

ক্রেতা বিক্রেতার মাঝে খাওয়া নিয়ে তর্কবিতর্ক হওয়া নতুন কিছু নয়। খাওয়া নিয়ে তাদের মাঝে টক ঝাল মিষ্টি সম্পর্ক যেন লেগেই থাকে। ক্রেতাকে সামলানো বিক্রেতার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক সময়ে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে বনিবনা না হলে উভয়ের মাঝে তর্কবিতর্কও হয়। তবে কিছু বিক্রেতা আছেন যারা অতিরিক্ত রাগের বশে ক্রেতাদের গায়ে হাত তুলেন।
কিন্তু তাই বলে অস্ত্র দিয়ে কোপানো?
এমন অদ্ভুত ঘটনাটা কিন্তু সত্যি ঘটেছে।
তবে ঘটনাটি আমাদের দেশে নয় এটি ঘটেছে ভারতের রাজধানী দিল্লির শাহদারা এলাকায়।
আনন্দবাজারে প্রকাশিতে এক সংবাদে দেখা যায়, মোমো খেতে গিয়ে একটু বেশি চাটনি চাওয়ার ফলে ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন এক যুবক। বেশি চাটনি বেশি চাওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছেন মোমো বিক্রেতা।
এ ঘটনার শিকার ওই যুবকের নাম সন্দীপ।
তিনি বুধবার সন্ধ্যায় মোমো খেতে গিয়েছিলেন একটি দোকানে। মোমো খাওয়ার সময় আরও একটু চাটনি চেয়েছিলেন মোমো বিক্রেতার কাছে। কিন্তু তিনি দিতে রাজি হননি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, এরপর এ নিয়েই শুরু হয় কথা কাটাকাটি । পরে পরিস্থিতি হয়ে ওঠে আরও উত্তপ্ত । আর এর মধ্যেই আচমকা একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই যুবককে আঘাত করেন মোমো বিক্রেতা। স্থানীয়রা পরে ওই মোমো বিক্রেতাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
তবে আহত সে যুবক শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
মন্তব্য করুন


ক্রেতা বিক্রেতার মাঝে খাওয়া নিয়ে তর্কবিতর্ক হওয়া নতুন কিছু নয়। খাওয়া নিয়ে তাদের মাঝে টক ঝাল মিষ্টি সম্পর্ক যেন লেগেই থাকে। ক্রেতাকে সামলানো বিক্রেতার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক সময়ে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে বনিবনা না হলে উভয়ের মাঝে তর্কবিতর্কও হয়। তবে কিছু বিক্রেতা আছেন যারা অতিরিক্ত রাগের বশে ক্রেতাদের গায়ে হাত তুলেন।
কিন্তু তাই বলে অস্ত্র দিয়ে কোপানো?
এমন অদ্ভুত ঘটনাটা কিন্তু সত্যি ঘটেছে।
তবে ঘটনাটি আমাদের দেশে নয় এটি ঘটেছে ভারতের রাজধানী দিল্লির শাহদারা এলাকায়।
আনন্দবাজারে প্রকাশিতে এক সংবাদে দেখা যায়, মোমো খেতে গিয়ে একটু বেশি চাটনি চাওয়ার ফলে ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন এক যুবক। বেশি চাটনি বেশি চাওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছেন মোমো বিক্রেতা।
এ ঘটনার শিকার ওই যুবকের নাম সন্দীপ।
তিনি বুধবার সন্ধ্যায় মোমো খেতে গিয়েছিলেন একটি দোকানে। মোমো খাওয়ার সময় আরও একটু চাটনি চেয়েছিলেন মোমো বিক্রেতার কাছে। কিন্তু তিনি দিতে রাজি হননি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, এরপর এ নিয়েই শুরু হয় কথা কাটাকাটি । পরে পরিস্থিতি হয়ে ওঠে আরও উত্তপ্ত । আর এর মধ্যেই আচমকা একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই যুবককে আঘাত করেন মোমো বিক্রেতা। স্থানীয়রা পরে ওই মোমো বিক্রেতাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
তবে আহত সে যুবক শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
মন্তব্য করুন


সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের (এসইএআরও) আঞ্চলিক পরিচালক পদে বঙ্গবন্ধুর নাতনি সায়মা ওয়াজেদকে মনোনয়ন দিয়েছে।
এসইএআরও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ছয়টি আঞ্চলিক অফিসের মধ্যে একটি, যা সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত।
এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে সায়মা ওয়াজেদ বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এসইএআরও এর আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ সরকার আমাকে মনোনীত করায় আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি।
নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলের জনস্বাস্থ্য নীতি ও অনুশীলনে তার দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায় কাজ করার পরিকল্পনা করছেন বলে জানান তিনি।
সায়মা ওয়াজেদ বলেন, আমি অংশীদারত্বে কাজ করতে বিশ্বাসী এবং কমিউনিটির কথা শুনে স্থায়ী সমাধান তৈরি করতে আগ্রহী, যা মাঠ পর্যায়ে কাজ করে। এটি আজ পর্যন্ত আমার কাজকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছে এবং এটি আমি এই ভূমিকায় নিয়ে আসবো বলে আশা করি।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন ১৯৯৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ২০০২ সালে ক্লিনিক্যাল মনস্তত্ত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৪ সালে স্কুল সাইকোলজির ওপর বিশেষজ্ঞ ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময় তিনি বাংলাদেশের নারীদের উন্নয়নের ওপর গবেষণা করেন। এ বিষয়ে তার গবেষণাকর্ম ফ্লোরিডার অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সের কাছ থেকে শ্রেষ্ঠ সায়েন্টিফিক উপস্থাপনা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
সায়মা ওয়াজেদ ২০০৮ সাল থেকে শিশুদের অটিজম এবং স্নায়ুবিক জটিলতা সংক্রান্ত বিষয়ের ওপর কাজ করছেন। তিনি ২০১১ সালে ঢাকায় অটিজম বিষয়ক প্রথম দক্ষিণ এশীয় সম্মেলন আয়োজন করেন। ২০১৩ সাল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষজ্ঞ পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। যার স্বীকৃতিস্বরূপ, বিশ্ব সংস্থা কর্তৃক ২০১৪ সালে ডব্লিউএইচ ও অ্যাক্সিলেন্স পুরস্কারে ভূষিত হন।
মন্তব্য করুন


স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দুর্ধর্ষ ডাকাত। ভারতের পাঞ্জাবের অপরাধ জগতে তাদের বেশ নামডাক ।
গত ১০ জুন লুধিয়ানায় একটি বড়সড় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। খোয়া যায় ৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জানতে পারে, এই ডাকাতির নেপথ্যে রয়েছেন মনদীপ, জসবিন্দরদের দল। তারপর থেকে তাদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করে পাঞ্জাব পুলিশ।
সম্প্রতি অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ফাঁদ পেতে ৮ কোটি ৪৯ টাকা লুট করে পালানো মনদীপ কৌরকে ধরেছে পুলিশ। পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন মনদীপের স্বামী জসবিন্দর সিংহও।
সম্প্রতি পুলিশ গোপন সূত্রে জানতে পারে, লুধিয়ানায় ডাকাতিতে সাফল্য পাওয়ার পর নেপালে পালানোর ছক কষেছেন এই ডাকাত দম্পতি। তবে দেশ ছাড়ার আগে তারা কয়েকটি তীর্থস্থানে ঘুরে পুণ্য সঞ্চয় করতে চান। হেমকুণ্ড, কেদারনাথ, হরিদ্বার তাদের তালিকায় ছিল। লুধিয়ানার সাফল্যের পর ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাতে প্রথমেই তারা হেমকুণ্ড সাহিবের গুরুদ্বারে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন।
সেই সূত্র ধরেই উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার হেমকুণ্ড সাহিবে আগে থেকেই ওত পেতে ছিল পাঞ্জাব পুলিশের একটি দল। সেখানে ‘ডাকু হাসিনা’ নামে পরিচিত মনদীপ কৌরকে ধরার জন্য ফাঁদ পাতা হয়েছিল। গুরুদ্বারের সামনে সাধারণত অনেকেই কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে যাতায়াত করেন। পুলিশ সেখানে বিনামূল্যে পানীয়ের বন্দোবস্ত করে। ১০ টাকা দামের পানীয় বিনামূল্যে গুরুদ্বারে আসা পুণ্যার্থীদের দেওয়া হচ্ছিল। ডাকাত দম্পতিও পানীয় নিতে যান। তা খাওয়ার জন্য তাদের মুখের কাপড় সরাতে হয় আর সে সুযোগেই পুলিশ দম্পতিকে চিহ্নিত করে।
তবে সঙ্গে সঙ্গে মনদীপ বা তার স্বামীকে ধরা হয়নি। গুরুদ্বারে প্রবেশ করে তাদের প্রার্থনা করার সুযোগ দিয়েছিল পুলিশ। প্রার্থনা শেষে বেরিয়ে আসার পর ধাওয়া করে তাদের ধরা হয়। লুধিয়ানার ডাকাতির ঘটনায় এখনও পর্যন্ত নয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আরও তিন জনের খোঁজ চলছে। তবে ডাকাতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিলেন মনদীপরাই। তাদের কাছ থেকে তৎক্ষণাৎ ২১ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


জাতি
গঠনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশকে ধ্বংসাবশেষ থেকে ঘুরে দাঁড়াতে প্রবাসীরাই মূল ভূমিকা পালন
করেছেন।
আজ
শুক্রবার টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক কমিউনিটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য
রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এটাই সত্য যে কঠিন সময়ে দেশের যে টিকে থাকা—তা সম্ভব হয়েছে প্রবাসীদের
পাঠানো রেমিটেন্সের কারণে’।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, ক্ষমতাচ্যুত পতিত সরকার রাষ্ট্রীয় কোষাগার এবং ব্যাংক শূন্য করে গিয়েছিল
এবং যদি প্রবাসীরা সহায়তা না করতেন, তাহলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারত না।
তিনি
বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অবশ্যই তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে, তবে জাতি গঠনে প্রবাসী
বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত।
প্রধান
উপদেষ্টা প্রবাসীদের বাংলাদেশে ব্যবসা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
‘একজন নাগরিক হিসেবে আপনাদেরই
রাষ্ট্র মেরামতের দায়িত্ব নিতে হবে,’ তিনি বলেন।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, প্রবাসীদের বাংলাদেশে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব রয়েছেন, তাদের ব্যবসাও
আছে—এই কারণে তারা নিয়মিত বাংলাদেশে
যাতায়াত করেন।
‘তাই সামগ্রিকভাবে আমাদের
একসঙ্গে কাজ করতে হবে...আপনারা জাপান সরকারের ওপর প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করুন,’বলেন
তিনি।
প্রধান
উপদেষ্টার জাপান সফরের তৃতীয় দিনে আজ তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়— যথাক্রমে অর্থনৈতিক সংস্কার
ও জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীলতা জোরদার করতে ডেভেলপমেন্ট পলিসি লোন (৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন
ডলার), জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী ডুয়াল-গেজ ডাবল-লেন রেলওয়ে প্রকল্পের জন্য ঋণ (৬৪১ মিলিয়ন
ডলার) এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন স্কলারশিপ অনুদান (৪.২ মিলিয়ন ডলার)।
বাংলাদেশের
পক্ষে রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী এবং জাপানের পক্ষে দেশটির রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা সমঝোতা
স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস দলিল এমওইউ স্বাক্ষরের এই আনুষ্ঠানিকতা প্রত্যক্ষ করেন।
পরে,
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া নৈশভোজে তিনি অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত রাতে কায়রোর আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিয়েছেন।
আজ শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় এ কথা বলা হয়েছে।
আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. সালামা দাউদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অধ্যাপক ড. ইউনূসকে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. মাহমুদ সিদ্দিক।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন।
রোববার (২৫ আগস্ট) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বন্যাদুর্গতদের সহায়তার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে ২০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদানের চেক তুলেন দেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
পাশাপাশি চীনা রেড ক্রসও বাংলাদেশের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এক লাখ মার্কিন ডলারের মানবিক সহায়তা প্রদান করবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করায় চীনা নেতা এবং জনগণের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানান।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সবুজ অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে চীনের কিছু সোলার প্যানেল কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বেইজিং ঢাকার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত এবং আমি আশাবাদী যে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নপূরণ সফল হবে।
তিনি প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে বলেন, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল এবং সমৃদ্ধ হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে চীন ও বাংলাদেশের কৌশলগত এবং সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বের সম্পর্ক উচ্চ শিখরে রয়েছে এবং উভয় দেশ আগামী বছর তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বছর উদযাপন করবে।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বেইজিং ও ঢাকার মধ্যে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন এবং চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে কারখানা স্থানান্তরের আহ্বান জানিয়ে বলেন, চীন সোলার প্যানেলের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, তবে রপ্তানি বাজারে ক্রমবর্ধমান বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
তিনি উভয় দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে চীনে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। তিনি উভয় দেশের মধ্যে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও কৃষিখাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বানও জানান।
ইয়াও ওয়েন বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা কবলিত অঞ্চলে অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পেতে চীনা সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।
বৈঠকে ড. ইউনূস আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশে বসবাসরত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে রাজনৈতিক, আর্থিক ও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে চীন।
প্রধান উপদেষ্টা চীনে তার স্মৃতি স্মরণ বলেন, চীনের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনূস সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে এবং অনেক তরুণ ত্রি-জিরো ক্লাব গঠন করেছে। এসব ক্লাবের সদস্যরা দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি দুই দেশের তরুণ সম্প্রদায় এবং জনগণের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে চীনা রাষ্ট্রদূত ড. ইউনূসকে তার সুবিধাজনক সময়মতো চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন একটা সন্ধিক্ষণ পার করছে, তবে বাংলাদেশের জনগণ এই চ্যলেঞ্জ অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।
মন্তব্য করুন


পশ্চিম আফ্রিকার দেশ
সেনেগালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ জন
নিহত ও আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
২৬ জুলাই বুধবার দেশটির
উত্তরাঞ্চলে একটি মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে
বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়,
বুধবার উত্তর সেনেগালে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির
প্রেসিডেন্ট ম্যাকি স্যাল। দুর্ঘটনাটি এন২ নামে পরিচিত সেনেগালের অন্যতম প্রধান
একটি মহাসড়কের এসজিউসে স্যার নামক একটি গ্রামে ঘটেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
লোগা
শহরের ডেপুটি মেয়র মাদজিগুয়েন গুয়ে সানকারে রয়টার্সকে বলেছেন, দুর্ঘটনার সময়
একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে যায়। আর এতেই প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় ইস্ট এশিয়া সামিটে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে মিয়ানমার সংকটের ব্যাপারে টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন । রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনে বিলম্ব ও মানবিক সহায়তার অভাব সমগ্র অঞ্চলকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
আজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইউএস নিউজ।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাষ্ট্র বাংলাদেশে লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রিত। কেননা, এ জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছিল মিয়ানমার সরকার। দেশটিতে চলমান সংঘাত এর মূল কারণে। যে কারণেই বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মিয়ানমারের এ সংকট সমাধানে টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানান।
৪৩ তম আসিয়ান সম্মেলন ও ১৮ তম ইস্ট এশিয়া সামিটে যোগ দিতে জাকার্তায় রয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন। গত সোমবার স্ত্রী অধ্যাপক ড. রেবেকা সুলতানাসহ ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন রাষ্ট্রপতি।
রাজধানীর জাকার্তা ৫-৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ৪৩ তম আসিয়ান (দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলির সংস্থা) শীর্ষ সম্মেলনে ও ১৮ তম ইস্ট এশিয়া সামিটে যোগ দেন তিনি।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী, আইওরা মহাসচিব ও আরও কয়েকজন রাষ্ট্রীয় নেতার সঙ্গে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির।
মন্তব্য করুন


খ্যাতনামা গজল গায়ক পঙ্কজ উদাস মারা গেছেন।
পঙ্কজ উদাসের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে নায়াব উদাস। তিনি বলেছেন, গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি, পদ্মশ্রী শিল্পী পঙ্কজ উদাস ২৬ ফেব্রুয়ারি মারা গেছেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি।
পঙ্কজ উদাস ভারতের গুজরাটে জন্মগ্রহণ করেন। মূলত গজল গায়ক হিসেবে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। ১৯৮০ সালে ‘আহত’ শিরোনামের গজল অ্যালবাম প্রকাশের মাধ্যমে তিনি তার সংগীত দুনিয়ায় পা রাখেন।
পঙ্কজ উদাসের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত কয়েকদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না।
তার সঙ্গীত জীবনের বিস্তার চার দশকেরও বেশি সময়। ৮০'র দশককে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন পঙ্কজ।
চান্দি জ্যায়সা রঙ্গ, না কাজরে কি ধার, দিওয়ারো সে মিল কর রোনা, আহিস্তা,থোড়ি থোড়ি প্যার করো, নিকলো না বেনাকাব— পঙ্কজ উদাসের গাওয়া অসাধারণ সব গজল আজও শ্রোতাদের মনের রসদ। নশা, পয়মানা, হসরত, হামসফর-এর মতো বেশ কয়েকটি বিখ্যাত অ্যালবামও রয়েছে তার ঝুলিতে।
মন্তব্য করুন


হজের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ৪১৯ জন হজ যাত্রী নিয়ে দেশে ফিরেছে।
আজ (২১ জুন) বিজি ৩৩২ ফ্লাইটটি সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এসে পৌঁছেছে।
বিমানবন্দরে হাজীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান। সুস্থ ও শান্তিপূর্ণভাবে হজ সম্পন্ন করে দেশে ফিরতে পাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন যাত্রীরা।
এসময় বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, সব হজযাত্রী যেন সুষ্ঠুভাবে দেশে ফিরতে পারে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ফ্লাইটের মাধ্যমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পোস্ট ফ্লাইট অপারেশন্স শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত।
আগত হজযাত্রীদের বিমানের বোডিং গেটে ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। সব হজযাত্রীকে বিমানের বুথ থেকে জমজমের পানি বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল ইসলাম, বিমানের পরিচালক (গ্রাহক সেবা) হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন