

কুমিল্লায় কোতয়ালী মডেল
থানা কর্তৃক ৫০ কেজি গাঁজা ও ০৬ বোতল বিদেশী মদসহ ০১ জন আসামী গ্রেফতার।
আজ ০৫/০৯/২০২৩খ্রিঃ তারিখ
কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই (নিঃ) শেখ মফিজুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহযোগীতায়
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৫নং পাঁচথুবী ইউনিয়নের মধ্য
জালুয়াপাড়া সাকিনস্থ জনৈক আলমগীর হোসেনের বাঁশঝাড়ের নিচে ঝোপের ভিতর হতে ৫০ কেজি গাঁজা
ও ০৬ বোতল বিদেশী মদসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক
ব্যবসায়ী কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার পশ্চিম সুবর্ণপুর এলাকার মো: হুমায়ুন কবিরের
ছেলে তারেকুল ইসলাম তুহিন(২০)।
গ্রেফতারকৃত আসামীর সংগীয়
অপর আসামী কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার মধ্যজালুয়াপাড়া এলাকার মো: আনোয়ার হোসেনের
ছেলে মো: হোসেন প্রকাশ মোতাহার হোসেন(৪৮) পালিয়ে যায়।
উক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে
কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করলে কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং-১২, তারিখ- ০৫/০৯/২০২৩;
ধারা-৩৬(১) সারণির ১৯(গ)/২৪(ক) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ রুজু করা হয়।
উল্লেখ্য যে, ২নং আসামীর বিরুদ্ধে
০২টি মাদক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে।
মন্তব্য করুন


ঠাকুরগাঁওয়ের মুদি দোকানি সওদাগর বর্মন প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে তৈরি করছেন দৃষ্টিনন্দন বাড়ি । সদর উপজেলার ঢোলারহাটে তার এই বাড়ি দেখতে প্রতিদিনই ভীড় অনেকে। আগ্রহ নিয়ে দেখছেন বৈচিত্র্যময় এই বাড়িটি। বাড়িটি এখন ‘বোতল বাড়ি’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।
সরোজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মুদি ব্যবসায়ী সওদাগর বর্মন তার দোকানে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল এবং সংগ্রহ করা দেড় মণ বোতল দিয়ে শুরু করেছেন বাড়ি নির্মাণ। ইটের বদলে প্লাস্টিকের বোতলে বালু ভর্তি করে সিমেন্ট দিয়ে পরিবেশবান্ধব বাড়ি তৈরির কাজ করছেন তিনি। বর্তমানে ঘর তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। ১ কক্ষের বাড়িটি নির্মাণে খরচ হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা।
স্থানীয় অনেকে বলেন, ইটের বদলে যে বোতল ব্যবহার করে বাসা তৈরি করা যায় তা আগে জানা ছিলো না। বিষয়টি ভিন্ন রকম। ইট দিয়ে যে দেয়াল করা হতো এটা তার থেকে বেশি শক্ত মনে হচ্ছে।
এদিকে সওদাগর বর্মণ বলেছেন, ইউটিউব দেখে শিখেছেন বোতল বাড়ি তৈরির কাজ। তিনি আগামী মাসের মধ্যে বাড়িটির কাজ সম্পূর্ণ করার ব্যাপারে আশাবাদী।
মন্তব্য করুন


হিমু, কুমিল্লা:
নব্বই দশকের এক আবেগ ও ভালোবাসার নাম ‘সালমান শাহ্’। স্টাইলিশ এই অভিনেতাকে এখনো মিস্ করে তাঁর একনিষ্ঠ ভক্তকুলেরা। সালমান শাহ্ গত জেনারেশনে যেমন বেস্ট একজন ছিল, তেমনি বর্তমান ও আগামী কয়েক জেনারেশনেও বেস্ট এবং সুপার থাকবে। সালমানের মত কোনো বিকল্প সুদর্শন পুরুষ বাংলাদেশে আগে কোনোদিন আসেনি, বর্তমানেও নেই, নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতেও আসবে না।
একজন শিল্পীর মৃত্যুর পর ধীরে ধীরে তার অনুসারীরা ভুলতে শুরু করেন। তবে ক্ষণজন্মা নায়ক সালমান শাহ্ এর ক্ষেত্রে সেটা একেবারে বিপরীত! অকালে চলে যাওয়ার ২৭ বছর পরেও সালমান শাহ্ এর জনপ্রিয়তা আজও আকাশচুম্বী। নায়ক হিসেবে মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও এমন অর্জন বিশ্বের বুকে আর কারোও নেই।
স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ ভক্তদের মাঝে ফিরতে চলেছেন। সম্প্রতি প্রয়াত এই অভিনেতাকে নিয়ে এমনই এক চমকপ্রদ তথ্য জানান, রাজীব জাহান ফেরদৌস। তিনি বর্তমানের জনপ্রিয় ‘এআই’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রায়ই দেশ বিদেশের সিনেমার তারকাদের নতুন রূপে নিয়ে আসেন ভার্চুয়াল জগতে।
সংবাদ মাধ্যম অনুযায়ী, রবিবার ( ২৭ আগস্ট ২০২৩ইং) রাতে রাজীব জাহান ফেরদৌস তার ফেসবুক আইডিতে সালমান শাহ্ এর ছবি পোস্ট করে রাজীব লিখেছেন, প্রস্তুত হও, বাংলাদেশ! অতুলনীয় ফ্যাশন আইকন একটি গৌরবময় প্রত্যাবর্তন করছেন! মিডজার্নি এআই-এর জাদুতে তৈরি সম্পূর্ণ সিরিজ ড্রপের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন। সাথে থাকুন!
সালমান শাহ্ এর নতুন লুকের ছবি দেখে অবাক হয়েছেন নেটিজেনরা। দেশের তো নয়ই, বিদেশি কোনো নায়কের সৌন্দর্যকেও হার মানিয়ে দিয়েছে সালমান শাহ্ এর সে ছবি।
রাজীবের সে ফেসবুক পোস্টের কমেন্ট বক্সে একজন লিখেছেন, বাংলাদেশের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ হ্যান্ডসাম পুরুষ। এরপরই তিনি জুরে দিয়েছেন ভালোবাসার প্রতীকের চিহ্ন। আরেকজন লিখেছেন, চিত্রজগতে আপনার তুলনা শুধুই আপনি, স্বপ্নের নায়ক সালমান শাহ্ তখনো - এখনো সব স্থানে অতুলনীয়।
তাঁর মৃত্যুতে এ দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে, তা আজও পূরণ হয়নি। এই দেশে চলচ্চিত্র প্রেমীরা যত দিন বেঁচে থাকবে, সালমান শাহ্ তত দিন বেচে থাকবেন তাদের হৃদয়ে।
আমরা যখন কোন সিনেমার গান শুনি তখন বলি এই গানের শিল্পী নাম এন্ড্রু কিশোর, কনক চাঁপা, রুনা লায়লা সাবিনা ইয়াসমিন ইত্যাদি। কিন্তু আমরা যখন সালমান শাহ্ এর সিনেমার কোন গান শুনি অবলীলায় তখন বলে ফেলি, "আরেহ এইটা তো সালমান শাহ্ এর গান"।
দেখতে দেখেতে ২৭ বছর পেরিয়ে গেলো সালমান নেই। ১৯৯৬ সালের ৬ -ই সেপ্টেম্বর সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ্।
মৃত্যুর দুই যুগ পরও চলচ্চিত্রের মানুষেরা আফসোস করে বলেন, "আজও সালমান শাহ্ এর শূন্যস্থান কেউ পূরণ করতে পারেননি।"
৯০ এর দশকে চলচ্চিত্রে সালমান শাহ্ এর আবির্ভাব তারুণ্যের উচ্ছ্বাস তৈরি করেছিল। ভক্তদের পাশাপাশি চলচ্চিত্রের মানুষরাও তার স্মৃতিগুলো এখনও লালন করেন। তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো চলচ্চিত্র মাধ্যমটি আরও বর্ণিল করতে পারতেন।
সালমান শাহ্ এর অভিনয় একটা প্রজন্মের কাছে আইডলে পরিণত হয়েছিলেন সালমান শাহ্ নামের সেই পরশ পাথর, যার ছোঁয়ায় বাংলা চলচ্চিত্রে বিপ্লব ঘটেছিল।
তিনি আমাদের চলচ্চিত্রের এমন ধ্রুবতারা যিনি দূর আকাশে অবস্থান করেও আলোকিত করেন মানুষের হৃদয়। সালমানের মৃত্যুদিন এলে তাই স্বভাবতই আমাদের মন খারাপ হয়ে যায়। আবার এই ভেবে ভালো লাগে যে সালমান শাহ্ স্বল্পায়ু হলেও অন্তত বাংলাদেশে জন্মেছিলেন সেটাই আমাদের সৌভাগ্য।
প্রিয় নায়ক সালমান শাহ্কে স্মরণ করছি বিনম্র শ্রদ্ধায়। যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন আমাদের সবার প্রিয় ‘সালমান শাহ্’।
মন্তব্য করুন


নীলফামারী
জেলার সদরে সম্পত্তির ভাগ না পাওয়ায় বাবার কবরে শুয়ে মরদেহ দাফনে বাধা দিয়েছে
নিহত ব্যক্তির আপন ছেলে।
শুক্রবার
দুপুরে সদরের চাওড়া সরঞ্জাবাড়ি ইউনিয়নের বাটুল টারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মৃত
ব্যক্তির তৃতীয় ছেলে নওশাদ আলী, বাবার মরদেহ দাফন ঠেকাতে কবরে শুয়ে
পড়েন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়
সুত্রে জানা গেছে, চাওড়া সরঞ্জাবাড়ি ইউনিয়নের বাটুল
টারি গ্রামের বাসিন্দা চার সন্তানের জনক মজিবর রহমান। বৃহস্পতিবার রাতে হটাৎ মজিবর
রহমান মারা যান। তবে মৃত্যুর পূর্বে নওশাদ আলী ছাড়া মজিবর রহমান বাকি তিন ছেলেকে
সব সম্মত্তি লিখে দেন। ফলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃতীয় সন্তান নওশাদ। পূর্ব সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী বাবার মরদেহ দাফনে বাধা দেন তিনি। পরে পুলিশেই সহযোগিতায় মরদেহ দাফন করেন
স্বজন ও স্থানীয়রা।
এ
বিষয়ে চাওড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম কবির শাহ বলেন, মৃত্যু মজিবর রহমান এর তৃতীয় ছেলেকে জমি লিখে না দেওয়ার কারণে তৃতীয়
ছেলে বাবার দাফনে বাধা দেয়। পরে স্থানীয়রা সবাই মিলে পুলিশের সহায়তায় অন্য জায়গায়
কবর খুড়ে মরদেহ দাফন করা হয়।
সদর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে অন্য জায়গায় কবর খুড়ে দাফন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকা হতে ১৬ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ২৯ নভেম্বর বুধবার বিকালে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন কাপ্তানবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার দেউষ গ্রামের মোঃ রওশন আলী এর ছেলে মোঃ বাদরুদ্দোজা (৫০)।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা টুয়েন্টিফোর টিভি ডেস্ক:
কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখা(ডিবি) কর্তৃক ৬০ কেজি গাঁজা সহ একটি কাভার্ডভ্যান গাড়ী উদ্ধার।
গত ১৮/০৭/২০২৩খ্রিঃ তারিখ ১৯:৩৫ ঘটিকার সময় জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এসআই(নিরস্ত্র) মোঃ এনায়েত উল্লাহ এবং সঙ্গীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা দেবীদ্বার থানাধীন ০২নং ইউসুফপুর ইউপির ০১নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত ইউসুফপুর সাকিনস্থ কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পূর্ব পাশে মিলন আরা ফিলিং স্টেশনের উত্তর পাশে নামাজ ঘরের সামনে পাকিং এরিয়ায় পৌঁছালে ডিবি পুলিশ দেখতে পেয়ে পার্কিংকৃত একটি কাভার্ডভ্যান গাড়ী থেকে ২/৩ জন লোক দিক বেদিক ছুটাছুটি করে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে আশপাশের উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে পলাতক আসামীদের পার্কিং করা রেজিঃ নাম্বার বিহীন নীল রংয়ের কাভার্ডভ্যান গাড়ীটি তল্লাশী করে গাড়ীর পিছনে ৬০(ষাট) কেজি গাঁজা উদ্ধার পূর্বক কাভার্ডভ্যান গাড়িটি জব্দ করা হয়।
এই সংক্রান্তে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দেবিদ্বার থানার মামলা নং- ১৫, তারিখ-১৮/০৭/২৩, ধারা- ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ১৯(গ) তে মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি সদ্য
বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হলেন। আগামী তিন বছরের
জন্য তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব সামলাবেন।
আজ রোববার (২৩ জুন) তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।
এর আগে ১১ জুন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ওয়াকার-উজ-জামানকে সেনাবাহিনী
প্রধান হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের শ্বশুর বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজুর রহমানও
একসময় (১৯৯৭-২০০০) সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ওয়াকার-উজ-জামানকে চলতি বছরের শুরুতে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ
অফিসারের (পিএসও) দায়িত্ব থেকে সিজিএস করা হয়। তার আগে ২০২০ সালের নভেম্বরে মেজর জেনারেল
থেকে পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হন ওয়াকার-উজ-জামান। তখনই তাকে সেনা সদর দপ্তরের
সামরিক সচিবের দায়িত্ব থেকে পিএসও করা হয়।
শেরপুরের সন্তান ওয়াকার-উজ-জামান ১৯৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ দীর্ঘমেয়াদি
কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরে কমিশন পান। দীর্ঘ ৩৯ বছরের সামরিক
জীবনে তিনি একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন, একটি পদাতিক ব্রিগেড ও পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্ব
দিয়েছেন। স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকস ও সেনা সদর দপ্তরে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব
পালন করেছেন তিনি।
ওয়াকার-উজ-জামান সেনা সদর দপ্তরের সামরিক সচিবের দায়িত্ব পান ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি।
তার আগে তিনি নবম পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রিন্সিপাল
স্টাফ অফিসারও ছিলেন একসময়। দায়িত্ব পালন করেছেন অ্যাঙ্গোলা ও লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘ শান্তি
মিশনেও, সিনিয়র অপারেশন অফিসার হিসেবে।
সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন পাওয়া ওয়াকার-উজ-জামান মিরপুরের ডিফেন্স
সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ ও যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড
স্টাফ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘মাস্টার্স অব ডিফেন্স
স্টাডিজ’ এবং যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ থেকে ‘মাস্টার্স অব আর্টস ইন ডিফেন্স স্টাডিজ’
ডিগ্রি পান।
ব্যক্তিগত জীবনে ওয়াকার-উজ-জামানের সহধর্মিণী সারাহনাজ কমলিকা জামান। এই দম্পতির
ঘরে দুই কন্যা সন্তান (সামিহা রাইসা জামান এবং শাইরা ইবনাত জামান) রয়েছে।
ওয়াকার-উজ-জামান প্রয়াত
জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমানের জামাতা, যিনি ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯৭ থেকে ২৩ ডিসেম্বর ২০০০
সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মন্তব্য করুন


১৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বমোট ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
১০
সেপ্টেম্বর গতকাল রাতে এসআই(নিঃ) জীবন বিশ্বাস, এএসআই মোঃ ফরহাদ আলম, এএসআই গিয়াস উদ্দিন
ও সংগীয় ফোর্সসহ কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান
ডিউটি করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার
বিশ্বরোডস্থ চট্টগ্রাম-টু-ঢাকাগামী মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে বিশ্বরোড জামে মসজিদ এর সামনে
রাস্তার উপর মোঃ জসিম উদ্দিন এর দেহ তল্লাশী করে তার জিন্স প্যান্টের ডান পাশের পকেট
হতে ১৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তাকে আটক করেন।
আটককৃত আসামী হলো: মোঃ জসিম উদ্দিন (৩৪), পিতা-মোজাহের আহাম্মদ, মাতা-জুহুরা বেগম,
গ্রাম-খাজা মসজিদ (মোজাহের বাড়ী-আমির হোসেন সর্দারের পাশের বাড়ী), কক্সবাজার পৌরসভা,
থানা-কক্সবাজার সদর, জেলা- কক্সবাজার।
এ
ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় এজাহার দায়ের করলে সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা নং-১১,
তারিখ- ১১/০৯/, ২০২৩; ধারা- ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১০(ক)
রুজু হয়।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুর জেলায় পেঁয়াজ, ডিমসহ নিত্যপণ্যের বাজারে জেলা ভোক্তা অধিকার ও
সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়েছে।
রোববার (২০ আগস্ট)
দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয় শহরের হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারে।
এ সময় ডিমের দাম বেশি
রাখা ও পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের মূল্য তালিকা যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রদর্শন না করার
অপরাধে আল্লাহর দান ভাণ্ডারকে এক হাজার টাকা, মেসার্স খান ট্রেডার্সকে এক হাজার
টাকা এবং মেসার্স বিসমিল্লাহ স্টোরকে দুই হাজার টাকাসহ মোট তিনটি প্রতিষ্ঠানকে চার
হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপস্থিত থেকে
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন, জেলা পুলিশের একটি টিম ও সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনা
কমিটির নেতারা।
এ অভিযানের নেতৃত্ব
দেওয়া জেলা ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ
জানান, এ অভিযান চালানো হয়েছে ডিম, পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে।
জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মো:ফিরোজ হোসেন পুলিশ বাহিনীতে অসীম সাহসিকতা এবং বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পিপিএম এ ভূষিত হয়েছেন ।
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাদের এ পদক পরিয়ে দেন।
পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের রাষ্ট্রীয় পদক প্রদানের রীতি অনুযায়ী এ পদক দেওয়ার প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। এরই অংশ হিসেবে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পিপিএম তিনি এ পদক পান।
পদক প্রাপ্তির বিষয়ে জানতে চাইলে মো:ফিরোজ হোসেন বলেন, আলহামদুলিল্লাহ পেশাগত জীবনের প্রথম বড় সফলতা। রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গৌরবের। মহান সৃষ্টিকর্তা ও মা বাবার দোয়ায় পিপিএম-সেবা (President Police Medal) পেয়ে সৃষ্টিকর্তা, মা বাবা, আত্মীয় স্বজন, বন্ধুবান্ধব এবং বিশেষ করে এই কৃতজ্ঞতা সকল সিনিয়র স্যার ও আমার প্রিয় সহকর্মীদের, যাদের অনুপ্রেরনায় ও সহযোগীতায় আজকের পর্যায়ে উপনিত হতে পেরেছি।
অফিসার ইনচার্জ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) ভূষিত হওয়া নিজকে আমাকে নতুন উদ্যমে কাজ করার আগ্রহ জোগাবে।
বাংলাদেশ পুলিশের একজন সদস্য হিসেবে দেশের সেবায় সদাসর্বদা নিয়োজিত থেকে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে পালনের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাই।
মন্তব্য করুন