

১৪ বছর পর সেমিতে উঠেও কুয়েত বাধা টপকাতে পারেনি জামাল ভূঁইয়ারা। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত খেলেও ফাইনালে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। ফাইনালে খেলার স্বপ্ন পূরণ না হলেও ব্যক্তিগত একটি অর্জন সঙ্গী হয়েছে বাংলাদেশের গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোর। এবারের সাফের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতেছেন তিনি।
সেমি শেষে বাংলাদেশ দল দেশে ফিরে আসায় মঞ্চে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেননি বাংলাদেশ দলের গোলরক্ষক। তাই জিকোর পক্ষ থেকে স্মারক পুরস্কার গ্রহণ করেছেন সাফের কম্পিটিশন ম্যানেজার আসিফ। তিনি বাংলাদেশে এসে জিকোকে সেটি বুঝিয়ে দেবেন।
টুর্নামেন্টের ফাইনাল শেষে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সেরা গোলরক্ষকের এই স্বীকৃতি পান জিকো।
সেরা গোলরক্ষক হওয়ার পর কাল রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়ার সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে আনিসুর রহমান লিখেছেন, 'আলহামদুলিল্লাহ। সাফ টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক।'
এরপর সেই পোস্টের মন্তব্যে আনিসুর রহমান লিখেছেন, 'তাদেরকে বলে দিয়েন সাফ টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষক আপনাদের জিকো।'
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
ভিক্টোরিয়ান্সের মুখোমুখি হয়েছে খুলনা। আগে ব্যাট করে
লড়াই করার মতো পুঁজি
পেয়েছে বিজয়বাহিনী। আসরের
শুরুটা ভালোই ছিল খুলনা টাইগার্সের।
কিন্তু ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি
খুলনা টাইগার্স।
২০২৪
বিপিএলের ৩২তম ম্যাচে আজ
৮ উইকেট হারিয়ে কুমিল্লার সামনে ১৬৫ রানের লক্ষ্য
ছুড়ে দিয়েছে খুলনা টাইগার্স। সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেছেন
দলটির ক্যারিবীয় মিডল অর্ডার ব্যাটার
এভিন লুইস। শেষদিকে ১১ বলে ২০
রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন
দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার ওয়েইন পারনেল।
চট্টগ্রামের
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস আগে ব্যাট
করতে নামে খুলনা। ২
ওপেনার অ্যালেক্স হেলস ও আফিফ
হোসেন মিলে ৩২ রানের
জুটি গড়েন। হেলস ১৭ বলে
২২ রান করে বিদায়
নেন। তুলনায় আফিফ রান তোলেন
ধীরে। ৩৩ বলে ২৯
রানের ইনিংস খেলেন তিনি। হেলস বোল্ড হয়ে
ফেরেন ম্যাথু ফোর্ডের বলে। তারপর
অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় ১৩
বলে ১৮ রান করে
মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বিদায় নেন।
আর আফিফ ফেরেন তরুণ
স্পিনার আলিস ইসলামের ঘূর্ণিতে
পরাস্ত হয়ে। দলীয় ৭৩
রানে ৩ উইকেট হারালেও
বিপদে পড়েনি খুলনা। কারণ হাল ধরেন
লুইস ও জয়। ২জনের
জুটিতে আসে ৫৭ রান।
ফেরেন ১৯ বলে ২৮
রান করে।
মন্তব্য করুন


একমাত্র টেস্টে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫৪৬ রানের জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা। রান বিবেচনায় এটি টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। আন্তর্জাতিক টেস্ট ইতিহাস দেখলে রান হিসাবে এটি তৃতীয় বড় জয়।
এর আগে সবচেয়ে বড় জয় ছিলো ২২৬ রানে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে প্রায় দেড়যুগ আগে ২০০৫ সালে এই জয় পায় বাংলাদেশ।
১৯৩৪ সালের পর এই প্রথম কোনো দল টেস্ট ক্রিকেটে ৫০০ রানের বেশি ব্যবধানে জয় পেলো।
মিরপুরে আগের দিনের ২ উইকেটে ৪৫ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে আফগানিস্তান। যেখানে ঢাকা টেস্টে জিততে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৮ উইকেট। অন্যদিকে, মিরাকল কিছু ঘটাতে আফগানদের লাগবে আরও ৬১৭ রান। আর ড্র করতে হলে উইকেটে কাটাতে হবে পাক্কা দুই দিন!
এমন সমীকরণে দিনের শুরুতেই আফগানিস্তান শিবিরে আঘাত হানে টাইগার পেসার ইবাদত হোসেন। এরপর এতে যোগ দেন শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ। ফলে ১১৫ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। আর ৫৪৬ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিটন দাসের দল।
মন্তব্য করুন


সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিসে অনূর্ধ্ব ১৯ বালক দলগত খেলায় স্বর্ণপদক জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই স্বর্ণপদক অল্পের জন্য মিস হয়েছে। বাংলাদেশ, নেপাল এবং শ্রীলংকার তিন দলের পয়েন্ট সমান হওয়ার ফলে টাই হয়। পরবর্তীতে প্রত্যেক ম্যাচের সেট স্কোর হিসাব করে নেপাল স্বর্ণপদক, শ্রীলঙ্কা রৌপ্য এবং বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পদক লাভ করে।
গতকাল বাংলাদেশ যদি শুধু নেপালের বিরুদ্ধে একটি সেটও জিতত, তাহলে গতবারের স্বর্ণপদক ধরে রাখতে পারতো বাংলাদেশ। ভারতের অরুণাচল প্রদেশের ইটানগরে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশীপের সমস্ত দলগত খেলা গুলো রাউন্ড রবিন লীগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের জন্য দলগত খেলায় মিশ্র ফলাফল এসেছে।
আজ সকালে বালক অনূর্ধ্ব -১৯ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৩-২ ব্যবধানে জয়লাভ করে। কিন্তু গতকালকে নেপালের বিরুদ্ধে ৩-০ সেটে হারে এবং মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ৩-০ সেটে জিতে । আজকে যে শ্রীলঙ্কাকে বাংলাদেশ ৩-২ সেটে হারিয়েছে সেই শ্রীলংকা নেপালকে গতকালকে ৩-১ সেটে হারিয়েছিল।
অনূর্ধ্ব ১৫ বালক দল অল্পের জন্য রৌপ্য পদক মিস করে । বালক দল প্রথমে মালদ্বীপকে (৩-০) ব্যবধানে হারায় ও পরের ম্যাচে শ্রীলংকার সাথে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ৩-২ সেটে বাংলাদেশ পরাজিত হয় আজ সকালে নেপালের সাথে (৩-০) জয়লাভ করে এবং পরের খেলায় শক্তিশালী ভারতের সাথে ৩-০ সেটে পরাজিত হয়ে বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পদক লাভ করে।
বালিকা অনূর্ধ্ব ১৫ দলগত বিভাগে প্রথমবারের মতো ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে । আজ সকালে বাংলাদেশ মালদ্বীপকে ৩-২ সেটে পরাজিত করে । আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে একক, দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈতের খেলা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদিকে আগের বিপিএলের মতো এবারও দেওয়া হয়েছে উষ্ণ অভ্যর্থনা।
বাংলাদেশে এসে বাংলাতেও কথা বলেছেন পাকিস্তানের এই তারকা। চিটাগং কিংয়ের মেন্টর হয়ে আসা শহীদ আফ্রিদি বাংলাদেশকে মানেন দ্বিতীয় বাড়ি হিসেবেই।
আজ নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিততে পারেনি চিটাগং। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ৩৭ রানে হেরেছে তারা। এতে অবশ্য খুব বেশি সমস্যা দেখছেন না শহীদ আফ্রিদি। বোলিংয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। সঙ্গে বাংলাদেশ নিয়েও বলেছেন কথা। জানিয়েছেন এই দেশ থেকে পাওয়া সম্মানের কথাও।
শহীদ আফ্রিদি বলেন, ‘আমি সব সময় বলি, বাংলাদেশ আমার দ্বিতীয় বাড়ি। এটিকে সব সময়ই আমি দ্বিতীয় বাড়ি হিসেবে দেখি। কারণ এখানে আমি অনেক ক্রিকেট খেলেছি। এখানের মানুষ ক্রিকেটের ব্যাপারে প্যাশনেট। বাংলাদেশ থেকে আমি অনেক সম্মান পেয়েছি। পাকিস্তানের হয়ে ও ভিন্ন ভিন্ন ফ্যাঞ্চাইজির বিপিএলে কয়েক আসরে আমার দারুণ স্মৃতি আছে। সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা খুব ভালো। এখনো উপভোগ করছি। ’
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ এর
সহযোগিতায় জেলা ক্রীড়া অফিস কুমিল্লার ব্যবস্থাপনায় কুমিল্লা জেলায় অনুষ্ঠিত হলো ‘স্পোর্টস
ফর ডেভেলপমেন্ট’ -ডে অবজারভেশন প্রোগ্রাম এবং বালিকাদের ৩ দিন ব্যাপী কাবাডি
প্রশিক্ষণের উদ্বোধন।
আজ বুধবার (১৪ মে) বিকেলে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া অফিসের ব্যবস্থাপনায়
ভাষা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৩দিনব্যাপী কাবাডি প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন
অতিথিরা।
কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া অফিসার সুমন কুমার মিত্রের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির
সদস্য কাজী গোলাম কিবরিয়া, খালেদ সাইফুল্লাহ, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সহকারী ক্রীড়া
কর্মকর্তা মোঃ সায়েম মিয়া, সোনালী অতীত ক্লাবের সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, হকির জাতীয় পর্যায়ের
সাবেক খেলোয়াড় মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, বাংলাদেশ
জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড় জহিরুল হক, অ্যাথলেট
সাফিয়া শেলী, ইউনিসেফ বাংলাদেশ কুমিল্লার কমিউনিটি ফ্যাসিলিলেটর সহ খেলোয়াড়, কোচ এবং
কর্মকর্তাবৃন্দ।
জেলা ক্রীড়া অফিসার সুমন কুমার মিত্র জানান, ইউনিসেফ বাংলাদেশ
শিশু সুরক্ষায় কিভাবে ভূমিকা রাখছে এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাথে বিভিন্ন ক্রীড়া
কর্মকান্ড তুলে ধরা হয়। ভবিষ্যতে ইউনিসেফ বাংলাদেশ ক্রীড়া উন্নয়নে আরো কর্মকান্ড বাড়ালে
তৃনমূলের খেলাধুলার উন্নয়নের পাশাপাশি মাদকাশক্তি থেকে দূরে থাকা, মোবাইল আশক্তি দূর
হওয়াসহ শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ সবল জাতি গঠনে সহসয়ক হবে।
উদ্বোধন শেষে ৩ দিন ব্যাপী বালিকাদের কাবাডি প্রশিক্ষণে শুরু
হয়। শিক্ষণে ২০ জন বালিকা কাবাডি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছে।
মন্তব্য করুন


ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গত মাসের পাঁচ তারিখে ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালের পুনরাবৃত্তি দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের ১৩তম আসর। দশ দল নিয়ে শুরু হওয়া এই বৈশ্বিক আসর এসে ঠেকেছে দুই দলে। আহমেদাবাদেই স্বাগতিক ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার ফাইনাল দিয়ে পর্দা নামবে এই বিশ্বকাপের। চরম উত্তেজনাকর এই ম্যাচে আসরের সেরা দলের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্বকাপের ইতিহাসের সেরা দল।
এবারের আসরে এখন পর্যন্ত দুইদলের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা একটি ফাইনাল দেখতে যাচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। এখন পর্যন্ত মোট পাঁচবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল তাদের হেক্সা মিশনের চূড়ান্ত লড়াই। অপরদিকে দুইবার বিশ্বজয় করেছে ভারত। তাদের সামনে তৃতীয় শিরোপা হাতে নেওয়ার সুযোগ।
এই ফাইনালের মঞ্চ ভারত বা অস্ট্রেলিয়া কোন দলের জন্যই অপরিচিত নয়। নিশ্চতভাবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য তো নয়ই, অষ্টমবারের মতো তারা ফাইনালের মঞ্চ মাতাবে। কলকাতা, লন্ডন, জোহানেসবার্গ, বার্বাডোস এবং মেলবোর্নে তারা বিশ্বকাপ তুলেছে এমনভাবে যেভাবে বাচ্চারা তাদের খেলনা সংগ্রহ করে। অনেক দলের জন্য বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা একটি উপলক্ষ। অস্ট্রেলিয়ার জন্য, এটি জীবন ধারণের একটি উপায়। তবে এবার এই বিন্দুতে তাদের যাত্রা অনিশ্চয়তার মধ্যেই ছিল।
বিশ্বকাপে তারা তাদের প্রথম দুটি ম্যাচই হেরেছে, ৩৮৮ রান করার পরেও প্রায় হারতে বসেছিল, ২৯২ রান তাড়া করতে যেয়ে ৯১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে হারতে বসছিল এবং সেমিফাইনালের প্রথম ঘন্টার মধ্যে তাদের প্রতিপক্ষকে ২৪/৪ করার পরও প্রায় হারতে বসছিল। তবুও তারা সব বাধা অতিক্রম করে ফাইনালে প্রায় চ্যাম্পিয়নও তারা। এটি এমন এক বছরে যে বছরে তারা ইতিমধ্যেই অ্যাশেজ ধরে রেখেছে এবং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপও ঘরে তুলেছে, ক্রিকেট খেলার প্রতিটি ফরম্যাটে তিন বছরের বিশ্ব শিরোপা পূর্ণ করতে তাদের দরকার শুধু আগামীকালের ফাইনাল জয়। পারবে তো কামিন্সরা?
তবে বিশ্বকাপের সাথে অজিদের এতো ইতিহাস থাকার পরেও প্যাট কামিন্স এবং তার দল স্বীকার করবে যে তাদের প্রতিপক্ষ ফাইনালে ফেভারিট হিসাবে শুরু করবে এবং শুধুমাত্র এই কারণে নয় যে তারা স্বদেশী দর্শকদের সামনে ঘরের মাঠে খেলবে। এমনকি যারা সাধারণত ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে থাকেন তারাও ভারতের এই দলের ক্রিকেটের এই সংস্করণে যে নির্ভুলতা এবং আগ্রাসণের সাথে কাজ করেছে তার প্রশংসা করবে। এই ভারতীয় দলের সাথে অনেকেই ২০০০ সালের পরের সব জয় করা বিখ্যাত অস্ট্রেলিয়া দলের সাথে মিল পাবেন।
এখানেই রোহিত শর্মা-রাহুল দ্রাবিড়ের কৃতিত্ব। এই ক্যাপ্টেন-কোচ জুটি একটি দলের সাফল্যের জন্য আক্রমণাত্মক ব্র্যান্ডের খেলা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা লুকানোর কোনও চেষ্টা করেনি ,একটি দলে সবার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা এবং অসামান্য ব্যক্তিগত প্রতিভা দিয়ে ভারতকে অজেয়তার আভাস দিয়ে রেখেছেন।
তবে দ্রাবিড় এবং রোহিত কথা নয় কাজে দেখাও মনোভাবে বিশ্বাসী। বলিউডের সিনেমায় দেখানো হয় যোগ্যতার পিছনে ছুটতে কিন্তু বাস্তব জীবনে এখনও সাফল্য মাপা হয় সার্টিফিকেট এবং ট্রফি দিয়ে এটি দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি। ভারতের সর্বকালের সেরা ওয়ানডে দল হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে, রোহিতকে কপিল দেব এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়কদের সারিতে রাখার জন্য শুধু স্কোরকার্ড এবং পরিসংখ্যান দিয়ে হবে না।
সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রোহিতের অসাধারণ অধিনায়কত্বের গল্প, শামির প্রথম বলে উইকেট, কোহলির দুর্দান্ত শতক, রোহিতের প্রায় ১০০ এবং বুমরাহর জাদুকরী বোলিংকে ইতিহাসের পাতায় ভালোভাবে স্মরণ করা হবে যদি আগামীকাল ট্রফিটি রোহিতের হাতে উঠে। ভারতের অবশ্যই সাফল্যের কোন ঐশ্বরিক অধিকার নেই এবং অধিনায়ক এবং কোচ একমত হবেন যে তারা কেবল পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে পারেন। তবে এখন ভারতের এই দলের নিখুঁত সমাপ্তির স্ক্রিপ্ট করার সর্বোত্তম উপায় হল মাঠে জবাব দেয়া।
এই দুই হেভিওয়েটের চেন্নাইতে তাদের ম্যাচ শুরু না করার আগ পর্যন্ত এই বিশ্বকাপটি খুব একটা দৌড়াতে পারেনি। এই দুইদলের তাদের চূড়ান্ত বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত এটি শেষ হবে না। মোতেরা থেকে খালি হাতে ফিরে আসা অধিনায়কের কীর্তি হতাশায় আবদ্ধ হবে আর অপর অধিনায়ক একটি ১১ কিলো ভরের সোনা এবং রৌপ্যর প্রলেপ দেওয়ায় ট্রফি দিয়ে লোকগাঁথায় অমরত্ব পাবে।
মন্তব্য করুন


বার্সেলোনার ইতিহাসের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি থাকাকালে একের পর এক শিরোপা জেতা ক্লাবটি আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে হারিয়ে যেন পথ হারিয়ে ফেলেছিল। ন্যু ক্যাম্পের আকাশে জমা হয় ঘন কালো মেঘ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ব্যর্থতাতো আছেই, টানা তিন মৌসুমে লিগ শিরোপা জিততে পারেনি কাতালান ক্লাবটি। তবে ২০২১ সালে বার্সার দায়িত্ব নিয়েই দলকে বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন জাভি হার্নান্দেজ।
অবশেষে সাবেক ফুটবলারের হাত ধরেই তিন মৌসুম পর লা লিগা শিরোপা পুনরুদ্ধার করল কাতালান ক্লাবটি। সেটিও আবার চার ম্যাচ হাতে রেখেই। এটি বার্সেলোনার ২৭তম লিগ শিরোপা। আগের ২৬ শিরোপার ১০টিই জিতেছে একবিংশ শতাব্দীতে; মেসির উপস্থিতিতে।
রোববার রাতে এস্পানিওলের মাঠে শিরোপার সুবাস নিয়েই মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা। রবার্ট লেভানদোভস্কির জোড়া গোলে এদিন ৪-২ গোলে জিতেছে জাভির শিষ্যরা। ৩৪ ম্যাচে ২৭ জয় ও ৪ ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৮৫। অন্যদিকে বার্সেলোনার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ সমান ম্যাচে ৭১ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে।
মন্তব্য করুন


গুঞ্জন সত্যি করেই ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় বললেন বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে চট্টগ্রামের এক হোটেলে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় বললেন বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এই সময় তামিমকে অনেক বেশি অশ্রুসিক্ত দেখাচ্ছিল।
অবসরের বিষয়ে তামিম জানান, আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ফেলেছেন তিনি। পুরো ক্যারিয়ারে সৎ থেকে খেলার চেষ্টা করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি যোগ করেন, আমি গত কিছুদিন ধরেই সিদ্ধান্তটা নিয়ে রেখেছি। এমন না যে সিদ্ধান্তটা হুট করে নেওয়া। পরিবার, বন্ধুদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেছি। সবকিছু মিলিয়েই আমার এই সিদ্ধান্ত।
এই ক্রিকেটার যোগ করেন, আমি সব সময় বলেছি ক্রিকেট খেলেই বাবার স্বপ্ন পূরণ করেছি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে গিয়ে অনেক পরিস্থিতির মুখে পড়েছি, সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমার ছোট চাচার হাত ধরেই ক্রিকেটে এসেছি। যারা আমাকে এই পর্যায়ে আনতে ভূমিকা রেখেছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
এর আগে, ২০২২ সালের ১৬ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন তামিম। এরপর থেকে শুধু টেস্ট আর ওয়ানডেই বাঁহাতি এই ওপেনারকে ২২ গজে দেখা গেছে।
২০০৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে ওডিআই ম্যাচ দিয়ে অভিষেক হয় তার। ২০২০ সালে ওয়ানডে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পান তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ১৬ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে দেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ৭০ টেস্টে ৫ হাজার ১৩৪ এবং ২৪১ ওয়ানডেতে ৮ হাজার ৩১৩ রান করেছেন ক্রিকেটার তামিম। ৭৮ টি-টোয়েন্টিতে তিনি এক হাজার ৭৫৮ রান রয়েছে তার।
মন্তব্য করুন


কোপা আমেরিকার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ডান পায়ের অ্যাঙ্কেলে মারাত্মক চোট পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। তার পা ভীষণ ফুলে গিয়েছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দেখা গেছে যে, লিওনেল মেসির লিগামেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর এ কারণে তাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে। মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত রবিবার কোপা আমেরিকার ফাইনালে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচে পায়ে চোট পেয়ে ৬৪ মিনিটে মাঠ ছাড়েন মেসি। ক্যামেরায় দেখা গেছে, মেসির ডান অ্যাঙ্কেল বেশ ফুলে গেছে। এসময় তিনি ডাগ-আউটে বেঞ্চে বসে মুখ ঢেকে কেঁদেছিলেন। গত সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভালো বোধ করা’র কথা জানিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।
মেসির চোটের অবস্থা নিয়ে ইন্টার মায়ামির অফিসিয়াল বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মেডিকেল পরীক্ষার পর এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে, লিওনেল মেসি ডান অ্যাঙ্কেলে লিগামেন্টে চোট পেয়েছেন। অধিনায়ককে কবে পাওয়া যাবে, সেটি নির্ভর করছে তার সেরে ওঠা এবং শারিরীক অবস্থার ওপর।
এর আগে মায়ামি কোচ জেরার্দো মার্তিনো জানিয়েছিলেন, মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) দলের পরবর্তী দুটি ম্যাচে মেসিকে পাওয়া যাবে না। কিন্তু এবার অনির্দিষ্টকালের জন্যই মাঠের বাইরে গেলেন মেসি।
মন্তব্য করুন


চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নক আউট পর্বে খেলা নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। বুধবার রাতে নিজেদের মাঠের খেলায় স্প্যানিশ ক্লাবটি ব্রাগাকে উড়িয়ে দিয়েছে। পর্তুগীজ ক্লাবের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয় পেয়েছে। এই জয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই সর্বাধিকবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী রিয়াল মাদ্রিদ নক আউটে খেলা নিশ্চিত হয়েছে। তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া এখনো নিশ্চিত হয়নি। পর্তুগীজ ক্লাবটির বিপক্ষে গোল করেছেন ব্রাহিম দিয়াজ, ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও রদ্রিগো।
রিয়াল মাদ্রিদ আগামী ম্যাচে ইতালির ক্লাব নাপোলির মুখোমুখি হবে। এ ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট পেলেই তাদের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিশ্চিত হবে। বর্তমানে ৭ পয়েন্ট নিয়ে নাপোলি রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। ব্রাগা ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে। আর এফসি ইউনিয়ন বার্লিনের সংগ্রহ মাত্র ১ পয়েন্ট। স্বাভাবিকভাবে তারা পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে রয়েছে। গত রাতে নাপোলিকে রুখে দিয়ে এই এক পয়েন্ট পেয়েছে তারা।
রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলোত্তি নিয়মিত খেলোয়াড়দের অনেককেই প্রথম একাদশের বাইরে রেখেছিলেন। প্রতিপক্ষ অপেক্ষাকৃত দুর্বল এমন চিন্তা ভাবনা তো ছিলই, সে সঙ্গে নিয়মিত খেলোয়াড়দের বিশ্রামের পাশাপাশি অনিয়মিতদের সুযোগ দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। তারপরও তাদের সহজ জয়ে কোনো সমস্যা হয়নি। 'সি' গ্রুপে একমাত্র দল হিসেবে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বাধিকবারের চ্যাম্পিয়নরা। ৪ ম্যাচ থেকে তাদের সংগ্রহ ১২ পয়েন্ট।
সর্বাধিক ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের জয়ের ব্যবধানটা আরো বড় হতে পারতো। কিন্তু ম্যাচের শুরুতে পাওয়া পেনাল্টিটা তারা কাজে লাগাতে পারেনি। ফাউলের সুবাদে একটা পেনাল্টি পেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু আলভারো দালোর দুর্বল শট ব্রাগার গোরলক্ষক আন্দ্রি লুনিন সহজে রুখে দেন।
শুরুর এ ব্যর্থতা মুছে ফেলতে রিয়াল মাদ্রিদ আরো সংগঠিত হয়ে আক্রমণ শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় ২৭ মিনিটে দিয়াজ দলের হয়ে প্রথম গোল করেন। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না পেলেও খেলায় পূর্ণ আধিপত্য বিস্তার করে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ভিনিসিয়াস জুনিয়র গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেয়। তিন মিনিট পরই রদ্রিগো স্কোর শিটে নাম লেখান।
মন্তব্য করুন