

স্পোর্টস ডেস্কঃ
২০২৬ সালের গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসের খেলার সংখ্যা এবং কোন কোন খেলা অনুষ্ঠিত হবে, সে তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। তালিকা দেখে বিশেষ করে উপমহাদেশের ক্রীড়া কর্মকর্তা এবং অ্যাথলেটদের মাথায় হাত। ২০২২ সালের চেয়ে অন্তত ৯টি খেলা কমিয়ে আনা হয়েছে ২০২৬ গ্লাসগো গেমসে। যেখানে বাদ দেয়া হয়েছে ক্রিকেট, হকি, ব্যাডমিন্টনসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ খেলা।
মূলতঃ স্থান পরিবর্তনের কারণে খেলার সংখ্যাও কমিয়ে আনা হলো। ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসে হবে মাত্রটি ১০টি খেলা। ২০২২ সালে হয়েছিল ১৯টি। ৯টি খেলা কমিয়ে আনায় উপমহাদেশীয় দেশগুলোর পদক জয়ে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের।
২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমস হওয়ার কথা ছিল অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া শহরে; কিন্তু তারা জানিয়ে দেয় আর্থিক সমস্যার কারণে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা সম্ভব না। যে কারণে, ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের সুযোগ পায় স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো।
১২ বছর পর স্কটল্যান্ডের এই শহরে ফিরছে কমনওয়েলথ গেমস; কিন্তু মাত্র ১০ ধরনের খেলা আয়োজন করতে পারবে তারা। আর্থিক কারণেই কম খেলার আয়োজন করা হচ্ছে। ফলে বাদ পড়েছে ক্রিকেট, হকির মতো খেলা। এছাড়া বাদ দিতে হয়েছে ব্যাডমিন্টন, শুটিং, কুস্তিও। এই খেলাগুলো থেকে ভারতেরই সবচেয়ে বেশি পদক জয়ের সম্ভাবনা ছিল।
গ্লাসগোতে ২০২৬ সালে কমনওয়েলথ গেমসে অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার, আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্স, ট্র্যাক সাইক্লিং, নেট বল, ভারোত্তোলন, বক্সিং, জুডো, বাস্কেটবল এবং লন বল খেলা হবে। মোট চারটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে খেলাগুলো। গেমস উপলক্ষে ভিলেজ তৈরি করা হবে না। খেলোয়াড় এবং সাপোর্ট স্টাফদের রাখা হবে হোটেলে।
সর্বশেষ ২০১৪ সালে গ্লাসগোয় কমনওয়েথ গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। সেবার তারা খরচ করেছিলো ৫৪০ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ৮ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা)। এবার এই খরচ অনেক কমিয়ে আনা হবে। ৭৪টি কমনওয়েলথ দেশ এবং স্বাধীন অঞ্চল থেকে মোট তিন হাজার অ্যাথলেট গেমসে অংশ নেবে।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পরের দুই টেস্টের জন্য যে দল ঘোষণা করা হয়েছে, তা প্রকাশ্যে আসার পরই হইচই শুরু হয়ে যায়। কারণ দল থেকে ছিটকে পড়েছেন বাবর আজম। তাকে বিশ্রামের কথা বলে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। আর বন্ধুর খারাপ সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা দিলেন ফখর জামান। আর তাতেই বাঁহাতি ওপেনারের ওপর চটে লাল পাক ক্রিকেট বোর্ড।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অন্দরে সংঘাতটা লেগেই গেল। গতকাল রোববার পাক বোর্ডের তরফে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাকি দুই টেস্টের জন্য দল ঘোষণা করা হয়। সেখানেই পাকিস্তানের নয়া নির্বাচক কমিটি ক্রিকেটারদের স্পষ্ট বার্তা দেয়— হয় পারফরম্যান্স কর, নয় সরে দাঁড়াও। বোর্ডের এই অবস্থানের জেরে দল থেকে ছাঁটাই হন বাবর আজম। দলে নেই শাহিন আফ্রিদি ও নাসিম শাহ।
পাক বোর্ডের তরফে মুলতান ও রাওয়ালপিন্ডিতে পরের দুই টেস্টের জন্য যে দল ঘোষণা করা হয়, তা প্রকাশ্যে আসার পরই জানা যায়, দল থেকে বাদ দেওয়া হয় তিন তারকা ক্রিকেটারকে। এর মধ্যে নাম রয়েছে গত এক দশকে পাকিস্তানের অন্যতম সেরা ব্যাটার বাবর আজমের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফখর জামানের লিখেছেন—খারাপ সময়ে যখন বিরাট কোহলির গড় অত্যন্ত কম ছিল। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত রান পায়নি, তখন ভারতীয় বোর্ড কোহলির পাশে দাঁড়িয়েছিল। অথছ বাবর আজমের খারাপ সময় তার পাশে দাঁড়াল না পাকিস্তান বোর্ড— এটা অত্যন্ত খারাপ একটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল। পাশাপাশি তিনি এও দাবি করে বলেন, ক্রিকেটারদের ছোট না করে বোর্ডের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো।
ফখর জামানের ওপর ক্ষুব্ধ পাকিস্তান বোর্ড। যদিও তার পোস্টের পরই পাক ক্রিকেট বোর্ডের তরফে যোগাযোগ করা হয়েছে তার সঙ্গে। পিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘ফখর জামানের পোস্টে বোর্ড একদমই খুশি নয়। যারা এ বিষয়ে দায়িত্বে রয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে ওর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।
পাক বোর্ডসূত্রে জানা গেছে, নতুন যে নির্বাচক কমিটি হয়েছে, তার অন্যতম সদস্য সাবেক অধিনায়ক আজহার আলি। তিনি বাবর আজমের সঙ্গে শনিবারই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। এ ছাড়া আরেক নতুন নির্বাচক আকিব জাভেদ জানিয়েছেন— এ মুহূর্তে ক্রিকেটারদের ফর্মের দিকে আমাদের নজর রাখতে হচ্ছে। বাবর-শাহিনদের বোঝানো হয়েছে, ওদের আত্মবিশ্বাস ফেরার জন্য এবং ফিটনেস ফিরে পাওয়ার জন্য এই দুই টেস্টে বিশ্রাম প্রয়োজন। আর আমাদের এই সিরিজে যেভাবেই হোক ঘুরে দাঁড়াতে হবে।
মন্তব্য করুন


ডিপিএল শেষেও বিশ্রামের সুযোগ থাকছে না ক্রিকেটারদের। বাংলাদেশ 'এ' দলের হয়ে যারা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের দলে আছেন, তাদের দরজায় কড়া নাড়ছে আবারও মাঠের ক্রিকেট। আগামীকাল থেকে ওয়েস্ট-ইন্ডিজ 'এ' দলের বিপক্ষে চারদিনের ম্যাচ খেলতে নামবে আফিফ হোসেনের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল।
সিরিজের শুরুর আগের দিন আজ সিলেটে গণমাধ্যমকে আফিফ বলেন, 'প্রিমিয়ার লিগে আমি ফিনিশিং রোলে ছিলাম না। আমি টপ অর্ডারে খেলেছি, সেখান থেকে ম্যাচ শেষ করতে পেরেছি বলে খুশি। আর লাল বলটা উপভোগ করি, চেষ্টা করবো এখানে উইকেটের সাথে মানিয়ে নিয়ে যতটা ভালো পারফর্ম করা দলের জন্য।'
আক্রমণাত্বক নয় পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার আশা আফিফের। তিনি বলেন, 'সবসময় আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে হবে এমনটা না। পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করবো। আর আমাদের প্রথম শ্রেণির যে খেলাগুলো হয় ওখানেও আমি খেলেছি। সবসময় যে আক্রমণাত্মক খেলেছি এমন না। পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করার চেষ্টা করেছি। এখানেও সেটা করবো। আমি কখনোই চাপ অনুভব করি না। যেকোনো পরিস্থিতিকে মানিয়ে নিয়ে উপভোগ করতে পছন্দ করি।'
দলের অধিনায়কত্ব করা দারুণ ব্যাপার আফিফের কাছে। তিনি বলেন, 'অবশ্যই একটা দারুণ অভিজ্ঞতা 'এ' দলের অধিনায়কত্ব করা। কিন্তু আপনি যেটা বললেন সামনের ব্যাপার নিয়ে আমি চিন্তা করি না। সবসময় চিন্তা করি বর্তমানে কি করা যায়। সে চেষ্টাই করবো যাতে প্রতিদিন ভালো করে একটা ভালো সিরিজ শেষ করতে পারি।'
মন্তব্য করুন


অবশেষে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরলেন নেইমার। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এক রাজকীয় আয়োজনে আনুষ্ঠানিকভাবে নেইমারকে বরণ করে নিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোস। নেইমারের ফেরাকে ঘিরে সান্তোসের স্লোগান ছিল—‘দ্য প্রিন্স ইজ ব্যাক’।
বাংলাদেশ সময় গতকাল রাতে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন নেইমার। এর আগে, ব্রাজিলের স্থানীয় সময় সকালে সাও পাওলোতে অবতরণ করে তার ব্যক্তিগত বিমান। কয়েক ঘণ্টা বিশ্রামের পর হেলিকপ্টারে করে সান্তোসে পৌঁছান ৩২ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। মাঠের মাঝখানে মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। বৃষ্টির মধ্যেই মঞ্চে উঠে দর্শকদের উদ্দেশে হাত নাড়েন নেইমার।
ঘরের ছেলেকে ফিরে পেয়ে দর্শকরাও তাকে স্লোগান দিয়ে স্বাগত জানান। মাঠে মাথা ও হাত নুইয়ে নিজের বিখ্যাত গোল উদযাপনের ভঙ্গিমা করেন তিনি। এরপর সান্তোসের মাটিতে চুমু খান। ‘নেইমার মিথ’-এর জন্ম তো এই ভিলা বেলমিরোর মাটিতেই।
নেইমার মাঠে দাঁড়িয়ে থাকতেই দর্শকরা তার পায়ে ড্রিবলিং দেখতে চান। উত্তরে নেইমার বলেন, ‘আমি খুবই সুখী। এখানে দারুণ সময় কেটেছে। সামনে তেমন সময় আরও আছে। (ড্রিবল করতে) সাহসের অভাব হবে না।’
গত সোমবার রাতে নেইমারের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেয় সৌদি আরবের ক্লাব আল-হিলাল। ২০২৩ সালে আল-হিলালে যোগ দেওয়ার পর ইনজুরির কারণে মাত্র ৭ ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন নেইমার। পরে দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতেই চুক্তি বাতিল হয়।
নেইমারের চুক্তি নিয়ে সান্তোসের সহসভাপতি ফার্নান্দো বোনাভিদেস ক্যানাল বলেন, ‘এই চুক্তিপত্র প্রাথমিকভাবে ছয় মাসের। তবে তাকে ধরে রাখতে আমরা সব রকম চেষ্টাই করব। আমরা চাই, সে যেন আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকে।’
কালো ক্যাপ ও কালো গেঞ্জি পরা নেইমার ছয় মাসের চুক্তিপত্রে সই করার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে সান্তোস শহর এবং ক্লাবটির রাজা হয়ে যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (টুইটার)-এ ‘দ্য প্রিন্স ইজ ব্যাক’ নামে একটি ভিডিও প্রকাশ করে সান্তোস। এর আগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে পেলের কণ্ঠে নেইমারকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। সেটারই দ্বিতীয় সংস্করণে প্রয়াত কিংবদন্তি পেলের প্রতি নেইমারকে বলতে শোনা যায়, ‘কিং পেলে, আপনার ইচ্ছাই আমার জন্য নির্দেশ। সিংহাসন ও মুকুট আপনারই আছে। কারণ, আপনি চিরকালীন। কিন্তু পবিত্র ১০ নম্বর জার্সিটি পরা হবে সম্মানের সঙ্গে, যা সান্তোস এবং এই পৃথিবীর জন্য অনেক কিছু। আপনার রেখে যাওয়া লিগ্যাসিকে সম্মান দিতে আমি সবকিছু করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
সান্তোসের আয়োজনে কোনো কমতি রাখা হয়নি। সবাই জানত, সৌদি আরবের আল-হিলালের পাট চুকিয়ে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরছেন নেইমার। তার জন্য স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে একটি কনসার্টেরও আয়োজন করে ব্রাজিলের শীর্ষ লিগের এই ক্লাব। বৃষ্টির মধ্যেই ভিলা বেলমিরোর গ্যালারিতে প্রায় ২০ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন। স্টেডিয়ামের বাইরেও ছিল ভিড়।
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের জার্সিতে খেলার এটাই নেইমারের শেষ সুযোগ। সে জন্য ব্রাজিলের জার্সিতে ফিরতে হলে আগে নিয়মিত ম্যাচ খেলার দরকার, যা আল-হিলালে হচ্ছিল না। সান্তোসে সেই সুযোগ পাবেন নেইমার। বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জাতীয় দলে ফিরতে চাই। অর্জনের জন্য এখনো একটি (বিশ্বকাপ) মিশন বাকি আছে, যা আমার শেষ সুযোগ বলে মনে করি। যা–ই হোক না কেন, আমি এটার পেছনে ছুটব।’
সংবাদ সম্মেলনে সান্তোসে ফেরার কারণও ব্যাখ্যা করেন নেইমার। তিনি বলেন, ‘কিছু সিদ্ধান্ত থাকে, যা ফুটবলীয় চুক্তির বাইরে। আল-হিলালে ভালোই ছিলাম। পরিবারও ভালো ছিল। কিন্তু কিছু ঘটনায় সিদ্ধান্তটি নিতেই হলো। অনুশীলনে নিজেকে অসুখী লাগছিল। ফেরার সুযোগটা পেয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়বার ভাবিনি।’
ফেরার পর কেমন লাগছে, তা-ও জানান নেইমার। তিনি বলেন, ‘এখানে পা রাখার পর থেকেই মনে হচ্ছে, ১৭ বছর বয়সে ফিরে গেছি। খুব ভালো লাগছে এবং খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’
সান্তোসের বয়সভিত্তিক দলে বেড়ে ওঠা নেইমারের। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত খেলেছেন ক্লাবটির মূল দলে। এরপর ইউরোপযাত্রা। প্রথমে বার্সেলোনা, এরপর পিএসজি হয়ে দেড় বছর আগে সৌদি আরবের আল-হিলালে যোগ দেন। তবে ব্রাজিল ছাড়ার সাড়ে ১১ বছর পর আবারও সান্তোসে ফিরে নেইমার যেন ক্যারিয়ারের চক্র পূরণ করলেন। এর মধ্যে অনেকবার চোটে পড়েছেন। মৌসুমে নিয়মিত মাঠেও নামতে পারেননি। আগের সেই ধারা আছে কি না, সান্তোস ঠিক নিশ্চিত না হলেও ঘরের ছেলেকে আগের মতো হৃদয় দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন ক্লাবটির সমর্থকেরা। পার্থক্য একটাই, প্রথম দফায় খেলেছেন ১১ নম্বর জার্সিতে, এবার ১০ নম্বর জার্সি পরেছেন।
সেই জার্সিতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নেইমার ফটোসেশনও করেন। এখন অপেক্ষা শুধু মাঠে ফিরে খেলার। গত বছর নভেম্বরে আল-হিলালের হয়ে ম্যাচে চোট পাওয়ার পর আর মাঠে নামা হয়নি তার। সংবাদ সম্মেলনে নেইমার জানান, শারীরিকভাবে আগের চেয়ে ভালো বোধ করলেও এখনো ১০০ শতাংশ ফিরে পাননি।
ক্যাম্পেওনাতো পলিস্তায় আগামী বুধবার বোটাফোগোর মুখোমুখি হবে সান্তোস। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’ জানিয়েছে, এই ম্যাচে সান্তোসের হয়ে দ্বিতীয় দফায় অভিষেকের সম্ভাবনা আছে নেইমারের।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
আগামী ২০ জুন কোপা আমেরিকার ট্রফি ধরে রাখার অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবেন লিওনেল মেসিরা। একটিতে প্রতিপক্ষ লাতিন আমেরিকার ইকুয়েডর, আরেকটিতে মধ্য আমেরিকার গুয়েতেমালা।
আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) কাল আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ দুটির প্রতিপক্ষ ও ভেন্যু নিশ্চিত করেছে।
কোপা আমেরিকার আগে আর্জেন্টিনা দলের প্রীতি ম্যাচের খবর জানা গিয়েছিল আগেই। তবে একটি ম্যাচের প্রতিপক্ষ ও ভেন্যুর বিষয়টি চূড়ান্ত ছিল না। এএফএ ওয়েসবাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৯ জুন শিকাগোর সোলজার ফিল্ড স্টেডিয়ামে ইকুয়েডরের বিপক্ষে খেলবে আর্জেন্টিনা। আর গুয়েতেমারার বিপক্ষে ম্যাচটি হবে ১৪ জুন ওয়াশিংটন ডিসিতে।
দুটি ম্যাচের মধ্যে লাতিন আমেরিকান দল ইকুয়েডরকে প্রস্তুতির জন্য সেরা প্রতিপক্ষ মনে করছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। ২০২৬ বিশ্বকাপের আঞ্চলিক বাছাইয়ে এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচ খেলে মাত্র একটিতে হেরেছে ইকুয়েডর, সর্বশেষ পাঁচটিতে ৩ জয় ২ ড্র তাদের। কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনা–ইকুয়েডর দু দলই নিজ গ্রুপ থেকে প্রত্যাশিতভাবে এগোতে পারলে মুখোমুখি দেখা হবে কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনালে।
ইকুয়েডরকে ‘কঠিন প্রতিপক্ষ’ আখ্যা দিয়ে স্কালোনি বলেন, খেলোয়াড়েরা লম্বা একটা মৌসুম শেষ করে খেলতে নামবে। অনেকেরই মৌসুমজুড়ে প্রচুর ম্যাচ খেলতে হয়েছে। যে দুটি ম্যাচ আছে, এর মধ্যেই দল প্রস্তুত হয়ে যাবে। ইকুয়েডর কঠিন প্রতিপক্ষ। আর গুয়েতেমালা ম্যাচে অনেক দর্শক হয়। সেটাও ভালো ম্যাচই হবে। কারণ, মানুষ দিন শেষে ভালো ফুটবলই দেখতে আসে।
এদিকে কোপা আমেরিকায় প্রতিটি দলকে ২৩ জনের পরিবর্তে ২৬ জনের স্কোয়াড ঘোষণার সুযোগ দিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। এর আগে উয়েফাও এবারের ইউরোয় ২৬ জনের দলের অনুমোদন দিয়েছে।
কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ ২০ জুন কানাডার বিপক্ষে, আটালান্টার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম। ২৫ জুন নিউজার্সিতে দ্বিতীয় ম্যাচের প্রতিপক্ষ চিলি। আর ২৯ জুন মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে গ্রুপ পর্বের শেষ প্রতিপক্ষ পেরু।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্কঃ
একটা সময় নিন্দুকেরা বলছেন, নিজের জন্য এবং ক্লাবের জন্য খেলেন মেসি। জাতীয় দলের জন্য না, তার মধ্যে নেই দেশপ্রেম। তবে জাতীয় দলে হয়েও সবকিছু অর্জন করার পর সবশেষ যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে অনুষ্ঠিত হওয়া কোপা আমেরিকার ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে যখন ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়ছিলেন মেসি।
তখন তার চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়েছিল বেদনার অশ্রু। একটা ট্রফির জন্য কিংবদন্তির এমন কান্না দেখে কোটি ফুটবল ভক্তদের হৃদয় কেঁদেছে। আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ককে সময়ের সেরা খেলোয়াড় তো বটেই, অনেকে এলএম-টেন মানেন সর্বকালের সেরা ফুটবলার।
এবার এই তালিকায় যোগ দিয়েছে স্প্যানিশ জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম মার্কা। তার হাতে তুলে দিয়েছে সর্বকালের সেরা ও সর্বোচ্চ শিরোপা জয়ী ফুটবলারের পুরস্কার জিতলেন এই কিংবদন্তি। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের একটা সময় স্প্যানিশদের তল্লাটে কাটিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
এক যুগের বেশি সময় ধরে খেলেছেন স্প্যানিশ জায়েন্ট ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে। ক্লাবটিকে চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ১০টি লা লিগায় শিরোপাসহ জিতেছেন মোট ৩৪টি শিরোপা। এছাড়াও পুরো ক্যারিয়ারে ৪৬টি ব্যক্তিগত ও ৫৬টি দলগত শিরোপা জিতেছেন এই কিংবদন্তি। এবার ক্যারিয়ারে গোধূলীলগ্নে এসে স্প্যানিশ জনপ্রিয় দৈনিক মার্কা কর্তৃক সর্বকালের সেরা ও সর্বোচ্চ শিরোপা জয়ী ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছেন সর্বোচ্চ আট বারের ব্যালন ডি'অর জয়ী এই ফুটবলার।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
যে কোনো ফরম্যাটে হোক, ভারতকে হারানোর আনন্দটাই আলাদা। সেটা সিনিয়র বা জুনিয়র—যে কোনো পর্যায়েই হোক। এবার যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে ভারতকে ৫৯ রানের ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারত বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায়। ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের তোপের মুখে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা তেমন ভালো কিছু করতে পারেননি। ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।
জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের মুখে ভারতীয় দল কিছুতেই রান তুলতে পারছিল না। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত ৩৫.২ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারতীয় যুব ক্রিকেট দল এবং সেজন্য বাংলাদেশ যুব দল টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায়।
এক বছর আগে, ২০২৩ সালে এই একই দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে স্বাগতিক আরব আমিরাতকে হারিয়ে যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।
যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে এশিয়ার সেরা দল কে হবে—বাংলাদেশ না ভারত? দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লড়াই শুরু হওয়ার আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। ১৯৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করে ফেলার ব্যাপারে যারা নিশ্চিত ছিল, বাংলাদেশের বোলিং শুরু হওয়ার পর তাদের ধারণা পাল্টে যায়। শুরু থেকেই ভারতীয়দের চেপে ধরে বাংলাদেশি বোলাররা।
শুরুতেই ইকবাল হোসেন ইমন এবং আল ফাহাদ মিলে ভারতীয় যুবাদের চাপে ফেলেছিলেন। এর ফলস্বরূপ ৯২ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত। এরপর অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান এবং হার্দিক রাজ কিছুটা প্রতিরোধ তৈরি করেছিল।স্পোর্টস ডেস্ক:
২৩ রানের জুটি গড়েন তারা। কিন্তু পরে বাংলাদেশ অধিনায়ক আজিজুল হাকিম আসেন এবং শেষ তিন উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন।
ভারতের সামনে ছিল ১৯৯ রানের সহজ লক্ষ্য। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটা মোটেও বড় রান নয়। কিন্তু এই রান তাড়ায় ব্যাট করতে নেমে ভারত প্রথমেই ৪ রানে আয়ুশ মাত্রিকে হারায়। এরপর বিভাব সূর্যবংশি মাত্র ৯ রানে আউট হয়ে যান। দলের রান তখন ২৪।
তারপর আন্দ্রে সিদ্ধার্থ ২০ রান করেন। ২১ রান করে আউট হন কেপি কার্তিকিয়া। নিখিল কুমার শূন্য রানে আউট হন। ৬ রানে হারভানস পাঙ্গালিয়া আউট হন। কিরণ চরমালে ১ রানে আউট হন।
৩১.৫ ওভারে দলীয় ১১৫ রানের মাথায় ৮ম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান। ৬৫ বলে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন তিনি। হার্দিক রাজ ২১ বলে ২৪ রান করে আজিজুল হাকিমের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হন। সর্বশেষ চেতন শর্মা ১২ বলে ১০ রান করে আজিজুল হাকিমের বলে কালাম সিদ্দিকীর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এভাবেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মেতে ওঠে বাংলাদেশ দল।
আজিজুল হাকিম এবং ইকবাল হোসেন ইমন নেন ৩টি করে উইকেট। ২ উইকেট নেন আল ফাহাদ। ১টি করে উইকেট নেন মারুফ মৃধা এবং রিজান হাসান।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা বড় কোনো স্কোর গড়তে পারেননি। ৪৯.১ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ ১৯৮ রান করে। রিজান হাসান সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন। ৪০ রান করেন মোহাম্মদ শিহাব জেমস। ৩৯ রান করেন ফরিদ হাসান এবং ২০ রান করেন জাওয়াদ আবরার।
মন্তব্য করুন


এশিয়া কাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে আইসিসির টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান ও সাইফ হাসান র্যাঙ্কিংয়ে বিশাল লাফ দিয়েছেন। বোলিংয়ে এগিয়েছেন মুস্তাফিজ, আর ব্যাটিংয়ে সাইফ।
সাময়িক ফর্মহীনতায় কিছুটা পিছিয়ে পড়ার পর মুস্তাফিজুর রহমান আবারও স্বরূপে ফিরেছেন। এশিয়া কাপের গত দুই ম্যাচে তিনি মাত্র ৮ রান গড়ে ৬ উইকেট শিকার করেছেন, যা তাকে র্যাঙ্কিংয়ে ছয় ধাপ এগিয়ে এনেছে। বর্তমানে তিনি বোলারদের তালিকায় ৯ নম্বরে অবস্থান করছেন। বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানি লেগস্পিনার আবরার আহমেদও দারুণ ফর্মে রয়েছেন। গত সপ্তাহে ১১ ধাপ এগিয়ে আসার পর এবার আরও ১২ ধাপ এগিয়ে তিনি এখন চতুর্থ স্থানে।
তবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের তারকা স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী। বাংলাদেশের অন্যান্য বোলারদের মধ্যে শেখ মেহেদী হাসান তিন ধাপ এগিয়ে ১৭ নম্বরে, তানজিম হাসান সাকিব দুই ধাপ এগিয়ে ৪০তম স্থানে এবং শরীফুল ইসলাম ছয় ধাপ পিছিয়ে ৬৪তম স্থানে আছেন। অন্যদিকে, তাসকিন আহমেদ এক ধাপ পিছিয়ে ৩১ নম্বরে আছেন।
ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে বিশাল লাফ দিয়েছেন সাইফ হাসান। এশিয়া কাপের সুপার ফোরে ব্যাট হাতে ৬১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে তিনি ১৩৩ ধাপ এগিয়েছেন। বর্তমানে তিনি ব্যাটসম্যানদের তালিকায় ৮১তম স্থানে অবস্থান করছেন। ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে রয়েছেন ভারতের অভিষেক শর্মা। ওমানের বিপক্ষে ৩৮ এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭৪ রানের ম্যাচজয়ী পারফরম্যান্সে তার অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। তার সতীর্থ তিলক ভার্মা ১৯ বলে ৩০ রান করে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান ৩১ ধাপ এগিয়ে ২৪তম স্থানে উঠে এসেছেন।
অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের হার্দিক পান্ডিয়া শীর্ষে থাকলেও পাকিস্তানের ফাহিম আশরাফ দারুণ পারফর্ম করে ১২ ধাপ এগিয়ে ৩৯তম স্থানে আছেন। শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা দুই ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে এক ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
বিয়ের সাড়ে পাঁচ বছর পর সুখবর দিয়েছেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। বুধবার মুস্তাফিজ ও তার স্ত্রী সামিয়া পারভীন শিমুর ঘর আলোকিত করেছে পুত্র সন্তান।
ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেজে একটি পোস্ট দিয়ে সুখবরটি জানিয়ে মোস্তাফিজ জানান, বর্তমানে মা এবং নবজাতক দুজনই সুস্থ আছেন। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এর আগে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ থেকে পারিবারিক কারণে ছুটি নিয়েছিলেন মোস্তাফিজ। স্ত্রীর সন্তানসম্ভবা অবস্থায় পাশে থাকার জন্যই তিনি এই ছুটি নিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে নিজ জেলা সাতক্ষীরার মেয়ে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সামিয়া পারভীন শিমুর সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন মোস্তাফিজ। বিয়ের পর থেকে তারা সুখী দাম্পত্য জীবন উপভোগ করছেন।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে হট টপিক সাত নম্বর পজিশন। আসন্ন বিশ্বকাপ দলে কে খেলবেন এই পজিশন? এই নিয়েই যেন যতসব যত জল্পনা-কল্পনা। এই পজিশন নিয়ে এবার কথা সাকিব আল হাসানও।
সাম্প্রতিক সময়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে এই জায়গার দাবিদার বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। তাই এই সমস্যা সমাধনে মধুর সমস্যায় পড়তে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। তাই সাকিবও বলছেন এমন পরিস্থিতিতে একজন ক্রিকেটারকে বেছে নেওয়া খুব একটা সহজ কাজ হবে না।
সোমবার ইংল্যান্ডে একটি অনুষ্ঠানে এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার বলেন, 'একটা জায়গার জন্য ৬-৭ জনের অপশন। সিদ্ধান্তটা খুবই সহজ না। আমি নিশ্চিত বিশ্বকাপের জন্য কন্ডিশন, প্রতিপক্ষ মাথায় রেখে নির্বাচক, অধিনায়ক, কোচ সঠিক সিদ্ধান্তই নেবে।'
'আমি আসলে নির্বাচক না, ডিসিশন মেকিংয়ের অংশও না। আমার জন্য বলা মুশকিল। কিন্তু দল নিয়ে আমি খুশি এবং আমি নিশ্চিত যারাই এই দলে থাকবে তারা তাদের জায়গা থেকে ১৭ কোটি মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করবে এবং বাংলাদেশের জন্য সেরাটাই দেয়ার চেষ্টা করবে।'-আরও যোগ করেন সাকিব।
মন্তব্য করুন


লিভারপুল তারকা মোহাম্মদ সালাহর সঙ্গে ক্লাবের চুক্তি নবায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন চলছে। আশা করা হয়েছিল, চলতি জানুয়ারিতেই নতুন চুক্তির খবর আসবে।
কিন্তু মাস শেষ হতে চললেও এখনো তেমন কোনো ঘোষণা আসেনি। ফলে সালাহকে হারানোর আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন লিভারপুল সমর্থকেরা। কারণ, চুক্তির শেষ ছয় মাসে প্রবেশ করা এই তারকা হয়তো মৌসুম শেষে অন্য কোনো ক্লাবে যোগ দেবেন।
এর আগেই সালাহ নিজে জানিয়েছিলেন, এটি লিভারপুলে তার শেষ মৌসুম হতে পারে। এবার লিভারপুল ছাড়ার আগে নিজের একান্ত ইচ্ছাটিও প্রকাশ করেছেন তিনি। সালাহর ভাষায়, "ক্লাব ছাড়ার আগে আরেকবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিততে চাই।"
২০১৭ সালে ইতালিয়ান ক্লাব এএস রোমা থেকে লিভারপুলে যোগ দেন সালাহ। ইয়ুর্গেন ক্লপের অধীনে নিজেকে বিশ্বসেরা ফুটবলারদের কাতারে নিয়ে যান তিনি। ক্লপের কোচিংয়ে লিভারপুলকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে বড় ভূমিকা রাখেন।
লিভারপুলের জার্সিতে সালাহ তার প্রতিভা দিয়ে প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সর্বকালের সেরাদের কাতারে নিজের স্থান নিশ্চিত করেছেন।
এমনকি ক্লপ বিদায় নেওয়ার পরও আর্নে স্লটের অধীনে লিভারপুলে নিজের জাদু দেখাচ্ছেন সালাহ। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৩২ ম্যাচে ২৩ গোল করার পাশাপাশি ১৭টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি।
ক্লাবের হয়ে এমন পারফরম্যান্সের পরও চুক্তি নবায়নের অনিশ্চয়তা সালাহর ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে।
মন্তব্য করুন