

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার ম্যাচে সমর্থকদের দুয়োধ্বনি শুনলেন লিওনেল মেসি। অবশ্য এমন অভিজ্ঞতা এবারই প্রথম নয় আর্জেন্টাইন মহাতারকার জন্য। এমন তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন এখন প্রতিনিয়তই হচ্ছেন। ম্যাচশেষে পিএসজি কোচ এক প্রতিক্রিয়ায় জানালেন, এসবে (দুয়ো) অভ্যস্ত হয়ে গেছেন মেসি।
শনিবার (১৩ মে) রাতে পার্ক দ্য প্রিন্সেসের মাঠে অ্যাজাক্সের বিপক্ষে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে জিতেছে পিএসজি। জোড়া গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে। একবার করে বল জালে জড়িয়েছেন ফাবিয়ান রুইজ ও আশরাফ হাকিমি। অন্য গোলটি আত্মঘাতী। তবে নির্বাসন কাটিয়ে ফেরা মেসি গোল-অ্যাসিস্ট কিছুই পাননি।
শত্রুভাবাপন্ন ঘরের মাঠে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। যেখানে দুয়ো শোনা এখন এই বিশ্বজয়ী ফরোয়ার্ডের জন্য একরকম স্বাভাবিক হয়ে গেছে। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সুর নরম করা প্যারিসিয়ানদের জার্সি গায়ে চাপিয়েছেন তিনি। পার্ক দ্য প্রিন্সেসের মাঠে যতবারই মেসির পায়ে বল গেছে, ততবারই তিনি ‘আল্ট্রাস’ সমর্থকদের দুয়ো শুনেছেন।
তবে ম্যাচশেষে গণমাধ্যমকে গালটিয়ের বলেন, মেসিকে দুয়ো দেওয়া হচ্ছিল। তবে দ্রুতই স্টেডিয়ামের বড় অংশের দর্শকরা লিওর সমর্থনে সরব হয়। এতে দুয়োধ্বনি চাপা পড়ে যায়।'
পিএসজি কোচ আরও যোগ করেন, 'আমার মনে হয়, সে এ ধরনের পরিস্থিতিতে অভ্যস্ত। সে তার ফুটবল ক্যারিয়ারে এমন পরিস্থিতিতে অনেক পড়েছে। তবে আমি আবার বলতে চাই, মেসিকে দেওয়া প্রতিটি দুয়োই সমর্থকদের অনুপ্রেরণাদায়ী চিৎকারে ঢেকে গেছে।'
এদিকে, সমর্থকদের তোপের মুখে পড়লেও সতীর্থদের সমর্থন পেয়েছেন মেসি। খেলা চলাকালে সুয়ারেজের সঙ্গে নেইমারের কথোপকথনের স্ক্রিনশট পরে নিজেদের কথোপকথনের স্ক্রিনশট ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেছেন ব্রাজিল তারকা। যেখানে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘একসঙ্গে আমাদের বন্ধু লিওনেল মেসিকে দেখছি।’
পরে নেইমারের সেই পোস্টে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সুয়ারেজও। স্প্যানিশ ভাষায় সুয়ারেজ লিখেছেন, ‘আমি সব সময় গ্রেটদের সম্মান করি।’ তার এই মন্তব্যের ইঙ্গিতটা স্পষ্ট—মেসি ফুটবল–বিশ্বে কতটা শ্রদ্ধার পাত্র, সেটাই পিএসজির সমর্থকদের মনে করিয়ে দিতে চাইলেন বার্সেলোনার সাবেক তারকা।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
আগামী ৬ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া আফগানিস্তান সিরিজে খেলবেন সাকিব আল হাসান। আজ বুধবার শেরে বাংলায় বোর্ডের মিটিংয়ের আগে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির সভাপতি ফারুক আহমেদ।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরুর সময় ঘনিয়ে এলেও এখনও দল ঘোষণা করা হয়নি। সাকিব এই সিরিজে খেলবেন কিনা, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বিসিবির পক্ষ থেকে। সেজন্য সাকিবের সম্পর্কে জানতে চাইলে বোর্ড সভাপতি বলেন, “সাকিব আল হাসানের ব্যাপারে বলতে চাই, যেহেতু আফগানিস্তানের বিপক্ষে দলের নাম এখনও দেওয়া হয়নি, তাই তার (সাকিব) বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে।”
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মিরপুরে টেস্ট খেলতে সাকিবকে বোর্ড নিষেধ করেছে, এই বিষয়ে স্পষ্টতা দিতে ফারুক বলেন, “সাকিবকে দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ টেস্ট খেলতে দেশে ফিরতে বাধা দেওয়ার ব্যাপারে বোর্ডের কোনো দায় নেই। আমরা ওই পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে জড়িত নই। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, সরকার এবং সাকিব (জড়িত) ছিল। আমরা শুধু সহায়ক ভূমিকা পালন করেছি। ব্যক্তিগতভাবে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি যাতে সাকিব ঘরের মাঠে খেলতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, “সাকিব শুধু একজন খেলোয়াড় নন, তিনি আগের সরকারের (পতিত শেখ হাসিনা সরকার) সময়ে একজন এমপি ছিলেন। সেক্ষেত্রেও কিছু বিষয় আছে। সব মিলিয়ে সরকারের চিন্তাভাবনা আর ক্রিকেট বোর্ডের ভাবনা এক ছিল না। আমি একজন প্রাক্তন খেলোয়াড় হিসেবে দেখেছি, একজন ছেলে ১৭ বছর ক্রিকেট খেলেছে। সে একজন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর, বাংলাদেশ জন্য অনেক কিছু করেছে। আমি বিশ্বাস করি, যদি সে খেলতে পারতো, তাহলে এটি ভালো হতো।”
ফারুক আহমেদ যোগ করেন, “আমাদের অন্যান্য বিষয়গুলো দেখতে হবে। সেগুলো বিবেচনা করে সে শেষ মুহূর্তে আসতে পারেনি। তবে বোর্ডের করার কিছু ছিল না। এটি সম্পূর্ণ আইনি বিষয় এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বিষয়। এটি ছিল সাকিব এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উপর নির্ভরশীল। বোর্ডের এ ব্যাপারে কিছু করার ছিল না।”
তিনি আরও বলেন, “বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী যদি সাকিব আসতেন, তাহলে আমরা যথাযথ নিরাপত্তা দিতে পারতাম। যেহেতু তিনি আসেননি, তাই এ নিয়ে কথা বলার কোনো মানে নেই।”
সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হোমভেন্যু হিসেবে নিয়ে এই সিরিজ আয়োজন করবে আফগানিস্তান। ৬ নভেম্বর সিরিজের প্রথম ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৯ ও ১১ নভেম্বর সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


অনেকদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সফল ওপেনার তামিম ইকবাল নামতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনী মাঠে। অবশেষে সেই গুঞ্জন সত্যি হলো। অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় বিসিবি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।
তবে সরাসরি সভাপতি পদে লড়ার সুযোগ নেই তার সামনে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, আগে পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হতে হবে, তারপরই সভাপতি হওয়ার পথ খোলা। তামিমও সেই প্রক্রিয়াতেই অংশ নিচ্ছেন।
এক শীর্ষ গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তামিম বলেন,‘যদি প্রশ্ন করেন আমি নির্বাচনে আসছি কি না—খুব ভালো সম্ভাবনা আছে। আমি নির্বাচন করছি। আমি ক্রিকেটে বিনিয়োগ করেছি, দুটি ক্লাবের সঙ্গে জড়িত আছি। ফলে কাউন্সিলর তো আমি হবোই।’
তার এই ঘোষণার পর বোর্ডের ভেতরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হলেও ভবিষ্যতে সভাপতির আসনেই চোখ রাখছেন তিনি। গত এক বছরে বিসিবির নেতৃত্বে একাধিক পরিবর্তন এসেছে। রাজনৈতিক পালাবদলের পর দীর্ঘদিনের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন দেশ ছাড়েন। এরপর নতুন সরকার এসে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) কোটায় আরেক সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদকে সভাপতি বানায়। কিন্তু অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে মাত্র ৯ মাসের মাথায় পদ ছাড়তে হয় তাকে।
বর্তমানে বোর্ডের হাল ধরেছেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। অনেকের চোখে তিনি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের প্রতীক হলেও, তামিমের মতো জনপ্রিয় এক সাবেক অধিনায়কের মাঠে নামা বিসিবির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে নতুন মাত্রা যোগ করল।
বাংলাদেশ ক্রিকেটকে দীর্ঘদিন সেবা দেয়া তামিম ইকবাল মাঠের ভেতরে যেমন ছিলেন নির্ভরতার নাম, মাঠের বাইরেও তার অভিজ্ঞতা, জনপ্রিয়তা ও ক্রিকেট-জ্ঞান এবার তাকে তুলে ধরছে বোর্ড পরিচালনার জন্য একটি যোগ্য প্রার্থী হিসেবে।
মন্তব্য করুন


ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) পারফর্ম করা তরুণ ক্রিকেটারদের চান রবি শাস্ত্রী। এদের গড়ে তুলতে রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিদের সাময়িক সময়ের জন্য দলের বাইরে চান ভারতের সাবেক এই কোচ। অবশ্য ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যদি রোহিত-কোহলিরা ফর্মে না থাকেন বা ধারাবাহিক না হন- সেক্ষেত্রে ওই সময়ে এগিয়ে থাকা ক্রিকেটারকেই দলে চান তিনি।
এবারের আইপিএলে দারুণ পারফর্ম করছেন ইয়াশভি জয়সাওয়াল, জিতেশ শর্মা, তিলক ভার্মা, নেহাল ওয়াধেরা, রিঙ্কু সিং, প্রভসিমরান সিং, আনমলপ্রীত সিংদের মতো ক্রিকেটাররা। জয়সাওয়াল, রিঙ্কু, জিতেশরা যেমন আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিয়মিত রান করে দল জেতাচ্ছেন, বাকিরাও প্রয়োজন অনুযায়ী দারুণ খেলছেন।
বিশেষ করে ১২০-৩০ বা ১৭০-৮০, এমনকি দুইশর বেশি স্ট্রাইক রেটেও রান করছেন অনেকেই। এসব প্রতিভাবানদের হারাতে চান না শাস্ত্রী। দ্রুতই তাদের ভারতীয় দলে চান সাবেক এই ক্রিকেটার।
শাস্ত্রী বলেন, 'এরপর প্রথম যে টি-টোয়েন্টি সিরিজই আসে, এই তরুণদের খেলানো উচিত। এদের সামনে আনা উচিত। তাদের এখনই প্রস্তুত করা উচিত। রোহিত, কোহলির মতো ক্রিকেটাররা আগেই প্রমাণিত। আপনি জানেন তারা কী করতে পারে।'
'আমি আইপিএলে পারফর্ম করাদেরই দলে চাইব যেন তারা সুযোগ পায়। এতে তারাও যেমন সুযোগ পাবে, রোহিত-কোহলিরাও ওয়ানডে আর টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নিজেদের সতেজ রাখতে পারবে।'
ক্রিকইনফোর সেই অনুষ্ঠানে শাস্ত্রীর এমন আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়া হয়, 'তাহলে রোহিত, কোহলি বা লোকেশ রাহুলরা কি জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে খেলবেন না?'
জবাবে শাস্ত্রী বলেন, 'এক বছর অনেক লম্বা সময়। কেউ ফর্মে থাকতে পারে। ফর্ম হারাতেও পারে। আপনার ওই সময়ের সেরা ক্রিকেটারকে খুঁজে বের করতে হবে। অবশ্যই অভিজ্ঞতা বা ফিটনেস- এসবও বিবেচনায় আসবে। কে সেই মুহূর্তে ধারাবাহিক, রান করছে কিনা, কোথায় রান করছে- এসবও দেখতে হবে।'
'দলে সঠিক পজিশনের জন্য সঠিক ক্রিকেটারকে দরকার। কেউ যদি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তিন-চারে ব্যাটিং করে তাহলে জাতীয় দলে তাকে দিয়ে আপনি ওপেন করাবেন বা ছয়ে নামাবেন- ব্যাপারটা কিন্তু তেমন নয়।'
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ফ্রেঞ্চ সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্পে পিএসজি ছাড়ছেন এই খবর বেশ আগেই চাউর হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে তার নতুন গন্তব্য হতে যাচ্ছে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ শিরোপাধারী দলে এমবাপ্পে কত নম্বর জার্সি পড়বেন সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে ফরাসি গণমাধ্যম লা পেরিসিয়ানের দাবি, রিয়ালে ১০ নম্বর জার্সি পড়বেন এমবাপ্পে।
রিয়ালের সাবেক খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পাড় ভক্ত এমবাপ্পে। তাকে অনুসরণ করেই পিএসজিতে ৭ নম্বর জার্সি পড়েন তিনি। ২০১৮ সালে রিয়াল ছাড়েন রোনালদো।
কিন্তু রিয়ালে রোনালদোর রেখে যাওয়া সাত নম্বর জার্সিটা এমবাপ্পের জন্য পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কারণ, সেখানে সাত নম্বর জার্সিটি পরছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। আর সেই জার্সির মান ভালোভাবেই রেখে চলছেন রিয়ালের অন্যতম সেরা এই তারকা।
রিয়ালের হয়ে দশ নম্বর জার্সিতেও খেলে গেছেন বিখ্যাত সব তারকা। হাঙ্গেরির কিংবদন্তি ফুটবলার ফেরেঙ্ক পুসকাস রিয়ালের হয়ে এই নম্বরের জার্সিই গায়ে চাপিয়েছেন। আর এখন রিয়ালে দশ নম্বর জার্সি পরেন ক্রোয়াট তারকা লুকা মদরিচ।
৭ নম্বর জার্সি না পাওয়া নিয়ে এমবাপ্পের অবশ্য কোনো অভিযোগ থাকার কথা নয়। জিদানের এই উত্তরসূরি যে ফ্রান্স দলে ১০ নম্বর জার্সিটাই পরেন!
মন্তব্য করুন


বিপিএল শুরু হতে ২৪ ঘণ্টা বাকি থাকলেও টিকিট না পেয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান গেইটে বিক্ষোভ করেন দর্শকরা। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে টিকিটের মূল্য তালিকা প্রকাশ করেছে বিসিবি। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে টিকিট কেনার পদ্ধতি ও স্থান।
রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বেলা ১২টায় এক বিবৃতিতে বিসিবি জানিয়েছে, বিপিএলের টিকিট সরাসরি ও অনলাইন দুই মাধ্যমেই কেনা যাবে। সরাসরি টিকিট বিক্রি শুরু হবে আজ বিকেল ৪টা থেকে এবং সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে। উদ্বোধনী দিনের জন্য আগামীকাল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সরাসরি টিকিট কেনা যাবে।
টিকিট বিক্রির জন্য মধুমতি ব্যাংকের সাতটি শাখা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অনলাইনে টিকিট কেনার জন্য www.gobcbticket.com.bd এই ঠিকানা সরবরাহ করা হয়েছে।
এবারের বিপিএলের টিকিটের সর্বনিম্ন মূল্য ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা। ইস্টার্ন গ্যালারির টিকিটের দাম ২০০ টাকা, নর্দার্ন ও সাউদার্ন গ্যালারির টিকিট ৩০০ টাকা। শহীদ মুশতাক ও শহীদ জুয়েল স্ট্যান্ডের টিকিট পাওয়া যাবে ৫০০ টাকায়।
