

ব্যাট-বল হাতে আবার ফিরছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এশিয়ান লিজেন্ডস লিগে খেলার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে তার। এই টি-টোয়েন্টি লিগে তিনি এশিয়ান স্টারসের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে পারেন। আগামী ১০ মার্চ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এই লিগ। টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ তাদের ইনস্টাগ্রামে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
কিছুদিন আগে লিজেন্ডস নাইন্টি টুর্নামেন্টে দুবাই জায়ান্টসের হয়ে খেলার কথা ছিল সাকিবের। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তিনি নিজেকে সরিয়ে নেন। এবার এশিয়ান স্টারসের হয়ে খেলতে দেখা যাবে বাংলাদেশের আরেক ক্রিকেটার অলক কাপালিকেও। তার সতীর্থ হিসেবে থাকবেন ভারতের কেদার যাদব, শাহবাজ নাদিম, শ্রীলঙ্কার দিলশান মুনাবিরা, লাহিরু থিরিমান্নে, শেহান জয়াসুরিয়া এবং আফগানিস্তানের হামিদ হাসান। ভারতে অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশেরও একটি দল অংশ নিচ্ছে।
বাংলাদেশ টাইগার্সের হয়ে খেলবেন তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ আশরাফুল, নাঈম ইসলাম, নাদিফ চৌধুরী, আরিফুল হক, জিয়াউর রহমান, শুভাগত হোম, তুষার ইমরান, ধীমান ঘোষ, মেহেদী মারুফ, আবুল হাসান রাজু, মুক্তার আলী, ইলিয়াস সানি, জুবায়ের হোসেন, শফিউল ইসলাম এবং মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিন। ফলে বাংলাদেশ টাইগার্সের বিপক্ষে খেলতে দেখা যেতে পারে সাকিব আল হাসানকে। ১২ মার্চ বাংলাদেশ টাইগার্স ও এশিয়ান স্টারসের মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া ১০ মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় ইন্ডিয়ান রয়্যালসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ টাইগার্স। ১১ মার্চ আফগানিস্তান পাঠানস এবং ১৪ মার্চ শ্রীলঙ্কান লায়ন্সের বিপক্ষে খেলবেন তামিম ও আশরাফুলরা। দুটি এলিমিনেটর ও কোয়ালিফায়ার ম্যাচ শেষে ১৮ মার্চ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে, ২০২৪ সালে ভারত সফরে গিয়ে টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন সাকিব। মিরপুরে নিজের শেষ টেস্ট খেলার আগ্রহ প্রকাশ করলেও রাজনৈতিক কারণে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ফেরা হয়নি তার। এমনকি কিছুদিন আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) খেলার জন্য দল-বদলও করেছিলেন সাকিব। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে খেলার কথা থাকলেও পরদিন ডিপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি।
বাংলাদেশ টাইগার্স: মোহাম্মদ আশরাফুল (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, নাঈম ইসলাম, নাদিফ চৌধুরী, আরিফুল হক, জিয়াউর রহমান, শুভাগত হোম, তুষার ইমরান, ধীমান ঘোষ, মেহেদী মারুফ, আবুল হাসান রাজু, মুক্তার আলী, ইলিয়াস সানি, জুবায়ের হোসেন, শফিউল ইসলাম এবং নাজিমউদ্দিন।
এশিয়ান স্টারস: সাকিব আল হাসান, অলক কাপালি, দিলশান মুনাবিরা, সৌরভ তিওয়ারি, মেহরান খান, লাহিরু থিরিমান্নে, কেদার যাদব, শেহান জয়াসুরিয়া, মাহবুব আলম, আয়ান খান, শাহবাজ নাদিম, সেকুগে প্রসন্ন, পারবিন্দার আওয়ানা, হাশতি গুল, হামিদ হাসান এবং অভিমন্যু মিঠুন।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্কঃ
২০১২-১৩ মৌসুমে ভারতের মাটিতে স্বাগতিকদের ৪ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল ইংল্যান্ড। এরপর অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজ; যারাই গিয়েছে, ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জিতে ফিরতে পারেনি। ১২ বছর পর ভারতের মাটিতে তাদের অজেয় যাত্রা ভাঙল নিউজিল্যান্ড। এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিল টম ল্যাথামের দল।
বেঙ্গালুরুতে হওয়া প্রথম টেস্টে কিউই পেসারদের তোপে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ালেও প্রথম ইনিংসের সেই দুর্দশা ঢাকা যায়নি। হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। পুনেতে হওয়া দ্বিতীয় ম্যাচে স্পিন দিয়ে নিউজিল্যান্ডকে আটকাতে চেয়েছিল রোহিত শর্মার দল। তবে নিজেদের পাতা ফাঁদে তারা নিজেরাই পড়ে। ওয়াশিংটন সুন্দরের স্পিনে ভারত লড়াই করলেও দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৩ উইকেট নিয়ে ভারতকে নাস্তানাবুদ করে ছাড়েন কিউেই স্পিনার মিচেল স্যান্টনার।
আজ পুনেতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ভারত হারল ১১৩ রানে। প্রথম ইনিংসে ২৫৯ রান করেছিল নিউজিল্যান্ড। বাবে ব্যাট করতে নেমে ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ১৫৬ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ড তোলে ২৫৫ রান। ভারতের লক্ষ্য ছিল ৩৫৯ রানের বিশাল স্কোর। তবে ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ ২৪৫ রানেই।
পুনেতে ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপ আরও একবার ব্যর্থ। ম্যাচ হারের আগেই সমালোচনায় বিদ্ধ হয়েছেন দলের সবচেয়ে বড় তারকা বিরাট কোহলি। প্রথম ইনিংসে ফুলটস বলে আউট হয়েছিলেন তিনি। ব্যাট হাতে ব্যর্থ ভারতের ক্রিকেটের আরেক স্তম্ভ রোহিত শর্মা। ব্যাট হাতে টানা ব্যর্থ হচ্ছেন তিনি। পুনে টেস্টের প্রথম ইনিংসে ‘শূন্য’ রানে আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেছেন মাত্র ৮ রান।
বেঙ্গালুরুতে প্রথম টেস্টে ভারত হেরেছিল ৮ উইকেটে। দ্বিতীয় টেস্টে হারল ১১৩ রানে। তৃতীয় ম্যাচটি তাই পরিণত হয়েছে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে। যদিও মুম্বাইতে সেই কাজটি সহজ হবে না রোহিত শর্মার দলের। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে কিউই স্পিনার এজাজ প্যাটেলের যে ১০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি আছে!
মন্তব্য করুন


এশিয়া কাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে আইসিসির টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান ও সাইফ হাসান র্যাঙ্কিংয়ে বিশাল লাফ দিয়েছেন। বোলিংয়ে এগিয়েছেন মুস্তাফিজ, আর ব্যাটিংয়ে সাইফ।
সাময়িক ফর্মহীনতায় কিছুটা পিছিয়ে পড়ার পর মুস্তাফিজুর রহমান আবারও স্বরূপে ফিরেছেন। এশিয়া কাপের গত দুই ম্যাচে তিনি মাত্র ৮ রান গড়ে ৬ উইকেট শিকার করেছেন, যা তাকে র্যাঙ্কিংয়ে ছয় ধাপ এগিয়ে এনেছে। বর্তমানে তিনি বোলারদের তালিকায় ৯ নম্বরে অবস্থান করছেন। বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানি লেগস্পিনার আবরার আহমেদও দারুণ ফর্মে রয়েছেন। গত সপ্তাহে ১১ ধাপ এগিয়ে আসার পর এবার আরও ১২ ধাপ এগিয়ে তিনি এখন চতুর্থ স্থানে।
তবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের তারকা স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী। বাংলাদেশের অন্যান্য বোলারদের মধ্যে শেখ মেহেদী হাসান তিন ধাপ এগিয়ে ১৭ নম্বরে, তানজিম হাসান সাকিব দুই ধাপ এগিয়ে ৪০তম স্থানে এবং শরীফুল ইসলাম ছয় ধাপ পিছিয়ে ৬৪তম স্থানে আছেন। অন্যদিকে, তাসকিন আহমেদ এক ধাপ পিছিয়ে ৩১ নম্বরে আছেন।
ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে বিশাল লাফ দিয়েছেন সাইফ হাসান। এশিয়া কাপের সুপার ফোরে ব্যাট হাতে ৬১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে তিনি ১৩৩ ধাপ এগিয়েছেন। বর্তমানে তিনি ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ৮১তম স্থানে অবস্থান করছেন। ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে রয়েছেন ভারতের অভিষেক শর্মা। ওমানের বিপক্ষে ৩৮ এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭৪ রানের ম্যাচজয়ী পারফরম্যান্সে তার অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। তার সতীর্থ তিলক ভার্মা ১৯ বলে ৩০ রান করে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান ৩১ ধাপ এগিয়ে ২৪তম স্থানে উঠে এসেছেন।
অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের হার্দিক পান্ডিয়া শীর্ষে থাকলেও পাকিস্তানের ফাহিম আশরাফ দারুণ পারফর্ম করে ১২ ধাপ এগিয়ে ৩৯তম স্থানে আছেন। শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা দুই ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে এক ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ফ্রেঞ্চ সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্পে পিএসজি ছাড়ছেন এই খবর বেশ আগেই চাউর হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে তার নতুন গন্তব্য হতে যাচ্ছে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ শিরোপাধারী দলে এমবাপ্পে কত নম্বর জার্সি পড়বেন সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে ফরাসি গণমাধ্যম লা পেরিসিয়ানের দাবি, রিয়ালে ১০ নম্বর জার্সি পড়বেন এমবাপ্পে।
রিয়ালের সাবেক খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পাড় ভক্ত এমবাপ্পে। তাকে অনুসরণ করেই পিএসজিতে ৭ নম্বর জার্সি পড়েন তিনি। ২০১৮ সালে রিয়াল ছাড়েন রোনালদো।
কিন্তু রিয়ালে রোনালদোর রেখে যাওয়া সাত নম্বর জার্সিটা এমবাপ্পের জন্য পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কারণ, সেখানে সাত নম্বর জার্সিটি পরছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আর সেই জার্সির মান ভালোভাবেই রেখে চলছেন রিয়ালের অন্যতম সেরা এই তারকা।
রিয়ালের হয়ে দশ নম্বর জার্সিতেও খেলে গেছেন বিখ্যাত সব তারকা। হাঙ্গেরির কিংবদন্তি ফুটবলার ফেরেঙ্ক পুসকাস রিয়ালের হয়ে এই নম্বরের জার্সিই গায়ে চাপিয়েছেন। আর এখন রিয়ালে দশ নম্বর জার্সি পরেন ক্রোয়াট তারকা লুকা মদরিচ।
৭ নম্বর জার্সি না পাওয়া নিয়ে এমবাপ্পের অবশ্য কোনো অভিযোগ থাকার কথা নয়। জিদানের এই উত্তরসূরি যে ফ্রান্স দলে ১০ নম্বর জার্সিটাই পরেন!
