

স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ২৮ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।
রবিবার (২০ অক্টোবর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে র্যাব।
আটককৃত মাদক কারবারিরা হলেন, স্বপন বিশ্বাস (৩৩) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার কালিপদ বিশ্বাসের ছেলে এবং বেল্লাল হোসেন (৪৫) একই জেলার কসবা উপজেলার আকাপপুর গ্রামের আঃ রাজ্জাকের ছেলে।
কুমিল্লা র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মাত্র ৯ টাকার একটি ওষুধ ৮০ টাকায় বিক্রির অভিযোগে কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ বাজারে অবস্থিত ‘সাহ মেডিকেল হল’কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রবিবার (১৩ জুলাই) সকালে পরিচালিত অভিযানে একাধিক অনিয়ম উদ্ঘাটিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে এ জরিমানা আরোপ করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া। তিনি বলেন, “সাহা মেডিকেল হলের বিক্রয়কর্মীরা নির্ধারিত খুচরা মূল্য (MRP) অমান্য করে অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রি করছিলেন। এটি সম্পূর্ণভাবে ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণা এবং আইন লঙ্ঘনের শামিল। এ ধরনের অপকর্ম কখনোই বরদাশত করা হবে না।”
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ৯ টাকা মূল্যের একটি ওষুধের প্যাকেট একজন রোগীর কাছে ৮০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এর বাইরে আরও কিছু ওষুধের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রমাণ মেলে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির স্টোর পরিচালনায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, মূল্যতালিকা এবং ভোক্তার অভিযোগ জানাবার সুবিধাজনক ব্যবস্থার অভাব পাওয়া যায়।
মো. কাউছার মিয়া আরও জানান, “জনস্বার্থে এবং রোগীদের অধিকার রক্ষায় আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা নিয়মিত বাজার তদারক করে যাচ্ছি। যারা আইন মানছে না, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযানে সহায়তা করেন কুমিল্লা জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আবুল কালাম আজাদ, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।
এই ঘটনার পর ভোক্তাসাধারণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এমন কঠোর পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। স্থানীয় এক ক্রেতা বলেন, “আমরা তো গরীব মানুষ, ওষুধই যখন এভাবে দাম বাড়িয়ে দেয়, তখন কোথায় যাব? এই রকম নিয়মিত অভিযান দরকার।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের ওষুধখাতের স্বচ্ছতা এবং ভোক্তা সুরক্ষার জন্য নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যাতে প্রতারিত না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে।
প্রসঙ্গত, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী, কোনো পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলায় একটি বিল থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার জাফরগঞ্জ এলাকার দোয়াইজলা নামক বিলে ফসলি জমির পাশে ওই দুজনের মরদেহ পাওয়া যায়।
নিহতরা হলেন- দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ গ্রামের প্রয়াত দুলু মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (৩০) এবং খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার সুখাকেন্দ্রায় গ্রামের রহুল আমিন মিয়ার ছেলে মোহন মিয়া (৩৫)। তারা ইন্টারনেট ও ডিস সংযোগ বিল তোলা, সংযোগ স্থাপন ও মেরামতের কাজ করতেন।
পুলিশ জানায়, মরদেহে তেমন কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মরদেহের কাছ থেকে মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে। এ কারণে তারা নিশ্চিত হতে পারছে না যে, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে।
মনিরের ছোট বোন জান্নাত আক্তার জানান, "মনির আমার একমাত্র ভাই, তাকে কারা হত্যা করেছে আমরা বলতে পারব না। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে, এখন তাদের কি হবে?"
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মরদেহ দুটি খড়ের ওপর পাওয়া গেছে এবং প্রায় ২০-২৫ ফুট দূরে খড়ের একটি গাদা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শনিবার রাতের কোনো এক সময় তারা খড় নিয়ে এখানে বসে মাদকসেবন করছিলেন। মাদকে সম্ভবত বিষাক্ত কিছু ছিল, যা সেবনের পর তাদের শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম বলেন, "রবিবার সকালে দোয়াইজলা বিলে কৃষকরা কাজ করতে এসে দুজনের মরদেহ দেখে আমাকে খবর দেয়। পরে ঘটনা নিশ্চিত হয়ে পুলিশকে খবর দেই। তারা দুজনই ডিস ও ইন্টারনেট সংযোগের কাজ করতেন। এটি হত্যাকাণ্ড কিনা, এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।"
ডিস ও ইন্টারনেট ব্যবসায়ী বদিলউল আলম সানোয়ার বলেন, "মনির ও মোহন আমার প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। মনির বাড়িতে থাকত এবং মোহন অফিসে। মোহনের বাবা আমাকে জানিয়েছেন, রাত ১১টার পর শেষবার মোহনের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারপর তাকে আর অফিসেও পাওয়া যায়নি।"
তারা মাদক সেবন করতেন কিনা জানতে চাইলে সানোয়ার বলেন, "মনির মাদকাসক্ত ছিল, কিন্তু মোহন মাদক সেবন করত কিনা আমি জানি না।"
এ বিষয়ে দেবীদ্বার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ মো. শাহীন জানান, "আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এখনই বলা সম্ভব নয় এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কিছু। তবে ঘটনাস্থল থেকে সিরিঞ্জ, সিগারেট, স্পিরিটের খালি বোতলসহ বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। এগুলোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। আরও তথ্য এবং আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে।"
তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার:
রাজধানী ঢাকার উপকন্ঠে অবস্থিত কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নে স্থানীয় আলোকিত নারী সংঘের উদ্যোগে তৃষ্ণার্ত পথচারীদের মাঝে ঠান্ডা পানি বিতরণ করা হয়। এ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা শামীমা নাসরিন ইভা সশরীরে উপস্থিত থেকে এ পানি বিতরণ করেন।
ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাক্তার চর এলাকার স্থানীয় খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন শত শত মাঠ ও ইট ভাটা শ্রমিক ও সাধারন মানুষ পারাপার হয়ে থাকে। দাবদাহের
বর্তমান পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা প্রায়শই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। তাদের শরীরের পানি শুন্যতা রোধে স্থানীয় উল্লেখিত নারী সংঘ গতকাল খেয়া ঘাটে পারাপাররত তৃষ্ণার্তদের মধ্যে বোতলজাত ঠান্ডা পানি বিতরণ করেন।
সংঘের প্রতিষ্ঠাতার সাথে এ কর্মসূচীতে যোগ দেয় সংঘের সদস্য এবং স্থানীয় অধ্যাপক হামিদুর রহমান স্কুল ও কলেজের নারী শিক্ষার্থীবৃন্দ। গরমে অতিষ্ঠ এ সময়ে প্রান্তিক পর্যায়ে এ ধরনের কর্মসূচীর প্রশংসা করেন স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ এলাকাবাসী।
উল্লেখ্য, নারীদের এ সংঘটি এলাকার দরিদ্র পরিবারে নারী শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় সহায়তা, খাদ্য বিতরণ,অসুস্থদের পাশে দাঁড়ানো এবং গাছ লাগানোসহ বিভিন্ন সচেতনতামুলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে। এলাকার প্রবাসী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও নারী শিক্ষার্থীরা এ সকল কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বজ্রপাতে আনোয়ারুল হক (২৮) নামের একহন মাটি কাটা শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
তিনি লালমনিরহাটের আদিতমারি উপজেলার বারগরিয়া গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে। দুপুরে উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের খিরনশাল- লনিশ্বর মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন উপজেলার মুন্সীরহাট ইউপি সদস্য সাহাব উদ্দিন মজুমদার রানা। এসময় আহত হয়েছেন আরেক শ্রমিক একই এলাকার মজিবুর রহমান।
আহত মজিবুর রহমান জানান, লনিশ্বর গ্রামের মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের কৃষি জমিতে সকাল থেকে মাটি কাটার কাজ করছিলাম আমরা ১০/১২ জন শ্রমিক। দুপুরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে থেমে থেমে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারুল হকের মৃত্যু হয়। আমাদের শোর চিৎকারে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবুল হাসেম জানান, বজ্রপাতের ঘটনায় দুইজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তার মধ্যে আনোয়ারুল হক নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে৷ মজিবুর রহমান নামের আরেক জনকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট হৃদরোগ, বাতজ্বর ও ডায়াবেটিকস এর মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মো: রুহুল আমিনকে ফাঁসাতে নানা অপবাদ দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচারে নেমেছে কিশোরগঞ্জ জেলার একটি মহল। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে ডাক্তার রুহুল আমিন জানান, কিশোরগঞ্জের নিকলী ও বাজিতপুর এলাকায় আমি ১২ বছর যাবত চেম্বার করি।এ এলাকার হাজার হাজার রোগী আমার চিকিৎসায় উপকৃত হয়েছেন এবং হচ্ছেন। নিকলী হেল্থকেয়ার ডায়াগনস্টিক এর মালিক ওমর ফারুক চৌধুরী ও তার স্ত্রী বিলকিস বিভিন্ন সময় রিপোর্ট জালিয়াতি ও ভুয়া রিপোর্ট করে আমার কাছে ধরা পড়ে। এসব কারনে বিভিন্ন সময় আমি চেম্বার ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেই।তারা আর এসব ভুল করবেনা মর্মে ক্ষমা চায় এবং আমাকে বিভিন্নজনকে দিয়ে সুপারিশ করিয়ে চেম্বার করার অনুরোধ করে। আমি ভুল ও জালিয়াতি না করার প্রতিশ্রুতি পেয়ে চেম্বার অব্যাহত রাখি। উল্লেখ্য আমি নিকলী ও পাশ্ববর্তী সরারচর বাজারে দুইটি চেম্বার করি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সরারচর, শুক্রবার সকালে নিকলী ও শুক্রবার বিকেলে পুনরায় সরারচর চেম্বার করি। বৃহস্পতিবার রাতে আমি নিকলী চেম্বার মালিকের বাসায় একটি রুমে থাকি। আমার পরিবার ২০১৭ সালে বাজিতপুর থেকে ঢাকায় চলে আসার পর থেকে আমি ওদের বাসায় প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে অবস্থান করতে হয়। চলতি বছরের ২৩ মার্চ সেহরির সময় চেম্বার মালিক ওমর ফারুক চৌধুরীর মাদকাসক্ত ছেলে ওমর বেলায়েত (পূণ্য)আমার কক্ষে মাদকাসক্ত অবস্থায় প্রবেশ করে আমার মানিব্যাগ ও মোবাইল নিয়ে যায় এবং আমাকে শারীরিকভাবে আহত করে।
তখন ওর বাবা-মা ৯৯৯ এ কল দিলে মাদকাসক্ত ও উন্মাদ ছেলেকে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগীতায় পুলিশ দেশীয় অস্ত্রসহ ও আমার লুন্ঠিত মালামালসহ আটক করে।ছেলে পুলিশের হাতে আটক অবস্থায় বের হওয়ার পর আমাকে হত্যার হুমকি দেয়।আমি চেম্বার মালিককে জানাই ছেলেকে জেল থেকে বের করলে আমাকে জানাতে এবং জেল থেকে রিহ্যাবে দিতে।কিন্তু তারা তা না করে আমাকে না জানিয়ে ছেলেকে জেল থেকে মুক্ত করে। আমি বিষয়টি জেনে আমার নিরাপত্তা ইস্যুটিতে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে ওদেরকে নিকলী চেম্বার ছেড়ে দেয়ার মৌখিক নোটিশ দেই। তারা আমাকে বিভিন্নভাবে ম্যানেজের চেষ্টা করে।তারপরও আমি ১৮ এপ্রিল চেম্বারে না বসলে আমাকে নারীঘটিত ব্যাপারে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। ঐদিন সন্ধ্যার পর কয়েকজন ব্যাক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে আমার সরারচর চেম্বারে এসে জানায় - নিকলীর ফারুক চৌধুরী ও তার স্ত্রী বিলকিস আমার বিরুদ্ধে তাদের মেয়েকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছেন।
এর মধ্যে তারা বিভিন্নভাবে আমাকে ও আমার পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিতে থাকে এবং সাংবাদিক পরিচয়ে কিছু ব্যাক্তি আমার কাছে নিউজ করার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করতে থাকে। এতে আমি ১৯ এপ্রিল টঙ্গী থানায় একটি সাধারণ ডায়রি দায়ের করি। আমি কাউকে টাকা না দেয়ায় ২২ এপ্রিল কিছু ব্যাক্তি আমার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর ফেসবুকে পোস্ট করতে থাকে। ২৩ এপ্রিল তারা ঠিক একমাস আগে যে মামলায় তাদের নিজের ছেলের বিরুদ্ধে আমার ও তার নিজের বাবা-মায়ের উপর হামলার করেছিলো সেই ঘটনাকেই ভিন্নখাতে সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে তাদের মেয়েকে শ্লীলতাহানির মামলা করে। আমি মাত্র একটি চেম্বার না করার পরপরই আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমুলক মামলা করে। অথচ আমি ১২ বছর তাদের চেম্বারে রোগী দেখার পরও তারা কোনদিন আমার বিরুদ্ধে ন্যুনতম অভিযোগ করেনি।
এমতাবস্থায় বিভিন্ন ফেসবুক প্রোফাইল ও সংবাদপত্র আমার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মুখরোচক ভুয়া নিউজ করে আমার ও আমার পরিবারের জীবনকে দূর্বিসহ করে তুলেছে। তাছাড়া আমার বিরুদ্ধে নিকলী থানায় ভুয়া অভিযোগ দায়ের করে আমাকে প্রচন্ড হয়রানি করছে। এমতাবস্থায় দেশের বিবেকবান মানুষ, ছাত্রজনতা, ডাক্তার সমাজ, বিবেকবান সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আমার অনুরোধ একজন ডাক্তারকে ভয়াবহ হয়রানি থেকে রক্ষা করুন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উনকুট পশ্চিমপাড়া এলাকায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে যুবলীগ নেতা অপুর বাড়ি থেকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়েছে।কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উনকুট পশ্চিমপাড়া এলাকায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে যুবলীগ নেতা অপুর বাড়ি থেকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়েছে।
যুবলীগ নেতা রবিউল হোসেন অপু চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উনকুট পশ্চিমপাড়ার আবুল বাশার মুহুরির ছেলে। সে শুভপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩০ জানুয়ারি মধ্যরাতে অভিযানের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি বাড়িতে উপস্থিত না থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি পাইপ গান ও একটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মালামাল পরবর্তীতে আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব কেটে যাওয়ায় বরিশাল থেকে সব ধরনের নৌযান চলাচলের অনুমতি দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। সোমবার (১৫ মে) সকাল ৯টা থেকে অভ্যন্তরীণ ১১টি ও দূরপাল্লার একটি সব মিলিয়ে ১২টি রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে।
বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক।
আব্দুর রাজ্জাক জানান, এর আগে ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে ২ দিন সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণার পর বরিশালের অভ্যন্তরীণ রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় বিআইডব্লিউটিএ। শুরুতে শুধুমাত্র যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে বরিশালের ১২টি নৌরুটে সব ধরনের নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিআইডব্লিউটিএ। এমনকি সব ধরনের নৌযান নিরাপদে নোঙর করে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সৈয়দ মেহেদী হাসান/এবিএস
মন্তব্য করুন


“ভ্যাট দিবো জনে জনে, অংশ নেব উন্নয়নে” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভ্যাট প্রদানের প্রতি জনগণকে আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লার উদ্যোগে পালিত হলো ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ ২০২৪। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে যথাযথ ভ্যাট প্রদানের আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) কুমিল্লা নগরীর একটি হোটেলে সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এসময়, সেমিনারে বক্তারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য রাজস্ব আহরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ভ্যাট প্রদানকে সহজ করা এবং ভ্যাট প্রদানে করদাতাদেরকে উৎসাহিত করা ভ্যাট দিবসের লক্ষ্য। রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশের বর্তমান জিডিপির অনুপাত ও দুই ডিজিটে উন্নীত করতে হলে ব্যবসায়ী সমাজ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও চূড়ান্ত করদাতা জনগণকে সমন্বিতভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। এক্ষেত্রে, প্রতি ১০০ টাকা রাজস্ব আহরণে বর্তমান ব্যয় মাত্র ১৯ পয়সা হতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি করতে সরকারকে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, আমাদেরকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। আমাদেরকে শত্রু ভাবা যাবে না। আর এভাবেই আমরা সামনে এগিয়ে যাবো। রাষ্ট্রের সিংহভাগ আয় আসে ভ্যাট থেকে। ভ্যাট থেকে দেশের রেভিনিউ এর ৪০ ভাগ আসে৷ উন্নয়নের গতি অটুট রাখতে রাজস্ব বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই৷ ব্যাপক জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই সকল ভ্যাট আদায় সম্ভব হবে। সামগ্রিক ভ্যাট ব্যবস্থাপনাকে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশনে আনতে জাতীয় রাজস্ববোর্ড কাজ করে যাচ্ছে। এতে, করদাদাতেরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আর, আপনারা চুরি বন্ধ করে দিন, ভ্যাট কর্মকর্তারা আপনার দরজায় কড়া নাড়বে না।
