বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়নে ৩৬৭ কোটি টাকা অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক

বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়নে ৩৬৭ কোটি টাকা অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক
ছবি: সংগৃহীত




জ্বালানি খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৩ কোটি মার্কিন ডলার অতিরিক্ত অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৬৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩৮ পয়সা হিসেবে)। বিশ্বব্যাংক এই অর্থায়নটি করবে 'এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং অব পাওয়ার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক ইন ইস্টার্ন রিজন' প্রকল্পের আওতায়।


বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৃহত্তর কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী অঞ্চলে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।


বিশ্বব্যাংক এর আগে স্কেল আপ ফ্যাসিলিটি (এসইউএফ) তহবিল থেকে প্রকল্পটির মূল ঋণচুক্তি ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল স্বাক্ষরিত করেছিল। কোভিড-১৯ চলাকালে কিছু অর্থ প্রত্যাহারের পর বর্তমানে প্রকল্পটির সফল সমাপ্তির জন্য অতিরিক্ত ৩ কোটি ডলার অর্থায়ন প্রয়োজন ছিল, যা বিশ্বব্যাংক অনুমোদন করেছে।


এই ঋণের মেয়াদ ৩০ বছর, যার মধ্যে ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে। ঋণের সুদের হার ১ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং সার্ভিস চার্জ ০ দশমিক ৭৫ শতাংশ নির্ধারিত হয়েছে। এছাড়া, অনুত্তোলিত ফান্ডের ওপর ০ দশমিক ৫০ শতাংশ কমিটমেন্ট চার্জ থাকলেও, পূর্ববর্তী বছরের মতো এই অর্থবছরে কোনো কমিটমেন্ট ফি দিতে হবে না।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

সরকার চাইলে সংসদের আগে স্থানীয় নির্বাচন: নির্বাচন কমিশন

সরকার চাইলে সংসদের আগে স্থানীয় নির্বাচন: নির্বাচন কমিশন
ছবি: সংগৃহীত




সরকার চাইলে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে এ মুহূর্তে অন্য কোনো নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে না।


মঙ্গলবার ইউএনডিপিসহ উন্নয়ন সহযোগী ১৮টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, "আমরা আগেই বলেছিলাম, আমাদেরকে সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিতে হবে। আমাদের অবস্থান এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে।"


সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "প্রধান উপদেষ্টা ১৬ ডিসেম্বরের বক্তব্যে বলেছিলেন, যদি অল্প পরিমাণে সংস্কারসহ নির্বাচন করতে হয় এবং রাজনৈতিক মতৈক্য হয়, তাহলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব। তবে যদি ব্যাপক সংস্কারের সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে ২০২৬ সালের জুন নাগাদ নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে।"


স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আবুল ফজল বলেন, "একটি প্রশ্ন উঠেছিল, দুটি নির্বাচন একসঙ্গে করা যায় কিনা। এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং এতে কতটা সময় লাগতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।"


নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, জাতীয় ও স্থানীয় সরকারের নির্বাচন একসঙ্গে আয়োজন করা সম্ভব নয়। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন ধাপে ধাপে আয়োজন করতে গেলে এক বছর সময় লাগে। যদি স্থানীয় সরকারের নির্বাচন পুরোপুরি আয়োজন করা হয়, তাহলে জাতীয় নির্বাচনের সময় পিছিয়ে যাবে। বর্তমানে জাতীয় নির্বাচনই নির্বাচন কমিশনের অগ্রাধিকার। তবে সরকার যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের।


আবুল ফজল আরও বলেন, "স্থানীয় সরকার নির্বাচন কতটুকু হবে, কোন কোন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন হবে, তা সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে। তখন নির্বাচন কমিশন বলতে পারবে, এটি জাতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে কিনা। তার আগে এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।"


ইউএনডিপি ছাড়াও এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, স্পেন, কানাডা, জার্মানি, চীন, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, ইইউ এবং তুরস্কের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

গাজায় ‘পারমাণবিক বোমা’ ফেলতে ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন সিনেটরের আহ্বান

গাজায় ‘পারমাণবিক বোমা’ ফেলতে ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন সিনেটরের আহ্বান
মার্কিন সিনেটরের ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইসরায়েলকে আরও বোমা সরবরাহ করতে বাইডেন প্রশাসনকে আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। তিনি এই যুদ্ধের সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের বিরুদ্ধে আণবিক বোমা ব্যবহারের তুলনা করেন।

লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, পার্ল হারবারের আক্রমণের পর আমরা নাগাসাকি ও হিরোশিমায় যেভাবে জবাব দিয়েছিলাম, ইসরায়েলেরও তেমন টা করা উচিত। তাদেরকে সেই বোমা সরবারহ করা উচিত।

সম্প্রতি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফাহ সীমান্তে বারবার নিষেধের পরও ইসরায়েলে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করায় তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাঠানো বন্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এপ্রিল মাসের শুরু থেকেই মার্কিন প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শেষ পর্যন্ত এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশেষ করে একাধিক ধরনের বোমার সরবরাহ বন্ধ রাখছে বাইডেন প্রশাসন, যেগুলি দিয়ে ইসরায়েল গাজার শহরাঞ্চলে আক্রমণ চালাতে পারে।

বোমা সরবরাহ সীমিত করা ও রাফাহ সীমান্তে অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়ে পড়েছে। তবে ইসরায়েলের কট্টর সমর্থন লিন্ডসে গ্রাহাম। তিনি বলেন, এই যুদ্ধে ইসরায়েলের জয় নিশ্চিতে পর্যাপ্ত বোমা সরবরাহ করা উচিত। কোনোভাবেই তাদের হারতে দেওয়া যাবে না।

গত বছরের ৭ অক্টোবর অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েল অভিমুখে হাজার হাজার রকেট ছুড়ে মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিদের সশস্ত্র সংগঠন হামাস। এতে ইসরায়েলে নিহত হন এক হাজার ৪০০ জন। এরপরেই বছরের পর বছর ধরে গাজায় চলা সামরিক পদক্ষেপ জোরাল করে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে প্রাণ হারিয়েছে ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি, আহত ৭৪ হাজারেরও বেশি। হতাহতদের বেশিরভাগই বেসামরিক। এমন অবস্থায় বিশ্বজুড়ে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হচ্ছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও যোদ্ধাদের সঠিক মর্যাদা দিতে হবে: রিজভী

জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও যোদ্ধাদের সঠিক মর্যাদা দিতে হবে: রিজভী
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমরা জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও যোদ্ধাদের সঠিক মর্যাদা দিতে চাই। এই জুলাই আগস্টেই তাদেরকে সম্মান দিতে হবে।


শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনা সভা ও বিশেষ অনুষ্ঠানের ভেন্যু পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।


উল্লেখ্য যে, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি পালন উপলক্ষে ১ জুলাই সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ : জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও শহীদ পরিবারের সম্মানে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


রিজভী বলেন, আমরা ১ জুলাইকে কেন্দ্র করে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। আমরা যথাযথভাবে কর্মসূচি পালন করতে চাই। যাদের সন্তানেরা গণতন্ত্র ফেরানোর জন্য দুনিয়া থেকে চলে গেছেন তাদেরকে বিশেষ সম্মান জানাতে হবে। সেই প্রত্যয় নিয়ে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই আন্দোলনে সারাদেশের মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।


তিনি আরও বলেন, আমার জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের লক্ষ্যে প্রথম কর্মসূচি পালনের জন্য ভেন্যু পরিদর্শন করেছি। এই কমিটির উদ্যোগে ভেন্যু পরিদর্শন করলাম। যাতে অনুষ্ঠান ভাবগাম্ভীর্য সহকারে পালন করতে পারি। অতিথিরা ও শহিদ পরিবারের সদস্যরা যাতে সুন্দরভাবে বসতে পারে। অনুষ্ঠান যাতে সার্থক হয়।


রিজভী বলেন, জাতির অনেক অর্জনের মধ্যে জুলাই বিপ্লব একটি অর্জন। আমরা প্রথম বর্ষপূর্তি পালন করতে যাচ্ছি। আমরা এমন একটা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি। যে স্বপ্ন সাধারণ মানুষ দেখে। সকলে নিরাপদ জীবন আমরা প্রত্যাশা করি।


তিনি বলেন, আমাদের অর্থনীতি ও সামাজিক সংকট রয়েছে। মব কালচার আছে। এসব থেকে মুক্ত হতে হবে। গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে হবে। গত বছরেও আমাদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৪.২। এবার সেটি হয়েছে ৩.৯। আমরা সরকারকে সেটি দেখার জন্য বলব। আমরা তো সমালোচনা করবোই। অবশ্যই যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে। আমরা প্রত্যাশা করি নির্বাচন কমিশন দ্রুত একটি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবেন।


তিনি আরও বলেন, বিগত অগণতান্ত্রিক সরকার দেশের অর্থ লোপাট করেছে। দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে। যার অন্যতম নির্বাচন কমিশন ও মিডিয়া। তারা কখনো প্রকৃত গণতন্ত্র চায়নি। জনগণ মনে করে ড. ইউনূস দেশবাসীর মনের প্রত্যাশা মোতাবেক ব্যবস্থা নেবেন।


শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, জুলাই বিপ্লবকে স্মরণীয় করে রাখতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। আমাদের দাবি ও প্রত্যাশা খুব শিগগিরই শেখ হাসিনার বিচার কাজ দৃশ্যমান হবে। জনগণের ভোটে সরকার নির্বাচিত হবে। আমরা বিশ্বাস করি এই নির্বাচনে জনগণের দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জয়লাভ করবে এবং জনগণের সরকারের প্রতিনিধিত্ব করবে।


তিনি বলেন , আমরা শহীদ ও আহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি এবং করছি। আমরা মনে করি একটি কমিশন বা সংস্থার মাধ্যমে শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াবো। আমাদের এ ধরনের কাজ অব্যাহত থাকবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

অদৃশ্য এক শক্তি ধীরে ধীরে মাথা তুলছে: তারেক রহমান

অদৃশ্য এক শক্তি ধীরে ধীরে মাথা তুলছে: তারেক রহমান
ছবি: সংগৃহীত



বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচার পতনের কয়েক দিন পর আমি জেলা ও থানার বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বসেছিলাম। আপনাদের অনেকে সে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তখন আমি বলেছিলাম—স্বৈরাচার বিদায় নিয়েছে, পালিয়ে গেছে কিন্তু অদৃশ্য এক শক্তি ধীরে ধীরে মাথা তুলছে। এক বছর আগে আপনাদের সামনে আমি এ কথাটি বহুবার বলেছিলাম। আজ সেই কথাই সত্য হয়ে ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে।’


শনিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়ামে জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


তারেক রহমান বলেন, আজকের এ কাউন্সিলে প্রার্থীরা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বাংলাদেশের জনগণ আমাদের মূল শক্তি। বিএনপির কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জনগণ। জনগণের পাশে থাকতে হবে, জনগণকে আমাদের পাশে রাখতে হবে। যে কোনো মূল্যে এটিই নিশ্চিত করতে হবে। দলের সিদ্ধান্তে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব। কাউকে ব্যক্তি স্বার্থে দল ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।


তিনি বলেন, ‘বিএনপি একটি বিশাল পরিবার। নীতি-নির্ধারকেরা এ পরিবারের অভিভাবক। তারা যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন, তখন সবাইকে সেটি মেনে ঐক্যবদ্ধভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। দলের নাম ব্যবহার করে কেউ যেন ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল না করতে পারে বা জনগণের কাছে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি করতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’


দীর্ঘ ৯ বছর পর আয়োজিত এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা স্টেডিয়ামে সমবেত হন। হাজারো কর্মীর উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয় সম্মেলন।


সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল আলম। সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম এবং প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন-নবী খান সোহেল।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আ’লীগ সমর্থকদের মারধর

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আ’লীগ সমর্থকদের মারধর
আ’লীগ সমর্থকদের মারধর


ডেস্ক রিপোর্টঃ

ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, জাতীয় দিবসের তালিকা থেকে ১৫ আগস্ট ও ৭ মার্চ বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে জড়ো হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের কর্মী–সমর্থকেরা। মানববন্ধন করতে চাইলে বাধা ও একপর্যায়ে তাদের মারধর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১২টার দিকে ১০-১৫ জন আওয়ামী লীগ সমর্থক নেতাকর্মী প্রেস ক্লাবের সামনে এসেছিলেন মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে। তা শোনার পরই বিএনপির ৫০-৬০ নেতাকর্মী এসে তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় আওয়ামী লীগের একজন কর্মীকে বিএনপি সমর্থিত ৪-৫ জন বেধড়ক মারধর করেন।

এদিকে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, ‘ওই ধর ধর, আওয়ামী লীগ ধর, সব কয়কারে ধর-পালাইতেছে।’

বিএনপির নেতাকর্মীদের ধাওয়া খেয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী বলেন, ‘এই দেশে আওয়ামী লীগের ইতিহাস কেউ কখনও মুছতে পারবে না। আমরা ছিলাম, আছি, থাকবো ইনশাআল্লাহ।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলো বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: ইসি

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলো বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: ইসি
ছবি: সংগৃহীত



আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 


বৃহস্পতিবার ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক পরিপত্র জারি করা হয়েছে। সেই পরিপত্র থেকে এ তথ্য জানায় ইসি।


এ সময় সম্ভাব্যতা অনুযায়ী কেন্দ্রসমূহে সিসিটিভি কাভারেজ নিশ্চিত করা হবে বলে জানায় ইসি।


একইসঙ্গে মাঠে ব্যবহৃত ইন্টারনেট কানেক্টেড বডি ক্যামেরা ও একটি লাইভ ফিড নির্বাচন কমিশন সমন্বয় সেলে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানায় ইসি।


পরিপত্রে বলা হয়েছে, ভোটার, প্রার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং ভোটকেন্দ্রসহ নির্বাচনী সামগ্রীর নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব দল ও প্রার্থী যাতে নির্বিঘ্নে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, ভোটাররা নিরাপদে ভোট দিতে পারে এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে, এর জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে। ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা প্রদান করা হবে।


আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাঠামো অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় লীড মন্ত্রণালয় হিসেবে নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন পরবর্তী সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা নিশ্চিত করবে।


সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বাহিনী ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মাঠ পর্যায়ে রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রয়োজন অনুযায়ী অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সহায়তা প্রদান করা হবে।


পরিপত্রে আরো বলা হয়, নির্বাচনের সময় বাহিনী মোতায়েনের ধরন অনুযায়ী কেন্দ্রভিত্তিক স্থায়ী মোতায়েন, স্থায়ী/অস্থায়ী চেকপোস্ট, মোবাইল টহল ও আভিযানিক দল এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স কার্যকর থাকবে।


নির্বাচনের আগে ৪ দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর ২ দিন পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা ও অপতথ্য মনিটরিং সেল পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এতে আরো জানানো হয়, অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার, গুজব ও অপতথ্য রোধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা, সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে কাভারেজ এবং বডি ক্যামেরার মাধ্যমে লাইভ পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করা হবে। ভোটারদের স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তার জন্য এসব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।


গত ২৩ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সভায় পুলিশের বিশেষ ব্রাঞ্চ জানায়, ৪২৭৬১ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৮৬৬৩ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ।


এর মধ্যে ৮ হাজার ২২৬ কেন্দ্র অতি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ২০৪৩৭ কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বলা হয়েছে।


ইসির ঘোষিত নির্বাচনী রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখে একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি আরও নিষ্পত্তি ১২ জানুয়ারি  থেকে ১৮ জানুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি,  রিটার্নিং কর্মকর্তা দ্বারা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি, নির্বাচনী প্রচার চলবে ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

অস্তিত্বের প্রশ্নে এখন বেসামাল হয়ে উঠেছে সরকার

অস্তিত্বের প্রশ্নে এখন বেসামাল হয়ে উঠেছে সরকার

আওয়ামী কর্তৃত্ববাদী সরকার নিজেদের অস্তিত্বের প্রশ্নে এখন বেসামাল হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, অবৈধ শাসকগোষ্ঠী বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর নানা কায়দায় জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে দেশের মানুষকে ভীতসন্ত্রস্ত রাখতে নিষ্ঠুর পথ অবলম্বন করছে।

বৃহস্পতিবার ( ১৮ মে) বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, জেলা সমাবেশকে বানচাল করার লক্ষ্যে আওয়ামী সরকারের মদদে জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোণা জেলাধীন বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের কোনও মামলা ছাড়াই বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার এবং বাড়িতে বাড়িতে ব্যাপক তল্লাশি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আমি এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বিএনপি মহাসচিব দাবি করেন, গতকাল ১৭ মে রাতে জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ৯নং ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বুলবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, ৮নং ফুলকোচা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ, ২নং কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল, সাবেক ছাত্রনেতা ও শেরপুর জেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. কামাল হোসেনকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করতে বাড়িতে বাড়িতে ব্যাপক পুলিশি তল্লাশি চালানো হয়। তার আগে শেরপুর জেলায় জেলা সমাবেশের প্রস্তুতি সভার আগের রাতে ১১ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়।

জেলাগুলোতে অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশকে বানচাল করার লক্ষ্যে জনবিচ্ছিন্ন সরকার এ ধরনের অপকর্ম সংঘটিত করছে বলেও দাবি করেন মির্জা ফখরুল।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

আওয়ামী লীগের চরিত্র দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া: ড. মঈন খান

আওয়ামী লীগের চরিত্র দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া: ড. মঈন খান
ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের চরিত্র দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। 


তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী আচরণ ও দুঃশাসনের বিষয়ে জনগণ অবগত।  জিয়াউর রহমানের পর দলটি দীর্ঘসময় দেশকে শাসন করেছে। কিন্তু দলটি দেশে কখনো জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি।


আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরাম আয়োজনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।


আব্দুল মঈন খান বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাঙ্গালীর জাতীয়তাবাদের মধ্যে সমস্যা দেখেছিলেন।  সেই সমস্যার সমাধান তিনি খুঁজে বের করেছিলেন।  তা হলো বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। জিয়াউর রহমান সবক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদী নীতি মেনে দেশকে এগিয়ে নিয়েছিলেন।


তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান দেশ থেকে একদলীয় স্বৈরতন্ত্রকে উৎখাত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছেন। ভিন্নমতকে উৎসাহিত করতেন তিনি। 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী
ছবি: সংগৃহীত



পার্বত্য চট্টগ্রাম আবার অস্থিতিশীল করে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ভারতীয় মদতপুষ্ট সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা ইউপিডিএফ। ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে পাহাড়ে হামলা চালানো এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণের মতো কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছে সংগঠনটির সদস্যরা। নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর ভারত আবার পাহাড়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে চাইছে।


এ পরিস্থিতিতে পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পার্বত্যাঞ্চলে অন্তত আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তাদের যুক্তি, নতুন ক্যাম্প হলে প্রতিটি রুটে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো যাবে, অস্ত্রপ্রবাহ বন্ধ হবে এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণ বন্ধ করা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প বৃদ্ধি জরুরি।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান।


এসব সেনা কর্মকর্তার দাবি, শান্তিচুক্তির পর ক্যাম্প কমে যাওয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করেছে এবং এখন তারা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। পাহাড়ের সশস্ত্র গ্রুপগুলো গত এক বছরে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, এর মধ্যে ইউপিডিএফ তুলেছে ১০৪ কোটি টাকা। চাঁদা নেওয়ার তালিকায় রয়েছে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, কৃষি, যানবাহন, ঠিকাদার, কাঠ, বাঁশ ও অপহরণ। এর মধ্যে সশস্ত্র গ্রুপগুলো রাঙামাটি জেলা থেকে ২৪৪ কোটি, খাগড়াছড়ি থেকে ৮৬ কোটি এবং বান্দরবান থেকে ২০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে।


শুধু চাঁদা নয়; অপহরণ ও হত্যার সঙ্গেও জড়িত ইউপিডিএফ। ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত ৩৩২ জনকে অপহরণ করে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। এর মধ্যে পাহাড়িরাও ছিলেন। সর্বশেষ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে অপহরণ করার ঘটনা ঘটে। তাদের হাতে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮৯ জন হত্যার শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য যেমন রয়েছেন, তেমনি সেনাবাহিনীর ১৬ সদস্যও রয়েছেন।


ইউপিডিএফ এবং তাদের সহযোগীরা ভারতের মিজোরামে স্থাপিত ক্যাম্প থেকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে বাংলাদেশের ভেতরে নাশকতা চালাচ্ছে। সেনাবাহিনী মনে করে, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। বর্তমানে খাগড়াছড়িতে ৯০, রাঙামাটিতে ৭০ এবং বান্দরবানে ৫০টিসহ ২১০টি ক্যাম্প থাকলেও পাহাড়ের ভৌগোলিক বাস্তবতায় তা যথেষ্ট নয়। আরো অন্তত আড়াইশ নতুন ক্যাম্প হলে সন্ত্রাসীরা আর মাথা তুলতে পারবে না।


সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রতি সদয় ছিল হাসিনার সরকার


সেনা সদর বলছে, শেখ হাসিনার আমলে সশস্ত্র গ্রুপগুলোর প্রতি নমনীয় থাকার অলিখিত নির্দেশ ছিল, যার ফলে সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক মদত ও প্রশাসনিক শৈথিল্য কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী হয়। কিন্তু বর্তমান নীতি হলো ‘নো কম্প্রোমাইজ’। অর্থাৎ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস বা আলোচনার জায়গা নেই, সরাসরি অ্যাকশনই একমাত্র পথ। কারণ, গোষ্ঠীগুলো কখনো সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না; তারা পাহাড়ি ও বাঙালি- উভয় জনগোষ্ঠীকেই জিম্মি করে রেখেছে।


পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্রিগেড কমান্ডার জানান, ইউপিডিএফ ও অন্যান্য সন্ত্রাসী গ্রুপের কার্যক্রম এখন শুধু চাঁদাবাজি বা অপহরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তারা ভারতের মিজোরাম থেকে সরাসরি প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে এসে পাহাড়ে হামলা চালাচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অতিরিক্ত সেনা ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। আমরা মনে করি, কমপক্ষে আড়াইশ নতুন ক্যাম্প প্রয়োজন।


খাগড়াছড়ি জোনের দায়িত্বে থাকা একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল বলেন, যেভাবে মিথ্যা ধর্ষণের নাটক সাজানো হলো, সামনে আরো বড় কোনো ঘটনা ঘটানো হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র ঠেকাতে সেনাদের দ্রুত উপস্থিতি জরুরি। কিন্তু বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকার অনেক জায়গায় সেনা ক্যাম্প নেই, ফলে সন্ত্রাসীরা ফাঁকফোকর কাজে লাগায়। তাই আমরা আড়াইশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবি তুলেছি।


বান্দরবানে দায়িত্ব পালন করা একজন মেজর জানান, ইউপিডিএফের চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডের তথ্য আমাদের হাতে আছে। তারা ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ সহায়তায় চলছে। প্রতিটি রুট আমরা চিহ্নিত করেছি। এখন প্রয়োজন তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ। নতুন ক্যাম্পগুলো হলে আমরা এক ঘণ্টার মধ্যেই যেকোনো স্থানে অভিযান চালাতে পারব।


রাঙামাটির এক জোন কমান্ডার বলেন, আমাদের হাতে গোয়েন্দা প্রমাণ রয়েছে যে, ইউপিডিএফের অন্তত ছয়টি ক্যাম্প ভারতের মিজোরামে। তাদের লোকজন প্রশিক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। সীমান্ত পাহাড়ে ক্যাম্প বাড়ানো ছাড়া এ অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাবে না। জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সেনা ক্যাম্পের সংখ্যা আড়াইশতে উন্নীত করা জরুরি।


সার্বিক বিষয়ে খাগড়াছড়িতে দায়িত্ব পালন করা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়টি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। আমরা এখন আমাদের যা পুঁজি আছে, সেগুলো নিয়ে নজরদারি করছি। ধর্ষণের ঘটনাকে পুঁজি করে সাধারণ পাহাড়ি নারী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছে ইউপিডিএফ। এসব কর্মসূচিতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশীয় ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করে ফায়ারিং করা হয়েছে। সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে।


নিরাপত্তা বিশ্লেষক মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমানে ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসী তৎপরতা, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড নতুন মাত্রা পেয়েছে। সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার চাইলে কেন আমরা তা প্রত্যাহার করব? আমরা আমাদের কৌশলে এগিয়ে যাব।


নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শহীদুজ্জামান বলেন, ইউপিডিএফ এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা থেকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, যা আমাদের জন্য শঙ্কার বিষয়। সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং কার্যকর নজরদারি ছাড়া দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব নয়। সে কারণে আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন এখন একান্ত জরুরি। এসব ক্যাম্প স্থাপন করা হলে সেনাবাহিনী দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারবে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর পিপিরাও পালিয়েছে: উপদেষ্টা আসিফ

হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর পিপিরাও পালিয়েছে: উপদেষ্টা আসিফ
ছবি: সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)রাও পালিয়ে গেছেন। ৫১টি জেলার পিপি গায়েবি মামলার তথ্য পাঠিয়েছেন। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে সংস্কার নিয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা আমলের গুম-খুন ও জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচারের চ্যালেঞ্জ নিয়ে এই সংলাপের দ্বিতীয় দিন চলছে।


ড. আসিফ নজরুল আরও বলেন, "সব বিচার আইন বিভাগই করবে, কোনো গাফিলতি হবে না। হাসান মাহমুদ, ওবায়দুল কাদেরের মতো বদমাশরা কেন পালিয়ে গেল, এই প্রশ্ন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে করা হবে।"


আলোচনার শুরুতেই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা বক্তব্য রাখেন। তারা গত ১৬ বছরে দেশে ঘটে যাওয়া সব হত্যা, বিডিআর হত্যাকাণ্ডসহ সকল গুমের বিচার দাবি করেন। ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাধারণ সম্পাদক অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার সরকারের গুমের সংস্কৃতি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র গুম হওয়ার মাধ্যমে শুরু হয়েছে।


এছাড়া জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অন্তবর্তী সরকার এখনও গুমের বিচার শুরু করেনি।


সংলাপের দ্বিতীয় সেশন দুপুর ২:৩০ থেকে শুরু হবে, যেখানে সংস্কারের দায়িত্ব ও নির্বাচন বিষয়ক দিক নিয়ে আলোচনা হবে। বিকেল পৌনে ৫টায় পঞ্চম অধিবেশন শুরু হবে, যেখানে ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় দেশের স্বার্থ ও নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০