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে দারুণ খেলেছেন তানজিদ হাসান তামিম। সেঞ্চুরির খুব কাছেই চলে গিয়েছিলেন। তার এই ফিফটি অবশ্য দলকে জেতাতে পারেনি। তবে ৮৯ রানের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসের পথে দারুণ এক রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ৪২ ইনিংসে এক হাজার রান পূর্ণ করলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। তাতেই তামিম বনে যান বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম এক হাজার রান করা ব্যাটার। এর আগে ৪৫ ইনিংসে হাজার রান পূর্ণ করার রেকর্ড ছিল তাওহিদ হৃদয়ের। তিন ইনিংস আগেই সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস লিখলেন ২৪ বছর বয়সি এই ব্যাটার।
সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ ওভারে আউট হয়ে যান তানজিদ। তার ব্যাট থেকে আসে ৬২ বলে ৮৯ রান, যেখানে ছিল চারটি ছক্কা ও নয়টি চার। কিন্তু তার এই ইনিংসেও বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশের হাত থেকে বাঁচাতে পারেনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জেতে পাঁচ উইকেটে, তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নেয় তারা।
তামিম বাংলাদেশের হয়ে রেকর্ড গড়লেও টি-টোয়েন্টিতে এখনো দ্রুততম এক হাজার রানের বিশ্বরেকর্ড ইংল্যান্ডের দাভিদ মালানের। তিনি করেছিলেন মাত্র ২৪ ইনিংসে।
চট্টগ্রামে ব্যাটিংয়ে নামার সময় তানজিদের রান ছিল ৯৬৭। ইনিংসের শুরুতে দুবার ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান তিনি, রিভিউ নিয়ে রক্ষা পান আরেকবার। এরপর নিজের ছন্দে খেলতে থাকেন একের পর এক শট মেরে।
৩৭ বলে তিনি পূরণ করেন ক্যারিয়ারের দশম টি-টোয়েন্টি ফিফটি। সবশেষ ১২ ইনিংসে এটি তার পঞ্চম ফিফটি এবং টানা দ্বিতীয়।
মন্তব্য করুন


ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) পারফর্ম করা তরুণ ক্রিকেটারদের চান রবি শাস্ত্রী। এদের গড়ে তুলতে রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিদের সাময়িক সময়ের জন্য দলের বাইরে চান ভারতের সাবেক এই কোচ। অবশ্য ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যদি রোহিত-কোহলিরা ফর্মে না থাকেন বা ধারাবাহিক না হন- সেক্ষেত্রে ওই সময়ে এগিয়ে থাকা ক্রিকেটারকেই দলে চান তিনি।
এবারের আইপিএলে দারুণ পারফর্ম করছেন ইয়াশভি জয়সাওয়াল, জিতেশ শর্মা, তিলক ভার্মা, নেহাল ওয়াধেরা, রিঙ্কু সিং, প্রভসিমরান সিং, আনমলপ্রীত সিংদের মতো ক্রিকেটাররা। জয়সাওয়াল, রিঙ্কু, জিতেশরা যেমন আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিয়মিত রান করে দল জেতাচ্ছেন, বাকিরাও প্রয়োজন অনুযায়ী দারুণ খেলছেন।
বিশেষ করে ১২০-৩০ বা ১৭০-৮০, এমনকি দুইশর বেশি স্ট্রাইক রেটেও রান করছেন অনেকেই। এসব প্রতিভাবানদের হারাতে চান না শাস্ত্রী। দ্রুতই তাদের ভারতীয় দলে চান সাবেক এই ক্রিকেটার।
শাস্ত্রী বলেন, 'এরপর প্রথম যে টি-টোয়েন্টি সিরিজই আসে, এই তরুণদের খেলানো উচিত। এদের সামনে আনা উচিত। তাদের এখনই প্রস্তুত করা উচিত। রোহিত, কোহলির মতো ক্রিকেটাররা আগেই প্রমাণিত। আপনি জানেন তারা কী করতে পারে।'
'আমি আইপিএলে পারফর্ম করাদেরই দলে চাইব যেন তারা সুযোগ পায়। এতে তারাও যেমন সুযোগ পাবে, রোহিত-কোহলিরাও ওয়ানডে আর টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নিজেদের সতেজ রাখতে পারবে।'
ক্রিকইনফোর সেই অনুষ্ঠানে শাস্ত্রীর এমন আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়া হয়, 'তাহলে রোহিত, কোহলি বা লোকেশ রাহুলরা কি জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে খেলবেন না?'
জবাবে শাস্ত্রী বলেন, 'এক বছর অনেক লম্বা সময়। কেউ ফর্মে থাকতে পারে। ফর্ম হারাতেও পারে। আপনার ওই সময়ের সেরা ক্রিকেটারকে খুঁজে বের করতে হবে। অবশ্যই অভিজ্ঞতা বা ফিটনেস- এসবও বিবেচনায় আসবে। কে সেই মুহূর্তে ধারাবাহিক, রান করছে কিনা, কোথায় রান করছে- এসবও দেখতে হবে।'
'দলে সঠিক পজিশনের জন্য সঠিক ক্রিকেটারকে দরকার। কেউ যদি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তিন-চারে ব্যাটিং করে তাহলে জাতীয় দলে তাকে দিয়ে আপনি ওপেন করাবেন বা ছয়ে নামাবেন- ব্যাপারটা কিন্তু তেমন নয়।'
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
আজ স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত সব খোলা। এরপরও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে দর্শক উন্মাদনার কমতি নেই। মিরপুর শেরে বাংলায় প্রথম ম্যাচেই গ্যালারি ভরে গেছে দর্শকে। স্টেডিয়ামের গেটেও উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্যনীয়।
দর্শকদের চাপ এত বেশি ছিল, খেলা শুরুর দুই ঘণ্টা আগেই হোম অব ক্রিকেটের মূল প্রবেশদ্বার ২ নম্বর গেটের বাইরে টিকিট না পাওয়া দর্শকদের উন্মত্ত আচরণে চরম বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হয়। টিকিট না পেয়ে ২ নম্বর গেট দিয়ে মূল গেটে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন দর্শকরা। এক পর্যায়ে গেটের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে স্টেডিয়ামের ভেতরে ঢুকে পড়েন তারা।
অপ্রত্যাশিত এ ঘটনা বাদ দিলে দর্শকদের এই উন্মাদনা বিপিএলের মতো আসরে ইতিবাচক। বিশেষ করে এর আগে বিপিএলে সিলেট, চট্টগ্রামে এই উন্মাদনা থাকলেও ঢাকার মাঠে দর্শক কম দেখা গেছে। এবারের শুরুতে বেশ দর্শক দেখা গেলো।
প্রথম ম্যাচ চলছে ফরচুন বরিশাল আর দুরন্ত রাজশাহীর। দ্বিতীয় ম্যাচ সন্ধ্যায় ঢাকা ক্যাপিটালস আর রংপুর রাইডার্সের। হাইভোল্টেজ সে ম্যাচে দর্শক উন্মাদনা আরও বাড়বে নিঃসন্দেহে।
দেড়মাসব্যাপী বিপিএলের একাদশ আসর ৩০ ডিসেম্বর শুরু হয়ে চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
আগামী ২০ জুন কোপা আমেরিকার ট্রফি ধরে রাখার অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবেন লিওনেল মেসিরা। একটিতে প্রতিপক্ষ লাতিন আমেরিকার ইকুয়েডর, আরেকটিতে মধ্য আমেরিকার গুয়েতেমালা।
আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) কাল আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ দুটির প্রতিপক্ষ ও ভেন্যু নিশ্চিত করেছে।
কোপা আমেরিকার আগে আর্জেন্টিনা দলের প্রীতি ম্যাচের খবর জানা গিয়েছিল আগেই। তবে একটি ম্যাচের প্রতিপক্ষ ও ভেন্যুর বিষয়টি চূড়ান্ত ছিল না। এএফএ ওয়েসবাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৯ জুন শিকাগোর সোলজার ফিল্ড স্টেডিয়ামে ইকুয়েডরের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা। আর গুয়েতেমারার বিপক্ষে ম্যাচটি হবে ১৪ জুন ওয়াশিংটন ডিসিতে।
দুটি ম্যাচের মধ্যে লাতিন আমেরিকান দল ইকুয়েডরকে প্রস্তুতির জন্য সেরা প্রতিপক্ষ মনে করছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। ২০২৬ বিশ্বকাপের আঞ্চলিক বাছাইয়ে এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচ খেলে মাত্র একটিতে হেরেছে ইকুয়েডর, সর্বশেষ পাঁচটিতে ৩ জয় ২ ড্র তাদের। কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনা–ইকুয়েডর দু দলই নিজ গ্রুপ থেকে প্রত্যাশিতভাবে এগোতে পারলে মুখোমুখি দেখা হবে কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনালে।
ইকুয়েডরকে ‘কঠিন প্রতিপক্ষ’ আখ্যা দিয়ে স্কালোনি বলেন, খেলোয়াড়েরা লম্বা একটা মৌসুম শেষ করে খেলতে নামবে। অনেকেরই মৌসুমজুড়ে প্রচুর ম্যাচ খেলতে হয়েছে। যে দুটি ম্যাচ আছে, এর মধ্যেই দল প্রস্তুত হয়ে যাবে। ইকুয়েডর কঠিন প্রতিপক্ষ। আর গুয়েতেমালা ম্যাচে অনেক দর্শক হয়। সেটাও ভালো ম্যাচই হবে। কারণ, মানুষ দিন শেষে ভালো ফুটবলই দেখতে আসে।
এদিকে কোপা আমেরিকায় প্রতিটি দলকে ২৩ জনের পরিবর্তে ২৬ জনের স্কোয়াড ঘোষণার সুযোগ দিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। এর আগে উয়েফাও এবারের ইউরোয় ২৬ জনের দলের অনুমোদন দিয়েছে।
কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ ২০ জুন কানাডার বিপক্ষে, আটালান্টার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম। ২৫ জুন নিউজার্সিতে দ্বিতীয় ম্যাচের প্রতিপক্ষ চিলি। আর ২৯ জুন মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে গ্রুপ পর্বের শেষ প্রতিপক্ষ পেরু।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
২০১৫ সালে লিভারপুলের কোচ হয়ে আসেন জার্মানির জার্গেন ক্লপ। ২০১৭ সালে তিনি ইতালিয়ান ক্লাব রোমা থেকে লিভারপুলে উড়িয়ে আনেন মিশরীয় তারকা মোহাম্মদ সালাহকে। ৭ বছর যুগলবন্দী হয়ে ক্লাবকে অনেক সাফল্য এনে দিয়েছেন এই দুজন। এই মৌসুম শেষে লিভারপুল ছাড়ছেন ক্লপ। তাই একসঙ্গে দুজনের পথচলাও শেষ হচ্ছে।
নিজেদের অধ্যায়ের শেষ দিকে এসে ক্লপের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন সালাহ। গত মাসে ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্রয়ের ম্যাচে ডাগআউটে ক্লপের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা গেছে সালাহকে। সেই ঘটনা নিয়ে সালাহ বলেছিলেন, তিনি কথা বললে আগুন লেগে যাবে। তবে সম্প্রতি স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্লপের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্কের গল্পই শোনালেন সালাহ।
সালাহ বলেছেন, ‘আমরা যখন প্রথমবার কথা বলেছিলাম, প্রথম তার যে কথাটি আমার মনে আটকে গিয়েছিল সেটি হলো, তিনি আমাকে এখানে (লিভারপুল) নিয়ে আসতে চান। তিনি আসলে ব্যাখ্যা করেছিলেন, নতুনভাবে একটি দল গঠন করছেন তিনি এবং সেখানে সাদিও (মানে) ও ববি (ফিরমিনো) আছে, আমাকেও সেখানে খেলাতে চান। তিনি (ক্লপ) আমাকে বলেছিলেন, ‘‘ফুটবলে আমি তোমার ধার আরও বাড়াবো এবং তুমি যেভাবে চাও তার স্বাধীনতা দেব।’’ আমার অবস্থা এমন ছিল যে, আচ্ছা আমি আসছি। আমি এসেছি এবং তার পরেরটা তো আপনারাই দেখেছেন।’
লিভারপুলে প্রিয় মুহূর্ত প্রসঙ্গে মিশরীয় এই তারকা আরও বলেছেন, ‘আমরা এখানে একসঙ্গে সাত বা আট বছর ধরে আছি, তাই অনেক প্রিয় মুহূর্তই জড়ো হয়েছে। কিন্তু আমার মনে হয় যেই ম্যাচে চেলসি ম্যানচেস্টার সিটিকে হারালো আর আমাদের প্রিমিয়ার লিগ নিশ্চিত হলো এবং চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় আমার মাথায় আটকে আছে। কারণ সেখানে অনেক আবেগ জড়িত ছিল।’
দুজন দুজনকে ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছেন উল্লেখ করে সালাহ বলেন, ‘একজন ভালো খেলোয়াড় হিসেবে তিনি নিশ্চিতভাবে আমার উন্নতি করেছেন এবং তার ভালো ম্যানেজার হয়ে ওঠার পেছনে আমারও অবদান আছে। আমরা একে অপরকে অনেক সাহায্য করেছি। শিরোপা জয়ের জন্য ক্লাবকে সবকিছু দিয়েছি, সবাই সেটা দেখেছে।’
সালাহ আরও বলেন, ‘ব্যক্তি হিসেবে আমি যদি সমস্যায় পড়ি আমি তার সঙ্গে কথা বলতে পারি এবং যেকোনো কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি। আমার মনে হয়, আমরা অবশ্যই আজীবন আমাদের যোগাযোগ রাখব। কারণ এটা শুধু কাজের ক্ষেত্রের সম্পর্কই নয়, আমরা এটিকে বাইরেও নিয়ে যাই এবং আমাদের চিরকাল যোগাযোগ থাকবে।’
