

নির্বাচনকে বিলম্বিত করতেই পিআর পদ্ধতির নামে আন্দোলন চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘চাপিয়ে দেওয়া কোনো কিছু এই দেশের মানুষ গ্রহণ করে না।’
রবিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়ক ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘পিআর পদ্ধতি সংস্কার কমিশন থেকে নয়, বরং কয়েকটি রাজনৈতিক দলের দাবি থেকে এসেছে। এই পিআর পদ্ধতি জনগণ চায় না, জনগণ চায় সরাসরি ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে।’
নির্বাচন ঘিরে সামনে কঠিন পরীক্ষা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের কোনো কিছু বিশ্বাস করার আগে সত্য-মিথ্যা যাচাই করার আহ্বান জানান তিনি। সংস্কার কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি সব সময় সংস্কারের পক্ষে ছিল।
এখনো কেউ কেউ প্রচার করছে যে আমরা সংস্কার চাই না—এটা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। বিএনপি নিজেই সংস্কার আন্দোলনের ফসল।’
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, কিছু দল বিএনপিকে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘আমরা চাই ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন হোক।
জনগণ এখনই নির্বাচন চায়। আমরা চেষ্টা করছি নতুন করে বাংলাদেশকে জাগিয়ে তোলার, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এই সুযোগটি যেন হারিয়ে না যায়।’
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ২০০৭-২০০৮ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভূমিকার বিশেষ প্রশংসা করে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ প্রয়োজনের সময় সবক্ষেত্রে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের উপার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়ে তারা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও ভূমিকা রেখে চলেছেন।
সুইডেন আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির, সাধারণ সম্পাদক ড. ফরহাদ আলী খান, সহ-সভাপতি সিরাজুল হক খান রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দলিল উদ্দিন দুলু, কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম, সহ-প্রচার সম্পাদক আফসার আহমেদসহ সুইডেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদ নরডিক শাখার নেতৃবৃন্দ বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির সঙ্গে বাংলাদেশের নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। সময়মতো দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
আজ মঙ্গলবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় তিনি জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানায়। লন্ডনের বৈঠক অত্যন্ত ইতিবাচক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া নির্বাচন নিয়ে সব পক্ষকে ধৈর্য ধরার আহ্বানও জানান আমীর খসরু।
এর আগে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো ফার্নান্দো ডায়াস ফেরেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিএনপির তিন সদস্যদের প্রতিনিধিদল।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।
বৈঠকে দু’দেশের কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও খেলাধুলাসহ বিভিন্ন স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ভোট দেওয়ার বয়স ১৬ বছর এবং নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বয়স ২৩ বছর করার প্রস্তাব দেবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে।
শনিবার (২২ মার্চ) সকালে রাজধানীর রূপায়ণ সেন্টারে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।
তিনি বলেন, ‘আগামীকাল (রোববার) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে সংস্কার সুপারিশমালা জমা দেওয়া হবে। সেখানে ভোট দেওয়ার বয়স ১৬ বছর এবং নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বয়স ২৩ বছর করার প্রস্তাব করবে এনসিপি।’
গণ-অভ্যুত্থানের পর সংবিধান আর কার্যকর নেই উল্লেখ করে নতুন সংবিধান রচনা করার দাবি জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির এই নেতা।
সারোয়ার বলেন, ‘এনসিপি মনে করে আগামী নির্বাচন গণপরিষদ হওয়া উচিত। সংবিধান সংস্কার কাজ শেষ করে একটা নির্দিষ্ট সময় পর এই গণপরিষদই আইন সভায় রূপান্তরিত হবে।’
বর্তমানে ভোটার হওয়ার জন্য একজনকে ১৮ বছর বয়স পূর্ণ করতে হয়। আর নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে ২৫ বছর বয়স পূর্ণ করতে হয়। এবার এই বয়সসীমা কমিয়ে আনার প্রস্তাব রাখতে যাচ্ছে তরুণদের নিয়ে গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি।
মন্তব্য করুন


বাতিল হওয়া মনোনয়ন ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে আপিল জমা দিতে ইসিতে আসেন তিনি।
এর আগে, গত ৩ জানুয়ারি তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জারার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।
আপিল প্রক্রিয়া শেষে তাসনিম সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলাম। সেটি গ্রহণ হয়নি। তাই আমরা আপিল করছি এবং আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাবো।
তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, একদম দেড় দিনের মাথায় প্রায় ৫ হাজার মানুষ স্বতস্ফূর্তভাবে আমাদেরকে স্বাক্ষর দিয়েছেন, অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন, নিজেরাই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বুথ করেছেন। তো এইটার প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা আমাদের আইনি লড়াইটা চালিয়ে যাব। যারা সই করেছেন এত অল্প সময়ে, ওনারা চান আমি যেন নির্বাচনে কনটেস্ট করতে পারি। তো সেজন্য আমরা আপিল করেছি। এবং আমরা আইনি প্রক্রিয়ার লড়াইটা চালিয়ে যাবো।
উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুরু হয়েছে সোমবার। আপিলের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অঞ্চল ভিত্তিক ১০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বা প্রার্থীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কেউ ইসিতে আপিল করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


নতুন কোনো সংকট সৃষ্টি না করে ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, ‘কোনো কোনো দল কোনো কোনো দাবি করতেই পারে, কিন্তু সেটা জাতির ওপর জবরদস্তি করা ঠিক নয়। আমরা যেন পরস্পর জবরদস্তি না করি। যে পরিবর্তন আমরা করতে চাই, সেটা রাতারাতি হবে না। আসুন আমরা নতুন কোনো সংকট তৈরি না করি, ঐক্য ধরে রাখি।’
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘তারুণ্যের রাষ্ট্রচিন্তা’র তৃতীয় সংলাপে অংশ নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
ছাত্র প্রতিনিধিদের সরকারের দায়িত্বে আসা সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য। তার মতে, দায়িত্বে না এলে তারা চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে থাকতে পারত।
তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক চর্চায় পৃথিবীতে একইসঙ্গে কেউ সরকারি দল ও বিরোধী দলে থাকতে পারে না। যেদিন ছাত্র প্রতিনিধিরা সরকারে গেল, সেদিন আমি বুঝে গেলাম এরা রাষ্ট্র নির্মাণে আর ভূমিকা রাখতে পারবে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি তাদের সরকার থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালে তো হবে না, তাগিদটা তাদের অনুভব করতে হবে।’
জামায়াত নেতাদের উদ্দেশে বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, ‘পত্রিকায় দেখলাম, আপনাদের এক নেতা বললেন, কে সরকারি দল হবে, কে বিরোধী দল।
তাহলে এটা আপনারা নিজেরা ঠিক করে নিয়েছেন, নাকি জনগণ ঠিক করবে? এত আত্মবিশ্বাস থাকলে নির্বাচনে আসেন না কেন? নানা বাহানায় নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে চাচ্ছেন কেন?’
আলোচনা ও আন্দোলনের সমন্বয়কে স্ববিরোধী বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আলোচনার মধ্যে আপনারা রাস্তায় নামলেন। আলোচনার টেবিল ও আন্দোলন একসঙ্গে চললে সেটা হবে স্ববিরোধিতা। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিয়েই তো আমরা আলোচনা করছি। আমরা আলোচনায় সমাধান চাই।’
মন্তব্য করুন


বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার রেখে যাওয়া প্রেতাত্মা ও দোসররা এখনো যায়নি। তারা প্রশাসনের বিভিন্নক্ষেত্রে অবস্থান নিয়ে পাতানো পরিকল্পিত অস্থিরতা তৈরি করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাতে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন করতে না পারে সেজন্য প্রস্তুত রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কলেজপাড়ায় তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী কিশোর গবেষক আহনাফ বিন আশরাফ নাবিলকে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর পক্ষ থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শুভেচ্ছা জানাতে আসেন তিনি।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তার নিষ্ঠুরতা, যে রক্ত স্রোত বইয়েছে; সেক্ষেত্রে যে সব নেতা ও প্রশাসনের ব্যক্তিরা দায়ী তাদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য এক ধরনের গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। পাসপোর্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে তাদের পাসপোর্ট দেওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে যাদের অপরাধের অভিযোগ আছে কিংবা অপরাধী হতে পারে তারা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রিন সিগন্যাল পেতে পারে না। এর মানেই হলো প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা লোকরা শেখ হাসিনার সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা সেটা বাস্তবায়নে তারা নানা পরিকল্পনা করছে।
রিজভী বলেন, জনগণের ওপরে কোনো শক্তি নেই। নতুন করে যত ষড়যন্ত্র করা হোক এরা পরাজিত হবে এবং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র ফিরবে। পাশাপাশি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে দেশ পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, প্রত্যেক রাজনৈতিক দল তাদের অবস্থান থেকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি। এটাকে কাদা ছোড়াছুড়ি বলা যায় না। এই গণতন্ত্রের জন্যই ১৬ বছর ধরে এত আন্দোলন সংগ্রাম। গণতন্ত্রের এই মূল চালিকাশক্তিকেই শেখ হাসিনা কেড়ে নিয়েছিল।
জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচিত পার্লামেন্ট ছাড়া আগে থেকে কোনো কিছুকে আইন হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। তাহলে যে আইনের শাসনের জন্য লড়াই করা হয়েছে সেই আইনের শাসনের লড়াইয়ের চেতনাকে ব্যাহত করা হবে।
শিক্ষার্থী নাবিল সম্পর্কে তিনি বলেন, কিশোর বয়সে তার উদ্ভাবনী চিন্তা-চেতনা অবিশ্বাস্য। তার প্রতিভার সন্ধান পেয়ে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। পরে তাকে আমরা বিএনপি পরিবারের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদলের মনোনয়নপত্র ক্রয় ঠেকাতে মব করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, সারাদেশে আইনবহির্ভূতভাবে মব করা হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে এমন ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারে। জাতি নির্বাচনী রোডম্যাপের অপেক্ষায় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় যেসব ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে ভোটারবান্ধব কেন্দ্র করতে হবে। ফ্যাসিবাদের আমলে যেসব কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, সেগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সোমবার ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে ছাত্রদলের নেত্রীকে ফরম তুলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলে ছাত্রদল।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ইনশাআল্লাহ শিগগিরই দেশের জনগণের সঙ্গে সরাসরি দেখা হবে।
আজ রবিবার রাজশাহী মহানগর বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখতে চায়। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে মানুষের আস্থার মূল্যায়ন করে দেশকে পুনর্গঠন করতে হবে।
তিনি বলেন, আগামী বছর রমজানের আগে নির্বাচনে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হবে, এর পরও অনেক চ্যালেঞ্জ আছে।
বিগত সরকারের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচার এ দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তা আবার পুনর্গঠন করবে বিএনপি। সে লক্ষ্যের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছি আমরা।
তিনি বলেন, ক্ষমতায় এসে দেশ-বিদেশে দক্ষ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষার আলো শিক্ষার্থীদের মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। তাদের ভবিষ্যতের জন্য গড়ে তুলতে হবে।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দলকে জনগণের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তাদের মনে আস্থা সৃষ্টি করতে হবে। তাদের নিয়েই আমাদের কাজ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিএনপির অভিযোগকে ব্যক্তিগতভাবে নেয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কৌশলে প্রতিশোধও নেওয়ার চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপির মহিলা দলের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। মাগুরাসহ দেশজুড়ে সাম্প্রতিক ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
রিজভী বলেন, দেশে ধর্ষণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। কোথাও নারীদের নিরাপত্তা নেই। শেখ হাসিনার আমল থেকেই নারীরা নির্যাতিত হচ্ছেন। এখন তো ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেই, তাহলে কারা এই হিংস্রতার সঙ্গে জড়িত? আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে তা জানতে চাই।
প্রশাসন ঠিক থাকলে দেশে এমন বিশৃঙ্খলা হতো না মন্তব্য করে রিজভী বলেন, আইনের প্রয়োগ সঠিকভাবে করলে এমনটি হতো না।
তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারের কাছে বলতে চাই, দ্রুততম সময়ে আছিয়ার ধর্ষণকারীদের বিচার করতে হবে, যেন অন্য অপরাধীরা ভয় পায়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সব সময় আছিয়ার বিষয়ে খোঁজখবর রাখছেন।
রিজভী আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় ডিসি-এসপিদের কক্ষে গিয়ে তাদের কাজ তদারকি করছেন বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা। অথচ তাদের থাকার কথা ক্লাসে ও লাইব্রেরিতে। বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট পতনের আন্দোলনে তাদেরও অনেক অবদান রয়েছে। তাই তাদের উচিত ক্যাম্পাসে ফিরে গিয়ে সব ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো।
মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস বলেন, শেখ হাসিনার সময়ে ধর্ষণকারীদের পুরস্কৃত করা হতো। আর বিএনপির সময়ে ধর্ষণের ঘটনায় উপযুক্ত বিচার হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে নারী ও শিশু ধর্ষণের হার দিন দিন বাড়ছে। তিনি মাগুরার ৮ বছরের শিশু ধর্ষণকারীদের জনসম্মুখে বিচারের দাবি জানান।
ধর্ষিতা শিশুটির বোনের শাশুড়িরও ফাঁসি দাবি করে মহিলা দলের সভানেত্রী বলেন, ১৮০ দিনে নয়, এক সপ্তাহের মধ্যেই ধর্ষণ মামলার আসামিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর নার্গিসের পরিচালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি নেওয়াজ হালিমা আর্নি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাম্মি আক্তার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভানেত্রী রুমা আক্তার, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা প্রমুখ।
মিছিলে ধর্ষক ও নিপীড়নকারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, সচিবালয়ের ভেতরে ফ্যাসিবাদের দোসররা বসে আছে, যারা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে। এ কারণেই কি তাদের সরানো হচ্ছে না?
বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্র, সংস্কার ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ ধরনের প্রশ্ন তোলেন।
মির্জা আব্বাস দাবি করেন, সচিবালয়ের ভেতরে চারজন ও বাইরে একজনসহ মোট পাঁচজন সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং উপদেষ্টা পরিষদের কিছু সদস্য প্রধান উপদেষ্টাকে সঠিক পথে চলতে দেবে না। এ কারণে তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগকে যারা পুনর্বাসিত করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলবে। বিএনপিই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত দল। যদি ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য ভেঙে দেওয়া হয়, তাহলে বাংলাদেশ আবারও ভারতীয় আধিপত্যের কবলে পড়বে।"
তিনি আরও যোগ করেন, মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও অন্যান্য দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, "বিপরীত শক্তি আমাদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কিছু ইউটিউবার দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে চাইছে।"
মির্জা আব্বাস বলেন, "বিএনপি সংস্কার ও নির্বাচন—দুটিই চায়। তবে অপ্রয়োজনীয় সংস্কার থেকে দূরে থাকতে হবে, যা বিপদ ডেকে আনতে পারে। নির্বাচন নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ধোঁয়াশা তৈরি করা হচ্ছে, যা মোটেও কাম্য নয়।"
তিনি জোর দিয়ে বলেন, "প্রশাসনে বিএনপির কোনো লোক নেই। বরং আওয়ামী লীগের দালালরাই সেখানে সুবিধা পাচ্ছে। এনসিপিও তাদের কাছ থেকে সুবিধা নিয়েছে।" কয়েকজন সচিবের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগের দালালদের চিহ্নিত করে শাস্তি দিতে হবে।"
শেষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, "আপনার আশেপাশে আওয়ামী লীগের দোসররা আছে। তারা আপনাকে ভুল পথে নিয়ে যেতে পারে। সাবধান থাকুন।"
মন্তব্য করুন