

সরকারের নির্ধারিত
মূল্য বাস্তবায়নে শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত
ফরিদপুর জেলা সদরের কানাইপুর ও নালারমোড় পেঁয়াজের হাটে অভিযান চালিয়েছে জেলা
ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এসময় সরকার নির্ধারিত
দামে পেঁয়াজ ক্রয়-বিক্রয় না করা, পাকা ক্রয়-বিক্রয় রসিদ না থাকা ও মূল্য তালিকা
না থাকায় ২টি পেঁয়াজের আড়তকে জরিমানা করা হয়।
জরিমানা করা মেসার্স
রতন ট্রেডার্সকে ১ হাজার টাকা এবং মেসার্স কামাল এন্টারপ্রাইজকে ১ হাজার টাকা সহ
মোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আগামীতেও এ অভিযান
অব্যাহত থাকবে বলে জানান, ফরিদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী
পরিচালক মো. সোহেল শেখ।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ১৯ কোটি ৬১ লাখ ৯০ হাজার ডলার বা ২০ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারে।
দুই সপ্তাহ ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার এ রিজার্ভ আবারো ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক নির্বাচিত অর্থনৈতিক সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। অন্যদিকে, গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ৫৩২ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ডলারে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রধানত আমদানি ব্যয় মেটানো তথা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে ব্যবহার হয়। এ রিজার্ভ আর্থিক খাতের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক ঋণ, প্রবাসী আয়, বৈদেশিক ঋণ বা সহায়তা রিজার্ভের উৎস। আবার আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ-সুদ পরিশোধ, বিদেশে চিকিৎসা, শিক্ষাসহ হাজারো খাত রয়েছে ব্যয়ের ক্ষেত্রে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, জানুয়ারির শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে তা নেমে আসে ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারে (বিপিএম৬)। আগের সপ্তাহেও রিজার্ভের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৯৯৩ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার ডলার। মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এসে ১৬ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার যোগ হয়ে আবারো তা ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
করোনা মহামারির মধ্যে আমদানি কমে গিয়েছিল। তবে প্রবাসীরা দেশে ফেরার সময় সঞ্চিত অর্থ নিয়ে আসেন। অনেকে বিদেশে থেকেও বাড়িতে স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠিয়ে দেন। এতে বাড়ে রিজার্ভ। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন অতিক্রম করে। করোনার পর যখন দেশে দেশে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার শুরু হয়, তখন উল্টো অবস্থা তৈরি হয়। আমদানি ব্যয় বাড়তে থাকে। মূল্যস্ফীতি বাড়ে। রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তোলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ বিক্রি করে আমদানি ব্যয় সামাল দিতে হয়।
বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংকের একাধিক সূত্র বলছে, ওই সময়ে রিজার্ভ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল হুন্ডি বন্ধ হয়ে যাওয়া। তখন অধিকাংশ দেশ করোনা মহামারির বিস্তার রোধে অন্য দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে যেমন ডলার বাড়তে থাকে। আবার আমদানি কমে যাওয়ার কারণে খরচের খাতও ছোট হয়ে আসে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন সাওয়ালপুর এলাকা হতে ১২৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৩ জানুয়ারী ২০২৪ইং তারিখ রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন সাওয়ালপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ১২৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার পশ্চিম জালুয়াপাড়া গ্রামের মোঃ মানিক মিয়া এর ছেলে মোঃ জসিম উদ্দিন (৪৫)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে দীর্ঘদিন যাবত কুমিল্লা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিল সহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সহবরাহ করে আসছিল। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট ২০২৪) ফেনী জেলার ছাগলনাইয়াতে বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। এরপর বন্যা দুর্গতদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর চাহিদা সম্পর্কে অবহিত হন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে চলমান উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমকে অধিকতর ফলপ্রসু করার লক্ষ্যে করণীয় বিষয়সমূহ সম্পর্কে মতবিনিময় করেন।
এসময় তিনি উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণের কাজে নিয়োজিত সেনাসদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পরিদর্শনে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কুমিল্লা এরিয়া ছাড়াও সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


আগামী
দিনে র্যাবকে একটি জনবান্ধব ও দায়িত্বশীল বাহিনী হিসেবে পুর্নগঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী
আজ (১৮ মে) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তরে র্যাব ফোর্সেস এর ২২তম
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান।
মন্ত্রী
বলেন, র্যাবকে একটি জনবান্ধব ও দায়িত্বশীল বাহিনী হিসেবে পুর্নগঠনের লক্ষ্যে বর্তমান
গণতান্ত্রিক সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- র্যাব
সদস্যদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিভিন্ন অভিযান পরিচালনার সময় আন্তর্জাতিক
মানদন্ড রক্ষা করে ন্যূনতম বল প্রয়োগ, মানবাধিকার প্রশিক্ষণ, অপরাধ দমনে এআই (Al) এর
ব্যবহার ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং এ লক্ষ্যে অতিশীঘ্রই র্যাব
ফোর্সেস এর জন্য জঙ্গল সলিমপুরে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা; পরিবর্তনশীল
অপরাধের ধরন ও কৌশল বিবেচনায় সময়োপযোগী কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা ও কার্যক্রমকে
আরও উন্নতকরণ; জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনআস্থা অর্জন; মানবাধিকার,
আইনের শাসন ও পেশাগত নৈতিকতার মানদণ্ড বজায়
রেখে নিরাপদ ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে কার্যকরী ভূমিকা রাখা; স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত
করার লক্ষ্যে দ্রুত র্যাব আইন প্রণয়ন, ইত্যাদি।
মন্ত্রী
আরো বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় সরকারের এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই যেটি ক্ষতিগ্রস্ত
হয়নি। প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তার বেআইনি কর্মকাণ্ডের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানকে
দায়ী করা যাবে না। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব সুনাম ও গৌরব বজায় রেখে কাজ
করে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের কোন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না। সারাবিশ্বের নিকট
প্রতিষ্ঠা করতে হবে যে বাংলাদেশের সকল প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা রয়েছে।
এর মাধ্যমে আমরা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে একটি এলিট
ফোর্সের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সে বিবেচনায় র্যাবের বিদ্যমান আইন পরিবর্তন ও সংশোধনপূর্বক
এটিকে যুগোপযোগী ও বিশ্বমানের করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যাতে করে এলিট ফোর্সটির সদস্যদের
পেশাদারিত্বের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়। একইসঙ্গে র্যাবের
বিদ্যমান নাম পরিবর্তনের কথাও বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতির দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে এলিট ফোর্সের প্রয়োজনীয়তার কথা ভেবে
২০০১ সালের বিএনপি সরকারের মেয়াদে র্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,
র্যাব যে উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, তখন র্যাবকে কেবল সে উদ্দেশ্যেই ব্যবহার
করা হয়েছে। পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় র্যাবকে রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ
করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে প্রতিষ্ঠান হিসেবে র্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য, পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি এবং সংস্কৃতি
বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ জাহেদ উর রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আইজিপি মোঃ আলী হোসেন ফকির।
স্বাগত বক্তৃতা করেন র্যাবের মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ।
অনুষ্ঠানে
তিন বাহিনীর প্রধানগণ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ
সহ বিভিন্ন সামরিক-অসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি আজ মঙ্গলবার (১২ মে)সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে 'ট্রান্সফর্মিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্সি’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ও গবেষণায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বৈশ্বিক মান বজায় রাখতে পারছে কিনা এমন একটি প্রশ্ন অনেকের আলোচনায় ফুটে উঠেছে। দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা হচ্ছে, একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানের উৎকর্ষ অর্জনের ক্ষেত্রে র্যাংকিংয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনো প্রত্যাশিত উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি।
তিনি আরো বলেন, ‘র্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত গবেষণা, প্রকাশনা, সাইটেশন এবং উদ্ভাবন এই বিষয়গুলোকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। সে ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান কোথায় এ বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের শিক্ষাবিদগণ নিশ্চয় আরো চিন্তাভাবনা করবেন। শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ না দিলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমাদের টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়বে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে পা দিয়েছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চলমান এই সময়ে এ আই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স ও অটোমেশন, ইন্টারনেট অব থিংস, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট অব থিংস, বিগ ডাটা, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স, ন্যানো টেকনোলজি, পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, এসব উন্নততর প্রযুক্তি একদিকে আমাদের চিন্তার জগৎ নিয়ন্ত্রণ করছে, অন্যদিকে শাসন করছে মানুষের কর্মক্ষেত্র বা কর্মসংস্থান। এর ফলে নিত্যনতুন প্রযুক্তির ব্যবহার প্রথাগত চাকুরির বাজারে বেকারত্ব বাড়াচ্ছে যেমন তেমনি তৈরি করছে নিত্য নতুন কর্মসংস্থানও।'
তারেক রহমান বলেন, 'চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কর্মসংস্থানের নতুন বাজারে প্রবেশ করতে হলে আমাদের মুখস্ত বিদ্যা এবং সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের প্রচলিত ধারার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে।'
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ, শিক্ষা শুধু ব্যক্তির পরিবর্তনের জন্যই নয়, বরং বর্তমানে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উদ্ভাবন এবং বিশ্বমানের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা তৈরিরও প্রধান নিয়ামক। ফলে উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থাকে অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে আরও শক্তিশালী সংযোগ গড়ে তুলতে হবে। কারিকুলাম প্রণয়নে শিল্পখাতের চাহিদাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।'
তিনি বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বিশ্ববাসীর সামনে যে বার্তাটি স্পষ্ট করেছে, সেটি হলো শিক্ষা কেবল স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে জ্ঞানের চর্চা কেবল একটি নির্দিষ্ট বিষয়েই আবদ্ধ নয়। বরং আমরা দেখি, ডাটা সায়েন্সের সাথে বায়োলজি বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে হয়তো সমাজবিজ্ঞানের মেলবন্ধন ঘটছে। এই সংযোগের ফলে জ্ঞানের সীমানা প্রতিনিয়ত প্রসারিত ও গতিশীল হচ্ছে। এই পরিবর্তনের গতি প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের নিবিড় সম্পর্ক থাকা জরুরি।’
শিক্ষা কারিকুলাম ঢেলে সাজানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী বের হয়। উচ্চশিক্ষা নিয়েও অনেককে বেকার থাকতে হয়। অর্থাৎ বেকারত্বের সংখ্যা উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেশি। এর কারণ সম্পর্কে নানামত রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে অনেকেই একমত একাডেমিক শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন করতে না পারাই শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার বেশির অন্যতম কারণ।'
তিনি বলেন, 'প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্যায় পর্যন্ত আমাদের শিক্ষা কারিকুলাম ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবি। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষা ছাড়া বেকারত্ব নিরসন সম্ভব নয়। সময়োপযোগী শিক্ষা কারিকুলাম ছাড়া বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। এ কারণেই বর্তমান সরকার একাডেমিক সিলেবাসকে সময়োপযোগী করার কাজ শুরু করেছে।'
বিশেষ করে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে বর্তমান সরকার এপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ এবং ইন্ড্রাষ্ট্রি-একাডেমিয়া বিষয়ে সহযোগিতা বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় শহরগুলোতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক স্থাপন করে এই কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীগণ পুঁথিগত বিদ্যা অর্জনের পাশাপাশি হাতে কলমে শিক্ষা লাভ করে শিক্ষার্থী অবস্থাতেই কর্মদক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হবেন। ফলে শিক্ষা জীবন শেষে তাকে আর বেকার থাকতে হবে না '
তিনি বলেন, 'কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেটিভ বিজনেস আইডিয়া বাণিজ্যিকীকরণ করতে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় সিড ফান্ডিং বা ইনোভেশন গ্রান্ট প্রদান করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, ক্যাম্পাস থেকে ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা তৈরি করা। ফলে এই উদ্যোক্তারা নতুন এবং সৃজনশীল ব্যবসায়িক ধারণা বাস্তবায়ন করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন।'
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় কর্মদক্ষতা অর্জনের ফলে এমনও হতে পারে তিনি আর চাকুরির জন্য অপেক্ষা না করে নিজেই একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আরো কয়েকজনের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবেন। এসব উদ্যোগ ছাড়াও সরকার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইন্সস্টিটিউট’, সায়েন্স পার্ক প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে। দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিজ্ঞান মেলা, ইনোভেশন ফেয়ার, প্রোডাক্ট সোর্সিং ফেয়ারসহ এ ধরনের শিক্ষা ও দক্ষতা বিষয়ক আয়োজনকে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। শুধু উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেই নয়, স্কুলপর্যায় থেকেই সরকার শিক্ষা কারিকুলামে কারিগরি এবং ব্যবহারিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়েছে। '
প্রধানমন্ত্রী বৃটিশ লেখক টম উইনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘আজকের এই কর্মশালার বিষয়বস্তুর সঙ্গে ব্রিটিশ লেখক 'গুডউইন' যিনি বিশেষ করে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে 'বিজনেস স্ট্রাটেজিস্ট এন্ড এনালিস্ট' হিসেবে স্বনামধন্য, তার একটি বিখ্যাত মন্তব্য বেশ প্রাসঙ্গিক বলেই আমার কাছে মনে হয়েছে। তিনি বলছেন, বিশ্বে বহুল ব্যবহৃত ট্যাক্সি কোম্পানি উবারের নিজের কোনো ট্যাক্সি নেই। বিশ্বে অপ্রতিদ্বন্দ্বী সোশ্যাল মিডিয়া 'ফেসবুক' নিজে কনটেন্ট তৈরি করে না। বিশ্বের বৃহত্তম অনলাইন বিজনেস প্লাটফর্ম 'আলিবাবা'র কোনো 'মজুদ পণ্য' নেই।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় আবাসন প্রোভাইডার 'এয়ারবিএনবি’র নিজেদের কোনো রিয়েল এস্টেট নেই।' অর্থাৎ ইনোভেটিভ আইডিয়া দিয়ে তারা যার যার ক্ষেত্রে বিশ্ব শাসন করছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত: এক একটি 'স্মার্ট ইন্টারফেস'। তারা সেবা দিচ্ছে না, বরং যারা সেবা দিতে চায় এবং যারা সেবা নিতে চায়, তাদের এক জায়গায় নিয়ে আসছে। এটিই প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান।
শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবন কিংবা গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সরকার অর্থ বরাদ্দ দেবে এটাই স্বাভাবিক। তবে আমি জানি, ব্রিটেনসহ বিশ্বের অনেক দেশেই যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলামনাই তাদের অনেকেই কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের 'গবেষণা এবং উদ্ভাবন' কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। এ জন্যই অনেকে বলে থাকেন, ‘শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর এলামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড।'
তিনি বলেন, 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বর্তমানে যারা দেশে-বিদেশে, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে ও অর্থ-বিত্তে প্রতিষ্ঠিত সেসব এলামনাইকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা ও গবেষণা' উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেয়ার জন্য আমি উপস্থিত শিক্ষাবিদদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানাই।'
মেধাভিত্তিক দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের সামর্থ সীমাহীন না হলেও সীমিত সম্পদের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে অবশ্যই আমাদের পক্ষেও নতুন কিছু করা সম্ভব। আমি বিশ্বাস করি, আমাদেরও প্রচুর মেধাবী মানুষ রয়েছেন যারা সুযোগ বা সুবিধা পেলে তাদের পক্ষেও বিশ্বমানের কিছু করা অসম্ভব নয়। মেধা পাচার রোধ করে মেধার বিকাশ ও মেধার লালন করে আমরা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে চাই। '
ফ্যাসিবাদ-স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আমাদের তারুণ্য বারবার রাজপথে নেমে এসেছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, 'স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রকামী জনগণ বারবার অধিকার আদায়ের মিছিলে শামিল হয়েছে। এভাবেই দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর হাজারো প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এই সরকার বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চায়। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র এবং সমাজ গড়তে চায়।'
তিনি বলেন, 'জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যেখানে শিক্ষা, গবেষণা, মেধা, যোগ্যতা এবং সৃজনশীলতা সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়।'
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের সম্ভাবনাকে বিকশিত করার সুযোগ পাবে। আমরা সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা চাই, যা আমাদের বর্তমান এবং ভবিষ্যত বাংলাদেশকেও আলোকিত করবে। সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বার্থে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষকে আমরা অবশ্যই আলিঙ্গন করবো।'
তিনি বলেন, 'তবে আমরা যেন আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ হারিয়ে না ফেলি। আমি এ ব্যাপারে শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী পেশাজীবী তথা সকল শ্রেণি পেশার মানুষের প্রতি সতর্ক ও সজাগ থাকার আহবান জানাচ্ছি।'
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ক্রেস্ট উপহার দেন কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।
ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, ইউজিসির সচিব ফখরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের বোমা তৈরির কারিগর ও হ-ত্যা মামলার আসামি কসাই সোহেলকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-২।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক এএসপি শিহাব করিম।
র্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক এএসপি শিহাব করিম বলেন, রাজধানীর গাবতলী গরুর হাট এলাকা থেকে জেনেভা ক্যাম্পের বোমা তৈরির কারিগর ও হত্যা মামলার আসামি কসাই সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী সকাল
সাড়ে ৯টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে
শহীদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে
এক বার্তায় এ তথ্য জানানো
হয়।
এ
সময় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ
মো. ময়নুল ইসলাম, এনডিসি, র্যাব মহাপরিচালক
এ কে এম শহিদুর
রহমান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের
কমিশনার মো. মাইনুল হাসানসহ
ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
পরে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আহত পুলিশ সদস্যদের
দেখতে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে যান। তিনি আহত
পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং
তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। আহত পুলিশ
সদস্যদের উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার
জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে
নির্দেশ প্রদান করেন।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ
মো. ময়নুল ইসলাম, র্যাব মহাপরিচালক
এ কে এম শহিদুর
রহমান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের
কমিশনার মো. মাইনুল হাসান,
হাসপাতালের পরিচালক শেখ মোঃ রেজাউল
হায়দারসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ।
ইন্সপেক্টর
জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ
মো: ময়নুল ইসলাম, আজ সোমবার সকাল
সাড়ে দশটায় রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে
শহিদ পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন। স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান মো. শাহ আলম,
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মাইনুল হাসানসহ
ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুর শহরের বিপণীবাগ
বাজারে ক্রেতাদের কাছে বিক্রির সময় জেলিযুক্ত এক হাজার কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে।
৩১ আগস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা
৭টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ওই বাজারে কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশন ও চাঁদপুর সদর
উপজেলা মৎস্য বিভাগ যৌথ অভিযান চালিয়ে চিংড়িগুলো জব্দ করা হয়।
এ তথ্য জানান, সদর
উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।
সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য
কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, রাতে চাঁদপুর সদর জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য দপ্তর
এবং কোস্টগার্ড যৌথভাবে শহরের বিপণীবাগ মাছ বাজারে এই অভিযান চালায়। এসময় জেলি পুশ
করা এক হাজার কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়।
পরে এসব চিংড়ি মাটিতে
পুঁতে ফেলা হয় কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশন এলাকায় নিয়ে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,
চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম, সদর অফিসের
ক্ষেত্র সহকারী মো. জামিল হোসেন, কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনের চিফ পেটি অফিসার এম.
শফিকুল ইসলামসহ কোস্টগার্ড টহল সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার বাসভবনে গেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে
বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় উপস্থিত হন দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরামের
নেতারা।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল
কবির খান জানান, খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল
ইসলাম আলমগীর। আর স্থায়ী কমিটির নেতাদের মধ্যে আছেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার
জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম
খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আমির খসরু মাহমুদ
চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
এর আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে এলডিপির
চেয়ারম্যান অলি আহমদ সাক্ষাৎ করেছেন বলেও জানান তিনি।
বিএনপির নেতারা বলছেন, উন্নত চিকিৎসার
জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন বেগম খালেদা জিয়া।
তাই তার আগে দলের স্থায়ী কমিটির নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন। সাক্ষাতের সময়ে দেশের
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী দিনের বিএনপির করণীয় নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া কয়েকদিন
আগে ম্যাডাম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সেনাপ্রধান সাক্ষাৎ করে গেছেন। এই বিষয়ে নেতাদের সঙ্গে
আলোচনা হতে পারে। তাছাড়া তিনি কত মাস পর আবার দেশে ফিরবেন সেটি এখনও চূড়ান্ত নয়, কারণ
তিনি বিভিন্ন ধরনের রোগে ভুগছেন, ফলে তারা যাত্রা দীর্ঘ হবে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে সবার
কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার বিষয় রয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন,
এটা মূলত ম্যাডাম চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আগে আমাদের আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ। সবকিছু
ঠিক থাকলে আগামী ৭ জানুয়ারি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে লন্ডনে নেওয়া হবে। ‘এটা তো
স্বাভাবিক বিষয়, ম্যাডামের সাক্ষাতে রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা হবেই।
মন্তব্য করুন


নতুন বছর ২০২৫ উপলক্ষে দেশবাসী এবং প্রবাসী বাঙালিসহ বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বুধবার (০১ জানুয়ারি) খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে দেওয়া আজ এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘সময়ের চিরায়ত আবর্তনে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ আমাদের মধ্যে সমাগত।
আমাদের ব্যবহারিক জীবনে খ্রিষ্টীয় বর্ষপঞ্জিকা বহুল ব্যবহৃত। খ্রিষ্টাব্দ তাই জাতীয় জীবনে এবং প্রাত্যহিক জীবনযাত্রায় অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ।’
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভ্যুত্থান পরবর্তী বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন বছর আমাদের মধ্যে বয়ে এনেছে এক নতুন সুযোগ ও সম্ভাবনা। বিরাজমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতিতে আমি আশা করি, সচ্ছল সমাজ ও রাষ্ট্র দুস্থ, অসহায় ও পশ্চাৎপদ মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসবে। নববর্ষ উদযাপন একজনের আনন্দ যেন অন্যদের বিষাদের কারণ না হয় আমরা সেদিকেও খেয়াল রাখবো। ’
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আশা প্রকাশ করেন, নতুন বছরে আমরা দুর্নীতি ও বৈষম্যহীন এক সমাজ, সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক মানবিক রাষ্ট্র, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী এক ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে সঠিক পথের দিশা পাবো।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের আত্মত্যাগ, আকাঙ্ক্ষা ও চেতনার পথ ধরে বাংলাদেশ অমিত সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাক নতুন বছরে- এ প্রত্যাশা করি।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ২০২৫ সবার জীবনে বয়ে আনুক নতুন স্পন্দন, নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনা ও সাফল্য।
মন্তব্য করুন