

কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শ্রীপুর এলাকা
হতে ৪২ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত
টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ইং রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শ্রীপুর এলাকায়
বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৪২ কেজি গাঁজা’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন ফুলতলী গ্রামের মৃত নুরুল
ইসলাম এর ছেলে মোঃ আমিরুল ইসলাম (৩৫), একই গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীন এর ছেলে মোঃ হোসেন
(১৯)। এসময় অবৈধ মাদকদ্রব্য পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক
অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা পরস্পর যোগসাজসে
জব্দকৃত সিএনজি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ
বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত
বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
১১
সেপ্টেম্বর রাতে চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খাঁন সঙ্গীয়
অফিসার ফোর্সসহ থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ৩নং কালিকাপুর ইউপিস্থ দূর্গাপুর সাকিনে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের
ঢাকামুখী লেনের সততা হোটেলের উত্তর পাশে লালারপুলগামী রাস্তার মাথায় পাকা রাস্তার
উপর হতে পলাতক আসামী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ও মোঃ জাফর এর ফেলে যাওয়া ২টি প্লাষ্টিকের
বস্তার ভিতর হতে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন। পলাতক আসামীরা হলো: ১। মোঃ সাখাওয়াত হোসেন
(২৮), পিতা-মতিন মিয়া, সাং-কালিকাপুর (লাইনম্যান কাশেমের বাড়ি), ০২। মোঃ জাফর (৩০),
পিতা-রফিক মিয়া, সাং-কালিকাপুর (ফটিক মোল্লার বাড়ি), পোঃ ছুপুয়া বাজার, উভয় থানা-চৌদ্দগ্রাম,
জেলা- কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-২০, তারিখ-১২/০৯/২০২৩,
ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১৯(খ)/৪১ রুজু করা হয়।
উল্লেখ্য,
১নং আসামী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর বিরুদ্ধে পূর্বের ১টি মাদক মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট ২০২৩-২৪ কুমিল্লা ভেন্যুর খেলা শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার ( ৬ ফেব্রুয়ারি ) সকাল সাড়ে ৯টায় বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি ক্রীড়াই হচ্ছে একমাত্র মাধ্যম যা এ প্রজন্মের শিশু কিশোর, তরুন তরুনীদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে সুস্থ্য রাখতে পারে।
তিনি স্কুল ক্রিকেটের সফলতা কামনা করেন এবং এখান থেকে অংশ নিয়ে কুমিল্লার ছেলেরা জাতীয় পর্যায়ে ভূমিকা রাখবে এ প্রত্যাশা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক পঙ্কজ বড়ুয়া।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন।তিনি স্কুল ক্রিকেটে কুমিল্লার শক্ত অবস্থানের বিষয়ে তুলে ধরেন।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় প্রথমে ব্যাট করে কুমিল্লা মর্ডান স্কুল ৪০ ওভারে ১৬৯ রান করে। জবাবে ইবনে তাহমিয়া স্কুল ৩৪.৩ ওভারে ১২৮ রানে অলআউট হয়।
এবারের স্কুল ক্রিকেটের আসরে কুমিল্লার ৮টি স্কুল অংশ নিচ্ছে। ক ও খ দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে ৮টি স্কুল দল। ক- গ্রুপে রয়েছে কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল, এ্যাথনিকা স্কুল এন্ড কলেজ, ইবনে তাইমিয়া স্কুল এন্ড কলেজ ও কুমিল্লা ইউসুফ হাই স্কুল। খ- গ্রুপে রয়েছে কুমিল্লা হাই স্কুল, কুমিল্লা জিলা স্কুল, কুমিল্লা পুলিশ লাইন স্কুল ও কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এর ব্যবস্থাপনায় ও কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে স্কুল ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট হচ্ছে।
স্কুল ক্রিকেট প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারন সম্পাদক খায়রুল আলম সোহাগ, প্রাইম ব্যাংক কুমিল্লা শাখা ভিপি মোঃ মাহবুব মোর্শেদ, যুগ্ম সম্পাদক বাদল খন্দকার, কোষাদক্ষ আল আমিন ভূইয়া, সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির, অংশগ্রহণকারী স্কুলগুলোর ক্রীড়া শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সোমবার (০২ অক্টোবর) দুপুরবেলা কুমিল্লা জেলা
আইনজীবী সমিতি ভবনের দ্বিতীয় তলায় ৭নং হল রুমে জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে হিন্দু
সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৯তম আবির্ভাব তিথি
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ আহছান উল্লাহ খন্দকার এর সভাপতিত্বে এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আবু তাহের ও ট্রেজারার এডভোকেট নবেন্দু বিকাশ সর্বাধিকারী দোলন এর যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ হেলাল উদ্দিন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিজ্ঞ চান্দিনা সিনিয়র সহকারী জজ ধ্রুব জ্যোতি পাল এবং প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন- নজরুল গবেষক ও কুমিল্লা বিবেকানন্দ শিক্ষা সংস্কৃতি পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি অধ্যাপক শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট মোঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ পিন্টু ও সাবেক সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ ইসমাইল, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার আহবায়ক ও লাকসাম উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট মোঃ ইউনুছ ভূঁইয়া, সাবেক জেলা পিপি ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার সদস্য সচিব এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, বিজ্ঞ জেলা জিপি এডভোকেট তপন বিহারী নাগ, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ সৈয়দ নুরুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক সিনিয়র এডভোকেট মোঃ গোলাম ফারুক, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ মাহবুবুর রহমান, এডভোকেট দীলিপ কুমার চন্দ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-০১ এর স্পেশাল পিপি ও আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা ইউনিট এর সভাপতি এডভোকেট প্রদীপ কুমার দত্ত ও সিনিয়র এডভোকেট চন্দন কুমার দেব প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পবিত্র গীতা পাঠ করেন, আন্তর্জাতিক
কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) কুমিল্লার প্রধান উপদেষ্টা শ্রীপাদ সদাশিব সিংহ দাস ব্রহ্মচারী
এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, জেলা আইনজীবী সমিতির রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি এডভোকেট
মোঃ কাজী আবদুল কাইয়ুম মিন্টু। এ ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিজ্ঞ বরুড়া
সিনিয়র সহকারী জজ রাজীব কুমার দেব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ তাপস কুমার বকসী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি ট্রাস্টি নির্মল পাল, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক অচিন্ত্য দাশ টিটু, জাতীয় হিন্দু মহাজোট কুমিল্লা জেলা শাখার উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য তাপস কুমার নাহা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার আইসিটি সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার, বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা ইউনিট এর সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সুবীর নন্দী বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট কৌশিক চন্দ্র সরকার ও কোষাধ্যক্ষ এডভোকেট সজল চন্দ্র পাল এবং আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), কুমিল্লা জগন্নাথপুর মন্দির পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি শ্রীপাদ পীতাম্বর দাস ব্রহ্মচারী (পিন্টু প্রভু) ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রীপাদ যুধিষ্ঠি দাস ব্রহ্মচারীসহ কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির প্রায় তিন শতাধিক আইনজীবী।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী
তিথিতে যখন রোহিণী নক্ষত্রের প্রাধান্য হয়, তখন জন্মাষ্টমী উদযাপিত হয়। কৃষ্ণের আবির্ভাব
হয়েছিল এক ঘোরতর সঙ্কুল পরিস্থিতিতে। তখন ছিল দ্বাপর যুগের শেষ পর্যায়। সে সময় এক কৃষ্ণপক্ষের
অষ্টমী তিথির মধ্যরাতে মথুরার রাজা কংসের কারাগারে জন্ম নেন শ্রীকৃষ্ণ। ঐতিহাসিক মথুরা
নগরীতে অত্যাচারী রাজা কংসের কারাগারে বন্দি দেবকীর কোলে জন্ম নিয়ে লড়েছিলেন পাশবিক
শক্তির বিরুদ্ধে। অন্যায় ও অসুন্দরকে রক্ষার্থে সত্য সুন্দর, পবিত্র ও শুভ শক্তির পক্ষে
শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে পৃথিবীতে। বক্তারা আরও বলেন- ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী
তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম। পাশবিক শক্তি যখন ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে গ্রাস
করতে উদ্যত হয়েছিল, তখন সেই শক্তিকে দমন করে মানবজাতির কল্যাণ এবং ন্যায়নীতি প্রতিষ্ঠার
জন্য শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটেছিল।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৩২ কেজি গাঁজা ও ১টি জিপ গাড়ী উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
আজ
জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এসআই(নিঃ) দিবাকর রায়, এএসআই সজীব বড়ুয়া ও সংগীয় ফোর্সসহ
কুমিল্লা জেলার সকল থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটি করাকালীন চৌদ্দগ্রাম
থানাধীন নানকরা সাকিনস্থ ঢাকা-টু-চট্টগ্রাম গামী মহাসড়কের পূর্ব পাশে একটি জীপ গাড়ীতে
২টি প্লাষ্টিকের বস্তা উঠাতে দেখে সন্দেহ হয়। তাৎক্ষনিক উক্ত গাড়ীর নিকট যাওয়া মাত্রই
ডিবি পুলিশ হিসেবে চিনতে পেরে গাড়ীর অজ্ঞাতনামা চালক ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৪৩৫৩ রেজিঃ নাম্বারের
লাল খয়েরী রংয়ের পুরাতন জীপ গাড়ীটি দ্রুত গতিতে চট্টগ্রাম অভিমুখে যেতে থাকে। পরবর্তীতে
উক্ত গাড়ীর পিছু ধাওয়া করলে একপর্যায়ে অজ্ঞাতনামা চালক দ্রুত ও বেপোয়ারা গতিতে চট্টগ্রাম-ঢাকা
গামী মহাসড়কে যাওয়ার (চিওড়া পুরাতন রাস্তার মাথা) রাস্তায় মেসার্স খন্দকার ষ্টোর এর
সামনে পাকা রাস্তার উপর নিয়ন্ত্রন হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। একপর্যায়ে গাড়ির অজ্ঞাতানাম চালক সহ অজ্ঞাতনামা ৩ জন সুকৌশলে
গাড়ী থেকে নেমে পালিয়ে যায়। জীপ গাড়ীটি তল্লাশী করে গাড়ীর ভিতরে পিছনের সিটের উপর ৩২
কেজি গাঁজা এবং চালকের পাশের সিটের উপর হতে একটি অপেশাদার মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড,
একটি vivo y22 মডেলের মোবাইল ফোন, একটি vivo y33s মডেলের মোবাইল ফোন পাওয়া যায়।
এ
ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করলে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-২৫,তারিখ-১৬/০৯/২০২৩খ্রিঃ,
ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) এর টেবিল ১৯(গ)/৩৮ রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


পৃথক
দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা হতে ৭৬ কেজি গাঁজা
ও সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন সুয়াগঞ্জ এলাকা হতে ৯৪ বোতল ফেন্সিডিল’সহ মোট তিনজন মাদক
ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত
টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ইং তারিখ রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকায়
বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৭৬ কেজি গাঁজা’সহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো: কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর
সূর্যনগর গ্রামের মোঃ শহীদ মিয়া এর ছেলে মোঃ মাসুদ মিয়া (৩২)।
পৃথক
অন্য একটি অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল
গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ইং তারিখ রাতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন সুয়াগঞ্জ
বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৯৪ বোতল ফেন্সিডিল’সহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলোঃ ১। মুন্সিগঞ্জ
জেলার গজারিয়া থানার ভবেরচর গ্রামের মোঃ সোহেল মিয়া এর ছেলে টিপু সুলতান (২৫) এবং ২।
নারায়নগঞ্জ জেলার সদর থানার পাইপ পাড়া গ্রামের মোঃ আশরাফ আলী এর ছেলে মোঃ রাব্বি (২৯)।
এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক
অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন
যাবৎ মুন্সিগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা, ফেন্সিডিল’সহ
বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী ও সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শোভারামপুর ও লালবাগ এলাকা থেকে ৯২ বোতল ফেন্সিডিল ও ৩ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (১৭ জানুয়ারী) দুপুরে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন শোভারামপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৯২ বোতল ফেন্সিডিলসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার কনেশতলা গ্রামের হাজী আব্দুল ওহাব এর ছেলে কামাল হোসেন (৩২)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গতকাল (১৭ জানুয়ারী) বিকালে সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন লালবাগ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। ৩ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার আড্ডা গ্রামের অনিল দাস এর ছেলে পিল্টন দাস (২৬)।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিল, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক মামলায় তিতাস গ্যাসের পিয়ন (অফিস সহায়ক) জহিরুল ইসলামের ৩ স্ত্রীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রায় এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
গতকাল রোববার (৭ জুলাই) বিকেলে কুমিল্লার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বেগম শামসুন্নাহার ৩টি মামলায় জহিরুলের ৩ স্ত্রীর বিরুদ্ধে এ রায় দেন।
অবৈধ সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগে ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ঢাকার অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের ৩ স্ত্রীকে এই সাজা দেওয়া হয়। তবে ৩ স্ত্রীর সাজা হলেও স্বামী জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সকল মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয় তাকে।
অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আনন্দপুর গ্রামে। স্ত্রীদের সঙ্গে প্রতিটি মামলাতেই দ্বিতীয় আসামি হিসেবে নাম ছিল জহিরুলের। রায় ঘোষণার সময় জহিরুল ও তার ৩ স্ত্রী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত ৩ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক ফজলুল হক।
দুদক কুমিল্লা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৯ ফ্রেব্রুয়ারি দায়েরকৃত পৃথক ৩টি মামলায় সেলিনা আক্তার, আকলিমা আক্তার ও আসমা আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ তদন্তপূর্বক মামলার বাদী ছিলেন, দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আক্তারুজ্জামান।
দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক ফজলুল হক জানান, স্থাবর, অস্থাবর অবৈধ সম্পত্তি অর্জনের দায়ে তিতাস গ্যাসের ঢাকা অফিসের অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী সেলিনা আক্তারকে ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং ১২ লাখ ১২ হাজার ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। দ্বিতীয় স্ত্রী আকলিমা আক্তারকে ৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩৪ লাখ ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তৃতীয় স্ত্রী আছমা আক্তারকে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫১ লাখ ৯৯ হাজার ৮০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। অর্থদণ্ডের টাকা রাষ্ট্রের কোষাগারে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৪ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল
(২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে শাহ আলম (৪০) নামক ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৪
কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী শাহ আলম (৪০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বারপাড়া গ্রামের মৃত শেখ ফরিদ
এর ছেলে।
র্যাব
জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে ঢাকা, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে
বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান
পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত
থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


রংপুর রাইডার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিপিএলের ফাইনালে উঠেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
১৮৫ রানের জবাবে খেলতে নেমে ৯ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কুমিল্লা ।
তবে
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। সুনীল নারিন শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। এরপর তিনে নামা তাওহিদ হৃদয় লিটন দাসকে নিয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। তাদের অসাধারণ এক জুটিতে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় রংপুর। পরে ৪৩ বলে ৬৪ রানে আউট হন হৃদয়। চারে নামা জনসন চার্লস ৩ বলে ১০ রানে ফেরেন। এর পরের ওভারে ৫৭ বলে ৮৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন লিটন। ততক্ষণে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
এর আগে, সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৫ রান তোলে সাকিব আল হাসানের দল।
ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। মাত্র ২৭ রান তুলতেই প্রথম ৩ ব্যাটার রনি তালুকদার (১৩), শামিম হোসেন (০) ও সাকিব আল হাসান (৫) ফিরেছেন দ্রুতই। পরে ঘুরে দাঁড়ায় নিশামের ব্যাটে। প্রথমে তাকে সঙ্গে দেন মাহেদী হাসান। ব্যাটিং অর্ডারের উপরে উঠে আসা মাহেদী ১৭ বলে ২২ রান করে ফেরেন ক্যারিবীয় স্পিনার সুনীল নারিনের বলে।
মাহেদীর পর নিশামের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন পুরান। কিন্তু তিনিও ব্যর্থ হন। তবে নিশাম একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট হাতে ঝড় তুলতে শুরু করেন। ৩১ বল খেলে ফিফটি তুলে নেন। এরপরও চলতে থাকে তার আগ্রাসী ব্যাটিং। রংপুরের অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান ২৪ বলে ৩০ রান করে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন। তবে ১৯তম ওভারে তাকে ফেরান ক্যারিবীয় পেস অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল।
অপরপ্রান্তে উইকেট পতন হলেও নিশাম থামেননি। শেষ ওভারে মুশফিক হাসানের ওভারে ৩ ছক্কা ও ২ চারে তুলে নেন ২৮ রান। শেষ পর্যন্ত ৪৯ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন নিশাম।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের কানাইপুরের দিকনগর এলাকায় বাস-পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষের দুর্ঘটনা ঘটে।
মুখোমুখি এ সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন।
নিহতদের মধ্যে আলফাডাঙ্গা এ.জেড. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফরিদের ফ্যামিলির সদস্য মা, বড় মেয়ে, ভাই মিলন, মিলনের স্ত্রী ও ছেলে মেয়েসহ মোট ৬ জন রয়েছে তবে বাকিদের পরিচয় জানা যায়নি।
ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাতজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনার পথে একজন ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান। বাকি পাঁচজনের চিকিৎসা চলছে।
মুখোমুখি সংঘর্ষের দুর্ঘটনা নিয়ে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা এবং আহতদের প্রত্যেককে তিন লাখ টাকা করে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে।
ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকা থেকে মাগুরার উদ্দেশে যাচ্ছিল।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন