

গ্রীলে ঘেরা সুসজ্জিত ফুলের বাগান। বাগানের এক কোণে কাঁটা মেহেদী গাছ। আর সেই গাছগুলো কেটে তৈরি করা হয়েছে শহীদ মিনার। শহীদ মিনারটিকে গাদা ফুল দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়েছে। এই নান্দনিক শহীদ মিনারটি ইতিমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এই ব্যতিক্রম শহীদ মিনারটি দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার সাবেক গুলিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্ত্বরে নির্মাণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসে সবাই যখন ইট-পাথর দিয়ে তৈরি তখন ব্যতিক্রম এই শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস।
বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করতে দেখা যায়।
ইতিপূর্বে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা ও টেলিভিশনে শিরোনাম হয়ে ছিলেন, এই শহীদ মিনার। পরে বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে আসেন প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সোহেল আরমান নামে এক তরুণ বলেন, একজন শিক্ষকের সৃজনশীল এমন কাজ আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। উনার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
এই বাগান ও শহীদ মিনারের মূল কারিগর, প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ছোটবেলা থেকেই বাগানের প্রতি আমার আগ্রহ অনেক বেশি। সেই থেকেই বাগানে গাছ ও ফুল দিয়ে বিভিন্ন প্রতীক ও স্তম্ভ তৈরি করি। এর মধ্যে শহীদ মিনারটি অন্যতম। গত বছরের মত এবারো এই শহীদ মিনারটি সাজানো হয়েছে। বাগানের প্রতি শিক্ষার্থীদের সাথে দর্শনার্থীরাও অনেক বেশি আকৃষ্ট হয়। এটিই আমার বড় প্রাপ্তি। তিনি আরও বলেন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাও এখানে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এই বাগানের কাজ আরো প্রসারিত করতে আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার এসএমএ মান্নান বলেন, সাবেক গুলিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে তৈরিকৃত শহীদ মিনারটি সত্যিই প্রশংসনীয়। এটির পিছনে যারা শ্রম ও মেধা ব্যয় করেছেন, তাদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
খানসামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন বলেন, এটি একটি সৃজনশীল কাজ। নিশ্চয়ই এটি প্রশংসার দাবিদার। এই বাগান তৈরিতে কোমলমতি শিশুদের মেধাবিকাশ ঘটবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তাজ উদ্দিন বলেন, তিনি এই বাগান করে ইতিমধ্যে সুনাম কুড়িয়েছেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি মেধা বিকাশের জন্য এটি একটি সৃজনশীল উদ্যোগ।
মন্তব্য করুন


চীনের আনহুই প্রদেশে ২০১৪ সালে হার্ট
অ্যাটাকে আক্রান্ত হন এক ব্যক্তি। তারপর তিনি কোমায় চলে যান। কিন্তু স্ত্রীর বিশ্বাস
ছিল, তার জীবনসঙ্গী একদিন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন। আর সেই বিশ্বাস, মনের প্রবল
জোর ও নিঃস্বার্থ সেবায় দীর্ঘ ১০ বছর পর কোমা থেকে স্বামীকে ফিরে পেলেন সান হংশিয়া
নামের ওই নারী।
এই দম্পতির একটি আবেগঘন ভিডিও চীনের
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, জেগে ওঠা স্বামীর পাশে বিছানায়
বসে আছেন সান হংশিয়া। গত কয়েক বছর কীভাবে কেটেছে, সেই বর্ণনা স্বামীকে দিচ্ছিলেন ওই
নারী। এসব শুনে কোমা থেকে জেগে ওঠা ওই ব্যক্তির চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
গণমাধ্যমকে সান বলেন, যদিও আমি অনেক
ক্লান্ত। তারপরও একটি পরিবারের সবাই যদি আবার এক হয়, সেটার অনুভূতি অন্য রকম।
হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে স্বামী
কোমায় চলে যাওয়ার পর তিনি কী দুরবস্থার মধ্য দিয়ে গেছেন, সেগুলোর স্মৃতিচারণা করেন
সান। তিনি বলেন, দুই সন্তানের চিন্তাই তাকে শক্তি জুগিয়েছে, ভেঙে পড়তে দেয়নি। পাশাপাশি
তিনি সন্তানদের জন্য সুন্দর একটি উদাহরণও তৈরি করতে চেয়েছিলেন।
সান আরও বলেন, তার কাছে অগ্রাধিকার
ছিল স্বামী। অচেতন স্বামীর থাকাটা যেন আরামদায়ক হয়, সে জন্য তিনি সময় ও শক্তি দুটিই
ব্যয় করেছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকার কারণে ওই ব্যক্তির (স্বামী) অনেক ধরনের শারীরিক
সমস্যা হয়েছিল। শ্বাসপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে তার জন্য ট্র্যাকিওস্টমি প্রক্রিয়া
ব্যবহার করা হয়েছে। পুরুষাঙ্গে ক্যাথেটার ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।
তারপরও সান লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি।
সানের ৮৪ বছর বয়সী শ্বশুর বউমার প্রতি
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সে আমার বউমা, কিন্তু আমার মেয়ের চেয়েও বেশি। ওর
সঙ্গে কারও তুলনা হয় না।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট
মন্তব্য করুন


ইসলামের পবিত্রতম স্থানটিতে শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে বার্ষিক হজ পালনে ১৬০টি দেশ থেকে ১৬ লাখের বেশি ধর্মপ্রাণ মুসলমানের উপস্থিতি সাম্প্রতিক বছরগুলোর উপস্থিতির রেকর্ড ভাঙতে পারে।
সৌদি আরবের গ্রীষ্মের প্রখর গরম আবহাওয়া উপেক্ষা করে বিগত বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম আজ রোববার (২৫ জুন) শুরু হয়েছে। ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ পবিত্র হজ পালনে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের বৃহৎ কালো ঘনক কাবা ঘর প্রদক্ষিণে পোশাকধারী হজ যাত্রীদের ভিড় তাই সেখানে এক ভাব গম্ভীর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
রোববার সকালে কাবা ঘরে ‘তাওয়াফ’ (কাবার চারপাশ প্রদক্ষিণ) করার ভেতর দিয়ে হজ শুরু হয়। সোনার ছাঁট দিয়ে কালো কাপড়ে মোড়া বিশাল ঘন কাঠামো কাবা ঘরের কাছে লাখো লাখো মুসলমান প্রতিদিন প্রার্থনা করে।
তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরবের পশ্চিমে মক্কা এবং এর আশেপাশে চার দিনের ধারাবাহিক আচার পালনের মধ্যে দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।
সব মুসলমান জীবনে একবার মক্কায় হজ পালনের আকাঙ্খাা লালন করেন এবং সামর্থবানদের জীবনে একবার এই হজ পালনের বিধান রয়েছে। তবে অমুসলিমদের এই অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার চান্দিনা থানাধীন হাড়িখোলা এলাকা হতে মানব পাচার চক্রের মূলহোতা সহ ০৩ জনকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ইং তারিখ র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার
চান্দিনা থানাধীন হাড়িখোলা এলাকা হতে মানব পাচার চক্রের মূলহোতাসহ ০৩ জনকে গ্রেফতার
করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো: কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কৈলাইন গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে
আনোয়ার হোসেন (৫২), কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার ঘোড়াকান্দা গ্রামের, ০২ নং ওয়ার্ড এর
মোজাম্মেল হক এর ছেলে সুমন মিয়া (২৪), কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানার কৈলাইন গ্রামের
আনোয়ার হোসেন এর ছেলে মোঃ সিহাব হোসেন (১৯)।
গাইবান্ধা
জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল কাশেম আর্থিক স্বচ্ছলতার আশায়
তার ছেলে লাজু মিয়া (২২) কে ২০২২ সালের মাঝামাঝিতে লিবিয়াতে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে
বেশ কয়েক মাস অতিবাহিত হওয়ার পর তার ছেলে লিবিয়ায় মানব পাচার চক্রের খপ্পরে পড়ে যায়।
মানব পাচার চক্রের সদস্যরা তার ছেলেকে আটকে রেখে মোটা অংকের মুক্তিপণ দাবী করে। উক্ত
চক্রের দেশীয় এজেন্ট হিসেবে কাজ করে গ্রেফতারকৃত আসামীরা। গ্রেফতারকৃত আসামীরা আবুল
কাশেমকে কুমিল্লায় এসে টাকা দেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়। শেষমেষ ভিকটিম আবুল কাশেম ছেলেকে
বাচাবার আশায় উপায়ান্তর না দেখে র্যাব-১১, কুমিল্লা অফিসে এসে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের
করেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে র্যাব-১১, কুমিল্লা ছায়া তদন্ত শুরু করে। ছায়াতদন্তে
প্রাপ্ত তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ বিকেলে কুমিল্লা
জেলার চান্দিনা থানাধীন হাড়িখোলা এলাকায় আসামীরা মুক্তিপনের টাকা নিতে আসলে কৌশলে উক্ত
আসামীদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক
অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা র্যাবের নিকট স্বীকার করে যে,
তারা সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামীদের দেওয়া তথ্যমতে
জানা যায়, তারা ও তাদের সহযোগী আরো পলাতক আসামীরা মিলে দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশের বিভিন্ন
স্থান হতে ভিকটিম সংগ্রহ করে তাদেরকে লিবিয়া ও ইতালী প্রেরণের প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশের
বিভিন্ন স্থানে নিয়ে আটক রেখে হত্যার হুমকি দিয়ে তাদের পরিবারের নিকট হতে মোটা অংকের
মুক্তিপণ আদায় করেছে। মানব পাচার ও মুক্তিপণের অবৈধ অর্থ দিয়ে গ্রেফতারকৃত ০১ নং আসামী
ও তার ছেলে পলাতক আসামী সাখাওয়াত হোসেন কুমিল্লা, গাজীপুর, চাঁদপুর সহ দেশের বিভিন্ন
জেলায় অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার
চান্দিনা থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার একতারপুর গ্রাম থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে গ্রেফতার করা হয় তাকে।
গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসী একতারপুর গ্রামের মৃত রেজাউল ইসলামের ছেলে রাজন বিশ্বাস (২৮)।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু আজিফ বলেন, কালীগঞ্জ উপজেলার একতারপুর গ্রামের এক নারী রাজনের নামে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে পুলিশ ওই গ্রামে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেফতার করে।
এসময় তার দেহ তল্লাশি করে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন ও ২ রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়। তার নামে থানায় নাশকতা, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু আজিফ বলেন, গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মন্তব্য করুন


সিলেট মহানগরের ৩৫নং ওয়ার্ডের মেজরটিলার
চামেলীবাগ আবাসিক এলাকায় টিলার মাটি ধসে একই পরিবারের ৩ জন মাটি চাপা পড়ে মারা গেছেন।
মাটি চাপা পড়ার ৬ ঘণ্টা পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।
সোমবার ভোর ৬টায় চামেলীবাগ এলাকার ২
নম্বর রোডের ৮৯ নম্বর বাসাটি মাটির নিচে চাপা পড়ে।
নিহতরা হলেন, আগা করিম উদ্দিন (৩১),
তার স্ত্রী শাম্মী আক্তার রুজি (২৫) ও ছেলে নাফজি তানিম (২)।
আগা করিম ওই এলাকার মৃত আলাউদ্দিনের
ছেলে। দুর্ঘটনায় মাটিচাপা পড়েছিলেন একই পরিবারের মোট ৯ জন। ৩ জন ছাড়া বাকিদের উদ্ধার
করা হয় ঘটনার পরপর। তাদের মধ্যে ৩ জন আহত হন। আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (০৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান জানান,নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার রতন মিয়া হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল হামিদকে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বিভিন্ন জেলায় পলাতক থাকার পর সাভার থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৪।
আর এই ২০ বছরে পলাতক থেকে নাম-পরিচয় বদলে নরসিংদীতে বিয়েও করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সাভার মডেল থানার গেন্ডা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আব্দুল হামিদ (৪৫) নওগাঁ জেলার বাসিন্দা।
র্যাব-৪ জানায়, আব্দুল হামিদ গত ২০০৪ সালের ১৬ মে মাসে নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার সাহেবগঞ্জ এলাকার নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে তার সহকর্মী রতন মিয়াকে কলহের জেরে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করলে রতন মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। সংবাদ পেয়ে আত্রাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামি আব্দুল হামিদ ও তার অন্যান্য সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে সুকৌশলে পালিয়ে যায়।
ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমের ছোট ভাই রিপন মিয়া বাদী হয়ে নওগাঁ জেলার আত্রাই থানায় আসামির বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা করার পর থেকে হত্যাকারী আব্দুল হামিদ আত্মগোপন করে। দীর্ঘদিন ধরে আসামির অনুপস্থিতিতে নওগাঁ জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত হত্যা মামলার বিচার কার্য চালিয়ে যায়। দীর্ঘ বিচার কার্য শেষে আদালত গত ২০১০ সালের ১৯ মে আসামি আব্দুল হামিদকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
র্যাব-৪ আরো জানায়, এসব তথ্য জানার পর র্যাব-৪ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল বৃহস্পতিবার সাভারের গেন্ডা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দীর্ঘ ২০ বছর পলাতক থাকা হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল হামিদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের পর হতে সে পালিয়ে প্রথমে রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, ঢাকা, নরসিংদী পরবর্তীতে চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্রগ্রাম জেলায় ও সর্বশেষ ঢাকা জেলার সাভার এলাকায় আত্মগোপন করে নিজের নাম, বাবার নাম ও ঠিকানা পরিবর্তন করে বসবাস করে আসছিল। গ্রেপ্তার আসামি নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানা এলাকায় পরিচয় গোপন করে বিয়ে করে।
মন্তব্য করুন


২০২৩ সাল থেকে চালু হয়েছে নতুন শিক্ষাক্রম। ধাপে ধাপে এই কারিকুলাম বাস্তবায়ন করবে সরকার। মুখস্থ নির্ভরতা কমানো ও হাতে কলমে শিক্ষা প্রণয়নের উদ্দেশ্য নিয়ে চালু হয় নতুন শিক্ষাক্রম। তবে এই নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা অভিভাবক মহলে। এই পদ্ধতি বাতিলেও দাবি তোলেন অনেকে। তবে নতুন কারিকুলাম চালু রেখেই পরীক্ষা পদ্ধতি ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত মিলছে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে।
শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন অ্যাপ নৈপুণ্যতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
নতুন শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী দায়িত্ব নেয়ার পর বলেছিলেন প্রয়োজনে শিক্ষা কারিকুলামে পরিবর্তন আনা হবে। সার্বিক বিষয়ে তিনি গত কয়েক দিন ধরে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় করছেন। মতামত নিচ্ছেন। সপ্তাহখানেক আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে একটি মূল্যায়ন পদ্ধতি ও কারিকুলাম সংক্রান্ত একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন চলছে।কমিটিতে জাতীয় এনসিটিবি প্রতিনিধি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি ও দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ।
মূল্যায়ন কমিটির মতামতের উপর ভিত্তি করে পরীক্ষা আংশিক বা পুরো নম্বরে করা হতে পারে। পরীক্ষা না থাকায় অনেক অভিভাবকই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এখন নতুন করে কারিকুলাম ঠিক রেখে ৩০ থেকে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা রাখার চিন্তা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে গত ১লা ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এনসিটিবি এবং শিক্ষা কারিকুলামের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা ও ব্যক্তিদের নিয়ে বৈঠক করেন। থিংক গ্লোবালি, অ্যাক্ট লোকালি অর্থাৎ চিন্তায় বৈশ্বিক কিন্তু দেশের সীমাবদ্ধ সম্পদ, অবকাঠামোর মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে- এমন চিন্তা থেকে এই কারিকুলাম ডিজাইন করা হয়েছে তা জানানো হয়। এরপর শিক্ষামন্ত্রী নতুন কারিকুলামে কীভাবে এসেছে রেফারেন্স দেশগুলো বাস্তবায়ন পদ্ধতি ও পরীক্ষার বিস্তারিত প্রতিবেদন আকারে তলব করেন। এরই প্রেক্ষিতে এনসিটিবি তা মন্ত্রণালয়কে সরবরাহও করেছে।
শিক্ষার্থীদের শিখনকালীন ও সামষ্টিক মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষণ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুতের জন্য নৈপুণ্য অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যাপের ওয়েব ভার্সন ব্যবহার সংক্রান্ত গাইডলাইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে। এনসিটিবি বলছে, নতুন শিক্ষাক্রমে যদি কোনো পরিবর্তন, সংশোধন বা পরিমার্জন আসে তা বছরের যেকোনো সময় বাস্তবায়ন করা সম্ভব। কারণ কোনো বইই এখনো পূর্ণাঙ্গ নয়। সবই পরীক্ষামূলক সংস্করণ। গত বছরের এপ্রিল মাসে ৬ষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির দুটি বইয়ের ৪ শতাধিক সংশোধনী পাঠায় বোর্ড। সারা দেশে কমপক্ষে ৩ শতাধিক স্কুলে সশরীরে উপস্থিত থেকে উপযোগিতা যাচাইয়ের কাজ করা হবে। এতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তিকের স্কুলের তথ্য যুক্ত করা হবে।
এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম বলেন, একেবারে বাতিল না করে কমপক্ষে ৩০ থেকে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা রাখার দাবি উঠেছে সব মহল থেকে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করতেই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের উপর নির্ভর করছে বিষয়টি।
মন্তব্য করুন


দেশের ৮টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যেতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। তাই সতর্কতা সংকেত তোলা হয়েছে ওই সব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে।
সোমবার (১৫ জুলাই) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।
আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা জানায়, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে দেখাতে বলা হয়েছে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় শিশু রাশেদ
হোসেনকে (১৫) গলা কেটে হত্যার দায়ে সহকর্মী দুই শিশু মোঃ জাহিদুল ইসলাম রাসেল ও
মোঃ হাফিজুর রহমান আরিফকে শিশু আইনে সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন
কুমিল্লার আদালত।
সোমবার দুপুরবেলা
কুমিল্লার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল
মামুন এ রায় দেন। মামলার বিশেষ সহকারী কৌশলী (স্পেশাল পিপি) এডভোকেট প্রদীপ কুমার
দত্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা
হলেন, কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মানিকপুর গ্রামের মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এর ছেলে
মোঃ জাহিদুল ইসলাম রাসেল এবং একই জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার বানীপুর পশ্চিম পাড়ার
মোঃ খলিলুর রহমান খলিলের ছেলে মোঃ হাফিজুর রহমান আরিফ।
মামলার বিবরণে জানা যায়-
নিহত রাশেদ কুমিল্লা বিসিক শিল্প নগরীর ফরিদ ফাইবার লিঃ ফ্যাক্টরীর টুস্টিং
বিভাগের শ্রমিক ছিলো। সে সদর উপজেলার গোবিন্দপুর মৃত আঃ রশিদ ছেলে। ২০১৯ সালের ২৮
এপ্রিল দুপুরে রাশেদ কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাসা হতে বের হয়ে রাতে আর বাসায় ফিরেনি।
পরদিন সকালে সদর দক্ষিণ উপজেলার ৩নং গলিয়ারার ফুলতলীর একটি পুকুর থেকে রাশেদ এর
গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরদিন এ ঘটনায় নিহতের
বোন মোসাম্মদ নীপা আক্তার বাদী হয়ে নিহত রাশেদ এর দুই সহকর্মী মোঃ আরিফ হোসেন
ও মোঃ রাসেল মিয়াকে আসামি করে সদর দক্ষিণ থানায় মামলা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
ক্লুলেস শরীফ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, মূলহোতাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার এবং হত্যাকান্ডে
ব্যবহৃত মালামাল উদ্ধার করেছে বরুড়া থানা পুলিশ।
গত
২৭ মার্চ সকালে বরুড়া থানাধীন বরুড়া পৌরসভাস্থ শালুকিয়া এলাকায় শরীফ হোসেন(৩৫) এর মৃত
দেহ তার ঘরে মাটিতে পড়া অবস্থায় ছিলো।
মৃত
শরীফ হোসেন এর মা রৌশন আরা বেগম থানায় এজাহার দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন এসআই(নিঃ)
নাজিম উদ্দিন।
ভিকটিম
শরীফ হোসেন(৩৫) এর লাশ পাওয়ার পর হতে পুলিশ সুপার, কুমিল্লার সার্বিক দিক নির্দেশনায়
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এ,কে,এম এমরানুল হক মারুফ, সদর দক্ষিণ সার্কেল, কুমিল্লার
তত্ত্বাবধানে বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ, মোঃ রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী, এসআই(নিঃ) নাজিম
উদ্দিনসহ বরুড়া থানা পুলিশের একটি চৌকস টীম তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।
তবে
নিহতের পরিবার ও এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে হত্যাকান্ডের কোন যোগসূত্র পাওয়া যাচ্ছিল
না। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে হত্যাকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের
শনাক্তের জন্য বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জসহ টীম বরুড়া বারবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও
জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তদন্ত কার্যক্রমের একপর্যায়ে হত্যাকান্ডে জড়িত
আসামী ১। আরিফ হোসেন(২২), ২। মোঃ নাছির উদ্দিন(৪৩), ৩। মিসেস খুকী আক্তার(৩৫) কে গ্রেফতার
করেন। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। ১নং আসামী মৃত
শরীফ হোসেন এর ছোট ভাই, ৩নং আসামী মৃত শরীফ হোসেনের বড় বোন এবং ২নং আসামী ৩নং আসামীর
স্বামী।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জানান, মৃত শরীফ হোসেন উচ্ছৃঙ্খল
জীবন যাপন করত। সে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ছিল। এলাকার লোকজন তাকে
ভয় পেতো। মৃত শরীফ হোসেন তার মাকে প্রায় সময়ই গালিগালাজ ও মারধর করত। ছোট ভাই আরিফ
হোসেনের সাথেও তার ঝগড়াঝাটি ছিল। কিছুদিন আগে আরিফ হোসেন এর একটি অটোরিক্সা শরীফ হোসেন
জোরপূর্বক বিক্রি করে। ইহাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তাছাড়া
মৃত শরীফ হোসেন এলাকার লোকজনের বিভিন্ন রকম ক্ষতি করায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন তার বড় বোন
খুকি আক্তার এর নিকট বিচার প্রার্থী হলে বড় বোন শরীফ হোসেনকে শাসন করার জন্য বিভিন্ন
কথাবার্তা বলত। ফলে মৃত শরীফ হোসেন বোনকে শক্র মনে করত। এমনকি বোনকে বিভিন্ন রকম হুমকি
দিতো। মৃত শরীফ হোসেনের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে বড় বোন খুকি আক্তার, বোনের স্বামী মোঃ
নাছির উদ্দিন ও ছোট ভাই আরিফ হোসেন তাদের একজন প্রতিবেশীকে নিয়ে পরিকল্পনা করে যে,
শরীফ হোসেনকে মারপিট করে পঙ্গু করে ঘরে বসিয়ে খাওয়াইবে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী আসামীগন
গত ২৬/০৩/২০২৪খ্রিঃ তারিখ দিবাগত রাত ১টায় ঘটিকার সময় বরুড়া থানাধীন বরুড়া পৌরসভাস্থ
শালুকিয়া সাকিনের শঙ্কু ডাক্তারের পুকুর পাড়ে নির্জনস্থানে শরীফ হোসেনকে একা পেয়ে আসামীদের
হাতে থাকা রড, দা ও টর্চ লাইট দিয়ে শরীফ হোসেনের মাথা, হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে
পিটিয়ে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত ও ফুলা জখম করে। তারপর শরীফ হোসেনের হাত পা বেধে আসামী
নাছির উদ্দিনের বাড়ির উঠানে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর শরীফ হোসেনকে আবারও মারপিট
করে। তারপর শরীফ হোসেন দুর্বল হয়ে গেলে আসামীগন হাত পা বাঁধা অবস্থায় শরীফ হোসেনকে
তার ঘরে মাটিতে ফেলে আসে। সকালে আসামীরা জানতে পারে শরীফ হোসেন মারা গেছে। সংবাদ পেয়ে
আসামীরা শরীফ হোসেনকে দেখতে যায়।
হত্যাকান্ডে
আসামীদের ব্যবহৃত দা, রড, টর্চ লাইট উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ
জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী ১।
আরিফ, ২। নাছির এর ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন