

কুমিল্লায়
১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ১ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
শনিবার
জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোঃ এনায়েত উল্লাহ, এএসআই মোহাম্মদ ফোরকান ও
সংগীয় ফোর্স সহ কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি
করা কালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন গাজীপুর
সাকিনস্থ শাহজালাল মাজারের উত্তরে সেন্টু মিয়ার বাড়ীর সামনে ঢালাই রাস্তার উপর পৌছিয়া
আসামী মাহে আলম এর ডান হাতে থাকা একটি প্লাষ্টিকের বস্তা তল্লাশী করে বস্তার ভিতরে
রক্ষিত খাকী স্কচটেপ দ্বারা মোড়ানো ৮টি পোটলা, প্রতি পোটলায় ০২ কেজি করে মোট ১৬ কেজি
গাঁজা পাওয়া যায়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: ১। মাহে আলম @ মায়া আলম @ মা আলম (৪৫), পিতা-
জুলফু মিয়া, মাতা-রাবেয়া বেগম, গ্রাম-ঢুলি পাড়া, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা,
বর্তমানে গ্রাম-গাজীপুর (বিবির বাজার মাজারের উত্তর পাশের বাড়ী), থানা-কোতয়ালী মডেল,
জেলাঃ কুমিল্লা।
এসআই(নিঃ)
মোঃ এনায়েত উল্লাহ বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করে। কোতয়ালী মডেল থানার
মামলা নং- ১১১, তারিখ- ৩০ জুলাই, ২০২৩; ধারা- ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের
৩৬(১) সারণির ১৯(গ) ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মনোহরগঞ্জ থানার দক্ষিণ বাতাবাড়ীয়া গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম হত্যার মামলায় দশ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড ও ৮ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন কুমিল্লার আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ বেগম মোসাম্মৎ মরিয়ম মুন মঞ্জুরী এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মনোহরগঞ্জ থানার বাতাবাড়িয়া গ্রামের মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন, মীর হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ ইউসুফ, মিশু, মোঃ রাজন, মানিক মিয়া, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মোঃ ইসমাইল হোসেন ও মোঃ রাশেদ।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, নোমান, সালা উদ্দিন, আবুল কাশেম, মোঃ শহীদ উল্লা মেম্বার, মোঃ সালেহ আহমদ, মোঃ স্বপন, মোহাম্মদ টিপু ও মোঃ সোহাগ।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের মে মাসের ১৩ তারিখ সকালে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ থানার বাতাবাড়ীয়া গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এর বাড়ীতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা ধারালো চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের পিঠে এলোপাতাড়ি কোপ দেয় এবং লোহার রড় দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। পরে জাহাঙ্গীর আলম কে আহত অবস্থায় জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো: আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে মনোহরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে।
মন্তব্য করুন


পেটের বিভিন্ন সমস্যা সারাতে থানকুনি পাতা কাজ করে। শুধু পেটের সমস্যা নয়; ডায়েরিয়া, কলেরা, টাইফয়েড এর মতো একাধিক রোগে কার্যকরী ভূমিকা রাখে থানকুনি পাতা। চলুন জেনে নেওয়া যাক থানকুনি পাতা খাওয়ার উপকারিতা-
মানসিক অবসাদ কমাবে
মানসিক অবসাদ একটা সময় পুরো জীবনযাপনে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। থানকুনি পাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানসিক অবসাদ কমে।
স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দারুণ কার্যকরী থানকুনি পাতা। এই শাক শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জোগান। সেইসাথে পেন্টাসাইক্লিক ট্রিটারপেন্স নামের একটি উপাদানের ঘাটতি কমাতেও কাজ করে। যে কারণে আমাদের মস্তিষ্কের কোষগুলো আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারে। স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়।
ত্বক ভালো রাখতে কাজ করে
ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে ত্বকে নানাভাবে প্রভাব পড়ে। তাই এ ধরনের সমস্যা থেকে বাঁচতে নিয়মিত থানকুনি পাতা খাওয়ার অভ্যাস করুন। এই পাতা ত্বকের জটিল রোগ সারাতে অনেক কার্যকরী। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও কাজ করে।
অনিদ্রা দূর করে
থানকুনি পাতায় থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান যা মানসিক চাপ কমাতে দারুণভাবে কাজ করে। সেইসাথে স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করে অনিদ্রার সমস্যা দূর করে এটি।
দুশ্চিন্তা দূর করে
থানকুনি পাতা দুশ্চিন্তা দূর করতে কাজ করে। নিয়মিত থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমে যায়। এই পাতা খেলে তা স্নায়ুর ওপর কাজ করে অ্যাংজাইটির সমস্যাকে প্রশমিত করে। ফলে দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যায়।
মন্তব্য করুন


৮৫
বছর বয়সে চলে গেলেন আর্জেন্টিনাকে ১৯৭৮ সালে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতানো
ক্যারিশম্যাটিক কোচ সেজার লুইস মেনোত্তি।
এক্স
হ্যান্ডেলে মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানিয়ে এএফএ লিখেছে, আর্জেন্টিনা
ফুটবল ফেডারেশন অত্যন্ত শোকের সঙ্গে বর্তমান জাতীয় দলের পরিচালক ও আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপজয়ী কোচ লুইস সিজার মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানাচ্ছে। বিদায় প্রিয় ফ্লাকো!
স্থানীয়
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে,
মেনোত্তিকে মার্চ মাসে গুরুতর রক্তাস্বল্পতা নিয়ে একটি
ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি এপ্রিল মাসে ফ্লেবিটিসের জন্য অস্ত্রোপচার
করেছিলেন এবং পরে দেশে ফিরে আসেন বলে জানা গেছে। আর্জেন্টিনার ফুটবলে তাকে সবচেয়ে
প্রভাবশালী কোচ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মেনোত্তি
একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং আর্জেন্টিনার কমিউনিস্ট পার্টির সহযোগী সদস্য হবার
পাশাপাশি বক্সিং অনুরাগী ছিলেন। তিনি রোজারিও সেন্ট্রাল (১৯৬০-৬৩ এবং ১৯৬৭) এর
একজন তরুণ খেলোয়াড় হিসাবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, তারপরে রেসিং
ক্লাব (১৯৬৪) এবং বোকা জুনিয়র্স (১৯৬৫-১৯৬৬)সহ একাধিক ক্লাবের হয়ে খেলেন।
মেনোত্তি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক জেনারেলদের হয়ে খেলেছেন (১৯৬৭), তারপরে ব্রাজিলের
সান্তোস (১৯৬৮) এবং ইতালির জুভেন্টাসের (১৯৬৯-১৯৭০) হয়েও তাকে খেলতে দেখা গেছে।
মেনোত্তি
১৯৭৪ থেকে ১৯৮৩ সালের মধ্যে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। বিশ্বকাপের
প্রাক্কালে, মেনোত্তি
১৭ বছর বয়সী ম্যারাডোনাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দিয়েছিলেন-যে সিদ্ধান্তের জন্য
উভয়ের মধ্যে সম্পর্কের বেশ অবনতি নয়। পরবর্তীতে মেনোত্তি ১৯৯১-৯২ সালে মেক্সিকো
জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। তিনি বার্সেলোনাকেও নেতৃত্ব দেন, যেখানে তার
স্কোয়াডে ম্যারাডোনা ছিলেন। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, উরুগুয়ের পেনারোল,
ইতালির সাম্পডোরিয়া এবং মেক্সিকোর টেকোসে ছিল তার শেষ কোচিং জীবন। মেনোত্তি
সিগারেটে আসক্ত ছিলেন। কিন্তু ২০১১ সালে তার তামাক আসক্তির কারণে তিন দিনের জন্য
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে তিনি এই অভ্যাস ছেড়ে দেন।
মেনোত্তি একজায়গায় রসিকতা করে বলেছিলেন, আমাকে না
হারানো পর্যন্ত আমি আমার চুল কাটব না। মেনোত্তির হাত ধরেই সহিংসতাপূর্ণ খেলার
কুখ্যাতি থেকে সরে এসে রোমান্টিক ধাঁচের ফুটবল খেলে সমর্থকদের মন জিতেছে
আর্জেন্টিনা।
মেনোত্তির
মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের
অধিনায়ক লিওনেল মেসি লিখেছেন,
আর্জেন্টিনার ফুটবলের অন্যতম গ্রেট আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার পরিবার এবং
প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা। শান্তিতে ঘুমান।
মন্তব্য করুন


ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানী ঢাকাকে নিরাপদ করার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদা তৎপর। পুলিশ দিনরাত কাজ করছে। প্রত্যেক পেট্রল পাম্পে রাতে একবার হলেও পুলিশ খোঁজ নিচ্ছে। অবরোধ চলাকালে পুলিশের কর্মকাণ্ড কিন্তু দৃশ্যমান। পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশ কাজ করছে। আমাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম ও অব্যাহত আছে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, কীভাবে নিরাপদে আমরা সামনের দিনগুলোতে চলতে পারি, এটাই এখন আমাদের মূল উদ্দেশ্য। একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি চলছে। আপনারা জানেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকবে, এটিই স্বাভাবিক। সবাইকে এটি মেনে নিতে হবে। কারণ আমরা একেকজন একেক দল পছন্দ করি।
দেশের বিভিন্ন স্থানে যারা গাড়িতে আগুন দিচ্ছে,পেট্রল বোমা মারছে, সহিংসতা-নাশকতা করছে তাদের অনেককে আমরা হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছি, অনেককে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিয়েছেন বললেন ডিএমপি কমিশনার ।
তিনি আরও বললেন নাশকতাকারীদের ধরিয়ে দিলে ২০ হাজার নগদ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রতিরোধ গড়তে হবে, এ ধরনের ঘটনা যাতে তারা না ঘটাতে পারে, বলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


মেট্রোরেল নির্বাচনের দিনেও যথা নিয়মে চলবে বলে জানিয়েছেন মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল)।
শনিবার(৬ জানুয়ারি) সকালে ডিএমটিসিএল জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) মোহাম্মদ ইফতিখার হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মোহাম্মদ ইফতিখার হোসেন বলেন, আমরা এই বিষয়ে কোনো ঘোষণা দিইনি। যেহেতু দিইনি, সেহেতু মেট্রোরেল চলবে। যদি না চলতো, তহালে আমরা নোটিশ দিতাম, ঘোষণা দিতাম। শুক্রবার মেট্রোরেলের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ছাড়া প্রতিদিন নিময় অনুযায়ী মেট্রোরেল সাভাবিক ভাবে চলাচল করবে।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার ৩১ আগস্ট সকাল নয়টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীবাহী শ্যামলী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ১ কেজি ১শ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে বিজিবি।
এই হেরোইন উদ্ধার করা হয় ভাটিয়ারী বিএমএ গেইট এলাকায় ঝিনাইদহ থেকে আসা বাস থেকে।
বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, হেরোইন জব্দ করা হয়েছে ষষ্ঠবারের মত। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বারবার হেরোইন উদ্ধারের ঘটনায় যাত্রীরা আতঙ্কিত।
হেরোইন বাইরে পাচার হচ্ছে চট্টগ্রামকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে।
বিজিবি চট্টগ্রাম আট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল শাহেদ মিনহাজ ছিদ্দিকী জানান, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা থেকে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে হেরোইন নিয়ে আসার গোপন সংবাদের সূত্র ধরে ভাটিয়ারী বিএমএ গেইট এলাকায় থামানো হয় যাত্রীবাহী বাসটি। পরে বাসে তল্লাশি চালিয়ে একটি কালো ব্যাগ থেকে ১ প্যাকেট হেরোইন পাওয়া যায়। যার ওজন ১ কেজি ১শ গ্রাম। ২২ লাখ টাকা এই হেরোইনের বাজারমূল্য। পাওয়া যায়নি জব্দ হেরোইনের মালিককে।
মন্তব্য করুন


দেশের ছয়টি বিভাগে বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয় আধিদপ্তর। আর সেই সঙ্গে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত।
শনিবার (৪ মে) আবহাওয়া অফিস এমন পূর্বাভাস দিয়েছে ।
আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
রোববার (৫ মে) সকাল পর্যন্ত সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, সেই সাথে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পাবনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও বাগেরহাট জেলা সমূহের উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চাঁদপুর ও মৌলভীবাজার জেলাসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও বরিশাল বিভাগ এবং খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার সকাল থেকে সোমবার (৬ মে) সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
দেশের পশিচমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে বিরাজমান তাপ প্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সে. হ্রাস পেতে পারে।
সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার (৭ মে) সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং সেই সাথে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।
মন্তব্য করুন


১৮ আগস্ট শুক্রবার সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লা পুলিশলাইন শিব মন্দিরেও বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় আনন্দঘন পরিবেশে শ্রী শ্রী মনসাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশনেন সনাতন ধর্মালম্বী প্রায় সহস্রাধিক পুর্ণ্যাথী।
জানা যায়, ভাদ্রমাসের কৃষ্ণাপঞ্চমী তিথিতেও মনসাপূজার বিধান আছে । বর্তমানে সর্বজনীনভাবে মনসাদেবীর মন্দিরে মনসাপূজা করা হয়। আবার পারিবারিক পর্যায়ে পারিবারিক মন্দিরেও মনসাদেবীর পূজা হয়। প্রধানত সর্পদংশনের হাত থেকে রক্ষা পেতে বা সর্পদংশনের প্রতিকার পেতে মনসার পূজা করা হয়।
এদিকে, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার আইটি সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার বলেন, শ্রী মনসা সর্পের দেবী। দেবাদিদেব শিবের কন্যা। স্বর্গের দেবতারা মনসাকে দেবতা হিসেবে মানতে রাজি ছিলেন না। অবশেষে সকল দেবতা বলেন চম্পক নগরের চাঁদ সওদাগর যদি মনসাকে পূজা করেন তবে তিনি দেবতা হিসেবে স্বর্গে পরিচিত লাভ করবেন। দেবী মনসা তখন চম্পক নগরে গিয়ে চাঁদ সওদাগরকে তার পূজা করতে বলনে। চাঁদ সওদাগর ছিলেন শিবের একনিষ্ঠ ভক্ত।
তিনি মনসাকে জানিয়ে দেন যে হাতে আমি তোমার পিতার পূজা করি সেহাতে তোমার পূজা করতে পারবো না। মনসা তাকে অনুরোধ করলেন কিন্তু চাঁদ সওদাগর তার কথা শুনলেন না বরংতার উপর ক্ষিপ্ত হলেন। এ ঘটনায় চাঁদ সওদাগর মা মনসার কোপে পড়েন সপ্ততরী ও ছয় সন্তানকে সাগরে তলিয়ে দেন। এতে তিনি নিজে প্রাণে রক্ষা পেলেও ৬ পুত্রের মৃত্যু হয়। অনেকদিন পর চাঁদ সওদাগর চম্পক নগরে ফিরে এসে দেখেন লক্ষিন্দর নামে তাঁর আরেক পুত্রের জন্ম হয়েছে।
উপযুক্ত বয়সে বেহুলার সঙ্গে লক্ষিন্দরের বিবাহ দিলেন। বাসর রাতেই লক্ষিন্দরকে কাল সাপে দংশন করে। সতী বেহুলা অযুতযোজন পথ বেলায় ভাসিয়ে স্বর্গে গিয়ে দেবতাদের তুষ্ট করেন। শিব মনসাকে স্বর্গে ডেকে নিয়ে বেহুলার স্বামীর প্রাণ ফিরিয়ে দিতে আদেশ দেন। এবারো বেকে বসেন দেবী মনসা। তিনি চাঁদ সওদাগরের পূজা পেতে বেহুলাকে শর্ত দেন।
বেহুলা মনসাকে কথা দেন, তাঁর স্বামীর জীবন ফিরিয়ে দিলে তিনি তার শ্বশুরকে দিয়ে মনসার পূজা দেবেন। মা মনসা চাঁদ সওদাগর এর ৭ পুত্রের জীবন ফিরিয়ে দেন। অবশেষে বেহুলা চম্পনগরে এসে তার শ্বশুর চাঁদ সওদাগরকে মা মনসার পূজা করতে বলেন। চাঁদ সওদাগর তখন তার বাম হাত দ্বারা মা মনসার চরণে ফুল নিবেদন করেন। কথিত আছে সেই থেকে মা মনসা দেবীর পূজা আরম্ভ হয়েছে প্রতি বছর ঘরে ঘরে।
মন্তব্য করুন


সাইদ জুবায়ের রাসেল, দাউদকান্দি, কুমিল্লা:
সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট (সিসিডিএ) এর সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি) এর আওতায় ‘কুমিল্লা জেলার প্লাবনভূমি অঞ্চলে মৎস্য চাষ কেন্দ্রিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন শীর্ষক উপ প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত কর্মশালায় সিসিডিএ’র সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ আমির হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কুমিল্লা জনাব মোঃ বেলাল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের সহ:পরিচালক মোঃ ওমর ফারুক, সহকারি পরিচালক অশোক কুমার দাস, জাতীয় পদক প্রাপ্ত পরিবেশ সমাজ ও কৃষি উন্নয়ন সংগঠক অধ্যাপক মতিন সৈকত, সিসিডিএ’র এলাকা কর্মকর্তা লোকমান হোসেন প্রমুখ।
ডকুমেন্টেশন
কর্মকর্তা মোঃ নূরুন্নবী রাসেলের সঞ্চালনায় উক্ত কর্মশালায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম
সম্পর্কে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থিত সবাইকে অবগত করেন এসইপি প্রকল্প ব্যবস্থাপক
মাসুদ আলম।
সমাপণী কর্মশালায়
৮ জন মৎস্যচাষীদের মাছচাষে পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন টেকসই উত্তম চর্চা অনুশীলন করায় বিশেষ
সম্মাননা প্রদান করা হয়।
কর্মশালায় আরো
উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলার সকল উপজেলার সিনিয়র ও মৎস্য কর্মকর্তা, খামার ব্যবস্থাপক,
এসইপি ও সিসিডিএ’র কর্মকর্তা, কর্মএলাকার মৎস্য ও এই খাতের উদ্যোক্তাসহ স্থানীয় বিভিন্ন
গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ।
উল্লেখ্য থাকে
যে, ২০২০ সালের অক্টোবর মাস থেকে ৩ বছর মেয়াদি এসইপি প্রকল্পের আওতায় ‘কুমিল্লা জেলার
প্লাবনভূমি অঞ্চলে টেকসই মৎস্যচাষ কেন্দ্রিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ শীর্ষক উপ-প্রকল্পটি
কুমিল্লা জেলার ৪টি উপজেলায় (দাউদকান্দি, মুরাদনগর, চান্দিনা ও তিতাস) বাস্তবায়ন করেছে
সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট এসিসটেন্স (সিসিডিএ)। এতে পরিবেশ সম্মত মৎস্যচাষে
বিভিন্ন
প্রশিক্ষণ,
আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে প্রদর্শণী প্রদান, ও আর্থিক সহযোগীতামূলক নানা কার্যক্রম
বাস্তবায়ন করেছে সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রকল্প। এতে আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা দিচ্ছে
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও দাতা সংস্থা বিশ্ব ব্যাংক।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশি যুবকের প্রেমের টানে সুদূর ল্যাটিন আমেরিকার দেশ পেরু থেকে নোয়াখালীতে এসেছেন আনা কেলি কারাঞ্জা সাওসিডো নামে এক তরুণী। এমনকি ভালোবাসার মানুষ আরমান বিয়েও করেছেন তিনি।
মো. আরমান হোসেন নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ঘাটলাবাগ এলাকার বারাই বাড়ির নুর আলমের ছেলে। বৃহস্পতিবার কারাঞ্জা সাওসিডোরকে চাটখিলে নিয়ে আসেন আরমান। ভিনদেশি এই নববধূকে দেখতে আরমানের বাড়িতে ভিড় করছে আশপাশের মানুষ।
জানা যায়, ২০১৭ সালে ফেসবুকে আরমানের সঙ্গে পরিচয় হয় পেরুর তরুণী কারাঞ্জা সাওসিডোর। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব গড়ায় ভালোবাসার সম্পর্কে। ৬ বছরের ভালোবাসা পূর্ণ হয় বিয়ের মাধ্যমে। গত ২ জুলাই পেরু থেকে বাংলাদেশে আসেন কারাঞ্জা সাওসিডোর। ঢাকায় বিমানবন্দরে তাকে রিসিভ করেন আরমান। ঐদিনই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দুজন। কিছুদিন ঢাকায় থাকার পর বৃহস্পতিবার কারাঞ্জা সাওসিডোরকে চাটখিলে নিয়ে যান আরমান। বর্তমানে তারা নিজ বাড়িতেই বসবাস করছেন। ভিনদেশি পুত্রবধূ পেয়ে খুশি আরমানের পরিবারও।
আরমান হোসেন বলেন, আনা কেলি কারাঞ্জা সাওসিডোর সঙ্গে আমার মোবাইলে পরিচয় এবং বন্ধুত্ব হয়। ৬ বছর আমাদের মোবাইলেই কথা হয়েছে। তাকে কখনো সরাসরি দেখার সুযোগ হয়নি। দুজনে মিলে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেই। সে অনুযায়ী কারাঞ্জা সাওসিডো বাংলাদেশে এলে আমরা বিয়ে করি। নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।
কারাঞ্জা সাওসিডোর ইংরেজিতে বলেন, আমাদের ভালবাসার সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে আমি নিজ ইচ্ছায় আরমানের কাছে ছুটে এসেছি। সবার কাছে দোয়া চাই, আমরা যেন সুখী হতে পারি।
মন্তব্য করুন