ক্লপের অধীনে লিভারপুলের হয়ে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন সালাহ। ক্লাবের সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ৩৪৮ ম্যাচে ২১১ গোল ও ৮৯টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। ২০১৯ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ২০২০ সালে দীর্ঘদিন পর জিতেছেন প্রিমিয়ার লিগ। ম্যানচেস্টার সিটিকে লিগ শিরোপার লড়াইয়ে বেশ কয়েকবারই টেক্কা দিয়েছে ক্লপ-সালাহর লিভারপুল।
উলভসের বিপক্ষে ম্যাচে শেষবারের মতো লিভারপুলের ডাগআউটে দাঁড়াবেন ক্লপ। সবকিছু ঠিক থাকলে সালাহও এই ম্যাচে খেলতে যাচ্ছেন। ক্লপের সম্মানে এই ম্যাচ শেষে একটি সংবর্ধনারও আয়োজন করা হতে পারে।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড হেড কোচ এরিক টেন হাগকে বরখাস্ত করেছে। এর ফলে রেড ডেভিলদের সঙ্গে ডাচ কোচের আড়াই বছরের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটলো। বিবিসি এবং ESPN সহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ খবর নিশ্চিত করেছে।
গতকাল রবিবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে ওয়েস্টহ্যামের কাছে পরাজিত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার কম সময়ের মধ্যে টেন হাগকে বরখাস্ত করা হলো। আজ সোমবার ক্লাব কর্তৃপক্ষ তাকে ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানায়।
স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের পর, কেউই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে পারেননি। সর্বশেষ টেন হাগের অধীনে ক্লাবটি আবারও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। যদিও দীর্ঘদিন ধরেই তার ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল।
টেন হাগের সময় সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আরেক ডাচ কিংবদন্তি রুড ফন নিস্টেলরয়। তাকেই এবার অন্তবর্তীকালীন হেড কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ভারতীয় অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলার সঙ্গে পাকিস্তানি পেসার নাসিম শাহকে জড়িয়ে কম আলোচনা হয়নি। একটা সময় এই দুজনের প্রেমের গুঞ্জনও ভেসে বেড়িয়েছে। পরে অবশ্য দু’জনই সেসব খবর থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নেন। এবার নাসিমের ব্যবহারে মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন আরেক ভারতীয় অভিনেত্রী সোনম বাজওয়া।
সম্প্রতি পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ফ্যানদের নিয়ে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন নাসিম শাহ। সেখানে এক খুদে ভক্ত তাকে দেখে কেঁদে ফেলে। নাসিম তখন সে খুদে ভক্তকে আশ্বস্ত করে বলে, ‘কেঁদো না।’ এরপর সে ভক্তকে নিজের অটোগ্রাফ দেন নাসিম। খুদে ভক্তের কান্না থামাতে নাসিম যোগ করেন, ‘আমি তোমাকে বাবর আজমের (পাকিস্তান অধিনায়ক) অটোগ্রাফও নিয়ে দিতে পারব।’
খুদে ভক্তের সঙ্গে নাসিমের সে আবেগঘন মুহূর্ত নিয়ে বানানো একটি ইনস্টাগ্রাম রিল নিজের স্টোরিতে শেয়ার করেছেন সোনম। সঙ্গে লিখেছেন, ‘খুব সুন্দর এবং কিউট’। সঙ্গে সাদা হৃদয়ের একটি ইমোজিও জুড়ে দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
পাকিস্তানি তারকাদের প্রতি ভালোলাগার প্রকাশ অবশ্য এটাই প্রথম নয় সোনমের। এর আগে পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেতাকে ফাওয়াদ খানকে নিজের ‘সবসময়ের ক্রাশ’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন ভারতীয় পাঞ্জাবি সিনেমার পরিচিত মুখ সোনম।
মন্তব্য করুন