হাসিনাকে ফেরত চাওয়া হলেও ভারতের ইতিবাচক সাড়া মেলেনি: উপদেষ্টা তৌহিদ

হাসিনাকে ফেরত চাওয়া হলেও ভারতের ইতিবাচক সাড়া মেলেনি: উপদেষ্টা তৌহিদ
ছবি: সংগৃহীত



শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়া হলেও ভারত থেকে কোন ইতিবাচক সাড়া মেলেনি- এমন মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। শুক্রবার সকালে রংপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। 


এ সময় তৌহিদ হোসেন বলেন, খালেদা জিয়ার লন্ডনে যাওয়ার বিষয়টিও জানেন না তারা। এছাড়া তারেক রহমান দেশে আসার বিষয়েও জানেন না তারা।


তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন দিয়ে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া, নীলফামারিতে চীনের সহায়তায় যে হাসপাতাল হবে তা পুরো রংপুর অঞ্চলের জন্য। তাদের সময় বেশি দিন নেই উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, যতদিন আছেন রংপুর অঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করবেন তারা। কর্মসংস্থানসহ যেসব সমস্যা আছে তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। 


প্রসঙ্গত, চার দিনের সফরে রংপুর ও নীলফামারীর গুরুত্বপূর্ণস্থান পরিদর্শনের কথা রয়েছ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সব ধরনের চুক্তি পর্যালোচনা করা হবে: উপদেষ্টা

বিদ্যুৎ সংক্রান্ত সব ধরনের চুক্তি পর্যালোচনা করা হবে: উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্বাক্ষরিত দেশি-বিদেশি সব ধরনের বিদ্যুৎ সংক্রান্ত চুক্তি পর্যালোচনা করা হবে বলে জানান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। 


আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানায় তিনি।


উপদেষ্টা বলেন, আগের সরকারের সময়ে কিছু পাওয়ার প্ল্যান্টের চুক্তি হয়, যেখানে বেশ কিছু অসম শর্ত রয়েছে। এসব চুক্তি পর্যালোচনার বিষয়ে হাইকোর্ট নির্দেশনা দিয়েছে। দেশি-বিদেশি সব ধরনের পাওয়ার প্ল্যান্ট চুক্তি পর্যালোচনায় আইনি সহায়তা গ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


তিনি বলেন, খাদ্য মজুদ সন্তোষজনক। কী কী কেনা হবে সেটির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছি। সবচেয়ে বেশি বোরো ধান কেনা হয়, এরপর আমন। সবচেয়ে কম কেনা হয় আউশ। সরকার বাজারে মূল্য স্থিতিশীল চেষ্টা করছে, দামের উঠানামা খুব বেশি যেন না হয়।


এ সময় উপদেষ্টা আরও জানান, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে আগামী ৫ আগস্ট। এর নির্মাণ ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

কালোটাকা সাদা করার সুবিধা তুলে দেয়া হবে: উপদেষ্টা

কালোটাকা সাদা করার সুবিধা তুলে দেয়া হবে: উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

বাজেটে কালোটাকা সাদা করার সুবিধা তুলে দেয়া হবে, রাখা হতে পারে অপ্রদর্শিত অর্থ হিসেবে। আজ শনিবার গবেষণা প্রতিষ্ঠান র‌্যাপিড আয়োজিত বাজেট আলোচনায় এ কথা জানান পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।


উপদেষ্টা বলেন, এই সুযোগ (কালোটাকা সাদা করার সুযোগ) খুব একটা কাজে আসে না। পাঁচ কোটি টাকা দিয়ে কিনে কেউ যদি এক কোটিও দেখাতে না পারে, তাহলে এটা থাকার তো কোনো দরকার নেই। এতই যখন আলোচনা হয়েছে, তা তুলে দেয়া হোক।


এ সময় তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন একটি প্রস্তুতিহীন পরিকল্পনা। তারা এর জন্য প্রস্তুত নন। এই উত্তরণ মান-সম্মানের ইস্যু নয়, বরং বাস্তবতা।


বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি রুবানা হক বলেন, ‘এটি একটি প্রস্তুতি পরিকল্পনা, আমরা কোনোমতেই এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের জন্য প্রস্তুত নই।’


তবে উত্তরণ পেছানোর বিপক্ষে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘গ্র্যাজুয়েশন আমাদের হয়ে গেছে ২০২১ সালে। এখন আমরা প্রথম তিন বছরের পর দুই বছর এক ধরনের গ্রেস পিরিয়ডে আছি। এখন নতুন করে যদি তিন বা পাঁচ বছর চাওয়া হয়–এটা এক ধরনের আবদার হতে পারে।’


অর্থনীতিবিদরা বলেন, গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী প্রযুক্তির ব্যবহারে শিল্প খাতে কর্মসংস্থান কমার শঙ্কা আছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বাড়াতে হবে।


র‌্যাপিড চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘হেলথে যদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট বেশি হয়, এডুকেশনে যদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট বেশি করতে পারি, স্যোশাল প্রটেকশনে যদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট বেশি করতে পারি–এটা হবে এমপ্লয়মেন্ট জেনারেট করার সবচেয়ে বড় জায়গা। এবং আগামী দিনে কৌশলে কিন্তু আমাদের সেটাই চিন্তা করতে হবে।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

সংবিধান বাতিল করা জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য ছিল না : প্রধান বিচারপতি

সংবিধান বাতিল করা জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য ছিল না : প্রধান বিচারপতি
ছবি: সংগৃহীত


প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, সংবিধান বাতিল করা জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য ছিল না। সংবিধানের সঙ্গে বিচার বিভাগের সম্পর্ককে বিশুদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক করাই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল। 


বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) অবসরের আগে আপিল বিভাগে শেষ কর্মদিবসে এ কথা বলেন তিনি। 


বিদায়ী বক্তব্যে প্রধান বিচারপতি বলেন, গণতন্ত্রে যতদিন বিচার বিভাগের মূল্যবোধ থাকবে, ততদিন সুপ্রিম কোর্ট ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতার শেষ আশ্রয় হয়ে থাকবে।


বিচার বিভাগকে অবশ্যই বর্তমান সংবিধানের মূল কাঠামো নীতি মেনে চলতে হবে। যা ক্ষমতা পৃথকীকরণ, বিচারিক স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক শাসন, মৌলিক অধিকার এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের মতো আদর্শগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে।

তিনি বলেন, বিচার বিভাগের শক্তি কোনও একক দফতরে নয়, বরং সততা ও দূরদর্শিতার সাথে ন্যায়বিচার করার সম্মিলিত সংকল্পের মধ্যে নিহিত।


এদিকে, প্রধান বিচারপতির শেষ কর্মদিবসে আপিল বিভাগের এজলাসেই অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি, আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে : প্রধানমন্ত্রী

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে : প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার ছবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক ১৫ আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) বেগম ফরিদা ইয়াসমিন লিখিত প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়াসহ সাজাপ্রাপ্ত ১৫ জন আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছে। বিদেশে পলাতক আসামি মাওলানা তাজউদ্দীন, মো. হারিছ চৌধুরী (প্রয়াত) ও রাতুল আহম্মেদ বাবু ওরফে রাতুল বাবুদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করা আছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াত জোটের নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে গ্রেনেড হামলা করা হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩০২/৩৪ ধারা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ১৯০৮-এর ৩/৪ ধারায় মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের হয়, যার নম্বর-৯৭ তারিখ-২২/৮/২০০৪ খ্রিষ্টাব্দ।

তিনি বলেন, মামলাটির কার্যক্রম দীর্ঘ তদন্ত শেষে মোট ৫২ আসামির বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। রায় ঘোষণার পূর্বে অভিযোগপত্রভুক্ত ৫২ জন আসামির মধ্যে তিনজনের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হয়। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল নম্বর-০১, ঢাকার বিজ্ঞ বিচারক ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর তারিখে রায় ঘোষণা করেন। বিচারে ৪৯ জন আসামির সাজা হয়, যার মধ্যে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়। সাজাপ্রাপ্ত ৪৯ আসামির মধ্যে ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

৩ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক

৩ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক
ছবি: সংগৃহীত



চট্টগ্রাম, নরসিংদী ও নওগাঁয় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার এ তিন জেলায় ডিসি নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।


নওগাঁর ডিসি মোহাম্মদ আব্দুল আউয়ালকে চট্টগ্রামের ডিসি পদে বদলি করা হয়েছে।


আর স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন নরসিংদী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মনিরা হক নওগাঁর ডিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।


চট্টগ্রামের ডিসি ফরিদা খানমকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব নিয়োগ পেয়েছেন নরসিংদীর ডিসি মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরী।


সরকারের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। জেলা পর্যায়ে ডিসি কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন।


ডিসি জেলার সাধারণ প্রশাসনিক কার্যক্রম, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং কালেক্টর হিসেবে ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো দেখে থাকেন। এছাড়া নির্বাচিত সরকারের বিশেষ কর্মসূচি এবং চলমান সব উন্নয়নমূলক কাজে জেলা প্রশাসক তদারকি করে থাকেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

জাতীয় স্বার্থ কমপ্রোমাইজ করে কোনো পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করব না: আসিফ মাহমুদ

জাতীয় স্বার্থ কমপ্রোমাইজ করে কোনো পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করব না: আসিফ মাহমুদ
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ কমপ্রোমাইজ করে আমরা কোনো পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করব না। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় স্বার্থ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে রক্ষা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভারতের সাথে পূর্বের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে সরে এসেছে। ভবিষ্যতের সম্পর্কগুলোও জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করেই পরিচালিত হবে।


বুধবার দুপুরে কুমিল্লা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর লালমাই অডিটোরিয়ামে "ফিনান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন" বিষয়ক আন্তর্জাতিক কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এই মন্তব্য করেন। কর্মশালার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।


স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করে জনপ্রতিনিধিদের কার্যক্রম পরিচালনা করা খুব কঠিন হয়ে পড়ছে। এজন্য স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য নতুন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার কমিশন ও নির্বাচন কমিশন সংস্কার শেষ হলে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।


সমাপনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বার্ড-এর মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব সাইফ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন আর্ডো'র গবেষণা বিভাগের প্রধান ড. খুশনুদ আলী।


এই কর্মশালায় ১২টি দেশের ২০ জন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে ছিল শ্রীলঙ্কা, মিশর, ভারত, ঘানা, জাম্বিয়া, নামিবিয়া, গাম্বিয়া, পাকিস্তান, ওমান, মালয়েশিয়া, কেনিয়া এবং বাংলাদেশ।


আফ্রিকান-এশিয়ান রুরাল ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন (আর্ডো) এর সদস্য রাষ্ট্রসমূহের নীতি-নির্ধারক ও আর্থিক সেবা প্রদানকারী কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিই ছিল এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের উদ্দেশ্যে, পল্লী এলাকায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের কৌশল শিখতেই এই দুই সপ্তাহব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

তত্ত্বাবধায়ক সরকার গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক ব্যবস্থা : অ্যাটর্নি জেনারেল

তত্ত্বাবধায়ক সরকার গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক ব্যবস্থা : অ্যাটর্নি জেনারেল
ছবি: সংগৃহীত



অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক ব্যবস্থা। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের রায়ের ফলে মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারবেন, দিনের ভোট রাতে হবে না। মৃত মানুষও ভোট দিতে পারবেন না। এর মধ্য দিয়ে দেশ গণতান্ত্রিক মহাসড়কে হাঁটা শুরু করলো।


বৃহস্পতিবার সকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনবর্হাল করে আপিল বিভাগ রায় দেওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন, আপিল বিভাগ আগে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে রায় দিয়েছিলেন। সেই রায়টি আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিক্রমে বাতিল করেছেন। আপিল বিভাগ এই রায়কে প্রসপেক্টিভ ইফেক্ট দিয়েছেন। অর্থাৎ আগামী সংসদ ভেঙে যাওয়ার পর এই রায় কার্যকর হবে। ফলে ত্তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল হলো। 


তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে ১৯৯৬ সালে আনা হয়েছিল। সেটাকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না বলে, এটা সাংবিধানিক বলে ঘোষিত হলো। ত্তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি সহায়ক ব্যবস্থা হিসেবেই হয়তো পূর্ণাঙ্গ রায়ে আসবে। কারণ এই লাইনে শুনানির ভিত্তিতেই কনক্লুশন এসেছে।


নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা থাকলে সংবিধানের ৫৮(গ)৩ অনুসারে প্রধান বিচারপতিই কি এই সরকারের প্রধান হবেন? জুলাই সনদে কিন্তু ভিন্ন ধরনের কথা বলা হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায় আসলে সেটা দেখা যাবে।


পঞ্চদশ সংশোধনী মামলার সঙ্গে এই রায় কোনভাবে সাংঘর্ষিক হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল। এটা পঞ্চদশ সংশোধনীর ইস্যু। অসৎ উদ্দেশ্যে এই সংশোধনী আনা হয়েছিল উল্লেখ করে হাইকোর্ট এটাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে। হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছেন, সে পার্টটা আপিল বিভাগে চ্যালেঞ্জ হয়নি। যদি চ্যালেঞ্জ হয়ও, আপিল বিভাগ এই রায়টাকে অতিক্রম করবে না। এটা রিভিউয়ের রায়। রিভিউয়ে আপিলের অনুমতি দিয়ে এই রায়টা হয়েছে।


তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পূর্বের অবস্থায় ফিরে গেল। পরবর্তী সংসদ ভেঙে যাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের যে বিধান রয়েছে, সেটা কার্যকর হলো।


এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আজকের রায়ে আগে আপিল বিভাগের দেওয়া রায়টিকে কলঙ্কিত বলা হয়েছে। এটা কেন বলা হয়েছে, সেটা পূর্ণাঙ্গ রায়ে থাকবে। তবে আমি মনে করি, ওই রায়টি ত্রুটিপূর্ণ ও কলঙ্কিত বলেই তা বাতিল করা হয়েছে। শুনানিতে অনেক গুলো কারণ আমরা দেখিয়েছি। তার অন্যতম একটি হলো, ওই রায়টি লেখার ক্ষেত্রে সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকসহ যারা তার সহায়ক ছিলেন, তারা দণ্ডবিধির ২১৯ ধারায় অপরাধ করেছেন। আমাদের আইনে রায়ের সংজ্ঞা বলা আছে, যেটা মুখ দিয়ে ঘোষণা করা হয়, সেটাই রায়। এটা পরিবর্তনের পদ্ধতিও রয়েছে আইনে। তবে তারা কোনো কিছুই অনুসরণ না করে ঘোষিত রায়কে নিজের ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করে দিয়েছেন। এটা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।


আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলোপ করে যে নির্বাচন হয়েছিল, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যে কবর রচিত হয়েছিল, আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল হওয়ার পর গণতান্ত্রিক মহাসড়কে বাংলাদেশ হাঁটবে, কোনটা জাতির কাছে গ্রহণযোগ্য সেটা আপনারা বিবেচনা করবেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড : প্রধান উপদেষ্টা

চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড : প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত




চট্টগ্রাম বন্দরকে দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড আখ্যায়িত করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘নেপাল-ভুটান, সেভেন সিস্টার্সেরও হৃৎপিণ্ড চট্টগ্রাম বন্দর।’


বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি চট্টগ্রাম পৌঁছান। প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজ জন্মস্থান চট্টগ্রামে এটাই তার প্রথম সফর।


প্রধান উপদেষ্টা জানান, ‘চট্টগ্রাম বন্দর শুধু বাংলাদেশের জন্য না, আশেপাশের দেশের জন্যও। যে কারণে নেপালের কথা বললাম, ভুটানের কথা বললাম, সেভেন সিস্টার্সের কথাও বললাম। সবার জন্য মৃত্যুঞ্জয়।’


তিনি জানায়, ‘নেপালের জন্য হৃৎপণ্ডিই নেই। কাজেই আমাদের হৃৎপিণ্ড দিয়ে এটা জ্বালতে হবে। আমরা তাদের সংযুক্ত করতে চাই। এটা তাদেরও লাভ আমাদেরও লাভ। এই হৃৎপিণ্ডে যদি সংযুক্ত হয় সে লাভোবান হবে আমরাও লাভবান হবো। ভুটান যদি সংযুক্ত হয় তারা লাভবান হবে আমরাও হবো। সেভেন সিস্টার যদি যুক্ত হয় তারাও লাভবান হবে আমরাও হবো। এই হৃৎপিণ্ডকে বাদ দিয়ে চললে, যারা এটাকে বাদ দেবে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বহুদিন ধরে ইচ্ছে ছিল চট্টগ্রাম বন্দরে আসব এবং এর অগ্রগতির খোঁজ নেব, সবার সঙ্গে কথা বলব, এই অপেক্ষাতেই ছিলাম। চট্টগ্রাম বন্দর আমার কাছে অপরিচিত কোনো জায়গা নয়। ছাত্র অবস্থায়ই এখানে এসেছি, শুধু জাহাজ দেখার আগ্রহে। তখন জাহাজ থেকে মাল খালাসের দৃশ্য দেখেছিলাম, সেটা ছিল একদম ভিন্ন অভিজ্ঞতা।’


তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু বরাবরের মতোই দুঃখ একটাই, এই বন্দরের পরিবর্তন এত ধীরগতিতে কেন? দুনিয়ার সব কিছু পাল্টে যাচ্ছে, কিন্তু এখানে তেমন পরিবর্তন নেই। এটা আজকের প্রশ্ন না। যখন গাড়ি চলে না, ট্রাক আটকে যায়, মাল খালাস করা যায় না, তখন কতবার গুরুত্বপূর্ণ প্লেন মিস করেছি। এই বিষয়গুলো নিয়ে মাঝে মাঝে কথা বলেছি, লেখালেখিও করেছি।’


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এবার যখন সুযোগ পেলাম, প্রথম দিন থেকেই চেষ্টা করছি, কীভাবে এই ব্যবস্থার পরিবর্তন আনা যায়। এটাকে কি সত্যিকারের বন্দর হিসেবে গড়ে তোলা যায় না? আমরা সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। প্রেজেন্টেশনে যেভাবে ছবিগুলো দেখানো হলো, ভালো লেগেছে। দুনিয়ায় অন্যরা এখানে থেমে নেই, তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। দেখার সময় মনে হচ্ছিল, স্ক্রিনের এক পাশে চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান, অন্য পাশে বিশ্বের বর্তমান, তখনই বোঝা গেল আমরা কতটা পিছিয়ে আছি।’


তিনি আরও বলেন, ‘সার্বিকভাবে এই বন্দরে বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে, কিন্তু কারো মনে হয় না এটার দরকার আছে। তবে ফোন ধরেন চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান সাহেব, তার কথা শুনে আশ্বস্ত হলাম, অন্তত একজন আছেন যিনি মন দিয়ে শোনেন। আমাদের কাজ হচ্ছে তাকে সহায়তা করা।’


তিনি বলেন, ‘আমি সাখাওয়াতকে বলেছি, আমি আর শুনতে চাই না, অমুক তারিখের মধ্যে সব দিয়ে দিতে হবে। যারা বন্দরের ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ, পৃথিবীর যেখানেই থাকুক, তাদের দিয়ে এই কাজ করাতে হবে। যেভাবেই হোক। মানুষ যদি রাজি না হয়, জোরাজুরি নয়, রাজি করিয়েই করতে হবে। কারণ, এই কাজের জন্য রাজি না হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। সবাই চায়, বন্দরের উন্নয়ন হোক। আমি আশিককে পাঠিয়েছি, যাতে সে গিয়ে মানুষকে বোঝায়, আমরা কী করতে চাই, কেন করতে চাই। সেও চেষ্টা করছে।’


ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার চিন্তার কারণ একটাই, বাংলাদেশের অর্থনীতি যদি সত্যিই বদলাতে হয়, তাহলে চট্টগ্রাম বন্দরই আমাদের একমাত্র ভরসা। এটাকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি কোনো নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে পারবে না। এর পথ খুলে দিলে দেশের অর্থনীতির পথ খুলবে। আর না খুললে যতই আমরা লাফালাফি বা ঝাঁপাঝাঁপি করি, কিছুই হবে না।’


তিনি আরও বলেন, ‘কেন আমি এটি নিয়ে ভাবি। একজনকে বলছিলাম, চট্টগ্রাম বন্দর হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃদপিণ্ড। হৃদপিণ্ড দুর্বল হলে ডাক্তার, পদ্ধতি সব কিছু এনে লাভ নেই। কারণ ছোট্ট এই হৃদপিণ্ডটাই যদি রোগাক্রান্ত হয়, তাহলে পুরো শরীরই চলবে না।’


চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল-৫ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা শেষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা। সেখান থেকে চট্টগ্রামের কালুরঘাট রেল কাম সড়ক সেতুর ভিত্তি প্রস্তর উন্মোচন করবেন। দুপুর দুইটায় তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সমাবর্তনে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে অংশ নেবেন।


সমাবর্তন শেষে বিকেলে জোবরা গ্রামে গ্রামীন ব্যাংক পরিদর্শন এবং হাটহাজারীর বাথুয়া গ্রামে নিজ পৈত্রিক নিবাসে যাবেন। সন্ধ্যায় তিনি বিমানযোগে ঢাকায় ফিরবেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

আমরা এমন নির্বাচন চাই যেখানে ভয় ও বাধা থাকবে না: প্রধান উপদেষ্টা

আমরা এমন নির্বাচন চাই যেখানে ভয় ও বাধা থাকবে না: প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত




ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের বিষয়ে গণভোটের বিষয়ে সারাদেশে প্রচারণার লক্ষ্যে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ‘সুপার ক‍্যারাভান’।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় বক্তব্য রাখেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়া অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে ভোটের গাড়ির উদ্বোধন করেন তথ‍্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। সামনে আমাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট।


তিনি বলেন, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করেছে ১০টি ভোটের গাড়ি—সুপার ক্যারাভান। এসব গাড়ি দেশের ৬৪টি জেলা ও ৩০০টি উপজেলায় ঘুরে বেড়াবে। তারা মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেবে, ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করবে এবং গণতন্ত্রের বার্তা ছড়িয়ে দেবে।


‘ভোটাধিকার কারো দয়া নয়—এটি আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমেই আমরা ঠিক করি, আমাদের ভবিষ্যৎ কোনপথে যাবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।’


তিনি বলেন, ‘এই সুপার ক্যারাভান কেবল একটি গাড়িই নয়— এটি গণতন্ত্রের আনন্দবানী বহনকারী বহর। এটি জানিয়ে দেবে, আপনার একটি ভোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এটা মনে করিয়ে দেবে নিষ্ক্রিয়তা নয়, অংশগ্রহণই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে।’


প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি তরুণ সমাজ, নারী ভোটার এবং প্রথমবারের ভোটারদের প্রতি—আপনারা এগিয়ে আসুন। প্রশ্ন করুন, জানুন, বুঝুন এবং ভোট দিন। আপনার সিদ্ধান্তই গড়ে উঠবে আগামী দিনের বাংলাদেশ—নতুন বাংলাদেশ।’


তিনি যোগ করেন, ‘আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে থাকবে না ভয়, থাকবে না বাধা—থাকবে কেবল জনগণের মুক্তও নির্ভীক মতপ্রকাশ। সরকার সেই পরিবেশ নিশ্চিতকরতে বদ্ধপরিকর।’


জনগণকে সৎ ও সমর্থ প্রার্থী বেছে ভোট দিতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা, ‘আপনি দেশের মালিক। এদেশ আগামী পাঁচ বছর আপনার পক্ষে কে চালাবে সেটা আপনি ঠিক করে দিবেন। আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। সৎ ও সমর্থ প্রার্থী বেছে ভোট দিন। চিন্তা ভাবনা করে ভোট দিন। এবারের নির্বাচনে আপনি আরো একটি ভোট দিবেন। জুলাই সনদে ভোট দিবেন। দীর্ঘ ৯ মাস ধরে সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দিনের পর দিন বৈঠককরে এই সনদ তৈরি হয়েছে। এই সনদ দেশের মানুষ পছন্দ করলে দেশ আগামী বহুবছরের জন্য নিরাপদে চলবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আপনি যদি এই সনদ সমর্থন করেন তবে গণভোটে অবশ্যই হ‍্যাঁ ভোট দিন।’


সবশেষে বলেন, ‘চলুন, আমরা সবাই মিলে এই গণতান্ত্রিক যাত্রাকে সফল করি। চলুন, ভোট দিই—নিজের জন্য, দেশের জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য, নতুন পৃথিবীর জন্য।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

৬ বাংলাদেশি জেলেকে অপহরণ করেছে আরাকান আর্মি

৬ বাংলাদেশি জেলেকে অপহরণ করেছে আরাকান আর্মি
ছবি: সংগৃহীত



কক্সবাজারের টেকনাফের সাগরে থেকে মাছ ধরে ফেরার পথে  ছয় জেলেকে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকালে সেন্ট মার্টিনের দক্ষিণে ছেঁড়াদিয়া এলাকায় তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।


টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালিয়া ঘাট ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি সাজেদ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জেলেরা গভীর সাগরে মাছ ধরে ফেরার পথে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয় এবং মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপের একটি খালে নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত তাদের সন্ধান মেলেনি। ঘটনায় জেলে পল্লিগুলোতে আতঙ্ক বিরাজ করছে।


মাছ ধরার ট্রলারটির মালিক জাকির হোসেন জানায়, গত শনিবার আবদুল করিম মাঝিসহ ছয়জন জেলে তার ট্রলারটি নিয়ে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে বিপুল পরিমাণ মাছসহ ট্রলারটি আরাকান আর্মির সদস্যরা নিয়ে গেছে। ট্রলারে থাকা এক জেলে বিষয়টি মুঠোফোনে নিশ্চিত করেছেন।


টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন জানিয়েছেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।


উল্লেখ্য, টেকনাফ সদর, জালিয়াপাড়া, শাহপরীরদ্বীপ ও সেন্ট মার্টিনের প্রায় ৮০০ ট্রলার নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরে মাছ আহরণ করে। বিজিবি সূত্র জানায়, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এবার পর্যন্ত আরাকান আর্মি ৩৪৭ জন বাংলাদেশি জেলেকে অপহরণ করেছে। এর মধ্যে ১৮৯ জন জেলে ও ২৭টি নৌযান ফিরে এসেছে। বাকি ১৫৮ জন জেলেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।


সীমান্ত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রায় ১১ মাসের যুদ্ধে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীকে সরিয়ে রাখাইন রাজ্যের ৮০ শতাংশ এলাকা দখলে নিয়েছে আরাকান আর্মি। সীমান্তে এখনো সংঘাত চলছেই। অপহরণ ও গুলির আতঙ্কের কারণে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন রুটে দুই বছর ধরে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০