

নাইজেরিয়ায় নামাজের সময় একটি মসজিদের একাংশের ছাদধসে যায়। এ ঘটনায় ৭ মুসল্লি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক মুসল্লি। দেশটির উত্তরাঞ্চলের কাদুনা রাজ্যের জারিয়া শহরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। সেখানে কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার নাইজেরিয়ার জারিয়া এমিরেট কাউন্সিলের মুখপাত্র আবদুল্লাহি কোয়ারবাই এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার আসরের নামাজের সময় শহরের কেন্দ্রীয় মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সেখানে অসংখ্য মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে চার মরদেহ পাওয়া যায়। পরে উদ্ধারকারী দল ধসেপড়া মসজিদে অনুসন্ধান করার পর আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মসজিদটি ১৮৩০ সালে নির্মাণ করা হয়।
সেখানকার জরুরি ব্যবস্থাপনা এজেন্সি জানিয়েছে, এ ঘটনায় আহত ২৩ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা খানের এখনো কোনো ছবি মুক্তি পায়নি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক প্রসাধনী সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সুহানা।
এতে প্রথম সাফল্য পেলেন সুহানা খান। কিন্তু প্রথম কাজেই সমালোচনার মুখে সুহানা। লোকে সুহানার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখন্ডেকে।
সম্প্রতি সুহানাকে ওই আন্তর্জাতিক প্রসাধনী সংস্থার লিপস্টিকের বিজ্ঞাপনে দেখা মাত্রই ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ। ঠোঁটে লাল রং, গায়ের রং যেন ফেটে পড়ছে সুহানার। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, চিৎকার করার ভঙ্গি করছেন শাহরুখ-কন্যা। তার গায়ের রঙে এমন বদল দেখে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেউ লিখেছেন, সুহানা খান আসলে কালার কারেক্টেড প্রো ম্যাক্স। কেউ লিখেছেন, ওকে অঙ্কিতা লোখান্ডের মতো দেখতে লাগছে। কেউ কেউ লেখেন, অনায়াসেই সুহানার নিজস্ব স্কিন টোন ব্যবহার করা যেত। অন্য কোনো শেডের লিপস্টিক পরানো যেত তাকে। কোনো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাছ থেকে তো এমনটাই আশা করা উচিত, তাই না? কারও সোজাসাপটা প্রশ্ন, তার গায়ের রং ফর্সা করার কী দরকার? কেউ লিখেছেন, ‘সুহানার মুখে প্যানকেক মেকআপ ব্যবহার করে ওর আসল রংটা নষ্ট করার কোনো দরকার ছিল কি?
এসব সমালোচনার বিষয়ে সুহানা কোনা মন্তব্য করেননি। জানা গেছে, শিগগিরই ‘দি আর্চিজ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে শাহরুখ কন্যা সুহানার।
মন্তব্য করুন


এই বিশাল ভূগর্ভস্থ শহরটি যেটিতে একসময় প্রায় ২০০০০ লোক বাস করত, পরবর্তীতে ঘটনাক্রমে একজন ব্যক্তি তার বেসমেন্টে একটি প্রাচীর ছিটকে পড়ার পরে পুনরায় এটা আবিষ্কার করেছিলেন। প্রত্নতাত্ত্বিকরা প্রকাশ করেছেন যে শহরটি ১৮ তলা গভীর এবং স্কুল, চ্যাপেল এবং এমনকি আস্তাবল সহ ভূগর্ভস্থ জীবনের জন্য সকল প্রয়োজনীয় জিনিস ছিল
ডেরিঙ্কুইতে ভূগর্ভস্থ শহরটি বড় ঘূর্ণায়মান পাথরের দরজা দিয়ে ভিতরে থেকে বন্ধ করা যায়। এমনকি প্রতিটি ফ্লোর আলাদাভাবে বন্ধ করা যায়।
এই শহরটি ২০০০০ জন লোকের থাকার ব্যবস্থা ছিলো,এবং ক্যাপাডোসিয়া জুড়ে অন্যান্য ভূগর্ভস্থ কমপ্লেক্সে আরও ঘড় পাওয়া যায় যেমন মদ এবং তেলের প্রেস, আস্তাবল, সেলার, স্টোরেজ রুম, রিফেক্টরি এবং চ্যাপেল। Derinkuyu কমপ্লেক্সের জন্য আলাদা এবং দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত একটি ব্যারেল-খিলানযুক্ত সিলিং সহ একটি প্রশস্ত ঘড় আছে।। জানা গেছে যে এই কক্ষটি একটি ধর্মীয় বিদ্যালয় হিসাবে ব্যবহৃত হত এবং বাম দিকের কক্ষগুলি পড়াশোনার জন্য ব্যাবহৃত হতো।
তৃতীয় এবং চতুর্থ স্তরের মধ্যে শুরু হচ্ছে উল্লম্ব সিঁড়িগুলির একটি সিরিজ, যা সর্বনিম্ন (পঞ্চম) স্তরে একটি ক্রুসিফর্ম চার্চের দিকে নিয়ে যায়।
বড় ৫৫ মিটার বয়ুচলাচল খাদ একটি কূপ হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হয়। বাইরের দুনিয়ার লোকের থেকে লুকানোর জন্য এটা ছিলো মোক্ষম জায়গা।
তুরস্কের সংস্কৃতি বিভাগের মতে, খ্রিস্টপূর্ব ৮ম-৭ম শতাব্দীতে ফ্রিজিয়ানরা ক্যাপাডোসিয়া অঞ্চলের নরম আগ্নেয় শিলায় প্রাথমিকভাবে গুহাগুলি তৈরি করেছিল। রোমান কালে যখন ফ্রিজিয়ান ভাষা মারা যায়, গ্রীক ভাষার সাথে প্রতিস্থাপিত হয় তখন বাসিন্দারা তাদের গুহাগুলিকে গভীর বহু-স্তরের কাঠামোতে প্রসারিত করে চ্যাপেল এবং গ্রীক শিলালিপি যুক্ত করে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ ৯২ জন নোবেল বিজয়ী। এ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের ১০৬ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী এবং সুশীল সমাজের নেতারা তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল তার ফেসবুকে চিঠিটি শেয়ার করেছেন।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারীরা বাংলাদেশের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসকে অভিনন্দন এবং আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশের জনগণের মতো ড. ইউনূসও স্বৈরাচারিতার শিকার। আজ গণতান্ত্রিক এবং ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের ফলশ্রুতিতে স্বৈরাচার উৎখাত হয়েছে। ড. ইউনূস যেমনটা বলেছেন, বাংলাদেশ তার দ্বিতীয় স্বাধীনতা উপভোগ করছে এবং জাতি হিসেবে তার পূর্ণ সম্ভাবনা পূরণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে অধ্যাপক ইউনূসকে সমর্থন করতে পেরে গর্বিত। এটা বাংলাদেশের নতুন সূচনা এবং এই নতুন সময়ে আমরা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বাংলাদেশের জনগণের শান্তি ও সাফল্য কামনা করি। একটি নতুন এবং উন্নত সমাজ তৈরিতে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টাকে আমরা সমর্থন করি এবং যেকোনো প্রয়োজনে সাহায্য করতে প্রস্তুত আছি।
ড. ইউনূসকে দেওয়া শুভেচ্ছা চিঠিতে স্বাক্ষর করেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ শান্তি, চিকিৎসা, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, অর্থনীতি ও সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী ৯২ জন। এ ছাড়াও বিভিন্ন দেশের ১০৬ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা চিঠিতে স্বাক্ষর করেন।
মন্তব্য করুন


সম্প্রতি স্যামসাংয়ের আনপ্যাকড ইভেন্টে গ্যালাক্সি এস২৪ সিরিজের ফোনের সঙ্গে এসেছে বেশ অবাক করার মতো ছোট এক গ্যাজেটের ঘোষণা, যার নাম - গ্যালাক্সি রিং।
একেবারেই নতুন এই গ্যাজেট প্রসঙ্গে স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্সের ডিজিটাল হেলথ বিভাগের প্রধান ডা. মান পাক-এর সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ দৈনিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট যদিও এ গ্যাজেট সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ এখনও জানা যায়নি। তবে, স্যামসাং যে ফিচারগুলো নিয়ে কাজ করছে তা স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ।
ডা. পাক বলেন , স্যামসাং হেলথ-এ আমাদের ভূমিকা হল স্বাস্থ্যসেবাকে সহজ করা। পাশাপাশি, স্বাস্থ্য বিষয়ে মানুষ কোথায় রয়েছে, তাদেরকে সে পথটি বুঝতে সাহায্য করা । পরিবর্তনশীল খরচের ফলে স্বাস্থ্যসেবা আজকাল বাড়িতেই চলে আসছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে এটি দ্রুত হচ্ছে। তবে, আমি মনে করি এটা অন্যান্য জায়গায়ও ঘটে। আমাদের একটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেটি মূলত খরচের কারণে, কর্মশক্তির ঘাটতিও একটি কারণ। আমরা মনে করি আমাদের ডিভাইসের পোর্টফোলিও নিয়ে অনন্য একটি জায়গায় রয়েছি আমরা। এমনসব স্বাস্থ্য ফিচার যেগুলো মানুষ ঘরে বসেই ব্যবহার করতে পারবে সেগুলো বাজারে আনার এটিই উপযুক্ত সময় হিসেবে স্যামসাং বিশ্বাস করে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে ইন্ডিপেন্ডেন্ট। তবে স্বাস্থ্যবিষয়ক ডিভাইসের কিছু ঘাটতিও রয়েছে। এটা ঠিক যে একটি স্মার্টওয়াচ সকালে নিশ্চিত করে বলতে পারে যে, গতরাতে ঘুম ভাল হয়েছে কি হয়নি। কিন্তু সঠিক সিদ্ধান্তের জন্য এটি যথেষ্ট তথ্য নাও হতে পারে বলে লিখেছে ইন্ডিপেন্ডেন্ট।
ডা. পাক আরো বলেন,লোকজন বলছেন তারা কীভাবে ঘুমাচ্ছেন বা ব্যায়াম করছেন সেটির ধারণা পাওয়ার বিষয়টি দারুণ। ঘুমের বিষয়টি আমরা বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। কোরিয়ান এফডিএ আমাদের স্লিপ অ্যাপনিয়া (নিদ্রাহীনতা) স্ক্রিনিং সনাক্তকরণ অনুমোদন করেছে। আমাদের চারটি নতুন সূচক রয়েছে যা আমরা ঘুমের সময় ট্র্যাক করছি, হার্ট রেট বা হৃদস্পন্দন, শ্বাস-প্রশ্বাসের হার, রাতের চলাচল ও ঘুমের বিলম্ব। আমরা যা বুঝতে পেরেছি তা হল, ঘুমের সময় যখন আমরা মাপি যে কীভাবে হৃদস্পন্দন বা রক্তচাপ কমে যায়, সেগুলো কেবল আপনার ঘুমের গুণমান নয় আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যেরও ইঙ্গিত দেয়। আমরা মনে করি, এগুলো অসুখের সম্ভাব্য প্রাথমিক হস্তক্ষেপের সূচক, আর ডাক্তারদের কাছে এসব তথ্য নেই।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা করেছেন ডা. পাক। এটি অনেক কিছুই বদলে দিতে পারে এমন ধারণা প্রকাশ করেছেন তিনি। তিনি বলেন, আমি মনে করি না ডাক্তাররা কখনই পুরোপুরি চলে যাবেন। তবে, আমি মনে করি ডাক্তাররা এআই ব্যবহার করছেন না এমন দিন সম্ভবত সময়ের সঙ্গে চলে যাবে। কারণ, এআই এখন যথেষ্ট পরিপক্ক। আপনি যদি এটির সুবিধা না নেন তবে আপনি সঠিক দক্ষতা পাবেন না।
ইন্ডিপেনডেন্ট এর প্রতিবেদন অনুসারে, আলোচনার এক পর্যায়ে ড. পাক গ্যালাক্সি রিং-এর বেশকিছু প্রোটোটাইপ সংস্করণ দেখান। এগুলো প্রোটোটাইপ হওয়ায় রং, উপাদান থেকে শুরু করে নকশাও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানান তিনি। প্রোটোটাইপগুলো এক ডজন ভিন্ন আকারে ও সোনালী আর কালোসহ চারটি ভিন্ন রঙের ছিল। রিংগুলোর বাইরের প্রান্ত কিছুটা অবতল, স্পর্শে যেটি দারুণ আকর্ষণীয় লাগে বলে লিখেছে ইন্ডিপেনডেন্ট। এটি হালকা ও আরামদায়কও, ফলে রাতে পরার জন্য এটি স্মার্টওয়াচের চেয়ে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য।
রিং বা আংটি জাতীয় কোনোকিছুর মূল সুবিধা হল, এটি মনোযোগ ভাঙার মতো কোনো স্ক্রিন বা তেমন ওজন ছাড়াই সবসময়ে শরীরের সঙ্গে লেগে থাকতে পারে। কেউ এ আংটি পরে থাকলে এটি নিঃশব্দে ক্রমাগতভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে বলে উঠে এসেছে ওই প্রতিবেদনে। ড. পাক বলেন, এসব পরার মতো গ্যাজেট আমাদের এমনভাবে তথ্য বা প্রসঙ্গ দিতে পারে যা আমরা আগে কখনোই ভাবিনি। আমরা ডাক্তারের চেম্বারে যাই, রক্তচাপ পরীক্ষা করি। আবার ছয় মাস বা এক বছর পর ফিরে এসে আরেকটি পরীক্ষা করি।
বাস্তবে, এখানে অনেক প্রসঙ্গ বা তথ্য রয়েছে যা ডাক্তাররা বা ব্যক্তি নিজে জানলেই বদলাবে। আর মৌলিকভাবে এটি আমাদের কিছু ব্যবস্থাপনা ও জীবনধারার পছন্দ বা বিকল্পকে পরিবর্তন করবে। প্রথমবারের মতো এটি আমাদের পরিবর্তনের উপায় ও সুযোগ দিচ্ছে যা আগে সম্ভব ছিল না। এই ধরনের প্রযুক্তি আমাদের স্বাস্থ্যসেবায় প্রান্তিক গ্রাহক পর্যায়টি বুঝতে সাহায্য করছে।
মন্তব্য করুন


মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ ছাড়া ব্রেইল বইসহ বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা নিয়েও তিনি কথা বলেন।
তিনি বলেন, মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। ইউনেস্কো ২০০০ সাল থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করে আসছে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘মেইক ল্যাঙ্গুয়েজ কাউন্ট ফর সাসটেউনেবল ডেভেলপমেন্ট’ যুক্তিযুক্ত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশ ও দেশের ভাষাসমূহের মর্যাদা রক্ষায় নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে, যা দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য।
ড. ইউনূস আরো বলেন, শত বছরের শোষণে ও শাসনে জর্জরিত বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম জয়যাত্রা ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিতে। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়েছিল। এ দিনে আমাদের মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষা করতে প্রাণোৎসর্গ করেছিলেন আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালাম, রফিক উদ্দিন আহমদ, শফিউর রহমানসহ আরো অনেকে।
পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, ১৯৫৬ সালে বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায় এবং ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এই দিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
প্রফেসর
ইউনূস সবাইকে মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৫ এর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
জানান। তিনি এ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন। সূত্র: বাসস
মন্তব্য করুন


ইরাকের
উত্তরাঞ্চলীয় নিনেভ প্রদেশের হামদানিয়াহ অঞ্চলে বিয়ের অনুষ্ঠানে আগুন লেগে অন্তত
১১৩ জন নিহত এবং ১৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছে । আহত বর ও কনে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ইরাকের
জরুরি পরিষেবা সংস্থা ও স্থানীয় কর্মকর্তারা এই খবর নিশ্চিত করেন।
নিনেভের
ডেপুটি গভর্নর হাসান আল-আল্লাক বলেন, এ পর্যন্ত ১১৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রদেশটির
গভর্নর নিজিম আল জুবোরি জানিয়েছেন, এখনো মৃতের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।
তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
আল
জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ১ হাজার অতিথি ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
নিনেভ
প্রদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টার দিকে
এই ঘটনা ঘটে। ইরাকের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইফ আল-বদর বলেছেন, দুর্ভাগ্যজনক
দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ দেওয়ার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা করা হচ্ছে।
এক
জন প্রক্ষদর্শী জানান বর-কনে যখন নাচছিল তখন আতশবাজি ছুঁড়া হয় যা সিলিংয়ে আঘাত করতে
শুরু করেছিল এই সময় পুরো হলটিতে আগুন জ্বলে উঠে।
মন্তব্য করুন


উত্তর আমেরিকার দেশ মেক্সিকোতে গোলাগুলিতে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। স্থানীয় সময় শনিবার (২০ মে) মেক্সিকোর উত্তরাঞ্চলে একটি কার রেসিং শোতে গোলাগুলিতে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।
রোববার (২১ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার মেক্সিকোর উত্তরাঞ্চলে বাজা ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি কার-শোতে বন্দুক হামলায় কমপক্ষে ১০ জন নিহত এবং নয়জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় পৌর সরকার জানিয়েছে।
রয়টার্স বলছে, এনসেনাডা শহরের সান ভিসেন্টে এলাকায় অল-টেরেন কার রেসিং শো চলাকালীন এই হামলার ঘটনা ঘটে। ৯১১ তে রিপোর্ট করা বিবরণ অনুসারে, দুপুর সোয়া দুইটার পর লম্বা বন্দুকধারী লোকেরা একটি ধূসর ভ্যান থেকে বেরিয়ে গ্যাস স্টেশনে কার রেসিং শোতে অংশগ্রহণকারীদের ওপর গুলি করতে শুরু করে।
মিউনিসিপ্যাল ও স্টেট পুলিশ, মেরিনস, ফায়ার ডিপার্টমেন্ট এবং মেক্সিকান রেড ক্রসসহ অন্যান্য সংস্থা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
মেয়র আরমান্দো আয়ালা রোবেলস বলেছেন, প্রাদেশিক অ্যাটর্নি জেনারেল রিকার্ডো ইভান কার্পিও সানচেজ গোলাগুলির ঘটনার তদন্তের জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করেছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে আজারবাইজানের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত এলচিন হুসেইনলি আজ মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সময় তারা আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠেয় কপ-২৯ সম্মেলন এবং জ্বালানি, বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা ও দুই দেশের মধ্যে বিমান পরিষেবা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করেন।
আশা করা হচ্ছে অধ্যাপক ইউনুস আজারবাইজানে অনুষ্ঠেয় কপ-২৯ সম্মেলনে যোগ দেবেন, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অন্তত ৩২ হাজার মানুষ জলবায়ু অর্থায়নের বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।
রাষ্ট্রদূত হুসেইনলি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও নিবিড় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসাথে তিনি উভয় দেশের মধ্যে ব্যবসা ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ উন্মোচন এবং আরও বেশি ব্যবসার উপায় খোঁজার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তিনি জানান, জুন মাসে বাকুতে দুই দেশের মধ্যে পররাষ্ট্র দপ্তর পর্যায়ে একটি পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আজারবাইজান বাংলাদেশের সঙ্গে একটি বিমান পরিষেবা চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনুস আজারবাইজানকে "ভাল বন্ধু" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস আজারবাইজানের জনগণ, দেশটির নেতৃত্ব এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।
মন্তব্য করুন


পবিত্র হজ করতে বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২২ হাজার ৮৩৩ জন যাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এর মধ্যে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২২ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী। তাদের মধ্যে মক্কায় মারা গেছেন ২২ জন, মদিনায় ৪ জন।
এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১০ হাজার ৩২১ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী ১ লাখ ১২ হাজার ৫৬২ জন । হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্পডেস্ক।
মন্তব্য করুন


বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে এক দল রাজহাঁস। ব্রাজিলের সাও পেদ্রো দে অ্যালকান্তারা জেলের বাইরের চিত্র এটা।
রাজহাঁসের একটি দল সেখানে জেল পাহারা দেয় । রাজহাঁসরাই জেলের পাহারাদার। তাদের অতন্দ্র প্রহরায় জেল থেকে মাছি গলার উপায় নেই।ব্রাজিলের এই বিশেষ জেলটিতে কিন্তু এত দিন রাজহাঁস ছিল না।
অন্য প্রাণী পাহারাদার হিসেবে ছিল। সম্প্রতি সেগুলো সরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে হাঁসগুলোকে। সাও পেদ্রো দে অ্যালকান্তারা জেল এত দিন এক দল প্রশিক্ষিত হিংস্র কুকুরকে জেলের বাইরের মাঠে রেখে দেওয়া হয়েছিল।
তবে সম্প্রতি কারা কর্তৃপক্ষ কুকুরের বদলে রাজহাঁসে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা বেশি দেখেছে। বিভিন্ন সুবিধা বিবেচনা করেই তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এই রদবদল করেছে বলে দাবি তাদের। দক্ষিণ ব্রাজিলের সান্টা ক্যাটারিনা প্রদেশে অবস্থান এই সাও পেদ্রো দে অ্যালকান্তারা কারাগার। জায়গা নির্জন। ওই নির্জন এলাকা হাঁসের পক্ষে উপযোগী বলে জানায় কারা কর্তৃপক্ষ।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রাজিলের ওই জেলের কর্মচারীদের দাবি, কুকুরের চেয়ে রাজহাঁসের মধ্যে পাহারা দেওয়ার পারদর্শিতা, তৎপরতা অনেক বেশি।
জেলের ডিরেক্টর মার্কোস রবার্টো ডিসুজা জানিয়েছেন, তাদের জেলে ৩টি স্তরে নিরাপত্তার বন্দোবস্ত রয়েছে। কয়েদিরা যাতে জেল থেকে পালাতে না পারে, সেজন্য চলে কড়া নজরদারি।
সূত্র: রয়টার্স, দ্য অ্যানিমেল রিডার
মন্তব্য করুন