

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার সকালে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানায়। তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের জান-মালের নিরাপত্তায় বিজিবির সদস্যরা কাজ করবেন।
এদিকে গত কয়েকদিনে রাজধানীতে প্রায় ১০টি বাসে অগ্নিসংযোগ ও একাধিক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় গ্রেফতারও হয়েছে।
জানা যায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার তারিখ ১৩ নভেম্বর। দিনটিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে নানা ধরনের গুজব ও অপপ্রচার—যার মধ্যে রয়েছে গণসমাবেশ ঘটিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, লকডাউন ঘোষণার গুজব, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের মতো প্রচারণা। কথিত দুর্বৃত্তরা টানা কয়েকদিন ধরে বেশ কিছু স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চলতি বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। তিনি আরও মন্তব্য করেছেন যে এই নির্বাচনে নির্বাচিত সরকার একটি অত্যন্ত নিরাপদ ও শক্তিশালী ভিত্তি পাবে।
বুধবার জাপানের ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (এনএইচকে)-কে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
ইউনূস বলেন, "যখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, তখন নতুন নির্বাচিত সরকারের কাজ করার জন্য একটি খুবই নিরাপদ ও সঠিক ভিত্তি থাকবে।"
প্রধান উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন যে দেশের তরুণরা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গত বছরের আন্দোলনে তরুণরা ইতিমধ্যেই তাদের প্রভাবশালী ভূমিকা প্রদর্শন করেছে।
ড. ইউনূস বলেন, "তরুণরা তাদের সৃজনশীল শক্তি প্রদর্শন করে বিশ্বকে জানাতে চায়। আমাদের মধ্যে সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে এবং দেখা যাক আমরা কীভাবে এগিয়ে যাই।"
অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ড. ইউনূস নিশ্চিত করতে চান যে বাংলাদেশ তার নিজ পায়ে দাঁড়াবে এবং শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
তিনি বলেন, "আমরা যখন দায়িত্ব নিই, তখনকার পরিস্থিতি বিবেচনা করলে আমি মনে করি আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। কারণ তখন একটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত সমাজ, বিধ্বস্ত অর্থনীতি, বিধ্বস্ত রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং বিচার ব্যবস্থা ছিল।"
জাতীয় নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক জাতি গঠনের জন্য অপরিহার্য অংশ। তিনি এই বছরের শেষের দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে এমন প্রাথমিক সময়সীমা উল্লেখ করেছেন।
তিনি বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়নশীল অংশীদার জাপানের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জাপানের প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ তরুণ বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন


গত বছরে (২০২৪ সালে) বাংলাদেশে মোট ৬,৩৫৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৮,৫৪৩ জন নিহত এবং ১২,৬০৮ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৪ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী। সংগঠনটি প্রতিবছরের মতো গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
মোজাম্মেল হক চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গত ১০ বছরে মোটরসাইকেলের সংখ্যা ১৫ লাখ থেকে বেড়ে ৬০ লাখে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে ৬০ লাখ ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং ছোট যানবাহন রাস্তায় প্রবাহিত হচ্ছে। সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসব যানবাহন অবাধে চলাচল করায় সড়ক দুর্ঘটনা এবং প্রাণহানির হার ভয়াবহভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সড়ক দুর্ঘটনার কিছু কারণ তুলে ধরেন যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব। তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হলো বেপরোয়া গতি ও বিপদজনক ওভারটেকিং, সড়কের নির্মাণ ত্রুটি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, যাত্রী ও পথচারীদের অসতর্কতা, চালকদের অদক্ষতা এবং ট্রাফিক আইন সম্পর্কে অজ্ঞতা। এছাড়া পরিবহন মালিকদের বেপরোয়া মনোভাব, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল বা হেডফোন ব্যবহার, মাদক সেবন করে গাড়ি চালানো, অরক্ষিত রেলক্রসিং এবং রোড ডিভাইডারের পর্যাপ্ত উচ্চতা না থাকা এর অন্যতম কারণ।
এই সড়ক দুর্ঘটনা রোধে যাত্রী কল্যাণ সমিতি বেশ কিছু সুপারিশ করেছে। এসব সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, মানুষের জীবন রক্ষায় সরকারের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রথম অগ্রাধিকার দেওয়া, দ্রুত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করে ব্যাপক কার্যক্রম শুরু করা, সড়ক নিরাপত্তায় বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি, সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে সড়ক নিরাপত্তা উইং চালু করা।
এছাড়া সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে এরই মধ্যে প্রণীত সুপারিশমালার বাস্তবায়ন শুরু করা হয়েছে। দেশে সড়ক-মহাসড়কে রোড সাইন, রোড মার্কিং (ট্রাফিক চিহ্ন) স্থাপন, জেব্রা ক্রসিং আঁকা ও আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গণপরিবহন চালকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা, সড়ক পরিবহন সেক্টরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করার পাশাপাশি গাড়ির নিবন্ধন, ফিটনেস ও চালকদের লাইসেন্স প্রদানের পদ্ধতি আধুনিকায়ন করার সুপারিশও করা হয়েছে।
এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় আর্থিক সহায়তার জন্য তহবিলের আবেদন সময়সীমা ৬ মাস বৃদ্ধি করা, স্মার্ট গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানসম্মত নতুন বাস সার্ভিস চালু করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, পরিবহন সেক্টরে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ভূমিকা ছিল না। এসব দুর্ঘটনা কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড, এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে সরকার, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সমাজ উন্নয়ন কর্মী আবদুল্লাহ আল জহির স্বপন, যাত্রী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি তাওহীদুল হক, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুল হক, প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল, দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের সদস্য মো. জিয়াউল হক চৌধুরী প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


সারাদেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বিক্রি বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। এরইমধ্যে এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ এবং স্থানীয় পর্যায়ের উৎপাদনের ওপর ভ্যাট ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আমদানিকৃত এলপিজির ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার এবং স্থানীয় পর্যায়ে তা ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম কমানো এবং বাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা।
প্রস্তাবিত শুল্ক পুনর্বিন্যাস দেশের সাধারণ ভোক্তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়ে সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে উৎসগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির মধ্যেই এবার এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধে রেখেছে ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে সারা দেশে বন্ধ রয়েছে সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ভোক্তারা।
এদিকে খুচরা পর্যায়ে কোনো দোকানেই মিলছে না সিলিন্ডার। হোটেলগুলোয় বিকল্প উপায়ে রান্নার কাজ চালু রাখলেও, অনেক বাসাবাড়িতে জ্বলছে না চুলা। একপ্রকার জিম্মি হয়ে পড়েছেন ভোক্তারা।
মন্তব্য করুন


মাগুরায় বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার শিশুটির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)কে শিশুটির ছবি সরিয়ে ফেলার পাশাপাশি দুপুর সোয়া ১২টার মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর কাছে তথ্য জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৯ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহিনুজ্জামান জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মাগুরাসহ সারাদেশে ধর্ষণের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায়, পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাগুরার ওই শিশুর সব ছবি ইউটিউব, ফেসবুকসহ অন্যান্য মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য বিটিআরসিকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত বিষয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে আদালত জানিয়েছেন।
এর আগে, শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশুটিকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
এদিকে, ধর্ষণের ঘটনায় শিশুটির মা মামলা করেছেন। মামলায় শিশুটির বোনের স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাশুরকে আসামি করা হয়েছে। তারা ইতিমধ্যে পুলিশের হেফাজতে আছেন। মামলার এজাহারে শিশুটির মা অভিযোগ করেন, তার মেয়ের স্বামীর সহায়তায় শ্বশুর শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা মেয়ের শাশুড়ি ও ভাশুর জানতেন এবং তারা ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিশুটিকে হত্যার চেষ্টা চালান।
মন্তব্য করুন


এখন থেকে ৫ আগস্ট সরকারি ছুটি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান দিবস হিসেবে এদিন ছুটি থাকবে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা জানায়।
তিনি জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ঘিরে আগামী ১ জুলাই থেকে কর্মসূচি শুরু হবে, চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। ১৪ জুলাই থেকে মূল আয়োজন চলবে। আন্দোলনে যেভাবে দেশ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, সেভাবে কর্মসূচি করা হবে।
এখন থেকে ৫ আগস্ট সরকারি ছুটি থাকবে জানিয়ে ফারুকী বলেন, আগামী রবিবার উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকে ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলন দিবস জাতীয় দিবস হিসেবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘দেশের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের আনুষ্ঠানিক তালিকা থেকে দলটিকে বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।’
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সফররত ব্রিটিশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন মন্ত্রী ব্যারনেস জেনি চ্যাপম্যানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রেস উইং।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে কার্যক্রম স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না এবং নির্বাচন কমিশন পরবর্তী সময় নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তালিকা থেকে দলটিকে বাদ দিয়েছে।’
আসন্ন নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে ১০ লাখ তরুণ ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। যারা গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের সময় অনুষ্ঠেয় তিনটি সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি।’
বৈঠকে ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচন, অবৈধ অভিবাসন মোকাবেলা, বাণিজ্য বাড়ানো, রোহিঙ্গা সংকট, বিমান ও নৌ খাতে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে এবং ভোটার উপস্থিতিও হবে ব্যাপক।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই সনদ বাংলাদেশের জন্য নতুন সূচনা চিহ্নিত করবে; যা গত বছরের জুলাই-আগস্টে ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া লাখ লাখ মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করবে।’
মন্ত্রী চ্যাপম্যান অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অধ্যাপক ড. ইউনূসের নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান এবং জুলাই সনদ নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চলমান সংলাপের প্রশংসা করেন।
চ্যাপম্যান বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের দ্বারা যুক্তরাজ্যের আশ্রয় ব্যবস্থার অপব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং শোষণ রোধে নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসনের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
মন্তব্য করুন


ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশই প্রথম দেশ, যে তার প্রশাসনের সঙ্গে কোনো বড় চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এ বিষয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ফেসবুকে এক পোস্টে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী লিখেছেন, "আমরাই প্রথম দেশ, যারা কোনো ডিল সাইন করলাম। সে হিসেবে আমরা বলতে পারবো বাংলাদেশ তার প্রথম পার্টনার।"
সম্প্রতি স্বাক্ষরিত এই বৃহৎ এলএনজি চুক্তি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৪৬ মিনিটে তিনি লেখেন, ‘বাংলাদেশ সরকার আজকে ট্রাম্পের নতুন এনার্জি এক্সপোর্ট ম্যান্ডেট উপর ভিত্তি করে একটা ল্যান্ডমার্ক এগ্রিমেন্ট সাইন করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হবার পর আমরাই প্রথম দেশ কোনো ডিল সাইন করলাম। ট্রাম্প এর ইলেকশন প্রমিজের মধ্যে 'ড্রিল, বেবী ড্রিল' এই স্লোগানটা বেশ পপুলার ছিলো। সেটা এই এনার্জি এক্সপোর্ট কে ঘিরেই।
আমাদের দেশে গ্যাসের বিশাল সংকট। ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ, কর্মসংস্থান, ইত্যাদির জন্য আমাদের লং টার্ম গ্যাস সাপ্লাই সলিউশন বের করতেই হবে। মিডল ইস্ট এর বাইরে আমেরিকা একটা ইন্টারেস্টিং অলটারনেটিভ।
কিন্তু এই সাইনিং এর গুরুত্ব অন্য জায়গায়। ইকনমিক ডিপ্লোম্যাসির অ্যাঙ্গেল থেকে। ট্রাম্প সরকারের স্টাইল খুবই ডিফারেন্ট। তারা জাত ব্যবসায়ী। আঁতেল টাইপের কথাবার্তায় নাই। স্ট্রেইট অ্যাকশন দেখতে চায়। লুইজিয়ানার সিনেটর বিল ক্যাসিডি সাইনিং এর কথা শুনে আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরলো! আগামী বছরগুলোতে আমরা যখনই বিভিন্ন ইস্যুতে ট্রাম্প এডমিনিস্ট্রেশনের কাছে যাবো, আমরা বলতে পারবো যে বাংলাদেশ কিন্তু তার প্রথম পার্টনার ছিলো। তার আমেরিকা ফার্স্ট এর সাথে আমাদের বাংলাদেশ ফার্স্ট। আর আমাদের জন্য বাংলাদেশের ইন্টারেস্ট ফার্স্ট!
অনেকের কাছে শুনি ট্রাম্প আসার পর নাকি সব শেষ হয়ে যাবে আমাদের। প্রথমত, আমেরিকার ফরেন পলিসি খুব স্টেবল। তারা হঠাৎ ১৮০ ডিগ্রি টার্ন করে না। আর দ্বিতীয়ত, আমরা সৎ হতে পারি, কিন্তু একদম গাধা না। ’
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানাভিত্তিক আর্জেন্ট এলএনজির সঙ্গে একটি বড় এলএনজি সরবরাহ চুক্তি করেছে বাংলাদেশ সরকার। এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ বছরে ৫ মিলিয়ন টন (৫০ লাখ টন) তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সর্বদা সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাহিনীর সদস্যদের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রাজধানীর চারটি থানা (মিরপুর, দারুসসালাম, আদাবর ও মোহাম্মদপুর) পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশনা দেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ঘুমাতে পারে এবং নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে। তিনি আরও বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনিটরিং করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের অফিসারদেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ফোর্স ও টহলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। যারা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে, তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক ও সজাগ রয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে স্থাপিত চেকপোস্টগুলোও সক্রিয় রয়েছে। যৌথবাহিনীর অপারেশনও ভালোভাবে চলছে। থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে চলছে। থানাসমূহ সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা দেখতেই এ পরিদর্শন।
উপদেষ্টা আরো বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভোরের দিকে দায়িত্বে শিথিলতা দেখায়। এ সুযোগে সন্ত্রাসী ও অপরাধীরা নানা রকম অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করার চেষ্টা করে। তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন, তারা যেন এসময়েও সজাগ ও সতর্ক থাকে।
চলমান যৌথ অভিযান আর কতদিন চলবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, পরিস্থিতির উন্নতি হলে যৌথ অভিযান বন্ধ করা হবে। তবে অন্যান্য অভিযান চলমান থাকবে। গতকাল গুলশান থানায় দায়িত্বে অবহেলা করায় একজন এসআই ও একজন কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
উপদেষ্টা তার বারিধারাস্থ ডিওএইচএস এর বাসা থেকে বের হয়ে ইসিবি চত্বর, কালশী, পল্লবী, মিরপুর-১০ হয়ে মিরপুর থানায় পৌঁছান। পরিদর্শন শেষে সেখান থেকে মিরপুর-১ হয়ে দারুসসালাম থানায় যান। দারুসসালাম থানা থেকে টেকনিক্যাল মোড়, শ্যামলী হয়ে আদাবর থানা পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে মোহাম্মদপুর থানায় যান। মোহাম্মদপুর থানা পরিদর্শন শেষে ধানমন্ডি ২৭, সংসদ ভবন, বিজয় সরণি, মহাখালী, বনানী হয়ে বারিধারার বাসায় ফিরে আসেন।
থানাসমূহ পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা থানার অভ্যর্থনা কক্ষ, হাজতখানা-সহ আনুষঙ্গিক স্থাপনা ঘুরে দেখেন। তিনি ডিউটি অফিসারসহ কর্তব্যরত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আরো তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন।
পথিমধ্যে তিনি জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভার চেকপোস্ট ও কালশী মোড় চেকপোস্ট পরিদর্শন করেন এবং দায়িত্বরতদের সঙ্গে কথা বলেন। তাছাড়া উপদেষ্টা মিরপুর থানা মোড় ও টেকনিক্যাল মোড়ে উপস্থিত সাধারণ জনগণের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
মন্তব্য করুন


চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক, তাই যুক্তরাষ্ট্রের এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারন নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন, ‘চীনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা তৃতীয় কোনো দেশের উদ্বিগ্ন হওর কোনো কারণ নেই’।
নির্বাচনের পর্যবেক্ষক নিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আমন্ত্রণ জানাবে নির্বাচন কমিশন, অহেতুক বির্তক তৈরি করতে পারে এমন কাউকে আনতে চায় না সরকার’।
এ সময় ইসলামী বক্তব্য জাকির নায়েককে দাওয়াত দেওয়ার বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানে না বলেও জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব ইজতেমা চলাকালীন সময়ে পাঁচটি ননস্টপ আন্তঃনগর ছাড়া সব ট্রেন দুই মিনিট করে যাত্রা বিরতি করবে টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশনে। এছাড়া ইজতেমা উপলক্ষ্যে কয়েকটি ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ ও যাত্রা বাতিল করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
বৃহস্পতিবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টঙ্গীতে আসন্ন বিশ্ব ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভিন্ন রুটে সাত জোড়া বিশেষ ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ৩০ জানুয়ারি রাত (৩১ জানুয়ারি) ১২টা থেকে ২ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাত পর্যন্ত ননস্টপ সুবর্ণ, সোনার বাংলা, কক্সবাজার, পর্যটক ও বনলতা এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ছাড়া অন্য সব আন্তঃনগর, মেইল এক্সপ্রেস ও কমিউটার ট্রেন টঙ্গী স্টেশনে উভয় পথে ২ মিনিট করে থামবে।
ইজতেমা চলাকালীন জয়দেবপুর কমিউটার ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ শনিবার বাতিল করে শুক্রবার করা হয়েছে। ইজতেমা চলাকালীন শুক্রবার জয়দেবপুর কমিউটার-৪ (জয়দেবপুর-ঢাকা) বাতিল করে রেকটি জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পাঠানো হবে। এবং বন্ধ সার্ভিসিং শনিবারের পরিবর্তে শুক্রবার করা হবে। শনিবার ৭৫৪ নম্বর ট্রেনের ইন রিপোর্টে টাঙ্গাইল পর্যন্ত এনে ‘টাঙ্গাইল-টঙ্গী স্পেশাল-১’ হিসেবে টাঙ্গাইল থেকে দুপুর ১২টায় টাঙ্গাইল-টঙ্গী-ঢাকা রুটে চালনো হবে। আখেরি মোনাজাতের দিন ওই রেক দিয়ে ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে জয়দেবপুর কমিউটার-১ এর পরিবর্তে মোনাজাত স্পেশাল হিসেবে টঙ্গী পর্যন্ত চালানো হবে। এরপর জয়দেবপুর কমিউটার-১ হিসেবে ট্রেনটি টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর এবং জয়দেবপুর কমিউটার-২ হিসেবে জয়দেবপুর থেকে ঢাকায় ফিরবে। পরবর্তীতে জয়দেবপুর কমিউটার-৩ ট্রেনটি ঢাকা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত চালিয়ে ১২টায় রুট বর্ধিত করে টঙ্গী থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত 'টঙ্গী-টাঙ্গাইল স্পেশাল-২' হিসেবে চালানো হবে এবং টাঙ্গাইল থেকে সুবিধাজনক পথে জয়দেবপুর কমিউটারের রেকটি ঢাকায় ফেরত আনা হবে। জয়দেবপুর কমিউটার-৩ টঙ্গী-জয়দেবপুর রুট এবং জয়দেবপুর কমিউটার-৪ বাতিল করা হয়েছে।
আখেরি মোনাজাতের দিন (২ ফেব্রুয়ারি তুরাগ কমিউটার ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। মোনাজাতের দিন বিশেষ ট্রেন পরিচালনার জন্য ২ ফেব্রুয়ারি ১১, ১২, ৪৫, ৪৬, ৯ এবং ১০ নম্বর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। ৭৫/৭৬ নম্বর ধলেশ্বরী এক্সপ্রেস ট্রেন ও ২৬১, ২৬২, ২৬৩ ও ২৬৪ নম্বর লোকাল ট্রেন ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি বন্ধ থাকবে। বিশেষ ট্রেন চলাচলের পাশাপাশি এক্সপ্রেস, কমিউটার ও লোকাল ট্রেনে যথাসম্ভব অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে।
ইজতেমা উপলক্ষ্যে টঙ্গী স্টেশনে অতিরিক্ত বুকিং কাউন্টার খোলা হবে এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক টিকিট পরীক্ষক নিয়োজিত থাকবেন। ইজতেমায় অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক এবং পরিষ্কার-পরিছন্নতা ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য একজন কর্মকর্তাসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরিচ্ছন্নতা কর্মী সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করবেন।
মন্তব্য করুন