

হবিগঞ্জ আদালতের এজলাস
থেকে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া মাদক কারবারি রাজু মিয়াকে (২৪) সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ
থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
১০ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে
হবিগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) নির্মলেন্দু চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
হবিগঞ্জের সহকারী পুলিশ
সুপার (এএসপি) নির্মলেন্দু চক্রবর্তী জানান, কোম্পানীগঞ্জে
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা
হয় তাকে।
হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর
উপজেলার শিবরামপুর গ্রামের গ্রামের চান বাদশা মিয়ার ছেলে গ্রেফতারকৃত রাজু।
এএসপি বলেন, গত শনিবার
(০৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে জব্দ করা হয়েছিল হাতকড়াটি। ১০
সেপ্টেম্বর রোববার প্রযুক্তির ব্যবহারসহ বিভিন্ন কৌশলে সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা
হয়েছে তাকে।
আদালত সূত্রে জানা যায়,
গত ৩১ আগস্ট ১৬৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাজুকে আটকের পর মাধবপুর থানায় সোপর্দ করে র্যাব।
গত বৃহস্পতিবার (০৭ সেপ্টেম্বর) তাকে আদালতে নেওয়া হয় পুলিশের করা পাঁচদিনের রিমান্ড
আবেদন শুনানির জন্য।
রিমান্ড আবেদন শুনানির
জন্য হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফখরুল ইসলামের আদালতের এজলাসে তোলা
হয় রাজুকে। সেখান থেকে হাতকড়াসহ দৌড়ে পালিয়ে যায় রাজু। পুলিশ এ ঘটনায় তিন সদস্যের
তদন্ত কমিটি গঠন করে।
মন্তব্য করুন


শহীদ
সাদমানদের রক্ত দিয়ে 'নতুন
সংবিধান' লেখা
হয়ে গিয়েছে। জীবিত সাদমানদের রক্তেই সেই নতুন সংবিধান প্রতিষ্ঠিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয়
যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির।
যুগ্ম
সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির বলেন,
আমরা চাই, বাংলাদেশে
একটি নতুন সংবিধান তৈরি হোক,
যেখানে প্রকৃত অর্থেই জনগণের ক্ষমতায়ন হবে এবং একব্যক্তিকেন্দ্রিক, এক পরিবার কেন্দ্রিক
ক্ষমতার কোনো সুযোগ থাকবে না।
শুক্রবার
(৪ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার দিঘলগাঁও গ্রামে শহীদ হামিদুর রহমান
মজুমদার সাদমানের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা
বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন,
শহীদ সাদমানরা বাংলাদেশকে এক অন্ধকার,
রুদ্ধশ্বাস পরিবেশ থেকে মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। এই
দেশের মানুষ আজীবন তাদের স্মরণ করবে,
তাদের জন্য দোয়া করবে এবং ইতিহাসের পাতায় তাদের অবদান অধ্যয়ন করবে। আমরা
বিশ্বাস করি, সাদমানদের
রক্তে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই রক্তকে আমরা পবিত্র রক্ত মনে
করি। এ রক্তের মাধ্যমেই বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ,
সাম্রাজ্যবাদ ও সম্প্রসারণবাদ পরাজিত হয়েছে। আওয়ামী লীগকে
নিষিদ্ধ করতে হবে, কারণ
তারা শহীদ সাদমানদের হত্যাকারী,
গণহত্যাকারী, শিশু
হত্যাকারী। এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেই।
বর্তমান
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদ সাদমানদের
রাষ্ট্রীয়ভাবে আরও মূল্যায়ন করা হোক,
যেন বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্মৃতির প্রতি চিরকাল শ্রদ্ধা জানাতে পারে। আমরা
চাই, তাদের
ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক,
যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের সংগ্রাম ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। এ বিষয়ে
আমরা সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাই।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা
মহানগর কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মাদ রাশেদুল হাসান, লালমাই
উপজেলা এএসপি নেতা গাজী হুমায়ুন কবির,
ওমর ফারুক, মাঈন
উদ্দিন,কবির
হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার
রাসেল সিদ্দিকী,সদর
দক্ষিণ উপজেলার সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম রাকিব, সদস্য হান্নান,
ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন আয়ান, যুগ্ম
আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ,
লাল সবুজ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা কাউসার আলম,
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লালমাই উপজেলা মুখপাত্র মো. জাহিদুল ইসলাম
ফারাবী এবং মুখ্যসংগঠক মেহেদি হাসান শুভ। এছাড়াও সদস্য ইয়ামিন,
নাজমুল হাসান জয়,
রাকিব, ফারুকসহ
শহীদ সাদমানের আত্মীয়-স্বজনরা কবর জিয়ারতে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ (১৪ নভেম্বর ২০২৪) জাহানাবাদ সেনানিবাসস্থ এএসসি সেন্টার এন্ড স্কুল এ আর্মি সার্ভিস কোরের ৪৩তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান এএসসি সেন্টার এন্ড স্কুল এ পৌছালে তাকে এএসসি কোরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অভ্যর্থনা জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত এএসসি কোরের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং এ কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। একই সাথে তিনি স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী এএসসি কোরের বীর সেনানীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। সেনাবাহিনী প্রধান এএসসি কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এই কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে এএসসি কোরের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জানান। এছাড়াও, তিনি আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে এই কোরের সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান।
উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, সদর দপ্তর আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড এর কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল এএসসি ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আগামীকাল
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সেনাকুঞ্জে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়া।
এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের
একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী এ বি এম আব্দুস সাত্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান
উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এবার প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ থেকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়া।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায়
সেনাকুঞ্জের উদ্দেশে গুলশানের বাসা থেকে বের হবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
একজন বীর উত্তমের স্ত্রী বা বিরোধীদলীয়
নেতা হিসেবে বিগত সময়ে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার সামরিক কর্মকর্তা এ দিবসের
আমন্ত্রণ জানালেও এবার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদমর্যাদার দুজন কর্মকর্তা সস্ত্রীক সাবেক
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমন্ত্রণপত্র দেন।
বিএনপির দলীয় সূত্র বলছে, ২০০৯ সালের
পর এবারই প্রথম বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এ বছর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে মোট ২৬ জন আমন্ত্রণ পেয়েছেন। এর মধ্যে আরও রয়েছেন
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান এবং
অন্য পদমর্যাদার সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন,সংবাদপত্রের গুণগত মানোন্নয়নে টাস্কফোর্স গঠন করবে সরকার। এই টাস্কফোর্স স্বচ্ছতার সঙ্গে সংবাদপত্রের প্রকৃত প্রচারসংখ্যা নির্ধারণ, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন, বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণসহ সংবাদপত্রের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে।
আজ সোমবার (২১ এপ্রিল) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা
অধিদপ্তরের (ডিএফপি) অংশীজনের সভায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
সরকারের
নীতিমালা মেনে সংবাদপত্র প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, যে-সব সংবাদপত্র সরকারি নীতিমালা মেনে প্রকাশিত হবে, সেসব সংবাদপত্র বিজ্ঞাপনসহ সরকারি সুবিধা পাবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরীন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, দৈনিক প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরীফ, দৈনিক দিনকালের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শিমুল বিশ্বাস, দৈনিক নয়াদিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলীসহ বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে যুক্ত হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক সি আর আবরার
(চৌধুরী রফিকুল আবরার)।
তিনি
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন ।
মঙ্গলবার
(৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
অধ্যাপক
সিআর আবরার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক নামকরা শিক্ষক ছিলেন উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন,
কাল (বুধবার) উনি শপথ নেবেন। প্রফেসর ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ অনেক দিন ধরেই বলছিলেন, উনি
একসঙ্গে দুটি মন্ত্রণালয় কাজ করতে পারছেন না। যেহেতু উনি অ্যাডভান্সড স্টেজে, প্ল্যানিং
মিনিস্ট্রিতে অনেক বড় দায়িত্ব ওনার। এজন্য অধ্যাপক সি আর আবরার যুক্ত হচ্ছে উপদেষ্টা
পরিষদে।
প্রসঙ্গত,
বর্তমান শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ এই মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি পরিকল্পনা
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করে আসছেন।
তবে
নতুন কতজন উপদেষ্টা শপথ নেবেন সেটি তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
শফিকুল আলম বলেন, উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন
মাহমুদ অনেকদিন যাবত বলে আসছিলেন, তার পক্ষে একই সঙ্গে পরিকল্পনা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে তার বদলে অধ্যাপক আবরারকে সম্ভবত শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামীকাল
(১৫ অক্টোবর) প্রকাশ করা হবে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,
শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবেন।
ঘরে
বসে ফলাফল যেভাবে জানা যাবে -
প্রার্থীরা অনলাইনে বা মোবাইল ফোনে
এসএমএসের মাধ্যমে তাদের ফলাফল জানতে পারবেন।
মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC
লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার
স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফলাফল।
এ ছাড়াও,
http://www.educationboardresults.gov.bd, http://www.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট
থেকেও ফলাফল জানা যাবে। রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে প্রবেশ করে ফলাফল শিট ডাউনলোড
করা যাবে।
এবছর এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষা শুরু
হয়েছিল গত ৩০ জুন। মোট পরীক্ষার্থী সাড়ে ১৪ লাখের মতো। সাতটি পরীক্ষা হওয়ার পর সরকারি
চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে কয়েক দফায়
পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। তখন পর্যন্ত ছয়টি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি ছিল। এ ছাড়া ব্যবহারিক
পরীক্ষাও বাকি।
পরে সিদ্ধান্ত হয় যে ১১ আগস্ট থেকে
নতুন সময়সূচিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরে তা হয়নি। সচিবালয়ের ভেতরে ঢুকে পরীক্ষার্থীরা
বিক্ষোভ ও ঘেরাও করলে এবারের এইচএসসি বা সমমানের স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করতে বাধ্য
হয় শিক্ষা বিভাগ। মাঝপথে বাতিল করা এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে
এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বিষয় ম্যাপিং করে।
মন্তব্য করুন


জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গুরুতর আহতদের
খোঁজ নিতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আগারগাঁওয়ের
হাসপাতালটিতে পরিদর্শনে যান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
জুলাই-আগস্টে ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে গুরুতর
আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৮ শিক্ষার্থীসহ
গুরুতর আহত কমপক্ষে ১১ জন হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ সময় হাসপাতালের পরিচালক কাজী দীন
মোহাম্মদ বলেন, হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ৪ শিক্ষার্থীর
অবস্থা প্রধান উপদেষ্টা দেখেছেন। চারজনেরই মাথায় গুলি লেগেছে। তাদের অবস্থার উন্নতি
হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ক্লাস রুটিন প্রকাশ করেছে । ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এক শিফট ও দুই শিফটের স্কুলের জন্য আলাদা রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে।
২৮ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) মাউশি অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এস এম জিয়াউল হায়দার হেনরির স্বাক্ষরিত এ রুটিন প্রকাশ করা হয়, যা প্রণয়ন করেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি)।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রুটিন প্রকাশ করেছে ।
মাউশির প্রকাশ করা মাধ্যমিকের নতুন রুটিন অনুযায়ী, এক শিফটের স্কুলগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। আর দুই শিফটের স্কুলগুলো চলবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৫টা পর্যন্ত। প্রথম শিফট সাড়ে ১২টায় শেষ হয়ে দ্বিতীয় শিফট শুরু হবে।
নতুন এ রুটিনে আরো বলা হয়েছে, বিশেষ প্রয়োজনে একই দিনের বিষয়গুলোর পিরিয়ড পারস্পরিক পরিবর্তন করা যাবে।
তবে রুটিনে দশম শ্রেণির অংশ ফাঁকা রাখা হয়েছে। স্কুলগুলোকে দশম শ্রেণির রুটিনের বিষয়গুলো নিজেদের মতো করতে হবে।
এদিকে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ধারাবাহিকতায় আগামী বছর অষ্টম ও নবম শ্রেণিতেও নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে।
আর নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ থেকে শিক্ষার্থীদের ছয় পিরিয়ড ক্লাস হবে। তবে আগের শিক্ষাক্রমের দশম শ্রেণি শিক্ষার্থীদের ক্লাস হবে ৭ পিরিয়ড।
মন্তব্য করুন


