

ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের
কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাদিক কায়েম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন। আগামী ১৩
মে তাঁর বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।বাংলাদেশ সংবাদ
বিশেষ
সূত্রে জানা যায়, ডাকসু নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে আকদের
অনুষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে রাজধানীর
একটি কনভেনশন সেন্টারে বিয়ের মূল অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
ডাকসু
ভিপির হবু স্ত্রীর নাম আনিকা ফরায়েজি। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক (এমবিবিএস)। তাঁর গ্রামের
বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। আনিকা ফরায়েজির বাবা রিলায়েন্স গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান
এবং প্রবাসীবাংলা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও
তিনি আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
সাদিক
কায়েমের বিয়ের খবরটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
বিশেষ করে ডাকসুর বিভিন্ন নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফেসবুকে এই খবর
শেয়ার করছেন। ডাকসু নেতা মাজহারুল ইসলামের তৈরি করা একটি ডিজিটাল বিয়ের কার্ড ফেসবুকে
ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে বেশ কৌতূহল তৈরি হয়।
সংশ্লিষ্ট
সূত্রে আরও জানা গেছে, বিয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের
দাওয়াত দেওয়া শুরু হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ডাকসুর সাবেক প্রতিনিধিদের
বড় একটি অংশ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন। তবে এ বিষয়ে সাদিক কায়েমের পক্ষ থেকে
সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিয়ের কার্ড
ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তাঁর অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী সোমবার দুই দিনব্যাপী সিভিল
সার্জন সম্মেলন উদ্বোধন করবেন।
আজ
বৃহস্পতিবার (৮ মে) এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা আগামী ১২ মে (সোমবার) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে তাঁর তেজগাঁওস্থ
কার্যালয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
'ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা' এ স্লোগানে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ কুমিল্লা আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছে।
রোববার (১৭ মে) সকালে ভাষা সৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে কুমিল্লা-৬ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুল হক চৌধুরী এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন।
জেলা প্রশাসক মু: রেজা হাসানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আলী রাজিব মাহমুদ মিঠুন, সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব এমদাদুল হক এমদু, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা বখতিয়ার হোসেন।
প্রতিযোগিতায় কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, লহ্মীপুর, চাঁদপুর ও নোয়াখালী জেলার বিজয়ী খেলোয়াড়গণ অংশগ্রহণ করবেন। প্রতিযোগিতার মধ্যে রয়েছে ফুটবল, ব্যাডমিন্টন, ক্রিকেট, দাবা, কাবাডি, মার্শাল আর্ট, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার।
উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, শিশু-কিশোরদের মেধা ও শারীরিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। বর্তমান প্রজন্মকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার চর্চা বাড়াতে হবে। ক্ষুদে অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করলে ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।
কুমিল্লা স্টেডিয়ামের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাচ্চাদের খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতে নতুন কুঁড়ির মতো এতো সুন্দর আয়োজন করেছেন, আর আপনারা এমন কাঁদামাখা মাঠে বাচ্চাদের খেলতে নামাচ্ছেন। এমন মাঠে হালচাষ করা যায়, খেলাধুলা নয়। তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে মাঠের পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে মাঠকে খেলাধুলায় উপযোগী করার নির্দেশ দেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদে খেলোয়াড়রা অংশ নেয়। উদ্বোধনের সময় বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারী শিশুদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে
প্রয়োজনীয় সংস্কারের পর নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে কূটনীতিকদের জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এজন্য বন্ধু রাষ্ট্র ও সংস্থাগুলোর পূর্ণ
সমর্থন চেয়েছেন।
রোববার
(১৮ আগস্ট) দুপুরে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত,
হাইকমিশনারসহ জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের ব্রিফ করেন ড. ইউনূস। পরে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশে যে দূতাবাসগুলো আছে তার রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের যেসব সংস্থার প্রধান
এখানে আছেন তাদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তিনি সবাইকে
ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি সবার পূর্ণ সমর্থন চেয়েছেন।
প্রেস
সচিব আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন- এটা দ্বিতীয় রেভ্যুলেশন ছিল। এখানে এত মানুষের
সম্পৃক্ততা ছিল যে তিনি বলেছেন ১৯৭১ সালে যদি প্রথম রেভ্যুলেশন হয় এটা দ্বিতীয় রেভ্যুলেশন।
তার বার্তা ছিল দ্রুত অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা। উনি নির্বাচনটি
তখনই করবেন যখন প্রয়োজনীয় সংস্কার করা যায়। বিচার বিভাগ, সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন,
সিকিউরিটি ফোর্স, মিডিয়া- সব কিছুতে সংস্কার চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন করে যত দ্রুত নির্বাচন
দেওয়া যায় সেটি তার লক্ষ্য। তিনি বলেছেন এখন প্রধান কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা। সেটি অনেকটা
স্বাভাবিক হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বগুড়ার বিখ্যাত সরার দই, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আম, শেরপুরের তুলসীমালা ধান ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
২৬ জুন শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তর
(ডিপিডিটি) এর এক সভায় এ অনুমোদন দেয়। দেশের প্রথম
ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি। এরপর নতুন ৪টি পণ্যসহ
দেশের ১৫টি পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেল।
বগুড়া রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা
ও যাচাই-বাছাই শেষে বগুড়ার দইসহ ৪ পণ্যকে জিআই পণ্য হিসেবে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে
বলে জানিয়েছেন ডিপিডিটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জিল্লুর রহমান।
বগুড়ার দইয়ের জিআই পণ্যের স্বীকৃতির আবেদনে বলা হয়,
বাংলাদেশের অন্যান্য জেলা কিংবা অঞ্চলে দই উৎপাদিত হলেও কিছু বিশেষত্বের কারণে ‘বগুড়ার
দই’র খ্যাতি দেশজুড়ে। উৎপাদন ব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে কারিগরদের (উৎপাদক) বিশেষ
পদ্ধতি অনুসরণের পাশাপাশি মান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তারা যত্নবান হওয়ায় বগুড়ার
দই স্বাদে-গুণে তুলনাহীন।
প্রায় ১৫০ বছর আগে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ঘোষ পরিবারের
হাত ধরে বগুড়ার দইয়ের উৎপাদন শুরু হয়। শেরপুরে দই তৈরির প্রবর্তক ঘোষপাড়ার নীলকণ্ঠ
ঘোষ।
এর আগে স্বীকৃতি পেয়েছে ইলিশ, ক্ষীরশাপাতি আম, মসলিন,
বাগদা চিংড়ি, কালিজিরা চাল, বিজয়পুরের সাদা মাটি, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি,
দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম। নতুন করে এ তালিকায়
যুক্ত হলো বগুড়ার দইসহ ৪ পণ্য। এখন থেকে এ পণ্য বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে
বিশ্বে পরিচিতি পাবে।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ
ইসলাম বলেছেন, পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। পাশাপাশি
পরিবহন খাতে রাজনৈতিক দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।
আজ শনিবার (২১ ডিসেম্বর) প্রেস ইনস্টিটিউট
বাংলাদেশে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে
প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত সংস্কার বিষয়ক জাতীয় সংলাপে তিনি একথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ
ইসলাম বলেন, বিগত সরকারের কথিত উন্নয়নকে চ্যালেঞ্জ করে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন গড়ে উঠেছিল।
ওই আন্দোলনের মাধ্যমে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মাথায় নিরাপদ সড়কের বিষয়টি গেঁথে
গিয়েছে।
সড়ক নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বারোপ করে
উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেন, পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।
পাশাপাশি পরিবহন খাতে রাজনৈতিক দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, যেসব কাঠামোগত উন্নয়ন মানুষের
জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, সেসব উন্নয়ন অর্থহীন। তাই, আমাদের মৌলিক উন্নয়ন
পরিকল্পনায় ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রয়োজন।
সড়ক দুর্ঘটনাকে কাঠামোগত হত্যাকান্ড
হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সড়কে বিশৃঙ্খলার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক
ও কাঠামোগত দুর্বলতা অনেকাংশে দায়ী।
পরিবহন খাতে বহুমুখী সমস্যার বর্ণনা
দিয়ে তিনি বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনো বিকল্প নেই।
এ সময়ে তথ্য উপদেষ্টা সড়ক নিরাপত্তা
নিশ্চিত করতে পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্যের বরাত
দিয়ে সংলাপে জানানো হয়, ২০২০ সাল থেকে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে সড়ক
দুর্ঘটনায় ৩৭ হাজার মানুষ নিহত ও ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
সংলাপে আরও জানানো হয়, গণপরিবহন ৫৩
শতাংশ যাত্রী বহন করে, আর ব্যক্তিগত যানবাহন ১১ শতাংশ যাত্রী বহন করে। অথচ ব্যক্তিগত
যানবাহন ৭০ শতাংশ সড়ক দখল করে চলে। ৩০ শতাংশের কম জায়গায় চলে গণপরিবহন। এটি সাধারণ
মানুষের প্রতি চরম বৈষম্য।
সংলাপের শুরুতে সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা
প্রতিষ্ঠায় করণীয় বিষয়ে একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি
আব্দুলাহ এম ফেরদৌস খান।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক
ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সংলাপে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক
ফারুক ওয়াসিফ, রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি সৈয়দ জাহাঙ্গীর ও রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের
নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


কবি হেলাল হাফিজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এক শোক বার্তায় প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দ্রোহ ও প্রেমের কবি হেলাল হাফিজের মৃত্যু বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।
প্রধান উপদেষ্টা কবির পরকালীন জীবনের শান্তি কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তিনি আরও বলেন, কবি হেলাল হাফিজ ছিলেন তারুণ্যের শক্তি এবং স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক সাহসী কণ্ঠ। তার কালজয়ী কবিতার মতোই তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন মানুষের হৃদয়ে।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) সদস্যদেরকে কর্তব্যপরায়ণতা, নিষ্ঠায় অটল এবং ‘চেইন অব কমান্ডে’র প্রতি আস্থাশীল থেকে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।
শনিবার (৬ জুলাই) বিশেষায়িত এই বাহিনীর ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের পিজিআর সদরদপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি এই নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, মনে রাখবেন, দেশ ও জাতি যে মহান দায়িত্ব আপনাদের ওপর অর্পণ করেছে, সেই দায়িত্ব পালনে যেকোনো আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে আপনাদের চিরস্মরণীয় করে রাখবে।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং পিজিআর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ কামাল ঢাকা সেনানিবাসের পিজিআর সদর দফতরের শহীদ ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে পিজিআরের দরবারে রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান।
পিজিআর সদরদপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, সমসাময়িক বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিস্তৃত বহুমাত্রিক নিরাপত্তা, নতুন নতুন তথ্য প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে প্রয়োজন অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ।
মো. সাহাবুদ্দিন পিজিআর সদস্যদেরকে স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা, আত্মোন্নয়নে মনোযোগী হতে এবং সর্বোপরি সৈনিক হিসেবে নিজের শারীরিক যোগ্যতাকে সর্বদা অক্ষুন্ন রাখতেও উপদেশ দেয়ার পাশাপাশি
পেশাগত মান ও দক্ষতাকে আরো বিকশিত ও বিশ্বমানে পৌঁছাতে বিদ্যমান প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে প্রয়োজনে আরো জোরদার করার পরামর্শ ও দেন রাষ্ট্রপ্রধান।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই দিনটি প্রতিটি গার্ডস সদস্যের কাছে একটি বিশেষ দিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া পিজিআর এর সদস্য হিসাবে তারা দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করছেন। নিঃসন্দেহে এটি খুবই আনন্দ ও গৌরবের একটি বিষয়। প্রতিষ্ঠাকাল হতে অদ্যাবধি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সদস্যগণ কর্তব্য পালনে আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দায়িত্ববোধ, পেশাগত উৎকর্ষ, দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার সাথে নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে পিজিআর এর সুনাম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ছড়িয়ে দিতে হবে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর কালরাতে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যদের হত্যাকান্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সাহাবুদ্দিন বলেন, দুঃখজনক হলেও এটি সত্যি যে, পিজিআর প্রতিষ্ঠার মাত্র ৪২ দিনের মাথায় মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতক চক্রের হাতে বঙ্গবন্ধু ও বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ তাঁর পরিবারের সদস্য বিপদগামী একদল সেনা কর্মকর্তার নির্মম বুলেটের আঘাতে ধানমন্ডির ৩২নং বাড়ীতে শহিদ হন। সেদিন আমরা আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টাকে রক্ষা করতে পারিনি, সেটা ছিল আমাদের অমার্জনীয় অপরাধ। সেদিন যদি পিজিআর আজকের মতো সুসংগঠিত ও চৌকস হতো তাহলে হয়তোবা ১৫ আগস্ট কালরাতে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করতে পারতো না ঘাতক দল। বাঙালি ও বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো। দেশ পরিণত হতো জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলায়।
রাষ্ট্রপতি পিজিআর সদস্যদেরকে বলেন, তাদের (পিজিআর) ওপর অর্পিত দায়িত্ব একদিকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ অন্যদিকে তেমন গৌরবময়। বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও অনেক দেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) বর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তারা দেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করেছেন।
রাষ্ট্রপতি একটি সুশৃঙ্খল, পূর্ণাঙ্গ এবং স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টকে বর্তমান অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করার কারিগর হিসেবে প্রাক্তন সদস্যদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আলোকে তিনটি নতুন ডিভিশনসহ বিভিন্ন ফরমেশনের অধীনে ব্রিগেড, স্পেশাল ওয়ার্কস অরগানাইজেশন এবং ছোট বড় ৫৮টি ইউনিট প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, রাষ্ট্রপ্রধান উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ, উর্দ্ধতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের কমান্ডার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি কোয়ার্টার গার্ড পরিদর্শন করেন এবং দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
তিনি সেখানে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে একটি কেক কাটেন।
মন্তব্য করুন


দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ
দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে ৫৫ পদাতিক ডিভিশন আয়োজিত
রাজবাড়ী সামরিক প্রশিক্ষণ এলাকায় একটি পদাতিক ব্রিগেড গ্রুপের অনুশীলনে দেওয়া বক্তব্যে
তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অনুশীলনস্থলে উপস্থিত হলে তাকে অভ্যর্থনা জানান
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল
হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, যশোর এরিয়া মেজর জেনারেল
জে এম ইমদাদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতির
অহংকার ও বিশ্বাসের জায়গা। এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ‘প্রশিক্ষণই সর্বোত্তম কল্যাণ’ এই মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে
দক্ষতা অর্জন করে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা যুদ্ধের জন্য সেনাসদস্যদের প্রস্তুত
রাখতে হবে। যে খেলোয়াড় যত পরিশ্রম করে বা প্রস্তুতি নেয়, খেলায় বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনাও
তার তত বেশি। যুদ্ধের ক্ষেত্রেও তা-ই।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যুদ্ধকৌশল ও দক্ষতা প্রশংসনীয় মন্তব্য করে
তিনি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীকে বাস্তবসম্মত ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
মন্তব্য করুন


সরকারি
এবং বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ১ম শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত
ভর্তির লক্ষ্যে টেলিটকের কারিগরি সহায়তায় ডিজিটাল অনলাইন লটারির মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত
ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে আজ।
২৮
নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় বোতাম টিপে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এই ফল প্রকাশ করেন।
এই
সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক
ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)
মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার
সরকার সহ আরো অনেকে ।
ডিজিটাল
লটারির ভর্তির ফলাফল এসএমএসের মাধ্যমে জানার জন্য মোবাইলে GSA লিখে স্পেস দিয়ে
Result লিখে স্পেস দিয়ে User ID লিখে পাঠিয়ে দিতে হবে ১৬২২২ নাম্বারে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশন (ইসি) সরাসরি সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ করছে ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পরিস্থিতি। সাথে রয়েছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
১৭ জুলাই সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে স্থাপিত পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে নির্বাচন কমিশনাররা ভোটের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন।
ভোটগ্রহণ শুরুর আগে থেকেই জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার মো. আহসান হাবিব খান সিসি ক্যামেরায় ভোট পর্যবেক্ষণে আসেন। পরবর্তীতে অন্যরাও আসেন।
ঢাকা-১৭ আসনের ১২৪টি কেন্দ্রে ৮৫৩টি, বোনাপোল পৌরসভার ১২টি কেন্দ্রে ১১৯টি ভোটকক্ষে এবং ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার ৯টি কেন্দ্রে ৮৬টি সিসি ক্যামেরায় ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আজ সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে, যা বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা চলবে।
সিসি ক্যামেরায় কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে ভোটগ্রহণ বন্ধ করাসহ নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন ।
মন্তব্য করুন