

বিপ্লব চক্রবর্ত্তী:
প্রতিনিয়তই কেউ না কেউ চলার পথে কিংবা হঠাৎ করেই সবচেয়ে প্রিয় ও মূল্যবান মোবাইলটি হারিয়ে যাচ্ছে। আর সেই মূল্যবান মোবাইলটি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে দুঃচিন্তায় ভুগতে হচ্ছে দিনের পর দিন। দুঃচিন্তা থেকে মুক্তি দিতেই কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) এর কঠোর দিক নির্দেশনায় ও কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ সন্জুর মোর্শেদ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার এ এস আই মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে সকল হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের নিকট বুঝিয়ে দিচ্ছেন।
উল্লেখ্য যে, গতকাল (২ ডিসেম্বর ) শনিবার কোতয়ালী মডেল থানার এ এস আই মনিরুল ইসলাম গত দুইবছর আগে অশোকতলার বাসিন্দা নারায়ণ চক্রবর্ত্তীর ছোট ছেলে গোবিন্দ চক্রবর্ত্তীর হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি জিডি মূলে উদ্ধার করে হস্তান্তর করেন।
দুই বছর পর হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি হাতে পেয়ে গোবিন্দ চক্রবর্ত্তীর দুচোখ অশ্রুজলে ভেসে গেল।
সদ্য স্নাতক পাশকৃত ছাত্র গোবিন্দ চক্রবর্ত্তী বলেন, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনটি ফেরত পেয়ে আমি প্রথমে সৃষ্টিকর্তার কাছে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় ও কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। শিক্ষাবস্থায় টিউশনির টাকা জমিয়ে এই মোবাইলটি ক্রয় করেছিলাম। টিউশনি করিয়ে কান্দিরপাড় হয়ে বাসায় এসে দেখি আমার শখের ও কষ্টের জমানো টাকা দিয়ে কিনা মোবাইল ফোনটি হারিয়ে গেছে। এমতাবস্থায় আমি সাথে সাথে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হারানো জিডি করে আসি।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনটি প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করে এ এস আই মনিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে প্রতিদিনেই অনেক মোবাইল হারানোর জিডি আসে। কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান স্যার এর কঠোর দিক নির্দেশনায় ও কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ সন্জুর মোর্শেদ স্যারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আমার কাছে আসা প্রতিটা জিডিই গুরুত্ব সহকারে দেখছি এবং প্রতিনিয়ত প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করছি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল,প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলে পিঠা উৎসবের আয়োজন
করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে স্কুল প্রাঙ্গণে পিঠা উৎসবকে ঘিরে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উক্ত পিঠা উৎসবে সকল শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পদচরণায় মুখরিত হয়ে ওঠে স্কুল প্রাঙ্গণ।
এ
পিঠা উৎসবে প্রায় ৩০ এর অধিক স্টলের আয়োজন করা হয়।
সকাল ৯ টায় উৎসবমুখর পরিবেশে সাংস্কৃতিক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অধ্যাপক জামাল নাসেরের সভাপতিত্বে কুমিল্লা মর্ডান হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক এ কে এম আখতার হোসেনের উপস্থিতিতে পিঠা উৎসবের সূচনা করা হয়।
শিক্ষার্থীরা
নানা ধরণের মুখরোচক পিঠা বানিয়ে নিয়ে এসে সেগুলোকে স্টলে সাজিয়ে পরিবেশন করে।
কয়েক ঘন্টা ব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে চলে শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দের অংশগ্রহণে কেনা বেচা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১০ কেজি গাঁজা সহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ ।
শুক্রবার
সকালে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোঃ জাহঙ্গীর আলম এবং সঙ্গীয় ফোর্স সহ থানা
এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ১০নং বাতিসা
ইউপিস্থ দূগার্পুর সাকিনে ঢাকা—চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামগামী রাস্তার মাথায় তল্লাশী
করে ১০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো:
১। মোঃ হাসান(২৮), পিতা-মৃত অলী মিয়া, মাতা-রশিদা বেগম, সাং-বামিশা (উত্তরপাড়া কাজী
বাড়ী) থানা-সদর দক্ষিণ কুমিল্লা, বর্তমানে-সাং-দূগার্পুর (উত্তরপাড়া), পোঃ পাতড্ডা,
থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা ২। মোঃ শাহিন(৩০), পিতা-মৃত আব্দুল ওহাব, মাতা-রশিদা
বেগম, সাং-দূগার্পুর (উত্তরপাড়া), ৩। মোঃ ইসমাইল হোসেন(৩২), পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ,
মাতা- জাহিদা বেগম, সাং-দূগার্পুর (উত্তরপাড়া), সর্ব ইউপিঃ ১০নং বাতিসা, সর্বথানা-চৌদ্দগ্রাম,
জেলা-কুমিল্লা।
উক্ত
আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম
সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বিয়ে করেছেন।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রাতে কুমিল্লার
গ্রামের বাড়িতে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
হাসনাতের একাধিক বন্ধু ও বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকা একাধিক সমন্বয়ক বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাসনাত বিয়ে করেছেন, এটি নিশ্চিত করে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন অ্যাকটিভিস্ট আব্দুল্লাহ হিল বাকী, সমন্বয়ক
তারিকুল ইসলাম, আব্দুল কাদের, আবু বাকের মজুমদারসহ অনেকেই।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক
সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম শনিবার সন্ধ্যায় হাসনাতের বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে ঘরোয়া আয়োজনে হাসনাত আবদুল্লাহর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। হাসনাতের স্ত্রীও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী।
সারজিস আলম হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে
ছবি শেয়ার করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফেসবুকে। তিনি লিখেছেন, আল্লাহ পৃথিবীতে আমাদের জন্য
যা দিয়েছেন তার সবই নেয়ামত। তার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম নেয়ামত হচ্ছে একজন নেককার স্ত্রী।
আজ থেকে তুমি তেমনই একজন স্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করছো।
হাসনাত আব্দুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
ইংরেজি বিভাগের ২০১৬–১৭
শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক ছাত্র তিনি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবীতে মানববন্ধন করেছে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
সোমবার দুপুর ১২ টায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড প্রাঙ্গণে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, কতিপয় অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রী শিক্ষা বোর্ডের এখতিয়ার বহির্ভূত দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে গেটে তালা ঝুলিয়ে অবরুদ্ধ করাসহ গালমন্দ এবং ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। তারই প্রতিবাদে সারাদেশে আন্তঃবোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীরা মানববন্ধন করে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) খেলোয়াড়দের জন্য নব-নির্মিত স্পোর্টস কমপ্লেক্সের উদ্বোধন
করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন।
বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর)
বিকালে লাল ফিতা কেটে স্পোর্টস কমপ্লেক্সটির উদ্বোধন করেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: আসাদুজ্জামান, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা
বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকী, গণযোগাযোগ ও
সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী এম. আনিছুল ইসলাম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের
সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল হক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.
মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জিল্লুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক
প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার এস.এম. শহিদুল হাসান, শারীরিক শিক্ষা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক
মনিরুল আলমসহ অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ
এফ এম আবদুল মঈন বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম স্পোর্টস কমপ্লেক্স
তৈরি হওয়ার কারণে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এখন আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া
প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান করার সক্ষমতা অর্জন করল। এই ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের
মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা্য় অংশগ্রহণের জন্য আমাদের শিক্ষার্থীদের
সক্ষমতা এবং আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে এবং ক্রীড়া কার্যক্রমে তাদের নেতৃত্ব প্রদর্শনে
সহায়ক হবে। এছাড়াও তিনি এ বছরেই খেলার মাঠে গ্যালারী তৈরির পাশাপাশি ভলিবল মাঠ,
হ্যান্ডবল মাঠ ও ব্যান্ডমিন্টন মাঠ করা হবে বলে জানান। এই সমস্ত সুবিধা
বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ বছর না থাকার কারণে আমাদের শিক্ষার্থীরা খেলাধুলায় পিছিয়ে ছিল
যা দূর হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
কয়েদি থেকে কারামুক্ত এক কর্মজীবী নারীতে পরিণত হয়েছেন মোসা: পারভীন আক্তার। হত্যা
মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে ২০০২ সালের ১৯ আগস্ট কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ
করেছিলেন কয়েদি নম্বর ৩৮০২/এ, পারভীন আক্তার। পরে উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে তার সাজা
কমে গিয়ে হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর পর, প্রশিক্ষণ ও কঠোর পরিশ্রমে
অর্জিত ৫৭ হাজার টাকা সঞ্চয় নিয়ে আজ তিনি মুক্ত হলেন।
কারা
বিভাগ "রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ" এই শ্লোগানে বন্দিদের দক্ষতা উন্নয়নে
নানা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায়, কারাগারে অবস্থানকালে পারভীন আক্তার নেন
নকশীকাঁথা সেলাই ও সুঁই-সুতার কাজের প্রশিক্ষণ। তার হাতে তৈরি কারাপণ্য বিক্রি হয় বাণিজ্য
মেলা ও কারাগারের শো-রুমে। বিক্রয়লব্ধ অর্থের ৫০ শতাংশই পারিশ্রমিক হিসেবে বন্দিদের
হাতে তুলে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।
সেই
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আয় থেকেই পারভীন আক্তার নিজের প্রিজনার ক্যাশ একাউন্টে জমা করেন ৫৭
হাজার টাকা। যা তিনি আজ মুক্তির দিন নিজের হাতে পেয়েছেন। প্রশিক্ষণ ও সঞ্চয়ের এই ফল
পেয়ে আবেগাপ্লুত পারভীন জানান, "কারা কর্তৃপক্ষ শুধু শাস্তিই দেয়নি, জীবনের নতুন
আলো দেখিয়েছে। আমি চিরকৃতজ্ঞ।"
বাংলাদেশ
জেলের এই মানবিক ও পুনর্বাসনমূলক দৃষ্টান্ত সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে।
পারভীন আক্তারের জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়— সংশোধনের সুযোগ থাকলে, প্রত্যেক মানুষই
পরিবর্তনের পথে ফিরতে পারেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব -১১, সিপিসি-২।
সোমবার রাতে র্যাব -১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক
দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ধর্মপুর এলাকায় মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ জনি (২৬) ও ২। মোঃ ইমন হোসেন রিয়াদ (১৯) নামক
দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার
করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ জনি (২৬) কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানার ধর্মপুর গ্রামের মৃত আব্দুল রহিম এর ছেলে এবং ২। মোঃ ইমন হোসেন
রিয়াদ (১৯) একই গ্রামের বজল আহমেদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব -১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
গ্রেফতারকৃত ১ নং আসামী মোঃ জনি (২৬)
এর বিরুদ্ধে মাদক মামলাসহ মোট ২ টি মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অস্ত্র ও কার্তুজসহ একজন অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
মঙ্গলবার
(১৭ এপ্রিল) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন উত্তর কালিয়াজুরি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা
করে আসামী মোঃ নাইম (২৪) নামক একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর
কাছ থেকে ১ টি এলজি গান ও ১ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ নাইম (২৪) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার উত্তর কালিয়াজুরি গ্রামের মোঃ তপন
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে
দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম
সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল আসছিল। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের
বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল শনিবার (৩০ নভেম্বর) কুমিল্লার মুরাদনগরে নিজ জন্মভূমিতে সংবর্ধিত হবেন স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, জুলাই বিপ্লবের অন্যতম এ নেতাকে বরণে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টায় মুরাদনগর ডিআর সরকারি হাইস্কুল মাঠে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেব বক্তব্য রাখবেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এরপর যাবেন পৈত্রিক বাড়ি আকুবপুরে। অনুষ্ঠানে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করবেন। উপদেষ্টার আগমন ঘিরে উপজেলা জুড়ে উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। তরুণ এ উপদেষ্টার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে উচ্ছ্বসিত ছাত্র সমন্বয়ক ও আয়োজকবৃন্দ।
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহমান জানান, মধ্যাহ্ন ভোজের আগে উপদেষ্টা উপজেলার কর্মকর্তাদের সাথে একটি মতবিনিময় করবেন। এরপর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে শীত বস্ত্র বিতরণ কমসূচিও রয়েছে। মুরাদনগরবাসীর পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবর্ধনার সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে শেখ কামাল অনূর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ফাইনালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা জেলা দল।
১ ডিসেম্বর শুক্রবার কুমিল্লা স্টেডিয়ামে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয় কুমিল্লাা জেলা দল ও ফেনী জেলা দলের মধ্যে।
উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ফেনী জেলা দলকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেটে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় উচ্ছাসিত ও আনন্দিত কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়বৃন্দ। এর অগে গত মঙ্গলাবার প্রথম সেমি ফাইনালে চট্টগ্রাম জেলা দলকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে কুমিল্লা জেলা দল।
শুক্রবার ফাইনালে ফেনী জেলা দল টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। ৪২ ওভার ৩ বল খেলে ৯২ রানে অলআউট হয় ফেনী জেলা দল। কুমিল্লা জেলার পক্ষে মুশফিকুর ৯ ওভার বল করে ১৬ রান দিয়ে ৫টি উইকেট নেয়। ৯৩ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ১৯ ওভার ৪ বল খেলে ৫ উইকেটে জয় পায় কুমিল্লা জেলা দল। ম্যান অফ দ্যা ফাইনাল হয় কুমিল্লা জেলা দলের মুশফিকুর।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে শেখ কামাল অনূর্ধ্ব-১৮ জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৩-২৪ এর কুমিল্লা ভেন্যুর খেলা গত ১৫ নভেম্বর কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে উদ্বোধন হয়।
খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা জেলা দল ও রানার্সআপ ফেনী জেলা দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি তুলে দেন এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারন সম্পাদক খায়রুল আলম সোহাগ, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সিলেক্টর শামিম ফারুকী, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কোচ ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স, ফেনী জেলা দলের কোচ রিয়াজ উদ্দিন রবিন, কুমিল্লা জেলা দলের কোচ হাবিব মোবাল্লেগ জেমস, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির। ফাইনাল ম্যাচে আম্পায়ার ছিলেন, কাজী শামিম ও আল আমিন ভূইয়া।
মন্তব্য করুন