটি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। যদিও গত বছর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। ২০২০ যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম সদস্য এই মুরাদ। ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফর্ম করে আসছেন তিনি।
ভারতে বসেই টেস্ট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন সাকিব। তখন ইচ্ছা প্রকাশ করেন, ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টটি মিরপুরে খেলতে চান তিনি। সবকিছু ঠিকমতোই চলছিল, দলেও জায়গা পান তিনি। দেশের উদ্দেশে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে রওনাও দিয়েছিলেন। তবে দুবাইয়ে ট্রানজিট নেওয়ার সময়ই তাকে দেশে না ফিরতে পরামর্শ দেওয়া হয়।
সাকিবকে দেশে না ফিরতে পরামর্শ দিয়েছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। সাকিবের দেশে না আসার বিষয়ে আসিফ মাহমুদ গণমাধ্যমকে গতকাল জানান, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে যাতে না পড়তে হয় তাই তাকে দেশে না আসার পরামর্শ দিয়েছি। বিদায়ী টেস্ট খেলতে মিরপুর আসবেন না সাকিব আল হাসান।
সাকিব যাতে দেশে ফিরতে না পারেন সেজন্য অনেক আগে থেকেই আন্দোলন করে আসছেন কিছু লোক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাকিবের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়েছে। মিরপুরে স্টেডিয়াম এলাকায় হয়েছে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন।
মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের স্কোয়াড
নাজমুল হোসেন শান্ত(অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, মাহমুদুল হাসান, জাকির হাসান, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), জাকের আলী, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা ও হাসান মুরাদ।
মন্তব্য করুন


রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র মাঠে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই এই ব্রাজিলিয়ান সেনসেশনের ফুটবল ক্যারিয়ার এগিয়ে চলেছে সাফল্যের পথে। তবে ফুটবল মাঠের পাশাপাশি এবার ভিনিসিয়ুসের নজর ব্যবসায়িক দিকেও। পর্তুগালের একটি দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল ক্লাব কেনার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
ইএসপিএন জানিয়েছে, ব্যবসা ও বিনিয়োগের চিন্তাভাবনায় বৈচিত্র্য আনার জন্য এবং অবসরের পরের জীবনকে মাথায় রেখে ক্লাব কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগ লিগে থাকা ১৮টি ক্লাবের মধ্যে একটি কিনতে আগ্রহী তিনি।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো জানিয়েছে, ক্লাব কেনার জন্য ভিনিসিয়ুসের পাশে রয়েছে একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান। স্পেনের রেডিও স্টেশন কাদেনা কোপে-এর সাংবাদিক রবার্তো আন্তোলিন প্রথম এই খবর প্রকাশ করেন যে, ভিনিসিয়ুস ইতোমধ্যে ক্লাব কেনার বিষয়ে আলোচনায় নেমেছেন।
যদিও এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। ঠিক কোন ক্লাবটি কিনতে আগ্রহী ভিনিসিয়ুস, সেটিও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাবাণিজ্য বিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস তাদের এক রিপোর্টে জানিয়েছে, ভিনিসিয়ুস আলভেরকা ক্লাব কেনার বিষয়ে আলোচনা করছেন।
লিসবনের কাছাকাছি অবস্থিত এই ক্লাবটি বর্তমানে পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগে অষ্টম স্থানে রয়েছে। ফোর্বসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভিনিসিয়ুস ১২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বা আনুমানিক ১ কোটি ইউরো দিয়ে ক্লাবটি কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন।
২০২৪ সালে ভিনিসিয়ুসের আয় হবে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর মধ্যে ৪ কোটি ডলার আসবে তার বেতন থেকে এবং বাকি ১.৫ কোটি ডলার আসবে স্পনসরশিপ থেকে।
ভিনিসিয়ুসের স্পনসরদের মধ্যে গ্যাটোরেড, পেপসি, ইউনিলিভার এবং নাইকির মতো বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া, ব্রাজিলে ভিনিসিয়ুসের একটি সামাজিক সেবা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে, যা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বিনিয়োগ করে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফুটবল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তগুলো ভিনিসিয়ুসের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করবে।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
সারা জীবন যে ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যেতে পারবেন না এটা তিনি ভালই জানেন। সেটা চাইছেনও না। তাই বিরাট কোহলির ইচ্ছা, ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার আগে সব কাজ শেষ করে ফেলার। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু-আরসিবির একটি পডকাস্টে এমনই কথা বলেছেন কোহলি। বেশ কিছু দিন পর ভারতের প্রাক্তন অধিনায়কের মুখে আবার অবসরের কথা শোনা গেল।
রানের প্রতি কোহলির খিদে এখনও আগের মতোই আছে। এ বারের আইপিএলে শতরান করেছেন। মোট আটটি শতরান হয়ে গিয়েছে আইপিএলে। ১৩টি ম্যাচে ৬৬১ রান করে কমলা টুপির দৌড়ে রয়েছেন।
আরসিবির একটি ভিডিওতে কোহলি বলেছেন, ‘কোনও কাজ অসমাপ্ত রেখে যেতে চাই না। আমি চাই না কোনও আক্ষেপ রাখতে। আমি নিশ্চিত যে সেটা হয়তো থাকবেও না। তবে এক বার আমার কাজ শেষ হয়ে গেলেই চলে যাব। তারপর অনেক দিন আমাকে দেখতে পাবেন না।’
কোহলির সংযোজন, ‘যতদিন খেলছি তত দিন নিজের সেরাটা দিতে চাই। এই বিষয়টাই আমাকে সর্বক্ষণ তাড়িয়ে বেড়ায়।’
২০০৮ সালে ভারতকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতানোর পরেই কোহলিকে আইপিএল নিলামে কেনে আরসিবি। সেই থেকে একটি দলের হয়েই খেলে চলেছেন তিনি।
কোহলি বলেছেন, ‘ক্রীড়াবিদ হিসাবে আমাদের একটা মেয়াদ থাকে। আমি তাই পিছনের দিকে তাকাচ্ছি না। কোনও নির্দিষ্ট দিনে আমি কী করতে পারতাম সেটা ভাবতে ভাবতে ক্যারিয়ার শেষ করতে চাই না। কারণ সারা জীবন খেলা চালিয়ে যেতে পারব না।’
মন্তব্য করুন