বক্তারা আরো উল্লেখ করেন, গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর জাতীয় অর্থ বাজেটে ভ্যাটের অবদান বেড়েছে। এছাড়াও, ভ্যাটে প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগতে শুরু করেছে। আমরা এখন অনলাইনেই আয়কর আবেদন, আয়কর রিটার্ন ও আয়কর জমা দিতে পারি৷ ভ্যাট সফটওয়্যার চলে আসলে আগামীতে আরো উন্নত হবে এই দিকটা। আর, গ্রাহকদেরকে বলবো ভ্যাট দেওয়ার পর অবশ্যই ভ্যাট চালান গ্রহণ করতে হবে৷ সমতাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভোজ্য তেল, কীটনাশক, হজ্বযাত্রার টিকেট খরচ ও অন্যান্য ফি'র ক্ষেত্রে ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। ভারী শিল্পের ক্ষেত্রেও ভ্যাট হ্রাস করা হচ্ছে। এসময়, বক্তারা দেশের সার্বিক উন্নয়নে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়া দৃপ্ত অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন বক্তারা৷
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা কর অঞ্চলের কর কমিশনার শেখ মোঃ মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লার কমিশনার মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান। স্বাগত বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লার অতিরিক্ত কমিশনার মির্জা সহিদুজ্জামান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লার যুগ্ম কমিশনার মোঃ পায়েল পাশা।
এসময় কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লার সহকারী কমিশনার ইমরান হোসেন ও রীমা আকতারের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লার যুগ্ম কমিশনার স্নিগ্ধা বিশ্বাস, যুগ্ম কমিশনার ফাহাদ আল ইসলাম, কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্সের সহ সভাপতি জামাল আহমেদ। এছাড়াও, সেমিনারে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লার মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের স্টেকহোল্ডার, বিভিন্ন সেক্টরের ব্যবসায়ী, উৎপাদনকারীগণ ও বিভিন্ন স্তরের সম্মানিত ভ্যাটদাতারা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে অতিথিদের বক্তব্য শেষে, ভ্যাটদাতারা ভ্যাট এক্সাইজ কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এখানে, ভ্যাটদাতারা কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন করেন ও কর্মকর্তারা সেগুলোর উত্তর প্রদান করেন। এসময়, ভ্যাটদাতারা ভ্যাটসম্পর্কিত বিভিন্ন পরামর্শও প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক জব্দ করেছে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী।
মঙ্গলবার ( ২০ জানুয়ারি) ভোররাতে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মৌটুপি এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের নিমিত্তে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে মৌটুপি এলাকা হতে ১টি ৯ মিঃমিঃ পিস্তল, ২ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১টি দেশীয় অস্ত্র এবং ২৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক তিতাস থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা তিতাস উপজেলায় সেনাবাহিনী নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদক ও অস্ত্রসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন এবং মাদক নির্মূলের লক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ অক্টোবর যৌথ বাহিনী ও তিতাস থানা পুলিশ তিতাস উপজেলার শাহপুর এলাকায় অভিযান পরিচলনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে অস্ত্রধারী নাজিয়া সুলতানা (২৭), ময়না (৩২), ফারজানা (২৮) এবং শান্তি রানীকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১ টি রিভলবার, ৩ টি স্থানীয় বন্দুক, ৩ টি বড় ছুরি, ১ টি সুইচগিয়ার, ১ টি ছোট কুঠার এবং ১০ টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ও উদ্ধারকৃত সরঞ্জামাদী তিতাস থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন