বাংলাদেশের জন্য ভারতের বিজনেস ভিসা আবার ইস্যু করা হচ্ছে : ভারতীয় হাইকমিশনার

বাংলাদেশের জন্য ভারতের বিজনেস ভিসা আবার ইস্যু করা হচ্ছে :  ভারতীয় হাইকমিশনার
ছবি: সংগৃহীত




বাংলাদেশের জন্য ব্যাবসায়িক ভিসা ইস্যু করার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। তিনি বলেন, জরুরি প্রয়োজনের আবেদনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত প্রক্রিয়ায় করা হচ্ছে।


বুধবার রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত নেটওয়ার্কিং ও জ্ঞান বিনিময় অনুষ্ঠান ‘ফার্মা কানেক্ট’–এ তিনি এ কথা বলেন।


হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু ভিসা আবেদন কেন্দ্রে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল।


তবে এখন সীমিত কর্মী দিয়েই প্রতিদিন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভিসা ইস্যুর কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে।’


তিনি জানান, ‘বিজনেস ভিসা আবার ইস্যু করা হচ্ছে। জরুরি ভিসা আবেদনগুলো আমরা দ্রুত প্রক্রিয়ায় করার চেষ্টা করছি।’


ব্যাবসায়িক ভিসার প্রয়োজন হলে আবেদনকারীরা হাইকমিশনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সুবিধা পাবেন বলেও জানান হাইকমিশনার।


ভারতের বিশ্ববিখ্যাত ফার্মাসিউটিক্যাল মেলা সিপিএইচআই-পিএমইসি ইন্ডিয়া ২০২৫-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সামনে রেখে ফার্মা কানেক্ট-এর আয়োজন করা হয়। আগামী ২৫-২৭ নভেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে এ প্রদর্শনী।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

সবাই মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে: তারেক রহমান

সবাই মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে: তারেক রহমান
ছবি: সংগৃহীত



বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার। প্রথমেই রাব্বুল আলামিনের প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি। মহান রাব্বুল আলামিনের দোয়ায় মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছি। 


বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কের গণসংবর্ধনা মঞ্চে বক্তব্য দেওয়ার শুরুতে এ কথা বলেন তিনি।


এর আগে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কের সমাবেশস্থলে পৌঁছান তারেক রহমান।


এর আগে তারেক রহমানকে বহনকারী উড়োজাহাজটি সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে তারেক রহমান মাটিতে পা স্পর্শ করেন এবং মাতৃভূমির মাটি ছুঁয়ে দেখেন। এ সময় কিছুটা আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।


এরপর সবার আগে বাংলাদেশ লেখা লাল-সবুজ বুলেটপ্রুফ বাসে করে ৩০০ ফিট গণ সংবর্ধনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

৫ দিনের রিমান্ডে সাবেক প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান

৫ দিনের রিমান্ডে সাবেক প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান
ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকা জেলার সাভারে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কাইয়ুম হত্যা মামলায় সাবেক দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমানকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।


রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ইকবাল হোসেন রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিলের পক্ষে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে এম মহিউদ্দিনের আদালত এ আদেশ দেন। এ ছাড়া সাভার থানার আরও ৬টি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।


উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকা জেলার সাভার বাসস্ট্যান্ডে ৫ আগস্ট দুপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর শিক্ষার্থী কাইয়ুম। এ ঘটনায় তার মা কুলছুম বেগম সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

পাঁচ বছরেই দেশকে সোনার খনিতে রূপান্তর করা সম্ভব: বাণিজ্য উপদেষ্টা

পাঁচ বছরেই দেশকে সোনার খনিতে রূপান্তর করা সম্ভব: বাণিজ্য উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত



সঠিক রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাধ্যমে পাঁচ বছরেই বাংলাদেশকে সোনার খনিতে রূপান্তর করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। 


তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে পণ্য তৈরির কাঁচামালের অভাব রয়েছে, তবে শিক্ষার্থীরা জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে সে অভাব পূরণ করতে পারে। আল্লাহ তা’আলা জ্ঞানার্জনে কাউকে মনোপলি দেননি। যে যত চেষ্টা করবে, সে ততটা অর্জন করতে পারবে। এখানে কোনো সিন্ডিকেট নেই।


উপদেষ্টা জানান, লেবার প্রোডাক্টিভিটি, ইউটিলিটি প্রপোরশন, লজিস্টিক এক্সিলেন্স, কস্ট টু ফিন্যান্স, এক্সেস টু ফিন্যান্স ও এক্সেস টু মার্কেট নিশ্চিত করতে পারলে কাঁচামালের অভাব পূরণ করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব।


শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে চট্টগ্রামের হোটেল রেডিসন ব্লুতে আয়োজিত ‘ব্যবসার ভবিষ্যৎ: উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়ন’ শীর্ষক সম্মেলনের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এরপর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপদেষ্টা।


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা গবেষণা ব্যুরো দু’দিনের এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে।  


শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনায় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গত রমজানে সরকারের অর্থ বিভাগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সামগ্রিক প্রচেষ্টার সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক ছিল। তাই নিত্যপণ্যের দামও কম ছিল।


গণঅভ্যুত্থানের পর বাজারকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা চ্যালেঞ্জ ছিল বলেও দাবি করেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, তথাকথিত সিন্ডিকেটের অনেক সদস্য দেশ ছেড়ে পালিয়েছিল। তখন সাপ্লাই সাইড ঠিক রাখা ছিল খুবই জটিল। সামগ্রিক প্রচেষ্টায় আমরা সেই অবস্থার থেকে উত্তরণে সক্ষম হয়েছি। এটি সম্ভব হয়েছে ব্যবসায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং মহান আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহের ফলে।


তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার পতনের পর আমাদের রিজার্ভ ১০ বিলিয়নের মতো ছিল। বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠানের কাছে আমাদের দায় ছিল ৬ বিলিয়ন। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আমরা সেসব দায় পরিশোধ করেছি। বর্তমানে দেশে রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন ডলার।


ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সরকারের কাছে প্রত্যাশা কী- এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, গত ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসকেরা ক্রোনিস তৈরি করেছিল। সম্পদের বণ্টন ছিল মারাত্মকভাবে সামঞ্জস্যহীন। যে ক্রোনিস তারা তৈরি করেছিল, দেশের অর্থনীতিতে তাদের ভূমিকা ছিল না; বরং তারা বাজার ব্যবস্থাপনাকে অস্থিতিশীল করেছিল। 


শেখ বশিরউদ্দীন আরও জানান, ভবিষ্যতের সরকার যদি সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বাজার পরিচালনা করে এবং নিরপেক্ষ সংস্কার কার্যকর করে, তাহলে বাজার ব্যবস্থা শক্তিশালী হবে এবং সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হবে।


অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। এতে আরও অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. তৈয়ব চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান মুসলিম উদ্দিন চৌধুরী।


পরে উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ব্যবসা-বাণিজ্যে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

চেষ্টা করবো বাজেটে ভ্যাটের ওপর নির্ভরতা কমাতে: উপদেষ্টা

চেষ্টা করবো বাজেটে ভ্যাটের ওপর নির্ভরতা কমাতে: উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার একটি বড় কারণ হিসেবে চাঁদাবাজির কথা বলেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।


বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, আগে যারা চাঁদাবাজি করতো তাদের পাশাপাশি রাজনীতিতে যারা জায়গা দখলের চেষ্টায় আছে তাদের লোকজন চাঁদাবাজি করছে এবং স্থানীয় পর্যায়ের অন্যান্য চাঁদাবাজরাও সক্রিয় আছে।


নির্বাচিত সরকার আসার আগে এটির পুরোপুরি সমাধান কঠিন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি ।


অর্থ উপদেষ্টা বলেন, মূল্যস্ফীতি এখানে লিগ্যাসি প্রবলেম। গত দুই-তিন বছর ধরে মূল্যস্ফীতির এ রকম অবস্থা হয় নাই। প্রচুর আয়-উপার্জন হয়েছে, অনেকে টাকা উড়িয়েছে। কোটি কোটি টাকার মেগা প্রজেক্টস (আরেকটি সমস্যা)। মেগা প্রজেক্টের সমস্যা হলো, রিটার্ন আর আউটপুট দ্রুত আসে না। ব্রিজ হলো, সরবরাহ চেইনে তো দ্রুত কোনো প্রভাব নাই। অ্যাট দ্য সেম টাইম, রেমিট্যান্স অনেকটা কমে গেলো।


এর ফলে মূল্যস্ফীতি আমরা একেবারে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি নাই, তা না। কিছুটা করেছি। খাদ্যে মূল্যস্ফীতি একটু বেড়েছে। কিন্তু নন-ফুডে আবার কিছুটা কমেছে। সামগ্রিকভাবে বেড়েছে। আমরা সরবরাহ ঠিক রাখার চেষ্টা করছি যতটা সম্ভব।


সাপ্লাই চেইন ইজ ব্রোকেন। আর অনেক মিডল ম্যান। মহাস্থানগড় থেকে একটি ট্রাক ঢাকায় আসবে। পাঁচ হাজার টাকা ভাড়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাঁদাবাজির কারণে ভাড়া পড়ে ১২ হাজার টাকা। চাঁদাবাজি তো কমে নাই।


চাঁদাবাজি কমানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক সরকারের সুবিধা হলো, তার পলিটিক্যাল আর্মস ছিল। আমাদের তো সেরকম নাই। ইউ নো দ্য লিমিটিশেন। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, একজন দুজন ম্যাজিস্ট্রেট এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।


চাঁদাবাজিতে এখন তিনটি বড় দল জড়িত। এক, আগে যারা ছিল তারাও আছে… (আওয়ামী লীগের); দুই, যারা এখন পলিটিক্যালি ইমার্জিং… মাঠপর্যায়ে আছে, তারাও চাঁদাবাজি করছে। তিন, স্থানীয় জনগণ। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের জন্য ডিফিকাল্ট হয়ে যাচ্ছে।


রাজনৈতিক দলের ইস্যুতে প্রশ্ন করা হলে উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলের তো ভোটের দিকে নজর থাকে। তারা ক্ষমতায় যেতে চায়। বড় রাজনৈতিক দল যাদের একেবারে মাঠ পর্যায়ে কর্মী আছে, তাদের তো নিয়ন্ত্রণ করা এখন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য একটু কঠিন হয়ে পড়ছে।


দ্বিতীয়ত দুর্যোগের বিষয়টিও, কুমিল্লায় যেমন বন্যা হলো, শেরপুর-ময়মনসিংহে অতিবৃষ্টি হলো। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সমস্যার সম্মুখীন তো হয়েছি। তাই এখনো মুল্যস্ফীতি অনেক বেশি।


সমস্যাটা সমাধান হবে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি। আমরা আশা করছি, জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ৮ এর নিচে নিয়ে আসতে পারবো। একেবারে পাঁচ-ছয়-চারে চলে যাওয়া অসম্ভব। পাঁচ-তো আদর্শিক অবস্থান।


সিন্ডিকেট নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ভাঙতে চেষ্টা করছি। আমাদের এখন সরকারি কয়েকটি সংস্থার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। যারা কিনা পর্যাপ্ত নয়। টিসিবি কার্ড দিয়ে বা ডেপুটি কমিশনার, ইউএনও দিয়ে তো মার্কেট কনট্রোল করা যাচ্ছে না। তারা একবার গেলো, পরে চলে এলো। মূল বিষয় হচ্ছে, জনগণকে সচেতন হতে হবে।


আমি ডেটা সংগ্রহ করছি, মহাস্থানগড় থেকে শুরু করে কুমিল্লার কংশনগরে ফুলকপি কত টাকা বিক্রি হচ্ছে। ওখানে বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। ১০ টাকা না, দুই-তিন টাকায়ও পাচ্ছে। ঢাকায় ২০ টাকায় কিনছেন। আমরা ওদিকে (প্রান্তিক পর্যায়) দামটা বাড়িয়ে দিই, কৃষক তো ভুগছে।


খুবই সত্য যে, পুলিশ আগের মতো সক্রিয় না। তাদের নানা কাজে ব্যবহার করা যাচ্ছে না, যেমন বাজারে যাও, ধরে নিয়ে আসো।


ব্যাংক নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে এই মুহূর্তে বড় ঋণ নিচ্ছে না। এর আগে কিন্তু ৬০ হাজার কোটি টাকা, ওইটার বেশিরভাগ কিন্তু সরকার নিয়েছিল। আর আমার ২২ হাজার কোটি সরকারকে দিই নাই। বেসরকারি খাতে দিয়েছি। অ্যান্ড দে আর প্রডিউসিং সামথিং। সো দ্যাট ইজ নট কমপ্লিটলি পিউর মানি ক্রিয়েশন। যেটা আমরা বলি যে, স্ট্রেলাইজেশন, আমরা টাকা ছাপাচ্ছি, কিন্তু স্ট্রেলাইজ করছি। কিছু কিছু লিকুইডিটি আবার কনট্রোল করছি।


ভ্যাট-ট্যাক্স নিয়ে প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, আমার আর্গুমেন্টটা হলো, বাংলাদেশ ইজ এ মোস্ট লিস্ট ট্যাক্সড কান্ট্রি ইন দ্য ওয়ার্ল্ড। এমনকি ভুটানের তুলনায়ও। যাস্ট রেট ইনকাম ট্যাক্স অনুযায়ী আমরা বাড়াবো না তা তো না। এখনো তো বাকি আছে, এটা তো অনলি ভ্যাট, কেবল ১২ হাজার কোটি টাকার একটা... টার্গেট তো কয়েক লাখ কোটি টাকার রেভিনিউ। তাই ভ্যাট বাড়ানোর বিষয়ে আমরা রেশনালাইজড হতে চাই। পৃথিবীর কোনো দেশে ভ্যাট দুই দশমিক চার, পাঁচ, সাত, সাত দশমিক পাঁচ এ রকমও না।


বেশিরভাগ দেশে ন্যূনতম ভ্যাট ১৫ শতাংশ। আমরা ভাবছিলাম, পাঁচ যেগুলো আছে দশ করি, সাড়ে দশ করি। অলরেডি কয়েকটা পণ্যে আছে। এজন্য আমরা কিছুটা রেশনালাইজড করতে চেয়েছি। আর আমি চেষ্টা করবো, বাজেটে ভ্যাটের ওপর নির্ভরতা কমাতে।


আয়কর নিয়ে তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই ট্যাক্স নেটটা (করজাল) বাড়াবো। প্রথমত, ট্যাক্স লিকেজ হয়, যারা ট্যাক্স দেওয়ার কথা, যত টাকার দেওয়ার কথা, তা দেয় না। কারণ, তারা টেবিলের নিচে সেটেল করে। এটা আমাদের কর সংগ্রহে বড় একটি দুর্বলতা। যতটা আমরা ধারণা করি, দেওয়ার কথা, তারা ততটা দেয় না। আমরা এনবিআরকে ডিজিটাইলাইজড করার চেষ্টা করছি। এবার যেমন আমরা ১২ লাখ (অনলাইনে রিটার্ন) পেয়েছি।


ব্যক্তিগত আয়করটা আমরা অনলাইন করেছি, কোম্পানিটা এখনো করা হয়নি, এটা করতে আরও সময় লাগবে। কোম্পানিরটা জটিল। এটা করলে কারও কাছে আর যেতে হচ্ছে না, তাই এখানে দুর্নীতিটা কম হবে।


আরেকটা বিষয় স্পর্শকাতর, অনেক সময় এক্সেস ট্যাক্স দেয়, রিটার্নটা পায় না। অন্য দেশে বেশি ট্যাক্স দিলে রিটার্ন আসে, বলা হয় আপনি এত টাকা বেশি দিয়েছেন। পরে এটা অ্যাডজাস্ট করা হয়।


আমাদের এখানে অথরাইজড ভ্যাটের বেলায় পায়, অন্যরা পায় না। এজন্যই তো ছোটখাটো মিষ্টির দোকান পর্যন্ত বলে, আমরা দেবো? রুটি পর্যন্ত আসার আগ পর্যন্ত আটা-ময়দায় দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমার কাছ থেকে সব আদায় করছে। সেটা হচ্ছে না, এটা একটা প্রবলেম।


অলরেডি কেবিনেটে সিদ্ধান্ত হয়েছে, করনীতি ও কর প্রশাসন আমি আলাদ করে দিচ্ছি। এনবিআর কেবল কর সংগ্রহ করবে। অ্যান্ড পলিসি ইজ ইউল বি ডান বাই ডিফারেন্ট বডি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট।


২০০৮ সালে একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল, করনীতি ও কর প্রশাসন আলাদা হবে। কিন্তু এটা হয়নি। কারণ, এনবিআর অফিশিয়ালস এটিকে এলাউ করেনি। বলে কি, আমরা নিজরাই পলিসি করবো।


নিজেরা যদি পলিসি করি, ওটা আমার মন মতো করে করবো। একজনের ওপর ট্যাক্স চাপাবো, এটা এডজুডিকেট আমি করবো, রাইট অর রং। সেটা তো হয় না। পলিসি যারা করবে তারা সিদ্ধান্ত নেবে।


এটা করলে সুবিধা হবে কী তখন, ব্যবসায়ীরা বলছে, এনবিআরের কাছে আমার ধর্ণা দিতে হয়, টাক্স আরও কমান। এখন থেকে আপনারা আমাদের পলিসি দিয়ে দেবেন, আমার সেটি ফলো করবো। তখন কর সংগ্রহকারী আমাকে ডিসক্রিশিয়নারি কিছু করতে পারবে না। দিজ ইজ দ্য পলিসি, দিজ ইজ দ্য রেট।


অর্থ উপদেষ্টা বলেন, করদাতার সংখ্যা বাড়াবো। আর সিস্টেমটা্ও পরিবর্তন করছি। ডিজিটালাইজেশন প্লাস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ট্যাক্স কালেকশন উইল বি ডিফারেন্ট জব।


করদাতাদের থেকে নেওয়া টাকার পরিমাণ বাড়বে, ২৫-৩০ শতাংশ থেকেও বাড়ানোর চিন্তা করছেন কি না, এমন প্রশ্নে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমি ওটা চিন্তা করছি না। ট্যাক্স জিডিপির অনুপাত বাড়ানোর চিন্তা করছি।


সম্পদের অসমতা নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ন্যারেটিভ হচ্ছে, আমাদের গ্রোথ অনেক হয়েছে। কিন্তু গ্রোথের সুফল তো লোকজন পায়নি। আমাদের আয়ের যে বৈষম্য... আয়ের চেয়ে বেশি খারাপ হলো সম্পদের বৈষম্য অনেক বেশি। একজনের ৫০টা ফ্ল্যাট-বাড়ি, দেশে-বিদেশে। এটি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।


আমরা একেবারে খুবই হাই গ্রোথ পাবো, আট থেকে নয় পাবো এটি না। আমরা প্রাক্কলন করেছি, পাঁচ দশমিক পাঁচ দুই শতাংশ পাবো। এর ফলটা যেন সবাই পায়, সমভাবে বলছি না, তবে সুফলটা যেন কাছাকাছি আকারে যায়। এটলিস্ট আশা করি, তা কৃষকের যাক, নারী কর্মীদের কাছে যাক, ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের কাছে যাক।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

এরদোয়ানের ভাগ্য নির্ধারণ কাল

এরদোয়ানের ভাগ্য নির্ধারণ কাল

দুই সপ্তাহের অপেক্ষা শেষ। কাল রোববার (২৮ মে) তুরস্কে হবে রান-অফ প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। আর এ নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে— আরও পাঁচ বছর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট হিসেবে রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান থাকতে পারবেন কিনা।

তুরস্কে গত ১৪ মে প্রেসিডেন্ট ও সংসদ নির্বাচন হয়। এতে মোট ভোটের ৪৯ দশমিক ৫১ শতাংশ ভোট পান এরদোয়ান। অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কেমাল কিলিচদারোগলো পান ৪৪ দশমিক ৫১ শতাংশ ভোট। যেহেতু তাদের কেউই এককভাবে ৫০ শতাংশ ভোট পাননি ফলে এ নির্বাচন রান-অফে গড়ায়।

তবে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা শনিবার (২৭ মে) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রান-অফ নির্বাচন নিয়ে দেশটিতে তেমন উত্তাপ লক্ষ্য করে যাচ্ছে না। যেমনটি দেখা গিয়েছিল দুই সপ্তাহ। যদিও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট শাসন প্রতিষ্ঠার পর এবারই প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো (রান-অফ) ভোট দিতে যাচ্ছেন দেশটির ভোটাররা।

ইস্তাম্বুলের তোফানের ৪৯ বছর বয়সী বাসিন্দা সোনার ওগোরলু বলেছেন, ‘এটি অন্যরকম অনুভূতি। আমার মনে হচ্ছে নির্বাচন শেষ। কিন্তু রোববার আরেকটি নির্বাচন আছে। আমি অবশ্যই ভোট দেব। কিন্তু বিষয়টি উদ্ভুত লাগছে, কারণ দুই সপ্তাহ আগে পরিবেশ যে রকম ছিল। সে তুলনায় সবকিছু বেশ শান্ত।’

দেশটির বেশিরভাগ ভোটার মনে করছেন ২০ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা এরদোয়ানই আবারও প্রেসিডেন্ট হবেন।

অথচ ১৪ মে প্রথম ধাপের নির্বাচনের আগে নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা মনে করেছিলেন এরদায়ান হয়ত এবার হেরে যাবেন। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে কেমালের চেয়ে বেশি ভোট পান তিনি।

নির্বাচনের প্রথম ধাপে এরদোয়ানকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করতে না পারার বিষয়টি বিরোধীদলীয় সমর্থকদের জন্য বেশ বড় একটি ধাক্কা হিসেবে এসেছে। তাদের অনেকেই এখন বেশ হতাশ। তাদেরই একজন সিহাঙ্গিরের কাপরের দোকানের ব্যবসায়ী ওলকে। তিনি আল জাজিরাকে বলেছেন, ’১৪ মের আগে আমি অনেক আশাবাদী ছিলাম। কারণ ভেবেছিলাম অবশেষে এরদোয়ানের কাছ থেকে মুক্তি পাব। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে সে অপ্রতিরোধ্য।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘এসব (অর্থনৈতিক) সমস্যায় সবাই বেশ ক্লান্ত। আবার উদ্দীপনা নিয়ে ভোট দেওয়ার বিষয়টি খুবই কঠিন হবে। কারণ মনে হচ্ছে বিষয়টি শেষ। কিন্তু আমি অবশ্যই ভোট দেব। এটি আমার দায়িত্ব।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

এখন থেকে বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের হাতে থাকবে: হাইকোর্ট

এখন থেকে বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের হাতে থাকবে: হাইকোর্ট
ছবি: সংগৃহীত



এখন থেকে সারা দেশের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের হাতে থাকবে বলে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়াও নিম্ন আদালতের বিচারকদের বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলা নিয়ে পঞ্চদশ সংশোধনী ও চতুর্থ সংশোধনীর বিধান বাতিল করা হয়েছে।


মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ ছাড়াও আগামী  তিন মাসের মধ্যে আলাদা সচিবালয় গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।


এর আগে সকালে বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের রায় ঘোষণা শুরু হয়।


১৩ আগস্ট বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়। একইসঙ্গে এ বিষয়ে রায়ের জন্য এদিন ধার্য করা হয়েছিল।


ওইদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম।


২৩ এপ্রিল বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়।


গত ২০ এপ্রিল বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।


এর আগে মামলাটি বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি ও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। তবে গত ২৪ মার্চ বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় সেই বেঞ্চটি ভেঙে যায়। এরপর সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য নতুন বেঞ্চ নির্ধারণের আবেদন করেন রিটকারী আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।


তিনি গত বছরের ২৫ আগস্ট ১০ জন আইনজীবীর পক্ষে মূল সংবিধানের ১৯৭২ সালের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন। পরে হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চান– বিদ্যমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।


বর্তমানে প্রযোজ্য (সংশোধিত) সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি, ছুটি মঞ্জুরিসহ) ও শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে। কিন্তু ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছিল, ‘বিচারকর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগীয় দায়িত্বে নিযুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধান সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত থাকবে।


বিদ্যমান সংবিধানের অনুযায়ী বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পদায়ন, বদলি, পদোন্নতি, ছুটি ও শৃঙ্খলাবিধির ক্ষেত্রে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব রয়েছে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

কোনো ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

কোনো ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত



কোনো ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সোমবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।


উপদেষ্টা বলেন, চাঁদাবাজিকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেয়া হবে না। চাঁদাবাজ যত শক্তিশালীই হোক কিংবা যে পরিচয়ই দেয়া হোক, তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না।


তিনি বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে আগস্ট থেকে ধাপে ধাপে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

 

মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। মাদক বহনকারীদের ধরা যাচ্ছে, কিন্তু মাদকের গডফাদারদের ধরা যাচ্ছে না। তাদের ধরার চেষ্টা চলছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

মাগুরার সেই শিশুটিকে বাঁচানো গেলো না

মাগুরার সেই শিশুটিকে বাঁচানো গেলো না
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন মাগুরার সেই শিশুটি মারা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বেলা ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।


সিএমএইচের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক কর্নেল নাজমুল হক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া শিশুটির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সেনাবাহিনী।


অধ্যাপক কর্নেল নাজমুল হক জানান, সকালে শিশুটির দুই দফায় কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। প্রথমবার সিপিআর দেওয়ার পর তার হৃদস্পন্দন ফিরে এলেও বেলা ১২টায় আবারও কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। এবার সিপিআর দেওয়ার পরও তার হৃদস্পন্দন ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।


সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, মাগুরার নির্যাতিত শিশুটি আজ দুপুর ১টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সিএমএইচের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শিশুটির সকালে তিনবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। দুবার তাকে স্থিতিশীল করা গেলেও তৃতীয়বার আর হৃদস্পন্দন ফিরে আসেনি। গত ৮ মার্চ সংকটাপন্ন অবস্থায় শিশুটিকে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শিশুটির শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে এবং যেকোনো প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। এছাড়া শিশুটির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে সেনাবাহিনী।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়নে ৩৬৭ কোটি টাকা অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক

বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়নে ৩৬৭ কোটি টাকা অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক
ছবি: সংগৃহীত




জ্বালানি খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৩ কোটি মার্কিন ডলার অতিরিক্ত অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৬৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩৮ পয়সা হিসেবে)। বিশ্বব্যাংক এই অর্থায়নটি করবে 'এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং অব পাওয়ার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক ইন ইস্টার্ন রিজন' প্রকল্পের আওতায়।


বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৃহত্তর কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী অঞ্চলে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।


বিশ্বব্যাংক এর আগে স্কেল আপ ফ্যাসিলিটি (এসইউএফ) তহবিল থেকে প্রকল্পটির মূল ঋণচুক্তি ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল স্বাক্ষরিত করেছিল। কোভিড-১৯ চলাকালে কিছু অর্থ প্রত্যাহারের পর বর্তমানে প্রকল্পটির সফল সমাপ্তির জন্য অতিরিক্ত ৩ কোটি ডলার অর্থায়ন প্রয়োজন ছিল, যা বিশ্বব্যাংক অনুমোদন করেছে।


এই ঋণের মেয়াদ ৩০ বছর, যার মধ্যে ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে। ঋণের সুদের হার ১ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং সার্ভিস চার্জ ০ দশমিক ৭৫ শতাংশ নির্ধারিত হয়েছে। এছাড়া, অনুত্তোলিত ফান্ডের ওপর ০ দশমিক ৫০ শতাংশ কমিটমেন্ট চার্জ থাকলেও, পূর্ববর্তী বছরের মতো এই অর্থবছরে কোনো কমিটমেন্ট ফি দিতে হবে না।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০

শপথ নিলেন নতুন ২৫ বিচারপতি

শপথ নিলেন নতুন ২৫ বিচারপতি
ছবি: সংগৃহীত



সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নতুন নিয়োগ পাওয়া ২৫ বিচারপতি শপথ নিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুর পৌনে ২টার দিকে সুপ্রিম কোর্ট ভবনের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।


শপথ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার (বিচার) মোয়াজ্জেম হোসাইন। 


শপথ নেওয়া ২৫ বিচারপতি হলেন- সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম (শাহীন), আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মো. নুরুল ইসলাম, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব শেখ আবু তাহের, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাজিউদ্দিন আহমেদ ও ফয়সাল হাসান আরিফ, আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম সাইফুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আসিফ হাসান ও মো. জিয়াউল হক, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দিহিদার মাসুম কবীর, হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন আরা বেগম, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সচিব মুরাদ-এ-মাওলা সোহেল, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন, সলিসিটর (সিনিয়র জেলা জজ) মো. রাফিজুল ইসলাম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনজুর আলম, মো. লুৎফর রহমান ও রেজাউল করিম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাতেমা আনোয়ার, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদ হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুর রহমান, সৈয়দ হাসান যুবাইর, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ এম সাইফুল করিম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উর্মি রহমান এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ।


গতকাল সোমবার (২৫ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে ২৫ জনকে নিয়োগ দিয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কোনো লাভ হবে না: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বিসিবির অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে নাজমুলকে অব্যাহতি

রাষ্ট্রপতির কাছে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

৫ দিনে ৩৮০টি আপিল শুনানি, ২৭৭টি মঞ্জুর ও নামঞ্জুর ৮১

নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: মার্কিন কূটনীতিকদের প্রধান উপদেষ্টা

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্বে থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

চুয়াডাঙ্গায় আটককৃত বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে প্রত্যাহার ও তদন্ত কমিটি গঠন

শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা

ঢাকায় পৌঁছেছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

১০

নির্বাচনে সাড়ে ৫ লাখ আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১১

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেলের তথ্য ইসিতে প্রেরণের নির্দেশ

১২

বর্তমান প্রশাসন নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

১৩

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত

১৪

এবার আগের মতো কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না : সিইসি

১৫

দেশের মর্যাদার বিনিময়ে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই না: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

১৬

এবারের নির্বাচন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ফের লাইনে তোলার: ইসি সানাউল্লাহ

১৭

তারেক রহমান গণতন্ত্রের মশাল বহনকারী: খসরু

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ, জামানত দিতে হবে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত

১৯

জাতীয় নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি : ইসি সানাউল্লাহ

২০