মানিকগঞ্জের সিংগাইর হেমায়েতপুর আঞ্চলিক সড়কের পশ্চিম দাশড়া এলাকা থেকে ৫২ গ্রাম হেরোইনসহ ৪ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
২৭ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ইনচার্জ আবুল কালামের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলো: মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বাড়াই ভিকরা এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে মাহফুজ (৪০), মৃত কুদ্দুস ভুঁইয়ার ছেলে ইয়াছিন (৫০), পশ্চিম দাশড়া এলাকার মৃত শাহজাহান হোসেনের ছেলে সাগর হোসেন (৩০), গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া পাটগাছি এলাকার লিটন মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া (২৯)।
ডিবি পুলিশের ইনচার্জ আবুল কালাম জানান, সিংগাইর হেমায়েতপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে পশ্চিম দাশড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের হেরোইন জব্দ করা হয়।
ডিবি পুলিশের ইনচার্জ আবুল কালাম আরও বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মামলা বিচারাধীন আছে এবং নতুন করে সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে কার্যকরভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না
কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে। রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করার মতো দুঃসাহস যে সমস্ত
সন্ত্রাসী দেখিয়েছে, তাদের যথাযথভাবে দমন করা হবে।
মন্ত্রী
আজ রোববার ( ৩১মে ) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের
বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী
বলেন, সলিমপুর, জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগরসহ পার্শ্ববর্তী সমগ্র এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আনা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। সেজন্য
এই অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী
বলেন, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় পরিকল্পিত সরকারি স্থাপনা ও একাডেমি নির্মাণের লক্ষ্যে
আজ সব বিভাগীয় প্রধানদের সাথে ম্যাপ পর্যালোচনা করে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি
বলেন, প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের বর্তমান কারাগারটি বায়েজিদ লিঙ্ক রোডের পাশের ওই এলাকায়
স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ শিগগিরই স্থানটি সরেজমিনে
পরিদর্শন করবেন। তিনি আরো বলেন, কারা অধিদপ্তর প্রথমে কারাগারের নির্ধারিত স্থানটি
নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পরবর্তী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করবে, যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে
অত্যন্ত জরুরি। অন্যান্য সরকারি দপ্তরের জন্য কোন স্থানে কী স্থাপনা করা হবে, তাও সুনির্দিষ্ট
পরিকল্পনার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা ও যৌথ অভিযান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী
বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে কেবল প্রচলিত ধারার পুলিশিং নয়, বরং র্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ
রাষ্ট্রের সকল বাহিনী হেলিকপ্টার সাপোর্টের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন,
রাষ্ট্রের কল্যাণে ও জননিরাপত্তা বিধানে সকল বাহিনী একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। জঙ্গল সলিমপুরের
মতো রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি ও বোয়ালখালীসহ সব অঞ্চলের সন্ত্রাসীদের তালিকা
ও আস্তানা চিহ্নিত করে সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে নির্মূল করা হবে। তিনি আরো বলেন,
রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ওপর হামলাকারী ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে
না এবং তাদের সর্বশেষ আস্তানাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।
মন্ত্রী
এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির টেকসই উন্নয়ন, দেশের কল্যাণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
গণমাধ্যমকর্মীদের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
উচ্চপর্যায়ের
এই বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ
হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলার সংসদ সদস্যবৃন্দ,
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মোঃ আলী হোসেন ফকির,
বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল সৈয়দ মোঃ মোতাহার হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম
রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত
আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম-সহ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন