

কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন গাজীপুর এলাকায় গত ২৪ জুন ২০২৩ইং তারিখ দুপুরে নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলোঃ কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দৌলতপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন এর ছেলে রিমন (২৯)।
প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মনোহরগঞ্জ থানার দক্ষিণ বাতাবাড়ীয়া গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম হত্যার মামলায় দশ জনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড ও ৮ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন কুমিল্লার আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ বেগম মোসাম্মৎ মরিয়ম মুন মঞ্জুরী এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মনোহরগঞ্জ থানার বাতাবাড়িয়া গ্রামের মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন, মীর হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ ইউসুফ, মিশু, মোঃ রাজন, মানিক মিয়া, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মোঃ ইসমাইল হোসেন ও মোঃ রাশেদ।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, নোমান, সালা উদ্দিন, আবুল কাশেম, মোঃ শহীদ উল্লা মেম্বার, মোঃ সালেহ আহমদ, মোঃ স্বপন, মোহাম্মদ টিপু ও মোঃ সোহাগ।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের মে মাসের ১৩ তারিখ সকালে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ থানার বাতাবাড়ীয়া গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এর বাড়ীতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা ধারালো চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের পিঠে এলোপাতাড়ি কোপ দেয় এবং লোহার রড় দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। পরে জাহাঙ্গীর আলম কে আহত অবস্থায় জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো: আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে মনোহরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে।
মন্তব্য করুন


সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) বিল-২০২৩’ পাস করা হয়েছে।
১৯৫৬ সালের ফুড (স্পেশাল কোর্ট) অ্যাক্ট এবং ১৯৭৯ সালের ফুডগ্রেইনস সাপ্লাই (প্রিভেনশন অব প্রিজুডিশিয়াল একটিভিটি) অর্ডিন্যান্স বাতিল করে নতুন এই আইনটি করা হলো।
বিলের সংশোধনী প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির এমপি কাজী ফিরোজ রশীদ আইনটি ভয়াবহ সংকট তৈরি করবে উল্লেখ করে বলেন, আইনটি কার্যকর হলে ঘুষের বাণিজ্য বাড়বে। কেউ বাড়িতে নিজের উৎপাদিত ধান রাখলেও তাকে শাস্তি পেতে হবে। আবার পরিকল্পিত ভাবেও অনেকে ফাঁসানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বুধবার রাতে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এর আগে বিরোধী দলের সদস্যদের আনা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করা হয়। এ সময় ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
তিনি আরো বলেন, কোথাও যদি খাদ্য মজুদ না করা যায়, তাহলে কৃষক উৎপাদিত পণ্য কোথায় বিক্রি করবে? তারা উৎপাদনে নিরুৎসাহিত হবে। ফলে খাদ্য সংকট তৈরি হবে। দ্রব্যমূল্য আরো বাড়বে। আবার মিনিকেট, কাটারি ভোগসহ অন্যান্য চাল নিষিদ্ধ করলে মিল মালিক ও ব্যবসায়িরা চালের ব্রান্ডিং বন্ধ করতে বাধ্য হবে। এতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমদানিকে উৎসাহিত করতে এই বিলটি আনা হয়েছে।
কৃষকরা কোনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নিয়েছে।
পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণে সারাদেশে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আদালত থাকবে। এই আদালত খাদ্যদ্রব্য বিশেষ আদালত নামে অভিহিত হবে। এই আইনের অধীনে কিছু অপরাধের বিচার মোবাইল কোর্টেও করা যাবে। খাদ্যদ্রব্য বলতে যেকোন প্রকার দানাদার খাদ্যদ্রব্য যথা- চাল, ধান, গম, আটা, ভুট্টা ইত্যাদিকে বুঝানো হয়েছে বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিলে বলা হয়েছে, সরকার নির্ধারিত পরিমাণের বেশি পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য মজুত করলে বা মজুত সংক্রান্ত সরকারের কোন নির্দেশনা অমান্য করলে তা হবে অপরাধ। এর শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। তবে এইরূপ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে, তিনি আর্থিক বা অন্য কোন প্রকার লাভের উদ্দেশ্য ব্যতীত মজুত করেছিলেন তাহলে তিনি অনূর্ধ্ব ৩ মাস কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এই অপরাধ হবে অজামিনযোগ্য।
এ বিলে আরও বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি পুরাতন খাদ্যদ্রব্য পলিশিং বা অন্য কোন খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে মিশ্রণ করে বা সরকার কর্তৃক খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহকালে সরকারি গুদামে রক্ষিত খাদ্যদ্রব্য বৈধ বা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে, দেশে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্যের পরিবর্তে আমদানিকৃত খাদ্যদ্রব্য; বা সরকারি গুদামের পুরাতন বা বিতরণকৃত সিল বা বিতরণ করা হয়েছে, এমন চিহ্নযুক্ত খাদ্যদ্রব্য ভর্তি বস্তা বা ব্যাগ বা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে খাদ্যদ্রব্যের পরিমাণগত বা গুণগত পরিবর্তন করে বা অন্য কোন অসৎ উদ্দেশ্যে সরকারি গুদামে সরবরাহ করলে তা হবে অপরাধ। এর সাজা হবে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। বিলের এই বিধান অনুযায়ী পলিশিং ও কাটিংয়ের মাধ্যমে তৈরি মিনিকেট চাল বিক্রি ও সরবরাহ আইনগত অবৈধ হবে।
বিলে বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি খাদ্য অধিদফতর কর্তৃক প্রদত্ত বিতরণকৃত সিল বা বিতরণ করা হয়েছে এইরূপ চিহ্নযুক্ত সিল ব্যতীত সরকারি গুদামের খাদ্যদ্রব্য ভর্তি বস্তা বা ব্যাগ বিতরণ, স্থানান্তর, ক্রয় বা বিক্রয় করলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এর সাজা সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। আর কোন ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন সম্পর্কিত কোন মিথ্যা তথ্য বা বিবৃতি তৈরি, মুদ্রণ, প্রকাশ, প্রচার বা বিতরণ করলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
বিলে বলা হয়েছে, কোন অনুমোদিত জাতের খাদ্যশস্য থেকে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্যকে ওই রূপ জাতের উপজাত পণ্য হিসেবে উল্লেখ না করে ভিন্ন বা কাল্পনিক নামে বিপণন করলে বা খাদ্যদ্রব্যের স্বাভাবিক উপাদানকে সম্পূর্ণ বা আংশিক পরিবর্তন করে উৎপাদন বা বিপণন করলে সেটি অপরাধ হবে। এছাড়া খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কৃত্রিম উপাদান মিশ্রণ করে উৎপাদন ও বিপণন করাও হবে অপরাধ। লাইসেন্স ছাড়া বা মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়ে ব্যবসা চললেও তা অপরাধ হবে। আর এসব অপরাধের জন্য ২ বছর কারাদণ্ড অথবা অন্যূন ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় কোতয়ালী মডেল থানাধীন
কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ি কর্তৃক ১০ কেজি গাঁজা সহ ০১ জন আসামী গ্রেফতার।
আজ ০৭/০৯/২০২৩খ্রিঃ তারিখ কোতয়ালী
মডেল থানাধীন কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এসআই(নিঃ) মফিজুর রহমান সঙ্গীয় অফিসার
ও ফোর্সের সহযোগীতায় কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন অশোকতলা রেল গেইট সংলগ্ন পূর্ব
পার্শ্বে আলম ভিলার সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে ১০ কেজি গাঁজা সহ ১ জনকে গ্রেফতার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানার অশোকতলা এলাকার মৃত আলম সিকদার এর ছেলে আব্দুল কাদের (২৫)।
উক্ত ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের
করলে কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং-২৫, তারিখ- ০৭/০৯/২০২৩; ধারা-৩৬(১) সারণির ১৯(খ)
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮; রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষণ ও রিপোর্ট কার্ড তৈরির অ্যাপ 'নৈপুণ্যর' আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।
গতকাল বুধবার এ অ্যাপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে অ্যাপটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অ্যাপটির উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাত, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ, সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দ্র মজুমদার, বিশিষ্ট সাংবাদিক সুভাষ সিংহ রায়, এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ফরহাদুল ইসলাম, সদস্য অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদসহ শিক্ষা প্রশাসনের কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, এ অ্যাপটি শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংগ্রহ করতে প্রস্তুত করা হয়েছে। এ অ্যাপটিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। একইসঙ্গে এ অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিক্ষার্থীদের রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুত করবে।
জানা গেছে, জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুযায়ী ২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে চালুকৃত মূল্যায়ন পদ্ধতির তথ্য সংরক্ষণ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুতের জন্য ‘নৈপুণ্য’ নামের অ্যাপটি উন্নয়ন করা হয়েছে। এটুআইয়ের কারিগরি সহায়তায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এর দায়িত্বে রয়েছে।
অনুষ্ঠানে এনসিটিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ অ্যাপে শিক্ষকদের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর মাধ্যমেই বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নির্বাচন করবেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। প্রধান শিক্ষকদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে অ্যাপে লগইন করা ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পাঠানো হয়েছে। তা ব্যবহার করে প্রধান শিক্ষকরা অ্যাপে লগইন করতে পারবেন। শিক্ষক ব্যবস্থাপনা অপশন থেকে শিক্ষকদের যুক্ত করা যাবে এবং বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নির্বাচন করা যাবে। কোনো শিক্ষককে যুক্ত করা হলে তার মুঠোফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড চলে যাবে। যা দিয়ে ওই শিক্ষক অ্যাপের ড্যাশবোর্ডে লগইন করতে পারবেন। এতে শিক্ষার্থীদের শিখনকালীন মূল্যায়ন ও সামষ্টিক মূল্যায়নের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে৷ এটি ব্যবহার করেই সক্রিয়ভাবে রিপোর্ট কার্ড প্রস্তুত করতে হবে।
শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা আরো বলছেন, এ অ্যাপে শিক্ষকদের শিক্ষার্থীর শিখণকালীন ও সামস্টিক মূল্যায়নের (পরীক্ষা) তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। অ্যাপে সংরক্ষিত তথ্য শিক্ষার্থীর একটি আইডিতে সংরক্ষিত থাকবে। যা পরবর্তী শ্রেণিতেও শিক্ষকরা দেখতে পারবেন।
জানা গেছে, নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের তথ্য সংরক্ষণ ও রিপোর্ট কার্ড তৈরির অ্যাপ ‘নৈপুণ্য’ গত শনিবার শিক্ষকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এ অ্যাপে মাধ্যমিক পর্যায়ের সব স্কুল ও মাদরাসার রেজিস্ট্রেশন করতে স্কুল ও মাদরাসাগুলোর প্রধানদের বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বান্দুটিয়া এলাকার মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৯ লাখ টাকার হেরোইনসহ ৩ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
জেলা পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খানের নির্দেশনায় ডিবি পুলিশের ইনচার্জ আবুল কালামের তত্ত্বাবধানে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন, সাব ইন্সপেক্টর মাহবুব আলম। অভিযানে পশ্চিম বান্দুটিয়ায় একটি চায়ের দোকানের সামনে থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছে থাকা ৯০ গ্রাম হিরোইন জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা মাদকের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় নয় লাখ টাকা।
২ অক্টোবর সোমবার সকালে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ইনচার্জ আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানা গেছে।
আটককৃতরা হলো: বেতিলা চর এলাকার মৃত রুহুল আমিনের ছেলে কামরুল হাসান (৪২), পশ্চিম বান্দুটিয়া এলাকার মৃত আকবর আলীর ছেলে নাছির উদ্দিন (৫০), সদর উপজেলার পশ্চিম সেওতা এলাকার হযরত আলীর ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (২৪)।
মানিকগঞ্জ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মন্তব্য করুন


মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে হলুদের বিশাল সমারোহ। চারদিকে বিরাজ করছে শীত। কুয়াশা ও ঝলমলে রোদের খেলা এখন দিগন্ত বিস্তৃত হলদে বরণ সরিষার ফুলে ফুলে। সরিষা ক্ষেতের মাঝে দাঁড়িয়ে আবার অনেকেই ছবি তুলেন। সেই সব ছবি বেশ কিছু দিন ধরেই অনেকেই সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমণি। ছবির লোকেশন ট্যাগ দেখে জানা যায় বরিশালের কোন একটি স্থানে ছবিগুলো তুলেছেন পরীমনি। আর সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন বোন।
পরীমণি
ছবিগুলো শেয়ার করে বোনদের উদ্দেশে ক্যাপশনের শুরুতেই লেখেন, তোরা যখন আমার বয়সের হবি
তখন আমার মতো করে তোদের ছোটদের সঙ্গেও এমন সুন্দর কিছু মেমোরি জীবনে বাঁধাই করে রাখিস।
এসব পাগলামি জীবনকে আনন্দে বাঁচায়। ছবিগুলোর পেছনের গল্পও যুক্ত করেছেন এই পোস্টে।
পরীমণি আরও লেখেন, ছবিগুলোর পেছনের গল্পটা অনেক অ্যাডভেঞ্চারাস ছিল। গাড়িতে বাবুকে
(পরীর পুত্র রাজ্য) ঘুমে রেখে একটা আননোন মার্কেটে নাক, মুখ চাদরে ঢেকে নেমে পরলাম
শাড়ি খুঁজতে। পাই না, পাই না, পাই তো পছন্দ মতো হয় না, যাই হোক হলো। হতেই হতো আর কি!
এবার পালা শাড়ির ব্লাউজ! ওহ সেকি কাণ্ড! সেটাও ম্যানেজ করে ফেললাম শেষ মেষ। ওদিকে
রোদ চলে যায় যায়। দুপুরের খাওয়া হয়নি তখনও। পেটে খিদে নিয়ে কি আর এমন সুন্দর মাঠে নেমে
হিহি করা যায়। উড়ে এসে ঘরে ঢুকেই পেট ভরে হাঁসের মাংস দিয়ে ভাত খেলাম। তখন সূর্য গাছের
নিচে! এর মধ্যে আমরা রেডি হয়ে মাঠে হিহি-হাহা করতে করতে এতো সুন্দর কিছু মুহুর্ত ধরে
রাখতে পারলাম।
মন্তব্য করুন


ফেনীর
সোনাগাজী এলাকা হতে একাধিক মাদক মামলার এজাহারনামীয় ২ জন আসামীকে ২০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার
করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
র্যাব-৭,
চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী ফেনী জেলার সোনাগাজী
মডেল থানাধীন মুহুরী প্রজেক্ট এলাকার একটি হোটেল এর সামনে পাকা রাস্তার উপর বস্তা ভর্তি
মাদকদ্রব্য নিয়ে গাড়ীতে উঠার জন্য অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের
একটি আভিযানিক দল গত ১৭ আগস্ট ২০২৩ ইং তারিখ উক্ত স্থানে হাজির হওয়া মাত্রই র্যাবের
উপস্থিতি আঁচ করতে পেয়ে মাদক কারবারীরা কৌশলে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র্যাব সদস্যরা
অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ জাকির
হোসেন (৫২), পিতা- মৃত মোফাজ্জল হোসেন চকিদার এবং ২। মোসাঃ মনোয়ারা বেগম (৩৫), স্বামী-
শামসুল আলম @ মোঃ সেলিম, পিতা- মমতাজ উদ্দিন, উভয়ের সাং- লাইটহাউজ, থানা- কক্সবাজার
সদর, জেলা- কক্সবাজার। তাদের দেখানো ও সনাক্তমতে ২ টি প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর হতে
সর্বমোট ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
র্যাব
জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ সুকৌশলে মাদকদ্রব্য (গাঁজা) ফেনী জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা
হতে সংগ্রহ করে পরবর্তীতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ পার্শ্ববর্তী জেলার বিভিন্ন মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের নিকট অধিকমূল্যে বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের
আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষ টাকা।
উল্লেখ্য,
সিডিএমএস পর্যালোচনা করে গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম এবং
কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন থানায় সর্বমোট ৬ টি মাদক মামলা রয়েছে। এছাড়াও আসামী মোসাঃ
মনোয়ারা বেগমের নামে চট্টগ্রাম এবং ফেনী জেলার বিভিন্ন থানায় সর্বমোট ৩ টি মাদক মামলা
রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত
আসামী ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনী
জেলার সোনাগাজী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ক্রোগাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৯ কেজি গাঁজাসহ শফিকুল ইসলাম
(৫২) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব।
বুধবার
(১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ তথ্য জানানো হয়, র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট
মাহমুদ বশির আহমেদ এর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
ওই
এলাকার সালেক উদ্দিনের ছেলে আটককৃত শফিকুল ইসলাম।
জানা
গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (১২ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় র্যাব গোবিন্দগঞ্জের
ক্রোগাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সেখানে গাঁজা কেনা-বেচাকালে সাড়ে ৯ কেজি গাঁজাসহ মাদক
কারবারি শফিকুলকে আটক করা হয়। তবে সে সময় শ্রী সন্তোষ চন্দ্র বর্মণ (৪৫) নামে তার এক
সহযোগী পালিয়ে যায়।
আটককৃত
শফিকুলকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনা-বেচার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার
কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় আটককৃত ও পলাতক আসামির বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক মামলা রুজু
করার জন্য গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩২ কেজি গাঁজা ও ১ টি পুরাতন ব্যাটারীচালিত অটোরিকশা সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার কোতয়ালী মডেল থানার এসআই (নিরস্ত্র) কাজী ইকবাল হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমড়াতলী এলাকায় পাকা রাস্তার উপর ৩২ কেজি গাঁজা সহ মোঃ রাকিব হোসেন(২২) এ বং সাইদুর রহমান শাকিব (১৯)দ্বয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিরা হল-১। মোঃ রাকিব হোসেন(২২), পিতা-মৃত রফিকুল ইসলাম, সাং-শব্দলপুর, থানা-মুরাদনগর, বর্তমানে-চানপুর বৌ-বাজার, বুলবুলি বেগমের বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-কোতয়ালী, ২। সাইদুর রহমান শাকিব প্র: কাজল (১৯), পিতা-মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সাং-কালাকচুয়া, থানা-বুড়িচং, বর্তমানে-চানপুর বৌ-বাজার শফিকুর রহমান এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা- কুমিল্লা কোতয়ালী, উভয় জেলা –কুমিল্লা।
উক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মেয়ে শিশু জন্ম নেওয়ায় ওই নবজাতককে মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যরা নবজাতককে হাসপাতালে ফেলে পালিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে ওই ঘটনাটি ঘটে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে। বিষয়টি জানাজানি হয় বিকেলে।
নবজাতক রেখে পালিয়ে যাওয়া দম্পতি হলো আলমগীর হোসেন ও পাপিয়া খাতুন। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের বাসিন্দা ওই নবজাতককে মা-বাবা।
নিজেদের সন্তান হাসপাতালে ফেলে পালানোর বিষয়ে জানা যায়, তিন মেয়ের পর এবার ছেলেসন্তানের আশায় বুক বেঁধেছিলেন এ দম্পতি। ফের কন্যাসন্তান হলে স্ত্রী পাপিয়াকে তালাকের হুমকিও দেন আলমগীর! কিন্তু এবারও কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন পাপিয়া। তাই তারা হাসপাতালে সন্তান রেখেই পালিয়ে গেছেন।
হাসপাতাল থেকে জানা গেছে, প্রসব বেদনা উঠলে সকাল ৭টা ৪৩ মিনিটে পাপিয়া খাতুনকে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানেই কন্যাসন্তান প্রসব করেন পাপিয়া। পরে তাকে ভর্তি করা হয় গাইনি ওয়ার্ডে। কিছুক্ষণ পর নবজাতককে আলমডাঙ্গা উপজেলার ছত্রপাড়া গ্রামের বিলকিস বানু নামে এক নারীর কাছে রেখে পালিয়ে যান ওই নবজাতকের মা-বাবা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।
খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিদ্দিকা সোহেলী রশীদ ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী।
পরে নবজাতকটিকে সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মালেকা খাতুনের তত্ত্বাবধায়নে রাখা হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা ওই নবজাতকের নাম রাখেন ‘পুষ্প’।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেন, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ওয়াহেদ মাহমুদ রবিন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী জানান, ওই দম্পতি হাসপাতালে যে নাম ও ঠিকানা দিয়েছেন তা যাচাই করা হয়েছে। তারা ভুল তথ্য দিয়েছেন। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও ছবি দেখে ওই নারী ও তার স্বজনদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
নবজাতকটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়নে রয়েছে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা-তুজ-জোহরা।
মন্তব্য করুন