

অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে ছাঁটাই অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে গত বছরের শুরু থেকে চাকরি হারিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। প্রাথমিকভাবে আর্থিক মন্দার প্রভাব পড়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে। কিন্তু ধীরে ধীরে তা অন্য খাতেও ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সংস্থার বিশ্ববাজারের মন্দার প্রভাবের গ্রাস করেছে ভারতকেও। এবার ভারতে বহু কর্মী ছাঁটাই করল অ্যামাজন। ইতোমধ্যে বিপুল সংখ্যক ছাঁটাইয়ের বিষয়ে ঘোষণা করেছে ই-কমার্স কোম্পানিটি।
বছরের শুরু থেকেই অ্যামাজনের কর্মীরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। ইতোমধ্যে ভারতসহ সারা পৃথিবীতে অ্যামাজন কয়েক হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। যদিও এখনো কোম্পানির পক্ষ থেকে ঠিক কতজন ভারতীয় কর্মীর ওপর প্রভাব পড়েছে সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।
অ্যামাজন সূত্রে খবর, ভারতে প্রায় ৫০০ কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। এই টেক কোম্পানি ওয়েব সার্ভিস, হিউম্যান রিসোর্স এবং সাপোর্টসহ বিভিন্ন টিমের কয়েক হাজার কর্মীকে চলতি বছরে ছাঁটাই করেছে।
গত জানুয়ারি মাসেই ১৮ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা করেছিল অ্যামাজন। আর সেই ছাঁটাইয়ের তালিকায় ভারতের অনেক কর্মী রয়েছেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কোম্পানির সিইও অ্যান্ডি জেসি। সেক্ষেত্রে পূর্বাভাস ছিল, অ্যামাজন ভারতে প্রযুক্তি, হিউম্যান রিসোর্সসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রায় ১০০০ কর্মীকে বরখাস্ত করতে পারে।
বছরের শুরুতে সিইও ছাঁটাই হওয়া প্রত্যেক কর্মীদের একাধিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন। সেই প্যাকেজের মাধ্যমে চাকরি হারানো কর্মীদের বেতন, বিমা এবং বাহ্যিক চাকরির সহায়তা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল।
২০২২ সালের নভেম্বর মাসের শুরুর দিকে প্রথমবার কর্মী ছাঁটাই হয় অ্যামাজনে। সেই সময় এক ধাক্কায় চাকরি হারিয়েছিলেন প্রায় ১০ হাজার কর্মী। এরপর ডিসেম্বর মাসে ও ২০২৩ সালের প্রথম দিকে আরও বেশি কর্মী ছাঁটাই করা হবে বলে অ্যামাজনের পক্ষ থেকে জানানা হয়েছিল।
শুধু অ্যামাজনই নয়, বিশ্বজুড়ে চলতে থাকা আর্থিক মন্দার প্রভাব পড়ছে অনেক নামি কোম্পানিতে। ফেসবুক থেকে টুইটার, মাইক্রোসফট থেকে মেটার মতো একাধিক বহুজাতিক কোম্পানি ছিল ছাঁটাইয়ের তালিকায়। প্রাথমিকভাবে কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছিল টুইটার। এরপর ছাঁটাইয়ের ট্রেন্ড শুধু তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিভিন্ন খাতের কর্মীদের চাকরিতেও এর প্রভাব পড়েছে।
মন্তব্য করুন


কালীপূজা
উপলক্ষে দুই দিন বন্ধ থাকছে দেশের চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা। ১২ এবং ১৩ নভেম্বর
কালীপূজায় ২দিন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকার তথ্যটি
নিশ্চিত করেছেন বাংলাবান্ধা সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি জানিয়েছেন, রবিবার ১২ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে
হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী কালীপূজা। পূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে উভয় দেশের
এক্সপোর্টার, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার ও ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আলোচনা
সভার ভিত্তিতে এই দুদিন স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত চিঠি উভয় দেশের কাস্টমস,ব্যবসায়ী সংগঠন, ও বন্দর কর্তৃপক্ষসহ
সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক
থাকবে।
বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
নজরুল ইসলাম বলেছেন, পূজায় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ
থাকবে তবে স্বাভাবিক থাকবে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত ।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বাংলাদেশে আরো মার্কিন বিনিয়োগকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেছেন, তার সরকার বিদেশি বিনিয়োগ
আকর্ষণ এবং দেশের ব্যবসায় পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকায় তিনি
একটি মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে বলেন, ‘আপনারা সঠিক সময়ে এদেশে এসেছেন।’
এক্সিলারেট এনার্জির প্রধান নির্বাহী
কর্মকর্তা (সিইও) এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান স্টিভেন কোবোসের
নেতৃত্বে মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব গ্রহণ
করায় প্রধান উপদেষ্টার প্রশংসা করে স্টিভেন কোবোস বলেন, এটি বাংলাদেশে ব্যবসায় আস্থা
বাড়াবে।
তিনি বলেন, ‘আপনার দায়িত্ব গ্রহণের
পর থেকে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর বাংলাদেশে আগ্রহ অনেক বেড়েছে।’
কোবোস আরো জানান, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস
কাউন্সিলের সদস্যসহ শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কোম্পানিগুলো দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশে ব্যবসার
সম্ভাবনা নিয়ে অনেক আগ্রহী।
এক্সিলারেট এনার্জির সিইও কোবোস বলেন,
তার কোম্পানি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে আরো বিনিয়োগের পরিকল্পনা
করছে।
তিনি বলেন, কোম্পানিটি দেশে তরলীকৃত
প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ বৃদ্ধি করতে চায়। বর্তমানে এক্সিলারেট বাংলাদেশের
দুটি অফশোর ফ্লোটিং স্টোরেজ এবং রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে (এফএসআরইউ) বিনিয়োগ করেছে, যা
প্রতিদিন ১.১ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করে। দেশের দৈনিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় ৩৪
শতাংশ এখান থেকে আসে।
সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের
সময় প্রধান উপদেষ্টা ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
সেখানে এ সংগঠনের ৫০ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে কিছু শীর্ষস্থানীয় আমেরিকান
বহুজাতিক কোম্পানিও ছিল। ড. ইউনূস উপস্থিত মার্কিন ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের
আমন্ত্রণ জানান।
সাক্ষাৎকালে স্টিভেন কোবোসের সঙ্গে
প্রতিনিধিদলে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাসসহ এক্সিলারেট এনার্জির
উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ছিলেন। পিটার সম্প্রতি এক্সিলারেট এনার্জিতে স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজার
হিসেবে যোগদান করেছেন। এছাড়া প্রতিনিধিদলে কোম্পানিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেরেক ওয়ং
ও র্যামন ওয়াংডি এবং বাংলাদেশের আবাসিক ব্যবস্থাপক হাবিব ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টার এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী ও জ্বালানি সচিব সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের ইছানগরে আগুনে পুড়তে থাকা চিনির গুদাম দেখতে এসে শিল্পগোষ্ঠী এস আলমের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ বলছেন, আগুন নেভার পর দুই দিনের মধ্যে চিনি পরিশোধনে ফিরতে চান তারা।
সোমবার বিকাল ৪টার দিকে কর্ণফুলী নদীর তীরে এস আলম সুগার রিফাইন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ১ নম্বর গুদামে আগুন লাগে। ২৫ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার বিকালেও সেই আগুন নির্বাপণ করা সম্ভব হয়নি। আগুন নেভাতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট।
এস আলমের ওই চিনিকলের দৈনিক পরিশোধন ক্ষমতা ২২০০ টন। কারখানার পাশের পাঁচটি গুদামের মধ্যে চারটিতে অপরিশোধিত এবং একটি গুদামে পরিশোধিত চিনি রাখা হয়। রোজা শুরুর এক সপ্তাহ আগে চিনিকলটির ১ নম্বর গুদামে আগুন লাগে, যাতে এক লাখ টন অপরিশোধিত চিনি ছিল বলে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার যখন গুদামে আগুন লাগে, তখন চিনিকলটি চালু ছিল। আগুন লাগার পর কারখানায় উৎপাদন বন্ধ করা হয়। ওই দিনই এস আলমের কল থেকে বাজারে চিনি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
আগুনে ১ নম্বর গুদাম ভস্মীভূত হলেও অন্য গুদাম বা কারখানায় আগুন ছড়ায়নি। তবে ১ নম্বর গুদামের আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করতে আরও কত সময় লাগবে তা নির্দিষ্ট করে জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা।
মঙ্গলবার দুপুরে আগুনে পুড়তে থাকা গুদাম দেখতে এলে সাংবাদিকরা সাইফুল আলম মাসুদের কাছে জানতে চান, এই অগ্নিকাণ্ডের প্রভাব রোজায় চিনির বাজারে পড়বে কি না।
উত্তরে সাইফুল আলম মাসুদ বলেন, আপনারা জানেন কিছু ব্যবসায়ী আছে, দুয়েকদিনের জন্য করে এরা; এগুলো ঠিক হয়ে যাবে। হয়তো দুয়েকদিন হবে আরকি। দুয়েকদিন পর তো আমার ডেলিভারি ঠিক হয়ে যাবে।
এস আলমের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ আরো বলেন, আমার প্রোডাকশন চালু করব। আমার বানানো মাল আছে। ওইটা দিয়ে এক সপ্তাহ মিনিমাম চলবে। প্রোডাকশনে যাইতে লাগবে দুই দিন। মালেরও সমস্যা নেই। মেইনলি আগুনটা নিভে গেলে হয়ে যাবে আমার।
মন্তব্য করুন


এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ভোক্তা-অধিকার জানিয়েছে, পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযান চালানো হবে।
গত বৃহস্পতিবার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত। যা গতকাল শুক্রবার থেকে কার্যকর হয়। ভারত সরকারের এ ঘোষণার পর বাংলাদেশের বাজারে রাতারাতি পেঁয়াজের দাম লাগামহীনভাবে বাড়তে শুরু করে।এ অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযানে নামছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
ভোক্তা-অধিকারের বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়েছে, ৯ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করা হবে। ঢাকায় অধিদপ্তরের চারজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে চারটি পৃথক টিম বাজার অভিযান পরিচালনা করবে। এছাড়া দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় সারাদেশে অভিযান পরিচালনা করবে।
এর আগে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দেশে আমদানি করা পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞায় তেমন প্রভাব পড়বে না।
ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড বা বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক মহাপরিচালকের কার্যালয় বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) জানিয়েছে, নিজেদের দেশে পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে পণ্যটি রপ্তানির ওপর আগামী মার্চ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ অক্টোবর টনপ্রতি পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য ৮০০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ দেওয়া হলেও সময়সীমার শেষ হওয়ার তিন সপ্তাহ আগেই নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।
এদিকে, ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পরই দেশের বাজারে হু হু করে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। একদিনের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১২০ টাকা। রাজধানীর খুচরা বাজারে এখন এ পেঁয়াজের কেজি ২৪০ টাকা। আর কেজিতে ৯০ টাকা বেড়ে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। কেউ কেউ ২২০ টাকাও দাম হাঁকছেন।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং স্থানীয় মিলসমূহের উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় এনে
চিনির দাম প্রতিকেজি খোলা চিনি ৫ টাকা কমিয়ে ১৩০
টাকা এবং পরিশোধিত প্যাকেট চিনি ৫ টাকা কমিয়ে ১৪০ টাকা নির্ধারণ
করা হয়েছে।
নতুন এই দাম কার্যকর
করা হবে সোমবার (১৪ আগস্ট) থেকে।
রোববার (১৩ আগস্ট) এ তথ্য জানানো হয়েছে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স
অ্যাসোসিয়েশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা
হয়েছে, অপরিশোধিত চিনির আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং স্থানীয় পরিশোধনকারী মিলসমূহের
উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স এসোসিয়েশন পরিশোধিত চিনির
দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি কেজি পরিশোধিত প্যাকেট চিনি ১৪০ টাকা থেকে
৫ টাকা কমিয়ে ১৩৫ টাকা এবং প্রতি কেজি পরিশোধিত খোলা চিনি ১৩৫ টাকা থেকে ৫ টাকা
কমিয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হলো।
মন্তব্য করুন


বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অর্থ আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণ এবং বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরানোর কাজ শুরু করেছে সরকার।
এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বিএফআইইউ, পুলিশের সিআইডি ও দুদকের সহায়তায় আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণ এবং বিদেশে পাচার করা অর্থ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থ পুনরুদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে।
সরকার খুব শিগগির একটি ব্যাংকিং কমিশন গঠন করবে, যারা সংশ্লিষ্ট প্রতিটি ব্যাংকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করবে এবং ব্যাংকগুলোর
পুনর্গঠনের জন্য ছয় মাসের মধ্যে একটি বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করবে।
কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক দুর্নীতি ও প্রতারণার মাধ্যমে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং বিদেশে পাচার করেছেন। এর সঠিক পরিমাণ নির্ণয়ের কাজ চলমান আছে। এই আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ লক্ষাধিক কোটি টাকার ওপরে বলে ধারণা করা যায়।
অর্থ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বিভিন্ন বিদেশি সংস্থার সহায়তা চেয়ে ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু করা হয়েছে।
এ ধরনের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইতিমধ্যে সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে
সংস্কার কার্যক্রম শুরু করা হবে।
নতুন ব্যবস্থাপনা
কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা এসব অর্থের প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং তাদের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ নির্ণয়ে অডিট কার্যক্রম শুরু করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের লক্ষ্য হলো সব আন্তর্জাতিক
মানদণ্ড পরিপালনে সক্ষম একটি শক্তিশালী ব্যাংকিং খাত গড়ে তোলা। তবে এই উদ্দেশ্য অর্জনের কার্যক্রম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কারিগরি সহায়তা ও অর্থের প্রয়োজন হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার অর্থ আত্মসাৎকারীদের দেশি-বিদেশি সম্পদ অধিগ্রহণ ও বিদেশ থেকে ফেরত এনে ব্যাংকগুলোকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কার্যক্রম হাতে নিচ্ছে। ব্যাংকগুলোর এই পুনর্গঠন ও আর্থিক খাতের কাঠামোগত সংস্কার সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে সরকার বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আন্তর্জাতিক
মানের করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে
যমুনার চরাঞ্চল শুকিয়ে জেগে উঠেছে যমুনার বুকে ধূসর বালুচর। আর এই বালুচরে অধিক
লাভের আশায় বাদাম চাষে ঝুঁকে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকরা। ইতিমধ্যে বাদাম গাছের সবুজ
পাতায় ছেয়ে গেছে পুরো বালুচর। বালি মাটির নিচে রোপন করা এ বাদামই যেন চরাঞ্চলের
কৃষকদের এখন লাভবান হওয়ার স্বপ্ন।
গত বছর বাদামের বাম্পার
ফলন হওয়ায় এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় বাদাম ক্ষেতের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন
দেখছেন যমুনা চরাঞ্চলের কৃষক। যমুনা বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ধুধু বালুচরে সারিবদ্ধ
বাদাম ক্ষেত দেখে চোখ জুড়ে যায়। বাদাম গাছ ভাল হওয়ায় কৃষকের চোখে মুখে আশার আলো
জ্বলছে।
বাদাম চাষিরা বলেন,
প্রতি বছর বন্যায় আমাদের অনেক ক্ষতি হয়। বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে আমরা বন্যা পরবর্তী
সময়ে জেগে উঠা চরে বাদাম চাষ করি। কারণ অল্পদিনে বাদাম চাষ করে অধিক লাভবান হওয়া
যায়। খরচ বাদ দিয়ে বিঘা প্রতি লাভ হয় প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা।
গাবসারা চরাঞ্চলের
বাদাম চাষি গফুর মিয়া বলেন, গত বছর আমি ৮ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করে ভালো লাভবান
হয়েছিলাম। বাদামের দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর আমি প্রায় ১২ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ
করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছরেও বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি।
সুস্বাদু, মুখরোচক ও
ভিটামিন সমৃদ্ধ এই ফসল একদিকে যেমন খাদ্যে যোগান দিয়ে থাকে অন্যদিকে তেলের চাহিদা
পূরণ করে। বাদাম ক্ষেত থেকে কচিপাতা কেটে কৃষকরা তাদের গরু-ছাগলের খাওয়ান। এতে
গরু-ছাগল তাড়াতাড়ি স্বাস্থ্যবান হয়। তাছাড়া অন্য ফসলের মতো বাদামের জমিতে তেমন
একটা সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয় না। শুধু সময়মতো বীজ বুনে বাদাম ঘরে তোলার জন্য
অপেক্ষায় থাকতে হয়। বীজরোপণে দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই বাদাম তুলে সংগ্রহ ও
হাট-বাজারে বিক্রি করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি
কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আরিফুর রহমান জানান, চলতি বছর যমুনা চরাঞ্চলে ১ হাজার ৩২০
হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে। আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চরাঞ্চলের বাদাম
চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বাদামের বীজ বিতরণ করেছি। বাদামের ফলন ভালো করার
জন্য আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের নিয়মিত
পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। আশা করি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বিগত বছরগুলোর চেয়ে এ বছর
বাদাম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
মন্তব্য করুন


শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের এক বিবৃতিতেতে এ কথা জানিয়ে আরো বলা হয়েছে যে, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে দ্রুত শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে বলে আশাবাদী দক্ষিণ কোরিয়া। কোরিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ দক্ষিণ কোরিয়া।
প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকারের পতনের গত ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়।
মন্তব্য করুন


সরকার রোজার শুরুতেই খেজুর ও চিনির দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে ।
সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফুয়ারা খাতুনের সই করা এক সার্কুলারে এসব তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, নিম্নমানের খেজুরের দাম ধরা হয়েছে কেজিতে ১৫০ থেকে ১৬৫ টাকা। আর বহুল ব্যবহৃত জাইদি খেজুরের কেজি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা।
প্রতি কেজি অতি সাধারণ খেজুরের দর ঠিক করা হয়েছে ১৫০ থেকে ১৬৫ টাকা। এছাড়া কেজিপ্রতি চিনির মূল্য ১৪০ টাকা ধার্য করা হয়েছে।
পাশাপাশি প্রতি কেজি চিনির মূল্য ১৪০ টাকা ঠিক করা হয়েছে। তাছাড়া প্যাকেটজাত চিনির সর্বোচ্চ দর ধার্য করা হয়েছে ১৪৫ টাকা। এসব দামে খেজুর ও চিনি বিক্রি করতে ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে নিম্নমানের খেজুরের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দামি খেজুরের দাম ঠিক করে দেয়া হয়নি। ভারত থেকে ৫০ হাজার টন পিঁয়াজ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। আশা করি, শিগগিরই তা দেশে আসবে। এতে মসলাজাতীয় পণ্যটির দরও কমে যাবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার নিত্যপণ্যের দাম কমানোর চেষ্টায় করছে। বাজারে কোনো পণ্যের স্বল্পতা নেই। চালের দরম নিয়েও অস্বস্তি নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে মনিটরিং হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য সাড়ে ১২ হাজার টন চিনি কিনবে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুর ২টার দিকে ক্রয় কমিটির বৈঠকটি শুরু হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান বিস্তারিত তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেন।
অতিরিক্ত সচিব জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কর্তৃক আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১২ হাজার ৫০০ (+৫%) মেট্রিক টন চিনি Accentuate Technology Inc., USA (Local Agent: OMC Ltd., Dhaka-এর কাছ থেকে কেনা হবে। এই সাড়ে ১২ হাজার টন চিনি ৬৬ কোটি ২৭ লাখ ৩১ হাজার ২৫০ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন