

ইসলামী শরিয়াবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়া এবং ইসলামবিরোধী কেউ কোনো কথা না বলাসহ ১০ বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে পল্টনস্থ ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টার বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান।
যেসব বিষয়ে দুই দল একমত হয়েছে-
১. আধিপত্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ-মুক্ত স্বাধীন ও সার্বভৌম টেকসই রাষ্ট্র গঠনে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা।
২. দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি ও টাকা পাচারকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।
৩. ভোটাধিকারসহ সকল মানবাধিকার রক্ষায় জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা।
৪. নূন্যতম প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।
৫. দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং সকল অধিকার বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করে নিয়ে আসা।
৬. আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল শক্তি দেশ পুনর্গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।
৭. ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে আঘাত করে কথা বলবে না।
৮. আগামীতে যাতে আওয়ামী লীগের মতো আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি ক্ষমতায় আসতে না পারে, সে ব্যাপারে রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকবে।
৯. ইসলামী শরিয়াবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না এবং ইসলামবিরোধী কোনো কথা কেউ বলবে না।
১০. প্রশাসনে এখনো বিদ্যমান আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসরদের দ্রুত অপসারণ করা।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ার বরকতউল্লাহ বুলু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান, ইমতিয়াজ আলম, সহকারী মহাসচিব আতিকুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহবাহী ফ্লাইটটি অবতরণ করে। রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকা সেনানিবাস কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে তাদের নামাজে জানাজা।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এরপর তাদের নিজ নিজ ঠিকানায় হেলিকপ্টারে করে পাঠিয়ে যথাযথ সামরিক মর্যাদায় দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
আইএসপিআর জানায়, গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সংঘটিত বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার ঘটনায় শাহাদাৎ বরণকারী ৬ জন শান্তিরক্ষীর মরদেহ শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে দেশে প্রত্যাবর্তন করে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম বিমানবন্দরে শান্তিরক্ষীদের মরদেহ গ্রহণ করেন।
এছাড়াও মরদেহ গ্রহণকালে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান; বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রতিনিধি; আবেইতে মোতায়েনরত জাতিসংঘ মিশন ইউনিসেফ এর ফোর্স কমান্ডারের প্রতিনিধি, চিফ কমিউনিটি লিয়াজোঁ অফিসার; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিজি (ইউএন); ওভারসিজ অপারেশন পরিদপ্তরের পরিচালক; ঊর্ধ্বতন সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। মরদেহ গ্রহণের সময় সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন এবং সব সামরিক ব্যক্তি শাহাদাতবরণকারীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে স্যালুট দেন।
আইএসপিআর আরও জানায়, রোববার ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠান শেষে তাদের নিজ নিজ ঠিকানায় হেলিকপ্টারে করে পাঠিয়ে যথাযথ সামরিক মর্যাদায় দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
উল্লেখ্য, সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় ৬ জন শান্তিরক্ষী শহীদ হওয়ার পাশাপাশি ৯ জন শান্তিরক্ষী আহত হন, যাদের মধ্যে ৮ জন কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে (লেভেল–৩ হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে দ্রুতই রাজপথে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।
কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ছাত্রলীগের নেতাদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা দায়েরের সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, শেখ হাসিনার পদত্যাগ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। রাষ্ট্রপতি তার পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন, দ্রুত তাকে পদত্যাগ করতে হবে। দ্রুতই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে রাজপথের কর্মসূচি ঘোষণা করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কোনোভাবেই আর রাষ্ট্রপতিকে পদে দেখতে চাই না।
এর আগে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরকে আসামি করে শাহবাগ থানায় মামলা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহিন সরকার। আসামি হিসেবে আছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা সভাপতি ও সেক্রেটারিও। ৩৮৭ জনের নাম উল্লেখ করে ১ হাজার অজ্ঞাতনামার বিরুদ্ধে এ মামলা হয়েছে।
সম্প্রতি মানবজমিন পত্রিকায় সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের একটি সাক্ষাৎকার নেন। গত শনিবার (১৯ অক্টোবর) পত্রিকার রাজনৈতিক ম্যাগাজিন সংস্করণ ‘জনতার চোখ’- এ সাক্ষাতকারটি প্রকাশিত হয়।
‘উনি তো কিছুই বলে গেলেন না...’ শিরোনামে প্রকাশিত লেখায় মতিউর রহমান উল্লেখ করেন, তিন সপ্তাহ ধরে তিনি শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্রের বিষয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদত্যাগপত্র থাকার কথা যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সেখানেও তিনি খোঁজ নিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিনের মুখোমুখি হন।
সেখানে আলাপচারিতার একপর্যায়ে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে জানতে চান, আপনার কাছে কি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগপত্রটা আছে? জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি শুনেছি তিনি পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু আমার কাছে কোনো দালিলিক প্রমাণ নেই। বহু চেষ্টা করেও আমি ব্যর্থ হয়েছি। তিনি হয়তো সময় পাননি’।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘৫ই আগস্ট সকাল সাড়ে দশটায় বঙ্গভবনে ফোন এলো প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে। বলা হলো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন মহামান্য প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য। এটা শুনেই প্রস্তুতি শুরু হলো বঙ্গভবনে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ফোন এলো তিনি (শেখ হাসিনা) আসছেন না’।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ৬০ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন আজ বৃহস্পতিবার এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানায়।
আক্তার হোসেন বলেন, ২০০০ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সজীব ওয়াজেদ ৫৪ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার ৯৭৮ টাকার স্থাবর এবং ৬ কোটি ৭৮ লাখ ৮৪ হাজার ৮৯১ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। তার বৈধ আয়ের পরিমাণ ছিল মাত্র ১ কোটি ৩২ লাখ ৮ হাজার ৫৪২ টাকা। এ হিসেবে তার অবৈধ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬০ কোটি ১৪ লাখ ৭৩ হাজার ৯৭০ টাকা।
দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সজীব ওয়াজেদ অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া হুন্ডি ও অন্যান্য মাধ্যমে ৫৪ কোটি ৪ লাখ ৩২ হাজার ২৫৮ টাকা বিদেশে পাচার করে যুক্তরাষ্ট্রে দুটি বাড়ি ক্রয় বা বিনিয়োগ করেছেন।
তার নামে থাকা দুটি ব্যাংক হিসাবে ৩ কোটি ৪৬ লাখ ২২ হাজার ৫৭ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনসহ মোট ৫৭ কোটি ৫০ লাখ ৫৪ হাজার ৩১৫ টাকার লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
দুদক মহাপরিচালক বলেন, এসব কার্যক্রম দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪; মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়া দুদক শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিপণন ও বিক্রয় বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে।
দুদকের মহাপরিচালক বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে ৫৪ কোটি টাকার দুটি বাড়ির সন্ধান পেয়েছি। সেগুলো আয়কর নথিতে দেখানো হয়নি এবং বিদেশে পাচার করা হয়েছে।’
এর আগে, সজীব ওয়াজেদের বিরুদ্ধে পূর্বাচলে প্লট জালিয়াতির অভিযোগে মামলার বিচারিক কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া বিদেশে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচার, সিআরআই'র নামে অর্থ লুটপাটসহ একাধিক দুর্নীতির তদন্তও চলছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, ‘দেশগঠনে সেনাবাহিনীর উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে। সততা, সত্যনিষ্ঠা ও কর্তব্যের সঙ্গে তা পালন করবে।’
রোববার সকালে বাগাতিপাড়া কাদিরাবাদ সেনানিবাসস্থ কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স-এর ৯ম কর্নেল কমান্ড্যান্ট অভিষেক অনুষ্ঠান এবং বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৫ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি।
সেনাবাহিনী প্রধান ইসিএসএমই পৌঁছালে তাকে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড; সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ এবং কমান্ড্যান্ট, ইসিএসএমই অভ্যর্থনা জানান।
সেনা প্রধান বলেন, ‘কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি স্বনামধন্য কোর। এই কোরের স্বনামধন্য ইঞ্জিনিয়াররা দেশ ও দেশের বাইরে সেতু, রাস্তাঘাটসহ নানা অবকাঠামো নির্মাণে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।’
এদিন অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি'কে কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স এর ৯ম কর্নেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে অভিষিক্ত করা হয়।
পরবর্তীতে তিনি বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে উপস্থিত কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স-এর অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন এবং কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
বক্তৃতায় সেনাবাহিনী প্রধান মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স এর সেনানীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে স্মরণ করেন। তিনি দেশ ও জাতি গঠনে কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স এর গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য তুলে ধরেন এবং দেশমাতৃকার সেবায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সততা, সত্যনিষ্ঠা ও কর্তব্যবোধে ব্রতী হয়ে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশগঠনে কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স-এর প্রশংসনীয় ভূমিকা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে জিওসি, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড; মহাপরিচালক, বিআইআইএসএস; চিফ কনসালটেন্ট জেনারেল, অ্যাডহক কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালটেন্ট; ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ; অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল; জিওসি ১১ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, বগুড়া এরিয়া; সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ; কমান্ড্যান্ট, ইসিএসএমই; বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেডের কমান্ডারবৃন্দ; ইঞ্জিনিয়ার ইউনিটসমূহের অধিনায়কবৃন্দ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অক্টোবরের মধ্যে জুলাই হত্যাকাণ্ডের তিন থেকে চারটি মামলার রায় পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, এসব মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতা, শীর্ষস্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা আসামী হিসেবে রয়েছেন।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
তিনি বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের অগ্রগতি নিয়ে অনেকেই জানতে চান। একটি সাধারণ অভিযোগ হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে জুলাই হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত মামলাগুলোর দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না। এ নিয়ে অনেকেই অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। আমরা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলছি, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হওয়ার পর ইতিমধ্যে এ আদালতে বিচারের যথেষ্ট অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘এই আদালত পুরোপুরিভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে চার মাস আগে। এর মধ্যে আদালতে ৩০০টির বেশি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমাদের প্রসিকিউশন টিম যাচাই-বাছাই করে ১৬টি মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই ১৬টি মামলার মধ্যে চারটি মামলার তদন্তকাজ এ মাসের মধ্যেই শেষ হবে বলে আমরা আশা করি। এরপর চার্জশিট গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার কাজ শুরু হবে।’
আসিফ নজরুল বলেন, ‘আইন অনুযায়ী বিচারকাজ শুরু হওয়ার তিন সপ্তাহ সময় প্রস্তুতির জন্য ডিফেন্স আইনজীবীদের দিতে হয়। আমরা আশা করছি, এই তিন সপ্তাহ সময় অতিবাহিত হলে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্য গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়াটা ঈদের পরপর এপ্রিল মাস থেকে শুরু হবে।’
তিনি বলেন, ‘আদালতে (আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত) অব্যাহতভাবে শুনানি চলছে। সব মামলার রায় পরবর্তী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে, অর্থাৎ এপ্রিল থেকে শুরু করে পরবর্তী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে প্রদান করা যাবে বলে আশা করি। সেই হিসাবে অক্টোবরের মধ্যে তিন-চারটি মামলার রায় পাওয়া যাবে বলে আমরা আশা করছি।’
আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এ সমস্ত মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শীর্ষস্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা আসামী হিসেবে রয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘যদি পুরো বিচারকার্যটা বিবেচনা করি, তাহলে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের এক বছরের মতো সময় লাগছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে শেখ হাসিনার আমলে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির একজন নেতার বিচার হয়েছিল, সেই বিচারকাজ শেষ করতে গড়ে কমপক্ষে আড়াই বছর লেগেছিল। এখানে আমাদের এই আদালতে অর্ধেকেরও কম সময় লাগছে।’
সময় কম লাগার কারণ তুলে ধরে আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমাদের প্রসিকিউশন টিম ও তদন্ত টিম অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে দিনরাত কাজ করছেন। আমরা নিয়মিত খবর রাখছি। এ বিচারকার্যগুলো আরও দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার আরেকটি কারণ হলো, এই বিচারগুলো অনেক দিন আগের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হচ্ছে। এখন যে বিচার চলছে, এর সাক্ষ্য-প্রমাণ এত বেশি রয়েছে যে, আমরা আশা করছি এক বছরের মধ্যেই প্রথম কয়েকটি রায় পাওয়া যাবে।’
আগামী দু-একদিনের মধ্যে জাতিসংঘের তদন্ত টিমের প্রতিবেদন পাওয়া যাবে বলে জানান আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, ‘আমি এই রিপোর্টের ব্যাপারে এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলব না। তবে একটি বিষয় বলে রাখি, তাদের এই রিপোর্ট আমাদের তদন্ত ও বিচারকাজকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ ও সহজ করতে অনেক অবদান রাখবে।’
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগের চরিত্র দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী আচরণ ও দুঃশাসনের বিষয়ে জনগণ অবগত। জিয়াউর রহমানের পর দলটি দীর্ঘসময় দেশকে শাসন করেছে। কিন্তু দলটি দেশে কখনো জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি।
আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরাম আয়োজনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল মঈন খান বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাঙ্গালীর জাতীয়তাবাদের মধ্যে সমস্যা দেখেছিলেন। সেই সমস্যার সমাধান তিনি খুঁজে বের করেছিলেন। তা হলো বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। জিয়াউর রহমান সবক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদী নীতি মেনে দেশকে এগিয়ে নিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান দেশ থেকে একদলীয় স্বৈরতন্ত্রকে উৎখাত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছেন। ভিন্নমতকে উৎসাহিত করতেন তিনি।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিশনের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
১৫ মার্চ থেকে কমিশনের মেয়াদ আরও সাড়ে তিন মাস বাড়িয়ে সোমবার (১৭ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে গুমের ঘটনা তদন্তের জন্য গত ২৭ আগস্ট সরকার এই কমিশন গঠন করে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর কমিশনের দায়িত্ব ও প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা সংশোধন করা হয়।
পাঁচ সদস্যের এই কমিশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী।
তদন্ত সম্পন্ন করে তিন মাসের মধ্যে সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল কমিশনের। তবে পরে সময়সীমা বাড়ানো হয়, যা গত ১৪ মার্চ শেষ হয়।
এই তদন্ত কমিশনের মূল দায়িত্ব হলো ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, তদন্ত সংস্থা এবং অনুরূপ কোনো বাহিনী বা সংস্থার সদস্য বা সরকারের মদদে, সহায়তায় বা সম্মতিতে কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তি-সমষ্টির 'আয়না ঘর' বা অন্য কোনো জ্ঞাত বা অজ্ঞাত স্থানে বলপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্ধান করা, তাদের শনাক্ত করা এবং কোন পরিস্থিতিতে গুম হয়েছিল তা নির্ধারণ করা। এছাড়াও, গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যসহ যে কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করাও কমিশনের কাজের অন্তর্ভুক্ত।
মন্তব্য করুন


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) কাজ করতে গিয়ে কোনো ইচ্ছাকৃত ভুল করবে না। কমিশন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
রোববার (৫ জানুয়ারি) ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি-২০২৫ উপলক্ষে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, “গতানুগতিক পদ্ধতিতে কাজ করার সুযোগ নেই। দেশের ১৮ কোটি মানুষের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখতে নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করবে। এজন্য পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ভুল করবে না।”
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্যতম শর্ত। তাই ভোটার তালিকা হালনাগাদে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।”
নির্বাচন কমিশনার তাহমিনা আহমদ বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে কমিশনের হাতিয়ার হবে আইন ও নৈতিকতা। কোনো কর্মকর্তা যদি দুরভিসন্ধিমূলক কাজ করেন, তার দায় কমিশন নেবে না।”
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, “দেশে নির্বাচন ব্যবস্থা যেভাবে কলুষিত হয়েছে, তা পুনরুদ্ধারে যা যা প্রয়োজন কমিশন তা করবে। ভোটার তালিকা হালনাগাদের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা অবহেলা সহ্য করা হবে না।”
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেন, “কেউ যেন অর্থলাভের উদ্দেশ্যে ভোটার তালিকা তৈরির কাজে অংশগ্রহণ না করে। মৃত, ভুয়া বা নতুন ভোটার—সবক্ষেত্রেই সমান গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে। মানুষ এবার ভোট দিতে আগ্রহী। সেই আস্থা যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।”
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চলতি বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তিনি আরও মন্তব্য করেছেন যে এই নির্বাচনে নির্বাচিত সরকার একটি অত্যন্ত নিরাপদ ও শক্তিশালী ভিত্তি পাবে।
বুধবার জাপানের ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (এনএইচকে)-কে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
ইউনূস বলেন, "যখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, তখন নতুন নির্বাচিত সরকারের কাজ করার জন্য একটি খুবই নিরাপদ ও সঠিক ভিত্তি থাকবে।"
প্রধান উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন যে দেশের তরুণরা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গত বছরের আন্দোলনে তরুণরা ইতিমধ্যেই তাদের প্রভাবশালী ভূমিকা প্রদর্শন করেছে।
ড. ইউনূস বলেন, "তরুণরা তাদের সৃজনশীল শক্তি প্রদর্শন করে বিশ্বকে জানাতে চায়। আমাদের মধ্যে সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে এবং দেখা যাক আমরা কীভাবে এগিয়ে যাই।"
অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ড. ইউনূস নিশ্চিত করতে চান যে বাংলাদেশ তার নিজ পায়ে দাঁড়াবে এবং শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
তিনি বলেন, "আমরা যখন দায়িত্ব নিই, তখনকার পরিস্থিতি বিবেচনা করলে আমি মনে করি আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। কারণ তখন একটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত সমাজ, বিধ্বস্ত অর্থনীতি, বিধ্বস্ত রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং বিচার ব্যবস্থা ছিল।"
জাতীয় নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক জাতি গঠনের জন্য অপরিহার্য অংশ। তিনি এই বছরের শেষের দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে এমন প্রাথমিক সময়সীমা উল্লেখ করেছেন।
তিনি বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়নশীল অংশীদার জাপানের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জাপানের প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ তরুণ বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের খুব বকবক করছেন, বেশি কথা বলছেন, মনে হচ্ছে বিএনপির জন্য উনার খুব মায়াকান্না। বিএনপির ভাবনায় উনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। মুরগির বাচ্চার জন্য চিল যেমন মায়াকান্না করে ওবায়দুল কাদেরের কান্নাও সে রকম।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সোমবার বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী-খান সোহেল মুক্তি পরিষদের উদ্যোগে 'দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী-খান সোহেল, সহ সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েলসহ সব রাজবন্দির মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে' এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, তিনি (ওবায়দুল কাদের) মাঝে মাঝে আওয়াজ দেন বিএনপি নাকি দুর্বল হয়ে গেছে, বিএনপি ক্লান্ত, হতাশ, বিদেশ চলে যাচ্ছে। তারা যে ভেতর থেকে ধ্বসে গেছে, ভেঙে গেছে- এটা চাপা দেওয়ার জন্যই তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, জনগণের সঙ্গে বারবার বিশ্বাসঘাতকতা করা। জনগণের মালিকানা ছিনিয়ে নেওয়া। এ কারণে তাদের (আওয়ামী লীগ) জনসমর্থন নেই। কয়েকজন সুবিধাবাদী লোক, কয়েকজন ঋণ খেলাপি, কয়েকজন বাজার সিন্ডিকেটের লোক আওয়ামী লীগকে ঘিরে আছে। এরা তো গণশত্রু, যারা বাজার সিন্ডিকেট করে দ্রব্যের দাম বাড়ায়, যারা ব্যাংক লুটপাট করে টাকা বিদেশে পাচার করে। তাদের সঙ্গে তো দেশের জনগণ থাকে না। এই সরকারের সঙ্গে জনগণের সমর্থন নাই। জনগণের সমর্থন পাবে না বলে তারা এখন ফাঁকা বুলি মারে।
আসন্ন উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, সরকার আবার একটি ডামি নির্বাচন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপিদের আত্মীয়-স্বজন যাতে না দাঁড়ায় সেজন্য কেন্দ্র থেকে নিষেধ করেছে। তারপরও মন্ত্রী-এমপিদের আত্মীয়-স্বজনরা দাঁড়িয়েছে এবং তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর তো ২০ থেকে ২৫ জন আত্মীয়-স্বজন আছেন। তারা যদি ভোটে দাঁড়াতে পারেন তাহলে আমরা বাদ যাব কেন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম নোমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ অর্থ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির প্রমুখ।
মন্তব্য করুন