ইন্টারন্যাশনাল গ্যালারির মিডিয়া ব্লক ও করপোরেট ব্লকের টিকিটের মূল্য ১০০০ টাকা। সাউথ করপোরেট ব্লকের টিকিটের দাম ৮০০ টাকা। গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডের আপার ও লোয়ার টিকিটের মূল্য রাখা হয়েছে ২০০০ টাকা।
এছাড়া বিশেষভাবে তৈরি জিরো ওয়েস্ট জোনে (শহীদ মুশতাক স্ট্যান্ডের পাশে) ৩০০ আসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই জোনের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০০ টাকা।
মন্তব্য করুন


চলতি বছরের অক্টোবরে ভারতের মাটিতে বসছে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আসর। আইসিসির এই মেগা টুর্নামেন্টের জন্য দল গোছাতে শুরু করেছে প্রতিযোগি দেশগুলো। বাংলাদেশও সদ্য সমাপ্ত আয়ারল্যান্ড ও আসন্ন আফগানিস্তানের বিপক্ষের সিরিজ দিয়ে চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সাফল্য পেতে দলের কম্বিনেশন তৈরির জন্যই এত প্রচেষ্টা। সেই প্রসঙ্গে কথা বলেছেন ইনজুরির কারণে ৬ সপ্তাহের জন্য ছিটকে যাওয়া বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
তার মতে, ভারতের আবহাওয়া বাংলাদেশ দলের কাছে পরিচিত হওয়ায় অন্যান্য দেশগুলোর চেয়ে তারা কিছুটা এগিয়ে থাকবে। বিশ্বকাপে গেলে কিংবা সেখানকার কন্ডিশন ও প্রতিপক্ষ বিবেচনায় টাইগারদের দলীয় কম্বিনেশন হতে পারে বলে মনে করছেন সাকিব, ‘আমরা যখন রেজাল্টের পর কথা বলি তখন বোঝা যায় সেটি কতটা ঠিক-ভুল। সিদ্ধান্তটা আগে হয়, রেজাল্টটা হয় পরে। আমি নিশ্চিত কোচ, অধিনায়ক, নির্বাচক ও সিদ্ধান্ত প্রণেতা যারা আছেন, তারা সবাই ভালো চিন্তা করবে। যখন আমরা বিশ্বকাপ যাব, তখনই আমাদের আসল কম্বিনেশনটা তৈরি হবে। এটি প্রতিপক্ষ ও কন্ডিশনের ওপর নির্ভর করে।’
মন্তব্য করুন


রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র মাঠে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই এই ব্রাজিলিয়ান সেনসেশনের ফুটবল ক্যারিয়ার এগিয়ে চলেছে সাফল্যের পথে। তবে ফুটবল মাঠের পাশাপাশি এবার ভিনিসিয়ুসের নজর ব্যবসায়িক দিকেও। পর্তুগালের একটি দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল ক্লাব কেনার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
ইএসপিএন জানিয়েছে, ব্যবসা ও বিনিয়োগের চিন্তাভাবনায় বৈচিত্র্য আনার জন্য এবং অবসরের পরের জীবনকে মাথায় রেখে ক্লাব কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভিনিসিয়ুস। পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগ লিগে থাকা ১৮টি ক্লাবের মধ্যে একটি কিনতে আগ্রহী তিনি।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবো জানিয়েছে, ক্লাব কেনার জন্য ভিনিসিয়ুসের পাশে রয়েছে একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান। স্পেনের রেডিও স্টেশন কাদেনা কোপে-এর সাংবাদিক রবার্তো আন্তোলিন প্রথম এই খবর প্রকাশ করেন যে, ভিনিসিয়ুস ইতোমধ্যে ক্লাব কেনার বিষয়ে আলোচনায় নেমেছেন।
যদিও এখন পর্যন্ত কোনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। ঠিক কোন ক্লাবটি কিনতে আগ্রহী ভিনিসিয়ুস, সেটিও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসাবাণিজ্য বিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস তাদের এক রিপোর্টে জানিয়েছে, ভিনিসিয়ুস আলভেরকা ক্লাব কেনার বিষয়ে আলোচনা করছেন।
লিসবনের কাছাকাছি অবস্থিত এই ক্লাবটি বর্তমানে পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগে অষ্টম স্থানে রয়েছে। ফোর্বসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভিনিসিয়ুস ১২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বা আনুমানিক ১ কোটি ইউরো দিয়ে ক্লাবটি কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন।
২০২৪ সালে ভিনিসিয়ুসের আয় হবে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর মধ্যে ৪ কোটি ডলার আসবে তার বেতন থেকে এবং বাকি ১.৫ কোটি ডলার আসবে স্পনসরশিপ থেকে।
ভিনিসিয়ুসের স্পনসরদের মধ্যে গ্যাটোরেড, পেপসি, ইউনিলিভার এবং নাইকির মতো বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া, ব্রাজিলে ভিনিসিয়ুসের একটি সামাজিক সেবা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে, যা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বিনিয়োগ করে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফুটবল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তগুলো ভিনিসিয়ুসের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করবে।
মন্তব্য করুন


ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন তামিম ইকবাল। হেলিকপ্টার করে তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার অবস্থা সংকটাপন্ন থাকায় তা সম্ভব হয়নি। তবে, ডাক্তাররা এখন জানিয়েছেন যে তার অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে।
বিসিবি পরিচালক ও মোহামেডানের শীর্ষ কর্মকর্তা মাহবুব আনাম এবং মোহামেডানের ক্রিকেট ম্যানেজার সাজ্জাদ হোসেন শিপন জাগোনিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, তামিমের অবস্থা কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন।
সাজ্জাদ হোসেন শিপন আরও জানান, তামিমের হার্টে একটি ব্লক শতভাগ ছিল, যেখানে রিং পরানো হয়েছে। ডাক্তাররা বলেছেন, যদি এই রিং কাজ করে, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বর্তমানে যন্ত্রের সাহায্যে তার শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রয়েছে, তবে এখনও তার জ্ঞান ফেরেনি। তাকে এখনই শিফট করার মতো অবস্থায় নেই। পরিস্থিতি উন্নতি হলে তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। আপাতত তাকে শিফট করার কোনো চিন্তা নেই।
মোহামেডান কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম টিটু জাগোনিউজকে বলেন, ‘তামিমের হার্টে রিং পরানো হয়েছে, তবে তার অবস্থা এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। তার জ্ঞান এখনও ফেরেনি। অবস্থার উন্নতি হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে।’
সাভারের বিকেএসপি ৩ নম্বর মাঠে প্রিমিয়ার লিগে মোহামেডান ও শাইনপুকুরের মধ্যকার ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তামিম ইকবাল। টস করে এসে দলীয় ম্যানেজার ও সাবেক ক্রিকেটার সাজ্জাদ আহমেদ শিপনকে তামিম বলেন, ‘আমার খুব খারাপ লাগছে, বুকে ব্যথা করছে।’
শিপনসহ সতীর্থ ক্রিকেটার এবং কর্মকর্তারা তার অবস্থা দেখে ধারণা করেন যে হয়তো হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। কোনো বিলম্ব না করে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয় এবং তাকে স্থানীয় কেপিজে (সাবেক ফজিলাতুন্নেছা) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে তার এনজিওগ্রাম করা হয় এবং হার্টে ব্লক রয়েছে বলে নিশ্চিত হন ডাক্তাররা।
একই সঙ্গে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার জন্য হেলিকপ্টারও ডেকে আনা হয়। কিন্তু তার পরিস্থিতি স্থিতিশীল না থাকায় হেলিকপ্টারে তোলা সম্ভব হয়নি।
অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তামিমকে কেপিজে হাসপাতালের সিসিইউতে নেওয়া হয় এবং লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। হাসপাতালে বিসিবি কর্মকর্তা, সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটার এবং তামিমের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
কোপা আমেরিকা শেষে জাতীয় দলকে বিদায় জানাবেন আনহেল ডি মারিয়া- ঘোষণাটা আগেই দিয়ে রেখেছিলেন তিনি। আগামীকালের ফাইনালটাই হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনার জার্সিতে ডি মারিয়ার শেষ ম্যাচ। কলম্বিয়ার বিপক্ষে এ ম্যাচেই আন্তর্জাতিক ফুটবলে শেষবারের মতো মাঠে নামবেন আর্জেন্টিনার উইঙ্গার।
যাদের হাত ধরে আর্জেন্টিনা ২৯ বছরের শিরোপা খরা কাটিয়েছে, ডি মারিয়া তাদের একজন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১৬ বছরের ক্যারিয়ারে জিতেছেন অলিম্পিক, কোপা আমেরিকা, লা ফিনালিসিমা ও অধরা বিশ্বকাপ। এখন আরেকটা ফাইনালের সামনে দাঁড়িয়ে গুনছেন বিদায়ের দিনক্ষণ।
তাইতো বিদায়ের আগে ইনস্টাগ্রামে মেসির সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেছেন ডি মারিয়া।
জানিয়েছেন তার চাওয়া আর পাওয়ার হিসাব। চাওয়া-পাওয়ার হিসাব মেলাতে গিয়ে ডি মারিয়া লিখেছেন, ‘জীবনে আমি যা চাইতাম, এই জীবন আমাকে তার চেয়ে অনেক বেশি দিয়েছে।’
প্রিয় বন্ধুর শেষ ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে মরিয়া মেসিও। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেছেন, ‘ডি মারিয়া আগেই নিজের সিদ্ধান্তের কথা স্পষ্ট করে দিয়েছিল। ওর সঙ্গ আমি দারুণভাবে উপভোগ করেছি। জয়ের আনন্দ নিয়ে সে যাতে মাঠ ছাড়তে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা ফাইনাল খেলতে নামব।’
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ধাপে ধাপে আগামী ১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য শুভেচ্ছাদূত ঘোষণা করছে আইসিসি। এর আগে শুভেচ্ছাদূত ঘোষণা করা হয়েছিল সেরা দৌড়বিদ উসাইন বোল্ট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক কিংবদন্তি ক্রিকেটার ক্রিস গেইল ও ভারতের বিশ্বকাপজয়ী তারকা যুবরাজ সিংকে।
এবার তিন কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদদের তালিকায় যুক্ত হলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বকাপে ব্যাট-বল হাতে দারুণ কিছু প্রদর্শনী দেখানোয় তাকে এই সম্মান জানিয়েছে আইসিসি।
২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরে টুর্নামেন্টসেরা হয়েছিলেন আফ্রিদি। সে আসরের ফাইনালে ভারতের কাছে মাত্র ৫ রানে হেরে গিয়েছিল তার দল পাকিস্তান।
তবে পরের আসরে (২০০৯ সালে) ঠিকই শিরোপা জিতে নিয়েছে পাকিস্তান। ওই আসরের সেমিফাইনাল ও ফাইনালে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন আফ্রিদি।
শুভেচ্ছাদূত নির্বাচিকত হওয়ার বিষয়ে আফ্রিদি বলেন, ‘আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এমন একটি ইভেন্ট যা আমার হৃদয়ের খুব কাছের। উদ্বোধনী সংস্করণে প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট হওয়া থেকে শুরু করে ২০০৯ সালে ট্রফি জয় পর্যন্ত এই মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আমার ক্যারিয়ারের কিছু পছন্দের বিষয় এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আরও শক্তিশালী হয়েছে। আমি এই সংস্করণের অংশ হতে পেরে রোমাঞ্চিত। যেখানে আগের চেয়ে আরও বেশি দল, আরও ম্যাচ এবং আরও বেশি আনন্দ দেখতে পাবো। আমি ৯ জুন ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের সাক্ষী হওয়ার জন্য বিশেষভাবে মুখিয়ে আছি। এটি খেলাধুলার অন্যতম সেরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং নিউইয়র্ক হবে দুটি দুর্দান্ত দলের মধ্যকার লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত মঞ্চ।’
মন্তব্য করুন