

যে সকল ব্যক্তি নিরক্ষর, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) ছবির নিচে টিপসই (আঙুলের ছাপ) প্রদর্শিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সিস্টেম ম্যানেজারকে নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।
ইসির এনআইডি মহাপরিচালক মো. মাহবুব আলম তালুকদার নির্দেশনাটি ইতোমধ্যে এনআইডি পরিচালককেও (অপারেশনস) পাঠিয়েছেন।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো উপজেলায় বদলি জনিত কারণে পদ ফাঁকা হলে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে কর্মকর্তা পদায়ন করতে হবে। প্রয়োজনে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতিকল্প কর্মকর্তা পদায়ন করতে হবে। অর্থাৎ পদ ফাঁকা রাখা যাবে না।
এছাড়া নতুন ভোটার নিবন্ধনে ডাকঘর এন্ট্রি সংক্রান্ত সমস্যা নিরসন করা, নতুন ভোটার শনাক্তকারীর এনআইডি ডাটাবেজে রাখা ও তদন্ত দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।
অন্যদিকে নিরক্ষর ভোটারের এনআইডিতে ছবির নিচে আঙুলের ছাপ, ভোটার স্থানান্তরের জন্য আবেদনকারীর সশরীরে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, বিদেশে অবস্থিত মিশন হতে সংগৃহীত জন্ম সনদে মুদ্রণজনিত ত্রুটি নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জাানায়, নিরক্ষর ব্যক্তিদের এনআইডিতে স্বাক্ষর নিয়ে সমস্যা দীর্ঘ দিনের। অনেকে আবেদনে স্বাক্ষর না পারলেও কোনো একটা স্বাক্ষর করে দেন৷ কিন্তু পরবর্তীতে সেটা আর মেলে না৷ আবার যারা স্বাক্ষর করেন না, তাদের জন্যও কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই এখন থেকে এনআইডিতে ছবির নিচে নিরক্ষরদের আঙুলের ছাপ প্রদর্শিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশাকে উপক্ষো করেই জমি তৈরি করে বোরো ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করেছেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কৃষকরা। কৃষকদের আশা, আবহাওয়া ভালো থাকলে এবার তারা বোরো ধানের বাম্পার ফলন পাবেন। গেল বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে ধানের দাম বেশি থাকায় কচুয়া প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইরি-বোরো ধান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। ফলে উপজেলার গ্রামাঞ্চল কিংবা পৌরসভার আবাদী ও অনাবাদী জমিতে ব্যাপকহারে বোরো ধান চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।
এদিকে শ্যালো মেশিন কিংবা পাম্পের সাহায্যে জমিতে পানি দিয়ে ধান রোপণের জন্য জমি উপযোগী করে তুলছেন বেশিরভাগ কৃষক। অধিকাংশ জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করা ও বীজতলা থেকে ধানের চারা উত্তোলন করে জমিতে রোপণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন চাষিরা।
কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১২ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ২০০ হেক্টর জমি।
ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে দেখা যায় ইরি-বোরো রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে পালাখাল, সাচার, বিতারা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পুরোদমে বোরো ধান রোপণ শুরু হয়েছে। গেলো বোরো মৌসুমে ধানের দাম বেশি পাওয়ায় এবারও দাম ভালো পাওয়ার আশায় আছেন চাষিরা।
পালাখাল গ্রামের ধান চাষী ফজল হক ও ফজলু মিয়া সহ অনেকেই জানান, ধানের দাম বাজার বেশি থাকায় বোরো রোপণ করছি অধিকাংশ জমিতে। আরও অনেক জমিতে রোপণ করা বাকি আছে। বাজারের ধানের দাম বেশি। তাই বোরো ধান চাষ বেশি আবাদ করবেন বলে জানান তারা।
দোয়াটি গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম ও আবুল হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে আমরা অনেক জমিতে বোরো ধানের চারা রোপন করেছি, বাকী জমি গুলোতে পর্যায়ক্রমে রোপন করা হবে। আশা করছি এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং ধানের ফলন ভালো হলে দাম পাওয়া যাবে।
এব্যাপারে উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিন জানান, চলতি মৌসুমে ধানের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বোরো চাষে কৃষকরা বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। তবে এ বছর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রোপণ হতে পারে বলেও জানান তিনি। তাছাড়া বোরো আবাদে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


৪ মহানগর ও ৬ জেলার কমিটি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
সোমবার (০৪ নভেম্বর) এ তথ্য জানানো হয়েছে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিবৃতিতে ।
এতে জানানো হয়েছে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটি, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, সিলেট মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ছাড়া মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি, ময়ময়নসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ও শেরপুর জেলা বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পেয়েছে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আংশিক আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে আমিনুল হককে। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ।
আর বরিশাল মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে মনিরুজ্জামান খান ফারুককে। সিলেট মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হয়েছেন রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী।
মন্তব্য করুন


রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বান্দরবান প্রেসক্লাবের হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বান্দরবান মাইক্রোবাস, জিপ ও পিকআপ মালিক সমবায় সমিতির নেতারা পার্বত্য জেলা বান্দরবানে আরও সাশ্রয়ী ভ্রমণের লক্ষ্যে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ২ মাস ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার এই ঘোষণা দেন।
বান্দরবানে পর্যটকদের ভ্রমণে উৎসাহী করার পাশাপাশি সমবায় সমিতিটির সভাপতি মো. নাছিরুল আলম বলেন, বান্দরবানের প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকবাহী মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপগুলো নিয়মিত চলাচল করার পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি চালক একজন দক্ষ গাইড হিসেবে কাজ করেন। আমরা আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বরের পর্যন্ত ২ মাস ২০ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা করছি।
বান্দরবানে পর্যটকদের ভ্রমণে উৎসাহী করার পাশাপাশি সমবায় সমিতিটির সভাপতি মো. নাছিরুল আলম আরো জানান, তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বান্দরবান সবচেয়ে বেশি সম্প্রীতির জেলা হিসেবে পরিচিত। এই জেলার পাহাড়ি ও বাঙালি সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মধ্যে বসবাস করে। এই সম্প্রীতির সহাবস্থান দেখার পাশাপাশি বান্দরবানে নতুন নতুন পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠছে এবং সেখানে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রতিনিয়ত কাজ করছেন।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মাইক্রোবাস, জিপ ও পিকআপ মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক নেজাম উদ্দিন চৌধুরী, বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস ও জমঈয়তে শুব্বানে আহলে হাদীস।
তাদের যৌথ উদ্যোগে দহুলিয়া গ্রামে অবস্থিত জামিআ দারুত তাওহীদ একাডেমী মাদ্রাসা মাঠে সকালে এলাকার গরীব ও অসহায় শীতার্ত পরিবার এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।
উদ্যোক্তারা জানান, অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়। এ ধরনের উদ্যোগ এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর শীত নিবারণে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
এসময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস চাঁদপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি শায়েখ আকরামুজ্জামান,সেক্রেটারী হাজী মো. দুলাল মিয়া, সহ-সেক্রেটারী আব্দুল মালেক মিয়াজী সহ আরো অনেকে।
এসময় জামিআ দারুত তাওহীদ মাদ্রাসার সহ-সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মজুল হক, মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক রিয়াদ হোসেন, সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, ওমর ফারুক, ফরিদ হোসেন, সমাজেসবক শাহ জালাল মিয়া, হাজী আব্দুল জাব্বার, মতিন মিয়া সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেনের ট্রিপ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল। স্পেশাল ট্রেনটি দিনে ২ বারের পরিবর্তে ৪ বার যাতায়াতের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ প্রস্তাবনা গৃহীত হলে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়ার পাশাপাশি পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।
তারা বলছেন, বিদ্যমান জনবল এবং লজিস্টিকস ব্যবহার করেই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের কক্সবাজার স্পেশালকে নিয়মিত করা ও ট্রিপ সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব।
তাই রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেন্ডেন্টের প্রস্তাবটি রেলভবন গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে বিপুল যাত্রীচাহিদা পূরণ হবে। পাশাপাশি রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়বে।
গত ১১ ডিসেম্বর রেলওয়ে মহাপরিচালককে চিঠি দেন পূর্বাঞ্চলের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম। ওই চিঠিতে বলা হয়, যাত্রী চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে এক জোড়া স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। এই ট্রেন স্থায়ীভাবে পরিচালনার জন্য কক্সবাজার ও আশপাশের এলাকার সামাজিক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা অনুরোধ জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি আরও এক জোড়া ট্রেন যোগ করে এখন দুই জোড়া ট্রেন পরিচালনার প্রস্তাব করা হলো।
নতুন প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, প্রথম ট্রেন চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ছাড়বে সকাল সাড়ে ৬টায়। কক্সবাজারে পৌঁছাবে সকাল ১০টায়। ওই ট্রেন সকাল ১০টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার রেলস্টেশন ছেড়ে যাবে। চট্টগ্রাম পৌঁছাবে দুপুর সোয়া ২টায়। চট্টগ্রাম থেকে দুপুর পৌনে তিনটায় ট্রেনটি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ফের ছেড়ে যাবে। ওই ট্রেন কক্সবাজার স্টেশনে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে। কক্সবাজার থেকে সন্ধ্যা ৭টায় আবার ছাড়বে। সেটি চট্টগ্রাম স্টেশনে এসে পৌঁছাবে রাত সাড়ে ১০টায়।
জানা যায়, ১০২ কিলোমিটার দীর্ঘ দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন ২০২৩ সালের নভেম্বরে উদ্বোধনের পর প্রথম এই রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয় ২০২৩ এর ১ ডিসেম্বর। বিপুল যাত্রীচাহিদা থাকলেও এই রুটে চলাচল করছে মাত্র দুটি নিয়মিত ট্রেন। তাও চলছে কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে। ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেস বিরতিহীন হওয়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোকজন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের সুফল পাচ্ছেন না। এ নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে স্থানীয়দের। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন চালুর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
এর বড় কারণ হচ্ছে, বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বিদ্যমান ব্যবস্থায় কক্সবাজার এক্সপ্রেস ও পর্যটক এক্সপ্রেসে চড়ে প্রতিদিন চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার সুযোগ পান মাত্র ১১৫ জন করে যাত্রী। ফলে এই রুটে স্বাভাবিক সময়েই ট্রেনের টিকিট পাওয়া যেন অনেকটা ‘সোনার হরিণ’পাওয়ার সমান।
এমন বাস্তবতায় ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে গত ৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে একটি ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়। ঈদের দিন বাদ দিয়ে সেটি চলে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ১৭ এপ্রিল থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত এই ট্রেন ফের চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। দফায় দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ট্রেনটি এখনও চলছে।
রেলওয়ের বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক (চট্টগ্রাম) এ বি এম কামরুজ্জামান বলেন, কক্সবাজার রুটে ট্রেনের টিকিটের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু ইঞ্জিন ও কোচসংকটের কারণে নতুন ট্রেন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এখন চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত যে বিশেষ ট্রেন চলছে, তা দিয়ে দুই জোড়া ট্রেন পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রেন বাড়লে কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মন্তব্য করুন


সব মামলায় খালাস পাওয়ায় ১৭ বছর পর মুক্তি পেয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।
মঙ্গলবার আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনায় অস্ত্র আইনে করা পৃথক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের দায় থেকে খালাস পান লুৎফুজ্জামান বাবর।
বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ রায়ের মাধ্যমে বাবর তার বিরুদ্ধে করা সব মামলা থেকে খালাস পান। ফলে লুৎফুজ্জামান বাবরের কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা ছিল না।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সফিবাদ দরবার শরীফের আওতাধীন জামেয়া আহমাদিয়া সফিবাদ মাদরাসা ও দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে।
নতুন বছরের শুরুতে বই পেয়ে খুশি কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকালে মাদ্রাসা মিলনায়তনে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব বই বিতরণ করেন সফিবাদ দরবার শরীফের পরিচালক মুফতি সোলায়মান বিন কাসেম।
এদিকে সফিবাদ দরবার শরীফের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান সিরাজাম মুনিরা ফাউন্ডেশন ও একদল তরুন দক্ষ শিক্ষকদের সঠিক পাঠদানের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সুশিক্ষা অর্জনে পড়াশুনা করে যাচ্ছে।
এসময় সিংআড্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল গনি মাষ্টার সহ মাদ্রাসার শিক্ষক সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষাও প্রদান করা হয়। মাদ্রাসার সফলতা ও শিক্ষার মান অগ্রগতি কামনায় সকলের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন পরিচালক মুফতি সোলায়মান বিন কাসেম। তাছাড়া বছরের শুরুতে মাদ্রাসায় বিনামূল্যে বই পেয়ে খুশি কোমলমতি শিক্ষার্থী।
মন্তব্য করুন


দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৪৪ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
৩ সেপ্টেম্বর রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন বিইআরসি কার্যালয়ে নতুন এই দাম ঘোষণা করেন।
বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন জানান, প্রতি কেজি এলপিজির দাম হবে ১০৭ টাকা ১ পয়সা। সে অনুসারে দাম বাড়বে সাড়ে ৫ থেকে ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের।
নতুন সমন্বিত দাম অনুসারে, যানবাহনে ব্যবহৃত প্রতি লিটার সিএনজির দাম হবে ৫৮ টাকা ৮৭ পয়সা, যা আগে ছিল ৫২ টাকা ১৭ পয়সা।
সেপ্টেম্বর মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২৮৪ টাকা। গত মাসে এটা ১৪১ টাকা বেড়েছিল।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। ঘোষিত নতুন দাম কার্যকর হবে রোববার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, দেশে গ্যাসের তীব্র সংকট চলছে।
আমাদের চার হাজার এমসি গ্যাস দরকার। সেখানে আমরা তিন হাজার এমসি গ্যাস পাচ্ছি। প্রয়োজনে আমাদের গ্যাস আমদানি করতে হচ্ছে। এটার জন্য প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় হয়। তাই এ মুহূর্তে বাসা-বাড়িতে গ্যাস দেওয়া হবে, এটা আমাদের জন্য একটি মিথ্যা আশ্বাস।
রোববার (১২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ-৪ (ওয়েস্ট কুপ) খনন কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
বাসা-বাড়িতে গ্যাস সরবরাহের প্রসঙ্গ টেনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, তবে ভবিষ্যতে গ্যাস সরবরাহ বাড়লে তখন এ বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করা হবে। বিবিয়ানার পরে এখনো দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ গ্যাস কোনো কুপে পাওয়া যায়নি।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, দেশে লুটপাট হয়েছে এটা আপনারা সবাই জানেন। অন্তর্বর্তী সরকারে থেকে আমরা দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকব। আমাদের অনুসরণ করে আমাদের সচিবরা দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থাকবেন। আগে গ্যাসের দাম সরকার নির্ধারণ করতো। এখন আর সরকার করে না। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলারিটি কমিশন গ্যাসের দাম নির্ধারণ করে থাকেন। তারা গ্রাহক ও যারা এলপি গ্যাস আমদানি করে থাকে তাদের সঙ্গে কথা বলে বোতলজাত গ্যাসের দাম নির্ধারণ করে থাকে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবদুল্লাহ আল ফারুকসহ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশসন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
‘নেই পাশে কেউ যার, সমাজ সেবা আছে তার' এই প্রতিপাদ্যে চাঁদপুরের কচুয়ায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে বর্ণাঢ্য র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে মুক্ত আড্ডা মিলিত হয়। পরে ওয়াকাথন ও কল্যাণ রাষ্ট্র বিষয়ে মুক্ত আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সমাজ সেবা কার্যক্রম ও সার্বিক চিত্র তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজ সেবা কর্মকর্তা নাহিদ ইসলাম।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. নাহিদ ইসলামের সঞ্চালনায় কল্যাণ রাষ্ট্র বিষয়ে মুক্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, এসিল্যান্ড বাপ্পি দত্ত রনি,কচুয়া থানার ওসি এম আব্দুল হালিম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম,কচুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এমদাদ উল্যাহ প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য নানাবিধ কর্মসূচী গ্রহণ করেছে সরকার। যা দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং নিরাপত্তায় সমাজ সেবার পাশাপাশি অভিভাবকদের আরো বেশী করে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানান।
এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন, বিএডিসি কর্মকর্তা আব্দুর রহিম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মৃনালিণী কর্মকার, সমবায় অফিসার দেলোয়ার হোসেন, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা হাজেরা বেগম সহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন