

টালিউড
অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জী ২০১২ সালে ‘আওয়ারা’ সিনেমায় নায়ক জিৎয়ের বিপরীতে অভিনয়
করে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেন। এরপর একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় দেখা গেছে সায়ন্তিকাকে।
সায়ন্তিকা অভিনয়ের বাইরে তার নাচের জন্যও ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পেতে থাকেন। তাকে অভিনয়ের
পাশাপাশি শারীরিক চর্চায়ও বেশ সক্রিয় দেখা যায়।
সম্প্রতি
বাংলাদেশের ২টি সিনেমার প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন সায়ন্তিকা ব্যানার্জী।
বাংলাদেশের
এক সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সায়ন্তিকার বিয়ের বিষয়ে কথা বলেন।
অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জী জানান, ভালো পাত্র পেলেই বিয়ে করবেন তিনি। তবে বিয়ের আগে তো পাত্র প্রয়োজন। তিনি তার মায়ের নম্বর সবাইকে দিয়ে দেবেন, যে ইচ্ছুক সে যোগাযোগ করতে পারেন। বর্তমানে বাংলাদেশের এই দুই সিনেমার চরিত্র নিয়ে ব্যস্ত সায়ন্তিকা ব্যানার্জী।
মন্তব্য করুন


বিদিপ্তা
চক্রবর্তী ওপার বাংলার শোবিজ অঙ্গনের পরিচিত মুখ। তিনি নাটক থেকে সিনেমা সকল জায়গাতেই
অভিনয়ের ছাপ ফেলেছেন। ব্যক্তিজীবনে পরিচালক বিরসা দাশগুপ্তকে বিয়ে করেছেন বিদিপ্তা।
বিদিপ্তার
শাশুড়ি ওপার বাংলার জনপ্রিয় সঞ্চালিকা চৈতালী দাশগুপ্ত। বিরসার সঙ্গে বিয়ের অনেক আগে
থেকেই শাশুড়ির সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল তার। এক সাক্ষাৎকারে সেটাই জানালেন এই অভিনেত্রী।
অভিনেত্রী
বিদিপ্তা বলেন, তাদের বাড়িতে আমার যাতায়াত ছিল। তখন তো বিরসাকে (বর্তমান স্বামী) ছোট
দেখেছি। হয়তো কখনও গালও টিপে দিয়েছি আদর করে, ঠিক মনে নেই। স্বামীর চেয়ে বয়সে প্রায়
৭ বছরের বড় তিনি। কিন্তু বয়সের এই ফারাক কোনোদিন তাদের সম্পর্কে বাধা হয়নি।
তবে
বিরসাকে বিয়ের আগেই বিবাহিত ছিলেন বিদিপ্তা। প্রথম সংসারে একটি কন্যা সন্তানও ছিল বিদিপ্তার।
কিন্তু সেই সংসার টেকেনি। ডিভোর্সের পর মেয়েকে নিয়ে আলাদা থাকতেন অভিনেত্রী বিদিপ্তা।
তখনই বিরসা দাশগুপ্তের সঙ্গে পরিচয়। ২৫ বছর বয়সী বিরসার তখন প্রেমের সম্পর্ক ভেঙেছিল।
আমিও বিচ্ছেদ নিয়ে ভেঙে পড়েছিলাম। একটা সময়ে দুজনের সম্পর্ক প্রেমে রূপ নেয়। আমাদের
পরিবারও বিয়েতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।
অভিনেত্রীর
শাশুড়ি চৈতালী দাশগুপ্ত বলেন, বন্ধু কখন বউমা হয়ে গেল, সেটা একদম চমকপ্রদ গল্প।
মন্তব্য করুন


মানুষ বড় হয়ে শৈশবে ফিরে যেতে চায়। শৈশবের তোলা ছবি সাামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে বর্তমানের সঙ্গে মিল খোঁজার চেষ্টা করেন অনেকেই। সম্প্রতি ভারতের এক জনপ্রিয় অভিনেত্রী তার শৈশবের একিটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন। কে এই অভিনেত্রী? চলুন জেনে নিই─
থ্রোব্যাক ছবির সুন্দর ছোট্ট মেয়েটি বড় হয়ে এখন অভিনেত্রী আদাহ শর্মা। আসলে এই মেয়েটি আর কেউ নয়, ‘দ্য কেরালা স্টোরির’ নায়িকা। তবে ছবিতে তাকে মোটেও চেনা যাচ্ছে না। তবে ছোট থেকেই সে খুব সুন্দরী ছিল।
‘দ্য কেরালা স্টোরি’ সিনেমাতে অন্যতম মুখ্য চরিত্রে দেখা গিয়েছে আদাহ শর্মাকে। আদাহ হিন্দি এবং তেলুগু সিনেমায় অভিনয় করেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও খুব সক্রিয় তিনি।অভিনেত্রী আদাহ শর্মা টিভি শোতে অভিনয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। চলচ্চিত্রে আসেন ২০০৮ সালে। ‘১৯২০’ সিনেমার মাধ্যমে তার অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ। আদাহ শর্মা ‘হাসি তো ফাসি’, ‘সুব্রামানিয়াম ফর সেল’, ‘বাইপাস রোড’ এবং ‘হাম হ্যায় রাহি কার কে’-এর মতো ছবিতেও অভিনয় করেছেন।
আদাহ শর্মা ওয়েব শো ‘পতি পাতনি ওউর পাঙ্গা’য় একজন ট্রান্সজেন্ডারের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। বর্তমানে তিনি ‘দ্য কেরালা স্টোরি’র শালিনী উন্নীকৃষ্ণণের চরিত্রের জন্য শিরোনামে রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


৭ আগস্ট সোমবার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা হঠাৎ নিজের অসুস্থতার কথা জানান। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
এসময় সামাজিক মাধ্যমে হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা একটি ছবি প্রকাশ করেন তানজিন তিশা।
জানা যায়, হাসপাতালে দুর্বিষহ দিন পার করতে হয়েছে এ অভিনেত্রীকে। চিকিৎসকদের ধারণা, ডায়েটের ও দুশ্চিন্তার কারণেই এমনটা হয়েছে। তবে এখন সুস্থ রয়েছেন অভিনেত্রী, ফিরছেন হাসপাতাল থেকে বাসায়ও।
তানজিন তিশা জানান, গেল কয়েকদিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন। এরপর জ্বর ওঠে ১০৩ ডিগ্রি। অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি হন। ডেঙ্গুসহ আরও কিছু পরীক্ষা করিয়েছি। এসব হয়নি। আমি কিছুদিন ধরে ডায়েট করছিলাম। তা ছাড়া দুশ্চিন্তাও করছিলাম। চিকিৎসকের ধারণা, এসব মিলিয়েই এমনটি হয়েছে। আপাতত, আমাকে ডায়েট বন্ধ করতে বলেছেন। প্রচুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বর্তমানে বাসায় বিশ্রামে আছি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। চিকিৎসক এটা দেখার পরে একটা ওষুধ দেন। ওষুধটি নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মনে হলো, পুরো শরীরে আগুন ধরে গেছে। মনে হচ্ছিল, আমি মারা যাব। যেন মৃত্যুযন্ত্রণা কাছ থেকে দেখেছি। ওই সময় আমার মাকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। প্রায় ৩ঘণ্টা পর কিছুটা সুস্থবোধ করি।
সোমবার বিকেলে হাসপাতাল থেকে বাসায় আসেন তিশা।
মন্তব্য করুন


এ
যেন রহস্যে ঘেরা, অদৃশ্য এক শক্তির ছোঁয়া! আধ্যাত্মিক ও বাস্তবতার সমন্বয়ে গড়ে
উঠেছে ‘পাফ ড্যাডি’র গল্প। গল্পের পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে রহস্য। আর সেই ফাঁদে পড়েছেন
জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। যার প্রমাণ মেলে ‘পাফ ড্যাডি’ ওয়েব ফিল্মের ট্রেলারে।
ঢাকাই
সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। তার অভিনীত ওয়েব ফিল্ম ‘পাফ ড্যাডি’। প্রায় ৪
বছর আগে শুরু হয় ‘পাফ ড্যাডি’র কাজ। শুরুতে এটি ছিল ওয়েব সিরিজ, পরিচালনায় ছিলেন
মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। তবে এরপরে উজ্জ্বল সরে যান, নির্মাণে যুক্ত হন সহীদ উন নবী ও
মুশফিকুর রহমান মঞ্জু। সিরিজ হিসেবে শুটিং হলেও এটি মুক্তি পাচ্ছে সিনেমা
ফরম্যাটে। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বঙ্গ-তে মুক্তি পাবে ওয়েব ফিল্মটি।
সিনেমাটির নাম ভূমিকায় অভিনয়
করেছেন আজাদ আবুল কালাম। তাকে ঘিরেই যত রহস্য। উঠতি নায়িকা থেকে তরুণ রাজনীতিক,
সবাই সাহায্যের জন্য তার কাছে ছুটে আসে। এই ‘বাবা’র আশীর্বাদ পেলেই যেন জাদুকরী
উপায়ে প্রসন্ন হয়ে যায় সবার ভাগ্য! এতে উঠতি নায়িকা টিনার চরিত্রে আছেন পরীমণি।
যিনি তার সিনেমা হিট করানোর জন্য ‘পাফ ড্যাডি’র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন। তাদের অন্তরঙ্গ
দৃশ্যও উঠে এসেছে সিনেমার ট্রেলারে। এছাড়া তরুণ রাজনীতিকের ভূমিকায় থাকা সজলের
সঙ্গেও টিনা তথা পরীমণির ঘনিষ্ঠতা দেখা গেছে।
এ সিনেমাটি
নিয়ে পরিচালক সহিদ উন নবী বলেছেন, প্রতিটি মানুষের জীবনে একটা ফাদার ফিগার বা বস
থাকে। তাদের আমরা ‘বাবা’ বলি। সাফল্য পাওয়ার জন্য তাদের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। কেউ
মন থেকে সহযোগিতা করে, আবার কেউ নিজের সুবিধার জন্য করে। মানুষের জীবনে সেই
বাবাদের প্রভাব নিয়েই ‘পাফ ড্যাডি’র গল্প।
এ সিনেমাটিতে বিভিন্ন চরিত্রে
আরও অভিনয় করেছেন ইন্তেখাব দিনার, শহীদুজ্জামান সেলিম, সালাউদ্দিন লাভলু, বিজরী
বরকতুল্লাহ, মৌটুসী বিশ্বাস, ফারুক আহমেদ সহ আরো অনেকে।
মন্তব্য করুন


জনপ্রিয়
অভিনেতা আনিকা কবির শখ। বিজ্ঞাপন, নাটক, সিনেমায় ছড়িয়েছিলেন সৌন্দর্যের দ্যুতি।
কিন্তু বিয়ে করে সংসার নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন শখ। সম্প্রতি ফিরেছেন তিনি।
ফিরেই জানালেন, যে প্লেয়ার সে সব সময় খেলতে পারে। প্রতিযোগিতা না থাকলে খেলে মজা
পাওয়া যায় না।
আনিকা কবির শখ বলেন, ব্রেক নিয়েছি। আসলে আমার কিছু কাছের মানুষ ব্রেক
নিতে বাধ্য করেছে। কারণ আমার সঙ্গে একটা ডিজাস্টার হয়ে গেছে। একই সঙ্গে আমার
সেলফোন, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব হ্যাক হয়ে গিয়েছিল। সেগুলো ফিরিয়ে আনতে আনতে
আমি আসলে হতাশ হয়ে গিয়েছিলাম। একটা সময় গিয়ে মনে হলো, ঠিক আছে বাদ দেওয়া যাক। তবে
আমি বিশ্বাস করি কারও জায়গা কেউ নিতে পারে না। আর আমি এত ছোট থেকে কাজ শুরু করেছি
যে, আমার বিশ্বাস ছিল- আমার দর্শক আমাকে ভুলে যাবে না। আমিও কারও সন্তান। আমারও
সংসার, সন্তান আছে। ওই জায়গাটা তো ভুলে গেলে চলবে না। ওই জায়গাটাও আমার ঠিক রাখতে
হবে। শুধু যে আমি একজন শিল্পী তা তো নয়। একটু ব্রেক নিয়ে আমার পারিবারিক জায়গাটাও
আমি ঠিক রেখেছি। এখন আবার ফিরে এসেছি। নিয়মিত কাজ করব। আর উৎসব আয়োজনেও শখকে পাওয়া
যাবে। কারণ খালি মাঠে সবাই গোল মারতে পারে। ভরা মাঠে পারে না। আমি গোল দিয়েছি ভরা
মাঠে। আমি বিশ্বাস করি, যে প্লেয়ার সে সব সময় খেলতে পারে। তাকে যে মাঠে ছেড়া দেওয়া
হোক না কেন। হ্যাঁ, প্রতিযোগিতা না থাকলে আসলে খেলে মজা পাওয়া যায় না। আমার মনে
হচ্ছে মাঠটা খালি। প্লিজ কেউ আসো, আমার সঙ্গে প্রতিযোগিতায়।
মন্তব্য করুন


ঢাকায় গান গাইতে আসছেন
ভারতীয় তরুণ গায়ক, সুরকার ও গীতিকার দর্শন রাওয়াল। ‘দর্শন রাওয়াল লাইভ ইন ঢাকা’
শীর্ষক কনসার্টে গান গাইবেন ‘খিচ মেরি ফটো’খ্যাত গায়ক।
টোয়েন্টি টু ইভেন্টস কনসার্টটি
আয়োজন করবে।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়,
আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাজধানী ঢাকার আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি
বসুন্ধরার (আইসিসিবি) নবরাত্রি হলে গান পরিবেশন করবেন ভারতীয় গায়ক দর্শন রাওয়াল।
হিন্দি, গুজরাটি,
পাঞ্জাবি, বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষায় গান করেন দর্শন রাওয়াল। তরুণদের কাছে দর্শন
রাওয়ালের খ্যাতি অন্যরকম।
২০১৪ সালে ভারতের একটি
রিয়েলিটি শোর মাধ্যমে পরিচিতি পান দর্শন রাওয়াল। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত দর্শন
রাওয়ালের গান ‘মাহিয়া জিন্নাহ সোহনা’ দারুণ সাড়া পেয়েছে।
মন্তব্য করুন


বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা খানের এখনো কোনো ছবি মুক্তি পায়নি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক প্রসাধনী সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সুহানা।
এতে প্রথম সাফল্য পেলেন সুহানা খান। কিন্তু প্রথম কাজেই সমালোচনার মুখে সুহানা। লোকে সুহানার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখন্ডেকে।
সম্প্রতি সুহানাকে ওই আন্তর্জাতিক প্রসাধনী সংস্থার লিপস্টিকের বিজ্ঞাপনে দেখা মাত্রই ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ। ঠোঁটে লাল রং, গায়ের রং যেন ফেটে পড়ছে সুহানার। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, চিৎকার করার ভঙ্গি করছেন শাহরুখ-কন্যা। তার গায়ের রঙে এমন বদল দেখে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেউ লিখেছেন, সুহানা খান আসলে কালার কারেক্টেড প্রো ম্যাক্স। কেউ লিখেছেন, ওকে অঙ্কিতা লোখান্ডের মতো দেখতে লাগছে। কেউ কেউ লেখেন, অনায়াসেই সুহানার নিজস্ব স্কিন টোন ব্যবহার করা যেত। অন্য কোনো শেডের লিপস্টিক পরানো যেত তাকে। কোনো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাছ থেকে তো এমনটাই আশা করা উচিত, তাই না? কারও সোজাসাপটা প্রশ্ন, তার গায়ের রং ফর্সা করার কী দরকার? কেউ লিখেছেন, ‘সুহানার মুখে প্যানকেক মেকআপ ব্যবহার করে ওর আসল রংটা নষ্ট করার কোনো দরকার ছিল কি?
এসব সমালোচনার বিষয়ে সুহানা কোনা মন্তব্য করেননি। জানা গেছে, শিগগিরই ‘দি আর্চিজ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে শাহরুখ কন্যা সুহানার।
মন্তব্য করুন


বর্তমানে সুস্মিতা সেনে বিয়ে করতে চাইছেন কিন্তু তার
মেয়েরা চাচ্ছে না সাবেক এই মিস ইউনিভার্স বিয়ে করুক।
সুস্মিতা সেন বলেন, ওদের (মেয়েদের)
জীবনে যেহেতু কোনোদিন বাবা ছিল না তাই ওদের বাবার প্রয়োজনীয়তা নেই। আমি যদি এখন
ওদের বলি, বিয়ে করতে চাই, তাহলে ওরা চোখ বড় বড় করে জিজ্ঞেস করে কেন? কী দরকার?
আমাদের বাবা চাই না। কিন্তু আমার তো স্বামী চাই। তাতে ওদের কিছু যায় আসে না। ওদের
কাছে আমার বাবাই সব। নানা আছে, তার মানে একজন বাবার মতো ফিগার রয়েছে তাদের কাছে। সুস্মিতা সেন
২৪ বছর বয়সে জীবনের সব থেকে শ্রেষ্ঠ সিদ্ধান্ত
নিয়েছিলেন। মা হওয়ার পরে সবকিছুই কেমন বদলে গিয়েছে তার জীবনে। ২৪ বছর বয়সে
প্রথম সন্তান রেনেকে দত্তক নেন তিনি। এরপর ২০১০ সালে দ্বিতীয় সন্তান আলিশাকে তার
জীবনে নিয়ে আসেন।
অসুস্থতা পেরিয়ে বর্তমানে কাজে মনোযোগ দিয়েছেন সুস্মিতা সেন ।
মন্তব্য করুন


’ডোডোর
গল্প’র শুটিংয়ে মাধ্যমে অভিনয়ে ফিরেন অভিনেত্রী পরীমণি। তবে হঠাৎ রেগে আগুন পরীমণি।
সম্প্রতি
ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্য
চলচ্চিত্র ‘বুকিং’। হাতে রয়েছে আরও বেশ কিছু কাজ।
রোববার
(২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সামাজিকমাধ্যমে পরীমণি লেখেন, ‘মিথ্যুক, ভণ্ড, প্রতারক,.. বাচ্চাদের
জন্যে সিনেমার... মারা হচ্ছে। শবে বরাতের দিনে কলিজার মধ্যে কষ্ট দিয়ে দিল। এই কষ্ট
তাদের না হোক। আল্লাহ তাদের মাফ করে দিক।
যদিও
এই পোস্টের রহস্য এখনও জানা যায়নি। কোনো কিছু খোলাসা করেননি নায়িকা পরীমণি।
প্রসঙ্গত,
শিগগিরই ‘রঙিলা কিতাব’ নামে অনম বিশ্বাসের একটি ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার কথা
রয়েছে পরীমণির। এ ছাড়াও টলিউডে ‘খেলা হবে’ নামে একটি সিনেমাও রয়েছে তার হাতে।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন