

ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশীজ এর জাকঁজমকপূর্ণ রেসিডেন্সিয়াল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৭ জুন ঢাকার প্যানপ্যাসিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। ১৯ জুন ছিল অনুষ্ঠানের সমাপ্তি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশীজ-এর সভাপতি ডা. হাসনাত হোসাইন এমবিই ৷ কো-অর্ডিনেটর হিসেবে ছিলেন ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজ-এর যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাহী পরিচালক শরাফত হোসেন বাবু । এছাড়াও যুক্তরাজ্য , মালয়েশিয়া, গ্রিস, দুবাই , বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নির্বাহী পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয় বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলকে । অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অন্তবর্তী সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ , বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান, গণ অধিকার পরিষদের চেয়ারম্যান ভিপি নূর ও সেক্রেটারি রাশেদ খান, জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা, খিলাফত মজলিসের
মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের ।
অনুষ্ঠানে সারাবিশ্বের প্রবাসীদের অবদান ও দুঃখ দুর্দশার কথা তুলে ধরা হয়। ভবিষ্যতে প্রবাসীদের জন্য একটা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্খা প্রকাশ করা হয়। এছাড়া প্রবাসীদের ভোটাধিকারের বিষয়েও বিষদভাবে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশী ও ভয়েস ফর জাস্টিসের দীর্ঘ পথচলা ও কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয় । স্বৈরাচারি সরকার বিতাড়নে ও বাংলাদেশে বিশেষ অবদানের জন্য উপস্থিত অতিথিরা ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশীজের প্রশংসা করেন৷
ইতোমধ্যে জানা গেছে, সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের সমন্বয়ে নতুন ধারার একটি সংসদ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেখানে প্রবাসীদের পক্ষে ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজের ১০% আসন রাখার বিষয়ে মতামত দেন সকলে এবং উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশি সব সময় পাশে থাকবে বলে আশাব্যক্ত করা হয়। পরিশেষের ডিনারের আয়োজন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে ।
আগামী রেসিডেস্সিয়াল চলতি বছরের ডিসেম্বরে মালয়েশিয়াতে অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


জ্বালানি খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৩ কোটি মার্কিন ডলার অতিরিক্ত অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৩৬৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩৮ পয়সা হিসেবে)। বিশ্বব্যাংক এই অর্থায়নটি করবে 'এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং অব পাওয়ার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক ইন ইস্টার্ন রিজন' প্রকল্পের আওতায়।
বৃহস্পতিবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের মধ্যে এই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৃহত্তর কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী অঞ্চলে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহ্রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর গেইল মার্টিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বিশ্বব্যাংক এর আগে স্কেল আপ ফ্যাসিলিটি (এসইউএফ) তহবিল থেকে প্রকল্পটির মূল ঋণচুক্তি ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল স্বাক্ষরিত করেছিল। কোভিড-১৯ চলাকালে কিছু অর্থ প্রত্যাহারের পর বর্তমানে প্রকল্পটির সফল সমাপ্তির জন্য অতিরিক্ত ৩ কোটি ডলার অর্থায়ন প্রয়োজন ছিল, যা বিশ্বব্যাংক অনুমোদন করেছে।
এই ঋণের মেয়াদ ৩০ বছর, যার মধ্যে ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে। ঋণের সুদের হার ১ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং সার্ভিস চার্জ ০ দশমিক ৭৫ শতাংশ নির্ধারিত হয়েছে। এছাড়া, অনুত্তোলিত ফান্ডের ওপর ০ দশমিক ৫০ শতাংশ কমিটমেন্ট চার্জ থাকলেও, পূর্ববর্তী বছরের মতো এই অর্থবছরে কোনো কমিটমেন্ট ফি দিতে হবে না।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতীক তালিকায় শাপলা যোগ হবে না জানিয়ে ইসি’র জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, আগামী ১৯ অক্টোবরের মধ্যে শাপলার বিকল্প বেছে না নিলে এনসিপির প্রতীকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে ইসি।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
ইসি সচিব বলেন, যেহেতু নির্বাচন বিধিমালায় নেই, তাই শাপলা প্রতীক দেয়ার সুযোগ নেই। যদি তারা প্রতীক না চায়, তাহলে কমিশনের বিবেচনায় আমরা প্রতীক বরাদ্দ দিয়ে দেব। এনসিপি যদি এ মাসের ১৯ তারিখের মধ্যে নতুন প্রতীক জমা না দেয়, তাহলে এ বিষয়ে কমিশন নিজেই সিন্ধান্ত নেবে।
প্রবাসী ভোটারদের বিষয়ে কাজের অগ্রগতি আছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, পুরনো ১১টি দেশের সঙ্গে নতুন আরও চারটি দেশে ভোটার হালনাগাদ শুরু হবে। এ ছাড়া, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ভোট দেয়ার অ্যাপ লঞ্চ করতে পারবো বলে আশা করছি।
মন্তব্য করুন


স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করলেন সিরাজগঞ্জ, পাবনা, বগুড়া, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী ও টাঙ্গাইলের ৩১৫ জন চরমপন্থী। রোববার (২১ মে) দুপুর দেড়টায় সিরাজগঞ্জ র্যাব-১২ সদর দপ্তরে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল) লাল পাতা ও সর্বহারাসহ বেশ কয়েকটি চরমপন্থী দলের ৩১৫ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন।
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, আপনারা জানেন ৮০'র দশক থেকে এই এলাকার কয়েকটি জেলায় যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকায় সর্বহারা ও চরমপন্থীরা ঘাঁটি তৈরি করে। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে ‘সন্ত্রাসের জীবন ছাড়ি, আলোকিত জীবন গড়ি’ স্লোগানে চরমপন্থীরা আলোর পথে ফিরে আসে। প্রধানমন্ত্রী তখন যেমন সবাইকে পুনর্বাসন করেছিলেন, তেমনই প্রধানমন্ত্রী আজকেও আমাকে আসার আগে বলেছেন, আপনারা যারা আত্মসমর্পণ করেছেন তাদের আর্থিক সহযোগিতা থেকে শুরু করে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
তিনি বলেন, র্যাব নানাবিধ ভালো কাজ করে যাচ্ছে, আস্থা অর্জন করেছে। এ জন্যই চরমপন্থীরা আত্মসমর্পণের জন্য র্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। র্যাব আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি নানা মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ১৫০ জন পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এ জন্য ইইউ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্বাক্ষরের প্রস্তাব দিয়েছে।
সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইইউয়ের প্রাক-নির্বাচনী বিশেষজ্ঞ দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের একটা ডেলিগেশন আমাদের সঙ্গে দেখা করে গেছেন। ওনারা এসেছিলেন একটা অ্যাসেসমেন্ট টিম আমাদেরকে মূলত কয়েকটা জিনিসের ব্যাপারে ক্লারিফিকেশন চেয়েছেন। ক্লারিফিকেশনটা হচ্ছে যে ওরা একটা এমওইউ করবেন আমাদের সঙ্গে। ফরেন মিনিস্ট্রি আমাদের সঙ্গে এবং ইইউ একটা ত্রিপাক্ষিক এমওইউ হবে। যে এমওইউর ধারাবাহিকতায় ওনাদের প্রতিনিধি দলরা আসবেন।’
আমরা জানতে চেয়েছিলাম যে মোটামুটিভাবে আপনাদের প্রতি দলের সদস্য সংখ্যা কত হবে? তো আমাদেরকে যেটা ধারণা দিয়েছেন সেটা হচ্ছে ১৫০ জনের মতো।
ইসি সচিব বলেন, ইইউয়ের প্রাক-নির্বাচনী বিশেষজ্ঞ দলের প্রতিনিধিরা জানতে চেয়েছেন, পর্যবেক্ষকরা ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন কী না।
১৫০ জন পর্যবেক্ষকদের সবাই একসঙ্গে আসবেন না বলেও জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন সময় আলাদা আলাদাভাবে ইইউয়ের পর্যবেক্ষকরা দেশে আসবেন।
গেজেট নোটিফিকেশন পাবলিকেশন পর্যন্ত তারা থাকতে চায়, আমরা কিভাবে রেজাল্ট পাবলিশ করি এবং এই রেজাল্টের তথ্যগুলো আমাদের ওয়েবসাইটে থাকে কি না ইত্যাদি ইত্যাদি কথা হয়েছে।
নির্বাচন পর্যবেক্ষকের জন্য কেন এমওইউ প্রয়োজন হচ্ছে জানতে চাইলে আখতার আহমেদ বলেন, তারা বলেছেন এটা ওনাদের এসওপি, সে অনুযায়ী আমাদেরকে এমওইউ এর একটা খসড়া দিয়ে গেছে।
আগে কি কখনো হয়েছে জানতে চাইলে আখতার আহমেদ, আগে আমি নির্বাচন কমিশনে কাজ করিনি অতএব আমার পূর্বঅভিজ্ঞতা নেই।
এমওইউয়ের খসড়ায় কি লেখা আছে প্রশ্নে সচিব বলেন, একটা জিনিস বোঝা উচিত, তিন মিনিট আগে এমওইউয়ের খসড়াটা পেয়েছি আমার স্মৃতিশক্তি এত ভালো না যে আমি এই জিনিসটাকে ফটোগ্রাফিক মেমোরি থেকে আপনাকে বলতে পারব। আমাকে একটু শ্বাস নেওয়ার জন্য সময় দেন। আমার সীমাবদ্ধতার জন্য ক্ষমা করবেন।
মন্তব্য করুন


পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর করার মতো পূর্ণ সক্ষমতা বাংলাদেশ পুলিশের রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬ উপলক্ষে রিটার্নিং অফিসার ও মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে বাস্তব কারণেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হয়েছে।
তবে আমরা সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসেছি। নির্বাচনের আগে এই পর্যায়ে এসে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের বাহিনী যথেষ্ট সক্ষমতা অর্জন করেছে।
তুচ্ছ ঘটনায় রাস্তা বা মহাসড়ক অবরোধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির বিষয়ে কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে পুলিশ প্রধান বলেন, সমাজের বিভিন্ন অংশে ছোটখাটো ইস্যুতে রাস্তা ও হাইওয়ে অবরোধ করে অস্থিরতা সৃষ্টির যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা বন্ধ করার সময় এসেছে। সব জায়গায় শৃঙ্খলা বা অর্ডার প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
ইসির পদক্ষেপের প্রশংসা করে আইজিপি বলেন, ইলেক্টরাল ইনকোয়ারি কমিটিকে সামারি ট্রায়ালের (সংক্ষিপ্ত বিচার) মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত সময়োপযোগী। এ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রয়োজনে পুলিশের পাশাপাশি যেকোনো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নিতে পারবেন, এমন প্রবিধান রাখায় আমি কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই।
এ সময় পুলিশ প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের রদবদল নিয়ে ইসির কাছে স্পষ্টীকরণ চান আইজিপি।
তিনি বলেন, এসপি বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বদলির বিষয়ে কমিশনের নির্দেশনা থাকে।
তবে কনস্টেবল বা সাব-ইন্সপেক্টরের মতো সর্বনিম্ন পদেও রদবদলের ক্ষেত্রে কমিশনের পূর্বানুমতি প্রয়োজন কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা প্রয়োজন।
আইজিপি বাহারুল আলম প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, পুলিশ তার সর্বশক্তি ও সর্বাত্মক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এবারের নির্বাচন সফল ও শান্তিপূর্ণ করতে বদ্ধপরিকর। দেশবাসী ও নির্বাচন কমিশন আমাদের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখতে পারেন।
আজ সকাল থেকে গণভোট ও নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং অফিসার ও মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সভায় উপস্থিত আছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আরো উপস্থিত আছেন নির্বাচন কমিশনার - আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
মন্তব্য করুন


বিনোদন ডেস্ক:
ভারতের ফিল্মফেয়ার ওটিটি অ্যাওয়ার্ডসের পঞ্চম আসরে গেল রবিবার অতিথি হয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন জামদানি শাড়ি পরে। তবে ধরনটি ছিল ভিন্ন। শাড়ি পরা সেই ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে জয়া জানান, এটি তৈরিতে সময় লেগেছে ৬ মাস।
জয়ার পরা জামদানির এমন উপস্থাপন অনেকের পছন্দ হলেও কেউবা আবার জড়িয়েছেন বিতর্কে। এ নিয়ে নেটদুনিয়ায় চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। কারো কথায়, জামদানির ১২টা বাজিয়েছেন জয়া! সেটাও কানে গেছে এই অভিনেত্রীর। তবে এসব সমালোচনা মোটেও গায়ে মাখছেন না বরং ভবিষ্যতে জামদানি নিয়ে আরও বেশি বেশি ফিউশন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন জয়া আহসান।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে দুই বাংলার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি দেখেছি অনেকে এটা নিয়ে কথা বলছেন। আমরা আমাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার যদি ফিউশন করে খেতে পারি, যেমন পিঠা বা মাছ তো আমরা ফিউশন করে খাই। তাহলে আমাদের দেশের কস্টিউম কেন ফিউশন করে পরতে পারব না? কেউ তো দাসখত দেয়নি যে, জামদানি এভাবে পরা যাবে না, ওভাবে পরা যাবে না। জামদানি যদি স্কার্ট হয়, জ্যাকেট হয়; তাহলে এভাবে পরলে সমস্যা কোথায়? আমরা যত ফিউশন করব তত বাইরের দেশের কাছে উপস্থাপন করতে পারব। এটার চাহিদা অনেক বেড়ে যাবে। এসব ভেবেই আমি জামদানির এই ফিউশন করেছি।’
জয়ার কথায়, ‘১ ডিসেম্বর আমি যখন মঞ্চের পেছনে বসেছিলাম, সবাই আমাকে দেখে প্রশংসা করেছে। “কাড়াক সিং”র সহকর্মীরা আলাদা আলাদা করে আমার হাত, চুল, গয়নার ছবি তুলছিল। এমনকি “হীরামান্ডি”র একজন অভিনেত্রীও পুরস্কার দেওয়ার জন্য অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। তিনিও বলেছিলেন, “তোমার জামদানিটা এত সুন্দর। আমি কি এটা একটু ছুঁয়ে দেখতে পারি?” উনি জামদানির টেকচার ছুঁয়ে দেখছিলেন। আমার কাঁথার জ্যাকেটটা ধরে দেখছিলেন। এসবই তো আসলে ভালোলাগার বিষয়।’
সবশেষে জয়া বলেন, ‘আমি মনে করি জামদানি, মসলিন এমনকি আমাদের গামছাকেও একবার ব্যবহার করে ঘরবন্দী করে না রেখে যত বেশি ফিউশন করে পরতে পারি, বিশ্বে ততই এর চাহিদা বাড়বে।’
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে বছরে ৬ হাজার কোটি টাকার এলএনজি (লিকুইফাইড ন্যাচারাল গ্যাস) আমদানি করা হয়। তিনি শনিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে ইকনোমিক রিপোটার্স ফোরামের (ইআরএফ) আয়োজিত “নবায়নযোগ্য শক্তিতে দ্রুত রূপান্তর: দেশীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, এলএনজি আমদানি আরও কতটা বাড়ানো যেতে পারে? আমাদের একটি বাধ্যবাধকতা রয়েছে যে, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে যেতে হবে। এটি ছাড়া আমাদের সামনে কোনো বিকল্প নেই। আমরা বলি যে, ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পাওয়া যাবে, কিন্তু বাস্তবে যদি এটি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে আমাদের অর্জন ২০ শতাংশেরও বেশি হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের এনার্জি সমস্যা মূলত প্রাইমারি এনার্জির সমস্যা। বিদ্যুৎ না থাকলে গ্রাহক বুঝতে পারে, কিন্তু একটি শিল্প কারখানা যখন গ্যাস পায় না, তখন তা চোখে পড়ে না। কিন্তু তার উৎপাদন কমে যাওয়া দেখা যায় না। বর্তমানে আমাদের দৈনিক ৪ হাজার এমএমসিএফডি গ্যাস প্রয়োজন। আমাদের দেশীয় উৎপাদন এবং আমদানি মিলিয়ে বর্তমানে ৩ হাজারের কাছাকাছি গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। এক হাজার এমএমসিএফডি গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে, যা ক্রমাগত বাড়ছে কারণ আমাদের উৎপাদন কমছে। আমরা নতুন কূপ খননের মাধ্যমে আরও গ্যাস পাওয়ার চেষ্টা করছি।
এছাড়া, উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া উন্মুক্ত করা হবে। এখন থেকে উপদেষ্টা বা সচিবকে চেনার প্রয়োজন নেই। যদি কারো দক্ষতা, আর্থিক সামর্থ্য ও অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে তিনি অফিসে বসেই ব্যবসা করতে পারবেন। কারো পরিচিতি প্রয়োজন হবে না। অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা মুক্ত করে জনগণের অধিকার জনগণকে ফেরত দেয়ার লক্ষ্য আমাদের।
আলোচনা সভায় ইকনোমিক রিপোটার্স ফোরামের সভাপতি মোহাম্মদ রেফায়েত উল্লাহ মৃধা, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম, সিপিডির রিচার্স ডিরেক্টর খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড পার্টিসিপেটরি রিচার্সের (সিইপিআর) চেয়ারপারসন গৌরঙ্গ নন্দীসহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকালে জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিত ৩০তম নিক্কেই ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এমন একটি অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, যা ন্যায়বিচার, সমতা, স্বাধীনতা এবং মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করবে। এর মাধ্যমে গণতন্ত্রে একটি শান্তিপূর্ণ ও কার্যকর রূপান্তর ঘটাবে। বর্তমান অস্থির বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জনগণের ক্ষমতায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃত্ব আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, অনেক চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্যদিয়ে ক্ষমতায় আসা এই সরকারের মূল লক্ষ্য দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ। এ সময়, রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণের কথাও তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছি। আমি বিশ্বাস করি, এশিয়ার দেশগুলো অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সমৃদ্ধির জন্য নতুন সুযোগ উন্মোচনের জন্য আরো ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ এবং অভিন্ন সমৃদ্ধির দিকে একটি স্পষ্ট পথ তৈরি করতে হবে।’
এ সময় লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সাতটি পরামর্শ উপস্থাপন করে তিনি।
এশিয়ার পারস্পরিক নির্ভরতাকে সহযোগিতায় রূপান্তরিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘এশিয়ার অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থার বৈচিত্র্যই এর শক্তি এবং পরীক্ষা।’
তিনি আরো বলেন, যুদ্ধের পেছনে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হচ্ছে, অথচ সেই অর্থের অভাবে কোটি মানুষ অনাহারে দিন কাটাচ্ছে কিংবা ন্যূনতম মৌলিক চাহিদাও মেটাতে পারছে না। মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধ ইতোমধ্যে এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে, আর সাম্প্রতিক ভূমিকম্প সেই সংকটকে আরও গভীর মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত করেছে।
এর আগে সম্মেলনে যোগ দিতে বুধবার (২৮ মে) স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৫ মিনিটে জাপান পৌঁছান অধ্যাপক ড. ইউনূস। জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী টোকিও বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান।
মন্তব্য করুন


জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, চলতি করবর্ষে জমা দেওয়া অনলাইন আয়কর রিটার্নের মধ্যে ৬৬ শতাংশই শূন্য রিটার্ন।
সোমবার (২৪ মার্চ) সকালে আগারগাঁওয়ের এনবিআর ভবনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে আয়োজিত প্রাক বাজেট আলোচনায় তিনি বলেন, ১৫ লাখ অনলাইন রিটার্নের ১০ লাখই সাড়ে ৩ লাখ টাকার নিচে। তার মানে আমরা সঠিক করদাতাদের ধরতে পারছি না।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা করা হয়। অর্থাৎ ১০ লাখ করদাতা তাদের আয়কর বিবরণীতে যে বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন তার বিপরীতে কোনো কর দিতে হয়নি।
আলোচনা সভায় ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সম্পর্ক রেখে ব্যক্তি করদাতাদের কর ছাড়ের সীমা সাড়ে তিন লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেন।
জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের সাড়ে তিন লাখ থেকে ৪ লাখ বা ৫ লাখ টাকায় নিয়ে আসা যৌক্তিক কথা। সমস্যা হলো- যেমন ধরেন এখন ডিজিটালি রিটার্ন সাবমিশন হওয়ায় সব তথ্যগুলো আমার হাতে চলে আসছে। আজকে দেখলাম ১৫ লাখ ১৫ হাজার হয়েছে। প্রতিদিন কিন্তু ২-৩ হাজার করে রিটার্ন পাচ্ছি এখন। আমাদের অনলাইন রিটার্ন এখনও চালু আছে। অনলাইন রিটার্ন বন্ধ নেই। আবার অনেকেই রিভাইজড রিটার্ন দিতে পারছেন অনলাইনে, এটা একটা বড় সুবিধা হয়েছে।
শূন্য আয়কর বিবরণী প্রসঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ১৫ লাখ রিটার্নের মধ্যে ১০ লাখ রিটার্নই জমা পড়েছে সাড়ে তিন লাখ টাকার নিচে। এরা এক টাকাও ট্যাক্স দেয়নি। টু থার্ড। পেপার রিটার্নের ক্ষেত্রেও একই চিত্র। মফস্বলে যান, চিত্র কিন্তু একই। এটি বাড়িয়ে চার লাখ করলে শূন্য রিটার্নের সংখ্যা আরও এক লাখ বেড়ে যাবে।
করদাতারা কর দিতে চায় না জানিয়ে তিনি বলেন, কোয়ালিটি ট্যাক্সপেয়ারের সংখ্যা খুবই কম। এখন যদি আমরা এই সিলিংটাকে একটু বাড়িয়ে দেই, আমরা আলোচনা করব, দেবো না এটা বলছি না। শুধু এতটুকু বলছি, আরও বড় একটা গ্রুপ যারা মিনিমাম কর দিতো, তারাও ওই যে জিরো ট্যাক্সে চলে যাবে। এইটা হলো অসুবিধা।
ইআরএফের দেওয়া প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে- বাজেটে মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণীর ওপর করের বোঝা কমাতে বাড়তি দেওয়া কর এমএফএসের মাধ্যমে ফেরতের ব্যবস্থা করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির ওপর করহার ৫ শতাংশে সীমিত রাখা, বেসরকারি প্রভিডেন্ট ফান্ডকে করমুক্ত করা, ব্যক্তিশ্রেণির করহার ৩০-৩৫ শতাংশ করা, ভ্যাটের হার ৭ শতাংশ করা, প্রত্যক্ষ করের দিকে জোর দেওয়া, বাজার মূল্যায়ন পদ্ধতির মাধ্যমে কর আদায় ইত্যাদি।
ব্যাংকে আমানতের ওপর আবগারি শুল্ক থাকায় অনেকে ব্যাংক টাকা রাখতে চাইছেন না উল্লেখ করে ইআরএফ সভাপতি বলেন, এরকম অবস্থায় ৫/১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জমার ওপর আবগারি শুল্ক প্রত্যাহার এবং মুনাফার ওপর কর কমানো যেতে পারে।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, করের হার বাড়বে না এটা যেমন সত্য, আবার হার বাড়বেও। যারা এতদিন রিডিউসড রেটে ট্যাক্স দিতো, তারা মোর অর লেস রেগুলার রেটে চলে যাবে। এটা আমাদের একটা সুপারিশ থাকবে। এটা হলে সবার জন্য ভালো হয়।বৈষম্যমুক্ত করতে চাইলে এটা আমাদের করতে হবে। কর্মকর্তাদের বলেছি, আরও সময় লাগুক। যেখানে কাজ করব, ছোট এরিয়া সবার কাছ থেকে নেব। পাশের কোনো দোকানদার বলবে না একজন দিচ্ছে, আরেকজন দিচ্ছে না। এ রকম যেন না হয়।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, বাংলাদেশে সবার অধিকার সমান। এই দেশে ধর্ম-বর্ণের কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। আমরা সবাই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে চলছি, ভবিষ্যতেও চলব।
আজ শনিবার বিকেলে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দেশে শত শত বছর ধরে হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান, পাহাড়ি-বাঙালি, উপজাতি—সবাই মিলে আমরা অত্যন্ত শান্তিতে সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হবে সম্প্রীতির এই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ আমরা সব সময় বজায় রাখব এবং একসঙ্গে সবাই শান্তিতে সুন্দরভাবে বসবাস করব। এখানে কোনো ধর্ম-জাতি, বর্ণ-গোত্রের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। এই দেশ সবার। সবাই আমরা এই দেশের নাগরিক। প্রতিটা অধিকার আমাদের; সবার সমান অধিকার এবং সেভাবেই আমাদের সামনের সোনালি দিনগুলো দেখতে চাই।
ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, এখানে নৌবাহিনীর প্রধান ও বিমানবাহিনীর প্রধান আছেন। সারা দেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন আছে। আমরা সবাই মিলে আপনাদের পাশে থাকব। এক হয়ে আপনাদের সঙ্গে কাজ করে যাব।
তিনি আরো বলেন, ‘ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ুক। এই আদর্শের ভিত্তিতে আমরা সুন্দরভাবে এ দেশে একসঙ্গে বসবাস করব।’
অনুষ্ঠানে বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান বলেন, ‘শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা শুধু অসত্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসই জোগায় না, ন্যায়ের পথেও চলতে শেখায়।
এই বাংলাদেশ আমাদের সবার। স্বাধীনতাকে রক্ষা করা আমাদের সবার পবিত্র দায়িত্ব। সবাই মিলে কাজ করলে বিশ্বের মানচিত্রে এই বাংলাদেশকে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারব, যোগ করেন বিমানবাহিনীর প্রধান।
নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, আসুন, পারস্পরিক সহনশীলতার মাধ্যমে দেশকে আরো শক্তিশালী করি। শ্রীকৃষ্ণ যেন সমাজে ন্যায় ও আলোর সত্য প্রজ্জ্বলিত করেন।
পরে প্রদীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে তিন বাহিনীর প্রধান জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পলাশীর মোড় থেকে শুরু হয় জন্মাষ্টমীর বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি রাজধানীর বাহাদুর শাহ পার্কে গিয়ে শেষ হবে।
মন্তব্য করুন