

১৯৪৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর। আমেরিকায় বসবাসকারী লয়েড ওলসেন এবং ক্লারা ওলসেন, এই দম্পতির, মাইক নামের একটি মুরগি পালন করতেন।
খাওয়ার জন্য তাদের পালিত মুরগিটি জ’বাই করেছিলেন। মুরগির মাথা কেটে ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্ত মুরগির মাথা কেটে ফেলার পর সেটি মারা না গিয়ে দৌড়োতে শুরু করে।
মুরগিটিকে ধরে তিনি একটি বাক্সে রেখে দেন। তিনি মনে করেছিলেন হয়ত মুরগিটি জবাই হয়ে গেছে ।
কিন্তু তিনি যখন পরে মুরগিটিকে দেখতে আসেন, তখন দেখলেন মাইক তার কাটা মাথাটি পাখার নিচে নিয়ে দিব্যি ঘুমিয়ে আছে। তিনি অবাক হলেন, এরকম অদ্ভুত কান্ড দেখে লয়েড সিদ্ধান্ত নিলেন, তিনি মুরগিটিকে বাচাবেন।
লয়েডের মাথায় প্রথমেই বুদ্ধি এলো মাইকের খাওয়ার ব্যবস্থা করা। মুরগিটিকে খাবার খাওয়াতে তিনি একটি চোখের ড্রপারকেই বেছে নিলেন।
ঘটনাটি ঘটার পর চারিদিকে খুব হইছই পড়ে যায় এবং আমেরিকার বিভিন্ন শহরে তিনি এই মুরগিটিকে নিয়ে প্রদর্শনী করতেও শুরু করেন।
আসলে লয়েড যখন মাইকের মাথায় কোপ মারেন, তখন তার একটা কান বেঁচে যায় ও চোখ, ঠোঁটসহ গোটা মাথাটাই কেটে ফেলেন । কিন্তু মুরগিদের মাথার পিছনেই থাকে মস্তিষ্কের মূল অংশটা। মাইকের ক্ষেত্রে আশ্চর্যজনকভাবে বেঁচে যায় তার মস্তিষ্কের ৮০ শতাংশ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
যাওয়া হবে।
আজ শুক্রবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, টিকিট
জটিলতায় মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ১৮ হাজার শ্রমিককে সব সহায়তা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান,
বৈঠকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কর্মসংস্থান তৈরি, ভিসা সহজীকরণ এবং উচ্চশিক্ষা, রোহিঙ্গা
সমস্যা নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম
বলেন, বাংলাদেশের কর্মীদের দুই দেশের অর্থনীতিতে অবদান গুরুত্বপূর্ণ। টিকিট জটিলতায়
মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ১৮ হাজার শ্রমিককে সব সহায়তা দেওয়া হবে। এই অঞ্চলকে শান্তিপূর্ণ
দেখতে আসিয়ানকে আরও কার্যকর করতে চায় মালয়েশিয়া।
এর আগে
দুপুর দুইটার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত
জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে
গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ
করবেন আনোয়ার ইব্রাহিম।
মন্তব্য করুন


মেক্সিকোতে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৯ জন নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জালিস্কোর গুয়াদালাজারা শহর থেকে সিনালোয়ার লস মোচিসে যাচ্ছিল।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক এবং বাসে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিল। সড়কে উভয় যানবাহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় এবং পরে আগুন ধরে যায়। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২২ জন।
সিনালোয়া প্রদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সারা কুইনোনেজ সামাজিক যোগাযোগ একটি ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ১৯টি মরদেহ গণনা করা হয়েছে। মরদেহ গুলোর পরিচয় শনাক্ত করতে সময় লাগবে। (খবর এনডিটিভি)
মন্তব্য করুন


আফগানিস্তানে
প্রথমবারের মতো বাল্যবিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে তালেবান সরকার। মানবাধিকার কর্মীদের
মতে, গত সপ্তাহে অনুমোদিত এই নতুন ‘লজ্জাজনক’ বিবাহবিচ্ছেদ আইনটি কার্যকর হলে কোনো
মেয়ে বা তরুণীর পক্ষে তার স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ডিভোর্স বা বিবাহবিচ্ছেদ নেওয়া অসম্ভব
হয়ে পড়বে। তালেবানের এই পদক্ষেপকে আফগান নারী
ও শিশুদের বিরুদ্ধে একটি নিয়মতান্ত্রিক সহিংসতা হিসেবে দেখছেন দেশটির অধিকার কর্মীরা।
আফগানিস্তানে
জোরপূর্বক এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ের কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান না থাকলেও আন্দোলনকারীরা
বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে ১১ বছরের বেশি
বয়সী মেয়েদের শিক্ষার ওপর তালেবানের নিষেধাজ্ঞার পর থেকেই এই প্রবণতা তীব্র রূপ নিয়েছে।
একটি
বেসরকারি খসড়া সমীক্ষা বলছে, শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পর দেশটির প্রায় ৭০ শতাংশ মেয়েকে
কম বয়সে বা জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৬৬ শতাংশেরই বয়স ১৮ বছরের কম। তালেবান
শাসনে বাল্যবিয়ের ওপর কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা তো নেই-ই, বরং নতুন এই আইনটি এমন
এক পরিস্থিতি তৈরি করছে যেখানে কোনো মেয়ে যদি দাবিও করে যে তার অমতে বিয়ে হয়েছে, তবুও
স্বামী রাজি না থাকলে সে কোনোভাবেই আইনি বিচ্ছেদ পাবে না। এমনকি স্বামী নিখোঁজ থাকলে
বা ভরণপোষণ না দিলেও একজন নারী এককভাবে ডিভোর্স চাইতে পারবেন না।
এই
বিতর্কিত আইনের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বেশ কিছু নারী অধিকার রক্ষা
আন্দোলন বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ফাতেমা নামের এক আফগান নারী আন্দোলনকারী ক্ষোভ প্রকাশ
করে বলেন, নারীবিরোধী শত শত ডিক্রি জারির পর তালেবান এখন বাল্যবিয়েকে তাদের আনুষ্ঠানিক
আইনি কাঠামোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার
নিশ্চিত করার পরিবর্তে তারা নারীবিরোধী আইন জারি এবং মানুষের স্বাধীনতা দমনে ব্যস্ত।
আফগানিস্তানে
জাতিসংঘের সহায়তা মিশনও (ইউনামা) এই আইন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, এই
ডিক্রি আফগান নারী ও মেয়েদের অধিকার হরণের আরও একটি বড় ধাপ এবং এটি আইনের মাধ্যমে
নারীদের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যকে পাকাপোক্ত করছে।
অবশ্য
আন্তর্জাতিক মহলের এবং দেশের ভেতরের এই তীব্র সমালোচনাকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে
তালেবান সরকার। তালেবান নিয়ন্ত্রিত জাতীয় রেডিও ও টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে
সরকারের একজন মুখপাত্র বলেন, যারা এই ব্যবস্থার শত্রু, ইসলামের ওপর যাদের ক্ষোভ রয়েছে
এবং যারা ইসলামিক ব্যবস্থার ভিত্তির বিরোধিতা করে, তাদের এই ধরণের বিক্ষোভে কান দেওয়ার
কোনো প্রয়োজন সরকারের নেই।
আফগানিস্তান
হিউম্যান রাইটস সেন্টারের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, বাল্যবিয়ের শিকার অধিকাংশ মেয়েই
চরম পারিবারিক সহিংসতা এবং তীব্র মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। সম্প্রতি
দেশটির দাইকুন্দি প্রদেশে এক ১৫ বছর বয়সী কিশোরী স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার
হয়ে মারা গেছে। তার বাবা জানান, বিয়ের মাত্র দুই মাস পর থেকেই তার মেয়ের ওপর নির্যাতন
শুরু হয় এবং প্রতিবারই স্থানীয় প্রবীণরা সালিশের মাধ্যমে তাকে স্বামীর ঘরে ফিরে যেতে
বাধ্য করেন।
আফগানিস্তান
ইন্ডিপেন্ডেন্ট হিউম্যান রাইটস কমিশনের আব্দুল আহাদ ফারজাম এই পরিস্থিতির ব্যাখ্যা
দিয়ে বলেন, তালেবানের নতুন এই সংহিতা বাল্যবিয়েকে বৈধতা দিচ্ছে এবং বিয়েতে নারীর স্বাধীন
সম্মতির অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। এটি মূলত পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী
করছে এবং নারীদের একটি আইনগতভাবে অসম ও অধীনস্থ অবস্থানে ঠেলে দিচ্ছে।
মন্তব্য করুন


১৯৪৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর। আমেরিকায় বসবাসকারী লয়েড ওলসেন এবং ক্লারা ওলসেন, এই দম্পতির, মাইক নামের একটি মুরগি পালন করতেন।
খাওয়ার জন্য তাদের পালিত মুরগিটি জ’বাই করেছিলেন। মুরগির মাথা কেটে ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্ত মুরগির মাথা কেটে ফেলার পর সেটি মারা না গিয়ে দৌড়োতে শুরু করে।
মুরগিটিকে ধরে তিনি একটি বাক্সে রেখে দেন। তিনি মনে করেছিলেন হয়ত মুরগিটি জবাই হয়ে গেছে ।
কিন্তু তিনি যখন পরে মুরগিটিকে দেখতে আসেন, তখন দেখলেন মাইক তার কাটা মাথাটি পাখার নিচে নিয়ে দিব্যি ঘুমিয়ে আছে। তিনি অবাক হলেন, এরকম অদ্ভুত কান্ড দেখে লয়েড সিদ্ধান্ত নিলেন, তিনি মুরগিটিকে বাচাবেন।
লয়েডের মাথায় প্রথমেই বুদ্ধি এলো মাইকের খাওয়ার ব্যবস্থা করা। মুরগিটিকে খাবার খাওয়াতে তিনি একটি চোখের ড্রপারকেই বেছে নিলেন।
ঘটনাটি ঘটার পর চারিদিকে খুব হইছই পড়ে যায় এবং আমেরিকার বিভিন্ন শহরে তিনি এই মুরগিটিকে নিয়ে প্রদর্শনী করতেও শুরু করেন।
আসলে লয়েড যখন মাইকের মাথায় কোপ মারেন, তখন তার একটা কান বেঁচে যায় ও চোখ, ঠোঁটসহ গোটা মাথাটাই কেটে ফেলেন । কিন্তু মুরগিদের মাথার পিছনেই থাকে মস্তিষ্কের মূল অংশটা। মাইকের ক্ষেত্রে আশ্চর্যজনকভাবে বেঁচে যায় তার মস্তিষ্কের ৮০ শতাংশ।
মন্তব্য করুন


জোয়ের জন্ম জার্মানিতে। তবে বেশ কিছুদিন ধরে তিনি থাইল্যান্ড ছিলেন। নিজের ইউটিউবে শরীরচর্চা বিষয়ক ভিডিও প্রকাশ করতেন তিনি। ৩০ বছর বয়সী জোয়ের ইউটিউবে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা প্রায় ১০ লক্ষ।
ভালোবেসে প্রেমিককে বুকে জড়িয়ে ধরেছিলেন প্রেমিকা। কে জানত এখানেই হবে গল্পের শেষ! এমনটাই ঘটেছে জার্মানির বডিবিল্ডার ও ইউটিউবার জো লিন্ডনারের সঙ্গে। প্রেমিকার আলিঙ্গনে প্রাণ হারিয়েছেন তিনি।
নিচা জানান, তিনদিন আগে ঘাড়ে ব্যথা অনুভব করেছিলেন জো। ভেবেছিলেন হয়তো সামান্য কোনও বিষয়। মৃত্যুর দিন প্রেমিকার জন্য একটি সুন্দর চেন এনেছিলেন তিনি। সেটি পরিয়েও দিয়েছিলেন। বিকের চারটের সময় দু’জনের জিমে যাওয়ার কথা ছিল। তার আগে একটু ভালবাসার মুহূর্ত উপভোগ করছিলেন। নিচার আলিঙ্গনেই ছিলেন জো। আচমকা অসুস্থ বোধ করেন। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মৃত্যু হয়।
উইকিপিডিয়া সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রক্তবাহিকার বাইরের দিকে ফুলে ওঠা একটি বিশেষ অবস্থা অ্যানিউরিজম যাকে বুদবুদ বা বেলুনের সাথে তুলনা করা যায় এবং যা রক্তবাহিকার নির্দিষ্ট কোনো স্থানে, অস্বাভাবিকতা, ও দুর্বলতার কারণে সৃষ্টি হয়।
জোয়ের মৃত্যুর নিশ্চিত করেছেন তার প্রেমিকা নিচা। জোয়ের সঙ্গে তার কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ভিডিও ও ছবি শেয়ার করে নিচা জানান, অ্যানিউরিজমের কারণে মৃত্যু হয়েছে তিরিশ বছরের জোয়ের।
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


পেশাদার অগ্নিনির্বাপণকর্মী জোনাথন ভেরো। ৩৯ বছর বয়সী এই ফরাসি চলচ্চিত্রে স্ট্যান্টম্যান হিসেবেও কাজ করেন। তার জন্ম ফ্রান্সের উবুদাঁ শহরে। সম্প্রতি ওই শহরে শরীরে আগুন নিয়ে দৌড়াতে দেখা যায় তাকে।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুসারে, জোনাথন ভেরো একসঙ্গে দুটি রেকর্ড ভেঙেছেন। এর মধ্যে একটি অক্সিজেন ছাড়াই শরীরে তীব্র আগুন নিয়ে ২৭২.২৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম।
অন্য রেকর্ডটি হলো, জোনাথন ভেরো অক্সিজেন ছাড়াই দ্রুততম সময়ে ১০০ মিটার দৌড়ে অতিক্রম করেন। এই রেকর্ড ভাঙতে আগের রেকর্ডের চেয়ে ৭.৫৮ সেকেন্ড কম সময়ে ১০০ মিটার দৌড়ান তিনি।
অগ্নি-প্রতিরোধক পোশাক পরে অ্যাথলেটিক ট্র্যাকে দৌড় শুরুর জন্য দাঁড়িয়ে আছেন এক ব্যক্তি। কিছুক্ষণ পর গায়ে আগুন ধরিয়ে দিলেন একজন। এরপর অক্সিজেন ছাড়াই গায়ে আগুন নিয়ে ছুটতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে দৌড় থামান। আর এতেই অক্সিজেন ছাড়া আগুন নিয়ে দ্রুততম সময়ে ১০০ মিটার দৌড়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন ফ্রান্সের ওই ব্যক্তি।
সম্প্রতি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছে। এর পরই ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
মন্তব্য করুন


কৌতূহল
থেকেই একজনকে খুন করে ফেললেন! দক্ষিণ কোরিয়ায় বিস্ময়কর এই ঘটনাটি ঘটেছে। খুনের অভিযোগ
প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জাং স্বীকার করেছেন ক্রাইম শো
এবং টিভি প্রোগ্রাম দেখে তার খুন করার প্রতি আগ্রহ জন্মে।
বিবিসির প্রতিবেদনে পুলিশের বরাতে জানানো হয়, ২৩ বছর বয়সী জাং সাইকোপ্যাথ টেস্টে বেশ উচ্চ লেভেলের স্কোর করেছেন। জাং হত্যার জন্য ৫০ ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করেছিলেন এবং পরিশেষে ঐ নারীকে নিজের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেন। গত মে মাসে হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি একটি অ্যাপের মাধ্যমে এক ইংরেজি শিক্ষকের সাথে পরিচিত হন। পরবর্তীতে তিনি ঐ শিক্ষকের বাড়িতে যেয়ে ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করেন।
আইনজীবীরা
আদালতকে জানিয়েছে, জাং বেকার ও নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করা দাদার সাথে থাকতেন। তিনি একটি
অনলাইন টিউশন অ্যাপে ভুক্তভোগীকে মাসের পর মাস টার্গেট করেছিলেন।
দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব শহর বুসানে ভুক্তভোগীর বাড়িতে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। জাং অনলাইন থেকে হাই-স্কুলের ইউনিফর্ম কিনে সেটি পরে টিউটরের বাড়িতে উপস্থিত হন। সেখানে ঐ নারী শিক্ষককে প্রায় ১০০ বারেরও বেশি ছুরিকাঘাত করে জাং। নারীর মরদেহটি টুকরো টুকরো করেন এবং বুসানের উত্তরে একটি নদীর কাছে প্রত্যন্ত পার্কল্যান্ডে ভাড়া ট্যাক্সিতে গিয়ে ফেলে দেন। ট্যাক্সি ড্রাইভার রক্তমাখা স্যুটকেসটি বনের মধ্যে ফেলতে দেখেন। এরপর তিনি পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ জানায়, জাংয়ের অনলাইন ব্রাউজিং ইতিহাস থেকে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডটির জন্য তিনি মাসের পর মাস ঘাঁটাঘাঁটি করেছেন। কীভাবে টার্গেটকে মারা যায় কিংবা মরদেহকে লুকিয়ে ফেলা যায় ইত্যাদি বিষয়ে খুব বিশদভাবে শেখার চেষ্টা করেছেন।
মন্তব্য করুন


আজ ১০ মুহাররম পবিত্র
আশুরা। আরবিতে ‘আশারা’ মানে ১০। তাই ১০ মুহাররম
আশুরা নামে পরিচিত। আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য এক তাৎপর্যময় ও শোকাবহ দিন।
মুসলিম বিশ্বের
অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র আশুরা পালন করা হয়। এ
উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করে
থাকেন।
আশুরা দিবসে ঐতিহাসিক
বহুবিধ গুরুত্বপূর্ণ ও স্মৃতিবহ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ইসলামের ইতিহাসে আশুরার দিন
বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহে সমৃদ্ধ হলেও সর্বশেষ কারবালা প্রান্তরে সংঘটিত হজরত হোসাইন
(রা.)-এর শাহাদাতই এ দিনের সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
পবিত্র আশুরা সত্য ও ন্যায়
প্রতিষ্ঠায় সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যময় একটি দিন। আমরা জানি,
পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান হিসেবে শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলাম সব সময় সত্য ও ন্যায়
প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। সত্য প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে হজরত ইমাম হোসাইন (রা.),
তার পরিবার ও সহচরেরা ৬১ হিজরিতে আশুরার দিনে ইয়াজিদের সৈন্যবাহিনীর হাতে কারবালায়
নির্মমভাবে শহীদ হন। ইসলামের সুমহান আদর্শকে সমুন্নত রাখার জন্য তার আত্মত্যাগ
ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে আছে। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য ত্যাগের মহিমা মুসলিম
উম্মাহর জন্য এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। জুলুম-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে
দাঁড়ানো এবং অসত্য ও অন্যায় প্রতিরোধে হজরত হোসাইন (রা.)-এর এ ভূমিকায় মানবজীবনের
জন্য শিক্ষণীয় অনেক কিছু রয়েছে।
মন্তব্য করুন


অভিনেতা সিদ্ধার্থ
চন্দ্রশেখর মায়ের দ্বিতীয়বার বিয়ে দিলেন। সেই কথা সামাজিকমাধ্যমে গর্বের সঙ্গে
জানিয়েছেন এই মারাঠি অভিনেতা নিজেই। মারাঠি বিনোদন জগতের অতি পরিচিত নাম সিদ্ধার্থ
চন্দ্রশেখর। তার এমন ঘটনায় নেটিজেনরা প্রশংসার বন্যায় ভাসাচ্ছেন।গত বুধবার
সিদ্ধার্থ ইনস্টাগ্রামে এই ঘটনার কথা জানিয়েছেন।
মা সীমা চন্দ্রশেখরের
দ্বিতীয় বিয়ের ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘সেকেন্ড ইনিংস’-এর অভিনন্দন।
তার কথায়, ‘হ্যাপি
সেকেন্ড ইনিংস আই (মা)। আমার কখনও মনে হয়নি, তোমারও কাউকে দরকার। তোমার যে
সন্তানদের বাদ দিয়ে জীবন আছে, সে কথা টের পাইনি। তোমারও তো শুধুমাত্র নিজের জন্য
একটা জগত থাকা উচিৎ। আর কত দিন তুমি একা থাকবে?
এরপর অভিনেতা লেখেন,
তুমি এতদিন পর্যন্ত সকলের জন্য ভেবে গেছ। এবার সময় এসেছে, যখন তুমি নিজের কথাও
ভাববে এবং তোমার নতুন সঙ্গীর কথাও ভাববে। তোমার সন্তানরা সব সময়ে তোমার পাশে
থাকবে।
সিদ্ধার্থের ভাষ্য,
তুমি আমার বিয়ে দিয়েছিলে বিশাল আয়োজন করে। আর এবার আমার পালা তোমার জন্য একই জিনিস
করার। আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দদায়ক বিয়ের ঘটনা হল, আমার মায়ের বিয়ে। আমি তোমাকে
ভালোবাসি মা। হ্যাপি ম্যারেড লাইফ।
অনেকেই তার এই আচরণের
প্রশংসা করেছেন।
মন্তব্য করুন