

পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
৮ নভেম্বর বুধবার কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের বাঁশকাইট গ্রামের আলম মেম্বারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। পানিতে নেমে খোঁজাখুঁজি করে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে এলাকাবাসী।
মৃত শিশুরা হলো, আলম মেম্বারের বাড়ির সালাম মিয়ার মেয়ে আমেনা খাতুন (১২) ও সামিয়া আক্তার (৬),কাউছার মিয়ার মেয়ে শিশু সাদিয়া আক্তার (৭)।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়েছে। গোসল করতে নেমে তারা মারা যায়। মৃত শিশুদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভাষাসৈনিক ও বীরমুক্তিযোদ্ধা সমাজসেবক মোঃ তাজুল ইসলাম শিকারপুরি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। পরিবারসূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার কুমিল্লার লালমাই উপজেলার হাজতখোলা এলাকার শিকারপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে তিনি হঠাৎ অসুস্থ অনুভব করেন এবং রাত ১২টার দিকে হার্টঅ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বয়স ৯০ উর্ধ্ব। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, আট ছেলে ও তিন মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী-শুভাকাঙ্খী রেখে গেছেন।
মরহুমের ছেলে কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক এডভাইজার এবং রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোঃ জামাল নাছের জানান, ভাষা সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তাজুল ইসলাম শিকারপুরি হাজতখোলা উচ্চ বিদ্যালয় এবং শিকারপুর সেকান্দর আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। তাছাড়া লালমাই কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
এলাকাবাসী জানান, শিক্ষা বিস্তারে মরহুম তাজুল ইসলাম ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। এলাকার অসহায় মানুষের জন্য তাঁর দানের হাত সবসময় প্রসারিত ছিলো। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে রণাঙ্গনের বীর সেনা ছিলেন। কুমিল্লা নগরীর ভাষা চত্বর শহীদ মিনারে মোঃ তাজুল ইসলাম শিকারপুরির নাম রয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোক বিরাজ করছে।
পরিবার সূত্র আরো জানায়, আজ বিকাল তিনটায় হাজতখোলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের প্রথম জানাযা এবং বিকেল পাঁচটায় শিকারপুর সেকান্দর আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
কয়েদি থেকে কারামুক্ত এক কর্মজীবী নারীতে পরিণত হয়েছেন মোসা: পারভীন আক্তার। হত্যা
মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে ২০০২ সালের ১৯ আগস্ট কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ
করেছিলেন কয়েদি নম্বর ৩৮০২/এ, পারভীন আক্তার। পরে উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে তার সাজা
কমে গিয়ে হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর পর, প্রশিক্ষণ ও কঠোর পরিশ্রমে
অর্জিত ৫৭ হাজার টাকা সঞ্চয় নিয়ে আজ তিনি মুক্ত হলেন।
কারা
বিভাগ "রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ" এই শ্লোগানে বন্দিদের দক্ষতা উন্নয়নে
নানা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায়, কারাগারে অবস্থানকালে পারভীন আক্তার নেন
নকশীকাঁথা সেলাই ও সুঁই-সুতার কাজের প্রশিক্ষণ। তার হাতে তৈরি কারাপণ্য বিক্রি হয় বাণিজ্য
মেলা ও কারাগারের শো-রুমে। বিক্রয়লব্ধ অর্থের ৫০ শতাংশই পারিশ্রমিক হিসেবে বন্দিদের
হাতে তুলে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।
সেই
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আয় থেকেই পারভীন আক্তার নিজের প্রিজনার ক্যাশ একাউন্টে জমা করেন ৫৭
হাজার টাকা। যা তিনি আজ মুক্তির দিন নিজের হাতে পেয়েছেন। প্রশিক্ষণ ও সঞ্চয়ের এই ফল
পেয়ে আবেগাপ্লুত পারভীন জানান, "কারা কর্তৃপক্ষ শুধু শাস্তিই দেয়নি, জীবনের নতুন
আলো দেখিয়েছে। আমি চিরকৃতজ্ঞ।"
বাংলাদেশ
জেলের এই মানবিক ও পুনর্বাসনমূলক দৃষ্টান্ত সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে।
পারভীন আক্তারের জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়— সংশোধনের সুযোগ থাকলে, প্রত্যেক মানুষই
পরিবর্তনের পথে ফিরতে পারেন।
মন্তব্য করুন


জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর
নির্দেশনায় কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে আজ সকালে কুমিল্লা নগরীর ঝাউতলা
ও পুলিশ লাইন এলাকার ফার্মেসীগুলোতে বিশেষ তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এ সময় ডেঙ্গু রোগীর অন্যতম পথ্য নরমাল স্যালাইন লুকিয়ে রেখে কৃত্রিম সঙ্কট
সৃষ্টি ও অতিরিক্ত দামে তা ভোক্তা সাধারণের কাছে বিক্রি, মেয়াদ উত্তীর্ণ ও ফিজিশিয়ান
স্যাম্পল বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রদর্শনসহ ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা কর্মকাণ্ডের
অভিযোগে ৫ টি প্রতিষ্ঠানকে ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং লুকিয়ে রাখা স্যালাইন
জব্দ করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। জাতীয়
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে
পরিচালিত এ তদারকি অভিযানে জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক
সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫২ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
আজ
(৬ জানুয়ারী) রাতে কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) শেখ মফিজুর রহমান ও সঙ্গীয়
ফোর্স সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৪নং আমরাতলীর
বাসমঙ্গল চৌমুনী পাকা রাস্তায় ৫২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রাফিন ফার রহমান প্রঃ
মাটি(২৫) কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: মোঃ রাফিন ফার রহমান প্রঃ মাটি(২৫), পিতা মৃত-শাকিল আহম্মেদ প্রঃ নিজাম
উদ্দিন, মাতা-মরিয়ম বেগম প্রঃ মারিয়া আক্তার, সাং-কুচাইতলী (মধ্যপাড়া, লিটন মেম্বারের
বাড়ী সংলগ্ন), থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা কর্তৃক ১২ কেজি গাঁজা সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই (নিরস্ত্র)/ অরুন কুমার চাকমা এবং সঙ্গীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতয়ালী মডেল থানাধীন চকবাজার কাশারীপট্রি চৌরাস্তার রঘুপুরের মিষ্টি ঘরের সামনে রাস্তার উপর তল্লাশি করে ১২ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী ১. মোঃ আরিফ (৩৮), পিতা-মোঃ হারুন মিয়া, স্থায়ী: (বাউবন মুহুরী বাড়ী, ২৬ নং ওয়ার্ড) , উপজেলা/থানা- কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, জেলা –কুমিল্লা। ২. শরীফ(৩০), পিতা-রমজান আলী, স্থায়ী: গ্রাম- কাশারিপট্টি (জনের ভাগিনা, ১৫নং ওয়ার্ড) , উপজেলা/থানা- কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা –কুমিল্লা কে গ্রেফতার করা হয়।
এ সংক্রান্তের উক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার, এফআইআর নং-২০, তারিখ-০৭ নভেম্বর, ২০২৩; ধারা- ৩৬(১) সারণির ১৯(খ); তে মামলা অজু করা হয়েছে। এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
হাসনাত আবদুল্লাহর প্রতি হুমকি ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কুমিল্লা দেবীদ্বারে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের আহত, শহীদ পরিবার ও ছাত্র-জনতা।
মঙ্গলবার (২০শে মে) দুপুরে দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দিন পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পরে দেবীদ্বার পৌর মার্কেট গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা হাসনাত আবদুল্লাহর কে হত্যার হুমকির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং আওয়ামীলীগ দোসরদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ সময় বক্তারা বলেন, গতকাল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে হাসনাত আব্দুল্লাহ ভাইকে নিয়ে এই ধরনের কথা বলায় আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না হাসানাত আব্দুল্লাহ কে ছিলেন, আজকে তারা স্বাধীনভাবে প্রেস ক্লাবে কথা বলতেছে কার জন্য।
তারা আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে তারা ১৭ সেকেন্ডের জন্য তাদের স্থান প্রেস ক্লাবে হয় নাই। কিন্তু আজকে তারা স্বাধীনভাবে সবকিছু করতেছে এসব বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলপ্রসু। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না যে জাতি বিপ্লবীদের অমর্যাদা করে সে জাতি ভবিষ্যৎ অন্ধকার। তাদেরকে অনুরোধ করবো আপনারা আপনাদের সম্মান রক্ষা করুন।
মন্তব্য করুন


৬৪ জেলার ১২০০+ বাইকারের অংশগ্রহনে কুমিল্লার লালমাই স্কাউট গ্রাউন্ডে শেষ হলো, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাইকার্স মেগা ক্যাম্পিং ফেষ্ট।
৪ দিন ব্যাপী এই আয়োজনে অংশগ্রহনকারি সারা দেশের বাইকারগন।
ট্র্যাক টেইল, স্লো রেইস সহ বিভিন্ন খেলার আয়োজন ছিল।
এছাড়া ছিলো হিরু, বাইক বিডি, এপোলো টায়ার, ওয়েদার, কোডস, সহ অনেক নামি-দামি কোম্পানির স্টল ।
ফিউরিয়াস মটো ক্লাব কুমিল্লা কর্তৃক আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিরু বাংলাদেশের জেনারেল মেনেজার ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় চোরকে চিনে ফেলায় রাশেদা বেগম(৬৫) নামে এক বৃদ্ধাকে নিজ ঘরে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারের পর হত্যার দায় স্বীকার করে এমন তথ্য জানিয়েছেন মোঃ নাদিম(১৯)।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে আসামি নাদিমকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া নাদিমের দেওয়া তথ্যমতে, উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি দোকান থেকে স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল উদ্ধার করেছেন দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃত নাদিম দাউদকান্দি পৌরসভার নুরপুর গ্রামের নুর আলমের ছেলে।
পুলিশ জানায়, সোমবার (১জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে দাউদকান্দি পৌরসভার নুরপুর গ্রামের মৃত আলী আশাদ মিয়ার স্ত্রী রাশেদা বেগম নিজ বাড়িতে খুন হন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থলে পাওয়া জুতার সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।
ঘটনার চার ঘন্টার মধ্যে হত্যাকারী নাদিমকে জড়িত সন্দেহে আটক করা হয়। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেন নাদিম৷ তার দেওয়া তথ্য মতে উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি স্বর্ণের দোকান থেকে লুন্ঠিত স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়, নিহত রাশেদা বেগমের দুই ছেলে ও চার মেয়ে। বড় ছেলে প্রবাসে আর ছোট ছেলে দেশেই থাকেন। ঘটনার সময় বাড়িতে একাই ছিলেন রাশেদা বেগম। নাদিমের ধারণা নিহত রাশেদা বেগমের বাড়িতে অনেক টাকা পয়সা থাকবে। তাই তিনি রাশেদা বেগমের বাড়িতে যান। পরে তার কানের দুল গলার চেইন ছিনিয়ে নেন। তখন নিহত রাশেদা বেগম তাকে চিনে ফেলেন। পরে নাদিম গলা টিপে বৃদ্ধা রাশেদাকে হত্যা করেন শরীরে থাকা স্বর্ণের কানের দুল ও গলার চেইনটি নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান। কিন্তু যাওয়ার সময় পায়ের জুতা ফেলে যান নাদিম। সেই জুতার সূত্র ধরেই তাকে আটক করা হয়।
দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় এবং সহকারী পুলিশ সুপার (দাউদকান্দি সার্কেল) এনায়েত কবির সোয়েব স্যারের দিকনির্দেশনায় ঘটনার ৪ ঘন্টার মধ্যে হত্যাকারীকে সনাক্ত করে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্য মতে বৃদ্ধা রাশেদা বেগমের শরীর থেকে লুন্ঠিত স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল উদ্ধার করা হয়েছে। এঘটনায় নিহত রাশেদা বেগমের ছোট ছেলে সাহাব উদ্দিন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩৪ বোতল বিদেশী মদসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৬ ফেব্রুয়ারী রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন লালবাগ চৌমুহনী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোঃ সজীব হোসেন (১৯) নামক ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় ৩৪ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সজীব হোসেন (১৯) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানার লালবাগ গ্রামের মোঃ ফিরোজ মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য বিদেশী মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৫ কেজি গাঁজা’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারী) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শাহাদাৎ হোসেন (৩১) ও ২। মোঃ রুবেল (৩০) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ শাহাদাৎ হোসেন (৩১) চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মৃত নূরুল হক কারী এর ছেলে এবং ২। মোঃ রুবেল (৩০) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার লক্ষীপুর গ্রামের মোঃ সাত্তার এর ছেলে।
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন